Dhaka City College

Dhaka City College

Share

A Centre of Excellence One of the major themes that will definitely dominate the third millennium is Computer Science and Information Technology.

In Order to take a share in the Scientific and Commercial advancement of the challenging new world, education in computer technology and the need of skilled computer personnel are essential are with this end in view Dhaka City College introduced 4-year B.Sc (Hons) in Computer Science from the session 1998-1999. In the Speed of education and the development of communication including almost all imp

16/12/2025

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। 🇧🇩

#বাংলাদেশ

14/12/2025

দু'জনে দৌড়ালাম মর্গে, সৌম্যদর্শন বন্ধুবর সন্তোষ ভট্টাচার্য, অতি ভালো মানুষ শিশুর মতো সরল আনোয়ার পাশা, পুত্রতুল্য স্নেভাজন ডা. মর্তুজা আর অনুজের অধিক আত্মীয় গিয়াস ওদের দেখবো না ?
কিন্তু ... না, আমরা দু'জনের কেউই ওদের দিকে তাকাতে পারিনি, চোখ তুলতে পারিনি, মুহূর্তের ভেতর ছিটকে বেরিয়ে এলাম। ওরা যুদ্ধে নিহত সৈনিক, ওরা শহীদ, ওদের শ্রদ্ধা দেখানো, সম্মান দেখানো, আদর ভালোবাসা জানানো আমার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। কিন্তু বেত্রাহত পথের কুকুরের মতো সন্ত্রস্ত কম্পিত বুকে ওখান থেকে দৌড়ে চলে এসেছিলাম। না, কিছুই দেখিনি, জলভরা ঝাপসা চোখে হৃদয়ের দিকে চাইতে চেষ্টা করেছি, ওদের মরদেহের দিকের নয়।
স্বাধীনতার উষালগ্নে আমার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘৃণ্য ব্যর্থ কলঙ্কময় অগ্নি পরীক্ষার এ মুহূর্তে আমি পরাজিত, আমি অপরাধী; আপনারা আমার বিচার করুন, শাস্তি দিন, আপনজনকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের শেষ সালাম জানাতে আমি ব্যর্থ হয়েছি, সাহস হারিয়েছি। সমগ্র স্বাধীনতা সংগ্রামকালে যা হয় নি, তাই হলো মুক্ত বাংলাদেশে। আমি ভয় পেলাম, কেঁপে উঠলাম, হয়তোবা সংবিৎ হারিয়ে ঊর্ধবশ্বাসে ছুটে এসেছিলাম।
আমার জীবনের এই সর্বাপেক্ষা ভয়ঙ্কর মুহূর্তটি কপালে কলঙ্কের তিলক হয়ে রইল।

- নীলিমা ইব্রাহিম, ১৯৭১: ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।

১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭১, হারিয়েছি যাদের মুক্তির মন্দিরে......

#বাংলাদেশ

31/08/2025

মব ভিকটিম রূপলালের ছেলে জয় স্কুল ছেড়ে এখন...

'আমার পড়াশোনা হবে কিনা জানি না, তবে দুই বোনকে পড়াতে চাই।’ -জয়

রংপুরের তারাগঞ্জ বাজার। ফুটপাতে ছোট্ট কাঠের চৌকিতে বসে জুতা সেলাই করছে ১৪ বছরের জয় রবিদাস। পাশে যন্ত্রপাতি, সামনে কয়েক জোড়া জুতা। এখানেই বারো বছর ধরে বসতেন তার বাবা রূপলাল রবিদাস। গত ৯ আগস্ট মব সন্ত্রাসে বাবার মৃত্যুর পর সেই শূন্য আসনে বসতে হয়েছে ছেলেকে।

জয় ছিল তারাগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার। বাবাকে হারিয়ে সেই স্বপ্ন থেমে গেছে তার। সংসারের ভার কাঁধে নিয়ে বাধ্য হয়ে নামতে হয়েছে পৈতৃক পেশায়।

শুক্রবার সকালে জয়কে দেখা যায় বাজারের ফুটপাতে বসে জুতা সেলাই করতে।

জয় জানায়, সকাল ১০টায় দোকান খুলে বিকেল চারটা পর্যন্ত কাজ করেছি। আয় হয়েছে ২৮০ টাকা। জুতা সেলাই ও রং করতে পারি, তবে জুতা বানাতে জানি না। শিখে নেব ধীরে ধীরে। সংসার চালাতে এখন প্রতিদিনই কাজ করতে হবে।

কথা বলতে বলতে থেমে যায় জয়। চোখ ভিজে ওঠে। 'স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে প্রতিষ্ঠিত হব। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর সব ভেঙে গেছে। সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন বাবা। এখন মা, ঠাকুরমা আর দুই বোনকে নিয়ে সংসার চালাতে হবে আমাকে। আমার পড়াশোনা হবে কিনা জানি না, তবে দুই বোনকে পড়াতে চাই।'

জয়ের মা মালতি রানী রবিদাস বলেন, 'সংসারে আর কোনো পুরুষ নেই, জয়-ই এখন ভরসা। কতটুকু আয় করতে পারবে জানি না, তবে সেই আয়ে আমাদের কোনোভাবে বাঁচতে হবে। ছেলেটাকে স্কুলে পাঠাতে না পেরে বুক ফেটে যাচ্ছে। কিছু মানুষ আমাদের সুখ-শান্তি চিরদিনের জন্য কেড়ে নিয়েছে।'

রূপলালের বড় মেয়ে নুপুর রবিদাস বলেন, 'বাবা বেঁচে থাকলে ছোট ভাইকে স্কুল ছেড়ে ফুটপাতে জুতা সেলাইয়ের কাজ করতে হতো না। ছোট ভাইয়ের রোজগারে সংসার চলছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দুঃখ। যদি উপায় থাকতো তাহলে জয়কে কাজ করতে যেতে দিতাম না।'

স্থানীয় ব্যবসায়ী আবু হানিফ বলেন, ১২ বছর ধরে আমার দোকানের সামনে রূপলাল বসতেন। খুব সৎ মানুষ ছিলেন, সংবাদপত্র পড়তে ভালোবাসতেন। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার স্বপ্ন দেখতেন। আজ সেই জায়গায় তার স্কুলপড়ুয়া ছেলে বসে আছে—এ দৃশ্য শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দেয়।'

তারাগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল হক বলেন, 'আমাদের ছাত্র জয়কে রাস্তায় জুতা সেলাই করতে দেখে মন ভেঙে গেছে। বাবাকে হারানোর কারণেই তাকে পড়াশোনা ছেড়ে সংসারের দায়িত্ব নিতে হলো। এ দৃশ্য সমাজের জন্য এক নিদারুণ শিক্ষা।'

গত ৯ আগস্ট রাতে রূপলাল রবিদাস (৪৮) ও তার ভাগ্নিজামাই প্রদীপ লাল রবিদাস (৪৭) ব্যাটারিচালিত ভ্যানে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তারাগঞ্জের সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলায় তাদের ভ্যানচোর সন্দেহে আটক করে স্থানীয়রা। কিছু সময়ের মধ্যেই মব গড়ে ওঠে এবং পিটিয়ে হত্যা করা হয় দুজনকে।

পরদিন রূপলালের স্ত্রী মালতি রানী রবিদাস তারাগঞ্জ থানায় মামলা করেন, যেখানে অজ্ঞাতনামা ৭০০ জনকে আসামি করা হয়। ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে #পুলিশ।


#বাংলাদেশ

22/07/2025
31/03/2025

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক 🙂

14/12/2024

১৪ ডিসেম্বর; শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দিন। বাঙ্গালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় যখন নিশ্চিত, ঠিক তখন পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের রাতের আঁধারে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।

স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বুঝতে পেরেছিল, পরাজয় তাদের অনিবার্য। জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীরা বেঁচে থাকলে এ মাটিতে ওরা বসবাস করতে পারবে না। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশ আবার ফুলে ফলে ভরে উঠবে। তাই পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধাহীন ও পঙ্গু করতে দেশের বরেণ্য সব ব্যক্তিদের রাতের অন্ধকারে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয়।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকান্ড ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম বর্বর ঘটনা যা বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে স্তম্ভিত করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর ঢাকার মিরপুর, রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের লাশ ফেলে রেখে যায়।

১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পরপরই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিকট আত্মীয়রা মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে তাদের গলিত ও ক্ষত বিক্ষত লাশ খুঁজে পায়। বুদ্ধিজীবীদের লাশে ছিল আঘাতের চিহ্ন। চোখ, হাত-পা ছিল বাঁধা। কারো কারো শরীরে ছিল একাধিক গুলি। অনেককে হত্যা করা হয়েছিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে। লাশের ক্ষত চিহ্নের কারণে অনেকেই প্রিয়জনের মৃতদেহ শনাক্ত করতে পারেননি।

১৯৭২ সালে জাতীয়ভাবে প্রকাশিত বুদ্ধিজীবী দিবসের সঙ্কলন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও আন্তর্জাতিক নিউজ ম্যাগাজিন ‘নিউজ উইক’-এর সাংবাদিক নিকোলাস টমালিনের লেখা থেকে জানা গেছে, শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা মোট ১ হাজার ৭০ জন।



#বাংলাদেশ
#মুক্তিযুদ্ধ

16/04/2024

টেস্ট পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না।

#বাংলাদেশ

11/04/2024

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

ঈদ মোবারক।

26/03/2024

সবাইকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা।

#বাংলাদেশ

16/12/2023

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ✌️🇧🇩✌️

14/12/2023

আজ ১৪ ডিসেম্বর,
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

১৯৭১ সালে রক্তগঙ্গা ডিঙিয়ে দীর্ঘ ৯ মাস পর বাংলার আকাশে যখন বিজয়ের রক্তিম সূর্য উদিত হচ্ছে, ঠিক সে সময়ে পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর সহায়তায় দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দূর্বল এবং পঙ্গু করে দেয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ অঞ্চলের শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, অধ্যাপকসহ খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবীদের জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। সেদিন হিংস্র হায়েনার দল প্রায় ২০০ জন বুদ্ধিজীবীকে তাদের নিজ নিজ বাসা থেকে চোখে কাপড় বেঁধে তুলে এনে বিভিন্ন বধ্যভূমিতে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বুদ্ধিজীবীদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি, পাওয়াও যায়নি বহু লাশ।

আজকের এইদিনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


R#02, Near Science Labrotary, Dhanmondi
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 07:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00