Taohider Kotha

Taohider Kotha

Share

وَٱللَّهُ خَلَقَكُمۡ وَمَا تَعۡمَلُونَ ٩٦﴾ [الصافات: ٩٦]
“আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমাদের কর্মসমূহকেও সৃষ্টি করেছেন।” [সূরা আস-সাফফাত, আয়াত: ৯৬]

22/12/2025
03/12/2025

📌 রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে।

بِسْمِ اللهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।

অর্থ : আল্লাহ তাআলার নামে, যার নামের বরকতে আকাশ ও মাটির কোনো কিছুই কোনো অনিষ্ট করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

✅ (তিরমিজি, হাদিস : ৩৩৮৮)

আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে হেফাজত কর। আমিন🤲

Photos from Taohider Kotha's post 16/10/2025
14/10/2025

If you’re online, say Amin.

31/07/2025

একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও বিশুদ্ধ নারী অন্য কোন ধর্মে নেই।
পুরো ঘটনাটি ঘটেছিল যখন আলবার্ট আইনস্টাইন ইনস্টিটিউটের (Albert Einstein Institution) সাথে যুক্ত একজন ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ, ইহুদি পেশাদার রবার্ট, তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। যার একমাত্র কারণ ছিল, কুরআনে উল্লেখিত তালাক প্রাপ্তা নারীর ইদ্দতের আদেশ সম্পর্কিত আয়াত এবং ইদ্দতের জন্য তিন মাসের সীমা নির্ধারণের পেছনের রহস্য ও হিকমত সম্পর্কে অবগতি।
আল্লাহ তায়ালা কোনো তালাক প্রাপ্তা নারীকে দ্বিতীয় বিয়ের পূর্বে তিন মাসের একটি গ্যাপ রাখতে বলেছেন। তিনি পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন,
وَٱلْمُطَلَّقَٰتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَٰثَةَ قُرُوٓءٍۚ
অর্থাৎ 'তালাকপ্রাপ্তা নারীরা তিন মাসিক পর্যন্ত অপেক্ষা করবে' (সূরা আল-বাকারাহ ২২৮:২)
এই আয়াতটি একটি আধুনিক বিজ্ঞান ডিএনএ এর উদ্ভাবনের রাস্তা সুগম করেছে এবং দেখা গেছে যে একজন পুরুষের শুক্রাণুতে থাকা প্রোটিন অন্য পুরুষের থেকে ৬২% পৃথক ও ভিন্ন থাকে।
আর একজন নারীর শরীর একটি কম্পিউটারের মত। যখন একজন পুরুষ তার সাথে ইন্টারকোর্স করে তখন সেই নারীর শরীর সব ব্যাকটেরিয়াকে শোষণ করে এবং তার শরীরে তা ধারণ করে।
অতএব, বিবাহ বিচ্ছেদের পরপরই, যদি একজন মহিলা অন্য পুরুষকে বিয়ে করেন বা একই সাথে বেশ কয়েকজনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে, তাহলে তার শরীরে বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ জমা হয় যা বিপজ্জনক ভাইরাসের রূপ নেয় এবং মারাত্মক রোগ সৃষ্টির কারণ হয়।
বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখে যে, প্রথম মাসিক আসার পর একজন মহিলার শরীর থেকে ৩২% থেকে ৩৫% পর্যন্ত প্রোটিন শেষ হয়ে যায়, এবং দ্বিতীয় মাসিক আসার পর তার শরীর থেকে ৬৭ থেকে ৭২% ডিএনএ ধ্বংস হয়ে যায়। এবং তৃতীয় মাসিকের পর ৯৯.৯% পর্যন্ত প্রোটিন নির্মূল হয়ে যায়। এরপর জরায়ু আগের ডিএনএ থেকে সম্পন্নরূপে পরিষ্কার হয়ে যায় এবং কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই নতুন ডিএনএ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত থাকে।
একজন গণিকা অনেক পুরুষের সাথে সঙ্গম করে, যার ফলে বিভিন্ন পুরুষের ব্যাকটেরিয়া তার জরায়ুতে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ তার মধ্যে জমা হয়ে সে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
বিধবা মহিলার ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান হলো, তার ইদ্দত তালাকপ্রাপ্ত মহিলার চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪ মাস ১০ দিন। এর কারণ হলো দুঃখ ও দুশ্চিন্তার কারণে তার শরীর থেকে প্রাক্তন ডিএনএ দ্রুত শেষ হয় না, এটি শেষ হতে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগে, আর এ জন্য মহিলাদের ইদ্দত চার মাস দশ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَٱلَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَٰجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًاۖ
অর্থাৎ 'তোমাদের মধ্য হতে যারা স্ত্রীদেরকে রেখে মারা যাবে সে অবস্থায় স্ত্রীরা নিজেদেরকে চার মাস দশ দিন বিরত রাখবে।' (আল-বাকারাহ, ২৩৪)
এই সত্যের মুখোমুখি হয়ে, একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ভিন্ন স্থানে গবেষণা পরিচালনা করেন। এক. আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মুসলমানরা যে মহল্লায় থাকেন, সেই সব নারীর ভ্রূণের মধ্যে মাত্র একজন স্বামীর ডিএনএ পাওয়া গেছে। দুই. অন্য মহল্লা যেখানে আসল আমেরিকান মহিলারা থাকেন, তাদের ভ্রূণের মধ্যে একাধিক অর্থাৎ দুই বা তিন জনের বেশি পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেছে।
অতঃপর যখন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তার নিজ স্ত্রীর ভ্রূণ ​​পরীক্ষা করলেন, তখন তিনি একটি মর্মান্তিক সত্য দেখতে পান যে, তার স্ত্রীর মধ্যে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ডিএনএ আছে। যার অর্থ হলো তার স্ত্রী তার সাথে প্রতারণা করছিল এবং তার তিন সন্তানের মধ্যে কেবল মাত্র একজন ছিল তার নিজ সন্তান, বাকিরা ছিল অন্য পুরুষ থেকে।
ডাক্তার তখন নিশ্চিত হন যে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীদের নিরাপত্তা এবং সমাজের সম্প্রীতির নিশ্চয়তা দেয়। এবং এই বিষয়েও নিশ্চিত হন যে, একমাত্র মুসলিম নারীরাই পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন, বিশুদ্ধ ও সতী।
والله ورسوله اعلم عزوجل وصل الله عليه وسلم
ইসলামে একজন মহিলার জন্য এক‌ই সময়ে একাধিক বিয়ে বা একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি দেয়া হয়নি কেন!
অবশেষে বিজ্ঞানও আল কুরআনের বিধানের নির্ভুল ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হলো।
------ feeling blessed.

24/07/2025

সুবহানাল্লাহ! একবার দেখুন!
এই ছবিটি কোনো শিল্পীর আঁকা জটিল শিল্পকর্ম নয়। এটি মহান আল্লাহতায়ালার এক অবিশ্বাস্য সৃষ্টি—আমাদের নিজেদের মেরুদণ্ডের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা স্নায়ু জালের এক বাস্তব চিত্র।
একবার গভীরভাবে চিন্তা করুন, আমাদের সৃষ্টিকর্তা কতটা নিখুঁতভাবে আমাদের তৈরি করেছেন! আমাদের মেরুদণ্ড থেকে মোট ৩১ জোড়া স্নায়ু বের হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে—একদম নির্ভুল গণনায়। ঘাড় থেকে কোমর হয়ে একেবারে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত প্রতিটি স্নায়ু তার নির্দিষ্ট দায়িত্ব পেয়ে ছড়িয়ে আছে।
এদের কাজ আমাদের কল্পনার চেয়েও বিশাল। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি নিঃশ্বাস, প্রিয়জনের মুখের দিকে তাকানো, মায়ের হাতের স্পর্শ অনুভব করা, এমনকি আমাদের হৃদয়ের যে স্পন্দন—তার সবই এই স্নায়ুগুলোর মাধ্যমে মহান রবের ইশারায় নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি, তখনও এই নেয়ামতগুলো আমাদের শরীরকে সচল রাখে।
আমরা কতই না গাফেল! সামান্য ব্যথা পেলেই অস্থির হয়ে যাই, কিন্তু যে মহান সত্তা এই জটিল ব্যবস্থা দিয়ে আমাদের আগলে রেখেছেন, তাঁর শুকরিয়া কি আমরা আদায় করি?
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন,
“আর তোমাদের নিজেদের মধ্যেও (আমার নিদর্শন) রয়েছে, তোমরা কি দেখো না?”
(সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ২১)
এই ছবিটি সেই আয়াতের এক জীবন্ত উদাহরণ। আমাদের শরীর আল্লাহর অস্তিত্বের এক অকাট্য প্রমাণ, এক জীবন্ত মোজেজা। প্রতিটি মুহূর্তের জন্য, প্রতিটি সুস্থতার জন্য—আলহামদুলিল্লাহ!

------ feeling blessed.

19/07/2025

উটের চোখের জল: বিষধর সাপের বিষ ঠেকাতে সক্ষম!
উটের চোখ থেকে পড়া এক ফোঁটা অশ্রু দেখতে সাধারণ মনে হলেও, এর মধ্যে লুকিয়ে আছে এক অসাধারণ শক্তি। গবেষকরা বলছেন, এই অশ্রুতে এমন উপাদান রয়েছে যা একসাথে ২৬টি বিষধর সাপের বিষকে প্রতিরোধ করতে পারে।
মরুভূমির মতো কঠিন পরিবেশে টিকে থাকার জন্য উটের শরীরে গড়ে উঠেছে এক বিশেষ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এই অশ্রু শুধুই চোখের পানি নয়, এটি হতে পারে ভবিষ্যতের শক্তিশালী কোনো ওষুধের উপাদান।
প্রকৃতির মধ্যে লুকিয়ে থাকা অনেক অজানা রহস্যের মধ্যে উটের চোখের জল নিঃসন্দেহে এক বিস্ময়কর উদাহরণ। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এটিই বিজ্ঞানের এক চমকপ্রদ তথ্য।

Photos from Taohider Kotha's post 15/07/2025

যে সময়ে জান্নাতের দরজা খোলা থাকে

জান্নাতি ব্যক্তিদের জন্য জান্নাতের দরজা খুলে রাখা হবে। জান্নাতের দরজাগুলো থেকে তার যোগ্য ব্যক্তিদের আহ্বান করা হবে। জান্নাতের দরজা খুলে রাখা প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘ইহা হলো স্মরণীয় জিনিস এবং পরহেজগারদের জন্য সুন্দর আবাসস্থল। জান্নাতে আদন যার দরজাগুলো খোলা থাকবে। (সুরা সোয়াদ : আয়াত ৪৯-৫০)

হাদিসের বর্ণনা থেকে জানা যায়, নির্ধারিত কিছু দিন এবং বিশেষ কিছু সময়ে দুনিয়ার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয়। সে সময় দুনিয়ায় বসেই মানুষজন জান্নাতি আবহ অনুভব করে থাকে।

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলু্ল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘জান্নাতের দরজাগুলো সোমবার ও বৃহস্পতিবার খুলে দেয়া হয়। আর ওইসব বান্দাকে মাফ করে দেয়, যারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করেনি। কিন্তু ওই ব্যক্তি ব্যতীত যে তার ভাইয়ের ও তার মাঝে শত্রুতা রাখে।’ (মুসলিম)

অন্য হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘যখন রমজান মাস প্রবেশ করে তখন জান্নাতের সব দরজা খুলে দেয়া হয় আর জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।’ (বুখারি মুসলিম)

হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ যখন পূর্ণভাবে ওজু শেষ করে অতঃপর বলবে- ‘আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আ’বদুহু ওয়া রাসুলুহু’; তখন তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়; সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করবে। (মুসলিম)

আল্লাহ তাআলা মানুষের প্রত্যেকটি কাজকেই ফজিলতপূর্ণ করেছেন। কারণ, আল্লাহ তাআলা মানুষকে অত্যধিক ভালোবাসেন। ফজিলতপূর্ণ আমলগুলোর কারণে মানুষ যেন ইবাদাত-বন্দেগির প্রতি উদ্বুদ্ধ হয়ে নেক আমল করে। ইবাদাত-বন্দেগির (ফরজ ইবাদাত) জন্য অজু করা আবশ্যক। সাধারণত অজু অবস্থায় থাকা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতও বটে। সুতরাং অজু করার পর কালিমার সাক্ষ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত। হাদিসে এসেছে-

হজরত উক্ববা ইবনে আমের রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

‘তোমাদের মধ্যকার কেউ যদি উত্তম এবং পূর্ণাঙ্গরূপে অজু করার পর বলে, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বান্দাহ ও রাসুল। তাহলে ঐ ব্যক্তির জন্য বেহেশতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়। সে ইচ্ছা করলে এর যে কোনো দরজা দিয়ে (জান্নাতে) প্রবেশ করতে পারবে। (মুসলিম)

সুতরাং অজু করার পর উম্মাতে মুসলিমার উচিত, উক্ত কালিমা সাক্ষ্য দেয়া।

পরিশেষে...
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দুনিয়ায় বেহেশতি পরশ লাভ করতে ওজুর পর কালিমা শাহাদাত পাঠ করার তাওফিক দান করুন। বারবার পবিত্র রমজান মাস দান করুন এবং প্রত্যেক সোমবার এবং বৃহস্পতিবার বেশি বেশি নেক আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

01/07/2025

আম্মা যে রাতে ইন্তিকাল করবেন সে রাতে খুব অস্থির ছিলেন। নিজেই ছাদ থেকে শুকনো কাপড় এনে ভাজ করলেন। বিদেশে থাকা দুই মেয়ের সাথে ভিডিও কল করলেন, বিদায় নিলেন এমনভাবে যেন আর দেখা হবেনা কখনো। ভাগ্যের জোরে আমি দেশে ছিলাম। আব্বার কাছে মাফ চেয়ে নিলেন। রাত ৩ টার দিকে আমাকে আর মেজো ভাইয়াকে ডাকলেন। অনেক কথা বললেন। পরদিন সকালে ভাইয়ার চাকরিতে দূরে যাওয়ার কথা। আম্মা বললেন কাল একটু থেকে যা। বিকেলের দিকে যাস।
এরপর আমরা রুমে চলে আসি। ফজরের আযানের আধা ঘন্টা আগে আম্মার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। আমি কোলে করে বেলকনিতে আনি ফ্রেশ বাতাসের জন্য। বারবার বলতে থাকি মা একটু শ্বাস নেয়ার চেষ্টা করো। তিনি বারবার বললেন না সেটার সময় শেষ। চলে যেতে হবে। এরপর উনি কালিমা পড়ে ইস্তিগফার করতে করতে সিজদায় চলে গেলেন। আমরা উনাকে বসিয়ে পিঠ মালিশ করছিলাম। তখন দুলাভাই দরজায় দাড়িয়ে ছিলেন। উনি মুফতি। আম্মা দুলাভাইকে জিজ্ঞেস করলেন এখন কি সূরা ইয়াসিন পড়ার সময় হয়েছে? একটু পরে ঘরের দক্ষিণ কোনায় ছাদের দিকে তাকিয়ে বললেন আপনারা আসেন। এর একটু পরেই ভাইয়া আর আমার বুকে আম্মা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আমি এত সুন্দর মৃত্যু কখনো দেখিনি। কল্পনাও করতে পারিনা।
— উস্তাদ সাঈদুল মোস্তফা হাফিজাহুল্লাহ
☞ইখলাস
সংগৃহীত

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka
1310