Taohider Kotha

Taohider Kotha وَٱللَّهُ خَلَقَكُمۡ وَمَا تَعۡمَلُونَ ٩٦﴾ [الصافات: ٩٦]
“আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমাদের কর্মসমূহকেও সৃষ্টি করেছেন।” [সূরা আস-সাফফাত, আয়াত: ৯৬]

সুবহানআল্লাহ্💖
09/08/2026

সুবহানআল্লাহ্💖

সারা জীবনের জন্য যাদু টোনা থেকে নিরাপদ থাকার তদবির ইহা বহু বহু বার (পরীক্ষিত), এই পেইজটি ভালো লাগলে একটি ফলো করুন
20/07/2026

সারা জীবনের জন্য যাদু টোনা থেকে নিরাপদ থাকার তদবির ইহা বহু বহু বার (পরীক্ষিত), এই পেইজটি ভালো লাগলে একটি ফলো করুন

▶️জিলহজ্জ মাসের ফজিলত💟⤵️জিলহজ্জ মাস ইসলামি বর্ষপঞ্জির ১২তম ও শেষ মাস, যা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও সম্মানিত মাস। এই মাসের প্র...
14/05/2026

▶️জিলহজ্জ মাসের ফজিলত💟⤵️
জিলহজ্জ মাস ইসলামি বর্ষপঞ্জির ১২তম ও শেষ মাস, যা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও সম্মানিত মাস। এই মাসের প্রথম ১০ দিন আল্লাহর কাছে বছরের সেরা দিন। এ মাসে হজ পালন, কোরবানি, আরাফার দিন (৯ জিলহজ্জ) ও ঈদুল আজহা (১০ জিলহজ্জ) অনুষ্ঠিত হয়। এ দশ দিনে ইবাদত ও নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

১। নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?২। স্বামী-স্ত্রী কেউ কারো লজ্জাস্থানের লোম কেটে দিতে পারবে?‌৩। অন্ডকোষ ও পায়ুপথের...
27/04/2026

১। নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?
২। স্বামী-স্ত্রী কেউ কারো লজ্জাস্থানের লোম কেটে দিতে পারবে?
‌৩। অন্ডকোষ ও পায়ুপথের চারপাশের লোমও কাটতে হবে?
৪। পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে লজ্জাস্থানের লোম কাটতে পারবে?
৫। কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?
🔲 নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায়, নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয়, সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)
🔲 স্বামী তার স্ত্রী’র এবং স্ত্রী তার স্বামীর-
নাভির নিচের লোম কেটে দিতে পারবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
হ্যাঁ, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অবাঞ্চিত লোম কেটে দিতে পারবে।
তবে নিজ হাত দিয়ে অবাঞ্চিত লোম পরিস্কারের সামর্থ থাকা সত্বেও একে অপরের সাহায্য না নেওয়া উত্তম।
স্বামী স্ত্রীর মাঝেও লজ্জা শীলতা থাকা আবশ্যক। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মাঝে লজ্জা না থাকলে সংসারে সুখ হয় না।
যদিও স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের লজ্জাস্থানের লোম পরিষ্কার করে দেওয়া জায়েয। তবে ইহা আদব তথা শিষ্টাচার পরিপন্থী কাজ।
ইবন কুদামা আল মাকদেসী (রহ.) বলেন,
وَيُبَاحُ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْ الزَّوْجَيْنِ النَّظَرُ إلَى جَمِيعِ بَدَنِ صَاحِبِهِ ، وَلَمْسُهُ ، حَتَّى الْفَرْجِ … ؛ وَلِأَنَّ الْفَرْجَ يَحِلُّ لَهُ الِاسْتِمْتَاعُ بِهِ ، فَجَازَ النَّظَرُ إلَيْهِ وَلَمْسُهُ ، كَبَقِيَّةِ الْبَدَنِ
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সমস্ত দেহের দিকে তাকানো, স্পর্শ করা, এমনকি যৌনাঙ্গের ক্ষেত্রেও বৈধ। কেননা, যৌনাঙ্গে মিলন হালাল। সুতরাং শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মত তা দেখা ও স্পর্শ করাও জায়েয। (আল মুগনী ৭/৭৭)।
🔲 অন্ডকোষ ও মলদ্বারের-
চারপাশের লোমও কাটতে হবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
মুত্র থলির নিচে নিম্নাঙ্গের যে হাড্ডি থেকে- যেখানে তলপেটের নিচে উক্ত হাড্ডি বরাবর চামড়ার ওপর একটি ভাঁজ থাকে। (পেটের নীচে লজ্জাস্থানের উপরে ত্রিভুজ অঞ্চলের শুরুতে যে ভাঁজ থাকে) এখান থেকেই সাধারণত ঘন পশম গজানো শুরু হয়। উক্ত ভাঁজ থেকে নিয়ে লিঙ্গ, অণ্ডকোষ এবং মলদ্বার- এই তিন অঙ্গের আশপাশে এবং উরুর ওই অংশ, যা অণ্ডকোষদ্বয়ের কাছাকাছি থাকে এবং যা পশমের কারণে ময়লাযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে পুরোটাই অবাঞ্ছিত পশম থেকে মুক্ত করতে হবে। [সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাদানিয়া : ৩/৪৮২]
পায়খানার রাস্তার আশেপাশের লোম কাটতে হবে।
যদি নাপাকি লেগে না থাকে, সন্দেহমুক্তভাবে পরিষ্কার রাখা সর্বদা সম্ভব হয়, তাহলে সমস্যা নেই।
তবে কেটে ফেলা উত্তম, কেটে ফেলবেন, এটা অধিকাংশ মত।(বিস্তারিত পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করা হবে ইংশাআল্লাহ্)।
☞ আর নাভীর নিচের লোম, অন্ডকোষ, পায়ুপথ তথা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করতে যেয়ে একটা-দুইটা লোম থেকে গেলে কোন গোনাহ হবেনা। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)
🔲 পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে-
নাভির নিচের লোম কাটতে পারবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব।—(কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫)
ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। কেউ যদি কাঁচি দ্বারা ছোট করে রাখে, তাহলে জায়েয হবে, তবে উত্তম হবে না।
فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة
যদি কেউ চেঁছে না ফেলে অন্য কোনভাবে পরিষ্কার করে তাহলে তা সুন্নাহ অনুযায়ী হবে না। (কিতাবুন নাওয়াযিল ১৫/৫৪৭)
❑ মেশিন দিয়ে লজ্জাস্থানের লোম কাটার মূলনীতি হলো—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
☞ ছাটা না ক্লিন?
☞ লোম ক্লিন করা সুন্নাত।
☞ তাই মেসিন দিয়ে তো কাটা হয়/ছাটা হয়, ক্লিন হয় না।
☞ আর যদি একেবারে ন্যানো হয় তাহলে করা যেতে পারে।
তবে একবারে ক্লিন করাই উত্তম, সুন্নাহ।
▪️হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত—
وعن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((الفطرة خمس: الختان، والاستحداد، وقص الشارب، وتقليم الأظفار، ونتف الإبط)) متفق عليه.
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ফিতরাত তথা স্বভাবগত সুন্নত পাচঁটি।
১) খৎনা করা। ২) খুর দ্বারা নাভীর নীচ পরিস্কার করা। ৩) মুছ কাট। ৪) নক কাটা। ৫) বগলের চুলকে উপড়িয়ে ফেলা। (মিশকাতুল মাসাবিহ-৪৪২০)
▪️মুল্লা আলী ক্বারী (রঃ) উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,
(والاستحداد) : أي حلق العانة، وهو استفعال من الحديد، وهو استعمال الحديد من نحو الموسى في حلق العانة ذي الشعر الذي حوالي ذكر الرجل وفرج المرأة. زاد ابن شريح: وحلقة الدبر، فجعل العانة منبت الشعر مطلقا، والمشهور الأول، فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة. كذا في شرح المشارق، ويجب أن يعلم أنه لا يقطع شيئا من شعر وهو جنب.
ইস্তেহদাদ অর্থ হলো– নাভীর নীচ কে খুর ইত্যাদি দ্বারা পরিস্কার করা। পুরুষাঙ্গ ও যোনিপথের আশপাশের সবকিছুকে খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে।
ইবনে শুরাইহ বলেন, মলমূত্রত্যাগের স্থানকেও খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে। উনি নাভীর নীচের সকল চুলকে তাতে শামিল রাখেন তা যেখানেই হোকনা কেন। তবে প্রথম মতটাই অধিক প্রসিদ্ধ। যদি কেউ খুর ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা নাভীর চুলকে পরিস্কার করে, তাহলে সেটা সুন্নত অনুযায়ী হবে না।(শরহে মাশারিক্ব) সবার জানা থাকা উচিৎ যে, জুনুবী অবস্থায় নাভীর চুলকে কাটা যাবে না।
🔲 কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি সপ্তাহে একবার কাটা সুন্নত। কমপক্ষে ৪০ দিনের ভিতরে একবার হলেও কাটতে হবে বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটা মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ। এ মর্মে সাহাবী আনাস (রাযি.) বলেন,
وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً
অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮)

লাইক, ফলো ও শেয়ার করুন:
https://www.facebook.com/TaohiderKotha/

ইসলামি ফিকহের চার উজ্জ্বল নক্ষত্র একসাথে: ইমাম আবু হানিফা (রহ.), ইমাম মালিক (রহ.), ইমাম শাফেয়ী (রহ.), এবং ইমাম আহমদ ইবন...
16/03/2026

ইসলামি ফিকহের চার উজ্জ্বল নক্ষত্র একসাথে: ইমাম আবু হানিফা (রহ.), ইমাম মালিক (রহ.), ইমাম শাফেয়ী (রহ.), এবং ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ.)।

রমজানে নিয়মিত পড়ার জন্য আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দোয়া, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।  আমরা দোয়াগ...
19/02/2026

রমজানে নিয়মিত পড়ার জন্য আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দোয়া, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
আমরা দোয়াগুলো নিয়মিত পড়া এবং মুখস্থ করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ ।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের দোয়া কবুল করুন।
آمِين

নবী মুহাম্মদ ﷺ এর জীবনী গভীরভাবে পড়লে দেখা যায় উনা সাধারণ দিনগুলোর রুটিন প্রায় একই। কিন্তু এই রুটিনটা আরেকটু গভীরভাবে দে...
19/02/2026

নবী মুহাম্মদ ﷺ এর জীবনী গভীরভাবে পড়লে দেখা যায় উনা সাধারণ দিনগুলোর রুটিন প্রায় একই।
কিন্তু এই রুটিনটা আরেকটু গভীরভাবে দেখলে বুঝা যায় এখানে তিনি খুঁটি নির্মান করে রেখেছেন।
নামাজ ছিল উনার ডেইলি লাইফের পিলার।
এটার আশপাশে তিনি কাজগুলোকে ভাগ করে নিয়েছিলেন নিজের মতো করে।
না তিনি হাতে কলমে কোনো রুটিন লিখেন নি।
কারণ তখন যেমন এখনকার মতো পড়ালেখা জানা মানুষ তেমন ছিলেন না, তেমনই রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিন্তু খুব একটা পড়ালেখা জানতেন না।
কিন্তু নিজের জীবনকে তিনি একটা ছকে নিয়ে সুন্দরভাবে পরিচালনা করেছিলেন।
সুবহানাল্লাহ!
রাসুল স. সবসময় আমাদের জন্য অনুপ্ররণায় জায়গায় থাকবেন। ✨

ভারতে অবস্থিত বিখ্যাত মাদ্রাসা "দারুল উলূম দেওবন্দ" প্রচলিত খতমে কুরআন পড়াকে বিদ'আত ও নাজায়েজ আখ্যা দিয়েছেন ( ১৫ নভেম্...
19/01/2026

ভারতে অবস্থিত বিখ্যাত মাদ্রাসা "দারুল উলূম দেওবন্দ" প্রচলিত খতমে কুরআন পড়াকে বিদ'আত ও নাজায়েজ আখ্যা দিয়েছেন ( ১৫ নভেম্বর, ২০২১সালে) এবং আরো উল্লেখ করেছেন কুরআন পাঠকারীদের খাবার খাওয়ানো ও তাদেরকে মূল্য দেওয়া বিদআত ও নাজায়েজ এবং তাতে না পাঠকারী নেকী পান আর না মৃতব্যক্তি নেকী পান।'
অথচ এসকল প্রথা আমাদের সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিতও যুগযুগ ধরে চলে আসছে। মনে রাখতে হবে পবিত্র আল-কুরআন কেবলমাত্র জীবিত মানুষদের জন্য হেদায়েত ও পথ নির্দেশ, যা তাকে আখিরাতের মুক্তি এবং সফলতা এনে দেবে, কিন্তু মৃতব্যক্তিদের জন্য নয়।
যদি মৃত ব্যক্তির জন্য কিছুই করতেই হয় তাহলে নিম্নোক্ত হাদিসটি অনুসরণ করুন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, মানুষ মৃত্যুবরণ করলে তার যাবতীয় আমল বন্ধ হয়ে যায় তবে ৩টি আমল ব্যতীত - ১. সদকায়ে জারিয়া, ২. এমন জ্ঞান (ইলম)- যার দ্বারা উপকৃত হওয়া যায় ও ৩. এমন নেক সন্তান- যে তার জন্য দোয়া করবে। (সহিহ মুসলিম : ৪৩১০)

🕌 মসজিদে নববীর ৮টি ঐতিহাসিক স্তম্ভযেখানে ইবাদত, অশ্রু, তওবা আর ওহির স্মৃতি আজও জীবন্তমসজিদে নববী—এটি শুধু একটি স্থাপনা ন...
05/01/2026

🕌 মসজিদে নববীর ৮টি ঐতিহাসিক স্তম্ভ
যেখানে ইবাদত, অশ্রু, তওবা আর ওহির স্মৃতি আজও জীবন্ত
মসজিদে নববী—এটি শুধু একটি স্থাপনা নয়;
এটি নবুয়তের ইতিহাসের একটি লাইভ আর্কাইভ।
এখানে প্রবেশ করলেই বোঝা যায়—
ইট–পাথরের চেয়ে স্মৃতির ওজন বেশি।
এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর জীবনচর্চার নীরব সাক্ষী।
অনেকেই জানেন না—
মসজিদে নববীর সম্মুখ অংশে কিছু নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক স্তম্ভ (উস্তুওয়ানাহ) রয়েছে,
যেগুলোর অবস্থান ঠিক সেই জায়গাতেই—
যেখানে নবী ﷺ–এর যুগে যুগান্তকারী ঘটনা ঘটেছিল।
👉 স্তম্ভগুলো গুরুত্বপূর্ণ নয় পাথরের কারণে—
গুরুত্বপূর্ণ হলো এগুলো কী দেখেছে, কী বহন করেছে।
চলুন, সংক্ষেপে কিন্তু প্রামাণ্যভাবে জেনে নিই
মসজিদে নববীর সেই ৮টি ঐতিহাসিক স্তম্ভ ⬇️
১️⃣ উস্তুওয়ানাহ হান্নানাহ (কান্নার স্তম্ভ) 😢🌴
এটি উস্তুওয়ানাহ মুখাল্লাক নামেও পরিচিত।
এই স্থানেই নবী ﷺ সালাত আদায় করতেন।
একসময় এখানে ছিল একটি খেজুর গাছ—
যেটিতে ভর দিয়েই তিনি খুতবা দিতেন।
মিম্বর স্থাপনের পর,
যেদিন তিনি আর গাছটিতে ভর দিলেন না—
মসজিদ জুড়ে শিশুর কান্নার মতো শব্দে
গাছটি কেঁদে উঠেছিল।
নবী ﷺ নিজ হাতে সেটিকে শান্ত করেন এবং বলেন—
তিনি তা না করলে, কিয়ামত পর্যন্ত গাছটি কাঁদতেই থাকত।
পরবর্তীতে গাছটি শুকিয়ে গেলে,
তাকে সম্মানের সঙ্গে দাফন করা হয়।
২️⃣ উস্তুওয়ানাহ সারীর (বিশ্রামের স্থান) 💤
‘সারীর’ অর্থ—শোবার স্থান।
ইতিকাফের সময় নবী ﷺ এখানে বিশ্রাম নিতেন।
এখানে তাঁর জন্য কাঠের একটি ছোট মাচা রাখা হতো।
📌 স্ট্র্যাটেজিক লেসন:
ইবাদতের মাঝেও পরিমিত বিশ্রাম—এটিও সুন্নাহ।
৩️⃣ উস্তুওয়ানাহ তাওবা
(উস্তুওয়ানাহ আবু লুবাবাহ রা.) 🤲
তওবার এক জীবন্ত কেস স্টাডি।
এক অনিচ্ছাকৃত ভুলের পর
সাহাবি আবু লুবাবাহ (রা.)
নিজেকে এখানকার একটি খেজুর গাছের সঙ্গে বেঁধে বলেন—
“আল্লাহ আমার তওবা কবুল না করা পর্যন্ত
আমি নিজেকে মুক্ত করব না।”
দিনের পর দিন—ক্ষুধা, দুর্বলতা, কষ্ট।
অবশেষে তাহাজ্জুদের সময়
ওহির মাধ্যমে তাঁর তওবা কবুল হয়।
ফজরের পর নবী ﷺ নিজ হাতে তাঁকে মুক্ত করেন।
৪️⃣ উস্তুওয়ানাহ আয়েশা (রা.)
(উস্তুওয়ানাহ কুর‘আহ) ✨
এই স্থানে নবী ﷺ সালাত আদায় করতেন,
তারপর হান্নানাহ স্তম্ভের দিকে যেতেন।
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন—
মসজিদে এমন একটি স্থান আছে,
যার ফজিলত মানুষ জানলে
সেখানে নামাজ পড়তে কুর‘আ (লটারি) করতে হতো।
এই স্তম্ভের অবস্থান তিনিই দেখিয়ে দেন।
আবু বকর ও উমর (রা.) এখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন।
৫️⃣ উস্তুওয়ানাহ আলী (রা.)
(উস্তুওয়ানাহ মাহরাস) 🛡️
‘মাহরাস’ অর্থ—পাহারা।
এই স্থানে সাহাবারা নবী ﷺ–এর নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করতেন।
হযরত আলী (রা.) এই দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি পালন করেন।
নবী ﷺ আয়েশা (রা.)–এর ঘর থেকে বের হলে
এই স্তম্ভের পাশ দিয়েই যেতেন।
৬️⃣ উস্তুওয়ানাহ উফূদ 🗣️
‘উফূদ’ অর্থ—প্রতিনিধি দল।
বিভিন্ন গোত্রের প্রতিনিধি দল এখানেই বসত।
রাসূল ﷺ এখানেই তাদের সঙ্গে আলোচনা করতেন—
ইসলামের দাওয়াত দিতেন, প্রশ্নের উত্তর দিতেন।
ইসলামের বহু কৌশলগত সংলাপ
এই স্থানেই সংঘটিত হয়েছে।
৭️⃣ উস্তুওয়ানাহ জিবরাঈল (আ.) 🕊️
এই পথ দিয়েই
জিবরাঈল (আ.) নিয়মিত নবী ﷺ–এর কাছে আসতেন।
বর্তমানে এটি রওযা শরীফের ভেতরে হওয়ায় দৃশ্যমান নয়,
তবে এর ঐতিহাসিক অবস্থান সুপ্রতিষ্ঠিত ও গ্রহণযোগ্য।
৮️⃣ উস্তুওয়ানাহ তাহাজ্জুদ 🌙
রাত গভীর হলে, সবাই চলে গেলে—
এই স্থানে চাটাই বিছিয়ে
নবী ﷺ তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন।
বর্তমানে এটি একটি বুকশেলফ দিয়ে আচ্ছাদিত,
তবে পুরোনো নথি ও ছবিতে
এর অবস্থান স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়।
🕋 সমাপনী প্রতিফলন
মসজিদে নববী হলো নবুয়তের জীবন্ত মানচিত্র।
আপনি যখন আবার সেখানে যাবেন—
শুধু ছবি তুলবেন না।
একটু থেমে থাকবেন।
নীরবে শুনবেন।
স্তম্ভগুলো কথা বলে—
শুধু শোনার মতো মন দরকার।
💬 এই ৮টির মধ্যে
কোন স্তম্ভের গল্পটি আপনার হৃদয় ছুঁয়েছে?

রাসূল ﷺ-এর পবিত্র কক্ষইতিহাস, সংরক্ষণ ও চিরন্তন সান্নিধ্যপৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানিত সমাধিস্থল হলো মদিনার মসজিদে নববীতে অবস্...
04/01/2026

রাসূল ﷺ-এর পবিত্র কক্ষ
ইতিহাস, সংরক্ষণ ও চিরন্তন সান্নিধ্য
পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানিত সমাধিস্থল হলো মদিনার মসজিদে নববীতে অবস্থিত পবিত্র কক্ষ (Sacred Chamber)। এখানেই শায়িত আছেন Prophet Muhammad ﷺ, এবং তাঁর দুই নিকটতম সাথী—Abu Bakr (রা.) ও Umar (রা.)।
📍 দাফনের অবস্থান (প্রামাণ্য ইতিহাস)
ইমাম ইবনে কাসীর ও আল-সামহুদী (রহ.)-সহ একাধিক ঐতিহাসিকের বর্ণনা অনুযায়ী—
রাসূল ﷺ কিবলামুখী অবস্থায় দাফন
তাঁর ঠিক পেছনে আবু বকর (রা.)
আবু বকরের (রা.) পেছনে উমর (রা.)
এটি কেবল শারীরিক অবস্থান নয়—এটি সাহচর্য, ভালোবাসা ও শৃঙ্খলার চিরন্তন দলিল।
🏠 হযরত আয়েশা (রা.)-এর ঘর
এই কক্ষটি মূলত Aisha (রা.)-এর ঘর ছিল।
রাসূল ﷺ এখানেই তাঁর শেষ সময় কাটান এবং তাঁর কোলে মাথা রেখে ইন্তেকাল করেন।
“নবীগণ যেখানে ইন্তেকাল করেন, সেখানেই দাফন হন।”
— সুনান আবু দাউদ
আবু বকর (রা.) আজীবন কামনা করতেন প্রিয় রাসূল ﷺ-এর পাশে দাফন হতে—আল্লাহ তাঁর সে আশা পূরণ করেন।
পরবর্তীতে উমর (রা.) শহীদ হলে আয়েশা (রা.) নিজের জন্য রাখা জায়গাটি ছেড়ে দেন—ইতিহাসের এক অনন্য আত্মত্যাগ।
🛡️ এত স্তরের নিরাপত্তার কারণ
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিম শাসকরা পবিত্রতা রক্ষায় যুক্ত করেছেন—
বন্ধ ও সিল করা দেয়াল
ধাতব ও লৌহ সুরক্ষা
নিচে সিসার পরিখা (Lead Trench)—যার উল্লেখ আল-সামহুদীর লেখায় পাওয়া যায়
ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট:
সম্মান থাকবে, প্রদর্শনী নয়।
🟢 সবুজ গম্বুজ সম্পর্কে সত্য তথ্য
প্রথমে রংহীন
পরে সাদা
১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে উসমানি আমলে সবুজ রং করা হয়
এটি কবরের ঠিক ওপর নয়—বরং একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্যচিহ্ন।
🤍 সালাম পাঠের ফজিলত
রাসূল ﷺ বলেন—
“যে ব্যক্তি আমার প্রতি সালাম পাঠায়, আল্লাহ আমার রূহ ফিরিয়ে দেন যাতে আমি তার সালামের জবাব দিতে পারি।”
— সুনান আবু দাউদ, হাদিস ২০৪১
এটি কেবল জিয়ারত নয়।
এটি সালাম—যার জবাব দেওয়া হয়।
🕋 আল্লাহ আমাদের সবাইকে সেখানে দাঁড়ানোর তাওফিক দান করুন। আমীন।

Address

Dhaka
1310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taohider Kotha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share