JU Dairies

JU Dairies

Share

Here, All the photos are taken in JU or related to JU. We just publish their photos to share the Beauty of Jahangirnagar University.

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়;

তুমি আমার তারুণ্যের নীল আকাশে ভাসা এক চিরচেনা স্বপ্ন,
তোমার লাল ইটের পথ ধরে হেঁটেই শিখেছি ভালোবাসা, প্রতিবাদ আর আপন আপনত্বের বর্ণমালা। All the photos are collected (From FB , Google, etc)
*Only Photographers reserved the right of their photos.

14/06/2026

এই অপমৃত্যুতে গভীর শোক

এরকম মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত এবং এর রহস্য উন্মোচন এর দাবী রইলো।

12/06/2026

আমরা ফেসবুক অফ করি নাই।
লাইনে বৃষ্টির পানি ঢুকেছিলো।

- মার্ক জুকারবার্গ, ফেসবুক, মহাখালী৷

06/06/2026

১২ মে ২০২৬
আলবেরুনি লেক❤️

© A. Sattar

31/05/2026

এই সুযোগে িশ্ববিদ্যালয়ের একটা ফ্রি মার্কেটিং হয়ে গেলো।
শিক্ষার ব্যবসা ভালো চলুক।

Photos from JU Dairies's post 31/05/2026

প্রচন্ড প্রতাপশালী গকসুদের ভয়ে ঈদের ছুটি বাড়ানোর জন্য গরু খেয়ে অনশনে বসতে যাচ্ছে জাবিয়ানরা।

28/05/2026

সে বছর কোরবানির ঈদের সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আল বেরুনী হলের বেশিরভাগ ছাত্রই বাড়িতে চলে গেছেন।
পুরো জাহাঙ্গীরনগর ফাঁকা বলতে গেলে। ঈদের পরেই পরীক্ষা শুরু হবে বলে
অল্প কয়েকজন ছাত্র হলে থেকে গেছেন।

হলের ছাত্ররা দলবেঁধে গেলেন হলের প্রভোস্ট, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কলিমুল্লাহ স্যারের বাসায়। তাঁদের দলনেতা আবার হুমায়ুন ফরীদি।

হরতাল দেখেই জিজ্ঞেস করলেন, কেমন আছো? কোন বিশেষ দরকার কি?
ফরীদি বললেন- ‘জ্বী স্যার‌।
স্যার আমরা কয়েকজন ছাত্র হলে আছি, পরীক্ষার কারনে বাড়ি যেতে পারিনি। দেখছেনই তো কোরবানির ঈদ স্যার, আমাদের জন্য যদি একটা গরুর ব্যবস্থা করে দিতেন কোরবান উপলক্ষে। আমরা হলে ছাত্ররা খাবো!’

স্যার জিজ্ঞেস করলেন- তোমরা কয়জন?

ফরীদি বললেন, আমরা ২০- ২২ জনের মত আছি স্যার- বললেন ফরীদি।
স্যার জবাবে বললেন "তাহলে তোমাদের গরু লাগবে না, এক কাজ করো, আমি একটা খাসির ব্যবস্থা করছি তোমাদের জন্য। খাসির টাকাটা নিয়ে যেও।

ছাত্ররা ব্যর্থ মনোরথে স্যারের বাসা থেকে বেরিয়ে আসতেই চোখ পড়লো স্যারের প্রভোস্ট বাংলোর আঙ্গিনায় রাখা কোরবানির জন্য কিনে এনে আনা কালো গরুটার উপর। চোখের ইশারায় সবাই জেনে নিলো কি করতে হবে।

সেদিন গভীর রাতে স্যারের গরু চুরি করে নিয়ে আসলেন ফরীদির দল, সকালে সাভার থেকে কসাই নিয়ে আসলেন একজন। ৬০ কেজির মতো মাংস হলো, ফরীদি বললেন ১৫ কেজি রান্না হবে বাকিটা স্যারের বাসায় যাবে।

আর অন্যদিকে কলিমুল্লাহ স্যার হন্যে হয়ে গরু খুঁজছেন, এক রাতের মধ্যেই গোটা গরু হাওয়া! কোরবানি দিবেন কিভাবে।

নিতান্তই বখধ্য হয়ে ঈদের দিন সকালে স্যার নয়ারহাট বাজার থেকে গরু কিনে আনলেন কোরবানির জন্য।
স্যারের গরু চুরি গেছে একথা প্রচার হয়ে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, কর্মচারীদের বাসায়, বাকি হলগুলোর ছাত্ররাও জেনে গেছে ততোক্ষণে।

অন্যদিকে , হলের ছাত্রদের কাছে স্যার খবর পাঠালেন আমার বাসায় সেমাই খেয়ে যাও আপাতত। দুপুরে মাংস খেতে পারবে। গরু চুরি গেছে।

সেমাই খেতে যাওয়া ছাত্ররা অবশ্য খালি হাতে গেলেন না, বাকি ৪৫ কেজি মাংস নিয়ে গেলেন।
মাংস দেখে স্যার বললেন এগুলো কিসের মাংস, এতো মাংস এলো কোথা থেকে?

ফরীদি মুচকি হেসে বললেন, আমরা স্যার একটা গরু কিনেছিলাম, আমাদের খাওয়াদাওয়া শেষ, তাই ভাবলাম বাকিটা আপনার জন্য নিয়ে আসি।

স্যার বুঝে গেলেন কারা তাঁর গরু চুরি করেছে। বিরহ বদনে বললেন, ঠিক আছে। এবার খেতে বসো। কাজটা যে তোমাদের কর্ম তা এখনই বুঝলাম।

এরপর কতো ঈদ চলে গেল, আবার এলো কিন্তু সেই দুরন্ত ফরীদি তো আর এলেন না। ফরীদি থাকবেন আমাদের মনের মনিকোঠায়।

© আহমাদ ইশতিয়াক

Photos from JU Dairies's post 28/05/2026

ঈদ মোবারক

পরিবার রেখে অনেকেই বাধ্য হয়ে ক্যাম্পাসে ঈদ উদযাপন করেন, সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

15/05/2026

এটা হচ্ছে অরিজিনাল ছবি। এর আগে এআই নির্মিত ছবিগুলো বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।

ধ/র্ষ/ণচেষ্টাকারী প্রান্তিক গেইট দিয়ে প্রবেশ করেছিলো।

ছবি কর্টেসি: Mehedi Mamun

13/05/2026

বোনের ধর্ষণ এবং হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে ঈদের পরে আন্দোলনে যাচ্ছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অসাধারণ শিক্ষার্থীরা।

13/05/2026

সবার কাছে আমার প্রশ্ন - পুরো বিশ্ববিদ্যালয় চুপ কেনো ? আপনাদের ভয়েস রাইজ করার জন্য আমার কি মারা যাওয়াই উচিত ছিলো ?

মে ১২, ২০২৬ তারিখে দিবাগত রাত আনুমানিক ১১:১৩ মিনিটে পুরাতন ফজিলতুন্নেসা হল সংলগ্ন আল বেরুনী এক্সটেনশনের মধ্যবর্তী রাস্তায় সাদা টিশার্ট, কালো প্যান্ট পরিহিত এক ব্যক্তি আমাকে অনুসরণ করেন। সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে আমি তাকে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান তিনি ৪৮তম আবর্তন এর শিক্ষার্থী এবং তার বাসা বিশমাইল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরমাল পরিচয় জিজ্ঞেস করলে তিনি তা বলতে পারেন না এবং পরক্ষণেই তিনি তার হাতে থাকা কোন দড়িসদৃশ বস্তু আমার গলায় পেঁচিয়ে আমাকে টেনে হিঁচড়ে রাস্তার পাশের অন্ধকার ঝোপঝাড়ে নিয়ে যান। তিনি সেখানে আমার নাক-মুখ চেপে ধরে শ্বা/সরো/ধ করে হ/tta করার চেষ্টা করেন এবং আমাকে বিবস্ত্র করার চেষ্টা করেন । ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছিঁ/ড়ে, কেটে যায়। এক পর্যায়ে আমি তাকে অনুরোধ করি তিনি যা বলবেন আমি তাই করবো কিন্তু তিনি যেনো আমাকে ho/ত্যা না করেন। এতে আশ্বস্ত হয়ে সে বাঁধন কিছুটা শিথীল করলে সেই সুযোগে আমি সাহায্যের জন্য "হেল্প হেল্প" "বাঁচাও বাঁচাও” বলে চিৎকার করি। আমার চিৎকারে পার্শ্ববর্তী রাস্তায় লোক জড়ো হলে সে ঝোপঝাড় এর ভিতরে পালিয়ে যায়। আমি বের হয়ে চিশতী, শফিক ভাই, জাহীদ ভাই সহ কয়েকজনকে ঘটনা সম্পর্কে অবগত করলে তারা তাকে খুঁজতে গিয়ে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে আমাকে প্রত্যক্ষদর্শীরা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান ও আমি প্রাথমিক চিকিৎসা পাই। অতঃপর আমরা সবাই প্রক্টর অফিসে অপরাধী শণাক্তকরণ ও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যাই এবং সিসি-টিভি ফুটেজে পুরো ঘটনা ধরা পড়ে।

[ শ্বাসরো/ধে/র সময় আমার চোখ মুখ চারদিক অন্ধকার হয়ে যায় , আসামির বাম কানে ও পাশের গাছে আঁচড় দেই । আর এক সেকেন্ড বেশি চেপে রাখলে আমি মারা যাইতাম । একটা ছেলের জায়গায় দুই টা ছেলে থাকলে বা আমার জায়গায় একটু দুর্বল মেয়ে থাকলে সকালে নগ্ন লা/শ পাওয়া যেতো । তারপর মশাল জ্বালিয়ে কয়েকজন মিছিল করতো। তারপর কিছুদিন পরে সবাই অন্য ব্যস্ততায় ভুলে যেতো। মাঝখান থেকে শুধু আমার পরিবার সাফার করতো । কিন্তু বেঁচে ফেরার জন্য এই ঘটনাকে ওতোটা গুরুত্ব দেওয়া হলো না কারণ - ইনস্ট্যান্ট বলার পরেও যে- "আসামী জঙ্গলের ভিতরেই আছে," সজল ভাই (প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা) সহ যারা ছিলো তারা প্রপারলি খুঁজে দেখে নাই। এক মিনিট খুঁজেই বলে যে- পাই না । ১১ টার ঘটনা কিন্তু সব গেট বন্ধ করছে ১২.৩০ টায় । জাকসু এর নারী নেত্রী আসছেন ২.৩০ টায় তাও আসার পরে কোনো দিক নির্দেশনা তো দূরে থাক, আমার সাথেও কথা বলে নাই। কাইন্ড অফ জাস্ট মুখ দেখাইতে বা অ্যাটেনডেন্স দিতে আসছেন। সিসি ক্যামেরা চেক করার জন্য অপারেটর নাকি রাতে থাকে না। আমার প্রশ্ন দুর্ঘটনা কি দিনে বেশি ঘটে নাকি রাতে? রাতে কেনো থাকবে না একজন ? আবার দুই দিন হলো নাকি সালাম-বরকত আর কোয়ার্টার এর মধ্যবর্তী সিসি ক্যামেরা নষ্ট। সাংবাদিকদের কেও একজন পুরো ক্লিপ নিতে চাইলে আমি মানা করি যে শুধু ক্রিমিনাল এর ভিডিও নেন। তিনি তখন তার পরিচয় দেওয়া শুরু করেন। আমি তখন বলি আপনি যে ই হন আমি আমার কোনো কিছু দিতে চাচ্ছি না। অতঃপর আমার নিরাপত্তা, কনসেন্ট এর চেয়ে তার মেল ইগোর প্রায়োরিটি বেশি হয় , তিনি রাগ করে বের হয়ে যান। প্রক্টর স্যার বললেন সকালে নাকি চিঠি দিতে হবে তারপর বিশ্ববিদ্যালয় স্টেপ নিবে। আমার পাশে থাকা শিক্ষার্থীদের চাপে পরে পুলিশ কে কল দিয়েছেন তিনি, তারপর রাতেই কমপ্লেইন দেওয়া হয়েছে। সকাল ৮ টায় নাকি জিডি হবে। আমার সবার কাছে প্রশ্ন - পুরো বিশ্ববিদ্যালয় চুপ কেনো? আপনাদের ভয়েস রাইজ করার জন্য আমার কী মা/রা যাওয়াই উচিত ছিলো ? ]

এমতাবস্থায়, আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং আমি ও ক্যাম্পাসের নারী শিক্ষার্থীরা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে পাবলিক স্পেসে এরকম ধর্ষণ ও ho/ত্যা/চেষ্টার মতো ভয়াবহ ঘটনার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে পূর্ণাঙ্গ এবং সর্বোচ্চ আইনী ব্যবস্থা অতি দ্রুত নিশ্চিত করার জোর দাবী জানাই এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে সে ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের দাবী জানাই ।

আপুরা যারা ছিলেন তাদেরকে ধন্যবাদ দিয়ে আমি শেষ করতে পারবো না। আপনারা যেভাবে সাপোর্ট, সিকিউরিটি, প্রাইভেসি মেইনটেইন করছেন আর ভয়েস রেইজ করছেন অতুলনীয়। আর ভাই দের ও অনেক ধন্যবাদ পরে হলেও আমার প্রাইভেসি বোঝার জন্য আর এতক্ষণ বাইরে থেকেও ধৈর্য্য ধারণ করে পাশে থাকার জন্য। যে ভাইরা টহল দিছেন, এভিডেন্স কালেক্ট করছেন তাদেরকে ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করতে পারবো না। কিন্তু আপনারা সবাই প্লিজ প্রেশার ক্রিয়েট করুন। আদারওয়াইজ আরো খারাপ দিনের অপেক্ষা করুন।

(প্রাইভেসির জন্য ভিক্টিমের নাম পরিচয় কিছু আমরা প্রকাশ করছি না। সব এভিডেন্স প্রক্টর আর পুলিশ এর কাছে আছে । আর ক্রিমিনাল এর ছবি, ভিডিও সবার কাছেই আছে এবং ঘটনার সত্যতা ও ভয়াবহতা সিসিটিভি ফুটেজে উপস্থিত সবাই দেখেছে)

#জাবি

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Jahangirnagar University
Dhaka