শুধু 'টোকাই' বলে
---------------------------
পড়নের প্যান্টটা ছেড়া,
শার্টটা পরিষ্কার করার অভাবে
ময়লা হয়েছে।
চুলগুলো উশ্কো-খুশ্কো,
তেল না দেয়ার কারনে একটু
লালচে রং ধরেছে।
কাঁধে ঝোলানো একটা ব্যাগ,
কখনও ডান কাঁধে কখনও বাম কাঁধে।
কোনো ফেলে দেওয়া বস্তুর খোঁজে
পথে-পথে নয়তবা কোনো পার্কে।
চোখে যেন কি ছিলো, কি বলে?
সেটা সে জানেনা, যখন কাঁদে কেবল
তখনই তার মনে পড়ে
চোখে একটা সপ্ন ছিলো, আজ আর নেই।
খোলা আকাশের নিচে
কখনও বা কোনো ফুটপাতে
শোয়ার জায়গাটা ঠিকই হয়ে যায়
কিন্তু পরের দিন আবার জায়গা বদল।
আকাশটা যখন পরিষ্কার থাকে
তখন সেই রাতের আকাশে অনেক
তারা দেখা যায়।
কিন্তু যখন আকাশ মেঘলা হয়
তখন সেই রাতের আকাশে কোনো
তারা দেখা যায় না।
আমার জীবনটাও এরকম।
প্রতি রাতে ঘুম আসে ঠিকই
তবে পরের দিন সকালবেলা
গায়ে পড়ে থাকা শার্টের কলারটা
ভীজে ভীজে লাগে, মনে হয় একটু
কেঁদেছিলাম।
যাদের বংশপরিচয় কিছুই নেই,
যারা এতিম তাদের জীবনটা
কেবল এমনই তাই না।
নয়তো আমার কেউ নেই কেনো,
পথে-পথে কেনো ঘুরি, ফুটপাতে
কেনো ঘুমাই।
ঐ ত সেদিন পার্কে বোতল টোকাচ্ছি,
এক বড়লোকের একটা মোবাইল
চুরি হয়েছিলো,
আমাকে চোর ভেবে বেধরক
পেটালো।
কেউ আসেনি আমায় ঐ বড়লোকের
মার থেকে বাঁচাতে,
কেউ বলেনি আমায় ঐ ছেলেটা
চুরি করেনি।
কেনো মা,
এত কষ্ট আমায় দিয়ে দূরে আছো।
কেনো বাবা,
তুমিও অভিমান করে চলে গেছো।
আর হাঁসবোনা
কেঁদেই যাবো, শার্টের কলার
ভেজাবো।
চোর নই তবুও ওদের মত বড়লোকের
কাছে মার খেয়েই যাবো।
শুধু টোকাই বলে..
আমার পড়া বই
ভালবাসা দৃরে চলে য়াই কিন্তু মন থেকে যা
যদি যাইগো হারিয়ে ,
রেখো তুমি আমায়, হৃদয় মন্দিরে।
আমি যেন থাকি তোমার
অন্তরে প্রান্তরে দ্বীপান্ত্রে। নশ্বর
এই বসুন্ধরায় এটাই আমার অন্তিম
প্রীত
একদিন এক লোক
রেস্টুরেন্টে গেল---
লোকঃ এই, গরম কি আছে ?
বালকঃ বিরানী, খিচুরি,
তেহারি।
লোকঃ আরো গরম কি আছে ?
বালকঃ মোগলাই পরোটা,
পুরি।
লোকঃ আরো গরম কি আছে ?
বালকঃ দুধ, চা, কফি।
লোকঃ আরো গরম কি আছে ?
বালকঃ (বিরক্ত হয়ে)
আছে চুলার
জ্বলন্ত
কয়লা।
লোকঃ যা এক প্লেট
নিয়া আয়।
বালকঃ কেনো? কি করবেন ?
লোকঃ বিড়ি জ্বালামু.........
এক অন্ধ বালক একটি বড় ব্যাংকের
সামনে বসে ছিলো।
তার
সামনে ছিলো একটি থালা আর
হাতে ছিলো একটি কাগজ,যাতে
লেখাঃ ‘আমি অন্ধ দয়া করে সাহায্য
করুন’।
সারাটা সকাল তার থালায় মাত্র
কয়েকটি পয়সাই
জমেছিলো। ব্যাংকের এক
চাকুরিজীবী ব্যাংকে ঢোকার সময়
অন্ধটিকে দেখলো। সে তার
মানিব্যাগ বের
করে তাকে কিছু পয়সা দিলো, তার
হাতের
কাগজটি নিল এবং এর পেছনে কিছু
লিখলো।
এরপর ছেলেটির
হাতে তা ধরিয়ে দিল যাতে সবাই
নতুন লেখাটি দেখতে পায়।
এরপর আশ্চর্যজনক ভাবে সবার
সাহায্যের পরিমান
বেড়ে গেল।অনেক বেশি লোক
ছেলেটিকে সাহায্য
করতে থাকলো,তার থালাও
ভরে উঠলো।বিকেলে সেই ব্যাংকার
তার অফিস
থেকে বেড়িয়ে ছেলেটিকে দেখতে এলো।
তার
গলা চিনতে পেরে ছেলেটি তাকে জিজ্ঞেস
করলো,‘তুমিই কি সেই লোক যে আমার
কাগজের
লেখাটি বদলে দিয়েছিলে?
কি লিখেছিলে তুমি?’
লোকটি বললো,‘আমিও সত্যটাই
লিখেছিলাম
তবে একটি ভিন্ন ভাবে।লিখেছিলাম,
‘‘আজ খুব
সুন্দর একটি দিন কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য
আমি দেখতে পাই না।’’দুটো লেখাই
মানুষকে বলে যে ছেলেটি অন্ধ।
কিন্তু প্রথমটি শুধু বলে যে সে অন্ধ।কিন্তু
দ্বিতীয়
লেখাটি মানুষকে বলে তারা অনেক
ভাগ্যবান
যে তারা অন্ধ নয়।
তোমার যা আছে তার জন্য সৃষ্টিকর্তার
কাছে কৃতজ্ঞ থাকো। নতুন
ভাবে চিন্তা করতে শিখো, সবার
চেয়ে একটু
ভিন্নভাবে কিন্তু পজিটিভ
ভাবে ভাবতে শেখো।
জীবন যখন তোমাকে কষ্ট পাওয়ার
একশটা কারন
দেয়,জীবনকে দেখিয়ে দাও
যে তোমারও
সুখী হওয়ার হাজারটা কারন আছে।
পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো
ভালোবাসার মানুষটিকে ভুলে থাকা
একমত হলে লাইক মাস্ট
আকাশে
যেমন হাজার তাঁরা থাকলেও মেঘ
সবচেয়ে আলাদা!!
তেমনি পৃথিবীতে হাজারো মানুষ
থাকলেও
ভালবাসার মানুষ সবচেয়ে আলাদা!!..
চোখে পানি চলে আসবে.........
মেয়ে : বাবা, তুমি ঘন্টায়
কত টাকায় আয়
কর?
বাবা: (স্তম্ভিত হয়ে) কেন
সেটা দিয়ে তোমার
কী দরকার? মেয়ে: দরকার আছে বাবা,
প্লিজ বল
না... ...
বাবা: ২০০ টাকা। ... ...
মেয়ে: আমাকে সেখান
থেকে অর্ধেক ধার দিতে পারবে?
বাবা: দেখ, আমি অনেক কষ্ট
করে টাকা রোজগার করি,
তুমি যদি ভেবে থাকো আমার
সেই
টাকা ধার করে খেলনা কিনবে,
তাহলে খুব খারাপ কাজ
করেছো। এখন
বরং ঘুমাতে যাও। বাবার
রাগ কিছুক্ষণ পর
নেমে গেলো।
তিনি ভাবতে লাগলেন-
হয়তো অন্য কোন
কাজে টাকাটা মেয়ের
আসলেই দরকার।
তিনি মেয়ের ঘরের দরজায়
নক করলেন-
বাবা: ঘুমিয়েছিস? মেয়ে:
না, বাবা।
বাবা: এই নে, আমি তোর
জন্য ১০০ টাকা নিয়ে এসেছি।
মেয়ে দরজা খুলে দিলো,
তার
হাতে একটা কাঁচের
বৈয়ামে অনেকগুলো খুচরো টা
দেখে বাবার মেজাজ
আবারো খারাপ
হয়ে গেল...
বাবা: তোমার
আছে তো দেখছি যথেষ্ট
টাকা আছে, তারপরও তুমি আমার
কাছে টাকা ধার
চাইলে কেন?
মেয়ে : না বাবা, আমার
কাছে যথেষ্ট
টাকা ছিলো না; তোমার ধার
দেয়া ১০০
মিলিয়ে হয়েছে। এই নাও
বাবা, এখানে ২০০
টাকা আছে।
তুমি কী আগামী কাল এক
ঘণ্টা আগে বাসায়
ফিরে আমার
সাথে রাতের খাবার
খেতে পারবে??
তারপর আমাকে একটা গল্প
শোনাবে, আমাকে জড়িয়ে আদর
করবে...
বাবা তার
মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে
--------------------
----- কাদের জন্য এত কষ্ট
করছেন?
একবারও
কী জানতে চেষ্টা করেছেন,
তাঁরা আসলে কী চায়???
সম্মানিত অভিভাবকদের
কাছে প্রশ্ন
রাখলাম??
নিন্দা ও অপবাদ সৎ ব্যক্তির কোন অনিষ্ট করতে পারে না-------শেখ সাদী
উড়ে যেতে চাই পাখি,
কি করে আমি রাখিধোরে ।
রাখার মতো নাই তো কোনো পথ জানা
সুখের ঠিকানা পেলে পাখি মিলতো ডানা
কারন আমার ভালোবাসা ছিলো অজানা
লাইক মাস্ট
musfiq is gone..........
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1216