How to Assure Quality Education?
মানসন্মত শিক্ষা কিভাবে নিশ্চিত করা যায়?
বাতিঘর (Light house) সমুদ্রে চলাচলকারী জাহাজকে সঠিক পথ দেখায় যেনো অতল সমুদ্রে পথ হারিয়ে না ফেলে। তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো সমাজের বাতিঘর (Light house of the society) যেনো সমাজ সভ্য-সমাজের গতিপথ না হারায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহ আমাদের নবাগত / বাড়ন্ত প্রজন্মকে যথাযথ শিক্ষা দান করে এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মানের জন্য তাদেরকে সুসভ্য-সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।
সমুদ্রে চলাচলকারী জাহাজের নাবিক যদি দক্ষ-অভিজ্ঞ না হয়, দিক নির্নয়ে ভুল করে, তখন জাহাজ যেমন গন্তব্য পৌছার বদলে অতল সমুদ্রে ঘুরপাক খেতে থাকে, তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহ যদি সুশিক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়, যদি প্রদত্ত বা চলমান শিক্ষার মান নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে শিক্ষা গ্রহণকারী প্রজন্ম যেমন সুসভ্য-সুশিক্ষিত হতে পারবে না, তেমনি তারা বিশ্ব সভায় নিজেকে বা নিজের দেশকেও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারবে না। এখন বিলিয়ন ডলার প্রশ্ন হলো শিক্ষার মান কিভাবে নিশ্চিত করা যায়??
ড. মো. শাহ এমরান
অতিরিক্ত পরিচালক
ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটিলি এসুরেন্স সেল
(Institutional Quality Assurance Cell (IQAC))
ও
অধ্যাপক, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমেস্ট্রি বিভাগ, ফার্মেসী অনুষদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
Pharma Maker
Pharma Maker is a voluntary organization for active and creative Pharmacist Name of organization: Pharma Maker
Purposes:
1.
To promote a student’s pharmacy academic knowledge by the following processes:
Step1: Discussion program,
Step2: Sharing program,
Step3: Learning program,
Step4: Competition program.
2. To ensure a student’s pharmaceutical writing skill development with gaining and sharing pharmaceutical knowledge by publishing Magazine.
3. To promote a student’s pharmaceutical communication skill and w
ওস্তাদে প্রণাম করো পিতা হন্তে বাড়
দোসরা জনম তিনি দিলেন আমার।।
24/09/2023
বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস উপলক্ষে শুভকামনা রইল বাংলাদেশের সকল অগ্রজ-অনুজ ফার্মাসিস্টদের প্রতি, যাদের শ্রমে, ঘামে ও মেধায় আজ আমরা ওষুধ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
01/12/2020
মেধাবী ছেলেকে বাঁচাতে নিঃস্ব বাবার আবেদন তিন বছর আগে মামুন জায়ান্ট সেল টিউমার রোগে আক্রান্ত হন। দেশে চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে ছয় মাস আগে তাঁকে ভা.....
"হসপিটাল ফার্মেসী" শুধুই কি স্বপ্ন নাকি আছে বাস্তবতা?
কিছু সত্য চিরন্তন হলেও তা অপ্রিয়! আর কিছু স্বপ্নের নেই কোনো বাস্তবতা! কিন্তু সেই অবাস্তব স্বপ্নই কি দেখছি আমি,আপনি অথবা দেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থীরা? আদৌও কি আছে এর কোনো বাস্তবতা?
১. আমি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,মাস শেষে বেতন পাই,গবেষণার প্রয়োজনে বিদেশ পাড়ি দিতে পারি, দেশে "হসপিটাল ফার্মেসী" চালু হোক বা না হোক আমার কি?
২. আমি ক্লাসের প্রথম সারির ছাত্র। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তো হয়েই যাবো,“হসপিটাল ফার্মেসী"নিয়ে আমার কি? আর তাছাড়াও দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, সরকারি ভাবে ভালো চাকুরী গুলো আমার জন্য আছে।
৩. আমি তো অত ভালো নয় তবে রেজাল্ট মোটামুটি আছে একটা, জি আর ই, আই ই এল টি এস এসব দিয়ে বিদেশ পাড়ি দিবো,মাস শেষে বড় একটা অংকের টাকা পাবো,আর কি লাগে!
৪. ভার্সিটিতে আমার খুব আহামরি কোন রেজাল্ট নেই, বাইরে যাওয়াও সম্ভব নয়, বাড়ির পাশে স্কয়ার আছে চেষ্টা করে দেখি!
৫. রেজাল্ট এর যা অবস্থা কি আর করার বিসিএস এর জন্য চেষ্টা করে দেখি!
৬. আরে হসপিটাল ফার্মেসী চালু হলে আমরা ডাক্তাররা কোথায় যাবো!
৭. ওহ! আপনার তো অসুবিধে নেই, আপনার ছেলে বা মেয়ে অমুক ভার্সিটির ফার্মেসীতে পড়ে না? দেখেন কোম্পানিতে হয় কিনা, না হলে এলাকাতে একটা দোকান দিয়ে দিয়েন অনেক লাভবান ব্যাবসা!
৮. তুই তো ফার্মেসীতেই পড়িস, শোন আমরা একটা প্রাইভেট ক্লিনিক দিবো, তুই সেখানে ঔষুধ সাপ্লাই দিস। আরে, রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে না, তুই আবার কিছু মনে করিসনা!
এরকম নিত্যদিনের ঘটনা আর নাই বলি। যেখানে দেশের উঁচু স্তরের মানুষ আমাদের টেকনিশিয়ান বানিয়েছেন,তেমনি বাড়ির পাশে কোম্পানিতেও পাঠিয়েছেন, আর দোকানের কথা নাই বললাম!
আপনার,আমার এ ধরণের চিন্তা ভাবনা টাই আমাদের অধিকার সম্পর্কে আমাদের পরিচয় দেয়নি।
আপনি কি আদৌও জানেন একজন ফার্মাসিস্ট কে,তিনি কি করেন? আমাদের কাজ ঐ দোকানে বসে ঔষধ বেঁচা আর কাস্টমার এর সাথে নাপা এক্সট্রার দাম কেনো দুই টাকা বেড়ে গেলো এই নিয়ে তর্ক করা নয়।
একজন বন্ধু কে সেই প্রথম বর্ষে যখন প্রশ্ন করি আচ্ছা তোদের তো এনাটমি, ফিজিওলজি, ফার্মাকোলোজি, বায়োকেমিস্ট্রির মতো সাবজেক্ট আছে, এগুলো কোন কোন লেখক এর বই পড়িস? উত্তরে পেয়েছিলাম, "আমাদের তো অনেক পড়া তাই শিট পড়ি। কোনো বইয়ের নাম বলতে পারলাম না।"আমি অবশ্যই তার অপরাগের কথা বলছি না,আমি বলছি না আমাদের প্রতি কোর্সে ৩-৪ জন লেখক কখনো বা তার চেয়ে বেশি লেখকের বই পড়তে হয়। সে হিসেবে শুধু থিওরির জন্য যদি ৫টি কোর্স থাকে ৬ মাসের সেমিস্টারে হিসেব টা নিশ্চয়ই আপনি বের করতে পারবেন। আমি শুধু বলছি আপনি কি জানেন আজ থার্ড ইয়ার এ এসে আমি যখন কোনো ঔষুধের জেনেরিক নেইম, সাইড ইফেক্টস, ইনডিকেশনস, কনট্রাইনডিকেশনস, মেকানিজম নির্ধিধাতে বলে দিতে পারি,আমার অনেক ডাক্তার বন্ধু সেখানে অবাক হয় কিভাবে জানলাম! সে তো জানেনা! আমার উদ্দেশ্য মোটেও কাউকেই ছোট করা নয়। কিন্তু ঐ যে আপনি যখন কোনো রুগীর ডায়াগনোসিস করে যেকোনো একটা কোম্পানির ঔষুধ দেন যার জন্য টাকা খেয়েছেন,ঐ ঔষধ টা রুগী কে দেওয়ার দায়িত্ব টা কিন্তু আপনার না। তাকে বুঝিয়ে বলা থেকে শুরু করে তার ডোজ,তার কি ধরণের অসুবিধে হতে পারে এক কথায় এ টু জেড আপনি একজন ফার্মাসিস্টের সাথে আলোচনা ছাড়া এটা দিতে পারেন না।
আপনি যে এন্টিবায়োটিক পেশেন্টকে অহরহ প্রেসক্রাইব করছেন আর পেশেন্ট ও যে পুনরায় একই লক্ষ্মণ দেখা দিলে আবার গিয়ে ঔষুধ কিনছে, এর দায়ভার কার? এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স এর কথা তো আপনিও জানেন তাইনা? ঔষধ প্রেসক্রাইব করার কথা কি আপনার? আপনি নিশ্চয়ই সাধারণ জনগনের চেয়ে বেশি জানেন,জানেন বাইরের দেশের ও কথা, তারপরেও কেনো নিজের জায়গাটা হারানোর ভয়!
এর আগেও অনেক লিখা লিখি হয়েছে। আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক বৃন্দ ও অনেক চেষ্টা করছেন। অনেক সিনিয়র এমনকি জুনিয়র রাও লিখা লিখি করছেন অন্তত,আমাদের উদ্দেশ্য শুধুই আমাদের অধিকার আদায় নয়,আপনি কি জানেন অনেক দেশে হসপিটাল ফার্মাসিস্টদের “সম্মুখ সারির যোদ্ধা” উপাধি দেওয়া হয়েছে? আমরাও এই দূর্যোগে দেশের পাশে এসে দাঁড়াতে চাই। কলম্বিয়া, চীন এরকম অনেক দেশে হসপিটাল ফার্মাসিস্টরা করোনা কালিন এই দূর্যোগে তাদের সর্বস্বটুকু দিয়েছেন। অন্য দেশের খবর দেখলে এগুলো আমাদের চোখে পরবে। কিন্তু আমাদের দেশের মিডিয়া তে এখনো দেখানো হয় ফার্মেসীর দোকানে নেই কোন ফার্মাসিস্ট, দেখানো হয়না অন্য দেশে ফার্মাসিস্টরা কি ভূমিকা রাখছেন আর আমাদের দেশের সম্ভাবনা কি! চীন-ই ভাইরাস ছড়িয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নিয়ে ঝড় তুলেছেন যদি এই নিউজ এর তুলনায় আপনি দেখেন কিভাবে এত দ্রুত চীন করোনা মোকাবিলা করলো তারা ফার্মাসিস্টদের নিয়োগ করেছিল যেন হসপিটাল এ রুগী দের শুধু আইসোলেশনে যেতে হয়, বাকিরা যেন ঘরে বসে চিকিৎসা টুকু পায়। তদের যেন হসপিটালে গিয়ে ভিড় করতে না হয়। নিউজিল্যান্ডেও টেলিফোনে পেশেন্ট হানডেল করছে এখনো ফার্মাসিস্টরা। আপনি প্রমাণ স্বরুপ বিভিন্ন জার্নাল-পেপার গুলো গুগলে খুঁজলেই পাবেন।
একথা তো সবার জানা,কেউ যদি খাঁদে পড়ে যায়,তাকে উপর থেকে রশি দিয়ে যেমন টেনে তুলতে হয় তেমনি সেই ব্যক্তির নিজেরও চেষ্টা করতে হয়, সাহায্যের জন্য হলেও ডাকতে হয়। আমাদের আওয়াজ আমাদেরকেই পৌঁছাতে হবে। তবেই হয়তো উপরে বসে থাকা কেউ একজন হাত বাড়িয়ে দিবেন। তবে একা কিছুই সম্ভব নয়, আমি আপনি আমরা যখন দৃষ্টি ভঙ্গি টা বদলাবো, যখন বুঝবো দেশের মানুষের ঝণ আমাদের প্রতিটা কোষে কোষে রয়েছে তখনই এটা কেবল সম্ভব। এক্ষেত্রে আমরা শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, উর্ধতন কর্মকর্তা সরকারি বেসরকারি সহ যারা এর সাথে জড়িত কেউ ই আমরা আমাদের দায়িত্ব এড়াতে পারিনা। আর নিউজ চ্যানেল থেকে পত্রিকা তদেরও উচিত তাদের অবস্থান থেকে এগিয়ে আসা। আমাদের উচিৎ এ বিষয় সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান তদের দেওয়া।
আমাদের প্রথম সুপ্ত মনকে জাগরিত করেছিলেন আমাদের ডিপার্টমেন্টেরই ৫ম বর্ষ ২য় সেমিস্টারের শ্রদ্ধেয় অগ্রজ। তার হাত ধরেই আমাদের হাতেখড়ি।
হয়তো আজ আমি লিখবো, কাল আপনিও লিখবেন, হয়তোবা কখনো বিরক্ত হয়ে থামিয়েও দিবো হয়তোবা অনেক টাকা কামিয়ে পড়ন্ত এক বিকেলে চায়ের কাপে মুখ লাগিয়ে বারান্দায় বসে প্রিয় জনের সাথে আড্ডা ও দিব, ফোন টা হাতে নিলেই দেশের প্রিয় মানুষ গুলোর সাথে কথা হবে কিন্তু রাতের বেলা ঘুমুতে গিয়ে বিবেক আবার প্রশ্ন করবে না তো দেশের মানুষকে কভিড-১৯ এ মেরে আজ তুমি হাওয়া খাচ্ছো? এমনও হতে পারে দেশের মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা টা সারাজীবন স্বপ্নই থেকে গেলো। জানেন ই তো স্বপ্ন মানুষকে তাড়া করে বেড়ায়!
হসপিটাল ফার্মেসী আমাদের স্বপ্ন। এটা আজ হোক কাল হোক পূরণ হবেই। কিন্তু নিজের ছেলে মেয়ে কে “বাবা/মা আমরাও স্বপ্ন দেখেছিলাম তোমরা এসে সে স্বপ্ন পূরণ করলে” এটা বলার চেয়ে তাদের কে গল্প শোনানো “করোনার ঐ যুদ্ধ তো আমরাই করেছি জয়, আমরাই নিয়ে এসেছি এই পৃথিবীতে করোনা মুক্ত এক নতুন সূর্যদোয়” এটাই অধিকতর শ্রেয়।
আনিকা নাজনীন
বিভাগঃ ফার্মেসী
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.০৭.২০২০
14/07/2020
আমরা ফার্মেসী পড়ি
পাঁচ বছরের প্রফেশনাল সাবজেক্ট আমাদের। হেলথ সেক্টরের অন্যান্য প্রফেশনালদের মতো ফার্মাসিস্টদের যে কম কষ্ট করতে হয় তাতো নয়।সেমিস্টার সিস্টেমে পাঁচ বছরে আশিটারও বেশি কোর্স পড়তে হয় আমাদের।যে কোর্সগুলার সবগুলোই কিন্তু শুধু ওষুধ ম্যানুফ্যাকচারিং রিলেটেড না।মানুফ্যাকচারিং, কোয়ালিটি কন্ট্রোল, পেশেন্টের ওপর ড্রাগের ইফেক্ট, ক্লিনিক্যাল ট্রেনিং,পেশেন্ট কাউন্সেলিং এসবকিছু পড়তে হয়।হসপিটাল ফার্মেসী চালু হবে এই আশায় চার বছরের কোর্স পাঁচবছর পড়তে হচ্ছে। কিন্তু ফার্মেসী রিলেটেড জব বলতে আমরা একমাত্র বুঝি ইন্ডাস্ট্রিয়াল জব।যদি তাই হয় তবে Clinical pathology, Pharmacy practice, Clinical Research and Clinical Pharmacokinetics, Hospital Training এই কোর্সগুলো পড়ানোর কোনো মানে হয় না।অন্য সাবজেক্টের সাথে তুলনা করছি না।একজন ফার্মেসীর স্টুডেন্ট হিসেবে কতগুলো প্রয়োগবিহীন কোর্স পড়তে হবে আমাদের। আমরা যখন প্রথমবর্ষে পড়ি আমাদের একটা কোর্স পড়ানো হয় Introduction to Pharmacy. এই কোর্সে ফার্মেসীর যতগুলো জব সেক্টর দেখেছিলাম। বাস্তবে ততোগুলো নেই।স্যার একদিন ক্লাসে বলেছিলেন, রান্নাঘরের যারা রান্না করে তাদেরকে কেউ দেখতে পায় না।যারা পরিবেশন করে তাদেরকে সবাই দেখল।আমরা ফার্মাসিস্টরা রান্নাঘরেই থেকে গেলাম পরিবেশন করল শুধু অন্যান্য হেলথ প্রফেশনালরা।এ দেশে
সারাজীবন এই ফার্মাসিস্টরা ওষুধ ম্যানুফ্যাকচারিং করে গেল। পেশেন্ট এর সাথে ফার্মাসিস্টদের সম্পর্ক তখনই তৈরি হবে যখন হসপিটাল ফার্মেসী চালু হবে।যেখানে ডাক্তার,ফার্মাসিস্ট, নার্স, হেলথ টেকনোলজিস্ট সম্মিলিত ভাবে কাজ করার কথা।
এত কষ্ট করে যারা পাঁচ বছর ধরে এতগুলো কোর্স আয়ত্ত করছে তাদেরকে এইটুকু সম্মান দেয়া অবশ্য কর্তব্য।
(ভুল ত্রুটি মার্জনীয়)
১৩.০৭.২০২০
Subarna Sarker Tithi
Student
Department of pharmacy
Pabna University of Science and Technology, Pabna
14/07/2020
ফার্মাসিস্টের কাজ কি?
এটা অনেক শিক্ষিত মানুষেরাও জানেন না, তারা তাদের ভাবনা মতো বলে দেন। যেমনঃ কারো কারো মতে দোকানে কাজ করে টেকনোলজিস্ট, দুলিয়া দুলিয়া ক্যামেরার সামনে বলা যায়।
এলাকার একজন বলল, ফার্মেসি পড়ে ভাল "কেমিস্ট" হতে পারলে ওষুধ কোম্পানিতে অনেক বেতন পাবা!!
অন্য এক ভার্সিটিতে লাইফ সায়েন্সের একটা সাবজেক্টে ভর্তি হয়েছিলাম, পরে ফার্মেসিতে ভর্তি হবো বলে, ভার্তি বাতিল করতে যায়। সেখানে এক শিক্ষক আমাকে বললেন, ফার্মেসিতে পড়ে "রিপ্রেজেনটেটিভ" হবা??
কিছু বলতে পারি নাই....😥😥😥
এ থেকে বোঝায় যায়, এদেশের মানুষ কতটা অজ্ঞ ফার্মাসিস্ট সম্পর্কে!!
#আসুন_এবার_কিছু_জেনে_নিইঃ
ফার্মাসিস্ট হলো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, মেডিসিনের তৈরি হতে শুরু করে কোন ম্যাকানিজমে কাজ করবে, কতদিন ভাল থাকবে সেটা শুধু তারা জানে। আপনার দেহে মেডিসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে তারা গবেষণা করে। আপনার জন্য কোন মেডিসিন কতটুকু প্রয়োজন তারা জানে, আপনার জন্য করা প্রেসক্রিপশনে যেন ত্রুটি না থাকেও সেটা নির্ণয় করাও ফার্মাসিস্ট এর দায়িত্ব।
একজন ফার্মেসি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীকে ১ম বর্ষেই শেখানো হয় প্রেসক্রিপশন কি? কিভাবে করতে হয়, কিভাবে ত্রুটি কমাতে হয় সব আর নীতি-নৈতিকতা তো ফার্মাসিস্ট এর অলংকার।
১ম ক্লাসে স্যার বলেছিলেন, ফার্মাসিস্ট হওয়ার আগে মানবিক হও, একজন ডাক্তারের ভুলে ১-২ জনের সমস্যা হতে পারে, তবে একজন ফার্মাসিস্টের ভুলে হাজার-হাজার মানুষের সমস্যা হতে পারে।
এবার আসি কর্মক্ষেত্র নিয়েঃ
1.Industrial Pharmacy
a. Production
b. Product Development
c. Quality Control
d. Quality Assurance
e. Dispensing
f. Research and Development
g. Marketing and Business Development
2.Government Agencies
a. Drug Administration
b. Central Medical Store Department
c. Public Health Service
d. Government Hospitals
e. Armed forces
f. Regulatory Affairs
3.Hospital Pharmacy
a. Clinical, Patient Counseling
b. Administration
c. Drug Information
d. Adverse Drug Reaction (ADR) Monitoring
4.Community Pharmacy
a. Chain drug store
b. Supermarket
c. Independent Drug Store
d. Drug Information
e. ADR monitoring
5. Academics
a. Research
b. Teaching
c. Administration
d. Publication
যেগুলোর অধিকাংশই রয়েগেছে বইয়ের পাতায় আমাদের দেশে এত বছরেও বাস্তবায়ন হয় নাই, উন্নতবিশ্বে সমানতালে ফার্মাসিস্টরাও সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। অথচ আমাদের দেশে জোড়াতালি দেওয়া এক ব্যবস্থা, ফার্মাসিস্টের কাজ করছে ডাক্তার আর নার্স মিলে, এটা কতটা যুক্তিযুক্ত আমি জানি না!!
সময় এসেছে পরিবর্তন আনুন, দেশের উন্নতি হোক, স্বাস্থ্যখাত এগিয়ে যাক।
ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
Dipu Bishwas
Student
Department of Pharmacy
Pabna University of Science and Technology
Pabna.
12/06/2020
ফার্মাসিস্ট ফজলে রাব্বির মৃত্যু ও আমাদের আর্তনাদ ফার্মাসিস্ট ফজলে রাব্বি। জন্ম ২৩ নভেম্বর ১৯৯১। ২০১৩ সালে ইউনিভার্সিস্টি অফ এশিয়া প্যাসিফিক থেকে ফার্মেসী বিষয...
06/06/2020
কোভিড-১৯ আপডেট ৬ জুন ২০২০। ঘরে থাকুন নিরাপদ থাকুন জিনি পিডিয়ার সাথেই থাকুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Dhaka