কুরআন ও হাদীস

কুরআন ও হাদীস হাসবুনাল্লাহু ওয়ানিয়ামাল ওয়াকিল।
অর্থ আমার জন‍্য আমার আল্লাহ্ তালাই যথেষ্ট

12/06/2026
20/05/2026

আল্লাহতায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য, আর ইবাদতের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো নামাজ। যে ব্যক্তি নামাজ পরিত্যাগ করে, সে আসলে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মানুষ ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো নামাজ।’ (মুসলিম : ৮২)। অর্থাৎ নামাজ ছেড়ে দেওয়া মানে ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়া।

কোরআনে নামাজ না পড়ার শাস্তি : আল্লাহতায়ালা অনেক আয়াতে নামাজ প্রতিষ্ঠার আদেশ দিয়েছেন এবং নামাজ ত্যাগকারীদের সম্পর্কে কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন।

১. সুরা মরিয়ম : ‘তাদের পর এমন এক প্রজন্ম এল, যারা নামাজ নষ্ট করল এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করল। তারা শিগগিরই গোমরাহির শাস্তির সম্মুখীন হবে।’ (আয়াত : ৫৯)।

২. সুরা মুদ্দাসসির : ‘তোমাদেরকে কী জাহান্নামে নিক্ষেপ করেছে?’ তারা বলবে, ‘আমরা নামাজ আদায় করতাম না।’ (আয়াত : ৪২-৪৩)। এই আয়াতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, নামাজ না পড়া জাহান্নামে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

৩. সুরা তহা : ‘আমার স্মরণের জন্য নামাজ কায়েম কর।’ (আয়াত : ১৪)। অর্থাৎ, নামাজ না পড়া মানে আল্লাহর স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।

হাদিসে নামাজ না পড়ার শাস্তি : রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নামাজ ছেড়ে দিলে মানুষ কুফরির কাছাকাছি চলে যায়।’ (মুসলিম : ৮২)। ‘যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ত্যাগ করে, তার ওপর আল্লাহর কোনো দায়িত্ব নেই।’ (ইবনে মাজাহ : ৪০২৩)। অর্থাৎ সে আল্লাহর রহমত ও রক্ষার বাইরে চলে যায়।

আরেক হাদিসে এসেছে, ‘কেয়ামতের দিন আল্লাহ প্রথমে নামাজের হিসাব নেবেন। যদি নামাজ ঠিক থাকে, তবে বাকি কাজও ঠিক থাকবে; আর যদি নামাজ নষ্ট হয়, তবে সব কাজই নষ্ট হবে।’ (তিরমিজি : ৪১৩)।

দুনিয়ায় নামাজ না পড়ার পরিণতি

১. হৃদয়ের কঠোরতা : আল্লাহর ভয় ও রহমত থেকে বঞ্চিত হয়।

২. অশান্তি ও হতাশা : নামাজ আল্লাহর স্মরণ; তা না থাকলে মন অশান্ত থাকে।

৩. রিজিকে অবারকতা : রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নামাজ রিজিক বৃদ্ধি করে।’ নামাজ না পড়লে তার উল্টো ঘটে।

৪. অন্ধকার ও হতাশ মৃত্যু : হাদিসে এসেছে, ‘নামাজ হলো কবর ও আখিরাতে আলো।’ (মুসলিম : ২২৩)।

পরকালে নামাজ না পড়ার শাস্তি

১. জাহান্নামের আগুনে দগ্ধ হওয়া : কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যারা নামাজ আদায় করে না, তাদের জন্য আফসোস! (ওয়াইল)’ (সুরা মাউন : ৪৫)।

২. হিসাবের দিন প্রথম প্রশ্নেই ব্যর্থতা : নামাজ ঠিক না থাকলে সব আমল বাতিল হবে।

03/04/2026

জীবন এত অনিশ্চিত যে, সে চাইলে চোখের পলক ফেলবার আগেই তোমার গন্তব্য বদলে দিতে পারে।

বিবেকের প্রয়োগ করবেন"আলেমদের মতে --খাদ্য ছাড়া ফিতরা (সাদাকাতুল ফিতর) দেওয়া নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে।খাদ্য দিয়েই দিতে...
19/03/2026

বিবেকের প্রয়োগ করবেন

"আলেমদের মতে --

খাদ্য ছাড়া ফিতরা (সাদাকাতুল ফিতর) দেওয়া নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে।

খাদ্য দিয়েই দিতে হবে (এক মত) অনেক আলেম (বিশেষ করে শাফেয়ী, মালেকী, হাম্বলী মাজহাব) বলেন-রাসূল যেভাবে খেজুর, যব ইত্যাদি খাদ্য দিয়ে ফিতরা দিয়েছেন, সেভাবেই খাদ্য দেওয়া উত্তম এবং এটাই সুন্নাহ।

তাই তাদের মতে টাকা না দিয়ে খাদ্য দেওয়া উচিত।"

▲ আমার চিন্তা ---

মনে করেন আমি আপনি এক পাড়ায় থাকি, আমি খাদ্য দিয়ে ফেতরা দিলাম ঐ একি ভিক্ষুককে আপনিও খাদ্য দিয়ে ফেতরা দিলেন।

এতো খাদ্য সে কি করবে?

একদিনে খাবে?

তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম চাল/গম/আটা দেবো, ওগুলো কি দিয়ে রান্না করবে টাকা দিয়ে তেল চিনি কিনতে হবে না?

হ্যা আল্লাহর হাবীব (সাঃ) যব, খেজুর দিয়ে ফিতরা দিতেন কারন ঐসময়ের মুদ্রা ও অর্থনৈতিক পরিবেশ আলাদা ছিলো সেটার সাথে এখনকার সময়ের তুলনা করা বোকামি।

ফিতরার কনসেপ্ট থেকে এতোটুকু শিখতে বলা হয়েছে ---

হাদিস অনুযায়ী,

ফিতরা দিতে হয় ১ সা' (প্রায় ২.৫-৩ কেজি) খাদ্যদ্রব্য দিয়ে। অর্থাৎ আমাদেরকে ঐ সমপরিমাণ টাকা বা খাবার কাউকে দিতে হবে (বাধ্যতামূলক)। আর ফিতরা দেয়ার শেষ সময় ঈদের দিন নামাজের আগেই (অর্থাৎ তাড়াতাড়ি)।

বিবেককে প্রশ্ন করেন, ফিতরা দেবার উদ্দেশ্য কি?

যাতে গরীবের একটু উপকার হয়।

সে টাকা দিয়ে উপকার নেবে নাকি খাবার নিয়ে এটা ঠিক করার আপনি আমি কে?

বরং পারলে টাকা দেবার পর একটু খাবার হাতে ধরিয়ে দেবেন (সামর্থ্য হলে)। দান করলে নিজের উপকার হয়।

এখানে এক মহিলা আছে তার ঘর ছাদ ওয়ালা অথচ আমার ঘরের টিন দিয়ে পানি পড়ে, আর ঐ মহিলা ফিতরা নেয়। জৈনিক ধার্মিক আমাকে বলেছিলো, ওমুককে ফিতরা দেয়া জায়েজ না।

সামাজিকতার খাতিরে তাকে ফিতরা দিতে হয়।

আমি বলেছি, ভাই সে জেনে বুঝে ফিতরা চেয়ে খায় এটা তার বিবেক সে হিসাব দেবে কিয়ামতের মাঠে,

কিন্তু আমি দানের সওয়াব ঠিকি পাবো। সমাজে থাকতে হলে কিছু সামাজিকতা মেইনটেন করতে হয়।

কেউ আমার দরজায় এসে ফিতরা চাইলো ১০ টাকাও তার হাতে না দিয়ে ফেরত দিলাম এটা দৃষ্টিকটু।

আপনি একজনকে ফিতরা সর্বচ্চ কত দেবেন হয়তো ১০০ টাকা। এই ৫০-১০০ টাকা দেবেন না বলে "সে ফেতরার যোগ্য না" ভেবে খালি হাতে বিদায় করে দেয়া নিচু কাজ মনেহয়।

মুহাম্মাদ বলেছেন-

"তোমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করো দুর্বলদের মাধ্যমে।" (অর্থ: গরিবদের সাহায্য করলে আল্লাহ খুশি হন)

যদি আমার সমস্ত ইবাদতের উদ্দেশ্য আল্লাহর খুশি হয় তাহলে অবশ্যই অল্প হলেও সাহায্য করবো।

বেয়াদবের মত বলবো না "আপনি ফেতরার যোগ্য না।"

আমি নিজের ক্যারেক্টারকে জাস্টিফাইড করলাম।

Edit: আপনার দরজায় কেউ ফিতরা চাইতে গেলে বলবেন "আপনি ফিতরার যোগ্য না গম দিচ্ছি নিলে নেন না হলে যান।"

এটা আপনার বিবেক।

খুব কম মানুষ আমার কথা বোঝে এখানে ফিতরার বিকল্প খুজিনি বরং যেন কেউ খালি হাতে না যায় সেটা বুঝিয়েছি।

আর খাবার দেয়ার বিষয়টা এটা আমরা সারা বছর সাধ্য অনুযায়ী দেই এটার সাথে ফিতরাকে কমপেয়ার করিনা।

ফিতরা হিসেবে কয়েক টাকা বেশি দেবার উদ্দেশ্য এটাই রাখি "যেন সে তার ইচ্ছামত খাবার কিনে নিতে পারে।"

আমার আইডিতে নিজের মতামত পোস্ট করেছি কারো ব্যক্তিগত এলাজি হলে স্কিপ করবেন

Address

Dhaka
5341

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কুরআন ও হাদীস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to কুরআন ও হাদীস:

Shortcuts

Share

Category