নওগাঁও ইসলামিয়া পাবলিক লাইব্রেরী।

নওগাঁও ইসলামিয়া পাবলিক লাইব্রেরী।

Share

এখান থেকে ফ্রি বই নিয়ে পরতে পারবেন।

11/04/2023

🗣️যাকাতের হিসাব নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান । আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক ।

06/08/2022

উপকার করার আগে আমাদের যাকে উপকার করছি তার সম্পর্কে জানা উচিত 😑

23/10/2020

“সবচেয়ে সুখী মানুষদের কাছে সবকিছু নেই, তারা তাদের যা আছে তার জন্য সন্তুষ্ট ও কৃতজ্ঞ”

23/03/2020

❝CORONA VIRUS বিশ্বকে জানিয়ে দিচ্ছে যে, কোন ব্যক্তি বা জাতিই মহাশক্তিশালী নয়।❞

“মহাশক্তিশালী ও সর্বশক্তিমান একমাত্র আল্লাহ্‌।”

09/06/2018

♦রোযার ফিতরা কখন কি দিয়ে দিতে হবে জানুন----

উত্তরঃ ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে অথবা ঈদের ২বা ১দিন আগে (অর্থাৎ ২৮ রোযা বা এর পরে) ফিতরা দিতে হবে প্রধান খাদ্য দিয়ে(আপনি যে মানের খাদ্য খান সে মানের বা আরো উন্নত মানের)। টাকা দিয়ে ফিতরা দিলে ইবাদতটি অসম্পূর্ন রয়ে যাবে।

*ফিতরা একটি ইবাদত। এই ইবাদতে আন্তরিকতা ও নবীর(স) তরীকা না থাকলে ফিতরা শুদ্ধ হবে না। আর ফিতরা শুদ্ধ না হলে ৩০ রোযার ভুল ত্রুটি পরিশুদ্ধ হবে না।*

*প্রিয় বস্তু থেকে ব্যয় না করলে তা কবুল হবে না।*
*কস্মিণকালেও কল্যাণ লাভ করতে পারবে না, যদি তোমরা ব্যয় না কর যা ভালবাস তা থেকে(উত্তম বস্তু থেকে)। আর তোমরা যদি কিছু ব্যয় করবে নিশ্চয় আল্লাহ তা জানেন।*
(আল ইমরান - ৯২)
✅ (আল বাকারা - ২৬৭)
*হে ঈমানদারগণ! তোমরা স্বীয় উপার্জন থেকে এবং যা আমি তোমাদের জন্যে ভূমি থেকে উৎপন্ন করেছি, তা থেকে উৎকৃষ্ট বস্তু ব্যয় কর এবং তা থেকে নিকৃষ্ট জিনিস ব্যয় করতে মনস্থ করো না। কেননা, তা তোমরা কখনও গ্রহণ করবে না*;....
✅ ... বর্ণিত...নবী (সঃ) বলেনঃ *তোমাদের কেউ প্রকৃত মু’মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে।*
(মুসলিম ১/১৭ হাঃ ৪৫, আহমাদ ১২৮০১)
♦ফিতরা কি------🍓
ফিতরা হল রোজার ভুলভ্রান্তি শুদ্ধিকরণ এর জন্য ১সা বা *প্রায় ৩কেজি খাদ্য* ফিতরা হিসেবে দেয়া। (উলামাদের মতে কেউ ২. ১ কেজি বা ২.৫ কেজি বা প্রায় ৩ কেজি বলেছেন।) নিরাপদ সাইডে থাকার জন্য ৩ কেজি হিসাব করলেই ভাল। ➡৪/৫ দিরহাম বাঁচাতে গিয়ে রোযা নষ্ট হয়ে যাক এটা নিশ্চয় কেউ চায় না। *যেমন, আপনি যেই মানের খাদ্য বা চাল আপনার পরিবারে খান,একই মানের খাদ্য বা আর ও উন্নত মানের খাদ্য ফিতরা দিবেন।যাকে ফিতরা দিবেন সে ব্যক্তির দেশের প্রধান খাদ্য সমুহ দিবেন*

🍓 *কে ফিতরা দিবে?*🍇

যার নিকট নিজের এবং পরিবারের জন্য নিত্য সামগ্রী রেখে শুধু ঈদের দিনেরর জন্য দিন ও রাতের ভরন-পোষন/খাবার মওজুদ আছে সে অবশ্যিই ফিতরা দিবে ফকির বা মিসকিনকে। এটি ফরজ। বেতনধারী কাজের পুরুষ/মহিলারা ও ফিতরা দিবেন এই শর্তে।

✅ *কার কার পক্ষ হতে ফিতরা দিতে হবে?*

নিজের খরচ চালানোর পরে উদ্বৃত্ত থাকলে আপনি যার যার দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থাৎ যারা আপনার ভরণ পোষণের উপর নির্ভরশীল (যেমন: পরিবারের মা,বাবা,দাদি, সন্তান/নাবালগ শিশু ইত্যাদি অথবা পরিবারের বাইরে হউক) তাদের সবার ফিতরা আপ্নাকেই আদায় করতে হবে যদি নিত্য সামগ্রী রেখে ঈদের দিনে দিন ও রাতের খাবার সবার জন্য মওজুদ থাকে, তাহলে আপনি সবার জন্য ফিতরা দিবেন।

✅ *ফিতরা কাকে দেবেন?*

*উত্তর: *ফকির বা মিসকিন/অত্যন্ত গরীব ব্যক্তিকে যার প্রত্যহ খাবার জোগাড়ের সামর্থ্য নাই তাকে দিবেন।এটি মেইন যাকাত নয়।এটি রোযার শুদ্ধি।তাই খাবারই দিতে হবে।অর্থ দিয়ে ফিতরা দিবেন না। সহি হাদিসের ভিত্তিতে নবী(সঃ) এর যুগে রৌপ্য মুদ্রা ও ছিল, কিন্তু কাউকে মুদ্রা দিয়ে ফিতরা দেয়ার নির্দেশ দেন নি।*

✅ *ঈদের দিনেরর পুরো দিন/রাতের খাবার সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মওজুদ থাকলে তারা প্রথমে ফিতরা দিবেন। পরে ফিতরা নিতে পারবেন।*

✅ *ফিতরা কখন ফরজ?*

*উত্তর:* ঈদের চাঁদ উঠা মাত্রই ফিতরা ফরজ হয়ে যায়। অবশ্যিই ঈদের নামাজের আগে ফিতরা দিতে হবে।তবে ঈদের ১দিন বা ২দিন আগে মানে ২৮ রমাজান থেকে ফিতরা দেয়া জায়েজ। এর আগে ফিতরা দেয়া জায়েজ নাই। কারণ এটি একটি ইবাদত,নবী(স)/সাহাবারা যেভাবে করেছেন সেভাবে করতে হবে।

✅ *ব্যক্তি যদি খাবার নিতে না চায়, বুঝতে হবে সে ফকির বাবা মিসকিন নয়।*

✅ *ফকির/মিসকিন পাওয়া না গেলে প্রবাসী ভাইরা টাকা দেশে পাঠিয়ে দিতে পারেন, আর বলে দেবেন খাদ্য কিনে দেয়ার জন্য, আর তা যেন আপনার ২৮ রোযার আগে বিলি না করে অথবা কোন বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানকে বা ব্যক্তিকে টাকা দিতে পারেন যারা ঠিক সময়ে ঈদের আগে খাদ্য পৌঁছে দেবে।তবে তা জিজ্ঞেস করে কনফার্ম নেবেন।*

✅ *অর্থ/টাকা কেন দিবেন না?*
কারণ নবী(সঃ) দেন নাই
অর্থ দিলে ব্যক্তি সিগারেট,নেশা ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করতে ও পারে। আসলে কিন্তু মিসকিন/ফকির খাবার খেলেই আপনার রোজা শুদ্ধি হবে।

🔴 *প্রশ্ন: যারা যাকাত খাওয়ার যোগ্য তাদেরকে কি ফিতরা দেয়া যাবে?*

উত্তর : শক্তিশালী মত হল *না*। *শুধু অত্যন্ত গরীব হলেই তাকে ফিতরা দেয়া যাবে । অর্থাৎ যে ঠিকমত প্রত্যহ খাবার যোগাড় করতে পারে না তাকে ফিতরা দিতে হবে।*
ফিতরার আরেকটি উদ্দেশ্য হল ঈদের দিন যেন কেউ উপাস না থাকে।

⛔ *ঈদের চাঁদ উঠার আগের মুহুর্তে ও যদি কোন রোযাদার ব্যক্তি মারা যায়, তাহলে তার ফিতরা আদায় করতে হবে না।*
✅ *কিন্তু কেউ যদি ঈদের চাঁদ দেখার ১ সেকেন্ড পরে ও যদি মারা যায়, তাহলে তার ওয়ারিশগণ ফিতরা অবশ্যিই আদায় করবেন।*

✅ *নবী (সঃ) সাদাকাতুল ফিতর – রোযাকে বেহুদা ও অশ্লীল কথাবার্তা ও আচরণ থেকে পবিত্র করার উদ্দেশ্যে এবং মিস্‌কীনদের খাদ্যের ব্যবস্থার জন্য ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি তা (ঈদুল্‌ ফিতরের) নামাযের পরে পরিশোধ করে তা অন্যান্য সাধারণ দান-খয়রাতের অনুরূপ হিসাবে গণ্য হবে*।(আবু দাউদ১৬০৯)

*ফিতরা একটি ইবাদত। এই ইবাদতে আন্তরিকতা ও নবীর(স) তরীকা না থাকলে ফিতরা শুদ্ধ হবে না। আর ফি ত রা শুদ্ধ না হলে ৩০ রোযার ভুল ত্রুটি পরিশুদ্ধ হবে না।*

*রেফারেন্স:*👇 https://islamqa.info/bn/49793 https://islamqa.info/bn/124965 http://islamqas.info/bn/12459 http://youtu.be/7_iNl9vJLkM http://youtu.be/57PLQe_WkfI

26/05/2018

শাওয়াল মাসে বিয়ে করা মুস্তাহাব
-
عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ تَزَوَّجَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي شَوَّالٍ وَبَنَى بِي فِي شَوَّالٍ فَأَىُّ نِسَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ أَحْظَى عِنْدَهُ مِنِّي ‏.‏ قَالَ وَكَانَتْ عَائِشَةُ تَسْتَحِبُّ أَنْ تُدْخِلَ نِسَاءَهَا فِي شَوَّالٍ
-
আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন: রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে শাওয়াল মাসে বিবাহ করেন এবং শাওয়াল মাসে আমার সাথে প্রথম মিলিত হন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন স্ত্রী তার নিকট আমার চাইতে অধিক সম্ভোগ্য ছিলেন? আয়িশাহ্ (রাযিঃ) তার বংশের মেয়েদের শাওয়াল মাসে বাসর ঘরে পাঠানো উত্তম মনে করতেন। [সহীহ মুসলিম: হা/৩৩৭৪, হাদীস একাডেমী ]
-
ইমাম মুসলিম (রাহ:) অধ্যায় রচনা করেছেন:
-
باب اسْتِحْبَابِ التَّزَوُّجِ وَالتَّزْوِيجِ فِي شَوَّالٍ وَاسْتِحْبَابِ الدُّخُولِ فِيهِ ‏
-
"শাওয়াল মাসে বিবাহ করা বা বিবাহ দেয়া মুস্তাহাব এবং এ মাসে স্ত্রীর সাথে মিলনও মুস্তাহাব"।

আপনি কি ভাবছেন; রামাজানের পরেই কিন্তু শাওয়াল

12/03/2018

#আপনার_রব_কে?

আমাদের গ্রামে খোদা শব্দটি খুব বেশী প্রচলিত। ‘খোদায় জানে’, ‘খোদার কসম’, ‘খোদা হাফেজ’ এই কথাগুলো বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে। এখন শুনছি খোদা বলা উচিৎ নয়। একটু বিস্তারিত জানাবেন।

উত্তরঃ

কুরআন রব শব্দটি ৯৮০ বার উল্লেখিত হয়েছে। কবরে প্রত্যেক মানুষ প্রথম যে প্রশ্নের সম্মুখিত হবে তা হলো -‘তোমার রব কে?’ সুতরাং আসুন প্রথমেই এই শব্দ সমূহের অর্থ জেনে নেই !

☞রবঃ
রব শব্দটির অর্থ অনেক। যেমন-
পথ প্রদর্শক, সৃষ্টি কর্তা, প্রতিনিধি সৃষ্টিকারী, দয়ালু ও তওবা কবুলকারী, ক্ষমাকারী, মৃত্যুর পর জীবন দানকারী, বিপদ নিয়ে পরীক্ষাকারী,শস্য উৎপন্নকারী, প্রতিদান দাতা, নির্দেশ দাতা, গোপন সংবাদ জ্ঞানসম্পন্ন, কল্যাণদাতা,নিরাপত্তা ও রিজিক সরবারাহকারী, দুয়া কবুলকারী, মানবতার হেদায়াতের জন্য নবী ও রাসুল প্রেরণকারী, বিধানদাতা,প্রশান্তিদাতা,বিজয়দাতা, জীবন ও মরনদাতা, সার্বভৌম বা সকল ক্ষমতার মালিক ইত্যাদি।

☞আল্লাহঃ
ইসলামে যে ইলাহ বা উপাস্যের কথা বলা হয়েছে তিনি একক, অদ্বিতীয়। তাঁর কোন শরীক নেই। তাঁর ইসম যাত অর্থাৎ প্রকৃত নাম আল্লাহ। আল্লাহ শব্দটি অতুলনীয়। অন্য কোন ধাতু হতে তা উদ্ভুত নয়। আল্লাহ শব্দটি সর্ব প্রকার সম্নন্ধরহিত একক ও অনুপম এক নাম। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে ইসলাম ধর্মে আল্লাহ তারই নামের মধ্যেই পরিচিত হয়ে আছেন। এমন অনুপম আল্লাহ শব্দটিকে মুসলিমরা তরক করে গ্রহন করেছে অন্য নাম ‘খোদা’।

☞ খোদাঃ
খোদা শব্দটি ফারসী শব্দ, যার অর্থ স্বয়ম্ভু বা যিনি নিজেই সৃষ্ট। আল্লাহ্‌র রসুল ﷺ আল্লাহ রব্বুল আলামীনের যে ৯৯টি নামের কথা বলেছেন তার মধ্যে এ ধরনের কোন অর্থ নেই। খোদার ফারসী যে অর্থ তা আল্লাহ্‌র ৯৯ নামের মধ্যে নেই। এ ছাড়াও আল্লাহ্‌র যে সব নাম বা সিফাত কোরআন ও হাদীসে উল্লেখ আছে তার অর্থ খোদার অর্থের সাথে মিলে না। মহান আল্লাহ নিজেকে স্বয়ম্ভু বা খোদা অর্থে নামকরন করেননি। রসুল ﷺ এ ধরনের কোন অর্থে আল্লাহ্‌র পরিচয় দেননি।
→ খোদা শব্দের উৎপত্তি ও এর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তা দিত্ববাদের আক্বীদা-বিশ্বাস। প্রাচীন পারসিকদের দু’জন খোদা ছিল একজন মঙ্গলের, অপরজন অমঙ্গলের। খৃষ্টানদের ত্রিত্ববাদ এবং হিন্দুদের বহুদেববাদ -এসব বাদই ইসলামের একত্ববাদের বিপরীত।

মহান আল্লাহর অনেক সুন্দর নাম আছে । সে সব নামে তাঁকে না ডেকে অন্য সব অসংগত বা বেমানান নামে তাঁকে ডাকা বা নামকরণ করা হলে তাঁর অস্তিত্বের অমর্যাদা করা হয়, তাঁর নামের মাহাত্ম্ ক্ষুন্ন করা হয়।

কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন,
وَلِلَّهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ فَادْعُوهُ بِهَا ۖ وَذَرُوا الَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِي أَسْمَائِهِ ۚ سَيُجْزَوْنَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
-আল্লাহ্‌র অনেক সুন্দরতম নাম আছে; সুতরাং তোমরা সে সব নামেই তাঁকে ডাকো। এবং তাঁর নাম রাখার ব্যাপারে যারা সত্য থেকে বিচ্যুত হয়ে যায় তাদেরকে বর্জন কর৷ তারা যা কিছু করে এসেছে ৷ তার ফল অবশ্যি পাবে৷ [সূরা আরাফ ১৮০]

তাই মুসলিদের উচিত তাদের ইলাহকে কুরআন ও হাদিস হতে তাঁদের রবের যে সব নাম পাওয়া যায় তাই বলে ডাকা এবং সেটাই উত্তম ও উৎকৃষ্টতর । আল্লাহ সুবাহানাহু তা’আলা বলেন,
-তোমরা কি উৎকৃষ্টতর বস্তুকে নিকৃষ্ট বস্তুর সাথে বদল করতে চাও? [সূরা-বাকারাহ ৬১]

আরও জানার জন্য “তোমার রব কে?” লেখক -মহাম্মাদ আবু তাহের এর বইটি পড়ার অনুরোধ করা হল।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhamrai
Dhaka
1800