একবার, দুইবার চেয়ে বসে থেকো না। প্রতিদিন নতুন নতুন ভাবে চাইতে থাকো। বারবার দরজায় কড়া নাড়লে খোলার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
#অনূদিত
©
Quranic Insights
Share the light of Quran
পর্দা না করা মুসলিম মেয়েরা যাদের পর্দা নিয়ে বিশেষ আপত্তি আছে - এটার কারণ সহজ। অন্যকে পর্দা করা দেখে তারা নিজেদের লাইফস্টাইল, ওয়ার্ল্ডভিউকে সরাসরি চ্যালেঞ্জড ফিল করে। তারা নিজেরাও জানে কোনো মুসলিমা পর্দা করলে সে ইসলামের প্রতি এই দিকটায় অ্যাটলিস্ট বেশি কমিটেড, আর এখানেই একটা সুপিরিওরিটি/ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স যুদ্ধ শুরু হয়।
তারা এত এত (?) পড়াশুনা করে এই জায়গাটায় হেরে যাবে ? না, তা হবে না। তাহলে কী করা যায় ? পর্দা/বোরকাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করা, যাতে মুসলিম হিসেবে তাদের অবস্থান উঁচুতে থাকে। অ্যাজ সিম্পল অ্যাজ দ্যাট।
©
30/08/2025
🤲🏻
যদি হারানো কিছু ফিরে পাওয়ার সুযোগ থাকতো
তাহলে কি চাইতেন?
03/08/2025
গাজা ও আমরা
[পর্ব ১]
জাতি হিসেবে আমরা কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পার হচ্ছি। গাজায় বাচ্চারা অভুক্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। ত্রাণ ঢুকতে দেয়া তো হচ্ছেই না, যা-ও সামান্য ঢুকছে, সেখানেও টার্গেট করে বোমাবর্ষণ করা হচ্ছে। খাবার নিতে গিয়ে মারা পড়তে হবে জেনেও মানুষ ছুটে গিয়ে ত্রাণের লাইনে দাঁড়াচ্ছে। যেন তার অনাহারে কাঁদতে থাকা বাচ্চাদের মুখে এক লোকমা খাবার তুলে দিতে পারে। মায়েরা এত অসহায় হয়ে পড়েছে যে ভাবছে তার সন্তান এভাবে ক্ষুধার কষ্টে তিলে তিলে হাড্ডিসার হয়ে মারা যাওয়ার চাইতে বোমার আঘাতে মারা গেলেও হয়ত বেঁচে যেত। বয়স্ক লোকেরা লাইনে মানুষের পায়ে চাপা পড়ে মারা যাচ্ছে।
আসলে গাজার শোচনীয় অবস্থার বিবরণ দেয়ার মতো ভাষা আমার জানা নেই। সুস্থ-সবল বাচ্চাদেরকে চোখের সামনে ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত, কঙ্কালসার হয়ে মারা যেতে দেখার চাইতে কঠিন কোনো পরীক্ষা এ দুনিয়াতে থাকতে পারে না। সামান্য ময়লা পানি খেয়েও গাজার শিশুর হাসি দেখে মনে হবে সে যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছে। এক টুকরো রুটি তাদের জন্য এত দামি যে সারা পৃথিবীর মানুষ জড়ো হয়েও তাদের হাতে এক টুকরো রুটি পৌঁছাতে পারছে না।
আমরা আমাদের বাচ্চাদের সামান্য জ্বর, সর্দি, কাশি হলেও অস্থির হয়ে পড়ি। একবেলা কম খেতে দেখলে চিন্তা শুরু করি। মায়েদের কমন ডায়লগ, বাচ্চাটা কিছু খেতেই চায় না। অথচ দেখা যায় বাচ্চাগুলো আমাদের সুস্থ-সবলই আছে, হেসেখেলে বেড়াচ্ছে। আমি চিন্তা করতে পারিনা, একটা ছোট্ট শিশু না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে! কতটুকুই বা সে খেত? এক মুঠো খাবারে তার সারাবেলা চলে যাবে। এই একটা মুঠো খাবার তাকে আমরা দিতে পারছি না? আল্লাহ আমাদের উপর রহম করো! না জানি এই শিশুর জন্য আমরা কিয়ামতে আটকা পড়ে যাই! না জানি এই শিশুর মায়ের অশ্রুর কাছে আমরা বাধা পড়ে যাই। না জানি খাবারের যোগাড় করতে না পারা বাবার দীর্ঘশ্বাসের সামনে আমরা ধরাশায়ী হয়ে যাই।
গাজায় যে জেনোসাইড চলছে, আমাদের কি কোনো দায় নেই? আমাদের কি করণীয় কিছুই নেই? আমরা কি এত সহজেই আল্লাহর জবাবদিহিতা থেকে পার পেয়ে যাব?
ইজ/ রায়ে/ ল যে জুলুম চালাচ্ছে, তার সাক্ষী হচ্ছে পুরো পৃথিবী। আরব নেতারা না দেখার ভান ধরে চুপ করে আছে। বিশ্বের সবচেয়ে সভ্য সবচেয়ে উন্নত দেশগুলো ইজ/ রায়ে/ লকে ক্রমাগত ব্যাক-আপ দিয়ে যাচ্ছে। আর আমরা যারা সাধারণ মানুষ, আমরা আছি নিজেদের ভোগবিলাস আর এন্টারটেনমেন্টে বুঁদ হয়ে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা গাজায় যে পরীক্ষা দিয়েছেন, তা শুধু গাজাবাসীর জন্যই নয়, আমাদের জন্যেও পরীক্ষা। আমরা গাজার ভাইবোনদের জন্য কী করছি? কতটুকু করছি?
আমরা যতদিন ভাবব, আমাদের করার কিছুই নেই, ততদিন গাজাবাসীর প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা অনুভব করব না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
"মুমিনদের একে অপরের প্রতি সম্প্রীতি, দয়া ও মায়া-মমতার উদাহরণ (একটি) দেহের মত। যখন দেহের কোন অঙ্গ পীড়িত হয়, তখন তার জন্য সারা দেহ অনিদ্রা যও জ্বরে আক্রান্ত হয়।" [বুখারি, মুসলিম]
আমরা কি আমাদের গাজার ভাইবোনদের কথা ভেবে সত্যি অস্থির হই? জ্বরে আক্রান্ত রোগীর মতো অসুস্থ বোধ করি? গাজার শিশুদের দুশ্চিন্তায়, কষ্টে ছটফট করি? অশান্ত হৃদয়ে ঘুমাতে পারি না? তাদের ছবি, নিউজ আর ভিডিওগুলো দেখার পর ঠিক কেমন হয় আমাদের প্রতিক্রিয়া? আর কেমনই বা হওয়া উচিত আমাদের প্রতিক্রিয়া, আমাদের কার্যক্রম? পরবর্তী পর্বগুলোতে আমরা আমাদের করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।
©
বিছানায় শোয়ার আগে যেভাবে বিছানাটা ঝেড়ে নেই, গুছিয়ে নেই; কবরে শোয়ার আগে অন্তরটা সেভাবে গুনাহ থেকে গুনাহ থেকে ঝেড়ে নিতে পারছি তো? নেক আমল দিয়ে গুছিয়ে নিতে পারছি তো?
©
02/06/2025
Alhamdulillah 🤲🏻
When someone is bad to you, Allah will fix it for you. No need to revenge. The best revenge is to ignore and if necessary to remove that person from your life. Allah will do the rest for you. Be patient.
মেয়েদের আইডেন্টিটি ক্রাইসিস খুব বেশি চোখে পড়ে ইদানিং। তবে দ্বীন বোঝা আপুদের মধ্যে এই tendency বেশি দেখে একটু কষ্ট লাগে। হ্যা, আমি সহমত আপনাদের সাথে যখন আপনাদের নিজেদের অর্থহীন, মূল্যহীন মনে হয় । সারাদিন সংসার , সন্তান সামলে যখন হাজার টা অভিযোগ- অনুযোগ শোনেন তখন নিজেকে একটা কলুর বলদ ছাড়া কিছুই মনে হয় না। আমি সম্পূর্ন একমত, এরকমই লাগে। তবে আইডেন্টিটি ক্রাইসিস এ ভোগা কি উচিত?
আপনি শিক্ষিতা, আপনি অনেক কাজের যোগ্য। সমাজে আপনার কন্ট্রিবিউশন অনেক ইতিবাচক হবে যদি আপনি কর্মক্ষেত্রে থাকেন। সব মানলাম। তবে একটা কথা বোনেরা, যে ঘরটার দায়িত্ব আল্লাহ্ আপনাকে দিয়েছেন সেটার মাকড়সার জাল পরিস্কারেও সাওয়াব আছে।
জ্বি! অবশ্যই আপনি হেলপিং হ্যান্ডস দিয়েও এই কাজ করিয়ে নিতে পারবেন তবে আপনার তত্ত্বাবধায়ন টা আর কেউ এত সুন্দর করে করতে পারবে না। তাই নিজের ঘর সামলানোর জন্য যদি জব ছাড়তে হয় সেখানে এই চিন্তা করতেই পারেন যে আপনার মত যত্ন করে অন্য কেউ কি করবে কাজটা? ঠিক একই ভাবে আপনার যেখানে নিজের ঘর দেখার জন্য অন্য কোনো বেটার অপশন নাই আপনি ছাড়া সেক্ষেত্রে একই প্রশ্ন করা কিন্তু অবান্তর নয়।
এখানে working and non working mom বা wife নিয়ে বিতর্ক করা টা আমার উদ্দেশ্য না। বরং একটাই কথা বলতে চাই, কেউ সব কিছু সামলে সমাজের সেবা করছেন , তার প্রায়োরিটি ঠিক থাকলে তাকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু যে পারছে না তাকে যেন আইডেন্টিটি ক্রাইসিস এ না ভোগাই। একেক জনের জীবনের পরিস্থিতি একেক রকম সেটা যেন বুঝি। কারো সাথে তুলনায় না যাই।
যে higher education নিয়ে সকল প্রায়োরিটি ঠিক রেখে কিছু একটা করছে তাকে যেমন একমাত্র মানদণ্ড ধরা ঠিক না, তেমনি যে কিছুই করতে পারছে না, শুধুই বাচ্চা পালছে তাকেও ছোট করা বা সমাজের lesser contributor ধরে তার মাতৃত্ব কে, তার choice কে অবজ্ঞা করাটাও ঠিক না।
মধ্যমপন্থা ব্যাপারটা কী আসলে সেটা বোঝা খুবই জরুরী। নাহলে কেউ কারো মানসিক যাতনা থেকে মুক্তি পাবে না। আমরা সবাই শান্তি চাই, মুক্তি চাই। একটা কথা মনে রাখবেন, যার যেখানে কাজ সেখানেই তার মুক্তি, সেখানেই তার শান্তি। কাজের জায়গা টা আপনার choice.
তাই আপুরা নিজের অবস্থান টা মানুষের সামনে পরিষ্কার না করে আল্লাহের সামনে পরিষ্কার রাখুন। সুখে থাকুন , শান্তিতে থাকুন ইনশা আল্লাহ্।
©
30/05/2025
First 10 Days of Dhul Hijjah💚
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka
1230
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |