08/03/2026
বাংলাদেশে ২০০২ সালে সবচেয়ে বেশি এসিড হামলার ঘটনা ঘটেছিলো। আর তখন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দুটি আইন করা হইছিলো। "এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২" এবং "এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০২"
বিচার প্রক্রিয়া ১০০% স্বচ্ছ না হলেও "এসিড নিক্ষেপ" কমে আসছিলো বাংলাদেশে। বর্তমানে এসিড নিক্ষেপের ঘটনা খুবই কম।
বর্তমানে ধর্ষ~ণ এমন পরিমাণে বেড়েছে যে বলার বাহিরে। এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার যোগ্য পুত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কি তাঁর মায়ের মতো নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করবেন না কি গৎবাঁধা নিয়মের বেড়াজালে জড়িয়ে রাজনীতির নেতৃত্ব দিবেন?
ধর্ষ~ণের খবরগুলো মিডিয়া প্রচার করে দল অথবা ধর্ম ট্যাগ দিয়ে। যেমন: বিএনপি নেতা, যুবদল নেতা, ছাত্রদল নেতা, জামাত নেতা, শিবির নেতা, হিন্দু যুবক, ইমাম সাহেব ইত্যাদি ইত্যাদি দ্বারা ধর্ষিত হলেন "...." বছরের মেয়ে /মহিলা। মিডিয়ার কুতা বাচ্চারা দল-ধর্ম ট্যাগের মাধ্যমে নিউজ করায় ধর্ষ~ণের বিষয়টা ফিকে হয়ে যায়। নির্বিশেষে গুরুত্ব পায় না জনমনে।
ধর্ষ~ণের পক্ষে তো কেউ নাই। বাংলাদেশে কিছু আইনও আছে কিন্তু ঐসব আইন দ্বারা ধর্ষ~ণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। নতুন করে বিষয়টা সাজানো দরকার যেন ইফেক্টিভ হয়।
যা যা করা যায়:
➤মোবাইল কোর্ট করা যায়।
➤সংবাদ মাধ্যমগুলো দল-ধর্ম ট্যাগ না করে শুধু ধর্ষ~ণ, ধর্ষ~ক, এবং ধর্ষি~তা বিষয়টাকে হাইলাইট করে নিউজ করবে। প্রয়োজনে মিডিয়ার জরিমানা করা যেতে পারে।
➤ আইন সংস্কারের ক্ষেত্রে ধর্ষ~ণ সম্পর্কিত শব্দগুলো সুস্পষ্ট করে ব্যাখ্যার প্রয়োজন। যেন মেয়ে বা ছেলে কেউই আইনের চিপায় পরে সাফার না করে। অনেক সময় মেয়ের পক্ষ নিতে গিয়ে ছেলেকে কোনো সুযোগ দেই না - তদন্ত শেষে দেখা যায় ছেলে-মেয়ে সমান দোষী।
➤ বিচারের নির্দিষ্ট মেয়াদ নির্ধারণ করা। যেমন: ২১ দিনের মধ্যে রায় কার্যকর করা। অর্ধশতক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত বিচার নিশ্চিত করা।
এরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা সরকারের জন্য সময়ের দাবী।
Tarique Rahman
Dr. Shafiqur Rahman