ICT Squad

ICT Squad

Share

Welcome to all in our ICT Squad
“we help you
And you help the nation”

-S.M. ZISHAN

Photos from ICT Squad's post 08/02/2021

ICT শর্ট সিলেবাস (HSC 2021)

03/05/2020

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ও HSC পরীক্ষার MCQ এর জন্য বই দাগিয়ে পড়াটা খুবই জরুরী। কিন্তু কিভাবে দাগাতে হবে, কতটুকু দাগাতে হবে, এক্সট্রা ইনফরমেশন যা এই বইতে নেই অন্য বইতে আছে- এসব নিয়ে অনেকেই টেনশনে ভোগে!

তোমাদের জন্য তাই শেয়ার করছি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অভিজ্ঞ শিক্ষক এর দাগানো ও এক্সট্রা ইনফরমেশনযুক্ত টেক্সটবুকগুলো! নিজে উপকৃত হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবে না।

★দাগানো বইয়ের পিডিএফঃ For HSC & Admission ★

:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
📚 জীববিজ্ঞান ২য় পত্র
গাজী আজমল স্যার
Edition: April,2019
দাগানো সকল অধ্যায় (PDF File)
[ এক্সট্রা ইনফরমেশন সহ ]
https://drive.google.com/folderview?id=1NjbQpD-_DOIzNDKdEe7x7k7eh36wP7-m
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
📚 জীববিজ্ঞান ১ম পত্র
আবুল হাসান স্যার
Edition: April,2019
দাগানো সকল অধ্যায় (PDF File)
https://drive.google.com/folderview?id=16tJp26x1TN1rJ5I4LEBZ_2xVPNl3gYvE
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
📚 পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র
আমির হোসেন স্যার
দাগানো সকল অধ্যায় (PDF file)
https://drive.google.com/folderview?id=1OoBWoD2NYz20B0Cd72GDZC-AXGafDrpG
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
📚 পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র
আমির হোসেন স্যার
দাগানো সকল অধ্যায় (PDF file)
https://drive.google.com/folderview?id=1OyESTKUX_Zo_HlV_WCvLbjm5YDG-vOIP
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
📚 রসায়ন ১ম পত্র
হাজারী স্যার
দাগানো সকল অধ্যায় (PDF file)
https://drive.google.com/folderview?id=1EeolFL_CyErbmr8oeaWNm_73kYLlMy_E
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
📚 রসায়ন ২য় পত্র
হাজারী স্যার
দাগানো সকল অধ্যায় (PDF file)
https://drive.google.com/folderview?id=1EvhpkxBMGWku_3FboP_9rUGhFjteCEYl

এরকম পোস্ট কি আরো চাও তোমরা? তোমাদের রেসপন্স পেলে আমরা আরো বেশি করে এসব পোস্ট দেওয়ার চেষ্টা করবো।

শুভকামনা রইলো!
তোমাদের জীবনের এনট্রপি কমে আসুক।

কৃতজ্ঞতায়ঃ শান্ত ও অন্যান্য

07/03/2020

প্রিয় HSC পরিক্ষার্থী,
আসসালামু আলাইকুম,,,,,,,,, কেমন আছেন সবাই? আর মাত্র ২২ দিন মত বাকি হইতো অনেক টেনশনে আছেন,,,,তাই তো? আপনাদের এই সময়টা আরো ইফেক্টিব করতে ,,,,একাডেমিয়া কোচিং সেন্টার এবং ICT squad এর সম্মেলিত উদ্দেগে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিম্নোক্ত বিষয়ের হাইলাইটেড রিভিউ ক্লাসের ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে,,,,,,

👉 Physics, Chemistry, Biology
👉 ICT, English
👉 Finance, Accounting

★ রিভিউ ক্লাসে উপরোক্ত বিষয়ের কমন সমস্যাগুলো এবং সম্পূর্ণ সিলেবাসের হাইলাইটেড টপিকস নিয়ে আলোচনা করা হবে,,,

👉Interested students please inbox /comment / and mentioned your friend
👍 Registration link / apply now :

https://docs.google.com/forms/d/1Q7kGBP2-Kn0s6fueb9uMM02tsU9pUb214Nyg8hdY6gg/viewform?edit_requested=true

তারিখঃ ০৯ মার্চ - ২৫ মার্চ
ক্লাস টাইমঃ 4 pm - 6 pm
লোকেশনঃ
একাডেমিয়া কোচিং সেন্টার
৪৯৩, উত্তর শাহাজাহানপুর, ঢাকা ১২১৭
(near khilgaon railgate / Amtolta jame mosjid)
Google Map :
https://goo.gl/maps/YgM9nXRXxdvp9Vub7

24/01/2020

🔖🔖ICT Tricks

Chapter: 3 (part 2) [ ডিজিটাল_ডিভাইস ]

👉বেসিক সূত্রসমূহ মনে রাখার কৌশল :

#বুলিয়ান_যোগঃ
0+0=0
0+1=1
1+0=1
1+1=1
#বুলিয়ান_গুণঃ
0•0=0
0•1=0
1•0=0
1•1=1
এখানে,
(+) = OR (অথবা)
(•) = AND (এবং)
(0) = Off/ Close/ False
(1) = ON/ Open/ True
এবার কিছু সূত্র প্রমাণ করি,
1)A+1=?
A=0 হলে, 0+1=1
A=1 হলে, 1+1=1
Ans: 1
*প্রশ্ন হলো, এখানে A এর মান শুধু 1/0 হলো কেন? বুলিয়ান নিয়মে কোনো অজানা রাশির মান সবসময় 0 অথবা 1 হয়।
2)A+0=?
A=0 হলে, 0+0=0
A=1 হলে, 1+0=1
Ans:A
*দুটোর answer দুরকম হলে উত্তর সবসময় অজানা রাশিটিই হবে।
A‘=?
A=0 হলে, A’=1
A=1 হলে A’=0
*কোনো রাশির উপর নট/কমপ্লিমেন্ট বসলে উত্তর সেই রাশির বিপরীত হবে। যেমনঃ A’ মান A এর বিপরীত। B’ এর মান B এর বিপরীত। একটির মান 1 হলে অপরটি 0 হবে। একটির মান 0 হলে অপরটি 1 হবে।

#সূত্র
এবার চলেন সূত্রের চোরা পদ্ধতি শিখি🙈
1| A+1=1
*[ (+) এর আশেপাশে 1 থাকলে উত্তর 1]
2| A•0=0
*[ (•) এর আশেপাশে 0 থাকলে উত্তর 0]
3| A+A=A
4| A•A=A
*[দুটো রাশি Same হলে উত্তর একটি রাশি]
5| A+0=A
*[কোনো রাশির সাথে ০ যোগ করলে উত্তর ঐ রাশিই হবে]
6| A•1= A
*[কোনো রাশির সাথে 1 গুণ করলে উত্তর ঐ রাশিই হবে।
7| A+A’=1
8|A•A’=0
*[দুটো রাশি বিপরীত হলে, মাঝে (+) থাকলে উত্তর 1 হবে, মাঝে (•) থাকলে উত্তর 0 হবে]
9| A’’= A
*জোড় সংখ্যক নট থাকলে নট বাদ। যদি থ্রিপল নট (বিজোড়) থাকে (A”’) তবে দুটো দুটো করে বাদ দিয়ে শেষে একটি নট থাকবে (A’)
10| A+BC= (A+B) (A+C)
*একটি রাশির সাথে দুটি রাশি যোগ হলে উত্তরে একা থাকা রাশিটি অন্য দুটো রাশির সাথে আলাদাভাবে চলে যাবে।😉
ূত্রঃ
দুই চলকের:
(A+B)’ = A’•B’
(A•B)’ = A’+B’
তিন চলকের,
(A+B+C)’ = A’•B’•C’
(A•B•C)’ = A’+B’+C’
n সংখ্যক চলকের জন্য,
(A1+A2+A3+.......+An)’= A1’•A2’•A3’•.......•An’
(A1•A2•A3•.......•An)’= A1’+A2’+A3’+.......+An’
*হোল নট থাকলে উত্তরে প্রত্যেকটি রাশির সাথে আলাদাভাবে নট বসবে। যোগ থাকলে মাঝে • (ডট) এবং • থাকলে মাঝে (+) বসবে।

চলেন এবার সূত্র দিয়ে কিছু সরল করি,
#সরল
(A+B) (A+C)
=A•A + A•C + A•B + B•C [প্রথম ব্র্যাকেটের সংখ্যাগুলো দিয়ে দ্বিতীয় ব্র্যাকেটের সংখ্যাগুলো গুণ]
=A+AC+AB+

Photos from ICT Squad's post 22/12/2019

আজকের আলোচ্যে বিষয় :

HSC ICT
Chapter : 03
Topics : Flip-flop (ফ্লিপফ্লপ)

শিক্ষা হোক বিনামূল্য,
আমরা শিখি এবং শেখাই

👍👍Are you ready!

Photos from ICT Squad's post 21/12/2019

HSC ICT অনেকের কাছে বিভীষিকার নাম! তবে আমরা ন-ডরাই। আপনাদের পাশে আছেন ICT squad Team.

👍👍Are you ready!

আজকের আলোচনার বিষয় :

HSC ICT
Chapter : 03
Topics : Adder (যোগের বর্তনী)

শিক্ষা হোক বিনামূল্য,
আমরা শিখি এবং শেখাই

02/11/2016

জেনে রাখুন কিছু Facebook Shortcuts Key ,facebook shortcurtআমাদের দেশে ইন্টারনেট ইউজার এর মধ্য বড় একটা অংশ হল ফেসবুক ইউজার । প্রতিদিন ফেসবুকে আমরা অনেক সময় ব্যয় করি । তাই Facebook Shortcuts Key ইউজ করে আমরা অনেক মূল্যবান সময় বাঁচাতে পারি । এবার জেনে নিন GoogleChrome, Firefox and Internet Explorer এর কিছু Facebook Shortcuts Key ।
Facebook এর জন্য GoogleChrome Shortcuts:-
Alt+1: New Feed দেখার জন্য।
Alt+2: নিজের Profile দেখার জন্য।
Alt+3: Friend Requests এর pop-up দেখার জন্য।
Alt+4: Messages এর pop-up দেখার জন্য।
Alt+5: Notifications এর pop-up দেখার জন্য।
Alt+6: Account Satting দেখার জন্য।
Alt+7: Privacey Satting দেখার জন্য।
Alt+8: Facebook এ নিজের Profile দেখার জন্য।
Alt+9: Read latest terms of service agreement
Alt+?: Search করার জন্য।
Alt+M: নতুন Message লিখার জন্য।
আপনি যদি Firefox Browser ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার জন্য নিচের ShortCuts গুলো। উপরের GoogleChrome এর Shortcuts এর সাথে শুধু Shift Press করলেই হবে।
Shift+Alt+1: New Feed দেখার জন্য।
Shift+Alt+2: নিজের Profile দেখার জন্য।
Shift+Alt+3: Friend Requests এর pop-up দেখার জন্য।
Shift+Alt+4: Messages এর pop-up দেখার জন্য।
Shift+Alt+5: Notifications এর pop-up দেখার জন্য।
Shift+Alt+6: Account Satting দেখার জন্য।
Shift+Alt+7: Privacey Satting দেখার জন্য।
Shift+Alt+8: Facebook এ নিজের Profile দেখার জন্য।
Shift+Alt+9: Read latest terms of service agreement
Shift+Alt+?: Search করার জন্য।
Shift+Alt+M: নতুন Message লিখার জন্য।

আর যদি আপনি Internet Explorer ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনাকে অতিরিক্ত একটা কাজ করতে হবে। তাহল GoogleChrome এর ShortCuts দেওয়ার পর Enter Press করতে হবে =ps

02/11/2016

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফ্‌টওয়ার সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান

শুভ রাত্রি আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি। আর কেউ যদি কম্পিউটার নিয়ে সমস্যায় থাকেন তবে এই টা পড়ার পর মনে হয়না তিনি আর সমস্যায় থাকবেন।

1. অপারেটিং সিস্টেম লোডিং টাইম
আমাদের সমাধান: সম্ভবত আপনার কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত। আপনি কোন ভালো অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম

2. পিসি বারবার হ্যাং করছে
আমাদের সমাধান: বিনা কারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে।
সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM

3. কম্পিউটারের কেসিং খুলতে সাহায্য চাই
আমাদের সমাধান: কম্পিউটারের কেসিং খোলার কাজটি খুব সহজ। একটু ভালো করে খেয়াল করলেই আপনি এটি করতে পারবেন। সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার

4. বাসায় ওয়াই ফাই সেটাপ করতে চাই
আমাদের সমাধান: আপনি যদি ল্যাপটপে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে চান তাহলে শুধু একটা ওয়াইফাই রাউটার কিনলেই হবে। আর ডেস্কটপে ব্যবহার করতে চাইলে ডেস্কটপের জন্য আলাদা এডাপ্টার কিনতে হবে। অথবা চাইলে ডেস্কটপে রাউটার থেকে ল্যান ক্যাবল দিয়েও ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিং এর কাজ করতে পারবেন। বাজারে দুই ধরনের রাউটার পাওয়া যায়। ৫৪এমবিপিএস এবং ৩০০ এমবিপিএস। মোটামুটি ২২০০ টাকার মধ্যেই ৫৪ এমবিপিএস রাউটার পাওয়া সম্ভব। আর রাউটার সেটাপ করা অনেকটা ক্যাবল ইন্টারনেট সেটাপের মতোই। এটা সংশ্লিষ্ট ম্যানুয়াল দেখে সহজেই আপনি করে নিতে পারবেন।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট

5. গুগল ক্রোমের সমস্যা
আমাদের সমাধান: আপনার ক্রোমে যদি কোনো থার্ড পার্টি এড অন ইন্সতল করা থাকে তাহলে তা মুছে ফেলুন। ব্রাউজারের হিস্টরি এবং কুকিস মুছেও দেখতে পারেন। এতেও কাজ না হলে ক্রোমের নতুন এবং সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করুন। ক্রোম সাধারণত প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন ভার্সন বের করে।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট

6. সিডি ড্রাইভের সমস্যা
আমাদের সমাধান: যদি সিডি ড্রাইভটি সাটা হয় তাহলে তার পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন। আর সিডি ড্রাইভ বেশি পুরাতন হলে তার হেড পরিস্কার করাটা জরুরি।
সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM

7. কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ শনাক্তের উপায়
আমাদের সমাধান: কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে আগে আপনাকে কেসিং খুলেতে হবে। এজন্য কেসিং এর পেছনের দুইটি স্ক্রু খুলে ভেতরে তাকান।
1. মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে আর কিছু সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
2. মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
3. র‌্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট,লম্বাকৃতির।
4. সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
5. একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
6. একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
7. চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
8. সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড,মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।
বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
8. কম্পিউটার চালু না হলে করণীয় কি?
আমাদের সমাধান: এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে। আশা করি আপনার চেষ্টা বিফলে যাবে না।
* পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না। অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
# যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড। র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
#যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
# আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
# তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
* মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
* যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
* এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
* এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতেযাওয়াটাই ভালো।
* পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র‌্যাম লাগিয়ে দেখুন।
* কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
9. মনিটরে ছবি আসে না
আমাদের সমাধান: যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে গ্রাফিক্স/ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন। অনেকসময় র‍্যামের স্লট পরিবর্তন করলেও এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।বায়োস সেটিংস রিসেট করেও দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
10. গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা বোঝার উপায় কি?
আমাদের সমাধান: যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
11. মনিটর ঝাপসা বা ছবি কাঁপলে কি করতে পারি?
আমাদের সমাধান: যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপেসেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়েরিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
12. মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন-এর সমাধান কি?
আমাদের সমাধান: যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপরও সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যাআছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
13. সিডি ড্রাইভ থেকে সিডি ঠিকমতো বের হয় না
আমাদের সমাধান: সিডি যদি ড্রাইভের Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
14. প্রসেসর থার্মাল ট্রিপ ওয়ার্নিং
আমাদের সমাধান: আপনার পিসির প্রসেসরের ফ্যানে খুব বেশি ধুলো জমে গেলে তা পরিস্কার করুন। তাতেই কাজ না হলে হিট সিংক পেস্ট নতুন করে লাগান। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। সবার আগে প্রসেসরের ফ্যান শক্তভাবে প্রসেসরের উপর লাগানো আছে কিনা তা দেখে নিন।
সমস্যার ধরণ: মাদারবোর্ড, প্রসেসর
15. পিসি টু পিসি কথা বলার সহজ উপায় কি?
আমাদের সমাধান: আপনিতো খুব সহজেই গুগল,ইয়াহু এবং স্কাইপে ব্যবহার করেই ভয়েস চ্যাট করতে পারেন নেটে। পিসি-পিসি কথা বলার জন্য এর চেয়ে সহজ কিছু হতে পারে না। মেসেঞ্জারের ভেতর অপশন থেকেই খুব সহজেই মাইক্রোফোন সেট করে নিতে পারেন। এর জন্য ওয়েবক্যামের কোনো প্রয়োজন নেই।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
16. ইউএসবি ক্যাবল দিয়ে ডাটা ট্রান্সফার করতে চাই
আমাদের সমাধান: দুঃখিত, কোনোভাবেই এভাবে ডাটা ট্রান্সফার করা সম্ভব না।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
17. উইন্ডোজের প্যারেন্টাল কন্ট্রোল কি?
আমাদের সমাধান: প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের মাধ্যমে আপনি পিসিতে আওন্য আরেকজন ইউজারের যাবতীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। অন্য নতুন একটি ইউজার একাউন্ট তৈরির মাধ্যমে আপনি সে কতক্ষণ পিসি চালাতে পারবে, কি কি কাজ করতে পারবে, কোন কোন প্রোগ্রাম/গেমস চালাতেপারবেন সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম
18. উইন্ডোজ ৭ রেডিবুষ্ট কি?
আমাদের সমাধান: যাদের পিসিতে র‍্যাম কম আছে তারা চাইলে উইন্ডোজের রেডিবুস্ট ফিচার ব্যবহার করে বাড়তি র‍্যামের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারবেন। কম্পিউটার দুই ধরণের মেমোরি ব্যবহার করে চলার সময়। একটা হচ্ছে হার্ডডিস্ক আরেকটা র‍্যাম। দুইটার পার্থক্য হচ্ছে র‍্যাম শুধু কম্পিউটার চলার সময় তথ্য জমা রাখতে পারে,পাওয়ার চলে গেলে সব তথ্য মুছে যায় কিন্তু হার্ডডিস্কের ক্ষেত্রে তা হয় না। কিন্তু র‍্যাম হার্ডডিস্ক অপেক্ষা অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারে বলে কম্পিউটার কাজ করার সময় র‍্যামের মেমোরিই ব্যবহার করে।
উইন্ডোজ সেভেনে আপনি চাইলে আপনার পেনড্রাইভকেও র‍্যামের মেমোরির মতো ব্যবহার করে পিসির সার্বিক পারফরম্যান্সে উন্নতি ঘটাতে পারবেন। অবশ্য ভিসতাতেও এটা করা সম্ভব।
** এজন্য আপনার পেনড্রাইভটি ইউএসবি পোর্টে লাগান। কমপক্ষে ৪ গিগাবাইট মেমোরি বিশিষ্ট র‍্যাম একাজে ব্যবহার করাটাই ভাল।
** পেনড্রাইভে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান। উপরের রেডিবুষ্ট ট্যাবে ক্লিক করুন।
** প্রথমেই তিনটি অপশন দেখবেন। প্রথমটির মানে তো বুঝতেই পারছেন,নেতিবাচক। পরেরটি সিলেক্ট করার অর্থ ডিভাইসটির পুরোটাই তথা সম্পূর্ণ মেমোরি রেডিবুষ্ট ব্যবহার করবে। তবে ৩ নাম্বারটি নির্বাচন করাই হবে বুদ্ধিমানের মতো কাজ।এটি দিয়ে আপনি আপনার ইচ্ছেমতো মেমোরি উইন্ডোজকে ব্যবহারের জন্য দিতে পারবেন। তবে উইন্ডোজ নিজেই একটা এমাউন্ট রেকমেন্ড কররে আপনাকে।
এখন ওকে দিলেই রেডিবুষ্টের খেল শুরু। আপনি চাইলে হাই পারফরম্যান্স গেম খেলার সময় এই অপশন দরকারমতো ব্যবহার করে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম
19. সিস্টেম রিস্টোর সেটিংস কনফিগারের উপায়
আমাদের সমাধান: সিস্টেম রিস্টোর নিঃসন্দেহে উইন্ডোজের অন্যতম সেরা সিস্টেম প্রোটেকশন টুল। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আপনি যদি খুব বেশি সফটওয়ার ইন্সটল বা আনইন্সটল করে থাকেন তাহলে এই সিস্টেম রিস্টোর আপনার পিসিতে কয়েক গিগাবাইট পর্যন্ত স্পেস দখল করে ফেলতে পারে। তাহলে এখন কি করবেন? বলছি শুনুন-
** মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান। বামপাশের মেনু থেক সিস্টেম প্রোটেকশনে যান।
** সিস্টেম প্রোটেকশন ট্যাব থেকে কনফিগারে ক্লিক করুন।
** সিস্টেম রিস্টো্র পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে চাইলে টার্ণ অফে ক্লিক করে এপ্লাই ওকে করুন।
** অথবা সিস্টেম রিস্টোর অন রেখেই ডিস্ক স্পে ইউজেস থেকে ম্যাক্সিমাম ইউজেস ঠিক করে দিন। তাহলেই আর কোন সমস্যা হবে না।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম
20. ইউএসবি পপ আপ মেসেজ অফ
আমাদের সমাধান: যখনি আপনি নতুন কোন ইউএসবি ড্রাইভ পোর্ট-এ লাগান তখনি নোটিফিকেশন এরিয়াতে একটি পপ আপ মেসেজ ভেসে উঠে যে দিস ডিভাইস ক্যান পারফর্ম ফাস্টার- যা কিনা বিরক্তির উদ্রেক করে।
ভাই আর লিখতে ইচ্ছা করছে না sorry পরে দিব।

23/04/2016

: কোষ ও এর গঠন
#সেন্টিওলের কাজ মনে রাখার ছন্দ,
"শুভ মার ফাজিল ছেলে"
শু= শুক্রাণুর লেজ গঠনে সাহায্য করে.
ভ= কোষ বিভাজনে সাহায্য করে.
মার= মাইক্রোটিউবিউল গঠনে সাহায্য করে.
ফাজিল ছেলে= ফ্ল্যাজেলা ও সিলিয়া গঠন
করে.
#এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম এর
প্রকারভেদ মনে রাখার ছন্দঃ "সিভিট"
সি= সিস্টারনি
ভি= ভেসিকল
ট= টিউবিউল.
#গলগি বডি এর প্রকারভেদ মনে রাখার ছন্দঃ "সিভিভ"
সি= সিস্টারনি
ভি= ভেসিকল.
ভ= ভ্যাকুওল
#

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka
1219