মনো ভাবনা।
The ARROW
University & Recruitment Test English
17/10/2025
হক কথা😭
25/06/2025
Time Management..Make Sure
দোয়া কবুল হওয়ার ২৯টি স্থান, ক্ষেত্র ও সময়ঃ
১)সুরা ফাতিহা পাঠ করার পর, সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়।(মুসলিম-৮০৬)
২) অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য দু'আ, কোন মুসলিমের অগোচরে অন্য মুসলিমের জন্য দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (মুসলিম-৬৮২২)
৩) জালিমের বিরুদ্ধে মাজলুম ব্যক্তির দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-৩৪৪৮)
৪) মা-বাবা তার সন্তানের জন্য দু'আ করলে দোয়া কবুল হয়। (তিরমীযি-৩৪৪৮)
৫) নেককার সন্তানের দু'আ কবুল হয়। (বাবা-মায়ের জন্য তাদের মৃত্যুর পর)। (আবু দাউদ-২৮৮০)
৬) আরাফাতের ময়দানে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-৩৫৮৫)
৭) বিপদগ্রস্ত অসহায় ব্যক্তির দু'আ তাড়াতাড়ি কবুল হয়। (সূরা নমল৬২,৫৭ ও সূরা ইসরার ৬৭ নাম্বার আয়াত)
৮) সেজদায় দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (নাসায়ী১০৪৫)
৯) হজ্জের স্থানসমূহের দু'আ তাড়াতাড়ি কবুল হয়। যেমন: আরাফাহ, মুজদালিফা, মিনা...। (ইবনে মাজাহ-২৮৯২)
১০) হজ্জ করা অবস্থায় হাজ্জীর দু'আ কবুল হয়। (ইবনে মাজাহ-২৮৯৩)
১১) উমরাহ করার সময় উমরাহকারীর দু'আ কবুল হয়। (নাসায়ী-২৬২৫)
১২) আযানের পর দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-২১০)
১৩) ক্বিতাল চলাকালীন সময় দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (আবু দাউদ-২৫৪০)
১৪) বৃষ্টি বর্ষণকালে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (আবু দাউদ-২৫৪০)
১৫) শেষ রাতের দু'আ, তাহাজ্জুদের সময়কার দু'আ কবুল হয়। বুখারী-১১৪৫)
১৬) জুম্মার দিনে দু'আ কবুল হয়, আসরের শেষ দিকে তালাশ করার জন্য নির্দেশ আছে। (নাসায়ী-১৩৮৯)
১৭) লাইলাতুল ক্বদরের রাত্রির দু'আ কবুল হয়। (বুখারী ও মুসলিম)
১৮) আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়কার দু'আ কবুল হয়। (আহমাদ-১৪৬৮৯, মুসলিম-৬৬৮)
১৯) ফরয সালাতের শেষ অংশে দু'আ করলে কবুল হয়। (সালাম ফিরানোর আগে)। (রিয়াদুস স্বালেহীন ১৫০৮, তিরমীযি-৩৪৯৯)
২০),মুসাফিরের দু'আ কবুল হয়। (সফর অবস্থায়)। (তিরমীযি-৩৪৪৮)
২১) রোজাদার ব্যক্তির দু'আ কবুল হয়। (রোজা অবস্থায়)। (ইবনে মাজাহ-১৭৫২)
২২) ন্যায়পরায়ণ শাসকের দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-২৫২৬)
২৩) দু'আ ইউনুস পাঠ করে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-৩৫০৫) দোয়া ইউনুস: লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতুম মিনাজ জোয়ালিমীন।
২৪) ইসমে আযম পড়ে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (ইবনে মাজাহ-৩৮৫৬)
ইসমে আযম: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস-আলুকা বি-আন্না লাকাল হামদু লা ইলাহা ইল্লা আন্তা ওয়াহ'দাকা লা-শারীকা লাকাল মান্না-ন। ইয়া বাদীআস সামা-ওয়াতি ওয়াল - আরদ্বি ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম। ইয়া হা'ইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম। (নাসাঈ-১৩০০)
[হাদিস শরীফে মোট তিনটি ইসমে আযম এসেছে, যে কোন একটি পড়লেই হবে, তবে এটিই বেশি প্রচলিত]
২৫) বিপদে পতিত হলে যে দু'আ পড়া হয় (ইন্না লিল্লা-হি... রাজিউন) এবং (আল্লা-হুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি ওয়া ওয়াখলিফলী খইরাম মিনহা...) তখন দু'আ কবুল হয়। (মিশকাতুল মাসীবাহ-১৬১৮, মুসলিম -৯১৮)
২৬) জমজমের পানি পান করার পর দু'আ করলে কবুল হয়। (ইবনে মাজাহ-৩০৬২, আহমদ৩/৩৫৭)
২৭) নির্যাতীত ব্যাক্তি দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-৩৪৪৮) ২৮) যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ চাইবে (দোয়া করবে), কেননা সে একটি ফেরেশতা দেখেছে। (বুখারী (ফাতহুল বারীসহ), ৬/৩৫০, নং ৩৩০৩; মুসলিম, ৪/,২০৯২, নং ২৭২৯)
২৯) দু'হাত তুলে দোয়া করা, কারণ আল্লাহ বান্দার খালি হাত ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। (আবু দাউদ-১৪৮৮)
হে আল্লাহ! আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দোয়া করার তাওফিক দিন। আমীন
🤲🌺
26/05/2025
Graph Chart HSC
নিচে ৫০টি ফ্রি AI টুলের তালিকা বাংলা সিরিয়াল নাম্বারসহ দেওয়া হলো, যেগুলো আপনার কাজকে ১০ গুণ দ্রুত করতে সাহায্য করবে —
১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।
এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।
15/04/2025
“Tough times create strong men, strong men create easy times, easy times create weak men, weak men create tough times”
"কঠিন সময় শক্তিশালী মানুষ তৈরি করে, শক্তিশালী মানুষ সহজ সময় তৈরি করে, সহজ সময় দুর্বল মানুষ তৈরি করে, আর দুর্বল মানুষ আবার কঠিন সময় তৈরি করে।"
এটা মূলত একটি চক্র বোঝাতে চায়—যেখানে সময় এবং মানুষের চরিত্র একে অপরকে প্রভাবিত করে। কঠিন সময় মানুষকে সংগ্রামী ও মজবুত করে তোলে, কিন্তু যখন সেই শক্তিশালী মানুষ সমাজে শান্তি ও স্বাচ্ছন্দ্য আনে, তখন মানুষ আর তেমন সংগ্রাম করতে হয় না—ফলে তারা দুর্বল হয়ে পড়ে, আর সেই দুর্বলতা আবার সমাজে নতুন করে সংকট সৃষ্টি করে।
আয় সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে:
1. একটিভ ইনকাম
2. প্যাসিভ ইনকাম
3. পোর্টফোলিও ইনকাম
✍️১. একটিভ ইনকাম
একটিভ ইনকাম মানে হচ্ছে এমন আয় যা আপনি সরাসরি পরিশ্রম এবং সময় দিয়ে উপার্জন করেন। যেমন: চাকরি, ব্যবসা, অথবা এমন কোনো কাজ যা আপনি যতটুকু সময় দেবেন, ততটুকু আয় করবেন।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একটি দোকান চালান, তবে আপনি যতক্ষণ দোকান চালাবেন, ততক্ষণ আয় হবে; কিন্তু যদি আপনি দোকানে না যান, তবে আয় হবে না।
এই ধরনের আয় বেশিরভাগ মানুষের কাছে সহজ এবং দ্রুত মনে হয়। এটি সাধারণত সবার কাছে পরিচিত একটি মাধ্যম, এবং বেশিরভাগ মানুষ একটিভ ইনকামের দিকে ছুটে চলে। উদাহরণস্বরূপ, চাকরি পাওয়া, মাসে নির্দিষ্ট স্যালারি পাওয়া, কিংবা ছোটখাটো ব্যবসা করা। কিন্তু এই ধরনের আয় সীমিত, কারণ আপনি যতটুকু পরিশ্রম করবেন, ততটুকু আয় হবে। আর একজন মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০-১২ ঘণ্টা পরিশ্রম করতে পারে, এর বেশি নয়।
যত বড় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অভিনেতা হোন না কেন, একটিভ ইনকামে আপনি সর্বোচ্চ কতটুকু আয় করতে পারেন? এর পরিমাণ নির্দিষ্ট, এবং এক সময় আপনি সেই সীমার মধ্যে আটকে পড়বেন। তাই, একটিভ ইনকাম দীর্ঘমেয়াদী ধন-সম্পদ গড়ার জন্য যথেষ্ট নয়।
✍️২. প্যাসিভ ইনকাম
প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে এমন আয় যা আপনি কাজ না করেও উপার্জন করতে পারেন। অর্থাৎ, আপনি ঘুমাচ্ছেন, বা অন্য কোনো কাজ করছেন, তবুও আপনার আয় চলতে থাকে। যারা প্যাসিভ ইনকাম তৈরি করেন, তারা অনেক সময় ধনী হয়ে ওঠেন। কারণ, প্যাসিভ ইনকামের একটা বড় সুবিধা হলো, এটি সময়ের সাথে বৃদ্ধি পায় এবং কখনো থেমে যায় না।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি একটি বাড়ি ভাড়া দেন, তবে আপনি প্রতি মাসে ভাড়া পাবেন, আর আপনাকে বাড়ির দিকে কোনো বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে না। এছাড়া বই লেখা, ইউটিউব চ্যানেল চালানো, ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করা, ফেসবুক পেজ বা ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ (Cost Per Action) এই সবই প্যাসিভ ইনকামের উদাহরণ।
প্যাসিভ ইনকাম শুরু করা সহজ নয়, কারণ এর জন্য প্রথমে কিছু সময় এবং পরিশ্রম দিতে হয়। আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেন, তবে প্রথম কয়েক মাস হয়তো আপনি আয় পাবেন না, কিন্তু একসময় যখন আপনার ভিডিওগুলো জনপ্রিয় হবে, তখন আয় আসতে থাকবে। অনেক সময়, এই ধরনের ইনকাম শুরু করতে কিছু পুঁজি এবং পরিকল্পনা প্রয়োজন।
এ কারণে অধিকাংশ মানুষ প্যাসিভ ইনকাম এর প্রতি আগ্রহী নয়, এবং তারা একটিভ ইনকামে আটকে থাকে। তবে যাদের প্যাসিভ ইনকাম থাকে, তারা কখনো অর্থ কষ্টে পড়েন না, কারণ তাদের আয় কখনো বন্ধ হয় না। তাই, যদি আপনি জীবনে সফল হতে চান, তবে একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকামের উৎস তৈরি করুন।
✍️৩. পোর্টফোলিও ইনকাম
পোর্টফোলিও ইনকাম হল সেই আয় যা মূলত ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে আসে। যারা টাকা আছে, তারা সেই টাকা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করে আয় করেন। এই ধরনের ইনকামের জন্য তাদের কোনও কঠোর পরিশ্রম করতে হয় না।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি শেয়ার বাজারে বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এছাড়া, আপনি যদি কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে সেই ব্যবসা থেকে আয় পাবেন, যদিও আপনার কোনও সরাসরি অংশগ্রহণের প্রয়োজন নেই।
ধনী মানুষ সাধারণত এই ধরনের ইনভেস্টমেন্টে অর্থ রাখেন। কারণ, ব্যাংকে টাকা রাখলে, আসল অর্থের মূল্য দিন দিন কমে যায়। অর্থাৎ, সময়ের সাথে সাথে আপনার টাকা ক্ষয় হতে থাকে। তবে, যদি আপনি সেই টাকা শেয়ার বাজারে, মিউচুয়াল ফান্ডে বা কোনো ভালো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনার টাকা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন।
যারা পোর্টফোলিও ইনকামে আগ্রহী নয়, তারা হয়তো জানেন না যে বিনিয়োগের মাধ্যমে কীভাবে তারা তাদের সম্পদ বৃদ্ধি করতে পারেন।
২০-৮০ সিস্টেম এবং আপনার ভবিষ্যৎ আপনার যদি প্যাসিভ ইনকাম কিংবা পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি আগ্রহ না থাকে, তাহলে আপনি হয়তো ২০-৮০ সিস্টেমে আটকে যাবেন। এই সিস্টেম অনুযায়ী, ২০% মানুষ ধনী হয়, এবং ৮০% মানুষ গরিব থাকে। পৃথিবীর সম্পদের বড় একটা অংশ ২০% মানুষের কাছে থাকে।
এই কারণে, আপনি যে প্রফেশনে আছেন না কেন, চেষ্টা করুন প্যাসিভ ইনকাম শুরু করতে। আপনি যদি শুধুমাত্র একটিভ ইনকামে আটকে থাকেন, তবে আপনার আয় এক সময় সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। আর প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম না থাকলে, আপনি সেই ৮০% মানুষের মধ্যে পড়ে যাবেন, যারা সারাজীবন অর্থ কষ্টে ভুগবে।
তাই, আজ থেকেই আপনার আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করুন এবং একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম তৈরি করুন।
আপনার ভবিষ্যত সুরক্ষিত হবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন।
উদাহরণ আরও কিছু:
- বই লেখা: আপনি যদি একটি বই লিখে প্রকাশ করেন, তবে প্রতি বিক্রির সাথে আপনাকে কিছু পরিমাণ আয় হবে, যা অবিরাম চলতে থাকবে।
- ইনভেস্টমেন্ট: আপনি যদি স্টক মার্কেট, রিয়েল এস্টেট অথবা কিপট (Crypto) মার্কেটে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনি প্যাসিভ ইনকাম উপার্জন করতে পারবেন।
- অনলাইন কোর্স তৈরি করা: আপনি যদি কোনো বিশেষ বিষয়ে দক্ষ হন, তাহলে আপনি একটি অনলাইন কোর্স তৈরি করতে পারেন, যা মানুষ কিনে নেবে এবং আপনাকে অবিরাম আয় এনে দিবে।
সুতরাং, জীবনে সফল হতে এবং ধনী হতে হলে, একটিভ ইনকাম ছাড়াও প্যাসিভ ইনকাম এবং পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি মনোযোগ দিন।
11/04/2025
Investment Summit 2025
💥একজন ভালো সেবিকার গুণাবলি
• যত্নবান প্রকৃতি
• জোরালো মনোভাব
• পারিপার্শ্বিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান নির্ণয়
• আবেগপ্রবনভাবে অটল
• গ্রহনযোগ্যতা
• কঠোর পরিশ্রম
• দ্রুত চিন্তাকারী
• শারীরিক সহিষ্ণুতা
• উপযুক্ত সিদ্ধান্ত
• ভালো যোগাযোগ দক্ষতা
📉উপরের গুণাবালিগুলো কি তোমার আছে বলে মনে হয়? নিজেকে একবার প্রশ্ন করো। যদি থাকে, তবে নার্সিং পেশাটি শুধুমাত্র তোমার জন্য।
আর এই নার্সিং পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করতে প্রথম ধাপটিই হচ্ছে নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। বলছি, বিএসসি ইন নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার কথা।
বিএসসি ইন নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায়
• বাংলা- ২০ নম্বর
• ইংরেজিতে- ২০ নম্বর
• গণিত- ১০ নম্বর
• বিজ্ঞান- ৪০ নম্বর(জীববিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন) ও
• সাধারণ জ্ঞানে~ ১০ নম্বর অর্থাৎ মোট ১০০ নম্বরের MCQ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
অবশ্যই মনে রাখবে, বিএসসি ইন নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিষয় অর্থাৎ জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিন বিষয় থেকে প্রশ্ন হবে।
“জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বুয়েট”
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পড়ে বুয়েটে যে রেগুলার মাস্টার্স করার সুযোগ আছে এ বিষয়ে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী অবগত নয় । আমিও জানতাম না কিন্তু অনার্স ২য় বর্ষে পড়াকালীন একটা ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারি, আশুতোষ নাথ নামের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে অনার্স শেষ করা এক ভাই যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ম্যাসাচুসেটস এ ফুল ফান্ড পিএইচডি অফার পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তখন জাতীয় দৈনিক, মিডিয়া, স্যোশাল মিডিয়ায় খুবই আলোচনা হয়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি , তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে অনার্স পড়েছেন সত্য। কিন্তু, তিনি বুয়েট থেকে রসায়নে মাস্টার্স করেছেন !!
বিষয়টা নিয়ে খুবই আগ্রহ জন্ম হলো। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, কেবল রসায়ন নয়, অন্যান্য ইন্জিনিয়ারিং বিষয়গুলোর সাথে বুয়েটে গণিত, রসায়ন, পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে রেগুলার মাস্টার্স করার সুযোগ রয়েছে। কেবল বুয়েটই নয় সেই সাথে চুয়েট, কুয়েট, রুয়েট, ডুয়েটও গণিত বিভাগে রেগুলার মাস্টার্স করার সুযোগ রয়েছে।
প্রশ্ন হতে পারে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো মাস্টার্স করার আসলেই কোনো বেনিফিট আছে কিনা?
• এই প্রশ্নটার উত্তর নির্ভর করছে যার যার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার প্লানিং এর উপর।
উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাস্টার্স প্রোগ্রামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, মাস্টার্স থিসিস। এখানে থিসিস ম্যান্ডেটরি। যেমন বুয়েটে টোটাল ৩৬ ক্রেডিট এর ১৮ ক্রেডিট কোর্সওয়ার্ক , বাকি ১৮ ক্রেডিট থিসিস। থিসিসে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় এখানে। থিসিস সম্পর্কে অনেকের ধারণা না থাকতে পারে, সে বিবেচনায় মোটামুটি ধারণা দেওয়ার জন্য এক কথায় এটাকে আমরা রিসার্চ হিসেবে ধরে নিতে পারি। খুবই ভালো মানের থিসিস এখানে হয়, এবং পরিশ্রমী, সিনসিয়ার সকলেরই একাধিক রিসার্চ পেপার আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়। ভবিষ্যতে বাহিরে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এই রিসার্চ পেপারগুলো, এডমিশন এবং ফান্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বুয়েটে মাস্টার্স রিলেটেড বেসিক কিছু তথ্য আমি এখানে দিচ্ছি
১. উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাস্টার্স প্রোগ্রাম রেগুলার প্রোগ্রাম কিনা?
=> জ্বি। উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাস্টার্স সম্পূর্ণ রেগুলার মাস্টার্স প্রোগ্রাম।
২.ভর্তির প্রক্রিয়া কী?
=> বুয়েট পোস্ট গ্রাজুয়েশন এডমিশনে গণিত বিভাগে ১০০ মার্কস এর ভর্তি পরীক্ষা নেয়। অনার্সের রেজাল্টের উপর ৫০ মার্কস এবং রিটেনের পরীক্ষার উপর ১০০, মোট ১৫০ মার্কস এর উপর মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হয়।
৩. প্রতি সেমিস্টারে সাধারণত কতজন নিয়ে থাকে?
=> তুলনামূলক কম সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়। এজন্য এটি খুবই কম্পিটিটিভ । এমএসসি তে প্রতি সেশনে সাধারণত ১৫ - ২০জন, এমফিলে ১০ - ১২ জন, পিএইচডিতে ৮ - ১০ জন নেওয়া হয়।
৪. বুয়েটে পোস্ট গ্রাজুয়েশনে কি শুধু এমএসসি করা যায়?
=> বুয়েট পোস্ট গ্রাজুয়েশনে এমএসসি /এমফিল/পিএইচডি/পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিপ্লোমা সহ বেশ কিছু ডিগ্রি অফার করে। একই প্রশ্নে ভর্তি পরীক্ষা হয়।
৫.পরবর্তী সার্কুলার কবে হবে?
=> আগামী এপ্রিলে সার্কুলার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৬.ভর্তীর জন্য নুন্যতম সিজিপিএ কতো থাকতে হবে?
=> ২.৫০/৪ থাকলেই আবেদন করতে পারবেন তবে ডিপার্টমেন্ট থেকে সর্ট লিস্ট করে রিটেন পরীক্ষার জন্য তালিকা প্রকাশ করে। সাধারণত ৩.০০ এবং সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলেই রিটেন পরীক্ষার জন্য শর্টলিস্টেড হওয়া যায়।
৭. এমএসসি করতে কত বছর লাগে?
=> এমএসসি ১.৫ বছরের কোর্স। যত তাড়াতাড়ি থিসিস শেষ হবে তত তাড়াতাড়ি ডিগ্রি পাওয়া যাবে। বেশিরভাগই ২ বছর লেগে যায়, তবে সিরিয়াস থাকলে এর আগেও সম্ভব, থিসিসের কাজে অবহেলা করলে এর চেয়ে বেশিও লাগতে পারে।
১০. এমএসসির খরচ, হল সুবিধা,বিদেশে উচ্চ শিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ সম্পর্কেঃ
প্রথমে আসি খরচঃ
1️⃣ ১ম সেমিস্টারে, ভর্তি ফি কোর্স রেজিষ্ট্রেশন ফি সহ সব খরচ মিলিয়ে দিতে হবে ৩২৩৭ টাকা
2️⃣ ২য় সেমিস্টারে, কোর্স রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ মোট দিতে হবে ১৭৩৭টাকা
3️⃣ ৩য় সেমেস্টারে, কোর্স রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ ১৭৩৭ টাকা
মোট খরচঃ ৬৭১১ টাকা যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর কোন সরকারি কলেজ বা দেশের যে কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে কম।
হল সুবিধা:
বুয়েটে "ফুলটাইম স্টুডেন্ট" হলে রেজাল্টের ভিত্তিতে আপনি হলে থাকার সুযোগ পাবেন। রেজাল্ট কিছুটা কম হলেও ২য় সেমিস্টার পর্যন্ত প্রায় সকলেই হল পেয়ে যায়। আমি প্রথম সেমিস্টার থেকেই আল্লাহ রহমতে হল পেয়েছি।
বুয়েটে পড়াকালীন বিভিন্ন আর্থিক সুবিধাসমূহ:
১. রিসার্চ ফেলোশিপঃ-
এমএসসি, এমফিল, পিএইচডি তে বুয়েটে প্রথম সেমিস্টারের রেজাল্টের ভিত্তিতে ফেলোশিপ দেয়া হয়।
ফেলোশিপ কি সহজ কথায় বলি,আপনি বুয়েটে গবেষণা করবেন যার জন্য বুয়েট প্রতি মাসে আপনাকে এমএসসির এমফিলের জন্য ৩০,০০০/- এবং পিএইচডি এর জন্য ৪৫০০০/- প্রতিমাসে দেবে।
২. টিচিং এসিস্ট্যান্টঃ
প্রথম সেমিস্টারের ফলাফলের ভিত্তিতে ১০-১৩ জনকে টিচিং এসিস্ট্যান্টশিপ দেওয়া হয়। যা একজন ৯ম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তার ব্যাসিকের সমপরিমান, ২২০০০ টাকা।
টিচিং এসিস্ট্যান্ট সহজ কথায় বললে আন্ডারগ্যাডের এক্সাম ডিউটি, খাতা দেখা, রেজাল্ট শিট তেরি এবং ডিপার্টমেন্টের রিলেটেড আরো কিছু কাজ করতে হয় সাধারণত। টিএশিপের সার্টিফিকেট খুবই ভ্যালু ওউন করে এবং ওভারওল প্রোফাইল। বিদেশের মাস্টার্স, পিএইচডিতে ফান্ডিংগুলো বেশিরভাগ টিএশিপের মাধ্যমে হয়।
৩. রিসার্স এসিস্ট্যান্টঃ-
কোনো প্রফেসরের রিসার্চ প্রজেক্ট রিসার্স এসিস্ট্যান্টশিপ হিসেবে কাজ করলে রিসার্স ফান্ডের একটা অংশ প্রতিমাসে দেওয়া হয়।
এছাড়া আপনি একটি গবেষণা পত্র Q1 জার্নালে প্রকাশ করলে বুয়েটের পক্ষ থেকে ভালো এমাউন্টের প্রণোদনা দেওয়া হয়।
মহিন উদ্দিন
বি.এস.সি, গণিত (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)
এমএসসি স্টুডেন্ট, এপ্রিল-২৪ সেশন
গণিত বিভাগ (বুয়েট)
পড়া মনে রাখার ৫ বৈজ্ঞানিক উপায়
১. বিরতি নিয়ে রিভিশন
জার্মান মনোবিদ হারমান এবিনঘসের মতে, যে কোনো কিছু পড়ার এক ঘণ্টা পর সেটির মাত্র ৪৪ শতাংশ আমাদের মনে থাকে। তাই আমাদের উচিত তাৎক্ষণিক রিভিশন না দিয়ে, একটু বিরতি দিয়ে একই বিষয় আবার পড়া। তাতে পড়া মনে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিরতি দিয়ে বারবার পড়লে যে কোনো পড়াই মনে থাকে অনেক দিন।
২. ফাইনম্যান পদ্ধতি
পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। কোনো কিছু খুব সহজভাবে অন্যকে বোঝানোর পদ্ধতিকে ফাইনম্যান পদ্ধতি বলা হয়। যে কোনো কিছু পড়ার পর তা অন্য কাউকে শেখানোর চেষ্টা করলে সেই পড়া আপনার মনে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। কোনো কিছু শেখানোর সময় আপনাকে সেই পড়াটি নিজের মতো গুছিয়ে সংক্ষেপ করে নিতে হয়; করতে হয় আলোচনাও। যা পড়াটি আপনার মাথায় গেঁথে যাওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা রাখে।
৩. পোমোডোরো পদ্ধতি
পড়াশোনার মাঝখানে মুঠোফোন হাতে নিয়ে ফেসবুক, ইউটিউবে ঢুঁ দেওয়া কিংবা অন্যমনস্ক হয়ে যাওয়া আমাদের এক নিত্য সমস্যা। যার ফলে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে এবং পড়া ঠিকমতো না হওয়ায় তা মনে থাকার সম্ভাবনাও বেশ কমে যায়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পোমোডোরো পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। এটি মূলত সময় ব্যবস্থাপনার একটি কৌশল। ১৯৮০ সালের শেষের দিকে ফ্র্যাঞ্চেস্কো নামের এক উদ্যোক্তা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ইতালীয় শব্দ পমোডোরো অর্থ ‘টমেটো সস’। ফ্র্যাঞ্চেস্কোর টমেটোর আকারের টেবিল ঘড়ি থেকেই মূলত এর নামকরণ। এই পদ্ধতিতে একজন মানুষ মোট ২৫ মিনিট সময় নিয়ে কোনো একটি কাজ করবেন এবং কাজ শেষে ৫ মিনিটের বিরতি নেবেন। ওই পঁচিশ মিনিট নিজেকে অন্য সবকিছু থেকে দূরে রাখতে হবে। আর বিরতির পাঁচ মিনিটকে বেছে নিতে হবে অন্য যে কোনো কাজ কিংবা বিশ্রামের জন্য। এতে করে মূল কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে, কাজের প্রভাবও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। এই পদ্ধতি পড়াশোনায় প্রয়োগ করলে পড়া হবে আরও কার্যকর, আর মনেও থাকবে লম্বা সময় পর্যন্ত।
৪. প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম
যুক্তরাষ্ট্রের নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী জেসিকা পেইন এবং তাঁর কয়েকজন সহকর্মী মিলে একটি গবেষণা করেছেন। তাতে জানা যায়, পড়াশোনা শেষে নির্দিষ্ট সময় ঘুমালে তা পড়া মনে রাখায় বেশ সহায়তা করে। তাই লম্বা সময় পড়াশোনার পর কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নেওয়ার বিকল্প নেই। যাঁরা সারা রাত জেগে সকালে পরীক্ষা দিতে অভ্যস্ত, অনেক সময় দেখা যায় তাঁদের পরীক্ষা খারাপ হয়। এ গবেষণা থেকে নিশ্চয়ই এর কারণ বোঝা যায়।
৫. নেমোনিক পদ্ধতি
অনেক ছোট তথ্য মনে রাখার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়। ছড়া, গল্প, ছবি, ইত্যাদির মধ্যে তথ্য যুক্ত করে মনে রাখাকে আরও সহজ করাই হচ্ছে এই পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্য। মূলত ভোকাবুলারি, বিভিন্ন সাল কিংবা যে কোনো ছোট তথ্য মনে রাখার ক্ষেত্রে এই কৌশল হয়ে উঠতে পারে বেশ কার্যকর।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Unversity Of Dhaka
Dhaka
1204