DU Admission Help Line24

DU Admission Help Line24 All University (especially DU)Admission Related Help Will Be Provided By Us.

22/02/2023

ঘটনা টা ২০১৩ সালের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলের এক ছেলের সাথে ঢাবির রোকেয়া হলের এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। রাতে তাদের মধ্যে কোন একটি বিষয় নিয়ে তুমুল বাকবিতন্ডা হয়।
এক পর্যায়ে ভাইটি আপুকে ব্লক দিয়ে ফেলে এবং আপুকে সাফ জানিয়ে দেয় উনি আর রিলেশন রাখবেন না আপুর সাথে।

আপু ভোরের সূর্য উঠার আগেই মুহসিন হল গেটে এসে কান্নাকাটি শুরু করেন এবং স্টাফ সহ হলের ছেলেদের বলেন ভাইকে ডেকে দিতে।

ভাই তখনও ঘুমে স্টাফ আর তার পরিচিতরা তাকে রুমে গিয়ে খবর দেয়।

ভাই লুঙ্গি পরা অবস্থায় খালি পায়ে দৌড়ে আসেন হল গেটে। আপুর কাছে ক্ষমা চেয়ে তাৎক্ষণিক আনব্লক করেন।

উল্লেখ্য ২০১৯ সালেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তারা। বইমেলায় ঘুরতে এসে হঠাৎ দেখায় সেই ভাইয়ের স্মৃতিচারণ।

-এই আসামিরা কারা?-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।-কোন সেশনের?-২০২১-২২।-ব্যক্তি, ডিপার্টমেন্ট ও হলের নাম?-ফজলে নাবিদ সাক...
06/02/2023

-এই আসামিরা কারা?
-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
-কোন সেশনের?
-২০২১-২২।
-ব্যক্তি, ডিপার্টমেন্ট ও হলের নাম?
-ফজলে নাবিদ সাকিল, থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ, বিজয় একাত্তর হল || সাদিক আহম্মদ, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, বিজয় একাত্তর হল || মোঃ রাহাত রহমান, ম্যানেজমেন্ট, চকবাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন।

-অপরাধ?
-বুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের রাস্তায় রাত তিনটায় কাভার্ড ভ্যান আটকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।
-তারপর?
-টাকা না পেয়ে ড্রাইভারের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়।

-অতঃপর কোন পথে চলেছি আমরা? বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সন্ত্রাস, চোর, ছিনতাইবাজ হওয়া কীসের ইঙ্গিত দেয়?
-জানা নেই ঠিক।।

ঢাবির ১ম বর্ষের তিন শিক্ষার্থী রাতের বেলা ক্যাম্পাস এলাকায় কাভার্ড ভ্যান আটকিয়ে চালককে মারধর করে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নি...
06/02/2023

ঢাবির ১ম বর্ষের তিন শিক্ষার্থী রাতের বেলা ক্যাম্পাস এলাকায় কাভার্ড ভ্যান আটকিয়ে চালককে মারধর করে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দৌড়ে পালানোর সময় পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে, পরে আদালতে সোপর্দ করে৷
১ম বর্ষে ঢাবিতে এসে একটা নম্র-ভদ্র, মেধাবী শিক্ষার্থী কীভাবে রাতারাতি মাদকাসক্ত, ছিনতাইকারী বনে যায়, সেটার পেছনের দিকটা একটু খতিয়ে দেখার দাবী রাখে।

১ম বর্ষে গণরুমে থাকাকালীন সময়ে আমাদের ইমেডিয়েট সিনিয়ররা রাত ১২ টা পর্যন্ত গেস্টরুম নিতো। তারপর স্রেফ হুকুম জারি করতো, ❝সবগুলা রাতে বাহিরে থাকবি, তিনটার আগে যেনো কাউরে রুমে না দেখি। দেখলে অসুবিধা হবে।❞
ক্যাম্পাসের কোথায় কি লেখা আছে, কতবার লেখা আছে, স্থাপত্যকর্ম, যাবতীয় বিষয়ে এসাইনমেন্ট দিয়ে দিত।
এমনকি কনকনে শীতের রাতেও বাহিরে থাকা বাধ্যতামূলক ছিলো। পরীক্ষা, পড়াশোনা, অসুস্থতার বিষয়টা এক্ষেত্রে ভাইরা আমলে নিতো না, অল্প সময়ের জন্য হলেও বাহিরে থাকতেই হবে।
এক্ষেত্রে ভাইরা আমাদেরকে ঘুরার বিষয়ে তালিমও দিতো- ক্যাম্পাসে আসা ট্রাক আটকিয়ে রাতে ঘুরা এবং ড্রাইভারকে ভাড়া না দেওয়ার ব্যাপারেও কড়া হুশিয়ারি দিয়ে দিতো।
আর একটা কথা সব সময় বলতো, ❝তোরা ফাস্টিয়ার, ক্যাম্পাসে তোদের সাত খুন মাফ, শুধু নারী কেলেংকারী করবি না, তাহলে ভাইদের পাশে পাবি না।❞

তো, আমাদের সাথের পোলাপান প্রথম দিকে সবাই ট্রাক আটকিয়ে রাতের বেলা ঢাকা শহর ঘুরতো। কিছুদিন পরে আলাদা আলাদা সার্কেল হয়ে গেছে। রাতে বের করে দেওয়া পোলাপানদের মধ্যে মাদককেন্দ্রীক একটা সার্কেল গড়ে উঠছে, একাধিক হলের সমমনা ছেলেরা এই সার্কেলে যুক্ত, সার্কেলটাও স্ট্রোং। এরা উদ্যানে যায়, মাদক নেয়, মাদকের টাকা জোগাড় করতে ক্যাম্পাসে ছিনতাই করে- বহিরাগতদের আটকিয়ে মোবাইল - মানিব্যাগ নিয়ে যায়, গাঁজা-ইয়াবার ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ে। ক্ষেত্রবিশেষে এরা ধরাও পড়ে, নেতারা গিয়ে নেগোসিয়েশন করে ছাড়িয়ে আনে, কদাচিৎ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এদেরকে হল থেকে বহিষ্কার করে, তারপরও এরা নেতার শেল্টারে হলে থাকে, ক্যাম্পাসে দিব্যি ঘুরে বেড়ায়, আগের চেয়ে অধিকতর দাপুটে ভাব নিয়ে অপরাধ কর্ম করে বেড়ায়, নেতারা নিজেদের স্বার্থেও এদেরকে পোষে...
এমনি করে অজপাড়া গাঁয়ের একটা সহজসরল-মেধাবী ছেলে পরিবেশ, প্রতিবেশের প্রভাবে রাতারাতি মাদকাসক্ত, ছিনতাইকারীতে রূপ নেয়। নিকৃষ্ট সংস্কৃতি তাদেরকে গ্রাস করে ফেলে...

এর থেকে বড় অপমানজনক কিছু হতে পারে?শুধু আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে আপ্নারা নিজেদের ঢাবির অধিভুক্ত হিসাবে গর্বে গর্ভব...
13/11/2022

এর থেকে বড় অপমানজনক কিছু হতে পারে?
শুধু আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে আপ্নারা নিজেদের ঢাবির অধিভুক্ত হিসাবে গর্বে গর্ভবতী হওয়া বন্ধ করে দিয়ে বাস্তবতা বুঝতে শিখুন।আর প্লিজ আইডিতে কলেজের স্বতন্ত্র নামটা জাস্ট ইউজ করা শিখুন উইথ এফেলিয়েট লাগানো বাদ দেন(এই লাইন টা বিশেষ করে ইডেন কলেজের মেয়েদের জন্য)

৭ কলেজের গ্রাজুয়েটদের ইডেন কলেজ এর মাঠে প্রজেক্টর স্ক্রিনে সমাবর্তন দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।তাদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মূল সমাবর্তন প্রোগ্রামে অংশগ্রহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ভেংগে খেলেও চোরের মত সমাবর্তন নিতে হচ্ছে এর চেয়ে লজ্জার কি আছে।

নিখোঁজ পরশ বুয়েটের ১৮ ব্যাচের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন।গত ৪ই নভেম্বর, শুক্রবার আনুমানিক রাত ১০ঃ৩০ টার দিকে নিখো...
07/11/2022

নিখোঁজ পরশ বুয়েটের ১৮ ব্যাচের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন।

গত ৪ই নভেম্বর, শুক্রবার আনুমানিক রাত ১০ঃ৩০ টার দিকে নিখোঁজ হয়েছে। আজ (৭ই নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ঃ৩০ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
দিন দিন জীবনের নিরাপত্তা ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে

27/09/2022

ইডেন কলেজের ছাত্রীর মুখে পতিতাবৃত্তির আদ্যোপান্ত শুনুন
https://fb.watch/fOFpmegDbm/

ইডেন এর মেয়ে থেকে সাবধান৷  ইডেনে ভর্তির আগেই সব জেনেশুনে ভর্তি হয়। রাস্তায় কাদা দেখলে রাস্তা পালটে ফেলে কিন্তু ইডেনে দেহ...
27/09/2022

ইডেন এর মেয়ে থেকে সাবধান৷
ইডেনে ভর্তির আগেই সব জেনেশুনে ভর্তি হয়। রাস্তায় কাদা দেখলে রাস্তা পালটে ফেলে কিন্তু ইডেনে দেহ ব্যবসা চলে এইটা জানার পরেও যারা ভর্তি হয়/ কলেজ চেঞ্জ করে না তারা স্বেচ্ছায় যৌন কর্মি খাতায় নাম লেখাতেই ইডেনে যায়।

তাই দুঃশ্চরিত্রা ইডেন এর মেয়েদের থেকে দূরে থাকা সকল মুমিন মুসলিম ভাই এর দায়িত্ব
লেখাঃ আবু ত্বহা মোহাম্মাদ আদনান হুজুর

27/09/2022

ইডেন কলেজের কোন ঘটনাটা নিয়ে এত আলোচনা বা ট্রল-মিম-শিটপোস্ট হচ্ছে সেটা যারা ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না, কিংবা যারা এখনো জানেনই না যে কিছু একটা হয়েছে - তাদের জন্য এই লেখাটা।

আগেকার দিনে, রাজাবাদশাদের প্রাসাদে হেরেম নামে একটা জায়গা থাকতো। পুরো দুনিয়া থেকে সেরা সুন্দরীদের খুঁজে এনে রাখা হতো এই হেরেমে। মেয়েগুলোকে প্রস্তুত করা হতো রাজা কিংবা রাজপুত্রের শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার জন্য। প্রতি রাতে পালা করে রাজপুরুষের কাছে পাঠানো হতো বাছাই করা একজনকে - তার দায়িত্ব হতো পরাক্রমশালী রাজপুরুষটির যৌন আকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করা। যৌনদাসীর পারফরমেন্সে সন্তুষ্ট হলে তাকে দেয়া হতো উপপত্নীর মর্যাদা।

হেরেমের প্রধান পরিচালক হিসেবে থাকতেন একজন বয়স্ক নারী। মেয়েদের প্রশিক্ষণ দেয়া, আদবকায়দা শেখানোর দায়িত্ব তার ওপর। অতএব, যৌনদাসীটিকে রাজপুরুষের পছন্দ হয়ে গেলে পুরস্কার জুটতো পরিচালকের কপালেও। তাছাড়া মিত্র রাজ্যের রাজারাও উপঢৌকন হিসেবে অন্য রাজাদেরকে সুন্দরী দাসী পাঠাতেন। একে আমরা সেক্স ডিপ্লোমেসি নাম দিতে পারি। মোদ্দাকথা, যৌন দাসত্ব বা সেক্স স্লেভারির রমরমা আয়োজন ছিল রাজপ্রাসাদগুলোতে।

ইডেন কলেজের ঘটনা মোটামুটি এই সেক্স স্লেভারির আধুনিক সংস্করণ।

অন্য সব সরকারি কলেজ-ভার্সিটির মতো ইডেন কলেজের হলগুলোও দখল করে রেখেছে ছাত্রলীগ নামের জঙ্গি সংগঠনটি। কাজেই সেখানে সিট পেতে হলে তাদের দলে নাম লিখিয়ে, চির অনুগত থাকার মুচলেকা দিয়েই উঠতে হয়। তাদের কথা মতো না চললে হল থেকে বের করে দেয়া অতি সাধারণ ঘটনা।

যেসব মেয়ে হলে থাকে তাদের মধ্য থেকে সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েগুলোকে মার্ক করে রাখে ছাত্রলীগ নেত্রীরা। এদেরকে রুমে ডেকে এনে বিবস্ত্র করে ছবি তুলে রাখা হয়। পরবর্তীতে ছবি ফাঁস করে দেয়ার হুমকি দিয়ে, ভয়ভীতি দেখিয়ে, জোর করে পাঠানো হয় ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাদের বিছানায় - যৌন দাসী হিসেবে। একে বলা হয় 'সালাম দেয়া'। যেমন আজকে যদি 'ক' নামের মেয়েটিকে বড় ভাইয়ের বিছানায় পাঠানো হয় তাহলে ঘটনাটাকে বলা হবে এভাবে - "আজকে 'ক'কে বড় ভাইয়ের কাছে সালাম দিতে পাঠাইসি।"

তো এই 'বড় ভাই'য়েরা দাসীটিকে পছন্দ করলে বিনিময়ে পুরস্কার জোটে তাকে বাছাই করা ছাত্রলীগ নেত্রীদের। কাউকে পছন্দ হয়ে গেলে তাকে রক্ষিতা হিসেবে নিয়মিত বিছানায় যেতে বাধ্য করেন ছাত্রলীগের বড় ভাই। যেহেতু এই মেয়েগুলো মোটের ওপর অসহায় কাজেই মুখ বুজে শরীর বিলিয়ে দেয়া ছাড়া তাদের কোনো উপায় থাকে না।

সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে এই তথ্যগুলো কোনো ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট থেকে জানা যায়নি, খোদ ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকই এগুলো নিয়ে কথা বলেছেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এটা কি শুধু ইডেন কলেজেরই ঘটনা?

উত্তরটা সহজ - না। সারা দেশের অসংখ্য কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে এসব হচ্ছে। আপনি ভাবতেও পারবেন না - অমুক জায়গার মেয়েদেরকে সেক্স স্লেইভ হিসেবে ট্রিট করা হয় - কিন্তু এটাই ফ্যাক্ট। এবং এই ব্যাপারগুলো কিন্তু আজকের না - বছরের পর বছর ধরেই এগুলো চলছে - ২০১০ সালেও ইডেন কলেজের এমন ঘটনাগুলো আলোচনায় এসেছিল। ২০১০ সাল, মানে তখন নৌকার লোকেরা মাত্র ক্ষমতায় বসেছে। সেই সময়েই যদি এরা এতটা বেপরোয়া থাকে, তাহলে ২০২২ সালে এসে এরা কতটা হিংস্র হয়ে উঠেছে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

যারা ছাত্ররাজনীতি করেন এবং খোঁজখবর রাখেন তাদের কাছে এগুলো ওপেন সিক্রেটের মতো। এই যে মনে করেন আপনাদের অতি প্রিয়, ফেসবুকের পরিচিত মুখ বিভিন্ন প্রগতিশীল কিংবা নারীবাদী আপু - ইরান তুরান আফগানিস্তানে পান থেকে চুন খসলেই যারা মুহুর্মুহু জেহাদ ঘোষণা করেন - তাদের কাছেও এগুলো অজানা থাকার কথা নয়। কিন্তু এই মেয়েগুলো যেহেতু নিম্নবিত্ত এবং অসহায় কাজেই তাদের সমস্যার ব্যাপারে কারোই কোনো মাথাব্যথা ছিল না। হুট করে লাইমলাইটে চলে আসায় এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে - তবে জোরালো সম্ভাবনা আছে যে দুদিন পরেই এটা সবাই ভুলে যাবে এবং এই সেক্স স্লেভারি আবারো বছরের পর বছর ধরে চলতেই থাকবে।

আমি সত্যিই জানি না এই পৈশাচিক ক্ষমতাচর্চার শেষ কোথায়। অসম্ভব ক্ষমতাবান জানোয়ারগুলোকে খোদাতালা আর কতদিন ছাড় দেবেন সেটাও জানি না। শুধু এটুকু জানি যে এই সব কিছুই মনে রাখতে হবে, লিখে রাখতে হবে এবং সময় এলে সুদে-আসলে প্রতিটি জুলুমের শোধ তুলতে হবে।

সেই সময়টা জলদিই আসুক এটাই প্রত্যাশা।

লেখঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক

26/09/2022

ইডেন কলেজে সেক্স স্লেভারির মত ভয়ংকর অভিযোগের কথা শোনা যাচ্ছে,আর এই অভিযোগগুলোর সত্যতা মিলে গেছে।
ইডেন কলেজের অনেক শিক্ষার্থী ফোর্সড প্রসটিটিউশনের / জোরপূর্বক দেহ ব্যবসার সাথে জড়িয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। তারা হয়ে উঠেছে সেক্স স্লেভারির ভিকটিম। টু সাম এক্সটেন্ট তারা ধর্ষণের শিকার।

ইডেন কলেজের ছাত্রলীগের নেত্রীদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর যে অভিযোগটা উঠেছে সেটা হল— আর্থিক অবস্থা খারাপ, ঢাকায় অন্য কোথাও থাকার জায়গা নাই বিধায় হলে থাকতেই হবে এমন সুন্দরী মেয়েদের টার্গেট করা হয় প্রথমে। তারপর তাদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ও জোরপূর্বক বাধ্য করে পাঠানো হয় সংগঠনের বড় বড় নেতা এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের শয্যাসঙ্গী হতে। এভাবেই ইডেন কলেজের ছাত্রলীগের নেত্রীরা টাকা ইনকাম করেন।

আরও একটা কথা বলে রাখি, এইযে অভিযোগ উঠেছে এটা কিন্তু মোটেই নতুন কিছু নয়। ২০১০ সালেও তৎকালীন ছাত্রলীগ নেত্রীদের নামেও এমন অভিযোগ উঠেছিল। সেগুলো পত্রপত্রিকাতেও এসেছিল। তার কোন সুরাহা তখনও করা হয়নি। আর এখনও করা হচ্ছেনা।

ইডেন কলেজের ছাত্রলীগ প্রেসিডেন্ট রিভার একটি অডিও
রেকর্ড ফাঁস হয় গত ২০ আগস্ট। সেখানে মেয়েদের হলে পলিটিক্যালি সিট বাণিজ্য নিয়ে রিভা কয়েকজন ছাত্রীকে হুমকি দেয় যে সিট নিয়ে ইভেন কলেজের অধ্যক্ষও তার কিচ্ছু করতে পারবেনা। তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

“এক পায়ে পাড়া দিমু, আরেক পা টাইনা ছিঁড়ে ফেলব” এই
হুমকির অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়ে যায়।

অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর পাবলিকলি ক্ষমা চায় সে
ফেইসবুক পোস্টের মাধ্যমে। মানে ওই অডিও রেকর্ড যে
তারই ছিল, সেটা সে স্বীকার করে নিয়েছিলো।

যারা ওই অডিও ফাঁস করেছিল বলে রিভার মনে হয়েছিল, ওইঘটনার চারদিন পর ইডেন কলেজের এমন ২ শিক্ষার্থীকে সাড়ে ৬ ঘণ্টা রুমে আটকে রেখে নির্যাতন করে রিভা।

নির্যাতনের সময় সে ওই দুই শিক্ষার্থীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
(সূত্র: ডেইলি স্টার, ২৪ আগস্ট,২০২২)

রিভার লাস্টের ওই হুমকিটা লক্ষ্য করুন। বিবস্ত্র করে ভিডিও
করে ভাইরাল করে দিবে সে।

এবার একটু মিলিয়ে নিন–জোরপূর্বক মেয়েদের জিম্মি করে সেক্স স্লেভারিতে বাধ্য করার যে অভিযোগ উঠেছে রিভার বিরুদ্ধে, এই অভিযোগটার সাথে তার ওই হুমকিটা কিন্তু
সামঞ্জস্যপূর্ণ। মানে এভাবেই যে মেয়েদের নির্যাতন করে জিম্মি করে তারপর তাদেরকে হুমকিধামকি দিয়ে নিজেদের
স্বার্থ সিদ্ধি করে নেয় রিভার মত ছাত্রলীগের নেত্রীরা, এটা
অনুমান করাটা অস্বাভাবিক কিছু না।

এখন, আইনি একটা ব্যাপার বলি। মেয়েদেরকে যদি এইভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে কিংবা প্ররোচনা করে এইভাবে অন্যদের শয্যাসঙ্গী হতে বাধ্য করা হয়, তাহলে এই কাজটা স্পষ্টতই ধর্ষণ, আর ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড।

ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টটা হল, যদি ইডেনের ছাত্রলীগের নেত্রীরা
সত্যিই এইকাজ করে থাকে, তার মানে হল তারা ধর্ষণের
সহায়তাকারী।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০ এর ৩০ নং ধারা মোতাবেক ধর্ষণের সহায়তাকারী এবং প্ররোচনাকারীর শাস্তি
হবে ধর্ষকের শাস্তির অনুরূপ, মানে তার শাস্তিও মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, বাংলাদেশে বিদ্যমান আইনে যা সর্ব্বোচ্চ শাস্তি।

ওদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মাত্রাটা চিন্তা করে দেখেন এইবার। একটু ভাবেন তো এটা কি হাসিতামাশা
করার মত ব্যাপার?

মেয়েগুলোকে পড়াশোনা করার জন্য বাড়ি থেকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল বাবা-মা। তারা পড়াশোনা করতে এসে টাকার
অভাবে বাইরের কোন মেসে থাকতে পারেনা ইচ্ছা হলেও।
ছাত্রলীগের এসব নেত্রীদের দ্বারা শারীরিক এবং মানসিক
নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তারা প্রতিনিয়ত। তাদেরকে
ফোর্সড প্রসটিটিউশনে পর্যন্ত বাধ্য করা হচ্ছে।

এসব কথা শুনে আপনারা প্রতিবাদ করা বাদ দিয়ে, জিম্মি
হয়ে থাকা সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার
হওয়ার পরিবর্তে যারা উল্টো হাসিতামাশা করছেন,আর যাই হোন না কেন, অন্তত একজন মানুষ হওয়ার যোগ্য না আপনারা কোনমতেই — রিড দিজ লাইন এগেইন!
লেখাঃ সাইয়েদ আব্দুল্লাহ
আইন অনুষদ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

😂😂😂
26/09/2022

😂😂😂

26/09/2022

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা ভার্সিটি, সহশিক্ষাযুক্ত কলেজের চিত্র কত জঘন্য তা ভেতরের ছাত্র-ছাত্রীরা ঠিকই জানে! যত নামকরা ভার্সিটি তত বেশী চরিত্রহীনতার প্রতিযোগিতা। কেউ কেউ বয়ফ্রেন্ড, জাস্টফ্রেন্ডদের সাথে চিপা-চাপায় ভ্রমণ করে, এমনকি কিছু ছাত্রীরা তো শিক্ষককে, বড়ভাইকে, হাত করতে নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দেয়! প-তি-তা-বৃত্তির সুশীল প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠছে একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান!
‌‌
জাহাঙ্গীরনগরে জন্মনিরোধক, ঢাকা ভার্সিটির নিরিবিলি পরিবেশে অশ্লীলতা, ইডেনের ছাত্রীদের দেহব্যবসা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ধ্যার পর গাঁজার আসর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি ইত্যাদি একেক সময়ের হট টপিক হলেও প্রায় প্রতিটি ভার্সিটি একেকটা যৌনতার জায়গা হয়ে গেছে!

এতকিছু জেনেও অভিভাবকরা মেয়েকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে এসব শ/কু/ন, কু-কু-র-দের সাথে পাঠাবে শিক্ষিত হতে, স্বাবলম্বী হতে! ওয়াল্লাহি এরা যখন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এদের সন্তানের চরিত্র যখন বিসর্জন দিয়ে আসবে তখন এরাই আবার নিজের মাথা নিজে চাপড়াবে!

আমি বাড়িয়ে বলছি? এমন মনে হলে সন্ধ্যার পর, দুপুরের সময় ক্যাম্পাসের নিরিবিলি জায়গাগুলোতে ঘুরে এসে দেখতে পারেন। অবশ্য প্রকাশ্যেই যা হয়, তা অনেকের শিক্ষার জন্য যথেষ্ট।
ক্রেডিট ঃআকাশ

ইডেন কলেজের মেয়েদের দিয়ে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করানো & নেতাদের হোম সার্ভিস দেয়ার জন্য ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি & সাধারণ ...
25/09/2022

ইডেন কলেজের মেয়েদের দিয়ে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করানো & নেতাদের হোম সার্ভিস দেয়ার জন্য ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি & সাধারণ সম্পাদক কে দায়ী করেন সামিয়া আক্তার বৈশাখি, সাংগঠনিক সম্পাদক, ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ।

Address

University Of Dhaka
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DU Admission Help Line24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to DU Admission Help Line24:

Shortcuts

Share

Category