জ্ঞানের বিশ্ব

জ্ঞানের বিশ্ব

Share

22/04/2023
Photos from জ্ঞানের বিশ্ব's post 26/10/2022

Multiple paragraph writing!

26/10/2022

::নতুন জব প্রত্যাশীদের জন্য::

অনেকেই দ্বিধায় থাকেন কোন পরীক্ষার জন্য কী পড়বেন? বিসিএস আর ব্যাংক জবের প্রস্তুতি কোনটা নিবেন? প্রাইমারি আর নিবন্ধন কোনটার সাথে বিসিএস এর মিল পাবেন? এনএসআই, দুদক, রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠান, আইবিএ স্টাইলের নেয়া পরীক্ষার প্রস্তুতি কীভাবে নিবেন?

তাদের জন্য আমার টোটকা সাজেসন:

১. প্রথমেই কোন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিবেন সেটা ভুলে যেতে হবে। শুধু ভাববেন যে , আপনি জব প্রত্যাশী তাই ইফিসিয়েন্ট প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

২. বিভিন্ন চাকৃরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আলাদা আলাদা কাভারে লেখা ওমক পরীক্ষার গাইড, এটা সেটার প্রস্তুতির গাইড টোটালি স্কিপ করতে হবে।

৩. সব প্রস্তুতির জন্য ফলো করবেন ৪টি বিষয:

ক. দৈনিক পত্রিকা
খ. বিসিএস প্রস্তুতি
গ. জব সল্যুসন (বড় টা)
ঘ. ব্যাংক জব সল্যুসন (আইবিএ নিয়োগ পরীক্ষার গাইড)

৪. শুধু প্রাইমারি / নিবন্ধন প্রস্তুতি নিতে চাইলে জব সল্যুসন এনাফ। সাথে বিসিএস প্রস্তুতি নিলে তো কথাই নাই , পুরো ১০০% টোটকা প্রস্তুতি।

৫. শুধু ব্যাংক প্রস্তুতি নিতে চাইলে বিসিএস প্রস্ততির সাথে সাথে ম্যাথ ও ইংরেজির প্রস্তুতি নিতে হবে।

সর্বোপরি, বিসিএস প্রস্তুতি ভালোভাবে নিলে অন্য প্রস্তুতির জন্য পৃথক প্রস্তুতির অতটা দরকার হয় না।

© নাঈম ভাই

21/10/2022

যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ের প্রধানমন্ত্রী: লিজ ট্রাস।

ক্ষমতায় ছিলেন: ৪৫ দিন।
পদত্যাগ করেন: ২০ অক্টোবর, ২০২২।
যে দলের নেতা ছিলেন: কনজারভেটিভ পার্টি।
তিনি যুক্তরাজ্যের তৃতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী (১ম: ম্যার্গারেট থ্যাচার (লেবার পার্টি), ২য়: থেরেসা মে (কনজারভেটিভ পার্টি)।

জেনে রাখা ভাল: ৩ জন নারী প্রধানমন্ত্রী ই মেয়াদ পূর্ণ হবার পূর্বে পদত্যাগ করেন।

15/10/2022

▪️কেউ যদি প্রশ্ন করে আইন পড়ে কি হবে? উত্তরের বদলে পাল্টা প্রশ্ন হবে- ‘আইন পড়ে কী হওয়া যাবে না?’ কিছুদিন আগে ‘আমি কেন আইন পড়েছি?’ শিরোনামের এক লেখায় সাবেক প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামালের অমর কথাটি ধার করে বলেছিলাম-

‘আইন পড়া জীবন- একটা আলাদা জীবন’। সেই লেখায় মূলত আইন পড়ার তাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক, আদর্শিক ও চেতনাগত উপযোগিতাসমূহ তুলে এনেছিলাম।

আজকের লেখায় আমরা আসলে দেখবো আইন পড়ার প্র্যাকটিক্যাল উপযোগিতা ও একজন আইনের শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ারের সুযোগ ও সম্ভাবনাসমূহ। আশা করছি এটি আইনের শিক্ষার্থীদের একটি ক্যারিয়ার গাইডলাইন হিসেবে কাজ দেবেঃ

বাংলাদেশে আইনের শিক্ষার্থীদেরকে পরিবারে ও সমাজে অবধারিতভাবে যে অনিবার্য প্রশ্নটির সম্মুখীন হতে হয় তা হচ্ছে- ‘আইন পড়বি কি মিথ্যাবাদি হওয়ার জন্য?’ অর্থাৎ বেশিরভাগ মানুষ ধরেই নেয়- ‘ল’ পড়ে ‘লইয়ার’ বা তাঁদের ভাষায় লাইয়ার (মিথ্যাবাদি) হওয়া ছাড়া আর বুঝি কোন গত্যন্তর নাই।

কিন্তু তাঁরা আসলে ‘জানেনা যে তাঁরা জানে না’ (They don’t know that they don’t know)- আইন পড়া একজন শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার পরিধি কতোটা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ! আসুন, তাহলে দেখি-

আইন পড়ে কী হওয়া যাবে না?‘- এটির অস্তিবাচক রূপ হচ্ছে আইন পাশ করে আইন সংশ্লিষ্ট বা আইন বহির্ভূত সব কিছুই আপনি হতে পারবেন। ‘সবকিছু’ মানে আক্ষরিক অর্থেই ‘সবকিছু’। আইন পড়ে কেউ আইনজীবী হতে না চাইলেও তাঁর জন্য সরকারি- বেসরকারি চাকুরির দুনিয়া খোলা।

অর্থাৎ, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা যে সব চাকুরিতে আবেদনের যোগ্য- আইনের একজন শিক্ষার্থী সেসব পদে অনায়াসেই আবেদন করতে পারে, প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হয়ে যোগ দিতে পারে।

সহকারী জজ/ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটঃ কিন্তু আইনের স্নাতকদের জন্য আলাদাভাবে আছে ‘জুডিসিয়াল সার্ভিস’ অর্থাৎ, সহকারী জজ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ‘সরকারি ফার্স্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসার’ হওয়ার সুযোগ।

বিসিএস ক্যাডারের তুলনায় এখানে পরীক্ষার প্রতিযোগিতা কম কিন্তু বেতন বেশি (৩০% বর্ধিত বিচারিক ভাতা) ! এই পদে নিয়োগলাভের সুযোগ শুধুই আইনের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত।

শিক্ষকতাঃ ভালো একাডেমিক ফলাফল থাকলে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছাড়াও প্রায় ৫০ টির কাছাকাছি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আইনের একজন সদ্য মাস্টার্সধারী ‘লেকচারার’ হিসেবে উচ্চ বেতনে যোগ দেওয়ার সুযোগ পায়।

আইনের ভালো ফলধারীর জন্য বিকল্প অজস্র ক্যারিয়ার সম্ভাবনার কারনে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগে উপযুক্ত শিক্ষক সংকট লেগেই থাকে। তাই একাডেমিক ফলাফল মোটামুটি ভালো হলে এবং শিক্ষকতার ন্যূনতম ১/২ বছরের অভিজ্ঞতা ও গবেষণা প্রবন্ধ থাকলে মোটা অংকের বেতনের চাকুরির পেছনে আপনাকে দৌড়াতে হবেনা, চাকুরিই আপনাকে খুঁজে নেবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নয় বরং আপনিই সিদ্ধান্ত নেবেন- কোথায় ও কতো বেতনে জয়েন করবেন ! এই সেক্টরে চাহিদা এমনই বেশি যে অনার্সে ভালো ফল থাকলে মাস্টার্সের রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই অনেক প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আইনের যোগ্য প্রার্থীকে ‘অগ্রীম এপয়েন্টমেন্ট লেটার’ দিয়ে বুকড করে রাখে ! বুঝেন অবস্থা !

এছাড়াও পাবলিক ও প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ‘ল অফিসার’ হিসেবে যোগ দেওয়ার সুযোগ তো বহাল আছেই!

ব্যাংক, বীমা, কোম্পানি, শিল্প ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানঃ অনেকের ভুল ধারণা আছে ব্যাংকার হওয়ার জন্য বিবিএ, এমবিএ অত্যাবশ্যক। সত্য নয়। বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি বা অন্যান্য বিষয়ের মতো আইন থেকে পাশ করেও যে কেউ ব্যাংক, বীমা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে যোগ দিতে পারে।

বাংলাদেশে বর্তমানে এমন ব্যাংক, বীমা, কোম্পানি, শিল্প ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান নাই যেখানে ‘ কর্পোরেট আইন বিভাগ’ নাই। এই বিভাগে ল’ অফিসার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার একটাই শর্ত- আইনের ডিগ্রিধারী হতে হবে।তারমানে সাধারণ ব্যাংকিং, কোম্পানি ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে সাধারণ অফিসার হিসেবে আবেদনের পাশাপাশি আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ লাভের সুযোগ শুধু আইনের ডিগ্রিধারীদের জন্যই সংরক্ষিত !

এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সহকারী পরিচালক (জেনারেল সাইড)’ পদে অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে আবেদনের পাশাপাশি আইনের ডিগ্রিধারীরা ‘সহকারী পরিচালক (লিগ্যাল সাইড) পদে নিয়োগ লাভের সুযোগ পায়। এবং এটি আইনের ডিগ্রিধারীদের জন্য সংরক্ষিত।

সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, বিমান বাহিনীঃ একজন আইনের শিক্ষার্থী লেফটেন্যান্ট, সাব লেফটেন্যান্ট, ফ্লাইং অফিসার হয়ে কমিশন্ড অফিসারের পদমর্যাদায় সেনা, নৌ

কিংবা বিমানবাহিনীতে স্বল্প মেয়াদী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ‘জাজ এডভোকেট জেনারেল’ বিভাগে যোগ দিতে পারেন। সামরিক আইন-আদালত ও সামরিক বিচার নিয়ে এদের কাজ কর্ম। এই সুযোগ শুধু আইনের শিক্ষার্থীদের !

বিসিএসঃ আইন থেকে পাশ করে অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের মতোই আপনারা বিসিএস এর সমস্ত ক্যাডার যেমন- ফরেন সার্ভিস, প্রশাসন, পুলিশ, কাস্টম, আনসার ইত্যাদি সব নন- ট্যাকনিক্যাল ক্যাডারে একজন ফার্স্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন।

বিসিএস এর কোন নন- ট্যাকনিক্যাল ক্যাডারেই নিয়োগ পাওয়ার জন্য অনার্স- মাস্টার্সের বিষয় আলাদা শর্ত নয়। আইন থেকে পাশ করে বিসিএস এর বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ লাভের উদাহরণ ভুরিভুরি।

এ সমস্ত প্রতিষ্ঠান আবার অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্র্যাকটিসিং লইয়ারদের কে ‘প্যানেল আইনজীবী’ হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ও দিয়ে থাকে। এটি আইনজীবীদের জন্য আরেকটি বাড়তি সুযোগ।

ন্যাশনাল ও মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিঃ দেশীয় ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স ইত্যাদি জেনারেল সাইডের বিভাগে অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে আইনের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারে।

ভোগ্য পণ্য কোম্পানী- ইউনিলিভার, নেসলে, সিগারেট কোম্পানি- ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, জুতা কোম্পানি- বাটা, এপেক্স, স্টিল তৈরির কোম্পানি- BSRM, KSRM, তারকা হোটেল- রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, রূপ চর্চার বিউটি পার্লার থেকে শুরু করে গ্রামীন ফোন, এয়ারটেল ইত্যাদি মোবাইল অপারেটর পর্যন্ত প্রায় সব ন্যাশনাল কিংবা মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতেই ‘কর্পোরেট লিগ্যাল এফেয়ার্স’ বিভাগ আছে।

আর যেখানেই লিগ্যান ডিভিশান সেখানেই ‘ল’ ডিগ্রিধারী প্রার্থীর চাহিদা। আর এসব পদে নিয়োগ লাভ শুধুই আইনের জন্য সংরক্ষিত !

এছাড়া আইনের একজন স্নাতক যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Human Resource Management কে মেজর নিয়ে ইভেনিং বা এক্সিকিউটিভ এমবিএ ডিগ্রি নিতে পারেন।

অথবা নিদেনপক্ষে Post Graduate Diploma in Human Resource Management (PGD in HRM) এই ডিপ্লোমা ডিগ্রি নিতে পারলে দেশের শীর্ষ স্থানীয় কর্পোরেট হাউস, ব্যাংক, অন্যান্য কোম্পানী কিংবা গার্মেন্টেস সেক্টরে ‘হিউম্যান রিসোর্স অফিসার’ হিসেবে যোগ দেওয়ার বিরাট সুযোগ রয়েছে কারন ল ও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট খুব ঘনিষ্ট সম্পর্কিত।

কোন কোম্পানি যদি এই দুই বিষয়ে একই সাথে ডিগ্রিধারী যোগ্য কোন প্রার্থীকে পায় তাহলে দুই বিভাগে আলাদা দু’জন লোক নিয়োগের বিলাসিতার বদলে একজনকেই নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবে- এবং বুঝতেই পারছেন সেটি আপনিই !

রিয়েল এস্টেট কোম্পানিঃ জায়গা জমি, এপার্টমেন্ট, ফ্ল্যাট আর চুক্তিনামা ও চুক্তিভঙ্গ নিয়েই যেহেতু এদের কাজ- কাজবার তাই সেখানে গ্যাঞ্জাম আর বিরোধের সমূহ সম্ভাবনা।

যেখানেই বিরোধ সেখানেই আইন। যেখানেই আইন সেখানেই আইনের ডিগ্রিধারী কর্মকর্তা দরকার। তাই দেশের রিয়েল এস্টেট বিজনেস কোম্পানিগুলোতে ‘আইন কর্মকর্তা’ হিসেবে আইনের ডিগ্রিধারীদের দরজা সংরক্ষিত।

সরকারি বেসরকারি এনজিও, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও মানবাধিকার সংস্থাঃ এসব সংস্থার যে কোন ডিভিশনে অন্যান্য বিষয়ের ডিগ্রিধারীদের সাথে কাজ করার সুযোগের পাশাপাশি একজন আইনের শিক্ষার্থীর সুযোগ আছে এসব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ‘ল ডিভিশন’ এ নিয়োগ পাওয়ার।

আবার অনেকগুলো এনজিও ও মানবাধিকার সংস্থা আছে যাদের মূল কাজটাই হচ্ছে আইনগত সহায়তা নিয়ে। যেমনঃ আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), বেলা, ব্লাস্ট, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি, ব্র্যাক ইত্যাদি। যেখানেই আইন নিয়ে কাজ সেখানেই আইনের ডিগ্রিধারী চাই। আইন ভিন্ন আর কারো সুযোগ নাই !

আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিদেশী দূতাবাসঃ আইনের ডিগ্রিধারীদের জন্য জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সংস্থা যেমন UNHCR, UNDP, WHO, Save the Children, IOM, ILO ইত্যাদিতে আছে আইন সংশ্লিষ্ট নানান কাজের সুযোগ।

বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী দূতাবাসগুলোতেও ‘আইন কর্মকর্তা’ হিসেবে নিয়োগের সুযোগ আইনের ডিগ্রিধারীদের জন্য সংরক্ষিত আছে।

সরকারি ও স্বায়ত্ত্বশাসিত কমিশন ও প্রতিষ্ঠানঃ দুদক, নির্বাচন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, ওয়াসা, পিডিবি, পেট্রো বাংলা, বাপেক্স সহ প্রায় সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্ত্বশাসিত কমিশন ও প্রতিষ্ঠানে আইন কর্মকর্তা ও প্যানেল আইনজীবী হিসেবে আইনের ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ লাভের অবারিত সুযোগ আছে।

গার্মেন্টস অডিট ও কমপ্লায়েন্সঃ গার্মেন্টস খাতের সাথে শ্রম আইন, নিরাপত্তা ও শ্রমিক অধিকারের বিষয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গার্মেন্টস কোম্পানি ও বাইয়িং হাউজগুলো এসব বিষয় অনুপুঙ্খভাবে নজরদারি করার জন্য অডিটর ও কমপ্লায়েন্স ডিভিশনে আইনের ডিগ্রিধারীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন।

এই অডিটিং ও কমপ্লায়েন্স সেক্টরটি এখনো নতুন ও সম্প্রসারণশীল। তাই আইনের ডিগ্রি নেওয়া শেষ করে আপনারা BGMEA Institute of Fashion &Technology (BIFT) Chittagong, Bangladesh Institute of Management (BIM),কিংবা Bangladesh Garment Management Institute (BGMI) এর অধীনে ‘Diploma in Social Compliance, Labour law and HRM’ এই ডিগ্রি নিয়ে সহজেই এই সেক্টরে উচ্চ বেতনে কাজের সুযোগ পেতে পারেন।একই সাথে আইন জানে আবার কমপ্লায়েন্স ও অডিটিং ডিগ্রিও আছে- এমন প্রার্থী কোম্পানি হাতছাড়া করতে চাইবেনা।

আইনজীবীঃ বেশিরভাগ আইনের ডিগ্রিধারীর প্রথম স্বপ্নই থাকে একজন আইনজীবী হবে। কিন্তু আইনজীবী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ায় অনেক চ্যালেঞ্জ থাকায় এবং চোখের সামনে এতো এতো নগদ অপশন থাকায় বেশিরভাগ আইনের শিক্ষার্থীই কিন্তু প্র্যাকটিসিং লইয়ার হয়না।

সবার শেষে আইনজীবী ‘অপশান’ টি নিয়ে কথা বলার একটাই কারন এটি দেখানো যে আইনজীবী পেশায় না গিয়েও আইনের ডিগ্রি নিয়ে আপনি আরো কতো কী করতে পারেন !এই লিস্টে যা কিছু বলেছি তারচেয়ে ঢের বেশি কিছু আপনি করতে পারবেন- যশ, সম্মান, প্রতিপত্তি ও অর্থ- সবই অর্জন করতে পারবেন আইনজীবী পেশা বেছে নিলে।এডভোকেট এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে নিম্ন আদালতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, পরবর্তীতে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া যায়।

সেখানে কাজের ক্ষেত্র এতোই বিশাল যে আপনি স্পেশালাইজড ল প্র্যাকটিস বেছে নিতে পারন। এর পরে হতে পারেন আপীল বিভাগের সিনিয়র লইয়ার।পারিবারিক, দেওয়ানি, ফৌজদারি, রিট করা ছাড়াও আপনি চাইলে হতে পারেন ‘ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার’। হতে পারেন ‘কর্পোরেট লইয়ার’ অর্থাৎ, কন্ট্রাক্ট ল, কম্পানি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স, সিকিউরিটি ল, দেউলিয়া আইন, মেধাস্বত্ব- ট্রেডমার্কস- পেটেন্ট নিয়ে ল প্র্যাকটিস করতে পারেন।

অবারিত সুযোগ আছে পরিবেশ আইনজীবী ও এডমিরাল্টি লইয়ার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার। আইন বিষয়ে পড়েও বা অ্যাডভোকেট হয়েও যাদের আইন নিয়ে কাজ করতে ইচ্ছা কিন্তু কোর্টে যেতে অনীহা তাঁরা চাইলেই বিভিন্ন ল ফার্মে ‘In house Lawyer’ হিসেবে বিভিন্ন কম্পানির ডকুমেন্টেশন প্রস্তুত, লিগ্যাল অ্যাডভাইস দেওয়া, ফাইল তৈরি, মামলার ড্রাফট তৈরির কাজ করতে পারেন।

এর বাইরে বাংলাদেশে তেমন প্রচলন না থাকলেও সাইবার ক্রাইম, ইমিগ্রেশন, স্পোর্টস ও মিডিয়া আইনজীবী হিসেবে স্পেশালাইজড হলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও পেতে পারেন কাজের সুযোগ।

আইন পড়ে সুযোগ ও সম্ভাবনার লিস্টি লিখতে লিখতে আমার আসলে এখন হাত ব্যথা করছে। তাই ক্লান্ত হয়ে থামছি। কিন্তু যে একবার আইন পড়েছে তাঁর ক্যারিয়ার থেমে থাকার সুযোগ নাই। আইনের ডিগ্রি নিয়ে কেউ বেকার ঘুরে বেড়াচ্ছে- এটি প্রায় অবিশ্বাস্য ব্যাপার- বুঝে নিতে হবে সে আসলে ‘বেকার’ নয়- বিশ্রাম নিচ্ছে- নতুন ক্যারিয়ারে ঝাঁপিয়ে পড়ার !

পৃথিবী যতোদিন টিকে থাকবে- মানুষ বাড়বে, জমি কমবে, সম্পর্কগুলো জটিলতর হবে, মানুষে মানুষে গ্যাঞ্জাম লাগবে। জানেন তো, যেখানেই গ্যাঞ্জাম সেখানেই আইনের প্রয়োগ, আর যেখানেই আইনের প্রয়োগ- সেখানেই আইনের ডিগ্রিধারী !

তাই আইন পড়া জীবন- আদতেই একটা আলাদা জীবন। এ জীবন সবাই পায় না…!

Amicus Curiae

10/10/2022

ছন্দে মনে রাখুন মোঘল সম্রাটদের নাম:

"BHA! Jahangir SAB"

B= বাবর
H= হুমায়ূন
A= আকবর
Jahangir = জাহাঙ্গীর
S= শাহজাহান
A= আওরঙ্গজেব
B= দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ

অন্য একদিন উল্লেখিত সম্রাটদের ব্যাপারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো লিখে দিব যা বিভিন্ন পরীক্ষায় বার বার আসে।

07/10/2022

#নোবেল_পুরস্কার - ২০২২:
শান্তিতে (ঘোষণা: ০৭ অক্টোবর, ২০২২):
বেলারুশের মানবাধিকারকর্মী: আলেস বেলিয়াস্কি।
রাশিয়ার মানবাধিকার সংগঠন: মেমোরিয়াল।
ইউক্রেনের মানবাধিকার সংগঠন: সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিস।
---------------------
সাহিত্যে (ঘোষণা: ০৬ অক্টোবর, ২০২২):
অ্যানি আর্নাক্স (ফ্রান্স)
সাহস ও ব্যবচ্ছেদীয় প্রখরতার সমন্বয়ে ব্যক্তিগত স্মৃতির শেকড়, বিচ্ছিন্নতা ও সম্মিলিত সংযম উন্মোচন করার জন্য’
---------------------
রসায়নে (ঘোষণা: ০৫ অক্টোবর, ২০২২):
ক্যারোলিন আর বের্তোজি (যুক্তরাষ্ট্র)
মর্টেন মেলডাল (ডেনমার্ক)
কে. ব্যারি শার্পলেস (যুক্তরাষ্ট্র)
অবদান: ক্লিক কেমেস্ট্রি’ এবং ‘বায়োঅর্থোগনাল কেমেস্ট্রির’ উন্নয়নে ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরুপ।
---------------------
পর্দাথে (ঘোষণা: ০৪ অক্টোবর, ২০২২):
অ্যালাইন অ্যাসপেক্ট
জন এফ ক্লজার
অ্যান্টন জেলিঙ্গার
---------------------
চিকিৎসায় (ঘোষণা: ০৩ অক্টোবর, ২০২২):
সোয়ান্তে প্যাবো (সুইডেন)

21/09/2022

🏀🥎এক নজরে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২২ (৬ষ্ঠ আসর) :
♦️আয়োজক দেশ- নেপাল।
♦️সময়কাল- (৬- ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২)।
♦️অংশগ্রহণকারী দল- ৭টি (নেপাল, ভুটান, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা)।
♦️ফলাফল- ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার শিরোপা জয় করে বাংলাদেশ।স্মরণীয় এই জয়ে দলের পক্ষে প্রথম গোল করেন- শামসুন্নাহার।পরের দুটি গোল করেন- কৃষ্ণা রানী সরকার।
♦️টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন- সাবিনা খাতুন (অধিনায়ক, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দল)।
♦️সর্বোচ্চ গোলদাতা- সাবিনা খাতুন (বাংলাদেশ) ; ৮টি গোল।
♦️সেরা গোলকিপার- রূপনা চাকমা (বাংলাদেশ)।৫ ম্যাচে তার বিপক্ষে গোল হয়েছে মাত্র ১টি।
♦️ফেয়ার প্লে পুরস্কার পায়- বাংলাদেশ।
N.B- সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ী দেশ- ভারত (৫ বার)।

16/09/2022

১) রক্ষীবাহিনীর অজানা অধ্যায় - কর্নেল সারোয়ার হোসেন মোল্লা (অবঃ)
২) পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - সেলিনা হোসেন
৩)শেখ মুজিব আমার পিতা - শেখ হাসিনা
৪) দ্য স্পাই - পাওলো কোয়েলহো
৫) দ্যা আল কেমিস্ট - পাওলো কোয়েলহো
৬) ইহুদী জাতির ইতিহাস - আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
৭) অ্যানিমেল ফার্ম - জর্জ অরওয়েল
৮) অপারেশন বাহামা আইল্যান্ড - রকিব হাসান
৯) তাহরীর স্কয়ার - মোহাঃ জিল্লুর রহমান হাশেমী
১০) বাই দ্য রিভার পিদরা, আই সেট ডাউন এন্ড উইপ্ট - পাওলো কোয়েলহো
১১) এলিভেন মিনিটস - পাওলো কোয়েলহো
১২) মার্চেন্ট অফ ভেনিস - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৩) ব্রাইডা - পাওলো কোয়েলহো
১৪) সিম্ বেলিন - উইলিয়াম শেক্সপয়র
১৫) কাকতাড়ুয়া - সেলিনা হোসেন
১৬) বহিপীর(নাটক) - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১৭) কোরিওলেনাস - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৮) ১৯৭১ ভেতরে বাইরে- সত্যের সন্ধানে- নাজমুল আহসান শেখ
১৯) বায়ান্নর কারাগার - ফজলুল করিম
২০) ডাকঘর (নাটক) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২১) যুদ্ধে যাওয়া দশ যুবকের গল্প - মোজাম্মেল হক সজল
২২) দীপু নাম্বার টু - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
২৩) মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি - মো: জয়নাল আবেদীন
২৪) বাংলাদেশের সাত বীরশ্রেষ্ঠ - বাদল চৌধুরী
২৫) মধ্যবিত্ত - কিঙ্কর আহসান
২৬) জেনারেল ও নারীরা - আনিসুল হক
২৭) বাঘবন্দি মিসির আলি - হুমায়ূন আহমেদ
২৮) আলো - আঁধারের যাত্রী - আনিসুল হক
২৯) অন্যভুবন - হূমায়ূন আহমেদ
৩০) ছেলেদের মহাভারত - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরি
৩১) পাতালে হাসপাতালে - হাসান আজিজুল হক
৩২) নন্দিত নরকে - হুমায়ূন আহমেদ
৩৩) হরতন ইশকাপন - হুমায়ূন আহমেদ
৩৪) শঙ্খনীল কারাগার - হুমায়ূন আহমেদ
৩৫) ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ - ফরিদূর রেজা সাগর
৩৬) বকুলাপ্পু - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৩৭) বসন্ত বিলাপ - হুমায়ূন আহমেদ
৩৮) পোকা - হুমায়ূন আহমেদ
৩৯) দুর্ধুর্ষু গোয়েন্দা - শাহআলম সাজু
৪০) রূপ - ইমদাদুল হক মিলন
৪১) আয়না দেখার বয়স - ইমদাদুল হক মিলন
৪২) সে - আনিসুল হক
৪৩) প্রতিসরণ (নাটক) - তৌকির আহমেদ
৪৪) বিক্ষোভের দিনগুলিতে প্রেম - আনিসুল হক
৪৫) দুঃস্বপ্নের দ্বিতীয় প্রহর - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৪৬) অপূর্ব এক দোয়েল পাখি - ইমদাদুল হক মিলন
৪৭) আর কতদিন - জহির রায়হান
৪৮) শেষ বিকেলের মেয়ে - জহির রায়হান
৪৯) মেমসাহেব - নিমাই ভট্টাচার্য
৫০) ভয় - হুমায়ূন আহমেদ
৫১) আত্নজা ও একটি করবী গাছ - হাসান আজিজুল হক
৫২) কবর (নাটক) - মুনীর চৌধুরি
৫৩) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় - সৈয়দ শামসুল হক
৫৪) কয়েকটি মৃত্যু - জহির রায়হান
৫৫) রক্তাক্ত প্রান্তর (নাটক) - মুনীর চৌধুরি
৫৬) অবরোধ বাসিনী - বেগম রোকেয়া সাখাওত হোসেন
৫৭) কাঁদো নদী কাঁদো - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
৫৮) গ্রীস দেশের রূপকথা - আহসানুল হক
৫৯) দামেস্কের কারাগারে - এনায়েতুল্লা আলতামাস
৬০) গাভী বিত্তান্ত - আহমদ সফা
৬১) স্বপ্নের দেশ ও অন্যান্য - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৬২) যুবক জীবন - ডা. লুৎফর রহমান
৬৩) পথহারা - ডা. লুৎফর রহমান
৬৪) ককেশাসের বন্দি - লিও টলস্টয়
৬৫) উন্নত জীবন - ডা. লুৎফর রহমান
৬৬) মানব জীবন - ডা. লুৎফর রহমান
৬৭) SURRENDER AT DACCA: BIRTH OF A NATION - Lt Gen JFR Jacob
৬৮) শিরকের বাহন - ড. ইব্রাহীম বিন মুহাম্মদ আল বুরায়কান
৬৯) কাশ্ ফুশ্ শুবহাত (সংশয় নিরশন) - শায়খ মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহ্হাব (রহঃ)
৭০) Sultana's Dream - Begum Rokeya
৭১) জিয়াউর রহমান, আচ্ছাদিত ইতিহাস - ড. আবদুল লতিফ মাসুম
৭২) Bangladesh: The Unfinished Revolution - Lawrence Lifschultz
৭৩) প্রীতি উপহার - ডা. লুৎফর রহমান
৭৪) একুশে ফেব্রুয়ারি - জহির রায়হান
৭৫) তৃষ্ণা - জহির রায়হান
৭৬) নিষিদ্ধ লোবান - সৈয়দ শামসুল হক
৭৭) জমিদার দর্পণ (নাটক) - মীর মোফারফ হোসেন
৭৮) আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী - আনিসুল হক
৭৯) উইংস অফ ফায়ার - এ পি যে আবদুল কালাম
৮০) নুরুলদীনের সারাজীবন - সৈয়দ শামসুল হক
৮১) পালামৌ - সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৮২) নীল দর্পণ (নাটক) - দীনবন্ধু মিত্র
৮৩) দ্য আর্ট অব ওয়ার - সানজু
৮৪) কিছু কথা কিছু ব্যাথা - লেঃ কর্নেল (অবঃ) শরীফুল হক ডালিম
৮৫) বাংলাদেশঃ রক্তাক্ত অধ্যায় - বিগ্রেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন
৮৬) তাওহীদ পুনরুদ্ধার - মুহাঃ আবদুল্লা আল কাফী
৮৭) নাঙ্গা তলোয়ার(১ম খন্ড) - এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
৮৮) এক জেনারেলের নীরব সাক্ষ্য: স্বাধীনতার প্রথম দশক - মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন চৌধুরি (অবঃ)
৮৯) দগ্ধ দিনের গল্প - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৯০) নাঙ্গা তলোয়ার(২য় খন্ড) - এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
৯১) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকার গোপন দলিল - আসিফ রশীদ
৯২) Kashmir: Happy Valley, Valley of Death - William W. Baker
৯৩) Blood Beaten Track - Ahmad Salim
৯৪) Train to Pakistan - Khushwant Singh
৯৫) ডেটলাইন বাংলাদেশ: নাইন্টিন সেভেন্টিওয়ান - সিডনি শনবার্গ
৯৬) Refuting The Fallacies of Saddam - Abu Bakar Hamzah J.P.
৯৭) দ্যা রেইপ অব বাংলাদেশ - অ্যান্থনী মাসকারেণহাস
৯৮) Indian's Muslim Problem - V.T. Rajshekar
৯৯) ৩ নভেম্বর জেল হত্যার পূর্বাপর - শারমীন আহমদ
১০০) Theft of A Nation - William W. Baker
১০১) কাকারু - হূমায়ন আহমেদ
১০২) বঙ্গভবনে মোস্তাকের ৮১ দিন - আবু আল সাঈদ
১০৩) কৈফিয়ত ও কিছু কথা - মেজর (অবঃ) এম এ জলিল
১০৪) ঘুরে এলাম ইরান - হাফেজা আসমা খাতুন
১০৫) ফিলিস্তিন মুক্তির সংগ্রাম - নজমুল হক ও আবদুস সালাম
১০৬) Kashmir Suffers - Tarik Jan ( A sordid tale told by Western and Indian journalist)
১০৭) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের ইতিকথা আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা - বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম. সাখাওয়াত হোসেন (অব.)
১০৮) অপারেশন আলেপ্পো - এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
১০৯) প্রেম যুদ্ধ - এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
১১০) সিংহশাবক - এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
১১১) দি অটোমান সেঞ্চুরিস: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব দ্য তার্কিশ এম্পায়ার - লর্ড কিনরস
১১২) The Old Man and the Sea - Ernest Hemingway
১১৩) অলী - আওলীয়ার অসীলা ধরার বিধান - আল্লামাহ ইবনে বায (রাহিঃ)
১১৪) কাশ্মীর: ইতিহাস ও রাজনীতি - জাকারিয়া পলাশ
১১৫) বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর - তারেক শামসুর রেহমান
১১৬) নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও সমকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতি - তারেক শামসুর রেহমান
১১৭) UNIFICATION OF SAUDI ARABIA: A HISTORICAL NARRATIVE - Saifuddin H. Shaheen Saifuddin H. Shaheen
১১৮. বঙ্গবীর উসমানীর সঙ্গে কথোপকথন - মেজর মোঃ মোখলেছুর রহমান (অব.)
১১৯. অভিশপ্ত ইহুদী জাতির বেঈমানীর ইতিহাস - এ.বি.এম.এ খালেক মজুমদার
১২০) আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট - আহমেদ রিয়াজ
১২১) হয়তো কেউ এসেছিল - সুমন্ত আসলাম
১২২) অবাক সেনাপতি - মোশাররফ হোসেন খান
১২৩) বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ (সাঃ) - ড. হিশাম আল-আওয়াদি
১২৪) আনন্দ এক্সপ্রেস - মোস্তফা মামুন
১২৫) যতদূর থাকো ফের দেখা হবে - আনিসুল হক
১২৬) আল আকসা মসজিদের ইতিকথা - এ.এন.এম সিরাজুল ইসলাম
১২৭) Brahminical Conspiracy Behind Masjid Demolition - M. Gopinath
১২৮) কিশোরসমগ্র - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১২৯) মালঞ্চ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [নীরজা, সরলা, আদিত্য]
১৩০) একাত্তারের চিঠি
১৩১) দুই বোন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [শর্মিলা, শশাঙ্ক, ঊর্মি, নীরদ]
১৩২) অলিভার টুইষ্ট - চার্লস্ ডিকেন্স
১৩৩) পদ্মানদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১৩৪) মিম্বার ম্যাগাজিন পঞ্চম সংখ্যা
১৩৫) ১৯৭১ - হুমায়ূন আহমেদ
১৩৬) সূর্যের দিন - হুমায়ূন আহমেদ
১৩৭) A Tale of Two Cities - Charles Dickens
১৩৮) Wives of the Mohammad Prophet (Sm) & Wisdom of Polygamy - Abdul Ghany Abdul Rahman Mohammad
১৩৯) রাজবন্দীর জবানবন্দি - কাজী নজরুল (প্রবন্ধ)
১৪০) রুদ্রমঙ্গল - কাজী নজরুল ইসলাম (প্রবন্ধ)
১৪১) বাঁধনহারা - কাজী নজরুল ইসলাম
১৪২) ক্রীতদাসের হাসি - শওকত ওসমান
১৪৩) আন্দালুসিয়ার সমুদ্রসৈকত - এনায়েতুল্লা আলতামাশ
১৪৪) শ্যামল ছায়া - হুমায়ূন আহমেদ
১৪৫) নির্বাসন - হুমায়ন আহমেদ
১৪৬) দ্যা ক্রসিং - সামার ইয়াজবেক
১৪৭) প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস - জেন অস্টেন
১৪৮) নবীদের কাহিনী [১] - মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল - গালিব
১৪৯) ইসলামে প্রতিবেশীর অধিকার - ড. মুহাম্মাদ কাবীরুল ইসলাম
১৫০) প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ (১) - আরিফ আজাদ
১৫১) আমার দেখা নয়াচীন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
১৫২) Game Changer - Shahid Afridi
১৫৩) ফাঁসি (গল্প) - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১৫৪) কবি - তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
১৫৫) অলস ওয়েল দ্যাট এন্ডস ওয়েল - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৫৬) প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ (২) - আরিফ আজাদ
১৫৭) বেলা ফুরাবার আগে - আরিফ আজাদ
১৫৮) নামাযে কিভাবে মনোযোগী হবেন - মুহাম্মদ গোলাম মাওলা
১৫৯) নবীদের কাহিনী (২) - মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
১৬০) The Balfour Declaration: Empire, the Mandate and Resistance in Palestine - ( ৯৩ page)
১৬১) যুক্তিফাঁদে ফড়িং - চমক হাসান
১৬২) হৃদয়ের কাছাকাছি - শাহআলম সাজু
১৬৪) হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টুভাই - হুমায়ূন আহমেদ
১৬৫) ম্যাসেজ: আধুনিক মননে দ্বীনের ছোঁয়া - মিজানুর রহমান আজহারি
১৬৬) স্পাই স্টোরিজ: এসপিওনাজ জগতের অবিশ্বাস্য কিছু সত্য কাহিনী - মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
১৬৭) মা, মা, মা এবং বাবা - আরিফ আজাদ
১৬৮) ক্রাইম এণ্ড পানিশমেন্ট - ফিয়োডোর ডস্টয়েভস্কি
১৬৯) কুরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা - ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
১৭০) পিএইচডির গল্প - আসিফ নজরুল
১৭১) জীবন যেখানে যেমন - আরিফ আজাদ
১৭২) ফিলিস্তিন: বেচেঁ থাকার লড়াই - ড. রাগিব সারজানি
১৭৩) আমরা আবরাহার যুগে নই - ড. রাগিব সারজানি
১৭৪) প্রেসিডেন্ট মুরসি: আরব বসন্ত থেকে শাহাদাত
১৭৫) বিচারক - তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
১৭৬) কোটা - ইমরান মাহমুদ
১৭৭) সিক্রেটস অফ জায়োনিজম: বিশ্বব্যাপী জায়োনিস্ট ষড়যন্ত্রের ভেতর-বাহির - হেনরি ফোর্ড
১৭৮) চাদেঁর পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৭৯) কনে দেখা (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৮০) আইনস্টাইন ও ইন্দুবালা (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৮১) অভিশপ্ত (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৮২) খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) এর ১০০ ঘটনা - কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক
১৮৩) দ্যা উইন্টার'স টেল (কমেডি) - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৮৪) আ মিডসামার নাইট'স ড্রিম (কমেডি) - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৮৫) অ্যাজ ইউ লাইক ইট (কমেডি) - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৮৬) দ্যা জেন্টলমেন অব ভেরেনা (কমেডি) - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৮৭) দ্যা মেরি ওয়াইভস অফ উইন্তসর (কমেডি) - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৮৮) উপেক্ষিত (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৮৯) অভিনন্দনসভা (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯০) খেলা (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯১) সুহাসিনী মাসিমা (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯২) হ্যামলেট, প্রিন্স অফ ডেনমার্ক (ট্রাজেডি) - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৯৩) বেদেনী (গল্প) - তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯৪) ম্যাকবেথ (ট্রাজেডি) - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৯৫) জুলিয়াস সিজার (ট্রাজেডি) - উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১৯৬) দেনাপাওনা (গল্প) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৯৭) গিন্নি (গল্প) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৯৮) পোস্টমাস্টার (গল্প) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৯৯) প্রাগৈতিহাসিক (গল্প) - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
২০০) একান্নবর্তী (গল্প) - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
২০১) ইসলামে নারী - ৪৩ পেজ
২০২) রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা (গল্প) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২০৩) সম্পত্তি - সমর্পন (গল্প) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২০৪) জাল (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
২০৫) যাত্রাবদল (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
২০৬) প্রোগ্রামার (গল্প) - জাফর ইকবাল
২০৭) একটি গহিন গ্রাম (গল্প) - জাফর ইকবাল
২০৮) যাকে ঘুষ দিতে হয় (গল্প) - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
২০৯) রোমান্স (গল্প) - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
২১০) অনুপমার প্রেম (গল্প) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২১১) হরিচরণ (গল্প) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২১২) মামলার ফল (গল্প) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২১৩) দাদু (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
২১৪) ব্যবধান (গল্প) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২১৫) জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খন্ড) - ডঃ খোন্দকার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাঃ)
২১৫) জিজ্ঞাসা ও জবাব (২য় খন্ড) - ডঃ খোন্দকার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাঃ)
২১৬) লস্ট ইসলামিক হিস্ট্রি - ফিরাস আল খতিব
২১৭) পুতুল নাচের ইতিকথা - (হারু, শশী, গোবর্ধন
২১৮) 1971: A People's History from Bangladesh, Pakistan and India - Anam Zakaria
২১৮) প্রোডাক্টিভ মুসলিম - মোহাম্মদ ফারিস
২১৯) আদর্শ হিন্দু হোটেল - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
[বেচু চক্কতি, পদ্মঝি, হাজারি, বংশি, অতসী, টেপি[আশালতা], নরেন,কুসুম, সুবাসিনী, যতীন মজুমদার,]
২২০) অশনি - সংকেত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
২২১) এ ষ্টাডি ইন স্কারলেট - শার্লক হোমস
২২২) দ্যা সাইন অফ ফোর - শার্লক হোমস
২২৩) যাত্রাবদল (গল্প) - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
২২৪) নুনকি একটি তারার নাম: নাবিকের সমুদ্রযাত্রা - ক্যাপ্টেন শামস উজ জামান
২২৫) উমাইয়া খিলাফতের ইতিহাস (প্রথম খন্ড) - ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি
২২৬) রক্তে আকাঁ ভোর - আনিসুল হক
২২৭) মিস্টরিয়াস আইল্যান্ড - জুল ভার্ন
২২৮) সিটি ইন দ্যা সাহারা - জুল ভার্ন
২২৯) সিক্রেট অফ উইলহেম স্টোরিজ - জুল ভার্ন
২৩০) উধাও - আসিফ নজরুল
২৩১) মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর: একটি নির্দলীয় ইতিহাস - গোলাম মুরশিদ
২৩১) বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডঃ সামরিক ও গোয়েন্দা ব্যর্থতার প্রামাণ্য দলিল - জাহিদ নেওয়াজ খান
২৩২) সাইমন ড্রিং ও অন্যান্যের একাত্তর - রাহাত মিনহাজ - রাহাত মিনহাজ
২৩৩) বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড কী চেয়েছিল ভুট্টোর পাকিস্তান? - রাহাত মিনহাজ
২৩৪) তিতাস একটি নদীর নাম - অদ্বৈত মল্লবর্মণে
২৩৫) রবিনসন ক্রুসো - ড্যানিয়েল ডিফো

12/09/2022

‘১১তম ইন্টারপা সম্মেলন’
সময়কাল: ১২ - ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২।
অনুষ্ঠিত হচ্ছে: ঢাকা, বাংলাদেশ।

প্রতিপাদ্য: ডিজিটালাইজেশন ইন পুলিশিং।

অংশগ্রহণ: ৪৫টি দেশের ১২৭ জন প্রতিনিধি।

ইন্টারপা সম্মেলন কি?
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশ প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমির প্রধানদের নিয়ে গঠিত হয় ইন্টারপা।

উদ্দেশ্য: বিভিন্ন দেশের পুলিশের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে আন্তসম্পর্ক বৃদ্ধি, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়।

সদস্য: ৫৯টি দেশের ৭৬টি পুলিশ প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি বা প্রতিষ্ঠান।

সদর দফতর: আঙ্কারা, তুরস্ক (প্রতিষ্ঠাকাল: ২ জুলাই, ২০১১)।

10/09/2022

#স্বাস্থ্যকথা

★ সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব? মুক্তির উপায় জেনে নিন ★

মাঝেমধ্যে আমরা লক্ষ্য করে থাকি সবসময় আমাদের ঘুম আসছে। শরীরে ক্লান্তি অনুভব হচ্ছে। যদি তাই হয় তাহলে আগেই সতর্ক হওয়া দরকার। কি কারণে ঘুম আসছে প্রথমে সে উত্তর খুঁজে বের করুন। আমাদের বুঝতে হবে যে আমাদের শরীরের সব কিছু সহ্য করার ক্ষমতা নেই। আপনি যদি এমন কিছু করেন যা প্রয়োজনীয় সীমা ছাড়িয়ে যায় তবে আপনি ক্লান্তিবোধ করবেন এবং সারাদিন আপনার ঘুম আসবে। অনেক গবেষণা পর বিশেষজ্ঞরা সবসময় ঘুম আসার ৮টি কারণ খুঁজে বের করেছেন।

▫️ডায়েট স্বাস্থ্যকর না: স্বাস্থ্যকর ডায়েট না হওয়ার অর্থ আপনি সালাদ এবং সিদ্ধ খাবারের প্রতি জোর দিচ্ছেন না। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হল আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি রয়েছে। যেমন প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর কার্বস, ভিটামিন, খনিজ ইত্যাদি। এছাড়াও, সঠিক সময়ে খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। কারণ ভারী রাতের খাওয়ার পরে অস্বস্তি বোধ হয় এবং এতে করে ঘুম আসে না এবং পরেরদিন আপনার ঘুম আসবে।

▫️ওজন বেড়ে যাওয়া: অতিরিক্ত ওজন হওয়ায় ক্লান্তি ও অবসন্নতা দেখা দেয়, যার কারণে সবসময় আপনার মাথা ঘুরে ওঠে। আপনার ওজন আপনার পেশী এবং জয়েন্টগুলিকেও চাপ দেয় এবং ব্যাথা হয়। স্লিপ হেলথ জার্নালটির গবেষণা অনুসারে ঘুম এবং ওজন সরাসরি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। এজন্য ঘুম জরুরী।

▫️ঘুমের ধরণ: আপনি ঠিক সময়ের বেশি ঘুমোচ্ছেন, আপনি রুটিন এড়িয়ে যাচ্ছেন, আপনার শরীরের ঘড়িটি সামঞ্জস্য করবে না। আপনি কখনই এভাবে বেশি ঘুমাতে পারবেন না। অতএব আপনি নিজের দিনটি এমনভাবে পরিকল্পনা করুন যাতে আপনার ঘুম পরিপূর্ণ হয়। সর্বোচ্চ আট ঘন্টা আপনি ঘুমান।

▫️আপনার পেশী ক্লান্ত: যাদের ডেস্ক জব নেই এবং কঠোরভাবে প্রতিটি দিনই ব্যায়াম হয় না, আপনার জন্য সংবাদ আছে। আপনার সক্রিয় জীবনধারা আপনাকে খুব বেশি সহায়তা করবে না, কারণ এটি আপনাকে উত্সাহিত করার পরিবর্তে ক্লান্ত করে তুলছে। অতিরিক্ত ব্যায়াম করা আপনার পেশীগুলিকে অপ্রয়োজনীয় চাপ দেয় যা আপনাকে ক্লান্ত ও দুর্বল করে তোলে। এতে করে ঘুম আসে সবসময়।

▫️খাবার এড়ানো: যদি আপনি আপনার খাবার এড়িয়ে চলেন এবং অনাহারে থাকেন তবে আপনি সব সময় নিদ্রাহীন বোধ করতে বাধ্য। ক্ষুধা আপনার শরীরকে শিথিল হতে দেয় না এবং হরমোনগুলো প্রকাশ করে যা আপনাকে বিরক্ত করে তোলে, যার কারণে আপনার ঘুম খারাপ হয়।

▫️শরীরকে পর্যাপ্ত পরিমাণে হাইড্রেট করছেন না: যদি আপনার শরীর হাইড্রেটেড হয় তবে এটি আপনাকে আপনার দেহের শক্তির স্তর বজায় রাখতে সহায়তা করে। ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে সামান্য ডিহাইড্রেশন শক্তির স্তর হ্রাস করতে পারে এবং এতে করে স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব পরে।

▫️অতিরিক্ত রিফাইনড ফুড খাওয়া: রিফাইনড ফুডে অনেক চিনি থাকে এবং এতে শরীরে শক্তিও যোগায়। তবে এই শক্তি স্থায়ী হয় না বেশি এবং আপনার ক্লান্তিবোধ অনুভব হবে।

▫️মানসিক চাপ: মানসিক চাপ কেবল মানসিক অবসন্নতায় ডেকে আনে না, তবে শারীরিক ক্লান্তিও বটে। আন্তর্জাতিক গবেষণা জনস্বাস্থ্যের জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে স্ট্রেস আপনার ঘুম কমিয়ে দেয়, যা পরের দিন আপনার ঘুম ঘুম লাগে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

10/09/2022

#জেনে_রাখা_ভাল:
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ঢাকা সফর করেন - ২ বার।

প্রথমবার: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬১
তার জন্য নির্মিত বাসভবনটি ই বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

দ্বিতীয়বার: ১৪ নভেম্বর, ১৯৮৩।
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এই সফরে স্মৃতিবিজড়িত বৈরাগীরচালা গ্রাম সফর করেন। গ্রামটি গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত।

ব্রিটেনের জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন:
ব্রিটেনের জাতীয় সংগীতে ‘গড সেইভ দ্য কুইন’ গাওয়া হত, রানির মৃত্যুর পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান তৃতীয় চার্লসকে স্মরণ করে জাতীয় সংগীতে গাওয়া হবে ‘গড সেইভ দ্য কিং’।

//শরিফুল ইসলাম আলাল//

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka