Bangladesh Computer Institute IT - BCIIT

Bangladesh Computer Institute IT - BCIIT Bangladesh Computer Institute IT Our experienced trainers, designers and developers teach the students along with their professional know-hows.

Welcome to Bangladesh Computer Institute IT (BCIIT),This is a BCIIT Located at Central Dhaka,is one of the most improtant IT Training Institutions in Bangladesh.It offers different types of IT related Courses. BCIIT provides quality training in the following topics:

Web Design & Development
Wordpress Theme Development
Graphics Design
CCNA
ASP.NET
JAVA
Oracle
Microsoft Office
SEO
SMM
AutoCAD

BCII

T is operated as a leading IT training company since 1995. All of our projects have established themselves as a brand name. This is why we can teach the latest professional techniques to our students. BCIIT is an Institute that cultivates future IT experts. At BCIIT, we are committed to delivering the latest technology and the advanced techniques to our students. Since our establishment, we have introduced more than 1,000 talented IT professionals for a variety of companies. We take great pride in offering curriculum of the highest quality, lead by a team of dedicated instructors that no other institutes can meat up. BCIIT considers both the basic skill and the practical knowledge at the same time, because corporate world is looking for people who have both. For practical skills, we consider International traditional methodology of teaching. Our highly experienced trainers’ designers and developers also unique training method will help you to build your dream in IT career with great success within very short time.

07/01/2022
18/10/2021

BCI Polytechnic App দিয়ে কিভাবে Pay Now এবং Pay Bill অপশনের মাধ্যমে পেমেন্ট করা যায় এই ভিডিও তে তাই দেখানো হয়েছে । এছাড়াও App টি কিভাবে ডাউ....

Alhamdulillah!  Successful starred one more corporate training at KAFCO Ltd. Under the supervision of BCIIT. All trainee...
13/06/2021

Alhamdulillah! Successful starred one more corporate training at KAFCO Ltd. Under the supervision of BCIIT. All trainees interactive perticipations to make training remarkable.

চাকুরীজীবীদের জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার ইন্সটিটিউট আয়োজন করেছে অ্যাডভান্স মাইক্রোসফট এক্সেল ফ্রী সেমিনার। সেমিনার রেজিস্ট্...
31/12/2020

চাকুরীজীবীদের জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার ইন্সটিটিউট আয়োজন করেছে অ্যাডভান্স মাইক্রোসফট এক্সেল ফ্রী সেমিনার।

সেমিনার রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ https://forms.gle/C1jhPUQbhiCYvFZD9

অফিসিয়াল কাজের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট এক্সেল জানার বিকল্প নেই। আপনি যদি মাইক্রোসফট এক্সেল ভাল জানেন, আপনার কাজের গতি ও রিপোরটিং স্ট্যান্ডার্ড অনেকগুন বেড়ে যাবে।
একটি প্রতিষ্ঠান যতই আধুনিক সফটওয়্যার ব্যবহার করুক না কেন, আপনাকে কিন্তু অনেক কাজই এক্সেল এ করতে হয় । এমনকি আপনি যদি সফটওয়্যার এ এন্ট্রি দিতে চান, এক্ষেত্রেও এক্সেল এ ডেটাগুলো সাজিয়ে নিলে, নির্ভুলতা অনেকাংশে বেড়ে যাবে এবং সময় বাঁচবে । এছাড়া বিভিন্ন ধরনের রিপোরটিং তো আছেই।
এসব বিষয় বিবেচনা করেই কাজের ক্ষেত্রে এক্সেল এর যেসব প্রয়োজনীয় সুত্র, টেকনিক ও টপিকস ব্যবহ্ত হয় সেগুলো নিয়েই আমাদের এই সেমিনার প্লান।
আমাদের এই ফ্রী সেমিনারে অ্যাডভান্স লেভেলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি , আপনাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে এবং মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যাবহারের মাধ্যমে চাকুরীক্ষেত্রে কিভাবে আরও এগিয়ে থাকতে পারবেন সেই বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়া হবে।

সেমিনার এর সম্ভাব্য তারিখ ঃ ১৫/০১/২০২১ (শুক্রবার)
সময় ঃ বিকেল ৩ঃ০০ টা
সেমিনার রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ https://forms.gle/C1jhPUQbhiCYvFZD9
ফোন ঃ ০১৯৬৯৬২০২৭২, ০১৯৬৯৬২০০০৪, ০১৭০৭৮২২০৫৫
ওয়েবসাইট ঃ www.bciit.net
Address: 1/2 Asad Avenue, Asadgate Dhaka 1207

26/11/2020

Bangladesh Computer Institute | 2 followers on LinkedIn. The way to technology | BCIIT is operated as a leading IT training company since 2001. Our experienced trainers, designers and developers teach the students along with their professional know-hows. All of our projects have established themselv...

21/10/2020

বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র আই.এস.ও সারটিফাইড পলিটেকনিক হিসেবে স্বীকৃতি পেল বিসিআই ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট ।

ISO 9001:2015 (International Organization for Standardization)

“Equip yourself” নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোল। নীতি নৈতিকতায়, মেধা ও দক্ষতায় নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র আসাদগেট এ অবস্থিত বিসিআই ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট একটি অনন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
১৯৯৫ সালে স্থাপিত প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ২ যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষায় সুনাম ও সাফল্যের সাথে অবদান রেখে চলেছে।
বিসিআই ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট বিশ্ব ব্যাংকের STEP প্রজেক্ট ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের যৌথ মূল্যায়নে পর পর তিনবার প্রথম স্থান অর্জনকারী বেসরকারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

আমাদের সকল ছাত্রছাত্রী , শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শুভানুধ্যায়ীদের এতটা লম্বা সময় আমাদের পাশে থেকে , আমাদের এই অর্জনের পথে ভূমিকা রাখার জন্য অনেক ভালবাসা ও অভিনন্দন রইল।

প্রিয় পলিটেকনিকের ছাত্র / ছাত্রীরা,বাংলাদেশ কম্পিউটার ইনস্টিটিউট এর পক্ষ থেকে জানাই আপনাদের অভিনন্দন !! বিগত ১১ বছর যাবৎ...
05/11/2019

প্রিয় পলিটেকনিকের ছাত্র / ছাত্রীরা,
বাংলাদেশ কম্পিউটার ইনস্টিটিউট এর পক্ষ থেকে জানাই আপনাদের অভিনন্দন !!
বিগত ১১ বছর যাবৎ তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
আপনার জেনে খুশি হবেন , এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ মানব সম্পদ গঠনের অভিপ্রায়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার ইনস্টিটিউট" যাত্রা শুরু করেছে। আমরা বিশ্বাস করি সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে আমরা আপনাদের " Career " গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালনে সক্ষম হব।
আমরা পলিটেকনিকের ছাত্র / ছাত্রীদের জন্য Attachment Training এর আওতায় বেশ কিছু কোর্স প্রণয়ন করছি। আমরা আশাকরি এই সব কোর্স গুলো আপনাদের " Career " গঠনে সাহায্য করবে । আমরা আপনাকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেয়ার লক্ষ্যে আমাদের এক ঝাঁক দক্ষ প্রশিক্ষক সার্বক্ষনিক নিয়োজিত থেকে Industrial Attachment Training দিয়ে আপনাকে আধুনিক বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে দৃঢ় প্রত্যয়ী।
আমরা আপনাদের দিচ্ছিঃ
• হাতে কলমে প্রফেশনাল প্রশিক্ষণ।
• আধুনিক ল্যাব
• প্রশিক্ষণের পর চাকুরীর সুব্যবস্থা
• সকল কোর্সের সাথে থাকছে ফ্রী English and Soft Skill Training.
আপনি যদি আপনার " Career " সঠিক পথে নিতে চান তাহলে আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে । Registration করতে এই লিংকে প্রবেশ করে Form টি Fill-up করুন আর অপেক্ষা করুন Phone Call এর জন্য!
Link: https://bit.ly/2NKWMzc
মোবাইলঃ ০১৯৬৯৬২০০০৪, ০১৯৬৯৬২০২৭২
আমাদের ঠিকানা:1/2, Asad Gate Road, (North Side of Sonar Bangla Petrol Pump), Dhaka-1207

হেরিলে মায়ের মুখদূরে যায় সব দুখমায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরান,মায়ের শিতল কোলেসকল যাতনা ভোলেকত না সোহাগে মাতা বুকটি ...
12/05/2019

হেরিলে মায়ের মুখ
দূরে যায় সব দুখ
মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরান,
মায়ের শিতল কোলে
সকল যাতনা ভোলে
কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।

💓💓💓মা দিবসে সকল মা'র প্রতি রইলো শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা💓💓💓

বাংলাদেশ কম্পিউটার ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই পবিত্র মাহে রমজানের আন্তরিক শুভেচ্ছা। ফারসি শব্দ রোজার আরবি অর্থ হ...
07/05/2019

বাংলাদেশ কম্পিউটার ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই পবিত্র মাহে রমজানের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

ফারসি শব্দ রোজার আরবি অর্থ হচ্ছে সওম, বহুবচনে সিয়াম। সওম বা সিয়ামের বাংলা অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী শরীয়তে সওম হল আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশে নিয়তসহ সুবহে সাদিকের শুরু থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকা।

২য় হিজরীর শাবান মাসে মদীনায় রোজা ফরজ সংক্রান্ত আয়াত নাজিল হয় “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো যেভাবে তা ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যাতে তোমরা সংযমী হও। (সূরা বাকারা, আয়াত-১৮৩)।

সূরা বাকারার ১৮৫ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সেই মাসকে পায় সে যেন রোজা রাখে”।

পবিত্র রমজানের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে হাদিসের কিতাবগুলোতে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এর ভেতর থেকে কিছু হাদিস এখানে উল্লেখ করা হলো-

প্রিয় নবীজি (সা.) এর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, যখন রমজান মাস আসে আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। (বুখারী, মুসলিম)

অপর হাদিসে এসেছে, হযরত শাহ্ ইবনে সা’দ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সা.) এরশাদ করেছেন, বেহেশতের ৮টি দরজা রয়েছে। এর মধ্যে ১টি দরজার নাম রাইয়ান। রোজাদার ব্যতিত আর কেউ ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। (বুখারী, মুসলিম)

বিখ্যাত হাদিস বিশারদ সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, হুজুর (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে রমজান মাসের রোজা রাখবে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসের রাতে এবাদত করে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে ইবাদত করে কাটাবে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (বুখারী, মুসলিম)
হাদিসে আরো এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেছেন, রোজা ছাড়া আদম সন্তানের প্রত্যেকটি কাজই তার নিজের জন্য। তবে রোজা আমার জন্য। আমি নিজেই এর পুরস্কার দেব। রোজা (জাহান্নামের আজাব থেকে বাঁচার জন্য) ঢাল স্বরুপ।
তোমাদের কেউ রোজা রেখে অশ্লীল কথাবার্তায় ও ঝগড়া বিবাদে যেন লিপ্ত না হয়।
কেউ তার সঙ্গে গালমন্দ বা ঝগড়া বিবাদ করলে শুধু বলবে, আমি রোজাদার।
সেই মহান সত্তার কসম যার করতলগত মুহাম্মদের জীবন, আল্লাহর কাছে রোজাদারের মুখের গন্ধ কস্তুরীর সুঘ্রানের চেয়েও উওম।
রোজাদারের খুশির বিষয় ২টি- যখন সে ইফতার করে তখন একবার খুশির কারণ হয়। আর একবার যখন সে তার রবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রোজার বিনিময় লাভ করবে তখন খুশির কারণ হবে। (বুখারী)।
অপর একটি হাদিস হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন, রাসুলে পাক (সা.) বলেছেন, রোজা এবং কোরআন (কেয়ামতের দিন) আল্লাহর
কাছে বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোজা বলবে, হে পরওয়ারদিগার! আমি তাকে (রমজানের) দিনে পানাহার ও প্রবৃত্তি থেকে বাধা দিয়েছি। সুতরাং তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। কোরআন বলবে, আমি তাকে রাতের বেলায় নিদ্রা হতে বাধা দিয়েছি।
সুতরাং আমার সুপারিশ তার ব্যাপারে কবুল করুন। অতএব, উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে (এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে)। (বায়হাকী)
হাদিস শরীফে আরো এসেছে, হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন রমজানের প্রথম রাত আসে শয়তান ও অবাধ্য জিনদের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা হয়। দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। অতপর এর কোনো দরজাই খোলা হয় না। বেহেশতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। অতপর এর কোনো দরজাই বন্ধ করা হয় না।
এ মাসে এক আহ্বানকারী আহ্বান করতে থাকে, হে ভালোর অন্বেষণকারী! অগ্রসর হও। হে মন্দের অন্বেষণকারী! থামো।
আল্লাহ তায়ালা এ মাসে বহু ব্যক্তিকে দোযখ থেকে মুক্তি দেন। আর এটা এ মাসের প্রতি রাতেই হয়ে থাকে। (তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ)।
হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, যখন রমজান মাস উপস্থিত হতো রাসুল (সা.) সমস্ত কয়েদিকে মুক্তি দিতেন এবং প্রত্যেক প্রার্থনাকারীকে দান করতেন। (বায়হাকী)
হাদিসের বইয়ে আরো পাওয়া যায়, নবী করীম (সা.) বলেছেন, কেউ যদি (রোজা রেখেও) মিথ্যা কথা বলা ও খারাপ কাজ পরিত্যাগ না করে তবে তার শুধু পানাহার ত্যাগ করা (অর্থাৎ উপবাস ও তৃষ্ণার্ত থাকা) আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। (বুখারী)
পবিত্র রমজান মাস মহান আল্লাহর সঙ্গে প্রিয় বান্দার প্রেম বিনিময়ের সবচেয়ে উত্তম সময়। এই মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। তাই এ মাসের ফজিলত ও মর্যাদা বেড়ে গেছে আরো বহুগুণ।
রমজানের ফজিলত নিয়ে আরো অনেক হাদিস বিভিন্ন সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে।
হযরত সালমান ফারসী (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, একবার রাসুল (সা.) আমাদের শাবান মাসের শেষ তারিখে ভাষণ দান করলেন এবং বললেন, হে মানবমণ্ডলী! তোমাদের প্রতি ছায়া বিস্তার করেছে এক মহান মাস, মোবারক মাস। এটি এমন মাস যাতে একটি রাত রয়েছে যা হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। আল্লাহ তায়ালা এই মাসের রোজাগুলোকে করেছেন (তোমাদের ওপর) ফরজ আর রাতে নামাজ পড়াকে তোমাদের জন্য করেছেন নফল।
এই মাসে যে ব্যক্তি আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশে ১টি নফল আমল করল সে ওই ব্যক্তির সমান হলো, যে অন্য মাসে ১টি ফরজ আদায় করলো। আর যে ব্যক্তি এই মাসে ১টি ফরজ আদায় করলো সে ওই ব্যক্তির সমান হলো, যে অন্য মাসে ৭০টি ফরজ আদায় করলো।
এটা ধৈর্য্যের মাস। আর ধৈর্য্যের সওয়াব হলো বেহেশত। এটা সহানুভূতি প্রদর্শনের মাস। এটা সেই মাস যে মাসে মুমিন বান্দার রিজিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
এ মাসে যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে তা তার জন্য গুনাহ মাফের এবং দোযখের আগুন থেকে মুক্তির কারণ হবে। এছাড়া তার ছওয়াব হবে রোজাদার ব্যক্তির সমান। অথচ রোজাদার ব্যক্তির সওয়াব কমবে না।
এসব শুনে সাহাবীরা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আমাদের প্রত্যেক ব্যক্তি তো এমন সামর্থ রাখেনা যে রোজাদারকে (তৃপ্তি সহকারে) ইফতার করাবে? রাসুল (সা.) বললেন, আল্লাহ পাক এই ছওয়াব দান করবেন যে রোজাদারকে ইফতার করায় এক চুমুক দুধ দিয়ে, অথবা একটি খেজুর দিয়ে, অথবা এক চুমুক পানি দিয়ে। আর যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে তৃপ্তির সঙ্গে খাওয়ায় আল্লাহ তায়ালা তাকে হাউজে কাউছার থেকে পানি পান করাবেন যার পর সে পুনরায় তৃষ্ণার্ত হবে না জান্নাতে প্রবেশ করা পর্যন্ত।
এটা এমন পবিত্র মাসের প্রথম দিক রহমত, মাঝের দিক মাগফিরাত, আর শেষ দিক হচ্ছে দোযখ থেকে মুক্তির। যে ব্যক্তি এই মাসে আপন অধীনস্থ দাস-দাসীদের কাজের বোঝা হালকা করে দেবে মহান আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন এবং তাকে দোযখ থেকে মুক্তি দান করবেন। (বায়হাকী)
প্রিয় নবীর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু ওবায়দা (রা.) রমজানের গুরুত্ব সম্পর্কে আরেকটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, রোজা মানুষের জন্য ঢালস্বরুপ যতক্ষণ পর্যন্ত তা ফেড়ে না ফেলা হয় (অর্থাৎ রোজা মানুষের জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তা নিয়ম অনুযায়ী পালন করা হয়)। (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)
সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এ সম্পর্কে আরেকটি বর্ণনা এসেছে। তিনি বলেছেন, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, অনেক রোজাদার ব্যক্তি এমন রয়েছে যাদের রোজার বিনিময়ে অনাহারে থাকা ব্যতিত আর কিছুই লাভ হয় না। আবার অনেক রাত জাগরণকারী এমন রয়েছে যাদের রাত জাগার কষ্ট ছাড়া আর কিছুই লাভ হয় না। (নেক আমল যদি এখলাস ও আন্তরিকতার সঙ্গে না হয়ে লোক দেখানোর উদ্দেশে হয় তাহলে এর বিনিময়ে কোনো সওয়াব পাওয়া যায় না)। (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) আরো বলেছেন, নবী করীম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে শরীয়ত সম্মত কোনো কারণ ছাড়া রমজানের একটি রোজাও ভাঙে সে রমজানের বাইরে সারাজীবন রোজা রাখলেও এর বদলা হবে না। (তিরমিযী, আবু দাউদ)
রমজানের ফজিলত সম্পর্কে বিখ্যাত সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, নবী করীম (সা.) বলেছেন, রমজানের জন্য বেহেশত সাজানো হয় বছরের প্রথম থেকে পরবর্তী বছর পর্যন্ত। তিনি বলেন, যখন রমজান মাসের প্রথম দিন উপস্থিত হয় বেহেশতের গাছের পাতা হতে আরশের নিচে বড় বড় চোখ বিশিষ্ট হুরদের প্রতি বিশেষ হাওয়া প্রবাহিত হয়। তখন তারা বলে, হে পালনকর্তা! আপনার বান্দাদের মধ্য হতে আমাদের জন্য এমন স্বামী নির্দিষ্ট করুন যাদের দেখে আমাদের চোখ জুড়াবে এবং আমাদের দেখে তাদের চোখ জুড়াবে।মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে পবিত্র রমজানের ফজিলত জেনে বেশি বেশি নেক আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

বিসিআই পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে যানাই আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছাআন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস যা সচরাচর মে দিবস নামে অ...
30/04/2019

বিসিআই পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে যানাই আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস যা সচরাচর মে দিবস নামে অভিহিত। প্রতি বছর ১লা মে তারিখে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। এটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের উদযাপন দিবস। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শ্রমজীবী মানুষ এবং শ্রমিক সংগঠন সমূহ রাজপথে সংগঠিতভাবে মিছিল ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসটি পালন করে থাকে। বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে ১লা মে জাতীয় ছুটির দিন। আরো অনেক দেশে এটি বেসরকারিভাবে পালিত হয়।১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমিকরা উপযুক্ত মজুরি আর দৈনিক আট ঘন্টা কাজের দাবিতে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।

কল-কারখানা তখন গিলে খাচ্ছিল শ্রমিকের গোটা জীবন। অসহনীয় পরিবেশে প্রতিদিন ১৬ ঘন্টা কাজ করতে হতো। সপ্তাহজুড়ে কাজ করে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য একেবারে ভেঙে যাচ্ছিল। শ্রমজীবি শিশুরা হয়ে পড়েছিল কঙ্কালসার। তখন দাবি উঠেছিল, কল-কারখানায় শ্রমিকের গোটা জীবন কিনে নেয়া যাবে না। ৮ ঘন্টা শ্রম দিনের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলনের সময় ওই বছরের ১লা মে শ্রমিকরা ধর্মঘট আহবান করে। প্রায় তিন লাখ মেহনতি মানুষ ওই সমাবেশে অংশ নেয়।
আন্দোলনরত ক্ষুদ্ধ শ্রমিকদের রুখতে গিয়ে একসময় পুলিশ বাহিনী শ্রমিকদের মিছিলে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে পুলিশের গুলিতে ১১ জন নিরস্ত্র শ্রমিক নিহত হন, আহত ও গ্রেফতার হন আরো অনেক শ্রমিক। পরবর্তীতে প্রহসনমূলক বিচারের মাধ্যমে গ্রেফতারকৃত শ্রমিকদের মধ্য থেকে ছয়জনকে আন্দোলনে অংশ নেয়ার অপরাধে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।
কারাগারে বন্দিদশায় এক শ্রমিক নেতা আতœহননও করেন। এতে বিক্ষোভ আরো প্রকট আকারে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার।
১৮৮৯ সালের ১৪ই জুলাই ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে ১ মে শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১৮৯০ সাল থেকে ১ মে বিশ্বব্যাপী পালন হয়ে আসছে ‘মে দিবস’ বা ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস’।
মে দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভের মাধ্যমে সারা বিশ্বের শ্রমিক শ্রেণির মাঝে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের ওপর এ দিবসের প্রভাব সূুদূর প্রসারী। এর প্রভাবে শ্রমিকদের দৈনিক কাজের সময় ১৬ ঘন্টা থেকে নেমে আসে ৮ ঘন্টায়। বিশ্বের সব দেশের শ্রমিকরা এর মাধ্যমে তাদের শ্রমের উপযুক্ত মর্যাদা পেতে শুরু করে। নিজেদের অধিকার আদায়ে তারা এগিয়ে যায় সামনে। মেহনতি মানুষ মুক্তি পেতে শুরু করে তাদের শৃঙ্খলিত জীবন থেকে। বিশ্বের ইতিহাসে সংযোজিত হয় সামাজিক পরিবর্তনের আরেকটি নতুন অধ্যায়।
মে দিবস হচ্ছে গোটা পৃথিবীর শ্রমজীবি সমাজের বৈপ্লবিক পরিবর্তন সুচনা করার দিন। শ্রেণি-বৈষম্যের বেঁড়াজালে যখন তাদের জীবন বন্দি ছিল তখন মে দিবসের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে খুলে যায় তাদের শৃঙ্খল। এ ফলে আস্তে আস্তে লোপ পেতে লাগলো সমাজের শ্রেণি-বৈষম্য। পুঁজিবাদের দূর্বল দিকগুলোকে পুঁজি করা অবৈধ অর্থলোভীদের আগ্রাসী দংশন থেকে রেহাই পেল কোটি কোটি শ্রমিক। বৈষম্য ও শোষণমুক্ত একটি সমাজ গোটা বিশ্বকে উপহার দিল এই মে দিবস। মালিকপক্ষের সাথে শ্রমিকের যে উঁচু-নিচু সম্পর্ক ছিল তা এক সময় সমতলে চলে আসলো শুধুমাত্র মে দিবসের স্বীকৃতির ফলেই।
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। এই দেশে শ্রমজীবি মানুষের সংখ্যা অনেক। বর্তমানে মে দিবসের সম্মানার্থে বাংলাদেশেও ১ মে সরকারী ছুটির দিন। এদিন শ্রমিকরা মহা উৎসাহ ও উদ্দীপনায় পালন করে মে দিবস। তারা তাদের পূর্বসূরীদের স্মরণে আয়োজন করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের। শ্রমিক সংগঠনগুলো মে দিবসে আয়োজন করে নানা ধরনের সাংস্কৃতিক ও কল্যাণমুখী কর্মসূচির। বাংলাদেশের শ্রমিকরা এদিন আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করে মহান মে দিবস।
ঐতিহাসিক মে দিবসের তাৎপর্যপূর্ণ অবদান আজকের শ্রমিক শ্রেণিকে আগলে রেখেছে। যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামী চেতনা এখন শ্রমজীবিদের ভূষণ। ১৮৮৬ সালের রক্তঝরা সেই ১ মে এখন সবার কাছে অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জোর সংগ্রামের শপথ গ্রহণের দিন। সামনে এগিয়ে যাওয়ার মূলমন্ত্র। মে দিবসে সকল শ্রমজীবি মানুষ তাদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করার মাধ্যমে উন্নয়নমুখী পরিবর্তন সূচনার অঙ্গিকারের প্রয়াস পায়।
জয় হোক সাম্যের, জয় হোক মেহনতি মানুষের।

ভর্তি চলছে        ভর্তি চলছে       ভর্তি চলছেবাংলাদেশ কম্পিউটার ইনস্টিটিউটেগ্রাফিক্স ডিজাইন বেসিক কোর্সে ভর্তি চলছে।ভর্ত...
29/04/2019

ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে

বাংলাদেশ কম্পিউটার ইনস্টিটিউটে
গ্রাফিক্স ডিজাইন বেসিক কোর্সে ভর্তি চলছে।
ভর্তি চলবে আগামি ০৫/০৪/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।
এক ব্যাচে ১৫ জন পর্যন্ত ভর্তি হতে পারবে।
ক্লাস শুরু হবে ০৭/০৫/২০১৯ তারিখ হইতে।
কোর্সটিতে ভর্তি হতে চাইলে যোগাযোগ করুন নিচের নাম্বারে
কলঃ০১৯৬৯৬২০০০৪, ০১৯৬৯৬২০২৭২

Address

119 Kalabagan Dhanmondi
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Computer Institute IT - BCIIT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Bangladesh Computer Institute IT - BCIIT:

Shortcuts

Share

Category