Food and Nutrition Science

Food and Nutrition Science

Share

education

22/09/2025

▪️চুল পড়ে?
দামী শ্যাম্পুর পেছনে টাকা খরচ করা ভুলে যান।
▪️ভুঁড়ি বেড়েছে?
পেটের মেদ কমাতে সার্জারি ভুলে যান।
▪️চোখে সমস্যা?
ডাক্তারদের দেওয়া ঔষধ ভুলে যান।
▪️চিকন?
হারবাল ঔষধ নয়, স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বাড়ান।

🌻 কারণ, ইসলাম আমাদের ১৪০০ বছর আগে থেকেই এইসব সমস্যার প্রাকৃতিক চিকিৎসার পথ শিখিয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ্।

🔲 চুলের ইসলামিক চিকিৎসা—
——————————————
▪️সিদর পাতা(বরই পাতা) যাকে লোত গাছ বলা হয়, বাংলাদেশে পরিচিত বেরি বা বরই বা কুল গাছ এর পাতা নামে এবং ইংরেজিতে Jujube leaves- রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর চিকিৎসা পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হতো পরিশুদ্ধি, চিকিৎসা, এমনকি মৃত ব্যক্তির গোসলের জন্যও।

— (সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ১২৫৩)।

এ পাতায় রয়েছে স্যাপোনিন, যা প্রাকৃতিকভাবে মাথার ত্বক পরিষ্কার করে, চুলের গোড়া মজবুত করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে- কোনো রাসায়নিক ছাড়াই।

🍯 ব্যবহারবিধি:

১) এক মুঠো শুকনো সিদর পাতা নিন।
২) গুঁড়া করে নিন।
৩) হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে পেস্ট বানান।
৪) মাথার ত্বক ও চুলে ২০-৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।

নিয়মিত ব্যবহার করুন এবং যদি বরই পাতাতে অ্যালার্জি থাকে তবে ব্যবহার করবেন না।

এটি শুধু চুল পড়া রোধই করে না, বরং চুল করে তোলে নরম ও মজবুত, খুশকি ও ক্ষতিগ্রস্ত চুল দূর করে। ১০০% প্রাকৃতিক, ০% রাসায়নিক।

🔲 পেটের মেদ কমাতে ইসলামিক চিকিৎসা—
———————————————————
▪️রাসূল (ﷺ) বলেছেন:
“চিকিৎসা আছে তিনটিতে—
১) মধুর একটি পান,
২) হিজামার ছিদ্র(কাপ্পার কাটা),
৩) এবং আগুন দিয়ে দাহ করা - কিন্তু আমি আমার উম্মতকে দাহ করা থেকে বিরত থাকতে বলি।”

— (সাহিহুল-বুখারী ৫৬৮১, সাহিহ মুসলিম ২২০৫)

▪️আর আল্লাহ জান্নাতে আদা উল্লেখ করেছেন:
“তাদের এমন এক পানীয় দেওয়া হবে, যার সাথে আদা (জিনগাবীল) মিশানো থাকবে।”

— (কুরআন ৭৬:১৭)

▪️কালো মরিচের সাথে মিলিয়ে (যা তিব্ব ও ইউনানি চিকিৎসায় স্বীকৃত), এই সহজ তিন-উপাদান পানীয়টি সাহায্য করে:

১)হজম ও বিপাক বাড়াতে,
২) ফোলাভাব ও Stubborn পেটের মেদ কমাতে,
৩) পুষ্টি শোষণ উন্নত করতে।

🍯 রেসিপি:

▪️১ কাপ গরম পানি,
▪️১ চা চামচ মধু,
▪️½ চা চামচ শুকনো আদা গুঁড়ো,
▪️এক চিমটি গোলমরিচ মিশিয়ে খালি পেটে প্রতিদিন পান করুন।

👨‍🔬 বৈজ্ঞানিক সমর্থন:

▪️মধু → ফ্যাট মেটাবলিজম উন্নত করে,
▪️আদা → অভ্যন্তরীণ চর্বি পোড়াতে এবং হজমে সাহায্য করে,
▪️গোলমরিচ চর্বি জমা রোধ করে।

🔲 ওজন বাড়াতে ইসলামিক চিকিৎসা—
—————————————————
▪️আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
রাসূলুল্লাহ (সঃ) আমাদেরকে তাজা খেজুর/طب/- রুতব ও শসা, قثاء - কিসসা/তলক খাওয়াতেন।

— সহীহ বুখারি (হাদীস ৫৪৪০), সহীহ মুসলিম (হাদীস ২০৪৩)

🌻 হিকমাহ (জ্ঞান ও উপকারিতা)—

🥔 খেজুর (খেজুর):
▪️প্রকৃতিগতভাবে উষ্ণ (Heaty Food) I
▪️প্রাকৃতিক চিনি (গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ) সমৃদ্ধ → দ্রুত শক্তি দেয় স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বাড়াতে সহায়ক।
▪️আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন সমৃদ্ধ রক্ত শক্তিশালী করে, হাড় ও মাংসপেশি মজবুত করে।
▪️আঁশ (Fiber) সমৃদ্ধ হজম শক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

🥒 শসা:
▪️প্রকৃতিগতভাবে ঠাণ্ডা ও প্রশান্তিদায়ক (Cooling Food)।
+ ৯৫% পানি সমৃদ্ধ শরীরে পানিশূন্যতা রোধ করে, খেজুরের উষ্ণতা ভারসাম্য রাখে।

▪️সিলিকা, পটাশিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ত্বক ও হজমের উন্নতি করে।
▪️হালকা ও সতেজ খাবার খেজুর খাওয়ার পর ভারীভাব দূর করে।

☞ ভারসাম্যের রহস্য:

▪️খেজুর দেয় শক্তি ও উষ্ণতা।
▪️শসা দেয় শীতলতা ও হাইড্রেশন।
▪️একসাথে খেলে শরীরের জন্য প্রাকৃতিক ভারসাম্য তৈরি হয়।
▪️শুধু খেজুর খেলে শরীরে বাড়তি উষ্ণতা আসতে পারে, কিন্তু শসা সেটি কমিয়ে দেয়।

👨‍🔬 ইসলামিক ও বৈজ্ঞানিক মিল—

🤝 হাদীসের এই সুন্নাহ আজকের আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞানও সমর্থন করছে।

▪️খেজুর → ক্ষুধা বাড়ায়, শক্তি দেয়, ওজন বাড়াতে সহায়ক।

▪️শসা → হজমে সাহায্য করে, শরীর ঠাণ্ডা রাখে, পানির ঘাটতি পূরণ করে।

দুটো মিলে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বাড়ানোর প্রাকৃতিক ডায়েট হিসেবে কাজ করে- কোনো কৃত্রিম সাপ্লিমেন্ট বা ক্ষতিকর কেমিক্যাল ছাড়াই।

সুবহানাল্লাহ! আজকের ডাক্তাররা যা পরামর্শ দেন, রাসূলুল্লাহ তা ১৪০০ বছর আগেই শিক্ষা দিয়ে গেছেন।

🍯 সুন্নাহ রেসিপি টিপস—

▪️খেজুর + দুধ (Prophet-ও দুধের সাথে খেজুর পছন্দ করতেন) সুন্নাহ শেক বানানো যায়।
▪️সাথে শসা খেলে ক্ষুধা বাড়ে, হজম ভালো হয়, ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বাড়ে।

🔲 চোখের সমস্যা সমাধানে ইসলামিক চিকিৎসা—
—————————————————————
▪️ট্রাফল ও তার উপকারিতা:

▪️হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, ট্রাফল আসমানি রিজিকের নিদর্শন।
এর পানি চোখের রোগ নিরাময়ে উপকারী এবং প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে।

🍯 ব্যবহারের পদ্ধতি:

১. চোখের জন্য:

ধুয়ে পিষে, ঠান্ডা পানি দিয়ে ২-৩ ঘণ্টা রাখুন। পানি ছেঁকে চোখে দিন, দিনে ১-২ বার। সর্বদা তাজা পানি ব্যবহার করুন।

২. খাদ্য হিসেবে:

পরিষ্কার করে হালকা রান্না বা কাঁচা খান। সুপ, ঝোল বা দুধে মেশানো যায়।

৩. সংমিশ্রিত ব্যবহার:

চোখের জন্য কোলের সঙ্গে মেশানো যায়। হজমের জন্য মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

⚠️ সতর্কতা!—

গুরুতর সংক্রমণে ডাক্তার দেখান। দূষিত বা পুরনো ট্রাফল ব্যবহার করবেন না। অতিরিক্ত খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।

🌻 অন্যান্য উপকারিতা:

▪️চোখের স্বাস্থ্য: লালভাব ও জ্বালা কমায়।

▪️পুষ্টি: প্রোটিন, ফাইবার ও খনিজসমৃদ্ধ।

▪️হজম: পেট ঠিক রাখে।

▪️প্রদাহবিরোধী ও নিরাময় ক্ষমতা:
হালকা সংক্রমণ ও ত্বকের সমস্যায় উপকারী।

📗হাদীসের রেফারেন্স:
(সহীহ আল-বুখারি ৫৭০৮, জামি' আত-তিরমিজি ২০৬৮)।

🗳️ বিশেষ দ্রষ্টব্য:
এই পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে হাদীসে বর্ণিত ট্রাফলের উপকারিতা শিখানোর উদ্দেশ্যে।
! লক্ষ্য করুন, বাংলাদেশে ট্রাফল পাওয়া যায় না।
মূলত এটি ইউরোপীয় দেশগুলোতে জন্মে এবং কিছু দেশে চাষ করা হয়।

বাংলাদেশে ব্যবহার করতে চাইলে আমদানি করা ফ্রোজেন/শুকনো ট্রাফল বা ট্রাফলের পাউডার/তেল ব্যবহার করতে হবে।

🌻এই পেইজটি আপনার জন্যই, ঘুরে আসুন।
শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ইসলামিক চিকিৎসা এবং ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের দিকনির্দেশনা, মাসআলা-মাসায়েল ও ইসলামিক শিক্ষনীয় গল্প সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন👍🌻🧡

📌 রূপচর্চা— ব্রণ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার প্রাকৃতিক ও ইসলিম নিয়ম নিচের লিংকে—
https://www.facebook.com/share/p/1MSMujd2MV/

🌻 ত্বকের জন্য তিব্বী নববীর রেসিপি—

1️⃣ ধারিরাহ্ দিয়ে ফোঁড়া/ব্রণ চিকিৎসা—
••——————————————••
📖 হাদিস:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রী আয়েশা (রা.)-এর আঙুলে ছোট ফোঁড়া দেখলেন এবং বললেন:

তোমার কাছে কি ‘ধারিরাহ’ আছে?
তিনি বললেন: জ্বী।
তখন নবী (সঃ) বললেন—
এটা লাগাও এবং এই দোয়া পড়ো - اللَّهُمَّ مُصَغْرَ الْكَبِيرِ وَمُكبّر الصَّغِيرِ صَغْرُ مَا بِي

বাংলা উচ্চারণ: “আল্ল-হুম্মা মুসাগ্গিরাল কাবীরি ওয়া মুকাব্বিরাস সাগীরি, সাগ্গির মা বী।”
এরপর ফোঁড়াটি ভালো হয়ে যায়।

— ফুতুহাতুর রাব্বানিয়‍্যাহ ৪/৪৮, ইবনে সুন্নি, ইবনে হাজর (রহ.)।

🍯রেসিপি:

ধারিরাহ গুঁড়া – ১ চা চামচ,
পানি/গোলাপজল – সামান্য
মিশিয়ে পেস্ট করে আক্রান্ত স্থানে লাগান। দোয়া পড়ুন। শুকালে ধুয়ে ফেলুন।

☞ উপকারিতা: ফোড়া শুকায়, প্রদাহ কমায়।

2️⃣ কালোজিরার তেল প্রদাহ ও ব্রণের জন্য—
••————————————————••
📖 হাদিস:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
“কালোজিরা মৃত্যু ছাড়া সব রোগের জন্য শিফা।”
— সহীহ বুখারী (৫৬৮৮), সহীহ মুসলিম (২২১৫)।

🍯রেসিপি:
কালোজিরার তেল কয়েক ফোঁটা,
অলিভ অয়েল – ১ চা চামচ,
মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগান। রাতে লাগিয়ে রাখলে ভালো কাজ করে।

☞ উপকারিতা: প্রদাহ কমায়, ব্রণ শুকায়।

3️⃣ মধুর মাস্ক - ক্ষত ও শুষ্ক ত্বকের জন্য—
••———————————————••
📗 কুরআন:
আল্লাহ (ﷻ) বলেছেন:
“তাদের (মৌমাছি) পেট থেকে এক পানীয় (মধু) বের হয়, যাতে মানুষের জন্য শিফা আছে।”
— সূরা নাহল – ৬৯

📖 হাদিস:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
“মধু খাও, কারণ এতে শিফা আছে।”
— সহীহ আল-বুখারী (৫৬৮৪)।

🍯রেসিপি:
খাঁটি মধু - ১ টেবিল চামচ,
(ঐচ্ছিক) কয়েক ফোঁটা লেবুর রস,
সরাসরি মুখে বা ক্ষতস্থানে লাগান, ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

☞ উপকারিতা: ক্ষত সারায়, ব্যাকটেরিয়া মারে, ত্বক মসৃণ করে।

4️⃣ দুধ/ছানা দিয়ে ত্বক পরিষ্কার—
••—————————————••
📖 হাদিস (ইশারা):
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
দুধে বরকত আছে, এটি খাবার ও পানীয় দুই-ই।
— সহীহ ইবনে মাজাহ (৩৩২৪)।

🍯রেসিপি:
কাঁচা দুধ / ছানা – ২ টেবিল চামচ,

তুলার বল—
তুলা ভিজিয়ে মুখ বা ত্বকে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

☞ উপকারিতা: ত্বক উজ্জ্বল ও কোমল রাখে।

5️⃣ সিদর / বড়ই পাতার ফেসপ্যাক—
••——————————————••
📖 হাদিস:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
“তোমরা তোমাদের মৃতদেরকে সিদর/বড়ই পাতার পানিতে গোসল করাও।”
— সহীহ মুসলিম (৯৪১)।

জীবিত মানুষের ক্ষেত্রেও সিদর / বড়ই পাতা গোসল, চিকিৎসা ও পরিশুদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হতো।

🍯রেসিপি:
শুকনো বড়ই পাতা গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,
পানি/গোলাপজল – প্রয়োজন মতো
মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানান, মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। শুকালে ধুয়ে ফেলুন।

☞ উপকারিতা: ত্বক পরিশুদ্ধ করে, অ্যালার্জি কমায়, ব্রণ ও
চুলকানি দূর করে।

সবগুলোই প্রাকৃতিক সাশ্রয়ী সুন্নাহ ভিত্তিক।
যারা সংবেদনশীল ত্বকের, আগে ছোট অংশে টেস্ট করবেন।

🌻--------------∞--------------🌻

🍁 প্রাকৃতিক উপায়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার ইসলামিক টিপস—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
ইসলামে বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শুধু প্রসাধনী ব্যবহার করাই নয়, বরং প্রাকৃতিক উপায়ে সৌন্দর্য ধরে রাখা এবং তা আল্লাহর দেওয়া উপহার হিসেবে সংরক্ষণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু ইসলামিক টিপস দেওয়া হলো, যা মেয়েদের চেহারার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে।

1️⃣ অজু করা - সৌন্দর্যের প্রথম শর্ত।
••—————————————••
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
অজুর মাধ্যমে মুখমণ্ডল ধৌত করলে, সেই অংশ থেকে পাপ ঝরে পড়ে।
— (সহিহ বুখারি)।

☞ উপকারিতা:
ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ থাকে।
ব্রণ ও কালো দাগ দূর হতে সাহায্য করে।
অজুর মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, যা ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখে।

2️⃣ যিকির ও দোয়া করা অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যের উৎস।
••—————————————————••
চেহারায় নূর বাড়ানোর জন্য নিয়মিত যিকির করা খুবই উপকারী।

দোয়া: اللَّهُمَّ كَمَا أَحْسَنْتَ خَلْقِي فَأَحْسِنُ خُلُقِي

অর্থ: “হে আল্লাহ! আপনি যেমন আমার আকৃতি সুন্দর করেছেন, তেমনই আমার চরিত্রও সুন্দর করুন।”
— (তিরমিজি, ৩৫৮৩)।

3️⃣ সুন্নতি খাবার গ্রহণ করা।
••———————————••
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যেসব খাবার খেতেন, সেগুলো স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যের জন্যও উপকারী।

▪️শহদ (মধু)।
আল্লাহ (ﷻ) বলেছেন,
“মধুতে রয়েছে মানুষের জন্য আরোগ্য।”
— (আল কুরআন, সূরা আন-নাহল: ৬৯)।

🎋 উপকারিতা: ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখে।

▪️আল-হাব্বাতুস সাওদা (কালোজিরা)।
রাসুল (সঃ) বলেছেন:
“এতে সকল রোগের নিরাময় আছে, শুধু মৃত্যুর ব্যতীত।”
— (সহিহ বুখারি)।

🎋 উপকারিতা: চেহারার দাগ কমায় এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

▪️তুমুর (খেজুর)।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
যে ব্যক্তি সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সে সারা দিন বিষ এবং জাদুর ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।
— (বুখারি, ৫৪৪৫)।

🎋 উপকারিতা: শরীরের ভেতর থেকে পুষ্টি যোগায়, ত্বক উজ্জ্বল করে।

4️⃣ পর্যাপ্ত পানি পান করা সুন্নতি অভ্যাস।
••———————————————••
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পানি পান করার ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে তিনবারে পান করতেন।

🎋 উপকারিতা:
▪️শরীরের টক্সিন দূর করে।
▪️ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে।
▪️চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

5️⃣ পর্যাপ্ত ঘুম চেহারার প্রশান্তির উৎস।
••——————————————••
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাতের প্রথম ভাগে শুয়ে পড়তেন এবং শেষ রাতের এক অংশে তাহাজ্জুদ পড়তেন।

🎋 উপকারিতা:
▪️ডার্ক সার্কেল ও ফোলাভাব দূর হয়।
▪️ত্বক সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকে

সৃষ্টি জগতের মধ্যে সর্বোচ্চ সৌন্দর্য আল্লাহ তা’আলা মানুষকে দিয়েছেন। তাই এ সৌন্দর্যকে বৃদ্ধি করার জন্য নির্দিষ্ট কোন আমল দেননি। তবে এই সৌন্দর্যকে বজায় রাখার জন্য উপরে কিছু টিপস দেয়া হয়েছে।

পরবর্তীতে চিকন, মোটা, চুলের, ত্বকসহ শরীরের সব সমস্যার ইসলামিক রেসিপি দেওয়া হবে ইংশাআল্লাহ্।

☞ শেয়ার দিয়ে টাইমলাইনে রেখে দিন।

▪️ডিপ্রেশন?
▪️জ্বীনের সমস্যা?
▪️ইসলামিক সমাধান দরকার?
▪️শরীরের বিভিন্ন রোগের ইসলামিক চিকিৎসা দরকার?
▪️তাহলে আমাদের পেইজকে Follow দিয়ে যুক্ত হয়ে যান।

❑ ইসলামিক পেইজ বলতে আসলে আমরা কি বুঝি?
আমাদের এই পেইজটা একবার হলেও ঘুরে আসুন এবং ফলো দিয়ে রাখুন। দুনিয়া ও আখেরাতের মহা-কল্যাণ সাধিত হবে ইংশাআল্লাহ্।

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

☞ আপনার যে কোনো সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের SMS করুন।

❑ পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

04/02/2025

কাপড় ধোয়ার পর চিপড়াতে গেলে শক্তি পান না, এই অভিযোগ লাখো নারীর।

এইটা সিম্পলি ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি থেকে হয়।

ক্যালসিয়ামের অভাবে আমরা মাসল স্কুইজ করতে পারি না, কন্ট্র‍্যাক্ট করতে পারি না। আর ভিটামিন ডি সরাসরি জড়িত শারীরিক শক্তির সাথে। ডি যার কম, তার পক্ষে কোন কিছুর ওপর শক্তি খাটানো কঠিন।

তাহলে আমাদের যে আপুরা এখন এই সমস্যা ফেইস করেন, তারা কি করবেন??

ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অর্থের অপচয়। কেন বললাম, দেখেন।

১)বাজারে বেশিরভাগ সাপ্লিমেন্ট থাকে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ফর্মে, এটার এবজর্পশন রেট ২৭% এর মত, তাও ৫০০ এমজির কম ডোজে। আমাদের সাপ্লিমেন্টগুলায় অবশ্য এলেমেন্টাল ক্যালসিয়াম এর সাথে, অনেকেরই পাকস্থলীতে এসিড কম থাকে। এসিড কম থাকলে কার্বোনেট টাইপ সাপ্লিমেন্ট খুব একটা উপকারে আসার কথা না উলটা কন্সটিপেশন তৈরি করবে।

২)খাবার থেকে ক্যালসিয়াম হজম করা বেশি সহজ। ২৫-৪৫% হচ্ছে এবজর্পশন রেট। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার সাধারনত কন্সটিপেশন তৈরি করে না যদি না রোগীর আগে থেকে ডাইজেস্টিভ প্রবলেম থাকে।

৩)সবচেয়ে ভাল ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট হল ক্যালসিয়াম সাইট্রেট। এটার এবজর্পশন রেট প্রায় ৩৫%। কিন্তু এটা খেলেও অনেকের গ্যাস হতে পারে।

এজন্য, ক্যালসিয়ামের অভাব দূর করতে হয় ইন্ডাইরেক্ট ওয়েতে।
অনেক খাবারেই দেখবেন ক্যালসিয়াম আছে ভালোই কিন্তু খাবারগুলায় যে ফর্মে ক্যালসিয়াম আছে তার এবজর্পশন রেট খুব একটা ভাল না।

সবার আগে তাই শুরু করবেন ভিটামিন ডি দিয়ে। আপনার ওজনকে ৭০ দিয়ে গুন করলে যত আইইউ হয়, তত আইইউ ভিটামিন ডি প্রতিদিন নেবেন ৩ মাস, যদি ডি লেভেল ৪০ এর কম থাকে।

এরপর ৫টা খাবারের যেকোন দুইটা রোজ খেতে চেষ্টা করবেন।

১)সানফ্লাওয়ার/পাম্পকিন/সিসেমি সিড-অন্তত ৩০ গ্রাম রোজ
২)মাছ-কাটাসহ-অন্তত ১২০ গ্রাম রোজ
৩)দুধ বা দই-এক কাপ-রোজ
৪)সবুজ শাক-৩৫০+ গ্রাম-রোজ
৫)কাঠবাদাম-৩০-৩৫ গ্রাম-রোজ

07/07/2024

আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল পুষ্টিগুনে এই ফলের জুড়ি নেই।

কাঁঠালের পাশাপাশি এর বিচিও পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এর বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। কাঁঠালের বিচি রান্না করে বা ভেজে খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া সেদ্ধ করে, স্যুপ বা তরকারিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।কাঁঠালের বিচির পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে কিছু তথ্য নিম্নে দেওয়া হল:
স্বাস্থ্য উপকারিতা:
১.হজম উন্নতি: উচ্চ ফাইবার উপাদান থাকার কারণে এটি হজম প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।

২.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ভিটামিন সি থাকার কারণে এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।কাঁঠালের বিচিতে ভিটামিন এ, সি এবং বি গ্রুপের ভিটামিন (বিশেষ করে বি৬) থাকে।

৩.রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ: আয়রন উপাদান থাকার ফলে এটি রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪.হার্টের সুস্থতা: এতে থাকা পটাসিয়াম হার্টের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
৫.ওজন নিয়ন্ত্রণ: ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে।কাঁঠালের বিচি প্রোটিনের ভালো উৎস। এটি শরীরের পেশি গঠনে সহায়ক।

৬.অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ: এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের ফ্রি র‍্যাডিক্যাল থেকে সুরক্ষা দেয় এবং বার্ধক্য রোধে সহায়তা করে।
৭.এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শক্তি জোগায়।

পুষ্টিবিদ আয়েশা আক্তার
সেভ জেনারেল হসপিটাল
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন: 01752893964
Online appointment- -https://doctorkoi.com/doctor/ba37928f-4d9c-4ca1-94cc-3eeb8b2c24ba

01/06/2024

https://www.facebook.com/100084045740327/posts/454588990685955/?app=fbl

অন্ধত্ব থেকে বাঁচাতে ও শিশু মৃ'ত্যুহার কমানোর লক্ষ্যে শনিবার (১ জুন) দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে ....

বিস্তারিত : https://www.somoynews.tv/news/2024-06-01/0utXQtsu

14/02/2024

ডিম, ফুলক্রিম দুধ, মার্জারিন , ঘি, মাংসের চর্বি,ডালডা ,ক্রিম ইত্যাদি সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে,অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খাদ্য তালিকায় যোগ করুন।
অসম্পৃক্ত চর্বি যেসব খাবারে পাওয়া যায়-
বিভিন্ন ধরনের বাদাম,বীজ, সামুদ্রিক মাছ এছাড়াও
অলিভ ওয়েল,সূর্যমুখী তেল, সয়াবিন তেল , বাদাম তেল, সরিষার তেল হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
সম্পৃক্ত চর্বি বাদ দিয়ে অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করুন সুস্থ থাকুন।

আয়েশা আক্তার
পুষ্টিবিদ,সেভ জেনারেল হাসপাতাল.
সিটি ডেভেলপার্স লিঃ,বছিলা, মোহাম্মদপুর।
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন
01752893964

15/08/2023
08/08/2023

শিশুদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে করণীয়-
- প্রত্যেকদিন পাকা কলা খাওয়ানো।
-একবারে বেশি খাবার না খাওয়ানো।
-খাবার খাওয়ার সময় পানি না খাওয়ানো। খাওয়ার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে এবং পরে পানি খাওয়া উচিত।
-শিশুর খাবারের প্রসেসফুড ব্যবহার না করা।

-খাদ্য তালিকায় দই রাখা।
দইয়ে রয়েছে প্রচুর উপকারী ব্যাকটেরিয়া যা শিশুর পরিপাক ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
-মাংস জাতীয় খাবারের সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি দেওয়া।
-স্বাস্থ্যসম্মত পুষ্টিকর খাবারের মেনু করা। এক্ষেত্রে শিশুর পিতা-মাতা একজন পুষ্টিবিদের সাহায্য নিতে পারেন।

23/05/2023

আম কিনতে গেলে প্রথমেই খেয়াল করুন আমের গায়ে কষ লেগে আছে কিনা!

গরমের এই সময়ে বাজারে আম উঠতে শুরু করে। বাজারে বিভিন্ন রকম আম পাওয়া যায়। নানা জাতের আমের ভিড়ে ভালো আম নির্বাচন করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়। আমরা যারা ক্রেতা আছি তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোন আমটা ভালো আর কোনটা খারাপ সেটা বুঝতে পারিনা। আর সেই সুযোগ নিয়ে বিক্রেতারা আমাদের প্রতারিত করেন। তাই আজ আপনাদের ফলের রাজা আমকে ভালোভাবে চেনার উপায় জানাবো--

আম ভালো কিনা,সতেজ কিনা সেটা বোঝার প্রথম উপায় হচ্ছে ঘ্রান। আম সতেজ আছে কিনা তা বুঝার জন্য ঘ্রাণশক্তির উপর ভরসা রাখতে হবে। একেক আমের একেক রকম ঘ্রান। সেই ঘ্রান চেখে আম চিনতে হবে। আমের বোটার নিকট থেকে মিষ্টি গন্ধ বের হলে তখনই সেই আম কিনুন। তবে টক গন্ধ বা অন্য কোনো করা গন্ধ বের হলে তা কিনবেন না।

আমের গায়ে আঙুল দিয়ে টিপে দেখুন। যদি আঙুলের টিপে আমে গর্ত হয় তবে সেই আম কিনবেন না। ভালো আম আলতো করে চাপ দিলে নরম অনুভব হবে কিন্তু আঙুলের চাপে গর্ত হয়ে যাবেনা। তবে বাসায় রেখে খেতে চাইলে একটু শক্ত আম কিনতে পারেন।

আম কেনার ক্ষেত্রে নিটোল ও দাগহীন আম কিনবেন। খোসা কুঁচকে গিয়ে থাকলে সেই আম কিনবেন না। সব সময় রং বিশেষকে গুরুত্ব দিবেন না। লাল, সোনালি হলুদ, সবুজ, কমলা যেকোনো রঙের আম দেখতে সুন্দর হলে কিনতে পারেন।

অনেক সময় গাছ থেকে আম ছিঁড়তে গেলে আমের গায় কষ লেগে যায়, এই আম অনেক ভালো হয়। কেননা, এ ধরনের আম গাছ পাকা হয়ে থাকে।

বাজারের অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রতারনার হাত থেকে বাঁচতে এই বিষয় গুলো জানা খুবই জরুরি।

ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Baridhara
Dhaka