18/11/2017
CMT-5th
This is a Study page.
18/11/2017
CMT-5th
18/11/2017
সাবলীল ইংরেজি লিখতে চান?
টুকটাক ইংরেজিতে কথা বলতে পারলেও আমাদের অনেকেরই লেখার অবস্থা নড়বড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার খাতায় লেখালেখি থেকে শুরু করে গবেষণাপত্র, ভিনদেশে ফেলোশিপ বা বৃত্তির জন্য আবেদনপত্র, ‘স্টেটমেন্ট অব পারপাস’সহ অনেক লেখাই ঠিক মানসম্পন্ন হয় না। দুর্বল বাক্যগঠন আর অসামঞ্জস্যপূর্ণ ভাষারীতি আমাদের পিছিয়ে দেয়। ইংরেজিতে প্রাঞ্জল আর সাবলীল লেখালেখির উপায় নিয়ে কথা হলো একটি আন্তর্জাতিক অর্থ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাবিরা রহমানের সঙ্গে। তিনি ২০১৪ সালে জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল ইয়ুথ ফোরাম সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। বললেন, কীভাবে ইংরেজি লেখায় প্রাঞ্জলতা আনা যায়।
প্রতিদিন ইংরেজিতে অন্তত ৩০০ শব্দ লিখুন। মডেল: ইশা, ছবি: কবির হোসেন
নিয়মিত লিখুন, প্রতিদিন অন্তত ৩০০ শব্দ
নিয়মিত ইংরেজিতে লেখা হয় না বলেই আমরা অনেকে ইংরেজি লিখতে ভয় পাই। এই দুর্বলতা কাটানোর প্রথম এবং সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো প্রতিদিন লেখা। নিয়ম করে প্রতিদিন অন্তত ৩০০ শব্দে কিছু না কিছু লিখুন। যেকোনো বিষয়ে সকালে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে লিখে ফেলুন। প্রথম দিকে লেখালেখির শুরুতে হয়তো কিছুটা জড়তা থাকবে। টানা ১০ দিন লিখুন, দেখবেন ধীরে ধীরে এই জড়তা কেটে গেছে।
ব্যাকরণে মনোযোগ দিন
ইংরেজিতে লেখালেখির সময় প্রথম থেকেই ব্যাকরণে মনোযোগ দিন। দুর্বল ব্যাকরণ-জ্ঞান অনেক সাবলীল লেখাকেও দুর্বোধ্য করে দেয়। প্রতিদিন ইংরেজি ব্যাকরণের দুই থেকে তিনটি নিয়ম আত্মস্থ করতে চেষ্টা করুন। উদাহরণসহ বুঝে ব্যাকরণ পড়ুন, মুখস্থ করবেন না। একটি ভালো ইংরেজি ব্যাকরণ বইকে ‘রেফারেন্স’ হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন।
নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা পড়ুন
বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনার বাইরে ইংরেজি দৈনিক পড়ার অভ্যাস করুন। পত্রিকা পড়ার অভ্যাস যেমন আপনার বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা বাড়াবে, তেমনি লেখালেখির জন্য অনেক নতুন নতুন বিষয় খুঁজে পাবেন। প্রথম দিকে হয়তো অনেক শব্দের অর্থ বুঝবেন না, বুঝতে সময় লাগবে। টানা দুই সপ্তাহ পড়ুন, দেখবেন এরপর ব্যাপারটা আয়ত্তে এসে যাবে। দু-একটা শব্দের অর্থ না জানলেও বাক্যের ভাবার্থটা আপনি ধরতে পারবেন। নিয়মিত পাঠাভ্যাস আপনার লেখার ওপর ধীরে ধীরে প্রভাব ফেলবে।
বিষয়ভিত্তিক সাময়িকী-নিবন্ধ পড়ুন
টাইম ম্যাগাজিন, রিডার্স ডাইজেস্ট, দ্য ইকোনমিস্টসহ স্বনামধন্য ইংরেজি ম্যাগাজিন বা জার্নালে আপনার পছন্দসই নিবন্ধ পড়ার অভ্যাস করুন। ম্যাগাজিনগুলোতে যে ঢঙে লেখা হয়, তা নিজের লেখার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করুন। টানা চার সপ্তাহ এমন অভ্যাস করলে নিজের লেখার মধ্যে কী কী পরিবর্তন আসছে, তা নিজেই টের পাবেন।
স্রেফ লেখার জন্য লেখা নয়
দিস্তাভরা কাগজে লিখলেন, আর কী ভুলভ্রান্তি হলো, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করলেন না, তাহলে হবে না। ভুলগুলো থেকেই যাবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন যা লিখছেন, তা ভালো ইংরেজি জানেন-বোঝেন, এমন কাউকে পড়ার অনুরোধ করতে পারেন। তাঁর কাছ থেকে মতামত নিয়ে কী কী দুর্বলতা ও ভুল আছে, তা শুধরে নিন। যদি এমন কাউকে না পান, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের শিক্ষককে অনুরোধ করতে পারেন। কী কী ভুল হচ্ছে, সেদিকে খেয়াল রাখুন, ভুল শুধরানোর চেষ্টা করুন। writeandimprove.com ওয়েবসাইট থেকে উন্মুক্ত লেখালেখির চর্চা ও কী ভুল হচ্ছে, তা জানার চেষ্টা করতে পারেন।
শব্দভান্ডার বিস্তৃত করুন
আমরা লেখালেখির ক্ষেত্রে খুব প্রচলিত শব্দগুলো ব্যবহার করি। ইংরেজিতে সাবলীল লেখালেখির জন্য বহুমাত্রিক শব্দ ব্যবহারের দিকে মনোযোগী হোন। একই বাক্য বা একই গঠনের বাক্য বারবার না লিখে শব্দের বৈচিত্র্য ব্যবহার করে খুব ছোট ও সংক্ষিপ্ত লেখাকেও আকর্ষণীয় করে তোলা যায়। প্রতিদিন চেষ্টা করুন নতুন পাঁচ থেকে আটটি শব্দ আত্মস্থ করতে। শুরুতেই জিআরই-জিম্যাট পরীক্ষার শব্দভান্ডারগুলো না শিখে ইন্টারনেট থেকে কার্যকর শব্দগুলো খুঁজে নিন। টানা দুই মাস শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার পেছনে সময় দিন। যে শব্দগুলো শিখবেন, তা সকালে ঠিক করে নিন, সারা দিন মনে মনে তা স্মরণ করুন। কয়েকবার সেই শব্দগুলো লিখলে মনে রাখা সহজ হবে।
সুন্দর বাক্য লেখা শিখুন, ভিন্নতা তৈরি করুন
উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদনপত্র, স্টেটমেন্ট অব পারপাসসহ বিভিন্ন থিসিস পেপার ও অ্যাসাইনমেন্ট লেখার জন্য সুন্দর বাক্য লেখার অভ্যাস করুন। ইন্টারনেট ঘেঁটে এমন কিছু উদাহরণ (টেমপ্লেট) দেখে বাক্যগঠনরীতি শিখতে পারেন। একই বাক্যকে নানাভাবে লেখার চর্চা করুন। এভাবে ছয় সপ্তাহ অভ্যাস করুন, দেখবেন লেখালেখিতে পরিবর্তন এসে গেছে। owl.english.purdue.edu ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন বাক্যগঠনরীতি সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
অনুসরণ করুন, অনুধাবন করুন
আপনি যে লেখকের লেখা পছন্দ করেন, তাঁকে অনুসরণ করে লেখালেখির চর্চা করুন। সেই লেখকের ভাবনাকে অনুধাবন করার চেষ্টা করুন। যতক্ষণ নিজের লেখাটা মনঃপূত না হচ্ছে, ততক্ষণ চর্চা চালিয়ে যান। কোনো কিছু লেখার আগে কী লিখবেন, তার একটি মানচিত্র মাথায় সাজিয়ে নিন। সেইভাবে ভাগ ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লেখার অভ্যাস রপ্ত করুন।
প্রতিদিন যা শিখছেন, প্রতিদিনই তা চর্চা করুন
যা শিখছেন প্রতিদিন, তা প্রতিদিনই চর্চা করুন। ফেসবুকে লেখালেখি থেকে শুরু করে ই-মেইলের লেখার মধ্যেও যা শিখছেন, তা প্রয়োগ করতে চেষ্টা করুন। ফেসবুকে লেখালেখি কিংবা খুদে বার্তা লেখার সময় ‘শর্টকাটে’ লেখার অভ্যাস না করাই ভালো। অনলাইনে লেখালেখির ক্ষেত্রে গ্রামারলি, জিনজার সফটওয়্যারসহ বিভিন্ন অ্যাপস-সফটওয়্যার-ওয়েবসাইটের সহায়তায় নির্ভুল বাক্য লেখায় সহযোগিতা নিন।
ম্যাগাজিনগুলোতে লেখা পাঠান
ইউটিউব ও কোর্সেরার মতো (www.coursera.org) ইংরেজি লেখার উন্মুক্ত কোর্সগুলো থেকেও লেখালেখি শিখতে পারেন। লেখালেখির সময় মনে মনে বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ করে লিখবেন না। লেখায় সাবলীলতা আনার জন্য ‘লিঙ্কিং ওয়ার্ডস’ ও ‘ফ্রেজ’ ব্যবহারে গুরুত্ব দিন। বৈচিত্র্যময় লেখালেখির জন্য ভালো মানের দেশি-বিদেশি ম্যাগাজিনগুলোর মতামত পাতায় লেখা পাঠানো শুরু করুন। হয়তো শুরুতে ছাপা হবে না, তবু চেষ্টা চালিয়ে যান। ছাপা হলে সম্পাদক কোন অংশগুলো কীভাবে সম্পাদনা করেছেন, সেটা লক্ষ করুন। বন্ধুবান্ধব বা সহকর্মীদের মধ্যে যাঁরা ভালো ইংরেজিতে লেখালেখি করেন, তাঁদের কাছ থেকে নির্দ্বিধায় পরামর্শ নিন।
01/10/2017
4th Semester Result !
Diploma in Computer Engineering All Semester Subject List :
First Semester :
1.Engineering Drawing
2.English -1
3.Mathematicas-1
4.Chemistry
5.Computer Fundamental
6.Basic Electricity
7.Basic Electronics
Second Semester :
1.English -2
2.Physical Education & Life Skill Development
3.Physics-1
4.Mathematics -2
5.Computer Application -1
6.Bangla
7.Electronic Device & Circuits -1
8.Basic Workshop practice
Third Semester :
1.Programming Language-I
2.Computer Application-II
3.Digital Electronics-1
4.Industrial Electronics
5.Mathematics-III
6.Physics-2
7.Social Science-1
Fourth Semester :
1.Programming Language-2
2.CAD & Graphic Design
3.Digital Electronics-2
4.Data Structure & Algorithm
5.Electrical Circuits & Machines
6.Discrete Mathematics
7.Social Science-II.
Fifth Semester :
1.Microprocessor and Microcomputer-1
2.Computer Architecture
3.Programming Language-3
4.Database Management System
5.Web Design
6.Book Keeping & Accounting
7.Environmental Management
Sixth Semester :
1.Microprocessor and Microcomputer-2
2.Computer Peripherals
3.Data Communication and Computer Network-1
4.Computer System Software
5.Computer Servicing
6.Web Development
7.Business organization & Communication
Seventh Semester :
1.Embedded Systems & PLC
2.Multimedia and Graphics
3.System Analysis and Design
4.Data Communication and Network -2
5.Computer Engineering Project
6.Industrial Management
7.Entrepreneurship
Eighth Semester :
1.Industrial Training
30/05/2017
CMT-4th
03/04/2017
আমাদের পেজে Like দিয়ে Active থাকুন এবং নানা রকম Tips জেনে নিন।
নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করে নিন :-
ফোন যতই দামি হোক না কেন, প্রাণভোমরা কিন্তু মেমোরি কার্ড। উপযুক্ত মেমোরি কার্ড স্পেস না থাকলে হ্যাং করতে পারে দামি ফোনও। সাধারণত মেমোরি কার্ডের স্পেস হয় ৪ থেকে ৬৪ জিবি। কিন্তু মেমোরি কার্ড নষ্টও হয় আকছার। ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ খুলে নেওয়া হলে বা কোনও ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হতে পারে। জেনে নিন কীভাবে নষ্ট হওয়া মেমোরি কার্ড ঠিক করবেন।
কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন। খেয়াল রাখুন, হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো মেমোরি কার্ড দেখালেও সেটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার আপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেনুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট (cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator সিলেক্ট করে সেটি খুলুন। কমান্ড প্রম্প্ট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।
কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ দেখতে পেলে এখানে ‘চেক ডিস্ক’ সম্পন্ন হতে দিন।
এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y টিপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল যদি ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।
নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে ‘রিড’ করতে পারে না।
03/04/2017
নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করে নিন :-
ফোন যতই দামি হোক না কেন, প্রাণভোমরা কিন্তু মেমোরি কার্ড। উপযুক্ত মেমোরি কার্ড স্পেস না থাকলে হ্যাং করতে পারে দামি ফোনও। সাধারণত মেমোরি কার্ডের স্পেস হয় ৪ থেকে ৬৪ জিবি। কিন্তু মেমোরি কার্ড নষ্টও হয় আকছার। ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ খুলে নেওয়া হলে বা কোনও ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হতে পারে। জেনে নিন কীভাবে নষ্ট হওয়া মেমোরি কার্ড ঠিক করবেন।
কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন। খেয়াল রাখুন, হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো মেমোরি কার্ড দেখালেও সেটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার আপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেনুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট (cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator সিলেক্ট করে সেটি খুলুন। কমান্ড প্রম্প্ট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।
কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ দেখতে পেলে এখানে ‘চেক ডিস্ক’ সম্পন্ন হতে দিন।
এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y টিপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল যদি ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।
নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে ‘রিড’ করতে পারে না।
29/03/2017
অনলাইনে উপার্জন/ফ্রী-ল্যান্সিং শুরুর আগে ও পরে যা করলে দ্রুত সফল হতে পারবেন:-
অনলাইনে উপার্জন/ফ্রী-ল্যান্সিং শুরুর আগে ও পরে যা করলে দ্রুত সফল হতে পারবেন
আমরা খুজে বেড়াই উপার্জনের কিছু ওয়ে । আর আপনিও খুজছেন উপার্জনের ওয়ে আর তাই এই পোষ্টটি পড়ছেন। উপার্জনের কিছু ওয়ে আজ আমি আপনাদের বলব।
অন্য কোথাও সময় নষ্ট না করে উপার্জনের এই পথ গুলো বেছে নিতে পারেন।
ওডেস্ক- এখানে আপনাকে আপনার দক্ষতার প্রমান দিয়ে কাজ করতে হবে।
ইল্যান্স- এখানেও আপনাকে আপনার দক্ষতার প্রমান দিয়ে কাজ করতে হবে।
ফ্রী-ল্যান্সার-এখানেও ঠিক তাই।
আমি বলবো এই তিনটিই বেস্ট।
এখন কথা হলো আমি কাজ জানি কিন্তু আমার থেকেও ভালো র্যাঙ্ক এর অন্যের প্রফাইল থাকায় চুপচাপ শুধু কাহিনী দেখতে হয়।
ভাইরে আমার ক্ষেত্রে তাই হয়েছিল।
বছর ৩-৪ এক আগে ফ্রী-ল্যান্সিং কাজ পাওয়ার হাতে খড়ি আমার। তার আগে প্রায় ১ বছর শুধু কামলা দিছি। আমার ছোট থেকেই অনেক ফ্রী-ল্যান্সারদের সাথে পরিচয় ছিল। আর যে-কোন প্রশ্ন আমি তাদেরকে করতাম। ইনভেস্ট জীবনে করার সাহস পাইনি তাদের জন্য। তাদের মতে ইনভেষ্ট এর ফল অনেক সময় ভাল হয় না।
তো যাই হোক ফ্রী কামলা দিচ্ছি তো দিচ্ছি। কোন সাড়া নাই। আর এ ভাই , এমন কিছু কাজ যেগুলো আমি ১০০% এর ও যদি বেশি % থাকতো ঠিক তত % শিওর ছিলাম আমি প্রোপার করে দিতে পারবো। দুঃখের বিষয় কোন র্যাঙ্ক নাই।
তো আমার এক বড়ভাই ছিল সে বুয়েট থেকে পাশ করা। সে জব এর পাশাপাশি ফ্রী-ল্যান্সিং করতো । তিনি আমাকে অনেক হেল্প করতেন। যাই হোক ভাবলাম বাসা থেকে আর টাকা নেব না দেখি কি হয়।তাকে একদিন ভালো ভাবে কিছু সাজেশন এর জন্য ধরলাম। আমার প্রশ্ন টা ছিল এ রকম- যে ভাবেই হোক আমাকে আর্ন করতেই হবে, তো আমি কি করতে পারি।সব খুলে বললাম। তি আমাকে যা বলল তা সকলের থেকে ব্যাতিক্রম-
আমাকে বললো তাহলে আগে একটা ব্যাক – আপ দরকার । এই ব্যাক-আপ এর জন্য ইনভেষ্ট মাস্ট দরকার এবং আমি মনে করি অবশ্যই সকলের আগে একটা নির্দষ্ট উপার্জনের পথ দরকার। তার কথা মত কাজ করলাম একটা জায়গায় ইনভেষ্টও করে বসলাম। তারপর থেকে ঠান্ডা মাথায় কাজ করার শুরু।
তো যাই হোক এবার তাহলে একটা ওয়েব সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। এখানে আপনি কোন ইনভেস্ট সহ বা ছাড়াই কাজ স্টার্ট করতে পারবেন। আপনার কাজ কি? আপনার কাজ নানা ওয়েব-সাইটের ব্যাপারে বা টপিকস এর ব্যাপারে লেখা এবং তা পাবলিষ্ট করা মানে ব্লগ-পোষ্ট করা। পোষ্ট এর নিচে কমেন্টস করা।
invite অনলাইনে উপার্জন/ফ্রী-ল্যান্সিং শুরুর আগে ও পরে যা করলে দ্রুত সফল হতে পারবেন
যে যে কারনে আপনি আর্ন করতে পাবেন-
রেজিস্ট্রেশন-পার আইপি ফ্রী রেজিঃ করলে -$0.05
ব্লগ-পোষ্ট- পার পোষ্ট- $0.05 -Only Premium member 20 post per day. (3 Month)
কমেন্টস- পার কমেন্টস-$0.02 – Free
লগিন- প্রতি-দিন লগিন $0.01 –Free
রেফারেন্স- প্রতি ফ্রী রেজিঃ ও প্রিমিয়াম রেজিঃ এর জন্য যথাক্রমে $1 ও $10 (Instant) করে পাবেন। ফ্রী- এর ক্ষেত্রে প্রথম পে-আউটের পরে পাবেন।
Free membership $00.00
Premium membership $100.00
Under Premium membership $10.00 (আপনাকে কাজ করে পরিশোধ করতে হবে)
বাজারে নতুন মাদারবোর্ড:-
গিগাবাইটের ২০০ সিরিজের কয়েকটি মাদারবোর্ড দেশের বাজারে ছাড়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বাজারে আসা গিগাবাইটের মাদারবোর্ডগুলো হচ্ছে জেড২৭০এক্স গেমিং কে৩, অরোস জেড২৭০এক্স গেমিং ৫, জেড২৭০এক্স আল্ট্রা গেমিং ও অরোস জেড২৭০এক্স গেমিং ৭।
সংবাদ সম্মেলনে গিগাবাইটের দেশীয় ব্যবস্থাপক খাজা মো. আনাস খান বলেন, গেমার এবং গ্রাফিক ও মাল্টিমিডিয়া ডিজাইনারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে এসব মাদারবোর্ড। প্রতিটিই ইন্টেলের ষষ্ঠ এবং সপ্তম প্রজন্মের প্রসেসর সমর্থিত।
এতে জানানো হয়, মাদারবোর্ডগুলোতে রয়েছে ইন্টেল ইউএসবি ৩.১, থ্রি ওয়ে গ্রাফিক, ট্রিপল এনভিএমই পিসিআই-ই এসএসডি, ডুয়াল আলট্রা ফাস্ট এম ২ সাটা ইন্টারফেস, ইন্টেল অপটেন মেমোরি রেডি, ক্রিয়েটিভ সাউন্ড কোর থ্রিডি, এসবিএক্স স্টুডিও অডিও স্যুট, কিলার ই২৫০০ গেমিং নেটওয়ার্ক, ইন্টেল গিগাবিট ল্যান, এডজাস্টেবল ভোল্টেজসহ ইউএসবি ডিএসি আপ ২, আরজিবি ফিউশন, ২টি এক্সটার্নাল থারমিস্টর হেডার, এক্সট্রিম ৪০ জিবি থান্ডারবোল্ট ৩ সুবিধা। আর দাম ধরা হয়েছে ১৫,০০০ থেকে ৫৫,০০০ টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে স্মার্ট টেকনোলজিসের পরিচালক জাফর আহমেদ বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করি গ্রাহকদের কাছে হালনাগাদ করা পণ্য পৌঁছে দিতে।
18/03/2017
ইনস্টাগ্রাম নকল করার পেছনে কারণ:-
মনে করুন চলছে কার রেসিং। ট্র্যাকে দুটি গাড়ি। একটি চালাচ্ছেন ফেসবুক সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ, অন্যটি ইনস্টাগ্রাম সহপ্রতিষ্ঠাতা ইভান স্পিগেল। দর্শকসারিতে বিশ্বের সব বাঘা বাঘা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। গাড়ি নিয়ে মার্ক কিছুটা এগিয়ে, ইভান যদিও পেছনে কিন্তু আসছেন বেশ দ্রুতগতিতে। এমন সময় জেমস বন্ড সিনেমার মতো হয়তো ইভানের গাড়ির চাকা ফুটো করে দিতে এক বাক্স পেরেক ছুড়ে দিলেন মার্ক...না বাস্তবে এমন কিছু হয়নি। তবে যা হচ্ছে তা অনেকটা এমনই।
স্ন্যাপচ্যাটের নানা ফিচার একের পর এক নকল করে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম যুদ্ধ বাঁধাতে মরিয়া মার্ক। স্ন্যাপচ্যাটের প্রতি মার্কের এ রকম আগ্রাসী মনোভাব প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা খুব একটা ভালোভাবে নিতে পারছেন না। তাঁদের অনেকে এটাকে নিম্নমানের প্রতিযোগিতা হিসেবে আখ্যায়িত করতে চাচ্ছেন। তবে এসব সমালোচনায় কান নেই মার্কের। তিনি তাঁর অবস্থানে দৃঢ়।
তবে আপনার যদি মনে হয় ফেসবুকের এই অনুকরণ নীতি খুবই কদাকার তবে বলতেই হচ্ছে যে আপনি আসল ব্যাপারটা ধরতে পারেননি। জাকারবার্গের মূল উদ্দেশ্য স্ন্যাপচ্যাটের সুবিধাগুলো তাঁর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের দেওয়া, যাতে মানুষ স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার থেকে সরে আসে। এতে স্ন্যাপচ্যাট ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।
মার্ক তাঁর সামনে বা পেছনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী রাখতে চাচ্ছেন না, যা ভবিষ্যতে তাঁর প্রতিষ্ঠানের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এর আগে সে প্রমাণ মিলেছে। গুগল প্লাসের প্রতিও মার্ক খুব আক্রমণাত্মক ছিলেন। গুগল প্লাসের সঙ্গে লড়াই করার জন্য মার্ক তাঁর কর্মীদের সপ্তাহে সাত দিনই কাজে ব্যস্ত রেখেছিলেন। সে যাত্রায় সফলও হন। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে, স্ন্যাপচ্যাটের কপিক্যাটসহ অন্য ফিচারগুলো কপি করা আপাতদৃষ্টিতে ছোট ব্যাপার মনে হলেও, এর পেছনের মার্কের ‘দুরভিসন্ধি’ ছোট নয়।
18/03/2017
ফায়ারফক্সে বাড়তি সুবিধা:-
ইন্টারনেট ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্সে অ্যাড-অন্স যুক্ত করে কিছু বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। এমন কিছু জরুরি অ্যাড-অন্স নিয়ে লিখেছেন আল-আমিন
ক্রিকেট স্কোর:-
বেশ কিছু ওয়েবসাইটে এখন সরাসরি ক্রিকেট স্কোর দেখা যায়। যাঁরা এসব ওয়েবসাইটে না গিয়ে সরাসরি ব্রাউজার থেকেই ক্রিকেট স্কোর দেখতে চান, তাঁদের জন্য বিশেষ সুযোগ আছে ফায়ারফক্সে। এ জন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/scorewatch থেকে ‘স্কোর ওয়াচ’ নামের অ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করে নিতে হবে। এরপর ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করলে স্ট্যাটাস বারের ডান দিকে একটি স্কোর আইকন আসবে। স্কোর ওয়াচ মেন্যু থেকে চলতি সব খেলার স্কোর দেখতে পারবেন।
যে খেলাটির স্কোর দেখতে চান, তার ওপর ক্লিক করুন, তাহলে সেই খেলার সম্পূর্ণ স্কোর দেখা যাবে। Performance থেকে Wicket Alert নির্বাচন করলে উইকেট পড়লেও আপনাকে বলে দেবে। স্কোর সোর্স পরিবর্তন করতে পারেন স্কোর ওয়াচ মেন্যুর Source-এর ড্রপডাউন মেন্যু থেকে। কোনো চলতি খেলার সম্পূর্ণ স্কোর দেখতে স্কোর ওয়াচ মেন্যুর ওই খেলার ডানের Full scorecard বাটনে ক্লিক করুন।
বাংলা বানান পরীক্ষক:-
বাংলা ওয়েবসাইটের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বাড়ছে বাংলায় ই-মেইল, পোস্ট, নিবন্ধ, ব্লগিং এবং মন্তব্যও। তবে ওয়েবে বাংলা বানান পরীক্ষক না থাকায় আমাদের বেশ বিপাকে পড়তে হয়। ফায়ারফক্সে একটি অ্যাড-অন্স যুক্ত করে বাংলা
বানান পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/13660 থেকে প্রথমে ফায়ারফক্সে অ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করতে হবে। এবার ওয়েবে বাংলা লেখার সময় মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে Language থেকে Bangla/Bangladesh নির্বাচন করতে হবে। এবার যেকোনো ইনপুট বক্সে বাংলা লিখলে ভুল বানানের নিচে লাল আন্ডারলাইন প্রদর্শন করবে। বানানটি সংশোধন করতে শব্দটির ওপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে মেন্যুতে কিছু সাজেশন দেবে। এখান থেকে সঠিক বানান নির্বাচন করা যাবে।
মাউসবিহীন ব্রাউজিং:-
শুধু কি-বোর্ড ব্যবহার করে সম্পূর্ণ ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সুবিধা দেবে এই অ্যাড-অন্স। ওয়েবপেইজের বিভিন্ন লিংক, বাটন ইত্যাদির পাশে কিছু ইউনিক নম্বর উল্লেখ করা থাকে। কোনো বাটনে ক্লিক করতে বা কোনো লিংকে যেতে কি-বোর্ড দিয়ে ওই নম্বর টাইপ করে এন্টার প্রেস করলেই হবে। https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/mouseless-browsing থেকে অ্যাড-অন্সটি ডাউনলোড করা যাবে।
মেইল নোটিফায়ার:-
ই-মেইলের ইনবক্স দেখার জন্য লগইন করতে হয়।
ইয়াহু ব্যবহারকারীরা https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/yahoo-mail-notifier এবং জিমেইল ব্যবহারকারীরা https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/gmail-notifier থেকে মেইল নোটিফায়ার ডাউনলোড করে নিলে মেইল আসার সঙ্গে সঙ্গেই এটা সংকেত দিয়ে তা জানিয়ে দেবে।
পাসওয়ার্ড মেকার:-
এই অ্যাড-অন্সটি পাসওয়ার্ড তৈরিতে সাহায্য করে। বিভিন্ন সাইট বা মেইলের জন্য ব্যবহারকারীরা হয়তো নির্দিষ্ট কিছু পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকে, যা নিরাপদ নয়। ভালো পাসওয়ার্ডের ধারণা পাওয়া যাবে এই অ্যাড-অন্স থেকে। https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/passwordmaker থেকে অ্যাড-অন্সটি ডাউনলোড করা যাবে।
মজ ব্যাকআপ:-
ফায়ারফক্স আপডেট করলে বা রি-ইনস্টল করলে অনেক সময় বুকমার্ক মুছে যায়। সে ক্ষেত্রে নতুন করে ম্যানুয়ালি আবার ওয়েবসাইটের ঠিকানা বুকমার্ক, কুকিজ, পাসওয়ার্ড ও হিস্ট্রিসহ অন্যান্য সেটিংস সেভ করে নিতে হবে। এসব ঝামেলা থেকে
বাঁচতে আগে থেকে মজিলা ফায়ারফক্সের ব্যাকআপ নিয়ে রাখতে পারেন। মজ ব্যাকআপ নামের অ্যাড-অন্সে এ সুবিধা রয়েছে। http://mozbackup. jasnapaka.com থেকে এটা ডাউনলোড করা যাবে।
ছবি জুম:-
Ctrl++ চেপে ব্রাউজারের লেখা বা ছবি বড় করে দেখা যায়। তবে ইমেজ জুম অ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করে নিলে ওয়েবপেইজের নির্দিষ্ট একটি ছবি বড় করে দেখা সম্ভব। https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/image-zoom থেকে অ্যাড-অন্সটি ডাউনলোড করা যাবে।
ওয়াপ সাইট:-
ওয়াপ সাইটগুলো মূলত তৈরি করা হয় মোবাইল ডিভাইসগুলোর জন্য। কম্পিউটারের ব্রাউজার দিয়ে স্বাভাবিকভাবে ওয়াপ সাইট দেখা যায় না। ফায়ারফক্সে অ্যাড-অন্স যুক্ত করে কম্পিউটারেই ওয়াপ সাইট দেখা যায়। এ জন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/wmlbrowser থেকে অ্যাড-অন্সটি ফায়ারফক্সে যুক্ত করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করলেই ওয়াপ সাইটটি ভিজিট করা যাবে।