মেডি বুয়েট ঢাবি রাবি চবি জবি জাবি খুবি সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি তথ্য।

মেডি বুয়েট ঢাবি রাবি চবি জবি জাবি খুবি সকল  বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি তথ্য।

Share

সকল ধরনের ভর্তি তথ্য ও সাহায্য কেন্দ্?

14/08/2018

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষ (২০১৮-১৯) ভর্তির অনলাইনে আবেদন আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

ক্লাস শুরুঃ ১১ অক্টোবর।আবেদন অনলাইনে করতে হয়।

আবেদন ফিঃ ২৫০ টাকা। → জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স পড়ানো হয় এমন সরকারি / বেসরকারি যেকোন একটি কলেজে আবেদন করা যাবে।

আবেদনের যোগ্যতাঃ ২০১৫/১৬ সালে এসএসসি এবং ২০১৭/১৮ সালে এইচএসসি (যে কোন শিক্ষাবোর্ড থেকে) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। আবেদনের জন্য উভয় পরীক্ষা মিলিয়ে নূন্যতম জিপিএ ৪ থাকতে হবে। তবে কোন পরীক্ষায় ২.০০ পয়েন্টের কম হলে আবেদন করতে পারবে না।

মেধাক্রম প্রণয়ন পদ্ধতিঃ এসএসসি এবং এইচএসসির জিপিএর উপর ভিত্তি করে ভর্তি নেয়া হবে। এসএসসি ৪০% এইচএসসি ৬০% নম্বর নিয়ে মেধাস্কোর দেয়া হবে।

ভর্তির ফলাফল ৪ ধাপে প্রকাশ করতে পারে। ১ম মেধাতালিকা ২য় মেধাতালিকা ১ম রিলিজ স্লিপ ২য় রিলিজ স্লিপ।
কোন শিক্ষার্থী যদি ১ম এবং ২য় মেধাতালিকায় পছন্দের কলেজে চান্স না পায় তাহলে নতুন করে ১ম রিলিজ স্লিপে ৫টি কলেজে আবেদন করতে পারবে। . ২০১৭/১৮ শিক্ষাবর্ষের কোন শিক্ষার্থী দ্বৈত ভর্তি হলে তার ভর্তি বাতিল হতে পারে, তাই ২০১৮/১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হতে অবশ্যই ভর্তি বাতিল করে নিতে হবে।

15/06/2018

বিসিএস এ অ্যাপ্লাই করার যোগ্যতা, প্রিলি+রিটেন
+মৌখিক সিলেবাস, বইয়ের লিস্ট, ক্যাডারসমূহ সহ সব
কিছু নিয়ে আজ বিস্তারিত পোস্ট লিখলাম।আশা করি
বিসিএস নিয়ে আপনার মনের সকল প্রশ্নের অবসান হবে।

★ বিসিএস এ অ্যাপ্লাই করার শিক্ষাগত যোগত্যাঃ

এসএসসি থেকে স্নাতক পর্যন্ত সবগুলো পরীক্ষায় যেকোন
দুটিতে দ্বিতীয় শ্রেণী বা সমমান এবং ১ টি তৃতীয়
শ্রেণী বা সমমান। এর নিচে হবে না।
তবে পাসকোর্স ধারীদের স্নাতকোত্তর লাগবে।

আপনারা হয়তো ভাবছেন জিপিএ বা সিজিপিএ দের
পয়েন্ট কিভাবে হিসেব করা হবে?
Ssc এবং Hsc এর ক্ষেত্রেঃ
৩ বা তদুর্ধ্ব =প্রথম শেণী
২ থেকে ৩ এর কম=দ্বিতীয় শ্রেণী
১ থেকে ২ এর কম=তৃতীয় শ্রেণী
অনার্সের ক্ষেত্রেঃ
৩ বা তদুর্ধ্ব =প্রথম শ্রেণী
২.২৫ থেকে ৩ এর কম=দ্বিতীয় শ্রেণী
১.৬৫ থেকে ৩ এর কম=তৃতীয় শেণী
তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক


★ বিসিএসের জন্য যে বইগুলো কিনবেনঃ

আমার দৃষ্টিতে সেরা বইগুলোর নাম দিলাম। আপনারা
অন্যগুলো ও কিনতে পারেন।
১. বাংলা ও বাংলা ২য়ঃ জর্জ এর mp3
২. ইংরেজীঃ Emglish for compitative exam ও সাহিত্যের
জন্য মিরাকল
৩. গণিতঃ যদি কম বোঝেন তো ওরাকল আর ভাল বুঝলে
প্রফেসরস বিসিএস স্পেসাল।
৪. বিজ্ঞানঃ mp3
৫. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিঃ easy computer
৬. বাকি বিষয়গুলোর জন্য যেকোন প্রকাশনীরটা

এর সাথে কিনতে পারেনঃ
১. লাল নীল দীপাবলি
২. ক্যারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও সালতামামি
৩. সংখ্যাতত্ত্ব
৪. ছোটদের সংবিধান
৫. সৌমিত্ব শেখরের সাহিত্য জিজ্ঞাসা
৬. পিসিদাস বা জাকির হোসেনের গ্রামার
৭. নবম দশম শ্রেণীর বোর্ডের বাংলা ২য়
৮. প্রফেসরস জব সল্যুশনস
৯. প্রফেসরস মডেল কোয়েশ্চিন্স
১০. অ্যাসুরেন্স ডাইজেস্ট

কোচিং করবেন নাকি করবেন না?
যদি নিজ দায়িত্ব নিয়ে সিলেবাস ভাগ করে রুটিন করে
পড়তে পারেন তবে কোচিং করার প্রয়োজন নেই। তবে
সেটা না পারলে করতে পারেন। কনফিডেন্স বা ওরাকল
অথবা যেকোন কোচিং যেটা আপনার ভাল মনে হয়।


★ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস এবং
মানবন্টন।
সর্বমোট--- ২০০ নম্বর

১) বাংলাঃ ৩৫

-> ভাষা - ১৫
-> সাহিত্য - ২০

২) ইংরেজিঃ ৩৫

-> ভাষা - ২০
-> সাহিত্য - ১৫

৩) বাংলাদেশ বিষয়াবলীঃ ৩০

-> বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী - ০৬
-> বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ - ০৩
-> বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও আদমশুমারী - ০৩
-> বাংলাদেশের অর্থনীতি - ০৩
-> বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য - ০৩
-> বাংলাদেশের সংবিধান - ০৩
-> বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা- ০৩
-> বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা - ০৩
-> বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য - ০৩

৪) অান্তর্জাতিক বিষয়াবলীঃ ২০

-> সাম্প্রতিক ও চলমান ঘটনাপ্রবাহ্ - ০৪
-> বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা
ভূরাজনীতি - ০৪
-> আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্টীয় ক্ষমতা
সম্পর্ক - ০৪
-> আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও রাষ্টনীতি - ০৪
-> আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি - ০৪

৫) ভূগোল পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাঃ ১০

৬) বিজ্ঞানঃ ১৫

-> ভৌত বিজ্ঞান -০৫
-> জীব বিজ্ঞান - ০৫
-> আধুনিক বিজ্ঞান - ০৫

৭) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিঃ ১৫

-> কম্পিউটার - ১০
-> তথ্যপ্রযুক্তি - ০৫

৮) গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতাঃ ৩০
গাণিতিক যুক্তিঃ ১৫

-> পাটিগণিত - ০৩
-> বীজগণিত - ০৬
-> জ্যামিতি - ০৩
-> পরিসংখ্যান ও অন্যান্য - ০৩

মানসিক দক্ষতাঃ ১৫

৯) নৈতিকতা মূল্যবোধ ও সুশাসনঃ ১০

★ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস ক্যাডারের সংখ্যা ২৭টি।
ক্যাডার গুলো হলঃ

১. বিসিএস(প্রশাসন)
২. বিসিএস (খাদ্য)
৩. বিসিএস (কৃষি)
৪. বিসিএস (বন)
৫. বিসিএস (মৎস্য)
৬. বিসিএস (পশুপালন)
৭. বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা)
৮. বিসিএস (কারিগরি শিক্ষা)
৯. বিসিএস (অর্থনীতি)
১০. বিসিএস (বাণিজ্য)
১১. বিসিএস (পরিসংখ্যান)
১২. বিসিএস (গণপূর্ত)
১৩. বিসিএস (জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল)
১৪. বিসিএস (সড়ক ও জনপথ)
১৫. বিসিএস (নিরীক্ষা ও হিসাব)
১৬. বিসিএস (শুল্ক ও আবগারী)
১৭. বিসিএস (কর)
১৮. বিসিএস (পররাষ্ট্র বিষয়ক)
১৯. বিসিএস (স্বাস্থ্য)
২০. বিসিএস (পরিবার পরিকল্পনা)
২১. বিসিএস (তথ্য)
২২. বিসিএস (ডাক)
২৩. বিসিএস (পুলিশ)
২৪. বিসিএস (আনসার)
২৫. বিসিএস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক)
২৬. বিসিএস (রেলওয়ে প্রকৌশল)
২৭. বিসিএস (সমবায়)

★ লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার বিষয়সমূহ ও নম্বর বণ্টন :
মোট নম্বর ১১০০ (মৌখিক পরীক্ষাসহ)
(১) সাধারণ ক্যাডারের জন্য :
বিষয় নম্বর
(ক) বাংলা ২০০
(খ) ইংরেজী ২০০
(গ) বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২০০
(ঘ) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০
(ঙ) গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা ১০০
(মানসিক দক্ষতা পরীক্ষার MCQ Type ৫০টি প্রশ্ন থাকবে।
প্রার্থী মানসিক দক্ষতা বিষয়ের প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের
জন্য ১ (এক) নম্বর পাবেন। তবে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য
০.৫০ নম্বর কাটা যাবে)
(চ) সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ১০০
(ছ) মৌখিক পরীক্ষা ২০০
সর্বমোট = ১১০০
(২) প্রফেশনাল/টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য :
বিষয় নম্বর বণ্টন
(ক) বাংলা ১০০
(খ) ইংরেজী ২০০
(গ) বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২০০
(ঘ) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০
(ঙ) গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা ১০০
(মানসিক দক্ষতা পরীক্ষার MCQ Type ৫০টি প্রশ্ন থাকবে।
প্রার্থী মানসিক দক্ষতা বিষয়ের প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের
জন্য ১ (এক) নম্বর পাবেন। তবে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য
০.৫০ নম্বর কাটা যাবে)
(চ) সংশ্লিষ্ট পদ বা সার্ভিসের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়
২০০
(ছ) মৌখিক পরীক্ষা ২০০
সর্বমোট = ১১০০
বি. দ্র. : যে সকল প্রার্থী সাধারণ ও প্রফেশনাল/
টেকনিক্যাল উভয় ক্যাডারের পদের জন্য পছন্দ দিতে
ইচ্ছুক তাদেরকে সাধারণ ক্যাডারের ৯০০ নম্বরের
অতিরিক্ত ২। চ)“সংশ্লিষ্ট পদ বা সার্ভিসের জন্য
প্রাসঙ্গিক” একক বিষয়ের ২০০ নম্বরের ৪ ঘণ্টার লিখিত
পরীক্ষা দিতে হবে।

21/11/2017

বিসিএস পরীক্ষা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
---------------------------------------
---------------------------------------
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা পড়েন তাদের অধিকাংশই বিসিএস দিতে ভয় পান বা হীনমন্যতায় ভোগেন। যেসব কারণে তাঁরা এমনটা মনে করেন সেগুলো মোটামুটি এরকম- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নামটাই একটা সমস্যা, সেশনজট বেশি, সিজিপিএ ভালো করা কঠিন, ভালো ভালো সাবজেক্ট নাই, লাইব্রেরী নাই, ভালো শিক্ষক নাই, ভালো পরিবেশ নাই ইত্যাদি। বিসিএসের ক্ষেত্রে উপরের বিষয়গুলোর প্রভাব কতটুকু সেটাই একটু জানি, কেমন?
এক) বিসিএসে অ্যাপ্লাই করতে ভার্সিটির নাম উল্লেখ করা লাগলেও ভার্সিটির নামের জন্য কোন মার্ক বরাদ্দ নাই। ঢাকা, জগন্নাথ, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, শাহজালাল ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লেই বিসিএস হয় না, বিসিএসের জন্য সবারই পরিশ্রম করা লাগে, পড়ালেখা করা লাগে। সুতরাং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াটাকেই যে আপনি সমস্যা ভাবছেন সেটা আসলে কোন সমস্যাই না। বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার আপনি কী জানেন সেটা। তাই আপনার জানার পরিধি ভালো থাকলে আজ হোক কাল হোক আপনি ক্যাডার হবেনই।
দুই) জাতীয় ভার্সিটিতে সেশনজট সমস্যা এমন না যে আপনার বিসিএস দেওয়ার বয়স পার হয়ে যায়। আপনি কমপক্ষে ২-৩ টি বিসিএস দেওয়ার সুযোগ পাবেনই। ভুল উত্তরের জন্য মার্ক কাটা হলেও সেশনজটের কারণে বিসিএসে কোন মার্ক কাটা হয় না। তাছাড়া কিছু ভার্সিটির কিছু সাবজেক্টে হয়তো সেশনজট নাই কিন্তু অধিকাংশ ভার্সিটিতেই অধিকাংশ সাবজেক্টেই মোটামুটি সেশনজট আছে। সুতরাং আমার মনে হয় না সেশনজটের দিক আপনারা খুব পিছিয়ে আছেন। তাছাড়া আমি যতটুকু জানি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন জট এখন আগের চেয়ে অনেক কম। আপনি জেনে অবাক হবেন, পাবলিক ভার্সিটিতে পড়ে আমার অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করতে পাক্কা সাত বছর লেগেছিল।
তিন) বিসিএসের ক্ষেত্রে সিজিপিএ কোন ফ্যাক্টরই না। কারণ সিজিপিএ বা রেজাল্টের জন্য বিসিএসে কোন মার্ক বরাদ্দ নেই। আপনি শিক্ষাজীবনে একটা থার্ড ক্লাস নিয়েও বিসিএসে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন। তাই এসব বাজে চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিন।
চার) টেকনিক্যাল ক্যাডার ছাড়া জেনারেলের ১৫ টি ক্যাডারের জন্য সাবজেক্টভিত্তিক কোন চাহিদা নেই। ফলে আপনি যে সাবজেক্টেই পড়েন না কেন বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য সেটা কোন প্রভাবই ফেলবে না। তাই এটা নিয়ে চিন্তা না করলেও চলবে।
পাঁচ) অন্যান্য পাবলিক ভার্সিটির মত জাতীয় ভার্সিটিতে ভালো লাইব্রেরী নাই একথা মেনে নিলাম। কিন্তু একবার ভাবুন তো সেই লাইব্রেরীতে কি বিসিএসের বই থাকে? না, থাকে না। সেখানে শুধু একাডেমিক বই থাকে। বিসিএসের বই অন্যান্য পাবলিক ভার্সিটির ছাত্রদেরও বাজার থেকে কিনে বাসায়ই পড়তে হয়। আপনি বাসায় লেখাপড়া করেছেন না লাইব্রেরীতে করেছেন এজন্য বিসিএসে কোন মার্ক বরাদ্দ নেই।
ছয়) জাতীয় ভার্সিটিতে ভালো শিক্ষক নাই একথা মানতে পারলাম না। আচ্ছা, পাবলিক ভার্সিটির শিক্ষকরা কি ক্লাসে বিসিএস নিয়ে ক্লাস নেয়? না, নেয় না। তাহলে ভালো শিক্ষকের দোহাই দেওয়াটা কি নিজের সাথে প্রতারণা না? আপনি কার নিকট থেকে শিখেছেন বিসিএসের ভাইভাতে এটা জিজ্ঞাসা করবে না। আপনি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলেই তাঁরা খুশি।
সাত) জাতীয় ভার্সিটি ক্যাম্পাসের পারিপাশ্বিক অবস্থা বিসিএসের অনুকূলে না। এই কথাটা আমি মেনে নিলাম। পাবলিক ভার্সিটিতে যেখানে প্রায় সবাই অনেক আগে থেকেই বিসিএসের ব্যাপারে সচেতন থাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ছাত্র-ছাত্রীরাই এব্যাপারে ততটাই উদাসীন থাকে। ফলে এখানে বিসিএস নিয়ে আলোচনা করার ছেলে-মেয়ে পাওয়া যায় না। কাউকে বিসিএসের কথা বললে উৎসাহ দেওয়ার বদলে উল্টো টিপ্পনী কাটে। তবে এতে হতাশ হওয়ার কিছু নাই। যাদের খাওয়া বিসিএস, ধ্যানে জ্ঞানে বিসিএস সেইসব বিসিএস পাগলদের নিয়ে BCS: Our Goal [Largest Job Group of Bangladesh] নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ আছে। সেখানে যোগ দিন। বিসিএসের যাবতীয় বিষয় জানুন, আড্ডা দিন।
উপরের আলোচনা থেকে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন আপনি যেসব বিষয়কে অজুহাত বানাচ্ছেন, বিসিএসের জন্য এগুলোর কোন দরকার নেই। আপনি হয়তো জানেন না ১০ তম বিসিএস থেকে ৩৬ তম বিসিএস পর্যন্ত প্রাপ্ত ক্যাডারদের যদি একটা তালিকা করা হয়, তাঁতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত ক্যাডার সংখ্যা বেশ ভালো একটা সংখ্যাই হবে। তাছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিসিএসে জাতীয় মেধায় থাকার রেকর্ড তো আছেই প্রথম হওয়ার রেকর্ডও আছে। তাই আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ, আপনারা হেরে যাওয়ার আগেই হারার মানসিকতা বদলে ফেলে লক্ষ্য স্থির করুন। নিজের মধ্যে সাহস সঞ্চার করুন। লেখাপড়া করে আত্নবিশ্বাস অর্জন করুন।
পরিশেষে বলতে চাই, এসএসসি, এইচএসসি পর্যন্ত মানুষ জানতে চায়- তোমার রেজাল্ট কী? উত্তর দিতে সংকোচ বোধ করেছেন। এইচএসসির পর প্রশ্ন করে- কোন ভার্সিটিতে চান্স পেয়েছো? সেটার উত্তরও ঠিক ঠাক দিতে পারেননি। কিছুদিন পর মানুষ প্রশ্ন করবে- কোথায় চাকুরী করো? এই প্রশ্নের উত্তর যেন বুক ফুলিয়ে বলতে পারেন “আমি বিসিএস অমুক ক্যাডারে আছি” সেই চেষ্টা করুন।
Best of Luck
সৈকত তালুকদার
৩৬ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা)

সিনিয়র অফিসার, বিকেবি

13/11/2017

বিসিএস প্রিলিমিনারীর জন্য বইয়ের তালিকা:
বাংলা:
১.বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা
(সৌমিত্র শেখর)।
২.বাংলা ২য় বোর্ড বই
(৯ম-১০ম শ্রেণি)।
৩.লাল নীল দিপাবলী-
হুমায়ন আজাদ।
ইংরেজি :
১.English Grammar-P.C Das.
২.An Easy Approach Of English Literature- Aman & Shipon.
৩.ওরাকল প্রিলিমিনারী ইংরেজি।
৪. Word Smart.
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়:
১.আজকের বিশ্ব/নতুন বিশ্ব।
২.বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়(৯ম-১০ম শ্রেণি)।
৩.সংবিধান,সাংবিধানিক আইন ও রাজনীতি (মো: আব্দুল হালিম)।
৪.অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৭।
৫.বাংলাদেশ ও বিশ্ব মানচিত্র।
বিজ্ঞান :
১.সাধারণ বিজ্ঞান(৮ম,৯ম-১০ম শ্রেণি)।
২.প্রফেসরস বিজ্ঞান এম.সি.কিউ রিভিউ।
গনিত:
১.সাধারণ গণিত বই(৮ম,৯ম-১০ম শ্রেণি).।
২.ওরাকল প্রিলিমিনারী গনিত।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি:
১.তথ্য ও প্রযুক্তি বই(৯ম-১০ম শ্রেণি)।
২.উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার ১ম ও ২য় পত্র।
৩.র্যাডিকেল কম্পিউটার গাইড।
ভূগোল,পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
১.জর্জ ভূগোল,পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা গাইড।
২.মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বই (৯ম-১০ম)।
নৈতিকতা ও মূল্যবোধ এবং সুশাসন:
১.জর্জ নৈতিকতা,মূল্যবোধ ও সুশাসন গাইড।
২.উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ১ম ও ২য় পত্র।
এই তালিকায় সংযোজন,বিয়োজন হতে পারে।
আপনাদের কারো কাছে কোন বিষয়ে কোন বই ভাল লাগে,বলতে পারেন।
তাহলে সবাই একটা ভাল বুক লিস্ট পাবে।
সবার জন্য শুভকামনা।
মাহমুদ হাসান হৃদয়
বিসিএস(প্রশাসন)
৩৬ তম বিসিএস

11/11/2017

কোচিং ছাড়াই যারা পড়ছেন তাদের
জন্য টপ টেন : অনেকে বলছেন ভাইয়া
প্রিলির একটা রুটিন ও কিছু পরামর্শ
দিন। তাদের জন্য আমার আইডিয়া
তৈরি করে দিলাম। নিজের মত
আপনারা সাজিয়ে নিবেন-
,
১)আপনি হাত –মুখ ধুয়ে
শুকনো বিস্কিট, কেক আর পানি
খেয়ে পড়তে বসে যান। সকালে
যেকোনো পাঠ্যই ভাল মুখস্ত হয়।
সেক্ষেত্রে আপনি সকালে
সাধারণ জ্ঞান , বাংলা
সাহিত্য,ইংরেজি সাহিত্য
পড়তে পারেন।
২)২/৩ ঘন্টা পড়ে তারপর আপনি সকালের
নাশতা
সেরে নিন। একটু হাঁটাহাঁটি করুন, ঘরে
পায়চারী করতে পারেন। সকালের
নিউজটা ও দেখে নিন
এক ফাঁকে।
৩)তারপর আবার পড়তে বসুন। এইবার
আপনি সাধারণ গনিত ও মানসিক
দক্ষতা বিষয়টা নিয়ে বসতে পারেন।
একটু সময় নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় আপনি
সাধারণ গনিত ও
মানসিক দক্ষতা বিষয়টা অনুশীলন
করেন। ২/৩ ঘণ্টা অনুশীলনকরে
আপনি দুপুরের গোসল করা, নামাজ/
প্রার্থনা, খাবার এর পর্বটা সেরে
নিতে পারেন। তারপর হালকা ঘুম
দিতে পারেন।
,
৪)দুপুরের হালকা ঘুম থেকে উঠে
আপনি একটু হাঁটাহাঁটি/পায়চারি
করতে পারেন। তারপর মাগরিবের
আগে আর ঘন্টাখানেক আপনি
সকালে যাহা পরেছেন তা
রিভিশন দিতে পারেন।
৫)তারপর সন্ধ্যা থেকে আপনি
ইংরেজি গ্রামার,বাংলা গ্রামার,
বিজ্ঞান, কম্পিউটার বিষয় পড়তে
পারেন। মোটামুটি এইভাবে একটা
রুটিন আপনার মত
করে নিতে পারেন। আশা করছি আপনি
সফল হবেন। ইনশা আল্লাহ
৬) রুজির মালিক আল্লাহ। তাই তার
সাহায্য প্রার্থনা করুনন।
৭) বাবা মায়ের সাথে ভাল ব্যবহার
করুন।তাদের দুয়া নিন।
৮) কঠোর পরিশ্রম না, বরং চতুর পরিশ্রম
করুন। কৌশলি হন।
৯) খাতায় কিছু কিছু একই ধরনের জিনিস
লিখে রাখবেন। অংকটা, ইংরেজি
বানানগুলো খাতায় লিখে লিখে
চর্চা করবেন।মনে থাকবে বেশি
১০) সব কিছু ছন্দ তৈরি করে পড়বেন না।
ছোট ছোট কিছু ছন্দ মনে রাখার চেষ্টা
করুন। বাকিগুলো বুঝে মুখস্ত রাখুন। ইনশা
আল্লাহ সফল হবেন।
Abdur Razzaaque abr
Lecturer,35 th bcs cadre

23/10/2017

গ্রামের নাম তালতলা। এই গ্রামের তালপুকুরের কাদার নিচে পাওয়া গেল এক তালের আঁটি। একে তো দশ বছরের পুরোনো, তায় আবার ছিল কাদার তলে। ব্যাপার বোঝেন! এই জিনিস যে তালের আঁটি, বোঝার কোনো উপায় নাই। পাথরের মতো; কিন্তু পাথর না।
উদ্ধারকর্তার হাত থেকে এর কাছে, তার কাছে যাচ্ছে। কেউ বলতে পারছে না জিনিসটা কী। ঘণ্টা দুয়েক গবেষণা হলো। পাতি বুদ্ধিজীবীদের ঝগড়া হলো। হাতাহাতি-মারামারি হলো। ফয়সালা হলো না। ঠিক হলো, গ্রামের ৯৫ বছর বয়সী আবু তালেব তালুকদার সাহেবের কাছে যাওয়া হবে। তিনি এই এলাকার একমাত্র জীবিত বুদ্ধিজীবী। গুগল, উইকিপিডিয়া ও এনসাইক্লোপিডিয়া—এই তিন জিনিস আঁটি বাঁধলে যে থিংকট্যাংক হয়, সেই ট্যাংকির নাম আবু তালেব তালুকদার।
তালুকদার কোনো কিছুর সমাধান দিতে পারেন না; কিন্তু সমস্যার কথা গভীর মনযোগে শোনেন। পরে একটা কিছু বলে দেন। সমাধান না পেলেও তাঁর ধানাইপানাই ফয়সালাতেই গ্রামবাসী বিনোদন পায়। সমাধান না মিলুক, সমস্যার কথা উজাড় করে বলতে তো পারা যায়! এই-বা কম কী?
যা হোক, সেই তালুকদার সাহেব গ্রামবাসীর আনা তালের আঁটি হাতে মিনিট বিশেক ঝিম মেরে থাকলেন। উৎসুক চোখগুলো তাঁর সামনে কাতলা মাছের মতো হাঁ করা। তারা চায় সমাধান। তারা চায় ফয়সালা। তারা জানতে চায়, এই আশ্চর্য জিনিসটা আসলে কী?
তালুকদারের মুখে রা নেই। তিনি চেয়ে আছেন তালের আঁটির দিকে। লোকজন উসখুস শুরু করে।
হাতের ওপর মেলে ধরা জিনিসটার দিকে চেয়ে থাকা তালুকদার সাহেবের মুখে আচমকা হাসির রেখা ফোটে। হাসি বড় হতে থাকে। আরও বড় হয়। আস্তে আস্তে খিক্ খিক্ শব্দ ওঠে। শব্দ বাড়তে থাকে। এরপর হা হা হা। তারপর হো হো হো।
এই দৃশ্য দেখে ‘সমগ্র জনতা নিম্নাভিমুখী আলোড়িত জলরাশির কল্লোলের মতো কৌতুকে উচ্ছ্বসিত হইয়া ধ্বনি দিয়া উঠিল’, ‘পাইছে...দাদাজান...পাইছে!’
দাদাজান আবার মিনিট দশেকের ঝিমে চলে গেলেন। কোনো কথা নেই। এরপর তাঁর মুখ থেকে আস্তে আস্তে খুত খুত করে কান্নার শব্দ বেরোতে লাগল। এরপর হু হু। তারপর হাউ হাউ...মাউ মাউ...। তালুকদারের কান্না আর থামে না। একপর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারালেন।
‘কী হলো! কী হলো!’ বলে সবাই আর্তনাদ করে উঠল। তাদের ফয়সালার দরকার নেই। তালুকদার সাহেব বাঁচলেই হলো।
অনেক পাখার বাতাস, অনেক জলের ছিটে, ফুঁ-ফাঁ দেওয়ার পর জ্যান্ত গুগল চোখ মেললেন।
একজন মুরুব্বি গোছের লোক বললেন, ‘দাদাজান, সারা জীবন শেষ ফয়সালা আপনি দিছেন। আইজও আপনার কাছেই আসছি। কিন্তু আপনার যে অবস্থা দেখতেছি, তাতে ফয়সালার দরকার নাই। আপনে আগে সুস্থ হন।’
তালেব তালুকদার তাঁর দিকে চাইলেন। মুরব্বি বললেন, ‘খালি এইটুক বলেন, আপনে হাসলেন; হাসার পরে কানলেন। এইডার মাজেজা কী, দাদাজান?’
তালুদার তালের আঁটি টেবিলের ওপর রেখে বললেন, ‘দ্যাখ, আমি হাসলাম এই জন্য যে জিনিসটা যে কী, তা আমিও ধরতে পারি নাই।’
—আর কানলেন ক্যান?
—আমার কান্নায় বুক ফাইট্যা যাইতেছে এই ভাইবা যে আমি মইরা গেলে তোরা ফয়সালার লাইগ্যা যাবি কার কাছে? তগো ফয়সালা দিবো কেডা?
তালতলা গ্রামের বাসিন্দারা তালের আঁটি নিয়ে যে সমস্যায় পড়েছিল, তার চেয়ে বড় সমস্যা এখন আমাদের সামনে। এই আকাশ-পাতাল সমস্যার নাম প্রশ্নপত্র ফাঁস। টুক করে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে তা টুকুস করে পরীক্ষার্থীর হাতে চলে যাচ্ছে। ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র আর পরীক্ষার হলে সরবরাহ করা প্রশ্নপত্রে হুবহু মিল থাকার প্রমাণ জাতির সামনে তুলে ধরার পরও ফল বাতিল করা হচ্ছে না। এই ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে, সব গুজব। গুজবে কান দেবেন না।
সর্বশেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নের ইংরেজি অংশটি ফাঁস হয়। গত শুক্রবার সকালে এই পরীক্ষা হয়। তার আগের দিন বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে কয়েকজনের ই-মেইলে এই পরীক্ষার ইংরেজি অংশের ২৪টি প্রশ্ন পাঠানো হয়। পরীক্ষা শুরুর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কয়েকজনের মোবাইলে ওই সব প্রশ্নের উত্তরের একটি লিখিত কপি খুদে বার্তা হিসেবে পাঠানো হয়। রাতে পাওয়া প্রশ্নের কপি ও পরীক্ষার আগে পাঠানো খুদে বার্তার কপি প্রথম আলোর কাছে আসে। পরীক্ষা শেষে আগের দিনের প্রশ্নগুলোর সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের অবিকল মিল পাওয়া যায়। তারপরও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলী বলেছেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসের প্রশ্নই ওঠে না। তবে বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতির কারণে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান শুক্রবার রাতে বলেন, ‘এটা একটা গুজব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে একটা অশুভ মহলের ষড়যন্ত্র।’ তাই এ বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন বা পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের কোনো ধরনের সম্ভাবনাকে নাকচ করেন তিনি। যথারীতি ফলও ঘোষিত হয়েছে।
যেকোনো সমস্যা সমাধান করতে গেলে আগে সমস্যাকে স্বীকার করে নিতে হবে। এরপরে সমাধানের প্রশ্ন আসবে। এ ক্ষেত্রে প্রশ্ন যে ফাঁস হচ্ছে, সেটাই তো স্বীকার করা হচ্ছে না। এ অবস্থায় আমরা করব কী?
শিক্ষাঙ্গন এখন তালুকদারবিহীন তালতলা। পরীক্ষা এলেই প্রশ্ন ফাঁস হয়। প্রতিকার চাইতে চাইতে এখন শিক্ষার্থীরা ক্লান্ত। তাঁরা এখন প্রতিকারও জোরালোভাবে চান না। কারণ, কর্তৃপক্ষ মনে করে, সব হলো ‘গুজব’। তাই এটিকে সমস্যা হিসেবে মেনে নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলার কোনো মানে হয় না।
এই কারণে শিক্ষার্থীরা এখন একজন তালেব তালুকদার খুঁজছেন, যিনি সমাধান দিতে পারুন আর না পারুন অন্তত তাঁদের সমস্যার কথা শুনবেন। এতে অন্তত কিছুটা হালকা হওয়া যাবে।
কপাল খারাপ। তালুকদার এখন আর জীবিত নাই। ভক্ত দাস বাউলের গানের, ‘বিশ্বাস বাবু গেছেন মারা/ সত্যবাবুর খবর নাই’-এর মতো তালুকদারও ‘নাই’ হয়ে গেছেন।
সারফুদ্দিন আহমেদ: কবি ও সাংবাদিক।

21/10/2017

ঢাবির ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস করে চৌধুরী সাহেবের একমাত্র লম্পট ভাউন্ডুলে ছেলে জনি পার্টির আয়োজন করল।
আর ওপাশ দিয়ে ঐ বাড়িতে কাজের লোক আবুল মিয়ার ছেলে মোখলেছ প্রতিদিন টানা ১৮ ঘন্টার বেশি পড়েও চান্স না পাওয়ায় আত্নহত্যা করলো। আজ তার কুলখানি!
ফলাফল, দেশ একজন মেধাবী ছাত্রকে হারাল আর দুনীর্তি আরেকধাপ এগিয়ে গেল! :(

12/10/2017

প্রশ্নের ফাঁদ ও এক্সাইটমেন্ট [ শেষ পর্ব]
( Last capsule with explanation)
বিশ্লেষণ ও প্রণয়নেঃ Satyajit Chakraborty
_________
১। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
ক) ৪টি খ) ৮টি গ) ৯টি ঘ) ১১টি
:
ব্যাখ্যাঃ এটি সবাই পারবে একেবারে চোখ বন্ধ করেই। এমনকি যে মাত্র এক সপ্তাহ আগে প্রিপারেশন নেয়া শুরু করল সেও পারবে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয় সেটা। প্রশ্ন দেখা মাত্রই সবাই ১১সেক্টর কোথায় আছে সেটি খোঁজা শুরু করবে। আর এভাবেই পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে বসে থাকবেন। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ বাংলাদেশকে ৪টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। পরেরদিন অর্থাৎ ১১ এপ্রিল ১৯৭১ বাংলাদেশকে আবার ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। কিন্তু প্রশ্নতো বলা আছে ১০ এপ্রিলের কথা।
:
২। Who is the present President of the National Assembly of Bangladesh?
a) zillur Rahman b) Abdul Hamid
c) Shirin Sharmin Chowdhury d) Sheikh Hasina
:
ব্যাখ্যাঃ বাহ! প্রশ্নকর্তা তো বেশ সোজা প্রশ্ন করল। present President Abdul Hamid এটা কে না জানে! আপনি এত বেশি এক্সাইটেড যে পুরো প্রশ্নটা শান্ত মাথায় একবার ভালো করে পড়েও দেখলেন না। এখানেতো বাংলাদেশের present President কে জিজ্ঞেস করেনি। জিজ্ঞেস করল National Assembly of Bangladesh এর present President কে? যিনি স্পীকার থাকবেন তিনিই present President of the National Assembly of Bangladesh। অর্থাৎ উত্তর শিরীন শারমিন চৌধুরী।
:
৩। বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত জেলা ৩০টি এবং মায়ানমার এর সাথে রয়েছে ৩টি। বাংলাদেশের সাথে উক্ত ২টি দেশের মোট সীমান্ত জেলা -
ক) ৩২টি খ) ৩৩টি গ) ৩৪টি ঘ) ৩৫টি
:
এমন প্রশ্ন দেখে পিএসসিকে আপনি বোকা ভাবতে শুরু করলেন। কারণ ভারতের সাথে ৩০ টা জেলার সংযোগ আছে আর মায়ানমারের সাথে আছে ৩টি। তাহলে মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩৩টি। এটা তো ক্লাস টু এর ছেলেও হিসেব করে বলে দিতে পারবে। গুরু এটা মানসিক দক্ষতার প্রশ্ন। ভারতের সাথে ৩০ টা জেলার সংযোগ আছে আর মায়ানমারের সাথে আছে ৩টি। কিন্তু এখানে একটি জেলা রাঙ্গামাটির সাথে ভারত ও মায়ানমার উভয়ের সংযোগ আছে। যার ফলে সীমান্ত জেলা ৩৩টা না হয়ে হবে ৩২ টা। যা অপশন ক তে আছে।
:
৪। "চতুর্দশপদী " নামের কবিতা কে লিখেছেন?
ক) মাইকেল মুধুসুদন দত্ত খ) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঘ) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকার
:
ব্যাখ্যাঃ পরীক্ষার কেন্দ্রে ৯৯.,৯৯% পরীক্ষার্থীই এখানে ভুল করার সম্ভাবনা বেশি। চতুর্দশপদী কবিতা দেখলেই মাইকেল মধুসুদন দত্তের নামটা চলে আসে। আরো মজার বিষয় ১ম অপশনেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত উত্তর পেয়ে গেলেন। আহ! সব প্রশ্নই কমন। কিন্তু গুরু আপনি এখানে ও ভুল করলেন। "চতুর্দশপদী কবিতা " বললে হবে মাইকেল মধুসুদন দত্ত, কিন্তু এখানে প্রশ্নে আছে "চতুর্দশপদী " নামের কবিতা। অর্থাৎ কবিতাটির নাম "চতুর্দশপদী কবিতা " নয়, শুধু "চতুর্দশপদী ", এর লেখক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। যা অপশন (খ) তে দেয়া আছে।
:
৫। চতুরঙ্গ কী?
ক) রবীন্দ্রনাথের নাটক
খ) দাবা খেলার আদি নাম
গ) একটি গ্রহ
ঘ) একটা যাত্রাদলের নাম
:
ব্যাখ্যঃ চতুরঙ্গ নামে রবীন্দ্রনাথ এর একটি রচনা আছে। সেটি আপনি অনেকবার পড়েছেন। উল্লেখ্য রবীন্দ্রনাথ থেকে প্রশ্ন বেশি আসে বিধায় আপনি তাঁর সম্পর্কে এত বেশি পড়েছেন যে তার সব সাহিত্যকর্ম আপনার মুখস্থ। আর তাই "চতুরঙ্গ " কী এমন প্রশ্ন পাওয়া মাত্রই আপনি অপশনে রবীন্দ্রনাথকে খুঁজা শুরুও করে দিলেন। প্রশ্নকর্তা জানেন আপনার দুর্বলতা সম্পর্কে। তাই তিনি ইন্সট্যান্ট আপনার বিচক্ষনতা যাচাই করতে একটা ফাঁদ তৈরি করল। তাই রবীন্দ্রনাথকে ১ম অপশনেই দিয়ে দিল। এখানে উত্তর হবে অপশন (খ)। কিন্তু আপনিতো খুশিতে বাকবাকুম করতে করতে অন্য অপশনগুলো দেখে একটু চিন্তা ও করেননি। "চতুরঙ্গ " হল রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস কিন্তু অপশনে দেয়া আছে নাটক, তাই এটি হবে না। অপরদিকে দাবা খেলার আদি নাম চতুরঙ্গ।
:
[ ৩৫ তম বিসিএস এর মত প্রিলির প্রশ্ন যদি একটু এক্সক্লুসিভ হয় তবে আপনার সব প্রস্তুতি ও এক নিমিষে দুর্বল হয়ে যাবে। সাধারণ বইতে না থাকা তথ্য কিন্তু সিলেবাসের সাথে সঙ্গতি আছে এমন কিছু টপিক নিয়ে আমার বিগত কিছু পর্ব ছিল "এক্সক্লুসিভ পর্ব (প্রশ্ন যখন কঠিন হয়)ঃ সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী " নাম ও শিরোনামে। সেখানে চেষ্টা করেছি ৩৫ বিসিএস প্যাটার্নে প্রশ্ন দিতে। তবে আপনার বেসিক ও মানসিকতা ঠিক থাকলে আশা করি প্রশ্ন নিয়ে বিপদে পড়বেন না]
:
৪। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকার পাঠানো সপ্তম নৌবহরের সমন্বয়ে কী গঠন করা হয়েছিল?
ক) টাস্কফোর্স ৫২ খ) টাস্কফোর্স ৭১
গ) টাস্কফোর্স ৫৪ ঘ) টাস্কফোর্স ৭৪
:
প্রশ্নের ফাঁদঃ উত্তরটি হয়তো আপনার জানা নেই। কিন্তু তবুও পরীক্ষার হলে একটু কমনসেন্স এপ্লাই করার চেষ্টা করবেন। যেহেতু ঘটনাটি মুক্তিযুদ্ধকালীন, সুতরাং উত্তর "টাস্কফোর্স ৭১" হবে বলে আপনি ধরে নিবেন। শেষ পর্যন্ত অপশন খ) টাস্কফোর্স ৭১ দাগিয়ে আসবেন। অতঃপর পিএসসি'র প্রশ্নের ফাঁদে পড়ে গেলেন। এর সঠিক উত্তর হবে ঘ) টাস্কফোর্স ৭৪।
পরীক্ষার ২দিন আগে টোটাল প্রিলির কিছু গুরুত্ত্বপুর্ন লেখা নিয়ে এবং কমন ভুলগুলো নিয়ে একটা লেখা দেয়ার আশা রাখি এখানে বা আমার ব্যক্তিগত টাইমলাইনে।
_______________
Compiled By:
Satyajit Chakraborty
Founder, Bangladesh Career Club
Writer, Public Speaker & Corporate Trainer

10/10/2017

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু ভর্তি পরীক্ষার্থী ভাইবোনদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা.........
আগামী ১১.১০.২০১৭ তারিখে কমনওয়েলথ অষ্ট্রেলিয়ার ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসবেন। সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তার মাধ্যমে জানা গেছে যে , প্রতিনিধি দল ১২ টা অথবা ১ টার দিকে আসবেন। অতীতে দেখা গেছে যে কোন ভিআইপি জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসলে ঢাকা আরিচা রোড দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়... তারপর যখন রাস্তা চালু হয় তখন দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়...... তাই অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় যে আগামীকাল ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ( হেমায়েতপুর থেকে নবীনগর পর্যন্ত) দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্লক থাকতে পারে...... এমনিতে সাধারন সময়ে ই ভিআইপি আসার কারনে জ্যাম হয় তার উপর ভর্তি পরীক্ষা.....তাই যাদের পরীক্ষা ১২ টার পর তাদেরকে পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে রহনা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলো.... সম্ভব হলে ১২ টার মধ্যে ই ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকা ভালো.... কোনরূপ রিস্ক না নিয়ে ক্যাম্পাসে এসে ২ থেকে ৩ ঘন্টা রেস্ট নেওয়া ই আমার মতে ভালো হবে..... বাকীটুকু যার যার ইচ্ছা........
বি:দ্র: ৯.১০.১৭ এবং ১০.১০.১৭ তারিখ স্মৃতিসৌধ ধোয়া মোছার কারনে প্রবেশ নিষেধ

21/09/2017

বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। আজ আমার লেখাটি তাদের জন্য। আমাদের সমাজে একটি ভ্রান্ত ধারণা হচ্ছে শুধুমাত্র সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করলেই উচ্চতর বিষয়ে গবেষণা করা যায়। এই ধারণা নিতান্তই ভুল। আর এই ভুলের মাশুল দিতে হয় অনেক শিক্ষার্থীকে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারলে আমরা মনে করি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল বা পিএইচডি করবার স্বপ্নের ওখানেই সমাপ্তি। পারিপার্শ্বিক চাপ সবকিছু মিলিয়ে আমরা ডিপ্রেসড হয়ে পড়ি। কিন্তু বলাবাহুল্য যে, আমাদের দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান টপ ওয়ার্ল্ড র্যাঙ্কিং ১০০০-এর মধ্যে নেই। এর কারণ শিক্ষার মানদণ্ডের চেয়ে গবেষণাক্ষেত্রে ফান্ড স্বল্পতাই দায়ী অধিকাংশে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পরবর্তীতে যখন কোনো শিক্ষার্থী বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাপ্লিকেশন করেন তখন তার যোগ্যতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিতে যাচাই করা হয় না। বাংলাদেশে সরকারি বা বেসরকারি, যে বিশ্ববিদ্যালয়ই হোক না কেন, একজন শিক্ষক ৯০ মিনিটের ক্লাস লেকচারে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। কিন্তু একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যদি থাকে উচ্চতর গবেষণা/পিএইচডি করার তাহলে তার সিলেবাসের বাইরে জ্ঞান অর্জন অতীব জরুরি। এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বললেই চলে।
এ ক্ষেত্র আমার গল্পটাই বলি। মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক ফলাফল খুব আহামরি ছিল না। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট বা মেডিকেলে চান্স পাওয়া হয়ে ওঠেনি। আব্বু ঢাকার বাইরে পড়তে দেবেন না বলে শুধুমাত্র ওই দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোথাও ভর্তি পরীক্ষাও দেওয়া হয়নি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া সে সময়টাতে আমার আর কোনো অপশন ছিল না।
সময়টা ছিল ২০০৬। তখন রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল উত্তপ্ত। তাই আমার মা রাজি ছিলেন না, বাসা থেকে খুব দূরে যাতায়াত করতে হয় এমন কোথাও ভর্তি করতে। সম্পূর্ণ অনিচ্ছাতেই স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে ভর্তি হলাম। আমার মা সব সময় বলেন, যেখানে শেষ, সেখানেই শুরু। তাই ডিপ্রেশন বাদ দিয়ে সাবজেক্ট পছন্দ করবার বিষয়ে মনোযোগী হলাম। ইন্টারনেটের কল্যাণে জানতাম যে, বায়োলজিকাল সায়েন্স বিষয়গুলোতে উচ্চতর গবেষণা করবার সুযোগ অনেকটা বেশি।
স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছিল সে সময়ে দ্বিতীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে মাইক্রোবায়োলজি বিষয়টি পড়ানো হতো। অন্য বিষয়গুলো থেকে এই বিষয়টিতে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কম স্কিলড মানুষ থাকায় এই বিষয়টি বেছে নিলাম। শিক্ষকদের বন্ধুসুলভ ব্যবহারে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারার দুঃখটা সম্পূর্ণ ভুলে গেলাম এবং পিএইচডি করার ব্যাপারে মোটিভেটেড হলাম। ডিপার্টমেন্টাল শিক্ষকদের সহযোগিতায় অনার্স ও মাস্টার্সের থিসিস বিসিএসআইরের ল্যাবরেটরিতে করবার সুযোগ হয়েছিল। শিক্ষক ও রিসার্চ সুপারভাইজারদের সহযোগিতায় কাজগুলো জার্নালেও পাবলিশ হয়।
মাস্টার্সের পর দেশের বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপের জন্য অধ্যাপকদের কাছে ইমেইল করা শুরু করলাম। সৌভাগ্যক্রমে, ইতিমধ্যে আইসিডিডিআরবিতে যক্ষ্মা রিসার্চ ল্যাবে চাকরি পেয়ে যাই এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যে প্রমোশনও হয়ে যায়। রিসার্চ পাবলিকেশন, রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স ও IELTS Band score 7 থাকায় ২০১৪ সালের শুরুতে ফুল পিএইচডি স্কলারশিপ পেয়ে যাই অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্ল্ড র্যাঙ্কিং পজিশন ৪৭।
বর্তমানে আমি গবেষণা করছি Koala retrovirus নিয়ে। আমরা সবাই HIV virus সম্পর্কে কমবেশি অবগত। HIV virus হচ্ছে এক ধরনের retrovirus যা ক্যাসারের জন্য দায়ী এবং এই ভাইরাসটি মানুষের মধ্যে এসেছে শিম্পাঞ্জি থেকে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় প্রাণী কোয়ালা ক্যানসার দ্বারা আক্রান্ত এবং ধারণা করা হচ্ছে Koala retrovirus–এর কারণেই এরা ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ব্যাপক হারে মারা যাচ্ছে। আমার গবেষণা হচ্ছে এর সত্যতা প্রমাণ করা। কারণ vaccinate করে তা নির্মূল করতে না পারলে মানুষের মধ্যে চলে আসতে পারে HIV virus–এর মতো। আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আমি আমার পিএইচডি থিসিস সাবমিট করব। পোস্টডক অ্যাপ্লিকেশনগুলো থেকেও ভালো রেসপন্স পাচ্ছি, যেখানে এমন কোনো প্রশ্ন হয়নি যে আমার গ্র্যাজুয়েশন ইউনিভার্সিটি পাবলিক না প্রাইভেট ছিল, বরং প্রশ্ন হয়, ‘তোমার স্কিল সম্পর্কে বল’।
এতগুলো কথা বলার উদ্দেশ্য হলো, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় গোল্ডেন ৫ না পেয়ে, স্বনামধন্য সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে না পড়ে আমি যদি ওয়ার্ল্ড টপ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল স্কলারশিপ পেয়ে পিএইচডি করতে পারি, তাহলে অবশ্যই তোমরাও পারবে। শুধু আমি না, আমাদের স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ থেকে অনেকেই জাপান, জার্মানি ও কানাডাতে ফুল স্কলারশিপ পেয়ে পিএইচডিতে অধ্যয়নরত। তাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়ার ডিপ্রেশন বাদ দিয়ে ভালো মানের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা শুরু করে ক্যারিয়ার গড়ার কাজে মনোযোগী হও। চেষ্টা করলে সাফল্য আসবেই। বিশ্ববিদ্যালয় তোমাকে গাইডলাইন দেবে আর তা কীভাবে ফলো করে ভবিষ্যৎ প্রতিষ্ঠিত করতে হবে তা তোমাকেই নির্ধারণ করতে হবে। আর বাবা-মা তো আছেনই যারা সব সময়ই তোমার পাশে আছেন, থাকবেন।
শুভ কামনা রইল ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য।
নিশাত সরকার: পিএইচডি গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া। ফেসবুক:

23/06/2017

▓▓▓▓ ব্রেকিং নিউজ ▓▓▓▓

৩৮ তম বিসিএস এর প্রজ্ঞাপন জারি।

আবেদন শুরু: ১০ জুলাই ২০১৭
আবেদন শেষ: ১০ আগষ্ট ২০১৭
মোট শূন্য পদ সংখ্যা: ২০২৪ টি

University of Chittagong 26/09/2016

 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ সেপ্টেম্বর
ভর্তি পরীক্ষা: ৩, ৪ ও ৫ নভেম্বর
ওয়েবসাইট: ku.ac.bd
 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।
ভর্তি পরীক্ষা: ২৩ থেকে ৩১ অক্টোবর
ওয়েবসাইট: www.cu.ac.bd
 বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ২৯ অক্টোবর বেলা ১১টায়।
ওয়েবসাইট: admission.bau.edu.bd
 রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
ভর্তি পরীক্ষা: ২৬ অক্টোবর
ওয়েবসাইট: www.ruet.ac.bd
 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৮ অক্টোবর রাত ১২টা
ভর্তি পরীক্ষা: ২৮, ২৯ অক্টোবর এবং ৪, ৫ নভেম্বর।
ওয়েবসাইট: www.bsmrstu.edu.bd
 চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
আবেদনের শেষ তারিখ: ২ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ৫ নভেম্বর
ওয়েবসাইট: www.cuet.cloudonebd.com
 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৭ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ৮ নভেম্বর বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
ওয়েবসাইট: bsmrau.edu.bd/admission/
 ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ অক্টোবর
পরীক্ষা: ১৯ নভেম্বর
ওয়েবসাইট: www.iu.ac.bd/
 খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট)
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৮ সেপ্টেম্বর
ভর্তি পরীক্ষা: ২৮ অক্টোবর সকাল নয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।
ওয়েবসাইট: www.kuet.ac.bd
 বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৭ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ১৮ নভেম্বর
ওয়েবসাইট: www.butex.edu.bd
 বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৫ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর
ওয়েবসাইট: www.brur.ac.bd/
 যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
আবেদনের শেষ তারিখ: ২২ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ৬ ও ৭ নভেম্বর
ওয়েবসাইট: www.just.edu.bd
 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)
আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ১১ ও ১২ নভেম্বর।
ওয়েবসাইট: www.nstu.edu.bd
 বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)
আবেদনের শেষ তারিখ: ২ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ১৪ অক্টোবর
ওয়েবসাইট: bup.edu.bd
 ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)
আবেদনের শেষ তারিখ: ২ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ২৩ নভেম্বর
ওয়েবসাইট: www.iutoic-dhaka.edu
 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
আবেদনের শেষ তারিখ: ২ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: ২৩ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত
ওয়েবসাইট: admission.ru.ac.bd/
 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
আবেদন: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০ অক্টোবর
ভর্তি পরীক্ষা: মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে এসএসসি ও এইচএসসির ফল অনুযায়ী।
ওয়েবসাইট: www.admissions.nu.edu.bd
 বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৯ সেপ্টেম্বর
ভর্তি পরীক্ষা: ৭ অক্টোবর
ওয়েবসাইট: macademy.gov.bd
 জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
আবেদন: ১ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর
ভর্তি পরীক্ষা: ২৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে ২৮ নভেম্বর সোমবার পর্যন্ত। ২৪ নভেম্বর ক ইউনিট, ২৫ নভেম্বর খ ইউনিট, ২৬ নভেম্বর গ ইউনিট, ২৭ নভেম্বর ঘ ইউনিট এবং ২৮ নভেম্বর ঙ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
ওয়েবসাইট: www.jkkniu.edu.bd/

University of Chittagong Joomla! - the dynamic portal engine and content management system

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka