اقرأ - পড়ুন

اقرأ - পড়ুন

Share

خَيْرُكُمْ مَّنْ تَعَلَّمَ الْقُراٰنَ وَعالَّمَهٗ

আল কোরআনের সর্বপ্রথম নাযিলকৃত আয়াত " اِقْرَاْ باِسْمِ رَبِّكَ الَّزِيْ خَلَقَ " যার অর্থ পড়ুন আপনার প্রতিপালকের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন। ইসলামী আকিদা অনুসরনের সাথে সাথে জ্ঞানের অন্বেষণ আবশ্যিক প্রতিটি নারী-পুরুষের জন্য। আর তাই বিশ্বব্যাপী ইসলামি দাওয়া প্রতিটি মুসলিম নর-নারীকে সমৃদ্ধ করছে তাদের জ্ঞ্যানের ভাণ্ডারকে, আর সেই সাথে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এরপর এই দাওয়ার কাজ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যিক।

Photos 06/07/2016

মদীনার বাজার।

পড়ন্ত বিকেলে একজন খদ্দের এসে দাড়ালেন একজন সাহাবার দোকানে।

একটা পণ্যের দাম শুনে কিনতে সম্মত হলেন ক্রেতা। কিন্তু তাকে আশ্চর্য করে দিয়ে সাহাবা দূরের আরেকটি দোকান দেখিয়ে বললেন পণ্যটি সেখান থেকে কিনতে। দাম একই, জিনিসও একই।

ক্রেতা গেলেন অন্য দোকানটায়। পণ্যটা কিনে ফেরত আসলেন প্রথম দোকানে। সাহাবা তখন অন্য আরেকজন খদ্দেরের সাথে কথা বলছেন।

সাহাবা জিজ্ঞেস করলেন ক্রেতাকে, ‘পাওনি তোমার জিনিস?’

– "পেয়েছি, কিন্তু আমি অন্য একটা জিনিসের জন্য এসেছি।"

– "কী?"

– "তুমি যার কাছে আমাকে পাঠিয়েছিলে সে আমারই ধর্মের মানুষ—ইহুদি। আমরা তোমাদের পছন্দ করি না। কিন্তু তুমি একজন ব্যবসায়ী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে আমাকে পাঠালে, মুসলিম হয়ে একজন ইহুদিকে ব্যবসার সুযোগ করে দিলে? কেন?"

– "কারণ আল্লাহ আমাকে আজকের মত যথেষ্ট রিযক্ দিয়েছেন। আর ও বেচারা সকাল থেকে বসে আছে–আজ কোন বিক্রিই হয়নি ওর। তারও তো পরিবার আছে। একজন খদ্দের পেলেও তার ন্যুনতম চাহিদাটুকু হয়ত মিটবে।"

ক্রেতাটি হতবাক হয়ে ভাবল—যে ধর্ম মানুষের কল্যাণের কথা এভাবে মানুষকে ভাবতে শেখায় সেটা সত্য বই মিথ্যা হতে পারে না। পণ্য কিনতে এসে ইহুদি ব্যক্তিটি জান্নাত কিনে নিয়ে চলে গেল। ইসলাম কিন্তু এভাবেই পৃথিবীতে ছড়িয়েছে। তাত্ত্বিক আলোচনার মাধ্যমে না, জীবনে প্রতিফলনের মাধ্যমে।

সাহাবারা এই পৃথিবীতে আল্লাহর দেওয়া রিযক্ তারা বান্দাদের সাথে ভাগ করে নিতেন। তারা দু’হাত উপুড় করে মানুষকে দিতেন, শোষণ-লুন্ঠন-প্রবঞ্চনা-প্রপঞ্চনা তো দূরের কথা।
আসুন আমরাও সাহাবাদের মত নিজেকে একটু বিলিয়ে দিই।

ঈদের দিনে এমনই হউক আমাদের অঙ্গীকার।

আমীন।

(সংগৃহীত।)

Photos 17/06/2016

মুসা(আঃ) এর সময়কার একটি ঘটনা
←→←→←→←→↓↓↓←→←→←→←→

হযরত মুসা (আ:) একবার আল্লাহ তা'আলার কাছে আরজ করলেন,
"হে-দয়াময় প্রভু! আমার উম্মতের মধ্যে কে সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তি, আমাকে দেখিয়ে দাও।"

অদৃশ্য থেকে আওয়াজ এলো, "ঠিক আছে। আগামীকাল সকালে তুমি পথের ধারে বসে থেকো। যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তি-ই হলো তোমার উম্মতের সবচেয়ে' খারাপ ব্যক্তি।"

হযরত মুসা (আ:) ঠিক সময়মত নির্দিষ্টস্থানে বসলেন।

কিছুক্ষণ পর দেখলেন, এক ব্যাক্তি একটি ছোট ছেলেকে কোলে করে তাঁকে অতিক্রম করলো।

হযরত মুসা (আ:) তাকে দেখে মনে মনে বললেন, "ওহ্! এই ব্যাক্তি-ই আমার উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ লোক।"

কিছুক্ষণ পর হযরত মুসা (আ:)-র ইচ্ছা হলো, তাঁর উম্মতের সবচেয়ে' ভালো ব্যাক্তিকে দেখতে।

আল্লাহ'র নিকট এবার আরজ করলেন, "হে- দয়াময় প্রভু ! এবার আমার উম্মতের মধ্যে কে সবচেয়ে' ভালো ব্যাক্তি, আমাকে দেখাও।.

আওয়াজ এলো, "হে- মুসা! পথের ধারে বসো, সন্ধ্যা বেলায় যে ব্যাক্তি সর্বপ্রথম আসবে, সে-ই হলো তোমার উম্মতের মধ্যে সবচে'ভালো।"

সন্ধ্যা বেলায় হযরত মুসা (আ:) নির্দিষ্টস্থানে বসলেন।

কিছুক্ষণ পর দেখলেন, সকালের সে ব্যাক্তি-ই ছোট ছেলেকে কোলে করে ফিরতি পথে আসছে।

তাকে দেখে হযরত মুসা (আ:) অত্যন্ত অবাক হলেন এবং গভীর চিন্তায় পড়ে গেলেন।.

হযরত মুসা (আ:) আল্লাহ'র নিকট আরজ করলেন, "হে-দয়াময় প্রভু! আমি একী দেখতেছি! সকালে যে সবচেয়ে 'খারাপ ছিলো, সন্ধ্যায় সে কিভাবে সবচেয়ে 'ভালো হয়ে গেলো?"

অদৃশ্য থেকে মহান স্রষ্টা আল্লাহ উত্তর দিলেন, "হে- মুসা! সকালে যখন এই ব্যাক্তি ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে অতিক্রম করে জঙ্গলে প্রবেশ করলো, তখন ছেলে তাকে প্রশ্ন করে ছিলো,

"বাবা! এই জঙ্গল কতবড়?

সে ব্যক্তি উত্তরে বলেছিলো, "অনেক বড়।"

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, "বাবা! জঙ্গল থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?"

তখন বাবা বলেছিলো, "হ্যাঁ বাবা! ঐপাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়।"

ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো,"পাহাড় থেকে কি বড় কিছু আছে?"

বাবা বললো, "আছে, এই আকাশ।"

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, "আকাশ থেকে কি বড় কিছু আছে?"

সেই ব্যক্তি বললো ,"হ্যাঁ, আমার পাপ এই আকাশ থেকেও বড়।"

ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো,"বাবা! তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু নেই?"

তখন সেই ব্যক্তি চিৎকার দিয়ে, কান্না করে, লজ্জিত হয়ে, গম্ভীর সুরে বললো, "আছে বাবা! আমার পাপ থেকেও আল্লাহ'র রহমত অনেক বড়।"

"হে-মুসা! এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও অনুশোচনা আমার এতো পছন্দ হয়েছে যে, আমি তাঁকে তোমার উম্মতের সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তিকে সবচেয়ে' ভালো ব্যক্তি বানিয়ে দিয়েছি।"

আল্লাহু আকবর।।

"হে আল্লাহ, তুমি আমাদের সকলের জীবনের পিছনের গুনা সব মাফ করে সামনের দিনগুলোকে সত্যপথে চলার তাওফিক দান করো।"

-----আমিন।

(Collected).

Photos 13/06/2016
Photos 22/05/2016

একটি শিক্ষণীয় ঘটনা

মৃত্যু শয্যায় আলেকজান্ডার তাঁর সেনাপতিদের
ডেকে বলেছিলেন,‘আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা
ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।এতে যেন কোনো ব্যাঘাত
না ঘটে।

আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে,"শুধু আমার
চিকিৎসকেরা আমার কফিন বহন করবেন"।

আমার দ্বিতীয় অভিপ্রায়,"আমারকফিন যে পথ
দিয়ে গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে, সেই পথে
আমার কোষাগারে সংরক্ষিত সোনা,রুপা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর ছড়িয়ে দিতে হবে"।

আমার শেষ অভিপ্রায়,"আমার কফিন বহনের সময়
আমার দুই হাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে
হবে"।

তাঁর মৃত্যু শয্যায় উপস্থিত লোকজন মহাবীর
আলেকজান্ডারের এই অদ্ভুত অভিপ্রায়ে বিস্মিত
হন।কিন্তু এ ব্যাপারে তাঁকে কিছু জিজ্ঞেস
করার সাহস পাচ্ছিলেন না কেউ।তখন তাঁর একজন
প্রিয় সেনাপতি তাঁর হাতটা তুলে
ধরে চুম্বন করে বলেন,‘হে মহামান্য,অবশ্যই আপনার
সব অভিপ্রায় পূর্ণ করা হবে;কিন্তু আপনি কেন এই
বিচিত্র অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেন?’

দীর্ঘ একটা শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার
বললেন,‘আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা
রেখে যেতে চাই।

আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে বলেছি এ
কারণে যে,যাতে লোকে অনুধাবন করতে পারে
চিকিৎসকেরা আসলে কোনো মানুষকে সারিয়ে
তুলতে পারেন না।তাঁরা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর থাবা
থেকে কাউকে রক্ষা করতে অক্ষম।’

গোরস্থানের পথে সোনা-দানা ছড়িয়ে রাখতে
বলেছি মানুষকে এটা বোঝাতে যে ওই সোনা-
দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না।আমি
এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয়
করেছি,কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে
পারছি না।মানুষ বুঝুক ধন-সম্পদের পেছনে ছোটা
সময়ের অপচয় মাত্র।

কফিনের বাইরে আমার হাত ছড়িয়ে রাখতে
বলেছি মানুষকে এটা জানাতে যে,খালি হাতে
আমি এই পৃথিবীতে এসেছিলাম,আবার খালি হাতেই পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি।

Photos 14/04/2015

“তাদের অধিকাংশই আল্লাহকে বিশ্বাস করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে”
(সূরা ইউসুফ : ১০৬)

13/04/2015

যেসব ব্যাংকে সূদের লেনদেন হয় এবং যেসব
প্রতিষ্ঠান সূদের ভিত্তিতে পরিচালিত সেসব
প্রতিষ্ঠানে চাকরী করা যাবে কি?

উত্তর : ঐসব প্রতিষ্ঠানে চাকরী করা যাবে না।
এতে পাপের সহযোগিতা করা হবে। কারণ আল্লাহ
তা‘আলা সূদকে হারাম করেছেন (বাক্বারাহ ২৭৫)।
সূদদাতা, গ্রহীতা, লেখক ও সাক্ষী সবাইকে
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অভিশাপ করেছেন (মুসলিম,
মিশকাত হা/২৮০৭)।

লক্ষ্মীপেঁচায় সমৃদ্ধি, গাজী ও বাঘ দুঃসময়ের কাণ্ডারি 12/04/2015

পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা - আড়ালে যে বিষয়গুলো রয়েছে:

====

লক্ষ্মীপেঁচায় সমৃদ্ধি, গাজী ও বাঘ দুঃসময়ের কাণ্ডারি

বাড়ির কোণে যে লক্ষ্মীপেঁচাকে দেখে সামনের দিনগুলোতে সুখের স্বপ্ন দেখেন গ্রামের কৃষক, সেই পেঁচাকে নিয়ে হলো এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা।

মঙ্গলযাত্রায় ছিল হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের দুঃসময়ের কাণ্ডারির প্রতীক হিসেবে ‘গাজী ও বাঘ’, সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে লক্ষ্মীপেঁচার পাশাপাশি শিশু হরিণ, মা ও শিশু, হাঁস ও মাছের ঝাঁক।
‘জাগ্রত করো উদ্যত করো নির্ভয় করো হে’ বক্তব্যকে ধারণ করে এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা করা হয় বলে জানান জাতীয় বৈশাখ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবুল বারক আলভী।

http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article772232.bdnews

====

চারুকলা অনুষদের শিক্ষক অধ্যাপক নিসার হোসেন জানান, এবারের শোভাযাত্রায় হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের দুঃসময়ের কাণ্ডারির প্রতীক হিসেবে ‘গাজী ও বাঘ’, সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে লক্ষ্মীপেঁচা, শিশু হরিণ, মা ও শিশু, হাঁস ও মাছের ঝাঁক, লোক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিড়ালের মুখে চিংড়ি, শখের হাঁড়ি তুলে ধরা হবে।

http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article771944.bdnews

====

রাম ও শ্রীকৃষ্ণের জীবন নিয়ে রামযাত্রা ও কেষ্ট যাত্রা এক সময় ছিল এ দেশের গণমানুষের বিনোদন। শ্রীকৃষ্ণের বাল্যকাহিনি নিয়ে মা যশোদা ও গোপালের নিবিড় সম্পর্কনির্ভর এবং বৃন্দাবন লীলা নিয়ে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমনির্ভর প্রচুর যাত্রা এ দেশের মানুষকে জুগিয়েছে ভক্তিরস। রাম-সীতার পালাগান ও যাত্রা এক সময় ছিল গণমানুষের অন্যতম প্রধান বিনোদন।

দেশের লোক সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান কবিগান, ঝুমুরগান ও নাচ, গাজীর গান ও শিবের গাজন, কীর্তন।

http://bangla.bdnews24.com/glitz/article771925.bdnews

====

পহেলা বৈশাখে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে লুঙ্গি ও শাড়ি পরে শোভাযাত্রার পাশাপাশি বের হয় ধুতি শোভাযাত্রাও।

http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article772421.bdnews

====

‘কুশিক্ষাগ্রস্ত’ ধর্ম ব্যবসায়ীরা বিদেশ থেকে টাকা এনে তার থেকে সামান্য কিছু সাধারণ মানুষের একটি অংশকে দিয়ে তাদের দিয়ে নানা ধ্বংসাত্মক কাজ করাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যথাযথ শিক্ষা দেয়া আমাদের কাজ নয়। কিন্তু ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা যে হানাহানি নয় তা বোঝাবার দায়িত্ব আমাদের। গান, কবিতা, নাটক ইত্যাদির মাধ্যমে আমাদের সে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article772198.bdnews

====

শূন্যে ঘুরছেন চড়ক শিব, মনোবাসনা জানাচ্ছে মানুষ !

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কোকদন্ডিতে সোমবার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী ‘চড়ক শিব পূজা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে বাংলা বছরের শেষদিন হিসেবে সোমবার এ পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

একসময় চড়ক শিব পূজা হিন্দু সম্প্রদায় ব্যাপকভাবে ‍আয়োজন করলেও কালের পরিক্রমায় অনেক আদি ধর্মীয় সংস্কৃতির মতো এ পূজাও এখন অনেকটাই বিলুপ্তির পথে চলে যাচ্ছে। চট্টগ্রামে বাঁশখালীর কোকদন্ডি, রাউজানের নোয়াপাড়াসহ হাতেগোণা দু’একটি জায়গায় এ পূজার আয়োজন করা হয়।

http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/282380.html

(এ নিউজটি আনার উদ্দেশ্য, চৈত্রের শেষ দিন ও বৈশাখের প্রথম দিন - এ সময়গুলোতে বিশেষ পূজা ছিল এবং আছে, যার সাথে এখনকার বৈশাখী উৎসব মিলে খানিকটা একাকার হয়ে গেছে।)

====

মন্তব্য: কোনো মুসলিম যদি এসব গাজী, বাঘ, হরিণ, পেঁচা ইত্যাদির মাধ্যমে মঙ্গল কামনায় মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে থাকেন, এসবের কারণে মঙ্গল বা সমৃদ্ধি আসবে বলে বিশ্বাস করে থাকেন - তাহলে অতিসত্বর লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু-মুহাম্মাদুর-রাসূলুল্লাহ বলে ঈমান নবায়ন করে নিতে পারেন। মঙ্গল ও সমৃদ্ধির একমাত্র বিধাতা আল্লাহ তায়ালা। এ বিশ্বাসের সাথে বিন্দুমাত্র কম্প্রোমাইজ চলে না।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ 'ঈমান' -এর যথাযথ হেফাজত করার তাওফীক দিন। আমীন।

লক্ষ্মীপেঁচায় সমৃদ্ধি, গাজী ও বাঘ দুঃসময়ের কাণ্ডারি বাড়ির কোণে যে লক্ষ্মীপেঁচাকে দেখে সামনের দিনগুলোতে সুখের স্বপ্ন দেখেন গ্রামের কৃষক, সেই পেঁচাকে নিয়ে হলো এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা।

12/04/2015

সত্যি বলছি না দেখলে মিছ করবেন...

নামায প্রত্যেক বালেক (মুসলমান) ব্যক্তির জন্যই ফরজ, যেকোন অবস্থায়ই তা আদায় করতে হবে।

12/04/2015

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, নবী (সাঃ) বলেছেন, “প্রতিদিন যাতে সূর্য উদয় হয় (অর্থাৎ প্রত্যেক দিন) মানুষের প্রত্যেক গ্রন্থির পক্ষ থেকে একটি করে সাদকাহ রয়েছে। ( আর সাদকাহ শুধু মাল খরচ করাকেই বলে না ; বরং) দু’জন মানুষের মধ্যে তোমার মীমাংসা করে দেওয়াটা সাদকাহ, কোন মানুষকে নিজ সওয়ারীর উপর বসানো অথবা তার উপর তার সামান উঠিয়ে নিয়ে সাহায্য করাও সাদকাহ, ভাল কথা বলা সাদকাহ, নামাযের জন্য কৃত প্রত্যেক পদক্ষেপ সাদকাহ এবং রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস দূরীভূত করাও সাদকাহ।”

এটিকে ইমাম মুসলিম আয়েশা (রাঃ) থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “ আদম সন্তানের মধ্যে প্রত্যেক মানুষকে ৩৬০ গ্রন্থির উপর সৃষ্টি করা হয়েছে। (আর প্রত্যেক গ্রন্থির পক্ষ থেকে প্রদেয় সাদকা রয়েছে।)

সুতরাং যে ব্যক্তি “আল্লাহু আকবার” বলল, ‘আল-হামদু লিল্লাহ’ বলল, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলল, ‘সুবহানাল্লাহ’ বলল, ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলল, মানুষ চলার রাস্তা থেকে পাথর, কাঁটা অথবা হাড় সরাল, কিম্বা ভাল কাজের আদেশ করল অথবা মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করল, (এবং সব মিলে ৩৬০ সংখ্যক পুণ্যকর্ম করল, সে ঐদিন এমন অবস্থায় সন্ধ্যা করল যে, সে নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে দূর করে নিল।”

(সহীহুল বুখারী ২৯৮৯,২৭০৭ ও মুসলিম ৯০০৯)

Photos from ‎اقرأ - পড়ুন‎'s post 11/04/2015

আসুন জংলী হই। ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে যাই। নারী পুরুষের
ভেদাভেদ ভুলে যাই। ভাই বোনের ভেদাভেদ ভুলে যাই।
মুসলমান পরিচয়টাও ভুলে যাই।
আসুন স্মরণ করি আমরা একসময় কুকুর ছিলাম। তারপর শেয়াল।
তারপর ঘোড়া। তারপর গরু। তারপর ছাগল। তারপর বান্দর। তাই
পশুদের মুখোশ পরে নাচানাচি করি।
আমরা একসময় ন্যাংটো ছিলাম। ন্যাংটো থাকতাম। তারপর
গাছের পাতা দিয়ে লজ্জাস্থান ঢেকে রাখা শুরু করলাম।
( বিবর্তনের এই চিন্তাটিও আমাদের মহান বিজ্ঞান মনস্ক
বিজ্ঞানী ডারউইন. যিনি আবার বানরের বংশোদ্ভূত তার
মাথা থেকে নির্গত।)
আসুন আমরা আমাদের বাবা চাচা দাদারা যে ভন্ড লুচ্চা
বদমাশ ছিল তা দুনিয়ার সামনে তুলে ধরি। আসুন দাড়ি
ওয়ালা টুপি ওয়ালা বিশাল বিশাল আসুরিক মুখোশ বানিয়ে
তা নিয়ে নগরে নগরে শোভাযাত্রা করি।
এতক্ষণ যা পড়লেন প্রথমেই কয়েক মরতবা আস্তাগফিরুল্লাহ
পড়ে নেন। মনে করতে পারেন আমার মাথাটাথা বোধহয়
খারাপ হয়ে গেছে। কিছুটা হয়ত হতে পারে। তবে যা
লিখেছি তা ক'দিন পরই দেখতে পারবেন।
পয়লা বৈশাখে বাংগালী মুসলমানেরা সকালে ঘর থেকে
ধুতি পরে বের হয়। পান্তা ইলিশ খায়। রাস্তায় মেয়েরা
কপালে লাল টিপ দিয়ে শাড়ি পরে বের হয়। ইয়াং ছেলেরা
একটু ধাক্কাধাক্কি করে নারী পুরুষের ভেদাভেদ নিশ্চিহ্ন
করে। আগে এগুলো খারাপ মনে হলেও ইদানীং তা গা সওয়া
হয়ে গেছে। রাস্তায় রাস্তায় জীব জন্তুর মুখোশ পরা মিছিল
বের হবে। ওখানে দাড়ি টুপি অলা কিছু মুখোশ থাকবে।
এদেরকে আসুরিক শক্তি হিসেবে উপস্থাপিত করে হুজুর মুক্ত
বাংলা গড়ার জন্য দেবতার কাছে প্রার্থনা করা হবে।
মোটামুটি এই হচ্ছে হাকীকতে পহেলা বৈশাখ।
আমাজন জংগলে যারা বাস করে তাদের যেমন নারী পুরুষের
ভেদাভেদ নেই. গরু ছাগল বানরের সাথে বসবাস করে. ধর্মীয়
পরিচয় নেই. নিয়ম নীতি আইন কানুন নেই তেমনি আমরাও এই
একদিন ধর্ম ভুলে যাই নিয়ম নীতি ভুলে যাই আদর্শ ভুলে যাই।
এইদিন জীব জন্তুর মুখোশ পরে জংলী হওয়ার প্রত্যয় ব্যাক্ত
করি।
জংলী হলে সমস্যা নাই। আমরা তো আর জংগী হচ্ছিনা।
___সাইমুম সাদী

Photos 11/04/2015

হিন্দু আর মুসলমানের মধ্যে তফাত!!

একজন মুসলিম ও মুশরিক মধ্যে তফাত হল শিরক। আমরা জেনে না জেনে কতভাবে যে শিরক করতেছি।

শিরকের সংজ্ঞা:
রব ও ইলাহ হিসাবে আল্লাহর সহিত আর কাউকে শরীক সাব্যস্ত করার নামই শিরক৷
অধিকাংশ ক্ষেত্রে উলুহিয়াত তথা ইলাহ হিসাবে আল্লাহর সাথে শরীক করা হয়৷ যেমন আল্লাহর সাথে অন্য কারো নিকট দোয়া করা কিংবা বিভিন্ন প্রকার ইবাদাত যেমন যবেহ, মান্নাত, ভয়, আশা, মহব্বত ইত্যাদির কোন কিছু গায়রুল্লাহর উদ্দেশ্যে নিবেদন করা৷
আল্লাহকে ডাকার মত অন্যকে ডাকা, আল্লাহকে ভয় করার মত অন্যকে ভয় করা, তাঁর কাছে কামনা করা হয়, অন্যের কাছে তা কামনা করা। তাঁকে ভালোবাসার মত অন্যকেও ভালোবাসা।“মানুষের মধ্যে এমন একদল লোক আছে যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদেরকে শরীক বানিয়েছে এবং তাদেরকে এমনভাবে ভালবাসে যেমন আল্লাহকে ভালোবাসা উচিত, আর যারা ঈমান এনেছে তারা আল্লাহকেই সর্বাধিক ভালবাসে”। (সূরা আল বাকারা: ১৬৫) আল্লাহর জন্যে সম্পাদনযোগ্য ইবাদতসমূহের যে কোন একটি গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে সম্পাদন করা।
শিরকের ভয়াবহ পরিণাম :
শিরকের মাধ্যমে সৃষ্টিকে স্রষ্টার আসনে বসানো হয়, যা মহা অপরাধ এবং রীতি মত অবিচার।
আল্লাহ বলেন:
“নিশ্চয়ই শিরক একটি মস্ত বড় অন্যায়” (সুরা লোকমান: ১৩)
আল্লাহ তা’আলা শিরকের গুনাহ তওবা ছাড়া ক্ষমা করবেন না।
আল্লাহ বলেন-
• “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তার সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা
করবেন না। এ ছাড়া অন্য সকল গুনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে
দিবেন” (সুরা নিসা: ৪৮)
আল্লাহ তা’আলা মুশরিকদের জন্যে জান্নাত হারাম বলে ঘোষণা করেছেন:
• “নিশ্চয় যে আল্লাহ’র সাথে শিরক করবে আল্লাহ তার উপর জান্নাত হারাম করে দেবেন এবং তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম। জালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই।” (সূরা মায়িদাহ: ৭২)
শিরক সমস্ত আমলকে বিনষ্ট করে দেয়। আল্লাহ বলেন,
• “আর যদি তারা শিরক করে তাহলে তাদের সকল আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে।” (সুরা আনআম: ৮৮)
• আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের পতি প্রত্যাদেশ হয়েছে, যদি আল্লাহর শরীক স্থির করেন, তবে আপনার কর্ম নিষ্ফল হবে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের একজন হবেন। (সূরা যুমার: ৬৫)
আল্লাহ তাআলা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে দিয়েছেন, শিরক করার পর যে ব্যক্তি তা থেকে তওবা করবেনা, তিনি তাকে ক্ষমা করবেন না৷ আল্লাহ বলেন:
• নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল। (সূরা নিসা ৪৮)
শিরকই হল সবচেয়ে বড় গুনাহ। নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
# “আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় গুনাহ সম্পর্কে অবহিত করব না? আর তা হল, আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা।” (বুখারি-মুসলিম)
শিরকের প্রকারভেদ:
শিরক দুই প্রকার।
ক ) শিরকে আকবর বা বড় শিরক।
খ) শিরকে আসগর বা ছোট শিরক।
১. শিরকে আকবার(বড় শিরক) :
যা বান্দাকে মিল্লাতের গন্ডী থেকে বের করে দেয়৷ এ ধরণের শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি যদি শিরকের উপরই মৃতু্যবরণ করে, এবং তা থেকে তওবা না করে থাকে, তাহলে সে চিরস্থায়ী ভাবে দোজখে অবস্থান করবে৷
শিরকে আকবর হলো গায়রুল্লাহ তথা আল্লাহ ছাড়া যে কোন ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর উদ্দেশ্যে কোন ইবাদত আদায় করা, গায়রুল্লাহর উদ্দেশে কুরবানী করা, মান্নাত করা, কোন মৃত ব্যক্তি কিংবা জি্বন অথবা শয়তান কারো ক্ষতি করতে পারে কিংবা কাউকে অসুস্থ করতে পারে, এ ধরনের ভয় পাওয়া, প্রয়োজন ও চাহিদা পূর্ণ করা এবং বিপদ দূর করার ন্যায় যে সব ব্যাপারে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ক্ষমতা রাখেনা সে সব ব্যাপারে আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে আশা করা৷
আজকাল আওলিয়া ও বুযুর্গানে দ্বীনের কবরসমূহকে কেন্দ্র করে এ ধরনের শিরকের প্রচুর চর্চা হচ্ছে৷ এদিকে ইশারা করে আল্লাহ বলেন:
• ‘তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন বস্তুর ইবাদত করে, যা না তাদের কোন ক্ষতি সাধন করতে পারে, না করতে পারে, কোন উপকার৷ আর তারা বলে, এরা তো আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী৷’ (সূরা ইউনুস ১৮)
২.শিরকে আসগার (ছোট শিরক)
শিরক আসগার বান্দাকে মুসলিম মিল্লাতের গন্ডী থেকে বের করে দেয়না, তবে তার একত্ববাদের আক্বীদায় ত্রুটি ও কমতির সৃষ্টি করে৷ এটি শিরকে আকবারে লিপ্ত হওয়ার অসীলা ও কারণ৷
এ ধরনের শিরক দু’প্রকার:
প্রথম প্রকার: স্পষ্ট শিরক
এ প্রকারের শিরক কথা ও কাজের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে৷
কথার ক্ষেত্রে শিরকের উদাহরণ:
আল্লাহর ব্যতীত অন্য কিছুর কসম ও শপথ করা৷ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
# রাসূল (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে শপথ করে, সে কুফরী করে অথবা শিরক করে।”[তিরমিযী]
অনুরূপভাবে এমন কথা বলা যে, ”আল্লাহ এবং তুমি যেমন চেয়েছ”
কোন এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ”আল্লাহ এবং আপনি যেমন চেয়েছেন” কথাটি বললে তিনি বললেন, ”তুমি কি আমাকে আল্লাহর সাথে সমকক্ষ স্থির করলে? বরং বল, আল্লাহ এককভাবে যা চেয়েছেন৷”
আর একথাও বলা যে, ”যদি আল্লাহ ও অমুক ব্যক্তি না থাকত” ৷ উপরোক্ত ক্ষেত্রদ্বয়ে বিশুদ্ধ হল নিম্নরূপে বলা – ”আল্লাহ চেয়েছেন, অতঃপর অমুক যেমন চেয়েছে” ”যদি আল্লাহ না থাকতেন, অতঃপর অমুক ব্যক্তি না থাকত” । তাই ”এবং ” শব্দের বদলে “তারপর” কিংবা “অতঃপর শব্দের ব্যবহার বান্দার ইচ্ছাকে আল্লাহর ইচ্ছার অধীনস্ত করে দেয়৷ যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন:
•‘তোমরা বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কোন কিছুরই ইচ্ছা করতে পারনা৷’ ( সূরা তাক'ওয়ীর : ২৯)
কাজের ক্ষেত্রে শিরকের উদাহরণ:
যেমন বিপদাপদ দূর করার জন্য কড়ি কিংবা দাগা বাঁধা, বদনজর থেকে বাঁচার জন্য তাবীজ ইত্যাদি লটকানো৷ এসব ব্যাপারে যদি এ বিশ্বাস থাকে যে, এগুলো বলাথ-মসীবত দূর করার মাধ্যম ও উপকরণ, তাহলে তা হবে শিরকে আসগার৷ কেননা আল্লাহ এগুলোকে সে উপকরণ হিসাবে সৃষ্টি করেননি৷ পক্ষান্তরে কারো যদি এ বিশ্বাস হয় যে, এসব বস্তু স্বয়ং বালা- মুসীবত দূর করে, তবে তা হবে শিরক আকবর৷ কেননা এতে গায়রুল্লাহর প্রতি সেই ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে যা শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট৷

দ্বিতীয় প্রকার: গোপন শিরক
এ প্রকার শিরকের স্থান হলো ইচ্ছা, সংকল্প ও নিয়্যাতের মধ্যে৷ যেমন লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ও প্রসিদ্ধি অর্জনের জন্য কোন আমল করা৷ অথর্াত্ আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায় এমন কোন কাজ করে তা দ্বারা মানুষের প্রশংসা লাভের ইচ্ছা করা৷ যেমন সুন্দর ভাবে নামায আদায় করা, কিংবা সদকা করা এ উদ্দেশ্যে যে, মানুষ তার প্রশংসা করবে, অথবা সশব্দে যিকির- আযকার পড়া ও সুকন্ঠে তেলাওয়াত করা যাতে তা শুনে লোকজন তার গুণগান করে৷ যদি কোন আমলে রিয়া তথা লোক দেখানোর উদ্দেশ্য সংমিশ্রিত থাকে, তাহলে আল্লাহ তা বাতিল করে দেন৷ আল্লাহ বলেন:
• ‘অতএব যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন সত্কর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার ইবাদতে কাউকে শরীক না করে’ ( সূরা কাহফ: ১১০)
# রাসূল (সাঃ) বলেন, “যে বিষয়ে আমি তোমাদের উপরে সবচেয়ে বেশি ভয় করি, তা হল ছোট শিরক”। সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ছোট শিরক কি? তিনি বলিলেন, “ছোট শিরক হচ্ছে রিয়া (লোক দেখানো ইবাদত।)”[মুসলিম]
পার্থিব লোভে পড়ে কোন আমল করাও এ প্রকার শিরকের অন্তর্গত৷ যেমন কোন ব্যক্তি শুধু মাল- সম্পদ অর্জনের জন্যেই হজ্জ করে, আযান দেয় অথবা লোকদের ইমামতি করে, কিংবা শরয়ী জ্ঞান অর্জন করে বা জিহাদ করে৷
ইমাম ইবনুল কাইয়েম র. বলেন সংকল্প ও নিয়্যাতের শিরক হলো এমন এক সাগর সদৃশ যার কোন কূল- কিনারা নেই৷ খুব কম লোকই তা থেকে বাঁচতে পারে৷ অতএব যে ব্যক্তি তার আমল দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কিছু ও গায়রুল্লার কাছে ঐ আমলের প্রতিদান প্রত্যাশা করে, সে মূলতঃ উক্ত আমল দ্বারা তার নিয়ত ও সংকল্প নিয়্যত খালেছ ভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি উদ্দেশ্যে করা৷ এটাই হলো সত্যপন্থা তথা ইব্রাহীমের মিল্লাত, যা অনুসরণ করার জন্য আল্লাহ তাঁর সকল বান্দাদের নির্দেশ দিয়েছেন এবং এতদ্ব্যতীত তিনি কারো কাছ থেকে অন্য কিছু কবুল করবেন না৷ আর এ সত্য পন্থাই হলো ইসলামের হাকীকত৷

উপরের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট বাবে বুঝা যাচ্ছে যে, শিরকে আকবার ও শিরকে আসগারের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে৷
সেগুলো হল:
১. কোন ব্যক্তি শিরকে আকবারে লিপ্ত হলে সে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের হয়ে যায়৷ পক্ষান্তরে শিরকে আসগারের ফলে সে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের হয় না৷
২. শিরকে আকবরে লিপ্ত ব্যক্তি চিরকাল জাহান্নামে অবস্থান করবে৷ পক্ষান্তরে শিরকে আসগারে লিপ্ত ব্যক্তি জাহান্নামে গেলে চিরকাল সেখানে অবস্থান করবেনা৷
৩. শিরকে আকবার বান্দার সমস্ত আমল নষ্ট করে দেয়, কিন্তু শিরকে আসগার সব আমল নষ্ট করেনা৷ বরং রিয়া ও দুনিয়া অর্জনের উদ্দেশ্যে কৃত আমল শুধু তত্সংশ্লিষ্ট আমলকেই নষ্ট করে৷
৪. শিরকে আকবারে লিপ্ত ব্যক্তির জান-মাল মুসলমানদের জন্য হালাল৷ পক্ষান্তরে শিরকে আসগারে লিপ্ত ব্যক্তির জান-মাল কারো জন্য হালাল নয়।
প্রচলিত কিছু শিরকী কথা:
মানুষের মাঝে একটা স্বভাব রয়েছে আর তাহলো তার চেয়ে ভাল অবস্থায় কেউ থাকলে বা তার নিজস্ব অবস্থানের চেয়ে কাউকে বড় দেখলে সে তাকে তার মনের মাঝে এমন একটা জায়গায় স্থান দিতে শুরু করে যে ধীরে ধীরে সে নিজের অজান্তে শিরকে জড়িয়ে পরে। আমাদের অনেকেই প্রায়ই এই ধরণের কথা বলে থাকিঃ
***আপনি ছিলেন বলেই আজকে রক্ষা পেলাম!
***আমি আপনার উপরই ভরসা করছি!
***আপনি ছাড়া আর কে সাহায্য করবে!
***আপনি যদি থাকতেন তাহলে কাজটা এরকম হতো না!
***ভাই সাহায্য করেন, আপনিই একমাত্র পারেন আমাকে সাহায্য করতে!
***হ্যালো, ভাই কেমন আছেন! কঠিন বিপদে আছি উদ্ধার করেন ভাই! (মোবাইল কথোপকথন)
***হে দয়ার নবী রক্ষা কর মোরে!
***হে দয়ার নবী রক্ষা যদি না কর বেহেশতে যেতে পারব না!
***হে অমুক মাজারবাসী আমার অমুক আশাটা পূরণ করে দেন!
***কেবলাবাবাই ভরসা!
***দয়ালবাবা, বাবা ভান্ডারী রক্ষা কর মোরে!
আমি মোটামুটি কিছু প্রচলিত কথা তুলে ধরলাম, যার চর্চা করার মাধ্যমে আমরা প্রতিনিয়ত শিরক করে চলছি! যা মোটেই উচিত নয়, একজন মুসলিম হিসেবে এই বিষয়ে স্পষ্ট একটা ধারণা থাকা প্রয়োজন। কারণ, আল্লাহ তাআলা শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না।

11/04/2015

যদি মন না কাঁদে তবে বুঝবেন আপনার আখেরাতের ভয় নেই।

করাঘাতকারী,
করাঘাতকারী কি?
করাঘাতকারী সম্পর্কে আপনি কি জানেন ?
যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত
এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।
অতএব যার পাল্লা ভারী হবে,
সে সুখীজীবন যাপন করবে।
আর যার পাল্লা হালকা হবে,
তার ঠিকানা হবে হাবিয়া।
আপনি জানেন তা কি?
প্রজ্জ্বলিত অগ্নি!

[সূরা ক্বরিয়া ১০১ঃ১-১১]

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka
1230