বিশ্ব বিদ্যালয় ভর্তি যুদ্ধ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বিশ্ব বিদ্যালয় ভর্তি যুদ্ধ

বিশ্ব বিদ্যালয় ভর্তি যুদ্ধ University Admiration Test

11/07/2025

বর্তমান ঢাবি

12/03/2025

চাকরিটা হলেই বাবা-মায়ের জন্য ইদের শপিং করে দিবেন এমন নিয়ত করা বেকারদের আল্লাহ দ্রুত বেকারত্ব দূর করে দিন। আমীন 🤲🤲🤲

09/03/2025

"যে দেশে নারীরা
অনিরাপদ
সে দেশে পুরুষরা
কাপুরুষ"

22/10/2023

একটা লাইফ লেসন শেয়ার করি।
আপনি যত বেশি জেনুইন হবেন, জগতে তত বেশি পস্তাবেন।
আপনি যদি পড়াশোনায় একটু ভালো ও পারিবারিকভাবে দায়িত্ববান হন তাহলে পুরো পরিবার আপনার ওপর পাহাড়সমান এক্সপেকটেশন নিয়ে বসে থাকবে। এক্সপেকটেশন ফুলফিল করতে না পারলে আপনি দুনিয়ার সবচেয়ে ব্যর্থ মানুষ হিসেবে ভূষিত হবেন।
আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে রেস্পন্সিবল হন, আপনার ওপর আরো কাজ চাপানো হবে। নিজের যোগ্যতায় যদি ভালো করেন বাকিদের চক্ষুশূল হবেন। দিনশেষে কর্মক্ষেত্র বা সহকর্মী কেউই আপনার আবদান মনে রাখবে না।
আপনি যদি ভালোমতো পড়াশোনা করে ভালো রেজাল্ট করেন তাহলে আপনি আতেল হিসেবে গণ্য হবেন৷ পরীক্ষায় নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করে আরেকজনকে না দেখানোর অপরাধে ভীষণ স্বার্থপর হিসেবে পরিচিতি পাবেন।
আপনি যদি রিলেশনশিপে অনেস্ট ও সিরিয়াস হন, তাহলে টেকেন ফর গ্র‍্যান্টেড হয়ে যাবেন। আপনার পার্টনার বুঝে যাবে সে যাই করুক না কেন, আপনি তাকে ক্ষমা করে দেবেন। আপনার ইমোশোনের বিশেষ কোন মূল্য তার কাছে থাকবে না।
কোথাও নিয়ম মেনে লাইন ধরে দাঁড়ালে দেখবেন আপনার সামনে কত মানুষ এসে ঢুকে গেছে। লেন মেনে গাড়ি চালালে দেখবেন রং ওয়েতে গাড়ি আপনার আগে চলে যাচ্ছে৷ এমন উদাহরণ সারাদিন ভুড়ি ভুড়ি দেয়া যাবে।
বেপরোয়া, দায়িত্বহীন, তেলবাজ, ফাঁকিবাজ, গলাবাজ, ডমিন্যান্ট, সুযোগ-সন্ধানী, অনিয়মানুবর্তী, কূটনা না হলে পদে পদে পিষ্ট হতে থাকবেন। যত বেশি জেনুইন হবেন, তত বেশি মানুষের দ্বারা ব্যবহৃত হবেন। যত বেশি ফেক আর কেয়ারলেস হবেন, তত বেশি উন্নতি করবেন। জেনুইন আপনি না পারবেন কিছু করতে, না পারবেন ওদের মত হতে। বারবার বিবেকের কাছে আটকে যাবেন। এটাই আপনার নিয়তি।
© Safayat Polok

07/09/2022

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন আগামী ১৯ নভেম্বর ২০২২ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নোবেল বিজয়ী ফরাসী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. জ্যাঁ তিরোল।

২০০৪ সাল। এসএসসি পরীক্ষায় কেরাণীগঞ্জে প্রথম জিপিএ ৫ পেয়ে যতটা না খুশি হয়েছিলাম, ততটা বা তার চেয়ে বেশি বোধ হয় কষ্টও পেয়েছ...
07/09/2022

২০০৪ সাল। এসএসসি পরীক্ষায় কেরাণীগঞ্জে প্রথম জিপিএ ৫ পেয়ে যতটা না খুশি হয়েছিলাম, ততটা বা তার চেয়ে বেশি বোধ হয় কষ্টও পেয়েছিলাম। পরিবার পরিজন, আত্মীয়স্বজন, স্কুলের কতিপয় শিক্ষক ও কমিটির সদস্য, পাড়া প্রতিবেশি, পরিচিত অপরিচিত কাছের ও দূরের প্রায় সবার একই কথা, "এত ভালো রেজাল্ট করে কলাতিয়ায় পড়ে থাকবি?" তখন জিপিএ ৫ এর অনেক কদর ছিল, ঢাকা শহরের প্রায় সব ভালো কলেজগুলোতেই চান্স পাওয়া যেত। আমার সাথে আরো যারা জিপিএ ৫ পেয়েছিল, সবাই শহরে ভর্তি হয়ে গেল। কিন্তু কাউকে বুঝাতে পারলাম না যে, বাকি সবার অবস্থা আর আমার অবস্থা এক না; এত ভালো রেজাল্ট করে যেখানে মিষ্টি খাওয়ানোর পয়সা নেই, সেখানে শহরে পড়াশোনা করার স্বপ্ন দেখাই তো বিলাসিতা। আর সবাই যদি শহরেই পাড়ি দেয়, তাহলে গ্রামে থাকবে কে? আমি এসএসসি পরীক্ষায় যদি গ্রামে থেকে ভালো করতে পারি, তবে এইচএসসি পরীক্ষায় কেন পারবো না? অবশেষে সবাইকে দুঃখ দিয়ে আমি সেই কলাতিয়া ডিগ্রি কলেজেই ভর্তি হলাম। আমার পাশে একজন ব্যক্তি শুধু সাপোর্ট হিসেবে ছিলেন, তিনি আমার জন্মদাত্রী মা।

আমার কলেজ জীবন শুরু হল। গ্রামের কলেজ আর স্থানীয় লোকজনের আনাগোনার ফলে খুব একটা নিয়মের বালাই ছিল না। আমি ছাড়া প্রায় সব ছাত্রছাত্রীই নিয়মিত কলেজে আসতো না, কলেজ ড্রেসও ঠিকমতো পরতো না। ফি কমানোর জন্য স্থানীয় লোকজনের ভিড় লেগেই থাকতো। আমার অবশ্য কোনো ফি লাগে নি। প্রাইভেট পড়াও ফ্রি ছিল, তবে খুব একটা যেতাম না। বরং শিক্ষা উপকরণ, কলেজ ড্রেস, মাসিক ১০০ টাকার বৃত্তি কলেজ থেকেই পেয়েছি। কলেজের অবকাঠামো খুব একটা ভালো ছিল না; প্র‍্যাকটিক্যাল ক্লাসের সরঞ্জামের অভাব ছিল, লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত বই ছিল না, বৃষ্টির দিনে টিনের চাল দিয়ে কিছু শ্রেণিকক্ষে বৃষ্টির পানি পড়তো।

কলেজে আসা-যাওয়া চার কিলোমিটার পথ, পায়ে হেঁটেই পাড়ি দিতাম। সাইকেল কেনার সামর্থ্যও ছিল না। নিজের হাত খরচ খুব একটা লাগতো না। নিজের পড়াশোনা কিংবা অন্য কোনো কাজে বা ঈদ উৎসবে বাড়ি থেকে এক পয়সাও কখনো নেই নি বা নিতে পারি নি। তারপরও আব্বাকে মাঝেমধ্যে সাহায্য করা আর ছোট ভাই-বোনের পড়াশোনার খরচ যোগানোর জন্য টিউশন করতে হতো। প্রতিদিন সকালে টিউশন শেষ করে ৯ঃ৩০-এ কলেজে পৌঁছানো একটু কঠিন ছিল বিধায় টিউশনের ফলে কলেজে পড়ালেখার সামান্য ব্যত্যয় ঘটেছিল, যদিও ফার্স্ট ছেড়ে কখনো সেকেন্ড হই নি, কিন্তু তৃপ্ত ছিলাম না।

পড়াশোনার পাশাপাশি গৃহস্থালি প্রায় সব কাজই করতাম। পাড়াপড়শিরা কানাঘুষা করলেও নিজের জামাকাপড় কখনোই মাকে দিয়ে ধোয়াতাম না, নিজেই ধুতাম। নিজেদের টিউবওয়েল ছিল না, অন্যের বাড়ি থেকে খাবার পানি আনতাম। আব্বার সাথে নিয়মিত ফসলের ক্ষেতে কাজ করতাম। বাড়িতে ফসল মাড়াই ও সংগ্রহ করতাম। মায়ের সাথে ধান সিদ্ধ করা, ধান শুকানো, গম নেয়া, সরিষা নেয়া, মুড়ি ভাজা, চালের গুড়ি করা, আটার রুটি ভাজা, ইত্যাদি কাজে সহায়তা করতাম। তাছাড়া বাড়িতে গরু-ছাগল ছিল, সময় পেলেই চকে-বন্দে ক্ষেতের বাতর/আইল থেকে গরুর ঘাস কাটতাম, চকে ছাগল চড়াতাম, সকাল-বিকাল গরুকে কুড়া-ভূষি খাওয়াতাম।

আমাদের বাড়ির ডানে বামে সামনে পিছনে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিবেশি, তাদের সাথেই উঠা বসা করতাম, খাওয়াদাওয়াও করতাম মাঝেমধ্যে। কিন্তু ধর্ম নিয়ে কখনো দ্বন্দ্ব লাগে নি। আমরা নিজ নিজ ধর্ম পালন করেছি। তাদের বাড়িতে টিভি দেখতে যেতাম। তাদের টিউবওয়েলেই যেতাম অযু করতে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে পড়ার চেষ্টা করতাম, না পারলে বাড়িতে। মসজিদে আজানও দিতাম। প্রতি সকালে কোরআন তেলাওয়াত করতাম।

গ্রামে সমবয়সী কেউ ছিল না আড্ডা দেয়ার। কলেজের সহপাঠীরাই আমার কাছের ছিল। মাঝেমধ্যেই দোলা, রলি কিংবা ইমুদের বাড়ি চলে যেতাম। তখন অবশ্য কাউকে বন্ধু ভাবতাম না, কারণ বন্ধুত্ব আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় ছিল। এদের মধ্যে Mansura Roly ছিল খুবই সিরিয়াস এবং পরিশ্রমী। এসএসসি পাশ করার আগে থেকেই সে নিয়মিত কলেজে যেতো তার বোনের সাথে। আমাদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা থাকতো, কিন্তু আমি কাউকে সহযোগী ছাড়া প্রতিযোগী ভাবি নি। অনেক সময় প্রাতিষ্ঠানিক ও ধর্মীয় পরামর্শের জন্য Linaj Ahmed শাকিল ভাইয়ের কাছে চলে যেতাম। মাঝেমধ্যে স্যারদের বাসায়ও যেতাম। স্যাররা খুবই আন্তরিক ছিলেন এবং আমাকে খুব ভালোবাসতেন। বিশেষ করে কলেজের অধ্যক্ষ Md Liaquat Ali স্যার আমাকে খুবই আদর করতেন ও উৎসাহ দিতেন।

আমার আব্বা-আম্মা শিক্ষিত নন। আমি কোন ক্লাসে কোন গ্রুপে পড়তাম কেউ জিজ্ঞেস করলে, তারা তা বলতে পারতেন না। তারা আমাকে পড়ালেখায় সরাসরি সাহায্য করতে পারেন নি, কিন্তু তারা যা করেছে, তা কোনো বাবা-মা করতে পারেন কিনা জানি না। এত অভাবের সংসারে আব্বা দিনের পর দিন ক্ষেতে-খামারে পরে থাকতেন আর মা সংসারের সব কাজ করেও আব্বাকে সাহায্য করতেন, কিন্তু কখনোই আমাকে কাজের কথা বলতেন না, আমি নিজে থেকেই যেতাম। আমার জন্য তাদের মনের ভিতরের দোয়াই আল্লাহর কাছে পৌঁছে গেছে।

সময় গড়িয়ে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। সহপাঠীরা পরীক্ষা নিয়ে ভীত হলেও আমি আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করি। পরীক্ষার দিনও ভোরে গরুর ঘাস কেটে গোয়াল থেকে গরু বের করে কুড়া-ভূষি খাওয়ায়ে নিজে গোসল করে নামাজ কোরআন পড়ে খেয়েদেয়ে টিউশনের উদ্দশ্যে রওনা দেই, সেখানে দুইটা ব্যাচ পড়িয়ে কলাতিয়া থেকে রামেরকান্দা ইস্পাহানি কলেজে সকাল ১০টায় পরীক্ষা দিতে যাই। আবার পরীক্ষা শেষ করে আরেকটা টিউশনে যাই। এভাবেই কেটেছে আমার কলেজ জীবন।

অবশেষে আসলো ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৬। বর্ষাকাল। দুপুরের দিকে খালের পানিতে কাপড়চোপড় ধুচ্ছিলাম। বিকালে ফলাফল দিবে, তাই পরিষ্কার পোশাক পরে কলেজে যাবো। হঠাৎ করে দেখি আমার দুর্দিনের বন্ধু ফারুক স্যার সাইকেলে করে এসে আমাকে খবর দিল আমি জিপিএ ৫ পেয়েছি। আমি জিজ্ঞেস করলাম, রলির কী খবর। না, রলি জিপিএ ৫ পায় নি। মনটা খারাপ হল, কারণ সে অনেক ভালো ছাত্রী এবং এটার জন্য সে আমার চেয়ে অনেক বেশি পরিশ্রম করেছে। ফারুক স্যার চলে গেলে আমি তড়িঘড়ি করে কলেজে পৌঁছে যাই। আমার মা আমার সাথে আসতে চাইলে আমি মানা করি, কারণ তাঁকে এত ছোট জায়গায় হাইলাইট করতে চাই নি, আরও অনেক উঁচু জায়গায় তাঁর স্থান, কিন্তু তিনি আসলেনই। কলেজে গিয়ে জানতে পারলাম, পুরো কেরাণীগঞ্জে আমিই একমাত্র জিপিএ ৫ পেয়েছি।

© শ্রদ্ধেয় শাহ আলম স্যার,
একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ
----

কিছু মানুষ আছে, দেখলেই শ্রদ্ধা চলে আসে, শাহ আলম স্যার উনাদের মধ্যে অন্যতম। গর্বিত, স্যারকে ডিরেক্ট শিক্ষক হিসেবে পেয়ে। সবাই স্যারের জন্য দোয়া করবেন।

ইনি সেই লিজেন্ড যিনি ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক  ম্যাথ অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ হতে একমাত্র রূপ্যপদক বিজয়ী।সে ২০২০ সালে  বুয়েটে এ...
05/09/2022

ইনি সেই লিজেন্ড যিনি ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ম্যাথ অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ হতে একমাত্র রূপ্যপদক বিজয়ী।
সে ২০২০ সালে বুয়েটে এক্সাম দিতে পারেনি এসএসসি নাম্বারের কারনে।
তবে এতে তার কোন প্রবলেম নেই। কারন সে বর্তমানে অক্সফোর্ডে অধ্যয়নরত।

05/09/2022

স্বর্নের খাদ বের করতে কোন এসিড ব্যবহার হয়?
ক) নাইট্রিক
খ) সাইট্রিক
গ) টারটারিক
ঘ) ল্যাকটিক

🫥
30/08/2022

🫥

21/07/2022
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের উপর পুনরায় হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
19/04/2022

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের উপর পুনরায় হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

Address

Dhaka
1215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিশ্ব বিদ্যালয় ভর্তি যুদ্ধ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category