06/05/2026
১৯৯২ সাল এস এস সি ভাইদের ছবি
Shaheed Ramiz Uddin High school is an ancient educational institution in Dhaka cantonment established in 1939. Friendship of all ex & current students.
06/05/2026
১৯৯২ সাল এস এস সি ভাইদের ছবি
06/05/2026
আমাদের বিদ্যালয়ের দুটি পুরাতন ছবি। (সংগৃহীত), ঊপরের ছবিটি ২০০০ সাল এর আগের ও নিচের ছবিটী ২০০ সাল এর পরের ।
18/04/2026
যাকে স্মরণে না রাখলে SRCS এর ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। আজ সেই আবদুল মতিন ভাইয়ের ৪৪ বছরের চাকুরির অবসরজনিত বিদায়। আমরা তার অবসরজনিত জীবনে সুস্থতা কামনা করি।
13/04/2026
শুভ নববর্ষ! ১৪৩৩. Greetings of Bengali HAPPY New Year
RIME Fashions BD
Call : +8801686946243
12/04/2026
বাংলার প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় দারাসবাড়ী মাদ্রাসা ------
বাংলাদেশে আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানা রকম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন একটি জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসাবে পরিগণিত। এরকমই একটি আমাদের অনেকেরই কাছে নাম না জানা অপরিচিত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দারাসবাড়ি মসজিদ ও বাংলার প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় দারাসবাড়ি মাদ্রাসা।
এটি বাংলাদেশের প্রাচীন মাদ্রাসারগুলোর একটি। এখন থেকে প্রায় ৫০০ বছর পূর্বে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দীন শাহ ১৫০২ খ্রিস্টাব্দে ১লা রামাযানে তদান্তীনকালের বাংলার রাজধানী গৌড়ের "ফিরোজপুর" এলাকায় দারাস বাড়ী মাদ্রাসা নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। সুবিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অঞ্চল হতে শিক্ষার্থীরা এখানে সমবেত হতেন এবং গৌড়ের এই বিশ্ববিদ্যালয় হতে বুখারী ও মুসলিমসহ কুতুবে সিত্তাহ শিক্ষা দেওয়া হতো।
আবিদ আলী খান তাঁর "গৌড় ও পান্ডুয়ার স্মৃতিকথা" বইয়ে লিখেছেন দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে কুতুবে সিত্তাহ পড়ানো শুরু হয়। এরপর হুসেন শাহী আমলের পর অর্থাৎ ১৫৩৫ সালের পরে সোনারগাঁয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে কুতুবে সিত্তাহ পড়ানো শুরু হয়। মুহাম্মাদ বিন ইয়াযদান বখশ নামক এক আলেমকে দিয়ে ছহীহ বুখারী নকল করিয়ে ও ফার্সী ভাষায় তা অনুবাদ করিয়ে দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার গড়ে তোলা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সহায়তা নেয় সোনারগাঁয়ের আবু তাওয়ামার বিশ্ববিদ্যালয়। শেখ শারফুদ্দীন আবু তাওয়ামা (রহঃ) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এরই আদলে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলেন এবং যেখানে কুতুবে সিত্তাহর "কালাল্লাহ ও কালার রাসূল" গুঞ্জণ পুরো জাতিকে শিহরিত করেছিল।
যার ফলে এ শতাব্দীতে এসেও স্মৃতির মণিকোঠায় এখনও তার আবেদন রয়ে গেছে। দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ে হাদীছ শাস্ত্র,গণিত,তাফসীর,চিকিৎসা,
রসায়ন,সাহিত্য এবং সমসাময়িক সকল বিষয়ে পড়ানো হতো বলে জানা যায়। ১৯৭৩ সালে স্থানীয় লোকজন চাষাবাদের সময়ে স্থানীয়দের দ্বারা কালো পাথরের একটি শিলাঢিবি আবিষ্কৃত হয়। পরে ১৯৭৫ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন পরিচালনা করা হয়। এরপর উদ্ধার হয় মাটি নীচে চাপা পড়ে থাকা প্রাচীন জ্ঞান-বিজ্ঞানের "আতুড়ঘর" নামে পরিচিত এই বিশ্ববিদ্যালয়।
দারস (درس) অর্থ পাঠ - দারস+বাড়ি অর্থ যে বাড়িতে পাঠদান করা হয় অর্থাৎ পাঠশালা। দারস ও বাড়ি আরবী ও বাংলা শব্দ দুটি কালের আবর্তে কিঞ্চিত অপভ্রংশ হয়ে একক শব্দ দারাসবাড়িতে রুপান্তরিত হয়েছে। দারাসবাড়ি মাদ্রাসা তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় মানের পাঠদান কেন্দ্র ছিল। এ স্থাপনায় বর্গাকৃতির ছড়াছড়ি। বর্গাকার এ স্থাপনাটির প্রতিটি বাহু প্রায় ১৬৯ ফুট দীর্ঘ। ছাত্রদের ঘরগুলোও বর্গাকৃতির। পুরো স্থাপানার ঠিক মাঝখানে অধ্যক্ষ ছাহেবের অফিস ঘরটিও বর্গাকৃতির। পশ্চিম দিকে কোন প্রবেশ পথ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্গাকার চত্বরের পশ্চিম বাহু ব্যতীত অন্য বাহুতে এক সারি করে প্রকোষ্ঠ এবং তিন বাহুর মধ্যবর্তী একটি করে প্রবেশপথ রয়েছে। পশ্চিম বাহুর মধ্যবর্তী স্থানে পাশাপাশি তিনটি ছালাতের ঘর রয়েছে। ছালাতের ঘরের পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মেহরাব রয়েছে।
শোভাবর্ধক পোড়া মাটির ফলক ও নকশা করা ইট দিয়ে দেয়ালগুলো অলঙ্কৃত আছে। টিকে থাকা গড়ে প্রায় ৪ ফুট উঁচু দেওয়ালের উপরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ১ ইট পরিমাণ গাঁথুনি দিয়ে দেওয়ালটি টেকসই করার পদক্ষেপ নিয়েছে। দারাসবাড়ি দিঘীর এক পাড়ে মসজিদ এবং অন্য পাড়ে বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। এই মসজিদটি আকারে ছোট সোনা মসজিদের চেয়েও বড়। এখানে মোট কক্ষের সংখ্যা ৩৭টি। অধ্যক্ষের অফিস রুম মধ্যখানে ১টি। মাদ্রাসার মোট ৩টি দরজা রয়েছে,যা এর অবশিষ্টাংশে এখনো স্পষ্ট।
দারাসবাড়ি মসজিদ ও মাদ্রাসার অবস্থান ছোট সোনা মসজিদ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে। এর অবস্থান ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে,চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেলার ছোট সোনা মসজিদের সন্নিকটে। সোনা মসজিদ স্থল বন্দর থেকে মহানন্দা নদীর পাড় ঘেঁষে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ রাইফেলস-এর সীমান্ত তল্লাশী ঘাঁটি। এই ঘাটির অদূরে অবস্থিত দখল দরওয়াজা। দখল দরওয়াজা থেকে প্রায় এক কি.মি. হেঁটে আমবাগানের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়ে একটি দিঘী পার হয়ে দক্ষিণ পশ্চিমে ঘোষপুর মৌজায় দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান।
দীর্ঘদিন মাটিচাপা পড়ে ছিল এ মসজিদ। সত্তর দশকের প্রথমভাগে খনন করে এটিকে উদ্ধার করা হয়। মসজিদটি দীর্ঘকাল আগে পরিত্যাক্ত হয়েছে,বর্তমানে এর চারপাশে আছে গাছগাছালির ঘেরা। পরিচর্যার অভাবে এ মসজিদটি বিলীয়মান। ১৪৭৯ খ্রিস্টাব্দে "হিজরী ৮৮৪" সুলতান শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহের রাজত্বকালে তাঁরই আদেশক্রমে এই মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়। তার মানে এটি ছোট সোনা মসজিদের আগেই তৈরী হওয়া। শুরুতে এই মসজিদের নাম দারাসবাড়ী ছিল না। ফিরোজপুর নামে মসজিদ ছিল। ১৫০২ খ্রিষ্টাব্দে যখন সুলতান হোসেন শাহ্ কর্তৃক দারাসবাড়ী বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত হয়,তখন অত্র অঞ্চলের নাম দারাসবাড়ী নামে প্রসিদ্ধ লাভ করে। ফিরোজপুর জামে মসজিদ নাম হারিয়ে দারাসবাড়ী নাম ধারণ করে। উপরে ৯টি গম্বুজের চিহ্নাবশেষ রয়েছে উত্তর দক্ষিণে ৩টি করে জানালা ছিল।
এতদ্ব্যতীত পশ্চিম দেয়ালে পাশাপাশি ৩টি করে ৯টি কারুকার্য খচিত মেহরাব বর্তমান রয়েছে। এই মসজিদের চারপার্শ্বে দেয়াল ও কয়েকটি প্রস্তর স্তম্ভের মূলদেশ ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এই মসজিদের বিশেষত্ব হল এতে মহিলাদের ছালাত পড়ার ব্যবস্থা ছিলো। উত্তর পশ্চিম কোণে মহিলাদের ছালাতের জন্য পাথরের স্তম্ভ এবং তার উপরে আলাদা একটি ছাদ ছিল। প্রাচীন মসজিদ নিয়ে কাজ করার পর থেকে এই প্রথম মহিলাদের জন্য ব্যবস্থাসমৃদ্ধ একটি মসজিদ পেলাম।
দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়টি ও মসজিদ কীভাবে হারিয়ে যায় ও মাটির নিচে চাপা পড়ে এই ব্যাপারে সঠিক বক্তব্য পাওয়া যায় না। প্লেগ রোগের আবির্ভাবের পর গৌড় থেকে মানুষ পালিয়ে যায়। এরপর কোন এক সময় হয়তো ভূমিকম্পে মাটি চাপা পড়ে অনিন্দ্য এই স্থাপনাগুলো। বিশ্ববিদ্যালয় মাদ্রাসাটি বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেলার শিবগঞ্জ উপযেলার শাহবাজপুরে অবস্থিত।।
👉 সংগৃহীত ✍️📷 =====================
01/04/2026
পুরানো সেই দিনের কথা
25/03/2026
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা । HAPPY INDEPENDENCE DAY
www.powerengineersbd.org
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
আমাদের শ্রদ্ধেয় ইংরেজি শিক্ষক আব্দুর রউফ স্যার আজ সকাল বেলা ইন্তেকাল করেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর এই ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
মরহুমের জানাজা আজ বাদ আসর আল্লাহু জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।
26/01/2026
আগামী ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ আন্তঃ হাউজ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে আপনারা সবাই আমন্ত্রিত।
You are all invited to the closing day of the Inter House Annual Sports Competition on 27th January 2026.
15/12/2025
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
Greetings of Victory day of Bangladesh
13/03/2025
মাহে রামজান এর সুভেচ্ছা সবাইকে । Greetings of Mahe Ramadan .
web: www.powerengineersbd.org
FB : https://www.facebook.com/powerengineersbd19
LinkedIn : https://www.linkedin.com/company/power-engineers-bd/
Twitter ( X) : https://twitter.com/powerengineerbd