জনতা ব্যাংকের ২০১১ ব্যাচ ও ২০২১ ব্যাচের পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের হতাশা ও ক্ষোভ
জনতা ব্যাংকের ২০১১ ও ২০২১ ব্যাচের পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, দীর্ঘদিন চাকরি করার পরও তারা প্রত্যাশিত পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
২০২১ ব্যাচের কর্মকর্তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালে, চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয় ২০১৯ সালে এবং করোনা মহামারির কারণে তাদের যোগদান সম্পন্ন হয় ২০২১ সালের জানুয়ারিতে। ফলে তারা ২০২১ সালের পূর্ণ বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) পাননি। পরবর্তীতে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ কাট-অফ তারিখ অনুযায়ী তারা প্রথম পদোন্নতির জন্য যোগ্যতা অর্জন করেন। কিন্তু ২০১৯ সালের সুপারনিউমেরারি পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ার কারণে তাদের পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। বর্তমানে এখনও ১,০৭৫ জন সুপারনিউমেরারি কর্মকর্তা রয়েছেন, যাদের নিয়মিতকরণের পরই নতুন পদোন্নতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ২০২১ ব্যাচের কর্মকর্তারা পদোন্নতি বঞ্চিত হয়ে হতাশায় ভুগছেন।
অন্যদিকে ২০১১ ব্যাচের প্রায় ১,২০০ কর্মকর্তা চাকরিতে ১৫ বছর অতিক্রম করলেও এখনও নিয়মিত পদোন্নতির সুযোগ পাননি। উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা, ব্যাংকিং ডিপ্লোমা, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেও তারা বারবার পদোন্নতির ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হওয়ার অভিযোগ করছেন। তাদের অনেকেই শাখার দ্বিতীয় কর্মকর্তা, ক্যাশ ইনচার্জ, ফরেন এক্সচেঞ্জ ও ঋণ বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সমসাময়িক সময়ে অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে যোগদানকারী কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার বা তারও উচ্চ পদে উন্নীত হয়েছেন, অথচ জনতা ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তা এখনও প্রত্যাশিত পদে পৌঁছাতে পারেননি। এর ফলে পেশাগত ও সামাজিকভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছেন এবং কর্মস্পৃহাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তারা দ্রুত বৃহৎ পরিসরে পদোন্নতি প্রদান, অর্গানোগ্রাম সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘদিনের পদোন্নতি জট নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এতে কর্মকর্তাদের হতাশা দূর হবে, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
বিসিএস এবং ব্যাংকজব
প্রথম শ্রেনী চাকুরি পাওয়ার প্রস্তুতির জন্য আমরা আছি ।সকল চাকুরির নিয়োগবিজ্ঞোত্তি। বিসিএস ব্যাংক
অভিন্ন পদোন্নতি নীতিমালায় সব ব্যাংকের অভিন্ন প্রমোশন শিডিউল বা ক্যালেন্ডার চাই
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল একটি অভিন্ন পদোন্নতি নীতিমালা, যা পদোন্নতি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, সমতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করবে। সেই প্রত্যাশার প্রেক্ষিতে ৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অভিন্ন পদোন্নতি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, নীতিমালাটি প্রণয়নের পরও পদোন্নতি ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত অভিন্নতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; বরং বিভিন্ন ব্যাংকে পদোন্নতির সময়সূচি ও কার্যকারিতা নিয়ে নতুন ধরনের বৈষম্য ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
নীতিমালায় পদোন্নতির যোগ্যতা, কাট-অফ ডেট ও অন্যান্য বিষয় উল্লেখ থাকলেও কোন ব্যাংক কখন পদোন্নতি দেবে, তার জন্য কোনো বাধ্যতামূলক প্রমোশন ক্যালেন্ডার বা অভিন্ন শিডিউল নির্ধারণ করা হয়নি। এমন কি একটি অভিন্ন তারিখে পদোন্নতি কার্য্কর করার কোন নিদের্শনা নেই।ফলে একটি কাট-অফ ডেট অতিক্রান্ত হওয়ার পরও অনেক কর্মকর্তা মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর পদোন্নতির অপেক্ষায় থাকেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, কিছু ব্যাংক ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ ভিত্তিক পদোন্নতি সম্পন্ন করেছে, আবার কিছু ব্যাংক এখনো সব গ্রেডে সেই পদোন্নতি প্রদান করতে পারেনি। সর্বশেষ ১৭ জুন ২০২৬ তারিখে সোনালী ব্যাংক ৯০৪ জন কর্মকর্তাকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ কাট-অফ ডেট ভিত্তিক পদোন্নতি দিয়েছে। অথচ জনতা ব্যাংকে এখনো ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ ভিত্তিক পদোন্নতি সব গ্রেডে সম্পন্ন হয়নি। এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ কাট-অফ ডেটও ইতোমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে। কিছু ব্যাংক ওই ভিত্তিতেও পদোন্নতি দিয়েছে, আবার অনেক ব্যাংক এখনো সে প্রক্রিয়া শুরু করেনি।
প্রশ্ন হচ্ছে, একই নীতিমালার আওতায় পরিচালিত ব্যাংকগুলোর মধ্যে এত বৈষম্য কেন থাকবে? যদি নীতিমালা সত্যিকার অর্থে অভিন্ন হয়, তাহলে পদোন্নতির সময়সূচিও অভিন্ন হওয়া উচিত। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, একেক ব্যাংক একেক সময়ে, একেক তারিখে পদোন্নতি কার্যকর করছে। এর ফলে আন্তঃব্যাংক সিনিয়রিটি নির্ধারণে জটিলতা ও সংঘাত সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
উদাহরণস্বরূপ, একই ব্যাচের কর্মকর্তারা যদি একই বছরে পদোন্নতি পান, কিন্তু কোনো ব্যাংকে তা ফেব্রুয়ারিতে কার্যকর হয়, অন্য ব্যাংকে মে মাসে, আবার কোথাও জুন বা অক্টোবরে, তাহলে পরবর্তীতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে। একই যোগ্যতা ও একই সময়ে পদোন্নতির উপযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও কেবল কার্যকর হওয়ার তারিখের পার্থক্যের কারণে একজন কর্মকর্তা অন্যজনের তুলনায় জ্যেষ্ঠ বা কনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। এটি ন্যায়সংগত নয় এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতার জন্ম দিতে পারে।
শুধু সময়সূচির অসামঞ্জস্য নয়, নীতিমালার বিভিন্ন ধারা ও প্রয়োগ পদ্ধতিতেও অস্পষ্টতা ও বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে। ফলে অভিন্নতার নামে কার্যত ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। একটি অভিন্ন নীতিমালা তখনই কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হবে, যখন তা সকল ব্যাংকে একই নিয়মে, একই সময়ে এবং একই মানদণ্ডে বাস্তবায়িত হবে।
এ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে অভিন্ন পদোন্নতি নীতিমালায় বাধ্যতামূলক অভিন্ন প্রমোশন ক্যালেন্ডার অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে যোগ্যতার তালিকা প্রণয়ন, পদোন্নতি বোর্ড সম্পন্ন, পদোন্নতি আদেশ জারি এবং কার্যকর করার তারিখ নির্ধারণ করতে হবে। একই কাট-অফ ডেটের জন্য সব ব্যাংকে একই দিনে পদোন্নতি কার্যকর করার ব্যবস্থা না থাকলে অভিন্ন নীতিমালার মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সমতা, ন্যায়বিচার ও জ্যেষ্ঠতার স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে এই বৈষম্য দূর করা এখন সময়ের দাবি। অভিন্ন পদোন্নতি নীতিমালাকে সত্যিকার অর্থে অভিন্ন করতে হলে অবিলম্বে অভিন্ন প্রমোশন শিডিউল বা ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করতে হবে। অন্যথায় বৈষম্য, অসন্তোষ ও সিনিয়রিটি সংঘাত আরও প্রকট হবে। আর এসব অসঙ্গতি ও বৈষম্য দূর করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিকল্প নেই। একটি ন্যায্য, স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন পদোন্নতি ব্যবস্থার জন্য এখনই সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হওয়ার সময়।
মূল বেতনের সমপরিমাণ উৎসাহ ভাতা পেতে যাচ্ছেন ব্যাংকাররা
ব্যাংক কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য শর্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ উৎসাহ বোনাস (ইনসেনটিভ বোনাস) দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর ১২ অনুযায়ী তফসিলি ব্যাংকগুলোকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুকূলে উৎসাহ বোনাস প্রদানের আগে কিছু শর্ত পরিপালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো বছরে ওই শর্ত অনুযায়ী উৎসাহ ভাতা প্রাপ্য না হলেও সংশ্লিষ্ট বছরে ব্যাংক কোম্পানির বিশেষ কোনো অর্জন বিবেচনায় পরিচালনা পর্ষদ সর্বোচ্চ এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ উৎসাহ বোনাস হিসেবে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবে।
11/06/2026
পহেলা জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো চালু হবে
11/06/2026
বাংলাদেশ ব্যাংক এর ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে রাষ্ট্রায়াত্ব ০৬ টি ব্যাংকে মোট ১৩৩৫ অফিসার (ক্যাশ) পদে যথা রূপালী ব্যাংক পিএলসি -৭৭২ টি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি -৪০০ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক -১২৭ টি সহ অফিসার" (ক্যাশ) পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে।।
09/06/2026
সমন্বিত ব্যাংক সার্কুলার
সিনিয়র অফিসার (সাধারণ)
আবেদনের শেষ সময়: ২১/০৬/২০২৬
আমার বাবাকে খু*ন করার অভিযোগে আমার মা,কে ফাঁ*সির আদেশ দেওয়া হয়েছিল। ছয় বছর ধরে সবাই বিশ্বাস করত, তিনিই অপরাধী।মায়ের কথা কেউ বিশ্বাস করে নি যে আমার নির্দোষ, সব প্রমাণ মায়ের বিরোদ্ধে ছিলো। কিন্তু ফাঁ*সি হওয়ার মাত্র পাঁচ মিনিট আগে, আমার ছোট ভাই এমন একটা কথা বলল—যেটা মুহূর্তের মধ্যে পুরো সত্যিটা বদলে দিল।
“মা, শান্ত গলায় বললেন, আমার জন্য কাঁদিস না,”
“শুধু তোর ছোট ভাই রাফির খেয়াল রাখিস।”
তখন আমার বয়স সতেরো।
সেদিন রাতে বাবাকে রান্নাঘরে মৃ*ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। বুকের মধ্যে ছু*রির আ*ঘাত। ঘরে জোর করে ঢোকার কোনো চিহ্ন ছিল না। আর যে ছুরিটা দিয়ে খু*ন করা হয়েছিল, সেটা পাওয়া যায় মায়ের বিছানার নিচে।
ছু*রিতে ছিল মায়ের আঙুলের ছাপ। তার কাপড়েও র*ক্ত লেগে ছিল।
সবাই খুব সহজেই বলে দিয়েছিল—
“খু*নটা নীলা করেছে।”
আমি কখনো মুখে কিছু বলিনি। কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমিও মাকে সন্দেহ করতে শুরু করেছিলাম। আর সেই অপরাধবোধ আমাকে প্রতিদিন কষ্ট দিত।
এই ছয় বছরে মা জেল থেকে অনেক চিঠি পাঠিয়েছিলেন।
“আমি এটা করিনি, মা।”
“আমি কখনো তোমাদের বাবার ক্ষতি করতে পারতাম না।”
“একবার অন্তত আমাকে বিশ্বাস করো।”
আমি সব চিঠি পড়তাম। কিন্তু কোনো উত্তর দিতে পারতাম না।
কারণ সন্দেহ খুব ভয়ং*কর একটা জিনিস। এটা চুপচাপ মানুষের মনে ঢুকে পড়ে, তারপর ধীরে ধীরে সব বিশ্বাস শেষ করে দেয়।
অবশেষে ফাঁসির দিন চলে এল।
শেষবারের মতো আমাদের মায়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। আমার ছোট ভাই রাফির বয়স তখন মাত্র আট। ভয়ে সে আমার হাত শক্ত করে ধরে ছিল।
মা আমাদের সামনে হাঁটু গেড়ে বসলেন। ছয় বছরে তিনি অনেক শুকিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু চোখ দুটো এখনও আগের মতো মায়াভরা ছিল।
“তোদের বড় হতে দেখতে পারব না… এটাই আমার সবচেয়ে বড় কষ্ট,” মা আস্তে করে বললেন।
রাফি দৌড়ে গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরল।
তারপর খুব আস্তে ফিসফিস করে বলল—
“মা… আমি জানি তোমার বিছানার নিচে ছু*রিটা কে রেখেছিল।”
মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঘরটা চুপ হয়ে গেল।
একজন পুলিশ এগিয়ে এসে বলল,
“তুমি কী বললে?”
রাফি কাঁদতে কাঁদতে বলল,
“আমি তাকে দেখেছিলাম… সেদিন রাতে। মা এটা করেনি।”
সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু থেমে গেল।
জেল হাজতে আমাদের সঙ্গে আরো মানুষ, আমার বাবার ছোট ভাই কামাল ও সেখানে ছিলো —,
তিনিও আমাদের সাথে শেষবারের মতো মাকে দেখতে এসেছিলেন।
ঠিক তখনই রাফি কাঁপা হাতে দিকে আঙুল তুলে বলল—
চলবে
গল্প : বাবার হ*ত্যার রহস্য
পার্ট
21/05/2026
বিসিএস এবং ব্যাংকজব
সিনিয়র অফিসারের নতুন সার্কুলার প্রকাশ!
পদঃ ৯০৩ টি!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
5300