20/04/2026
এই ভদ্রলোক ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপত্তা উপদেষ্টা। এক পর্যায়ে বিএনপি তার পদত্যাগের দাবিতে যমুনা ঘেরাও করে। তারপর আচমকা দেখা গেল লন্ডন মিটিং যেখানে একজন সরকার প্রধান একটি দলের প্রধানের সাথে সাক্ষাৎ করতে আরেক ভিনদেশে যান।
মিটিং শেষে সরকার ও একটি দল নজিরবিহীন যৌথ বিবৃতি দেয়। এই মিটিংটার ঘটকালি করেছেন জনাব খলিল সাহেব।
বিএনপি আসলে তার পদত্যাগের দাবিতে ডামি আন্দোলন করেছে যেন লন্ডন মিটিং আয়োজন করা যায়— আকাশে-বাতাসে এমন গুঞ্জন। এরপর বাকিটা ইতিহাস। নির্বাচনের তিনদিন আগে তিনি আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের একটা রহস্যজনক বাণিজ্য চুক্তি করালেন।
এখন তিনি বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশকে পুনরায় ইন্দো-প্যাসিফিক তথা মার্কিন-ভারত বলয়ে তিনি ঢুকিয়েছেন এমনটা দাবি করা হয়৷
ইরান যুদ্ধে তার মিনিস্ট্রি থেকে এমন বিবৃতি দেয়া হলো যেখানে মার্কিন-ইজরায়েল আগ্রাসনের ব্যাপারে একটা টুঁশব্দও নাই অথচ ইরানকে নিন্দা জানানো হয়েছে কেন তারা মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে!
ফলাফল এই: হরমুজ প্রণালী ক্রস করার ছাড়পত্র পাচ্ছে না বাংলাদেশি জ্বালানিবাহী বাংলাদেশি জাহাজ।
Collected ©️
25/02/2026
এই হচ্ছে আমাদের দেশের মিডিয়া 🙃
২২ বছরের তরুণীকে বিয়ে করে ইতিহাস গড়লেন ৭০ বছরের বৃদ্ধ!
দেখুন ভিডিওটিঃ https://youtu.be/RZ0362pTqd0?si=efzSAddQTCpgx38f
25/02/2026
পাকিস্তান থেকে রাশিয়া: সমুদ্রপথে বিশ্বের দীর্ঘতম সরলরেখা! 🌏🚢
আপনি কি কখনো ভেবেছেন, পৃথিবীর বুকে জাহাজ চালিয়ে স্থলভাগ স্পর্শ না করে সবচেয়ে দীর্ঘ কোন পথটি পাড়ি দেওয়া সম্ভব? ওপরের ছবিটি সেই অবিশ্বাস্য ভৌগোলিক আবিষ্কারেরই একটি মানচিত্র।
এটি মূলত সমুদ্রপথে বিশ্বের দীর্ঘতম সরলরেখার (Longest Straight Line Sailable) কাল্পনিক পথ। অবাক করা বিষয় হলো, এই পথটি পাকিস্তান থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় সুদূর রাশিয়ায়!
এই যাত্রাপথের কিছু চমকপ্রদ তথ্য:
শুরু ও শেষ: যাত্রাটি শুরু হয় পাকিস্তানের উপকূল থেকে এবং শেষ হয় রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে।
দূরত্ব: এই পুরো পথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২,০৮৭ কিলোমিটার।
ভৌগোলিক বিস্ময়: মানচিত্রে (ছবির নিচের অংশে) লাইনটিকে বাঁকা বা ধনুকের মতো দেখালেও, পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির কারণে এটি আসলে একটি সোজা লাইন।
Threading the Needle: যাত্রাপথটি আফ্রিকা এবং অ্যান্টার্কটিকার মাঝখানের একটি অত্যন্ত সরু সমুদ্রপথ দিয়ে অতিক্রম করে। ছবিতে এই অংশটিকেই ‘সুঁইয়ের ছিদ্র দিয়ে পথ’ বা Threading the Needle বলা হয়েছে, কারণ এখানে সামান্য এদিক-সেদিক হলেই জাহাজ স্থলভাগে ধাক্কা খাবে।
এমআইটি (MIT)-এর প্রযুক্তি এবং গাণিতিক হিসাব ব্যবহার করে এই জটিল পথটি বের করা হয়েছে। ভূগোল যে কতটা বিস্ময়কর হতে পারে, এই ছবিটি তার একটি দুর্দান্ত উদাহরণ!
21/02/2026
ইসলামের আলোকে ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা
ইসলামে শহিদদের জন্য সবচেয়ে বড় সম্মান হলো তাদের জন্য দোয়া করা, মাগফিরাত কামনা করা এবং তাদের ত্যাগ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। ইসলাম শহিদদের মর্যাদা উচ্চভাবে স্বীকৃতি দেয় এবং তাদের স্মরণ করাকে নেক আমল হিসেবে গণ্য করে, যদি সেখানে শিরক বা ধর্মীয় সীমালঙ্ঘন না থাকে।
বাংলাদেশে ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা শহিদদের স্মরণে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। শহিদ মিনারে ফুল দেওয়া, প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
যদি এই শ্রদ্ধা ঐতিহাসিক কৃতজ্ঞতা ও সম্মানের উদ্দেশ্যে হয় এবং উপাসনার ভাব যুক্ত না থাকে, তবে তা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রীতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে সবক্ষেত্রে ধর্মীয় সীমারেখা ও বিশ্বাসের বিষয়টি স্পষ্ট রাখা প্রয়োজন।
শহিদ শব্দটি আরবি ভাষা ও ইসলামী চিন্তাধারা থেকে এসেছে। এই শব্দটির প্রচার ও প্রসার মূলত মুসলিম সমাজের মাধ্যমে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলামে একজন শহিদের মর্যাদা ও অবস্থান স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। ইসলামই একমাত্র ধর্ম যেখানে শহিদদের মৃত হিসেবে গণ্য করা হয় না, বরং তাদের সম্মান ও মর্যাদার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিভাবে একজন শহিদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে, তাও ইসলামী শিক্ষায় সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা আছে।
সমাজে শহিদ শব্দটির প্রচলন ও স্বীকৃতি ইসলামী ঐতিহ্যের মাধ্যমেই বিস্তার লাভ করেছে।
তবে দেখা যায়, বিভিন্ন মতাদর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত ও বিতর্ক তৈরি হয়। কেউ প্রতীককে ভিন্নভাবে দেখে, কেউ ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করে। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান হলো—প্রত্যেকের বিশ্বাস ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত।
আমরা কাউকে নির্দিষ্ট আচার বা বিশ্বাসে বাধ্য করি না। তাহলে আমাদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধ নিয়েও কেন বাধা বা বিরোধিতা থাকবে?
আমাদের আহ্বান হলো—আল্লাহর দীন ও শিক্ষাকে সম্মান জানিয়ে নিজেদের আদর্শে দৃঢ় থাকা। সত্য ও বিশ্বাসের পথে অবিচল থেকে সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য।
আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহর দ্বীন তাঁর ইচ্ছায় প্রতিষ্ঠিত হবে—ইনশাআল্লাহ।
24/06/2024
স্বাধীনতা যখন Bangladesh Awami League
এর পৈত্রিক সম্পত্তি।