Sokal Ahamed Shojib

Sokal Ahamed Shojib

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sokal Ahamed Shojib, Educational consultant, Dhaka.

10/03/2022

হাদিস কি, কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি এবং কোন সাহাবি কত হাদিস বর্ণনা করেছেন, প্রধান প্রধান হাদিসগ্রন্থ গুলো কি ?

হাদিস (আরবিতে الحديث) হলো মূলত ইসলাম ধর্মের শেষ বাণীবাহক হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাণী ও জীবনাচরণ। হাদিসের উপদেশ মুসলমানদের জীবনাচরণ ও ব্যবহারবিধির অন্যতম পথনির্দেশ। কুরআন ইসলামের মৌলিক গ্রন্থ এবং হাদিসকে অনেক সময় তার ব্যাখ্যা হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

আল্লামা হাফেজ সাখাবী (রহ.) বলেন-
والحديث لغة ضد القد يم واصطلا حامااضيف الى النبى ﷺ قولا له اوفعلا له اوتقرير اوصفة حتى الحركات والسكنات فى اليقظة والمنام -
অর্থ : আভিধানিক অর্থে হাদীস শব্দটি কাদীম তথা অবিনশ্বরের বিপরীত আর পরিভাষায় বলা হয় রাসূলুাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত। চাই তার বক্তব্য হোক বা কর্ম বা অনুমোদন অথবা গুণ এমন কি ঘুমন্ত অবস্থায় বা জাগ্রত অবস্থায় তাঁর গতি ও স্থির সবই হাদীস।

বুখারী শরীফের বিশিষ্ট ব্যাখ্যাগ্রন্থ عمدة القارى এর মধ্যে হাদীস সম্বন্ধে রয়েছে:
علم الحديث هو علم يعرف به اقوال النبى ﷺ وافعاله واخواله –
অর্থ : ইলমে হাদীস এমন বিশেষ জ্ঞান যার সাহায্যে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা, কাজ ও অবস্থা জানতে পারা যায়। আর ফিক্হবিদদের নিকট হাদীস হল:
اقوال رسول الله ﷺ وافعاله –
অর্থ : হাদীস হলো আল্লাহর রাসূলের কথা ও কাজসমূহ।
বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক হেড মাওলানা মুফতী সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ আমীমুল ইহসান বারকাতী (রহ.) এর মতে, হাদীস (حديث) এমন একটি বিষয় যা রাসূলুাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী, কর্ম ও নীরবতা এবং সাহাবায়ে কেরাম, তাবিঈনদের কথা, কর্ম ও মৌন সম্মতিকে বুঝায়।[১]:
হাদীস সংরক্ষণ ও বর্ণনা করার ফযীলত

হাদীস সংরক্ষণ করা বর্ণনা করা অত্যন্ত ফযীলতময়। কারণ এর মাধ্যমে প্রিয়নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পবিত্র কালামের হেফাযত করা হয়। আর এরকম ব্যক্তির ব্যাপারে প্রিয়নবী বলেছেন:-
نضرالله امرأسمع مقالتى فوعاهاواداها كماسمع فرب حامل فقه غير فقيه ورب حامل فقه الى من هوافقه منه –
অর্থ : আল্লাহ পাক সেই ব্যক্তিকে সতেজ, ও সমুজ্জ্বল রাখুন, যে আমার কথাগুলো শুনেছে, সংরক্ষণ করেছে এবং অপরজনের নিকট তা পৌঁছে দিয়েছে। (আবু দাউদ)

এই হাদীস আমাদের নিকট তুলে ধরে হাদীস বর্ণনা করার গৌরব ও সম্মান। এজন্যে এই হাদীসের ব্যাখ্যায় কোন কোন মুহাদ্দিস বলেছেন, যে ব্যক্তি মূলত অর্থেই হাদীস সন্ধানী হয় তার চেহারা সজীব বা নূরানী হয়ে ফুটে উঠবে।
শুধু ফযীলত নয়, আল্লাহর রাসূল দোআ করেছেন হাদীস বর্ণনাকারীদের জন্য এবং তাদেরকে নিজের উত্তরসূরী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে বলেছেন:
اللهم ارهم خلفائى قالو يارسوالله ومن خلفائك قال الذين يرؤون الاحاديث ويعلمونـها الناس –
অর্থ : হে আল্লাহ, আমার উত্তরসূরীদের প্রতি রহম কর“ন। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলুাল্লাহ! আপনার উত্তরসূরী কারা? তিনি বলেন, তারাই যারা আমার হাদীস বর্ণনা করে ও মানুষের নিকট শিক্ষা দেয়। হাদীস বর্ণনাকারীরা আরো একটি উপায়ে লাভবান হতে পারে। আল্লাহর রাসূল বলেছেন, “নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন তারাই আমার নিকটবর্তী হবে যারা অধিক হারে আমার প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ করে।” (তিরমিযী)
এই হাদীসটি ইবনে হিব্বান ও তার হাদীসের গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন এবং বলেছেন এই হাদীস এর ফায়েজ ও বরকত লাভ করবে নিশ্চিতভাবে মুহাদ্দিসানে কেরাম ও হাদীসের শায়খগণ। কারণ তারাই তো অধিক হারে হাদীস পড়ে, লিখে। যতবার হাদীস লিখবে বা পড়বে ততবার তিনি প্রিয়নবীর প্রতি দরূদ সালাম পড়বেন ও লিখবেন। এর ফলে রোজ কিয়ামতে সহজেই তারা প্রিয়নবীর নিকটবর্তী হতে পারবেন। [২]:
কিতাবুস সিত্তা

কিতাবুস কথাটি কিতাব كتاب থেকে আগত, যার অর্থ বই। আর সিত্তা হচ্ছে ৬টি। ইসলামী পরিভাষায় হাদীসের ছয়খানা অন্যতম হাদীসগ্রন্থকে একত্রে কিতাবুস সিত্তাহ বলে।

কিতাবুস সিত্তা গ্রন্থাবলী ও এর সংকলকদের নাম ক্রমিক নং গ্রন্থের নাম সংকলকের নাম জন্ম ওফাত জীবন কাল হাদীস সংখ্যার বরননাঃ

১ ) সহীহ বুখারী মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম ইবনে মুগীরা ১৯৪ হিজরী ২৫৬ হিজরী ৬২ বছর ৭৩৯৭টি

২ )সহীহ মুসলিম মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ আল কুশায়রী আল নিশাপুরী ২০৪ হিজরীতে নিশাপুরে ২৬১ হিজরী ৫৭ বছর ৪০০০টি

৩ )জামে আত তিরমিযী আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ইসা ইবনে আওরাতা আত-তিরমিযী ২০৯ হিজরীতে খোরাসানের তিরমিযী শহরে ২৭৯ হিজরী ৭০ বছর ৩৮১২টি

৪ ) সুনানে আবু দাউদ আবু দাউদ সুলায়মান ইবনে আশআশ ইবনে ইসহাক ২০২ হিজরীতে সীস্তান নামক স্থানে ২৭৫ হিজরী ৭৩ বছর ৪৮০০টি

৫ ) সুনানে নাসায়ী ইমাম আবু আবদুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব ইবনে আলী আল খোরাসানী আন-নাসায়ী ২১৫ হিজরী নাসা শহরে ৩০৩ হিজরী ৮৮ বছর ৫৭৬১ টি

৬ ) সুনানে ইবনে মাযাহ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মাযাহ আল কাযবীনি ২১৭ হিজরীতে কাসবীন শহরে ২৭৩ হিজরী ৬৪ বছর ৪৩৪৯টি ।

সর্বোচ্চ হাদীস বর্ণনাকারী কয়েকজন সাহাবী

কিতাবুস সিত্তা গ্রন্থাবলী ও এর সংকলকদের নাম ক্রমিক নং সাহাবীর নাম ওফাত জীবন কাল বর্ণিত হাদীসের সংখ্যার বর্ণনা ঃ

১ ) হযরত আবু হুরায়রা (রা.) প্রকৃত নাম আবদুর রহমান ৫৭ হিজরী ৭৮ বছর ৫৩৭৪ টি ।

১ ) উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) ৫৮ হিজরী ৬৭ বছর ২২১০টি ।

১ ) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) ৬৮ হিজরী ৭১ বছর ১৬৬০টি ।

১ ) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) ৭০ হিজরী ৮৪ বছর ১৬৩০টি ।

১ ) হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) ৭৪ হিজরী ৯৪ বছর ১৫৪০টি ।

সাহাবী (صحابى)

যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে রাসূলুাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহচর্য লাভ করেছেন বা তাঁকে দেখেছেন ও তাঁর একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন, অথবা জীবনে একবার তাঁকে দেখেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে এর সাহাবী বলে।

তাবিঈ (تابعى)

যিনি রাসূলুাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসাবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবিঈ বলে।

মুহাদ্দিস (محدث)

যে ব্যক্তি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলে।

শায়খ (شييخ)

হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলে।

শায়খায়ন (شيخين)

সাহাবীগণের মধ্যে আবু বকর ও উমর (রা.)-কে একত্রে শায়খায়ন বলা হয়। কিন্তু হাদীসশাস্ত্রে ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম (রহ.)-কে এবং ফিক্হ-এর পরিভাষায় ইমাম আবু হানীফা (রহ.) ও আবু ইউসুফ (রহ.)-কে একত্রে শায়খায়ন বলা হয়।

হাফিয (حافظ)

যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লক্ষ হাদীস আয়ত্ব করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة)

অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ব করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।

হাকিম (حاكم)

যিনি সব হাদীস আয়ত্ব করেছেন তাঁকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال)

হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাঁকে আসমাউর-রিজাল (اسماء الرجال) বলা হয়।

রিওয়ায়ত (رواية)

হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়ত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়ত বলা হয়। যেমন, এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়ত (হাদীস) আছে।

সনদ (سند)

হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن)

হাদীসের মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মরফূ’ (مرفوع)

যে হাদীসৈর সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসূলুাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যš— পৌঁছেছে, তাকে মরফূ’ হাদীস বলে।

মাওকুফ (موقوف)

যে হাদীসের বর্ণনা-সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে, অর্থাৎ যে সনদ-সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার (اثار) ।

মাকতু (مقطوع)

যে হাদীসের সনদ কোন তাবিঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতু’ হাদীস বলা হয়।

মুত্তাফাকুন আলাইহি (متفق عليه)

যে হাদীসের বিশুদ্ধতার ব্যাপারে ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম উভয়ই একমত এবং তারা উক্ত হাদীস লিপিবদ্ধ করেছেন তাই মুত্তাফাকুন আলাইহি হাদীস।

সাহীহ (صحيح)

যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উলে­খিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবতা-গুণসম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্র“টি মুক্ত তাকে সাহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن)

যে হাদীর্সে কোন রাবীর যারতগুণে পরিপূর্ণতার অভাব রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফিকহবিদগণ সাধারণত সাহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরী‘আতের বিধান নির্ধারণ করেন।

যঈফ (ضعيف)

যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে। রাবীর দুর্বলতার কারণেই হাদীসকে দুর্বল বলা হয়, অন্যথায় রাসূলুাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন কথাই যঈফ নয়।

মাওযূ’ (موضوع)

যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসূলুাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ’ হাদীস বলে। এরূপ ব্যক্তির বর্ণিত হাদীস গ্রহণযোগ্য নয়।

24/02/2022

পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হয়েছে
তাই বুঝি
মনটা ভীষন খারাপ।
আরে বোকা, মন খারাপের কী আছে?
বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন
পরীক্ষার আগের রাতে তার এক
টিচারকে
বলেছিলেন:
"কাল আমার পরীক্ষা,অথচ এটা
আমার কাছে তেমন কিছু না।কারন
পরীক্ষার খাতার কয়েকটি পাতা
আমার ভবিষ্যত নির্ধারন করতে পারে
না।
তুমি পাশ করতে পারো নাই তো কি
হয়েছে?
নিউটন,আইনস্টাইন,আব্রাহাম
লিংকন,বিল গেটস,রবীন্দ্রনাথ, মহাত্না
গান্ধী এদের মত অনেক বিখ্যাত মনিষী
এসব কাগজ কলমের পরীক্ষায় পাশ করতে
পারে নাই।
আমাদের জাতীয় কবি নজরুল তো
কলেজে পড়ার সুযোগ পাননি।
অথচ আজ নজরুলের লেখা কবিতা
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হচ্ছে। আবার
অনেকেই কলেজে ভর্তি হয়ে পাশ
করতে পারে নাই (যেমন বিল গেটস)

পদার্থ বিজ্ঞানের বরপুত্র স্যার আলবার্ট
আইনস্টান এন্টাস(বর্তমান SSC)পাশ
করেছিলেন তিনবার পরীক্ষা দিয়ে।
ছোটবেলায় আইনস্টাইনের এক
শিক্ষক তার বাবাকে দেওয়া এক
চিঠিতে
লিখেছিলেন;
"আপনার টমি(আইনস্টাইনের বাবা
তাকে আদর করে টমি নামে ডাকতেন)
এতটা বোকা যে ওকে
পড়ানো আমার পক্ষে সম্ভব নয়"।
বাবার খুব ইচ্ছা ছিল টমিকে
ইন্জিনিয়ারিং পড়াবেন।কিন্তু
আইনস্টাইন গনিতে এত দুর্বল
ছিলেন বাবার শখের
ইন্জিনিয়ারিং পড়তে পারেন
নি।কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর মাত্র ছয়
বছর পরিশ্রমে এই বোকা টমি
হয়েছিলেন
পৃথিবীর শেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন।

লুকা ডি প্যাসিওলি কে তার
মা প্রায় সময় বাজার করার
জন্য পাঠাতেন।লুকা
এতটাই কম হিসাব জানতেন
মাকে ঠিকমত বাজারের
হিসাব দিতে পারতেন না।এজন্য
প্রতিদিন মায়ের মার খেতেন।
কিন্তু পরবর্তীতে বাজারের হিসাব
দিতে না পারা ছেলেটি আধুনিক
হিসাব
বিজ্ঞানের জনক।

ছোট্ট একটি ছেলে ভর্তি হয়েছিল গ্রামের পার্শ্ববর্তী কোন স্কুলে। ওই স্কুলের কর্তৃপক্ষ ছেলেটিকে অন্য সকল ছেলেদের তুলনায় কম মেধাবী হওয়ার কারণে তাদের স্কুল থেকে টিসি দিতে বাধ্য হয়।
আর সেই ছেলে হলো, বর্তমান পৃথিবীকে আলোকিত করার জনক, "টমাস আলভা এডিসন"
(বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক)

সে হয়তো পরীক্ষার খাতা কে আলোকিত করতে পারিনি সে আলোকিত করেছে গোটা বিশ্বকে।

হয়তবা তোমার ব্যর্থতার মাঝে
লুকিয়ে আছে সাফল্যের বীজ।
শোককে শক্তিতে পরিনত কর।
একদিন তুমি পারবে জয় করতে""
আজ যারা তোমাকে নিয়ে নিন্দা
করছে, দেখবে তারাই তোমার সাফল্য দেখে
কাল হাত তালি দিবে।।।।।
C

04/02/2022

1.📷 (a+b)²= a²+2ab+b²
2.📷 (a+b)²= (a-b)²+4ab
3.📷 (a-b)²= a²-2ab+b²
4.📷 (a-b)²= (a+b)²-4ab
5.📷 a² + b²= (a+b)²-2ab.
6.📷 a² + b²= (a-b)²+2ab.
7.📷 a²-b²= (a +b)(a -b)
8.📷 2(a²+b²)= (a+b)²+(a-b)²
9.📷 4ab = (a+b)²-(a-b)²
10.📷 ab = {(a+b)/2}²-{(a-b)/2}²
11.📷 (a+b+c)² = a²+b²+c²+2(ab+bc+ca)
12.📷 (a+b)³ = a³+3a²b+3ab²+b³
13.📷 (a+b)³ = a³+b³+3ab(a+b)
14.📷 a-b)³= a³-3a²b+3ab²-b³
15.📷 (a-b)³= a³-b³-3ab(a-b)
16.📷 a³+b³= (a+b) (a²-ab+b²)
17.📷 a³+b³= (a+b)³-3ab(a+b)
18.📷 a³-b³ = (a-b) (a²+ab+b²)
19.📷 a³-b³ = (a-b)³+3ab(a-b)
20. (a² + b² + c²) = (a + b + c)² – 2(ab + bc + ca)
21.📷 2 (ab + bc + ca) = (a + b + c)² – (a² + b² + c²)
22.📷 (a + b + c)³ = a³ + b³ + c³ + 3 (a + b) (b + c) (c + a)
23.📷 a³ + b³ + c³ – 3abc =(a+b+c)(a² + b²+ c²–ab–bc– ca)
24.📷 a3 + b3 + c3 – 3abc =½ (a+b+c) { (a–b)²+(b–c)²+(c–a)²}
25.📷(x + a) (x + b) = x² + (a + b) x + ab
26.📷 (x + a) (x – b) = x² + (a – b) x – ab
27.📷 (x – a) (x + b) = x² + (b – a) x – ab
28.📷 (x – a) (x – b) = x² – (a + b) x + ab
29.📷 (x+p) (x+q) (x+r) = x³ + (p+q+r) x² + (pq+qr+rp) x +pqr
30.📷 bc (b-c) + ca (c- a) + ab (a - b) = - (b - c) (c- a) (a - b)
31.📷 a² (b- c) + b² (c- a) + c² (a - b) = -(b-c) (c-a) (a - b)
32.📷 a (b² - c²) + b (c² - a²) + c (a² - b²) = (b - c) (c- a) (a - b)
33.a³ (b - c) + b³ (c-a) +c³ (a -b) =- (b-c) (c-a) (a - b)(a + b + c)
34.📷 b²-c² (b²-c²) + c²a²(c²-a²)+a²b²(a²-b²)=-(b-c) (c-a) (a-b) (b+c) (c+a) (a+b)
35.(ab + bc+ca) (a+b+c) - abc = (a + b)(b + c) (c+a)
36.(b + c)(c + a)(a + b) + abc = (a + b +c) (ab + bc + ca)
37. 🔣আয়তক্ষেত্র🔣
38. 1.আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ) বর্গ একক
39. 2.আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2 (দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)একক
40. 3.আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য²+প্রস্থ²)একক
41. 4.আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য= ক্ষেত্রফল÷প্রস্ত একক
42. 5.আয়তক্ষেত্রের প্রস্ত= ক্ষেত্রফল÷দৈর্ঘ্য একক
43. 🔣বর্গক্ষেত্র🔣
44. 1.বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (যে কোন একটি বাহুর দৈর্ঘ্য)² বর্গ একক
45. 2.বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × এক বাহুর দৈর্ঘ্য একক
46. 3.বর্গক্ষেত্রের কর্ণ=√2 × এক বাহুর দৈর্ঘ্য একক
47. 4.বর্গক্ষেত্রের বাহু=√ক্ষেত্রফল বা পরিসীমা÷4 একক
48. 📷📷ত্রিভূজ📷
49. 1.সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = √¾×(বাহু)²
50. 2.সমবাহু ত্রিভূজের উচ্চতা = √3/2×(বাহু)
51. 3.বিষমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = √s(s-a) (s-b) (s-c)
52. এখানে a, b, c ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য, s=অর্ধপরিসীমা
53. ★পরিসীমা 2s=(a+b+c)
54. 4সাধারণ ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ½
55. (ভূমি×উচ্চতা) বর্গ একক
56. 5.সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ½(a×b)
57. এখানে ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় a এবং b.
58. 6.সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = 2√4b²-a²/4 এখানে, a= ভূমি; b= অপর বাহু।
59. 7.ত্রিভুজের উচ্চতা = 2(ক্ষেত্রফল/ভূমি)
60. 8.সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ =√ লম্ব²+ভূমি²
61. 9.লম্ব =√অতিভূজ²-ভূমি²
62. 10.ভূমি = √অতিভূজ²-লম্ব²
63. 11.সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = √b² - a²/4
64. এখানে a= ভূমি; b= সমান দুই বাহুর দৈর্ঘ্য।
65. 12.★ত্রিভুজের পরিসীমা=তিন বাহুর সমষ্টি
66. 📷📷রম্বস📷
67. 1.রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½× (কর্ণদুইটির গুণফল)
68. 2.রম্বসের পরিসীমা = 4× এক বাহুর দৈর্ঘ্য
69. 📷📷সামান্তরিক📷
70. 1.সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা =
71. 2.সামান্তরিকের পরিসীমা = 2×(সন্নিহিত বাহুদ্বয়ের সমষ্টি)
72. 📷📷ট্রাপিজিয়াম📷
73. 1. ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল =½×(সমান্তরাল বাহু দুইটির যােগফল)×উচ্চতা
74. 📷📷 ঘনক📷
75. 1.ঘনকের ঘনফল = (যেকোন বাহু)³ ঘন একক
76. 2.ঘনকের সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 6× বাহু² বর্গ একক
77. 3.ঘনকের কর্ণ = √3×বাহু একক
78. 📷📷আয়তঘনক📷
79. 1.আয়তঘনকের ঘনফল = (দৈৰ্ঘা×প্রস্ত×উচ্চতা) ঘন একক
80. 2.আয়তঘনকের সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 2(ab + bc + ca) বর্গ একক
81. [ যেখানে a = দৈর্ঘ্য b = প্রস্ত c = উচ্চতা ]
82. 3.আয়তঘনকের কর্ণ = √a²+b²+c² একক
83. 4. চারি দেওয়ালের ক্ষেত্রফল = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)×উচ্চতা
84. 📷📷বৃত্ত📷
85. 1.বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²=22/7r² {এখানে π=ধ্রুবক 22/7, বৃত্তের ব্যাসার্ধ= r}
86. 2. বৃত্তের পরিধি = 2πr
87. 3. গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = 4πr² বর্গ একক
88. 4. গোলকের আয়তন = 4πr³÷3 ঘন একক
89. 5. h উচ্চতায় তলচ্চেদে উৎপন্ন বৃত্তের ব্যাসার্ধ = √r²-h² একক
90. 6.বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য s=πrθ/180° ,
91. এখানে θ =কোণ
92. 📷সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডার / বেলন📷
93. সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডারের ভূমির ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h আর হেলানো তলের উচ্চতা l হলে,
94. 1.সিলিন্ডারের আয়তন = πr²h
95. 2.সিলিন্ডারের বক্রতলের ক্ষেত্রফল (সিএসএ) = 2πrh।
96. 3.সিলিন্ডারের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল (টিএসএ) = 2πr (h + r)
97. 📷সমবৃত্তভূমিক কোণক📷
98. সমবৃত্তভূমিক ভূমির ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h আর হেলানো তলের উচ্চতা l হলে,
99. 1.কোণকের বক্রতলের ক্ষেত্রফল= πrl বর্গ একক
100. 2.কোণকের সমতলের ক্ষেত্রফল= πr(r+l) বর্গ একক
101. 3.কোণকের আয়তন= ⅓πr²h ঘন একক
102. 📷✮বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা= n(n-3)/2
103. ✮বহুভুজের কোণগুলির সমষ্টি=(2n-4)সমকোণ
104. এখানে n=বাহুর সংখ্যা
105. ★চতুর্ভুজের পরিসীমা=চার বাহুর সমষ্টি
106. 📷ত্রিকোণমিতির সূত্রাবলীঃ📷
107. 1. sinθ=लম্ব/অতিভূজ
108. 2. cosθ=ভূমি/অতিভূজ
109. 3. taneθ=लম্ব/ভূমি
110. 4. cotθ=ভূমি/লম্ব
111. 5. secθ=অতিভূজ/ভূমি
112. 6. cosecθ=অতিভূজ/লম্ব
113. 7. sinθ=1/cosecθ, cosecθ=1/sinθ
114. 8. cosθ=1/secθ, secθ=1/cosθ
115. 9. tanθ=1/cotθ, cotθ=1/tanθ
116. 10. sin²θ + cos²θ= 1
117. 11. sin²θ = 1 - cos²θ
118. 12. cos²θ = 1- sin²θ
119. 13. sec²θ - tan²θ = 1
120. 14. sec²θ = 1+ tan²θ
121. 15. tan²θ = sec²θ - 1
122. 16, cosec²θ - cot²θ = 1
123. 17. cosec²θ = cot²θ + 1
124. 18. cot²θ = cosec²θ - 1
125. 📷📷 বিয়ােগের সূত্রাবলি📷
126. 1. বিয়ােজন-বিয়োজ্য =বিয়োগফল।
127. 2.বিয়ােজন=বিয়ােগফ + বিয়ােজ্য
128. 3.বিয়ােজ্য=বিয়ােজন-বিয়ােগফল
129. 📷📷 গুণের সূত্রাবলি📷
130. 1.গুণফল =গুণ্য × গুণক
131. 2.গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য
132. 3.গুণ্য= গুণফল ÷ গুণক
133. 📷📷 ভাগের সূত্রাবলি📷
134. নিঃশেষে বিভাজ্য না হলে।
135. 1.ভাজ্য= ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।
136. 2.ভাজ্য= (ভাজ্য— ভাগশেষ) ÷ ভাগফল।
137. 3.ভাগফল = (ভাজ্য — ভাগশেষ)÷ ভাজক।
138. *নিঃশেষে বিভাজ্য হলে।
139. 4.ভাজক= ভাজ্য÷ ভাগফল।
140. 5.ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক।
141. 6.ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
142. 📷📷ভগ্নাংশের ল.সা.গু ও গ.সা.গু সূত্রাবলী 📷
143. 1.ভগ্নাংশের গ.সা.গু = লবগুলাের গ.সা.গু / হরগুলাের ল.সা.গু
144. 2.ভগ্নাংশের ল.সা.গু =লবগুলাের ল.সা.গু /হরগুলার গ.সা.গু
145. 3.ভগ্নাংশদ্বয়ের গুণফল = ভগ্নাংশদ্বয়ের ল.সা.গু × ভগ্নাংশদ্বয়ের গ.সা.গু.
146. 📷গড় নির্ণয় 📷
147. 1.গড় = রাশি সমষ্টি /রাশি সংখ্যা
148. 2.রাশির সমষ্টি = গড় ×রাশির সংখ্যা
149. 3.রাশির সংখ্যা = রাশির সমষ্টি ÷ গড়
150. 4.আয়ের গড় = মােট আয়ের পরিমাণ / মােট লােকের সংখ্যা
151. 5.সংখ্যার গড় = সংখ্যাগুলাের যােগফল /সংখ্যার পরিমান বা সংখ্যা
152. 6.ক্রমিক ধারার গড় =শেষ পদ +১ম পদ /2
153. 📷📷সুদকষার পরিমান নির্নয়ের সূত্রাবলী📷
154. 1. সুদ = (সুদের হার×আসল×সময়) ÷১০০
155. 2. সময় = (100× সুদ)÷ (আসল×সুদের হার)
156. 3. সুদের হার = (100×সুদ)÷(আসল×সময়)
157. 4. আসল = (100×সুদ)÷(সময়×সুদের হার)
158. 5. আসল = {100×(সুদ-মূল)}÷(100+সুদের হার×সময় )
159. 6. সুদাসল = আসল + সুদ
160. 7. সুদাসল = আসল ×(1+ সুদের হার)× সময় |[চক্রবৃদ্ধি সুদের ক্ষেত্রে]।
161. 📷📷লাভ-ক্ষতির এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সূত্রাবলী📷
162. 1. লাভ = বিক্রয়মূল্য-ক্রয়মূল্য
163. 2.ক্ষতি = ক্রয়মূল্য-বিক্রয়মূল্য
164. 3.ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য-লাভ
165. অথবা
166. ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি
167. 4.বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য + লাভ
168. অথবা
169. বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য-ক্ষতি
📷📷1-100 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যামনে রাখার সহজ উপায়ঃ📷
শর্টকাট :- 44 -22 -322-321
★1থেকে100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=25টি
★1থেকে10পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=4টি 2,3,5,7
★11থেকে20পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=4টি 11,13,17,19
★21থেকে30পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 23,29
★31থেকে40পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 31,37
★41থেকে50পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=3টি 41,43,47
★51থেকে 60পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 53,59
★61থেকে70পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 61,67
★71থেকে80 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=3টি 71,73,79
★81থেকে 90পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 83,89
★91থেকে100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=1টি 97
📷1-100 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা 25 টিঃ
2,3,5,7,11,13,17,19,23,29,31,37,41,43,47,53,59,61,67,71,73,79,83,89,97
📷1-100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার যোগফল
1060।
📷1.কোন কিছুর
গতিবেগ= অতিক্রান্ত দূরত্ব/সময়
2.অতিক্রান্ত দূরত্ব = গতিবেগ×সময়
3.সময়= মোট দূরত্ব/বেগ
4.স্রোতের অনুকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = নৌকার প্রকৃত গতিবেগ + স্রোতের গতিবেগ।
5.স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = নৌকার প্রকৃত গতিবেগ - স্রোতের গতিবেগ
📷সরল সুদ📷
যদি আসল=P, সময়=T, সুদের হার=R, সুদ-আসল=A হয়, তাহলে
1.সুদের পরিমাণ= PRT/100
2.আসল= 100×সুদ-আসল(A)/100+TR
📷📷নৌকার গতি স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় 10 কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে 2 কি.মি.। স্রোতের বেগ কত?
★টেকনিক-
স্রোতের বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ - স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ) /2
= (10 - 2)/2=
= 4 কি.মি.
📷একটি নৌকা স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় 8 কি.মি.এবং স্রোতের প্রতিকূলে ঘন্টায় 4 কি.মি.
যায়। নৌকার বেগ কত?
★ টেকনিক-
নৌকার বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ+স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ)/2
= (8 + 4)/2
=6 কি.মি.
📷নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘন্টায় যথাক্রমে 10 কি.মি. ও 5 কি.মি.। নদীপথে 45 কি.মি. পথ একবার গিয়ে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
টেকনিক-
★মােট সময় = [(মােট দূরত্ব/ অনুকূলে বেগ) + (মােট দূরত্ব/প্রতিকূলে বেগ)]
উত্তর:স্রোতের অনুকূলে নৌকারবেগ = (10+5) = 15 কি.মি.
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ = (10-5) = 5কি.মি.
[(45/15) +(45/5)]
= 3+9
=12 ঘন্টা
📷★সমান্তর ধারার ক্রমিক সংখ্যার যোগফল-
(যখন সংখ্যাটি1 থেকে শুরু)1+2+3+4+......+n হলে এরূপ ধারার সমষ্টি= [n(n+1)/2]
n=শেষ সংখ্যা বা পদ সংখ্যা s=যোগফল
📷 প্রশ্নঃ 1+2+3+....+100 =?
📷 সমাধানঃ[n(n+1)/2]
= [100(100+1)/2]
= 5050
📷★সমান্তর ধারার বর্গ যোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে,-
প্রথম n পদের বর্গের সমষ্টি
S= [n(n+1)2n+1)/6]
(যখন 1² + 2²+ 3² + 4²........ +n²)
📷প্রশ্নঃ(1² + 3²+ 5² + ....... +31²) সমান কত?
📷সমাধানঃ S=[n(n+1)2n+1)/6]
= [31(31+1)2×31+1)/6]
=31
📷★সমান্তর ধারার ঘনযোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে-
প্রথম n পদের ঘনের সমষ্টি S= [n(n+1)/2]2
(যখন 1³+2³+3³+.............+n³)
📷প্রশ্নঃ1³+2³+3³+4³+…………+10³=?
📷সমাধানঃ [n(n+1)/2]2
= [10(10+1)/2]2
= 3025
📷★পদ সংখ্যা ও পদ সংখ্যার সমষ্টি নির্নয়ের ক্ষেত্রেঃ
পদ সংখ্যা N= [(শেষ পদ – প্রথম পদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি] +1
📷প্রশ্নঃ5+10+15+…………+50=?
📷সমাধানঃ পদসংখ্যা = [(শেষ পদ – প্রথমপদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি]+1
= [(50 – 5)/5] + 1
=10
সুতরাং পদ সংখ্যার সমষ্টি
= [(5 + 50)/2] ×10
= 275
📷★ n তম পদ=a + (n-1)d
এখানে, n =পদসংখ্যা, a = 1ম পদ, d= সাধারণ অন্তর
📷প্রশ্নঃ 5+8+11+14+.......ধারাটির কোন পদ 302?
📷 সমাধানঃ ধরি, n তম পদ =302
বা, a + (n-1)d=302
বা, 5+(n-1)3 =302
বা, 3n=300
বা, n=100
📷★6)সমান্তর ধারার ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল-S=M² এখানে,M=মধ্যেমা=(1ম সংখ্যা+শেষ সংখ্যা)/2
📷প্রশ্নঃ1+3+5+.......+19=কত?
📷 সমাধানঃ S=M²
={(1+19)/2}²
=(20/2)²
=100
Sh Sakil
📷📷1. জোড় সংখ্যা + জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা।
যেমনঃ 2 + 6 = 8.
📷2. জোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা।
যেমনঃ 6 + 7 = 13.
📷3. বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
জোড় সংখ্যা।
যেমনঃ 3 + 5 = 8.
📷4. জোড় সংখ্যা × জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা।
যেমনঃ 6 × 8 = 48.
📷5.জোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা।
যেমনঃ 6 × 7 = 42
📷6.বিজোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা।
যেমনঃ 3 × 9 = 27
*Collected*

04/01/2022

আপনি কোথায়?
উত্তর: বাংলাদেশে।
⭕ বাংলাদেশ কোথায়?
উত্তর: এশিয়াতে ।।
⭕ এশিয়া কোথায়?
উত্তর: ৭৯২৬ মাইল ব্যাসের পৃথিবীতে ।।
⭕ পৃথিবী কোথায়?
উত্তর: ৩০০কোটি মাইল ব্যাপী বিস্তৃত সৌরজগতে ।।
⭕ সৌরজগৎ কোথায়?
উত্তর: এক হাজার কোটি সৌরজগৎ নিয়ে গঠিত ৫.৭ট্রিলিয়ন বা ৫৭০,০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০০ মাইল ব্যাপী মিল্কিওয়ে নামক গ্যালাক্সিতে ।।
⭕ এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কোথায়?
উত্তর: এরকম কয়েকশো থেকে কয়েক হাজার গ্যালাক্সির সমন্বয়ে গঠিত ৪বিলিয়ন ট্রিলিয়ন মাইল বা ৪০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০০মাইল ব্যাপী গ্যালাক্সি ক্লাস্টারে!!
⭕ গ্যালাক্সি ক্লাস্টারটা আবার কোথায়?
উত্তর: এরকম অনেক গুলো ক্লাস্টার নিয়ে গঠিত সুপার ক্লাস্টারে ।।
⭕ এই সুপার ক্লাস্টার আবার কোথায়?
উত্তর: অনেক গুলো সুপার ক্লাস্টার নিয়ে গঠিত সুপার সুপার ক্লাস্টারে ।।
⭕ সেটা আবার কোথায়?
উত্তর: অনেকগুলো সুপার সুপার ক্লাস্টার নিয়ে গঠিত ট্রিপল সুপার ক্লাস্টারে। এভাবে চলতেই থাকবে... চলতেই থাকবে...!!!
⭕ এটাই কি মহা-বিশ্বের পরিসীমা?
উত্তর: মোটেই না! মাত্র .০১%বলা হয়েছে; বাকি ৯৯.৯৯%বিজ্ঞানীরা চিন্তাও করতে পারছেনা...!!!
সূএ : American NASA.....
""" আর এ সকল কিছুই রয়েছে আল্লাহ্‌ তায়ালার আরশের নিছে। সেই আল্লাহ্‌ কত বড়????
কোরআনে আছে প্রথম আসমান থেকে ২য় আসমানের দুরুত্ত ৫০০ বছরের রাস্তা। তাহলে মহান আল্লাহপাক আছেন আরশে আজিমে ৭ম আসমানের উপরে, মানে মাটি থেকে ৩৫০০ বছরের রাস্তা হলো ৭ম আসলাম তারপর আল্লাহ পাকের আরশে আজিম। আর ৭ম আসমান থেকে আল্লাহপাকের আরশ কত দুরে এটা মহান আল্লাহ ছাড়া জিবরাইল আঃ তো দুরে কথা কোন ফেরেশতাও জানে না ।।
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু ।।
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَد
ٌ বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,
اللَّهُ الصَّمَد
ُ আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
'তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি'
وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।
[ সুরা এখলাস ১ - ৪ ]
আমরা আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি ।।
আমাদের অপরাধ সমূহ আল্লাহ্‌ মাপ করুন।
আমাদের জান্নাতের উপযোগী করে মরন দিয়েন, এই প্রার্থনা রব তোমার কাছে ।

25/12/2021

জানার কোন শেষ নাই !
কিছু অবাক করা তথ্যঃ
1) অক্টোপাসের দেহে তিনটি হৃদপিণ্ড আছে।
2) আপেল খেতে যতই স্বাদ লাগুক, আপেলের ৮৪ ভাগই জল।
3) এ মাত্র যিনি কলা খেলেন তার প্রতি মশার আকর্ষণ বেশী ।
4) এক কাপ কফিতে ১০০-এরও বেশি রাসায়নিক পদার্থ আছে।
5) এক ঘণ্টা চুইংগাম চাবালে শরীরে ৩০ ক্যালরি তাপ ক্ষয়।
6) গরুকে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠানো যায় কিন্তু নিচে নামানো যায় না ।
7) চিংড়ি শুধু পিছনের দিকে সাঁতার দিতে পারে।
8) চোখ খোলা রেখে ব্যাঙ কোন কিছু গিলতে পারে না।
9) জলের হাতি বা জলহস্তি জলের নিচে ৩০ মিনিট দম বন্ধ করে থাকতে পারে।
10) যখন চাঁদ সরাসরি মাথার উপর, তখন
আপনার ওজন সবচেয়ে কম।
11) ডলফিন এক চোখ খোলা রেখে ঘুমায়।
12) তোমার মতোই শিম্পাঞ্জিরাও হ্যান্ডশেক করে ভাব বিনিময় করে!
13) এক পাউন্ড বিশুদ্ধ তুলা থেকে ৩৩ হাজার মাইল লম্বা সুতা তৈরি সম্ভব !
14) পিঁপড়ার ঘ্রাণশক্তি কুকুরের চেয়ে বেশী।
15) পেঙ্গুইন একমাত্র পাখি যে সাঁতার কাটতে পারে কিন্তু উড়তে পারেনা।
16) পৃথিবীতে যে পরিমান সোনা আছে তা দিয়ে সম্পূর্ণ পৃথিবী ঢেকে দিলে হাঁটু পরিমান উচ্চতা হবে।
17) পৃথিবীতে যত লিপস্টিক আছে, তার বেশির ভাগই তৈরি হয় মাছের আঁশ।দিয়ে।
18) প্রজাপতির চোখের সংখ্যা ১২ হাজার!
19) ফড়িংয়ের কান মলে দিতে চাইলে কিন্তু একটু সমস্যা হবে। কারণ ফড়িংয়ের কান হাঁটুতে!
20) মাছেরও কাশি হয়।
21) মৌমাছির চোখ পাঁচটি।
22) মশার দাঁত ৪৭ টি।
23) শামুক পা দিয়ে নি:শ্বাস নেয়। শামুকের নাক চারটি ।
24) শরীরের পেছন দিক দিয়েও নিঃশ্বাস নিতে পারে কচ্ছপ।
25) হাতি একমাত্র স্তন্যপায়ী, যারা লাফ দিতে পারে না।
26) বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের রঙ হালকা হয়ে যায়।
27) গড়ে একজন মানুষের চোখ বছরে ৪২লাখ বার পলক ফেলে।
28) মানবদেহে সবচেয়ে দীর্ঘ জীবন্ত কোষ হলো মস্তিস্কের কোষ (নিউরন)।
29) হাতের নখ, পায়ের নখের চেয়ে চারগুন দ্রুত বাড়ে।
30) মানবদেহের মোট হাড়ের ১/৪ অংশ পায়ে অবস্থিত!
31)প্রতি মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রে ৬জন সতেরোতে পা দেয়।
32) আপনি চোখ খুলে কখনোই হাঁচি।দিতে পারবেন না। বিশ্বাস না হলে এক্ষুণি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
33) আপনি কখনো আপনার কনুই কামড়
দিতে পারবেন না । চেষ্টা করে দেখুন!
34) গ্যালিলিও দূরবীন আবিষ্কার করার।আগে মানুষ খালি চোখে আকাশে মাত্র পাঁচটি গ্রহ দেখতে পেতো!
35) আমরা তো গাছ থেকে সহজেই খাবার পাই। কিন্তু আমরা জানি কি এক পাউন্ড খাবার তৈরি করতে গাছের প্রায় ১০০ পাউন্ড বৃষ্টির জল খরচ করতে হয়।

18/12/2021

সময় থাকতে জীবনটাকে পাল্টে ফেলুন। অনেক কিছু দেখবেন কিছু মানুষ আপনাকে নিয়ে হাসবে আর কিছু মানুষ অনেক কথা শুনাবে অই সব কথা মাথায় নিলে থেমে যেতে হবে। আজ যেটা পাওয়ার জন্য আপনি ব্যাকুল হয়ে আছেন, সেটার জন্য এমনভাবে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলুন যেন সবাই সেই জিনিসটা আপনার হাতে তুলে দেয়ার জন্য ব্যাকুল হয়। আজ যাকে পাওয়ার জন্য আপনি পাগল হয়ে আছেন, নিজেকে বরং এমন উচ্চতায় নিয়ে যান যেন সেই মানুষটি উল্টো আপনাকে পাওয়ার জন্য সে নিজে পাগল হয়। পৃথিবীটা শুধু পারফরমারদের, পৃথিবীটা শুধু যোগ্যদের। বাকিরা শুধুই দর্শক। জীবনে অনেক মানুষ দেখা মিলবে কেউ মাঝপথে আপনাকে ফেলে যাবে আবার কেউ শেষ দিকে। দুনিয়ায় তারাই সবচেয়ে বোকা, যারা নিজেরা উপরে ওঠার জন্যে অপরকে দাবিয়ে রাখতে চায়, এরকম অনেক বোকা আমি চিনি। বোকা চেনাটা মজার।এমন অনেক মুরব্বি আসেন যারা জানেনা সময়টা পাল্টাইছে। তারা ভাবে শিক্ষকরা গরিব আর নাসা যারা সু্যোগ পাই তারা বিসিএস ক্যাডারের চেয়ে অযোগ্য
শাবিপ্রবির ৫জন ছাত্র নাসাতে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। মুরুব্বিঃ- তাতে কি,? বিসিএস তো আর হয় নাই,,!
এটা শুনে সবাই আবার হুমড়ি খাবে বিসিএস জন্য। সবাই একদিকে গেলে কেমনে অন্য সেক্টর আগাবে। তাই যে যে বিষয় আগ্রহী তাকে সেভাবে আগাতে হবে।। আবারও বলি পৃথিবীটা শুধু পারফরমারদের, পৃথিবীটা শুধু যোগ্যদের।

BCS Specials

17/12/2021

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা অতি গুরুত্বপূর্ণ কোনো কথা বলার সময় তাঁরই বিভিন্ন সৃষ্টির নামে শপথ করে থাকেন। কুরআনুল কারীমে কখনো দুইবার কখনো তিনবারও শপথ করে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ের অবতারণা করেছেন তিনি।

কুরআনে একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি সংখ্যকবার শপথ করা হয়েছে সূরাতুস-শামসে (৯১)। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘য়ালা এ সূরার শুরুতে সাতটি বড় বড় সৃষ্টির (সূর্য, চন্দ্র,দিন, রাত, নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল এবং প্রাণ) নামে শপথ করেছেন।

কী এমন গুরুত্বপূর্ণ কথা, যেটা বলার জন্য সর্বাধিক সংখ্যকবার শপথ করা হয়েছে? আসুন জেনে নিই।

সাতটি সৃষ্টির নামে শপথ করার পর মহান আল্লাহ বলেছেন—
“যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে সেই সফলকাম হয় ৷ আর যে নিজেকে কলুষিত করে সে ব্যর্থ মনোরথ হয়।”

আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে খুব সাধারণ কথা। বস্তুত অসাধারণ বিষয়গুলোকে শয়তান আমাদের চোখে সাধারণ করে রেখেছে।

মহান সৃষ্টিকর্তার সাতত শপথ থেকে বুঝা গেল, নিজেকে সংশোধন করা একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও প্রকৃত সফলতার মূল পথ। অথচ আমরা আজকাল নিজের চেয়ে অন্যকে নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকি। আমাদের মধ্যে কর্তব্য-সচেতনতার চেয়ে অধিকার-সচেতনতা বেশি।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে আত্মশুদ্ধিতে মনোযোগী হয়ে সফলকাম হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন!

সংগৃহিত

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka