Islamic Dawet

Islamic Dawet I am just a simple man who want to go to Jannath with everyone of Muhammad (S:).

Allah Sobai k tawfiq dan korun. AMIN.
11/06/2024

Allah Sobai k tawfiq dan korun. AMIN.

Allah borkot dan korun and romjan porjonto nek hayat dan korun, AMIN
24/01/2023

Allah borkot dan korun and romjan porjonto nek hayat dan korun, AMIN

Allah Amader kobul korun, amin
24/01/2023

Allah Amader kobul korun, amin

09/07/2021

জুমুআর নামাজে দুই আজান কেন?
জুমার আজান প্রসঙ্গে বলতে পারেন যে, জুমার দিন তো দুইবার আযান দেওয়া হয়। সুতরাং খুতবার আগে যে আযান দেওয়া হয় তার আগে আসলেই তো চলে। এর আগে যে প্রথম আযান টা দেওয়া হয় এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলে ছিল না। এর জবাব এই যে, রাসুলুল্লাহ সাঃ এর জামানায় এক আজান ছিল এ কথা সত্য এবং তা ঐ সময় দেয়া হত,যখন রাসুলুল্লাহ সাঃ খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে বসতেন। রাসুল সাঃ এর ইন্তেকালের পরে হযরত আবু বক্কর রাঃ ও হযরত উমর রাঃ এর জামানায়ও এ নিয়মই বহল ছিল। খুতবার আজানের পুর্বে আরো একবার আজান দেওয়ার এ নিয়ম চালু করেন হযরত উসমান গনী রাঃ। তিনি তার খেলাফত কালে মুসলমানদের সংখ্যা যখন বেড়ে গেল এবং দুর দুরান্ত থেকে মানুষ এসে জামাতে শরীক হতে লাগলো, অপর দিকে ব্যাবসা বানিজ্য, এবং বিভিন্ন কাজে মানুষের ব্যাস্ততা যখন বেড়ে গেল,তখন তিনি দেখলেন যে, দিন দিন মানুষের কর্ম ব্যাস্ততা যেভাবে বেড়েই চলছে তাতে আরো একবার আজানের ব্যাবস্তা না হলে মানুষ খুতবাই শুনতে পাবে না এবং অনেকে জামাতে নামাজ পড়া থেকেও বঞ্চিত হবে। অথচ প্রাথমিক যুগে জুমুআর দিনে আজানের আগেই সাহাবায়ে কেরাম মসজিদে হাজির হয়ে যেতেন এবং খুতবার আজান তাদের সামনেই হতো। সময়ের এ পরিবর্তন এর তাগিদেই হযরত উসমান রাঃ তার খেলাফত কালে যাওরা নামক স্থানে এই প্রথম আজানের বিধান প্রবর্তন করেন ।
তিনি কোরআনে কারীমের আয়াত
فا سعوا الي ذكر الله
থেকে ইজতেহাদ করেই এ আজানের ফরমান জারী করেন। এছাড়া তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনেরই একজন। আর রাসুলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করেছেন
عليكم بسنتي وسنة الخلفا ء الراشدين المهديين
তোমরা আমার ও খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত কে আকড়ে ধরবে।
এর দ্বারা বুঝা যায় যে, হযরত উসমান গনী রাঃ কর্তৃক প্রবর্তিত এ জুমুআর প্রথম আজান বিদআত নয় বরং এটা শরীয়তের বিধান। এছাড়া সাহাবায়ে কেরাম রাঃ গন হযরত উসমান গনী রাঃ এর এ বিধান কে কায়মনোবাক্যে মেনে নিয়েছেন। এর দ্বারা সাহাবায়ে কেরাম রাঃ এর ইজমাও সংঘটিত হয়েছে। আর সাহাবায়ে কেরাম রাঃ এর ইজমা শরীয়তের বিধান। সুতরাং এ প্রথম আজান শুনেই আমাদেরকে নামাজের প্রতি তৎপর হতে হবে। আর এ আজানের পরই বেচাকেনা হারাম হিসাবে গন্য হবে।
আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন আমাদের সকল কে কথা গুলোর উপর বুঝে শুনে সঠিক পদ্ধতিতে আমল করার তৌফিক দান করুক।

07/05/2021

১১৪ টি সূরার নাম ও বাংলা অর্থসহ 💕

০১: সুরাঃ ফাতিহা - অর্থ = সূচনা
০২: সুরাঃ বাক্বারাহ - অর্থ =গাভী
০৩: সুরাঃ আলে-ইমরান - অর্থ = ইমরানের
পরিবার
০৪: সুরাঃ নিসা - অর্থ = নারী জাতি
০৫: সুরাঃ মায়িদাহ - অর্থ = খাদ্যপরিবেশিত
টেবিল
০৬: সুরাঃ আন'আম - অর্থ = গৃহপালিত পশু
০৭: সুরাঃ আ'রাফ - অর্থ =উচ্চস্থানসমূহ
০৮: সুরাঃ আনফাল - অর্থ =যুদ্ধলব্ধ ধনসম্পদ
০৯: সুরাঃ তাওবা - অর্থ =অনুশোচনা
১০: সুরাঃ ইউনূস - অর্থ =হযরত ইউনুস (আঃ)
১১: সুরাঃ হুদ - অর্থ =হযরত হুদ (আঃ)
১২: সুরাঃ ইউসুফ - অর্থ = হযরত ইউসুফ(আঃ)
১৩: সুরাঃ রা'দ - অর্থ =বজ্রপাত
১৪: সুরাঃ ইব্রাহীম - অর্থ =হযরতইবরাহীম(আঃ) ১৫: সুরাঃ হিজর - অর্থ =পাথরের পাহাড়
১৬: সুরাঃ নাহল - অর্থ =মৌমাছি
১৭: সুরাঃ বনী ইসরাইল - অর্থ =ইসরাইলের
বংশধর
১৮: সুরাঃ কাহফ - অর্থ =গুহা।
১৯: সুরাঃ মারইয়াম - অর্থ =ঈসা (আঃ) এর
মাতার নাম
২০: সুরাঃ ত্ব-হা - অর্থ =দুটি আরবি হরফ
২১: সুরাঃ আম্বিয়া - অর্থ =নবীগণ
২২: সুরাঃ হাজ্জ - অর্থ = মহাসম্মেলন
২৩: সুরাঃ মু'মিনুন - অর্থ =বিশ্বাসীগণ
২৪: সুরাঃ নূর - অর্থ =জ্যোতি
২৫: সুরাঃ ফুরক্বান - অর্থ =পার্থক্যকারী
২৬: সুরাঃ শু'আরা - অর্থ =কবিগণ
২৭: সুরাঃ নামল - অর্থ =পিপীলিক
২৮: সুরাঃ ক্বাসাস - অর্থ =কাহিনী
২৯: সুরাঃ আনকাবূত - অর্থ =মাকড়সা
৩০: সুরাঃ রূম - অর্থ =রোমান জাতি
৩১: সুরাঃ লুকমান - অর্থ =একজন প্রজ্ঞাবান
অলির নাম
৩২: সুরাঃ সাজদাহ - অর্থ =সিজদা
৩৩: সুরাঃ আহযাব - অর্থ =সংযুক্ত শক্তিসমূহ
৩৪: সুরাঃ সাবা - অর্থ =একটি নগরের নাম
৩৫: সুরাঃ ফাতির - অর্থ =আদিস্রষ্টা
৩৬: সুরাঃ ইয়াসিন - অর্থ =ইয়াসিন
৩৭: সুরাঃ সাফ্ফাত - অর্থ =সারিবদ্ধভাবে
দাঁড়ানো
৩৮: সুরাঃ সোয়াদ - অর্থ =একটি আরবি হরফ
৩৯: সুরাঃ যুমার - অর্থ =দলবদ্ধ জনতা
৪০: সুরাঃ মুমিন - অর্থ =বিশ্বাসী
৪১: সুরাঃ ফুসসিলাত (হামীম সিজদাহ)
-অর্থ =সুস্পষ্টবিবরণ।
৪২: সুরাঃ শূরা - অর্থ =পরামর্শ
৪৩: সুরাঃ যুখরূফ - অর্থ =স্বর্ণালংকার
৪৪: সুরাঃ দুখান - অর্থ =ধোঁয়া
৪৫: সুরাঃ জাছিয়াহ - অর্থ =নতজানু
৪৬: সুরাঃ আহক্বাফ - অর্থ =বালুর পাহাড়
৪৭: সুরাঃ মুহাম্মদ - অর্থ =সর্বশেষ নবী ও
রাসূলের নাম
৪৮: সুরাঃ ফাত্হ - অর্থ =বিজয়
৪৯: সুরাঃ হুজুরাত - অর্থ =বাসগৃহসমূহ
৫০: সুরাঃ ক্বাফ - অর্থ =একটি আরবি হরফ
৫১: সুরাঃ যারিয়াত - অর্থ =বিক্ষেপকারী
৫২: সুরাঃ তূর - অর্থ =তুর পর্বত
৫৩: সুরাঃ নাজম - অর্থ =তারকা
৫৪: সুরাঃ ক্বামার - অর্থ =চাঁদ
৫৫: সুরাঃ আর-রাহমান - অর্থ =পরম করুণাময়
৫৬: সুরাঃ ওয়াক্বিয়া - অর্থ =নিশ্চিত ঘটনা
৫৭: সুরাঃ হাদীদ - অর্থ =লোহা
৫৮: সুরাঃ মুজাদিলাহ - অর্থ =অনুযোগকারী নারী
৫৯: সুরাঃ হাশর - অঅর্থ =মহাসমাবেশ
৬০: সুরাঃ মুমতাহিনা - অর্থ =পরীক্ষা সাপেক্ষ নারী
৬১: সুরাঃ সাফ - অর্থ =সারিবদ্ধ সৈন্যদল
৬২: সুরাঃ জুমুআহ - অর্থ =সম্মেলন
৬৩: সুরাঃ মুনাফিকুন - অর্থ =কপট বিশ্বাসীগণ
৬৪: সুরাঃ তাগাবুন - অর্থ =মহা বিজয়
৬৫: সুরাঃ তালাক - অর্থ =বিচ্ছেদ
৬৬: সুরাঃ তাহরীম - অর্থ =নিষিদ্ধকরণ
৬৭: সুরাঃ মূলক - অর্থ =সার্বভৌম কর্তৃত্ব
৬৮: সুরাঃ ক্বালাম - অর্থ =কলম
৬৯: সুরাঃ হাক্ক্বাহ – অর্থ =নিশ্চিত সত্য
৭০: সুরাঃ মা'আরিজ - অর্থ =উন্নয়নের সোপান
৭১: সুরাঃ নূহ - অর্থ =হযরত নুহ (আঃ)
৭২: সুরাঃ জ্বিন - অর্থ =জ্বিনজাতি
৭৩: সুরাঃ মুয্যাম্মিল - অর্থ =কম্বল আবৃত নবী
৭৪: সুরাঃ মুদ্দাসসির - অর্থ =চাদর আবৃত নবী
৭৫: সুরাঃ ক্বিয়ামাহ - অর্থ =পুনরুত্থান
৭৬: সুরাঃ দাহর - অর্থ =মানবজাতি
৭৭: সরাঃ মুরসালাত - অর্থ=প্রেরিত পুরুষগণ
৭৮: সুরাঃ নাবা - অর্থ =মহা সংবাদ
৭৯: সুরাঃ নাযিয়াত - অর্থ =প্রচেষ্টাকারী
৮০: সুরাঃ আবাসা - অর্থ=তিনি ভ্রুকুটি করলেন
৮১: সুরাঃ তাকবীর - অর্থ=অন্ধকারাচ্
ছন্ন
৮২: সুরাঃ ইনফিত্বার - অর্থ =বিদীর্ণকরণ
৮৩: সুরাঃ মুতাফ্ফিফীন - অর্থ =প্রবঞ্চনা করা
৮৪: সুরাঃ ইনশিক্বাক্ব - অর্থ =চূর্ণবিচূর্ণকরণ
৮৫: সুরাঃ বুরূজ - অর্থ=নক্ষত্রপুঞ্জ
৮৬: সুরাঃ ত্বারিক্ব - অর্থ =রাতের আগন্তুক
৮৭: সিরাঃ আ'লা - অর্থ =সর্বোউপরে
৮৮: সুরাঃ গ্বাশিয়াহ্ - অর্থ =বিহ্বলকারী ঘটনা
৮৯: সুরাঃ ফাজর - অর্থ =ভোরবেলা
৯০: সুরাঃ বালাদ - অর্থ =নগর
৯১: সুরাঃ শামস - অর্থ =সূর্য
৯২: সুরাঃ লাইল - অর্থ=রাত্রি
৯৩: সুরাঃ দোহা - অর্থ =পূর্বাহ্নের সূর্যকিরণ
৯৪: সুরাঃ ইনশিরাহ - অর্থ =বক্ষ প্রশস্তকরণ
৯৫: সুরাঃ তীন - অর্থ =ডুমুর জাতীয় ফল
৯৬: সুরাঃ আলাক - অর্থ =রক্তপিণ্ড
৯৭: সুরাঃ ক্বদর - অর্থ =মহিমান্বিত
৯৮: সুরাঃ বাইয়্যিনাহ - অর্থ =সুস্পষ্ট প্রমাণ
৯৯: সুরাঃ যিলযাল - অর্থ =ভূমি কম্পন
১০০:সুরাঃ আদিয়াত - অর্থ =অভিযানকারী
১০১:সুরাঃ ক্বারি'আহ - অর্থ =মহা সংকট
১০২:সুরাঃ তাকাছুর - অর্থ =প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা
১০৩: সুরাঃ আসর - অর্থ =সময়/যুগ
১০৪: সুরাঃ হুমাযাহ - অর্থ =পরনিন্দাকারী
১০৫: সুরাঃ ফীল - অর্থ =হাতি
১০৬: সুরাঃ ক্বুরাইশ - অর্থ =একটি গোত্রের নাম
১০৭: সুরাঃ মা'ঊন - অর্থ =সাহায্য\সহযোগিতা
১০৮: সুরাঃ কাওসার - অর্থ =প্রাচুর্য
১০৯: সুরাঃ কাফিরূন - অর্থ =অবিশ্বাসী গোষ্ঠী
১১০: সুরাঃ নাসর - অর্থ =স্বর্গীয় সাহায্য
১১১: সুরাঃ লাহাব - অর্থ =জ্বলন্ত অঙ্গার
১১২: সুরাঃ ইখলাস - অর্থ =একত্ব
১১৩: সুরাঃ ফালাক্ব - অর্থ =নিশীভোর
১১৪: সুরা : নাস - অর্থ =মানুষ জাতি

07/05/2021

মুসলিম জাহানের খলিফা হযরত উমর (রাঃ) এর ঈদ শপিং!
ঈদের আগের দিন খলিফা উমরের (রা) স্ত্রী নিজ স্বামীকে বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’।
আরব জাহানের শাসক খলিফা উমর (রা) বললেন, ‘আমার তো নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’।
পরে খলিফা উমর (রা) তার অর্থমন্ত্রী আবু উবাইদা (রা) কে এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।
সমগ্র মুসলিম জাহানের খলিফা যিনি, যিনি সেই সময় প্রায় অর্ধেক পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পেয়ে আবু উবাইদার (রা) চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন আবু উবাইদা (রা) বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে।
প্রথমত, আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না?
দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও দেশের জনসাধারণ আপনাকে সেই মেয়াদ পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?’
চিঠি পাঠ করে খলিফা উমর (রা) কোন প্রতি উত্তর তো করলেনই না, বরং এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে আবু উবাইদার (রা) জন্য দোয়া করলেন- একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পেরেছেন ভেবে।

30/04/2021
22/11/2019

যখন ২০ বছরের যুবতী মেয়েটাকে পর্দা করার🌿 কারনে কেউ 'খালাআম্মা' ডাকে, আর ২০ বছরের যুবককে দাড়ি রাখার কারনে ' চাচা' সম্বোধন করে থাকে,তখন অনুভূতিটা কেমন লাগে?

অনেকের কাছে শুনতে খুবই খারাপ লাগে। আবার অনেকের শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।

তাই এখন আর খারাপ লাগে না।এই কথাগুলো যারা বলে তারা কিন্তু অন্য ধর্মের নয়।তারাও কিন্তু মুসলমান। তবে তারা কেমন মুসলমান তা আপনার কাছে পরিষ্কার।

আপনি তো আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য রাসূলের অনুসরণ করছেন। তাহলে আপনার খারাপ কেন লাগবে?

আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেনঃ

"যদি আল্লাহর ভালবাসা পেতে চাও,তবে রাসুলের অনুসরণ করো"
(সুরা ইমরানঃ ৩১)

আর আপনি সেটাই করছেন
আলহামদুলিল্লাহ

আর যারা খালাআম্মা বলে সম্মোধন করে তাদের আরও একটি বক্তব্য আছে..
এই গরমে এগুলো পড়ে থাকিস কিভাবে ?

তার জন্য পর্দা করা কষ্টকর। তবে আপনার জন্য সহজ, কারণ হলো
আল্লাহর ভালোবাসা যার অন্তরকে একবার স্পর্শ করেছে,পৃথিবীর সকল ভালোবাসা তার কাছে তুচ্ছ...
যারা দুনিয়ার গরমের অজুহাত দিয়ে পর্দা করছে না তারা হয়তো রাসুলের এই হাদীসটি জানে না।

রাসূল (স) এরশাদ করেছেনঃ

"জাহান্নামের আগুনের তাপ
দুনিয়ার আগুনের থেকে ৭০ গুণ বেশী
(তিরমিজী -২৫৯০)

পরিশেষে আমি মন্তব্যকারীদের একটা কথা বলতে চাই..

এতো দুনিয়া দুনিয়া কইরেন না (ভাই/বোন)এই দুনিয়ায় এক দিন আপনার সাথে ধোকাবাজি করবে !

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Telephone

+8801737120574

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Dawet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Islamic Dawet:

Shortcuts

Share