20/04/2026
এই ভদ্রলোক ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপত্তা উপদেষ্টা। এক পর্যায়ে বিএনপি তার পদত্যাগের দাবিতে যমুনা ঘেরাও করে। তারপর আচমকা দেখা গেল লন্ডন মিটিং যেখানে একজন সরকার প্রধান একটি দলের প্রধানের সাথে সাক্ষাৎ করতে আরেক ভিনদেশে যান।
মিটিং শেষে সরকার ও একটি দল নজিরবিহীন যৌথ বিবৃতি দেয়। এই মিটিংটার ঘটকালি করেছেন জনাব খলিল সাহেব।
বিএনপি আসলে তার পদত্যাগের দাবিতে ডামি আন্দোলন করেছে যেন লন্ডন মিটিং আয়োজন করা যায়— আকাশে-বাতাসে এমন গুঞ্জন। এরপর বাকিটা ইতিহাস। নির্বাচনের তিনদিন আগে তিনি আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের একটা রহস্যজনক বাণিজ্য চুক্তি করালেন।
এখন তিনি বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশকে পুনরায় ইন্দো-প্যাসিফিক তথা মার্কিন-ভারত বলয়ে তিনি ঢুকিয়েছেন এমনটা দাবি করা হয়৷
ইরান যুদ্ধে তার মিনিস্ট্রি থেকে এমন বিবৃতি দেয়া হলো যেখানে মার্কিন-ইজরায়েল আগ্রাসনের ব্যাপারে একটা টুঁশব্দও নাই অথচ ইরানকে নিন্দা জানানো হয়েছে কেন তারা মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে!
ফলাফল এই: হরমুজ প্রণালী ক্রস করার ছাড়পত্র পাচ্ছে না বাংলাদেশি জ্বালানিবাহী বাংলাদেশি জাহাজ।
Collected ©️