আজ ১৮ ডিসেম্বর
বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস
💔💔
শিক্ষা জগৎ
বিনোদন এর জন্য
মহিলাদের চেয়ে
পুরুষের লজ্জা বেশী!
এক বার এক স্কুলে স্থানীয় মহিলারা একটি সাধারণ সভার আয়োজন করেছিলেন।
সেখানে কথা বলতে যেয়ে এক মহিলা বলেছিল যে,
"মহিলাদের চেয়ে পুরুষের লজ্জা বেশী।"
কথাটা শেষ করতে না করতেই একজন ভদ্রমহিলা উঠে দাঁড়ালেন। প্রতিবাদের সুরে বললেন, 'আপা, আপনার কথাটা মানতে পারলাম না। পুরুষ মানুষের আবার লজ্জা দেখলেন কোথায়? ওরা তো বেশরম- বেলাজ।
প্রথম মহিলা দ্বিতীয় মহিলার বক্তৃতা থামিয়ে বললো আপা, আপনি কি করেন? তিনি বললেন এই স্কুলে শিক্ষকতা করি। প্রথম মহিলা বললো, কয়জন পুরুষ আর কয়জন মহিলা শিক্ষক আছেন এই স্কুলে?
তিনি বলেন, আমরা সমান সমান। চার জন পুরুষ চার জন মহিলা। হাসি মুখে উত্তর দিলেন ভদ্রমহিলা।
প্রথম মহিলা বললো, আপা আপনি কি কোন দিন আপনার পুরুষ সহকর্মীদের পেট-পিঠ দেখেছেন? "ভদ্রমহিলা ভ্রু কুচকে তাকালেন। বললেন তার মানে?
প্রথম মহিলা বললো "দেহ প্রদর্শন করা নির্লজ্জতা। কিন্তু এই কাজটা সাধারণত পুরুষেরা করেনা। আপনার যদি কখনো ইচ্ছে হয়, আপনার কোন পুরুষ সহকর্মীর পেট কিংবা পিঠ দেখবেন, তাহলে তাকে ডেকে বলতে হবে ভাই আপনার শার্ট কিংবা পাঞ্জাবীটা একটু উপরে তুলুন তো, আমি আপনার পেঠ কিংবা পিঠ তা একটু দেখব। সেই ভাই তখন নির্ঘাত আপনাকে পাগল মনে করবে।
আর আপনার পেট-পিঠ কতভাবে কত এ্যাংগেলে কত শত পুরুষ- মহিলা দেখছে তার কি কোন হিসাব আছে?
#পুরুষেরা পেট পিঠ বের করা পোষাক পরে বাইরে কিংবা অফিস-আদালতে যাবে না, এটা তাদের স্বাভাবিক লজ্জা। যা থাকা উচিত ছিল মেয়েদের।
অথচ মেয়েরা কিভাবে গলাটা আর একটু বড় করে কাঁধ এবং বুকের উপরি অংশ বের করা যাবে, কিভাবে জামার হাতার উপরি অংশ কেটে মাসেল দেখানো যাবে- সেই চেষ্টা করে।
#লজ্জাহীনতা মেয়েদের অস্থিমজ্জায় এমনভাবে ঢুকে গেছে যে, এ বিষয়টাকে তারা লজ্জার বিষয় বলে মনেই করে না. (আফসোস) পোস্টটা হয়ত কারো কাছে খারাপ লাগবে। কিন্তু শিক্ষামূলক পোস্ট হিসেবে সবার পড়া এবং শেয়ার করার দরকার আছে।
Collected 🙂
15/12/2020
জমে থাকা অভিমান,
চিঠি বিহীন ছেঁড়া খাম।
চেনা রাস্তায় হাতরে বেড়ায়,
হারিয়ে যাওয়া প্রিয় নাম।
বোবা ডায়েরির প্রতিটি পাতায়,
টুকে রেখেছি যে নাম।
স্মৃতির গায়ে ভীষণ বিঁধে,
নিখোঁজ সেই ডাকনাম।
~ ডাকনাম
কথায়~ ~অভিজিৎ চৌধুরী
টাইপো~~
13/12/2020
#উদার_মনের_অধিকারী এক #পাগল_প্রেমিকের_গল্প
ইমুতে আপত্তিকর ছবি পাঠাতো প্রবাসীর স্ত্রী, পরে জানা গেল প্রেমিকই স্বামী।
স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে স্ত্রী জড়িয়ে পড়লো পরকীয়া প্রেমে। আর সেই পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে স্ত্রী দেখলো তার প্রবাসী স্বামীই সেই প্রেমিক৷
ভৈরবের কুলিয়ারচর ব্রিজে এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাসূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার মণিপুর গ্রামের জিহান মিয়া একই উপজেলার আয়েশা বেগমকে বিয়ে করেন। ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের মাত্র দেড় মাস পরে সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে জিহান পাড়ি জমান ওমানে। ফলে আয়েশা স্বামীর বাড়ি থেকে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়।
প্রবাসে গিয়ে স্বামী নিজের স্ত্রীকে পরিক্ষা করার জন্য রাজা নামে একটি ভূয়া ফেসবুক আইডি খুলেন। সেই আইডি দিয়েই নিজের স্ত্রীর সঙ্গে নিজেকে একজন ভিন্ন পুরুষ হিসাবে পরিচয় দিয়ে কথা বলা শুরু করেন৷ এরপর থেকে দীর্ঘ দেড় বছর পর স্বামী দেশে ফিরতে চাইলে আপত্তি জানান স্ত্রী। এক সময় স্বামীর ফোন রিসিভ করাও বন্ধ করে দেন।
এ প্রসঙ্গে জিহান জানান, তার অনুপস্থিতিতে পরকীয়ায় মেতে ওঠে আয়েশা। পরে নিজের পরিচয় গোপন করে প্রেমিক সেজে ‘রাজা’ নামে আয়েশার সাথে প্রেম শুরু করে সে। প্রেমের সুবাদে ইমুতে সে নানা আপত্তিকর ছবি পাঠায়। তার বাবা ব্যবসার কারণে পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করে। কিন্তু সে তার নানার বাড়ি কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে আছে বলে জানায়।
এরই মধ্যে একদিন রাজাকে আয়েশা জানায়, তার আগে বিয়ে হয়েছিল। আগের স্বামীকে সে ডিভোর্স দিবে এবং রাজাকেই বিয়ে করবে। কথাটি শোনার পর থেকে মনে অনেক আঘাত পায় জিহান। পরে গত ২৮ নভেম্বর কাউকে না জানিয়ে দেশে ফিরে আসে।
এর একদিন পর কুমিল্লা আদালতে স্ত্রীসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে জিহান। পরে র্যাবের পরামর্শ নিয়ে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর সেতুর প্রান্ত ভৈরবের মানিকদী এলাকা থেকে তার স্ত্রীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তাকে নিয়ে ভৈরব র্যাব ক্যাম্পে গেলে আয়েশা ও আমার পরিবারের লোকজন মিলে মীমাংসা করে দেয়। জীবনের আর এমন হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয় আয়েশা। পরে তাকে জিহানের বাড়িতে নিয়ে আসে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তই ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে জিহান বলেন, আসলে এমন হবে কোনোদিন ভাবিনি। দেরিতে হলেও আমার স্ত্রী তার ভুল বুঝতে পেরেছে।
আমরা পেছনের সব কিছু ভুলে সংসারে সুখী হতে চাই।
মেয়েরা কাঁদে! কারণে অকারণে কাঁদে! কখনো নিজের জন্য! কখনো মা বাবার জন্য! কখনো ভাই বোনের জন্য! কখনো ছেড়ে যাওয়া প্রিয় মানুষের জন্য!🌺
কখনো ছেড়ে আসা প্রিয় মানুষের জন্য! কখনো নিজের বাড়ির জন্য! কখনো নিজের সাঁজানো চার দেয়ালের ছোট্ট রুমটার জন্য!🙂
মেয়েদের জীবনটা ভাসমান নৌকার মতো... কোথাও স্থায়ী নয়। কখনো বা বাবার বাড়িতে... কখনো শশুর বাড়িতে... কখনো বৃদ্ধ বয়সে সন্তানের বাড়িতে... জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে শেষ অবধি জায়গা হয় অন্ধকার ঘরে।🖤
মেয়েদের জীবনে কোনো কিছুই ফিক্সড হয়না। মেয়েদের সারাজীবন উৎসর্গ করে যেতে হয়। তারপরও মেয়েদের কখনো জানা হয়না কোন বাড়িটা তাদের জন্য নির্দিষ্ট! কোন পরিবারের নির্দিষ্ট মেম্বার সে!🌺
তারপরও মেয়েরা চারিপাশ সামলিয়ে বেঁচে থাকে। কখনো মূল্য পেয়ে আবার কখনো মূল্যহীন হয়ে। মেয়েরা ভালো থাকতে চায়। নিজের জন্য; নিজের প্রিয় মানুষগুলোর ভালোর জন্য 🙃
নিজের মা, বোন, বউ প্রিয়তমা এবং মেয়ে কে বুঝতে শিখুন মূল্যায়ন করুন তাদের 😊
নবম-দশম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েদের সাথে প্রেম করো না,, কারণ তাদের মাঝে ভালোবাসা থাকেনা থাকে আবেগ।
______কাজী নজরুল ইসলাম 🌸
23/10/2020
#পোস্টটি_যে_কতটা_গুরুত্বপূর্ণ_না_পড়লে_বুঝতে___________পারবেন_না!
আমার আর শ্রাবণীর বিয়ের ঠিক ৪দিন পর খেয়াল করি আমাদের বাসার কাজের মেয়েটা আর আসছে না। আমি তখন মাকে বলি,
-- মা, শেফালী অসুস্থ নাকি? দুইদিন ধরে ওকে দেখছি না
মা উত্তর দিলো,
- কাজের মেয়ের আর দরকার নেই। শুধু শুধু মাস গেলে এতগুলো টাকা দিতে হয়। তাছাড়া এখন তো বউমা আছে
আমি আর মাকে কিছু বলি নি। বেলকনিতে দাঁড়িয়ে শুধু ভাবতে লাগলাম, আমার বিয়ের পর মা কাজের মেয়ে বিদায় করে দিলো অথচ আমার ছোট বোনকে বিয়ে দেওয়ার সময় উপহার সামগ্রীর সাথে সাথে একটা কাজের মেয়েও দিয়েছিলো
এইসব কথা যখন ভাবছিলাম তখন শ্রাবণী আমার পিছনে দাঁড়িয়ে বললো,
- তোমায় একটা কথা বলবো?
আমি ওর দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- হুম, বলো
শ্রাবণী তখন মাথা নিচু করে বললো,
- আমার একজোড়া স্যান্ডেল লাগবে। হিল জুতা পরে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে
শ্রাবণীর মুখ থেকে কথাটা শুনার পর নিজের খুব লজ্জা লাগছিলো। আমার বউ ৪দিন ধরে হিল জুতা পরে চলাচল করছে আর আমি সেটা খেয়াল করি নি। আমার উচিত ছিলো বিষয়টা খেয়াল করা। আমি তখন শ্রাবণীকে বললাম,
--ঠিক আছে আজকে আমি এনে দিবো
সন্ধ্যার পর বাসায় যখন ফিরি তখন শ্রাবণীর জন্য একজোড়া স্যান্ডেল কিনে আনি। কাগজে মুড়ানো স্যান্ডেলগুলো নিয়ে যখন বাসায় ঢুকি তখন খেয়াল করি মা পাশের বাসার আন্টির সাথে কথা বলছে। মা আমার হাতের দিকে তাকিয়ে বললো,
- কিরে, তোর হাতে কি এটা?
আমি উত্তর দেওয়ার আগেই পাশের বসার আন্টি ঠোঁট বাঁকিয়ে হেসে বলতে লাগলো,
~কি আর আনবে, বউয়ের জন্য নিশ্চয়ই লুকিয়ে সন্দেশ মিঠাই এনেছে। এখন জামাই বউ মিলে দরজা বন্ধ করে খাবে। মাকে দেওয়ার কথা মনেও করবে না
আমি কাগজটা সরিয়ে আন্টিকে বললাম,
--বউয়ের জন্য ৬৫ টাকা দিয়ে একজোড়া বাটা স্যান্ডেল এনেছিলাম। এখন আপনার কাছে যদি এটা সন্দেশ মিঠাই মনে হয় তাহলে চায়ের সাথে বসে বসে এটাও খেতে পারেন
এইকথা বলে আন্টির কোলের উপর স্যান্ডেলজোড়া রেখে রুমের ভিতর ঢুকলাম। তারপর শ্রাবণীর দিকে তাকিয়ে বললাম,
--আন্টি যদি স্যান্ডেলগুলো না খায় তাহলে আন্টি চলে গেলে স্যান্ডেলগুলো পায়ে লাগিয়ে দেখো ঠিকঠাক মত হয় কিনা
শ্রাবণী চাপা হাসি হেসে বললো,
-ঠিক আছে
হাসিটা চেপে রাখার জন্য শ্রাবণীর কপালের রগটা নীল হয়ে গিয়েছিলো। আমি মুগ্ধ হয়ে ওকে দেখে ভাবছিলাম, একটা মেয়ে এতটা সুন্দর হয় কি করে...
---
----
ছোট বোনের শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার জন্য আমি ৩ কেজি মিষ্টি নিয়েছিলাম বলে মা রাগে বলেছিলো,
"৩ কেজি মিষ্ট নিয়ে গেলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমার মেয়েকে নানা রকম কথা শুনাবে "
তাই আমি সেদিন ৬ কেজি মিষ্টি ২কেজি দই আর ১ কেজি রসমলাই নিয়ে গিয়েছিলাম। অথচ আজ আমি যখন শ্রাবণীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাবো তখন মা বললো,
- শ্বশুরবাড়ি এতকিছু নিবার দরকার নেই। দুইকেজি মিষ্টি আধা কেজি আধা কেজি করে ৪টা প্যাকেটে নিয়ে গেলেই হবে।
আমি মার কথা শুনে কোন উত্তর দেই নি শুধু একটু মুচকি হেসেছিলাম আর শ্রাবণীর দিকে তাকিয়ে দেখি ও ওর চোখের জলটা লুকানোর চেষ্টা করছে
বাসের মধ্যে শ্রাবণী আমার সাথে একটা কাথাও বলেনি। শুধু বাসের জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে ছিলো। বাস থেকে নেমে যখন রিকশায় উঠলাম তখন শ্রাবণীকে বললাম,
-- তোমাদের এইখানে ভালো মিষ্টি কোথায় পাওয়া যায়?
শ্রাবণী তখন আমায় বললো,
- পিয়াস, তুমি আমাদের বাসায় শূন্য হাতে গেলেও তোমার যত্নের এতখানি কমতি হবে না।
আমি তখন শ্রাবণীর হাতটা শক্তকরে ধরে মুচকি হেসে বললাম,
-- পাগলি...
দুইরাত শ্বশুরবাড়ি থাকার পর ৩দিনের দিন যখন শ্রাবণীকে নিয়ে বাসায় ফিরি তখন মা দরজা খুলে প্রথম কথাটা বলেছিলো,
- শ্বশুর শ্বাশুড়ির আদর যত্ন পেয়ে মাকে তো ভুলেই গেলি। তা শ্বশুর শ্বাশুড়ি তোর কানে কি কি মন্ত্র শিখিয়ে দিলো?
আমি তখন ক্লান্ত চোখে মার দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- মা, অনেকটা পথ জার্নি করে এসেছি। তোমার সাথে পরে কথা বলছি...
খাবার টেবিলে বসে মা শ্রাবণীর দিকে তাকিয়ে বললো,
- বউমা, তোমায় না বলেছিলাম শুটকি আলু দিয়ে রান্না করতে। তুমি তা না করে বেগুন দিয়ে রান্না করলে কেন?
শ্রাবণী তখন বললো,
- মা, আমাদের এইখানে শুটকি বেগুন দিয়ে হালকা ঝুল করে রান্না করে। আপনি একবার খেয়ে দেখেন ভালো লাগবে
মা তখন হেসে দিয়ে বললো,
-এখনি শ্বাশুড়ির কথা না শুনে নিজের মত কাজ করা শুরু করেছো। বাকিদিন তো পরেই আছে
মা'র খোচা দেওয়া কথাটা শ্রাবণী ঠিকিই বুঝতে পেরেছিলো তাই ও মাথা নিচু করে বললো,
- পরের বার এমন ভুল হবে না মা...
---
-----
শ্বাশুড়ির সাথে ঝগড়া করার পর ১৩ দিন ধরে ছোট বোন মালিহা আমাদের বাসায়। অবশ্য সায়েম( মালিহার স্বামী) দুইবার এসেছিলো মালিহাকে নিতে কিন্তু মা সায়েমকে সরাসরি বলেছে মালিহাকে দিবে না। যদি সায়েম আলাদা ফ্ল্যাট নেয় তবেই মালিহাকে যেতে দিবে। শ্বাশুড়ির হুকুম মেনে তার মেয়ে চলতে পারবে না
আজকে আবারও সায়েম এসেছে। ড্রয়িংরুমে বসে সায়েম মাকে বললো, সে আলাদা ফ্ল্যাট নিয়েছে। এখন সে মালিহাকে নিয়ে আলাদাভাবেই থাকবে। আড়াল থেকে কথাগুলো শুনে আমি ড্রয়িংরুমে গেলাম। সায়েমের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললাম,
-- যাক, অবশেষে তোমার সুবুদ্ধি উদয় হলো
মা'র চোখে মুখে তখন ঈদের খুশি। মা হাসতে হাসতে বললো,
- যাক বাবা, এইবার আমি চিন্তামুক্ত। মেয়েকে নিয়ে আমার আর চিন্তা হবে না। আরে এটা কি আশির দশক নাকি, যে শ্বশুর শ্বাশুড়ি সবাইকে সাথে নিয়ে একসাথে সংসার করতে হবে? এটা ২০২০ সাল। এইযুগের মেয়েরা সবসময় চায় নিজের মত করে সংসারটা সাজাতে। আজকাল শ্বশুর শ্বাশুড়ির হুকুম মত চলার দিন আছে নাকি?
এমন সময় শ্রাবণী নাস্তা নিয়ে ড্রয়িংরুমে ঢুকলো। আমি তখন শ্রাবণীকে বললাম,
-- যাও, তাড়াতাড়ি কাপড় চোপড় গুছিয়ে বাবার বাড়ি চলে যাও
শ্রাবণী অবাক হয়ে তাকিয়ে বললো,
- মানে!
আমি তখন কিছুটা রাগ দেখিয়ে বললাম,
-- মানেটা হলো তুমি এখন বাপের বাড়ি যাবে। আর আমি যখন তোমায় নিয়ে আসতে যাবো তখন তুমি সোজা বলে দিবে আলাদা ফ্ল্যাট নিলে তবেই তুমি আমার সাথে আসবে তার আগে আসবে না। আরে তুমি এই যুগের মেয়ে। তোমারও তো ইচ্ছে হয় স্বামীকে নিয়ে আলাদা ভাবে থেকে সংসারটাকে নিজের মত গোছাতে। আজকাল শ্বাশুড়ির হুকুম মত চলার দিন আছে নাকি?
শ্রাবণী তখন কেঁদে দিয়ে বললো,
-পিয়াস! প্লিজ
আমি তখন ওরে জোরে ধমক দিয়ে বললাম,
--যা বলছি তাই করো গিয়ে
শ্রাবণী কাঁদতে কাঁদতে অন্যরুমে চলে গেলো। মা ছোট বোন আর ছোট বোনের স্বামী সবাই আমার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে রইলো। আমি তখন মাকে বললাম,
--বিয়ের আগে যদি আমার বাসায় কাজের মেয়ে রাখতে পারি তাহলে বিয়ের পর কেন আমি কাজের মেয়ে রাখতে পারবো না? তুমি তো বিয়ে করিয়ে ছেলের বউ এনেছো কাজের মেয়ে তো আনো নি।
আমি যদি ছোট বোনের বাসায় ৩ কেজি মিষ্টি নিয়ে যায় তাহলে সবাই ছোটবোনকে কথা শুনাবে। আর আমি যদি শ্বশুর বাড়ি ২কেজি মিষ্টি নিয়ে যায় তখন কি শ্রাবণীকে ওর বাড়ির লোক কথা শুনাবে না?
নিজের মেয়ে শ্বাশুড়ির হুকুম মত চলতে পারবে না অথচ প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ছেলের বউ তোমায় জিজ্ঞেস করে, মা আজ রুই মাছ কি দিয়ে রান্না করবো
আচ্ছা মা তোমাদের শ্বাশুড়িদের সমস্যাটা কি? তোমরা কেন ছেলের বউকে নিজের মেয়ের মত দেখতে পারো না। আজকাল যে ছেলেরা বাবা মার থেকে আলাদা হয়ে যায় এতে কি শুধু ছেলের বউয়ের শুধু দোষ থাকে? শ্বশুর শ্বাশুড়ির কি কোন দোষ থাকে না?
মা আমার প্রশ্নের কোন জবাব না দিয়ে চুপচাপ শুধু শুনলো। আমি তখন সায়েমের দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- তোমায় আমি ভালো ছেলে ভাবতাম। আমি যদি জানতাম তুমি মেরুদণ্ডহীন তাহলে কখনোই তোমার কাছে নিজের বোনের বিয়ে দিতাম না৷ বউয়ের সাথে শ্বাশুড়ির টুকটাক ঝগড়া হবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু এর জন্য বাবা মাকে ছেড়ে আলাদা ফ্ল্যাটে থাকতে হবে নাকি? বউ রাগ করে বাপের বাড়ি এসে পড়েছে।বউকে একদিন বুঝাবে দুইদিন বুঝাবে তিন দিনের দিন গালে একটা থাপ্পড় মেরে নিয়ে যাবে। তবুও যদি না যায় তাহলে বললে, সারাজীবনের জন্য এইখানে থাকো আমি তোমায় ডিভোর্স দিবো। ডিভোর্সের কথা শুনলে আর কিছু করা লাগবে না এমনিতেই সুরসুরিয়ে যাবে।
সায়েম মাথা নিচু করে বললো,
- দুঃখিত ভাইয়া আমার ভুল হয়ে গেছে
ছোট বোনের দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- তোরা কেন পারিস না নিজের শ্বাশুড়িকে মার চোখে দেখতে। মনে রাখিস একদিন তুইও শ্বাশুড়ি হবি তখন ছেলের বউ তোর সাথে এমন করলে বুঝবি কতটা কষ্ট হয়...
---
----
বাস ছেড়ে দিবে। জানালা দিয়ে তাকিয়ে শ্রাবণী কাঁদতে কাঁদতে আমায় বললো,
-পিয়াস, আমি যাবো না
আমি তখন মুচকি হেসে বললাম,
-- মা'র মন থেকে ছেলের বউ আর নিজ মেয়ের মধ্যকার পার্থক্যটা দূর হলেই মাকে সাথে নিয়ে তোমায় নিতে আসবো
বাসটা চোখের সামনে থেকে কিছুক্ষণের মধ্যে আড়াল হয়ে গেলো। শ্রাবণীর জন্য মনটা কেমন কেমন জানি করছে। তবুও নিজের মনকে এই বলে সান্ত্বনা দিলাম, সারাজীবন সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার জন্য কয়েকদিন নাহয় কষ্টে রইলাম
23/10/2020
👳👲একটি বিয়ের অসাধারণ কাহিনী!👳👲
সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর পিতা নাজমুদ্দীন আইয়ুব দীর্ঘদিন পর্যন্ত অবিবাহিত ছিলেন। তিনি তিকরীতের আমীর থাকাকালীন সময়ে তার ভাই আসাদুদ্দীন শেরকুহ জিজ্ঞেস করলেন,
-হে আমার ভাই! তুমি বিয়ে করছো না কেনো?
– ভাইজান! আমি নিজের জন্যে কোনো উপযুক্ত মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না!
— আমি কী তোমার জন্যে কোনো মেয়েকে প্রস্তাব দেবো?
– কাকে?
– বাদশাহ মালিকশাহের কন্যা অথবা প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে।
#নাজমুদ্দীন জবাব দিলেন, এরা কেউই আমার জন্যে উপযুক্ত নয়! শেরকুহ অবাক হয়ে বললেন,
– তাহলে কে তোমার জন্যে উপযুক্ত হবে?
– আমি এমন নেককার নারী চাই, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে, আমার জন্যে এমন সন্তান জন্ম দিবে যার উত্তম লালন-পালন সে করবে, এমতাবস্থায় সে যুবক হবে এবং হবে একজন অশ্বারোহী। আর মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাসকে ফিরিয়ে আনবে। (নাজমুদ্দীনের সহজ জবাব)
এটাই ছিলো নাজমুদ্দীনের স্বপ্ন। তাঁর ভাইয়ের এ কথা পছন্দ হলো না, বললেন, তোমার জন্যে এ রকম মেয়ে কোথায় পাবে? নাজমুদ্দীন জবাব দিলেন, যে আল্লাহর জন্যে ইখলাসের সাথে নিয়ত করে, আল্লাহ তার নিয়ত পূর্ণ করেন।
এর কয়েকদিন পর নাজমুদ্দীন তিকরীতের এক শায়খের সাথে বসে কোনো এক মসজিদে আলাপ করছিলেন। তখন এক যুবতী মেয়ে আসলো এবং পর্দার আড়াল থেকে শায়খকে ডাকলো। তখন শায়খ ওই যুবতী মেয়ের সাথে আলাপ করার জন্যে নাজমুদ্দীনের কাছ থেকে অনুমতি চাইলেন।
অনুমতি পেয়ে শায়খ ওই মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন,
– কেনো তুমি ওই যুবকের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে যাকে আমি তোমাদের ঘরে পাঠিয়েছিলাম?
– হে শায়খ! এ কথা সত্য যে, এই যুবক সৌন্দর্য্যে এবং বংশমর্যাদায় পরিপূর্ণ, কিন্তু সে আমার উপযুক্ত নয়!
– তাহলে তুমি কী চাও?
– হে প্রিয় শায়খ! আমি এমন যুবক চাই, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে, আমার জন্যে এমন একটি সন্তান জন্ম দিবে, যার লালনপালন সে উত্তমভাবে করবে; এমতাবস্থায় যখন সন্তানটি যুবক হবে, আমি তাকে দেখতে পাবো একজন তাজাদম অশ্বারোহীর রূপে।
আর সে মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাসকে দখলদার খৃষ্টানদের হাত থেকে ফিরিয়ে আনবে!
💞💞আল্লাহু আকবার! 💞💞
এটাতো সেই বাক্য, যা নাজমুদ্দীন তাঁর ভাইকে বলেছিলেন। নাজমুদ্দীন বাদশাহের মেয়ে এবং মন্ত্রীর মেয়েকে ত্যাগ করলেন।আর এই মেয়ে সুন্দর-অভিজাত বংশের ছেলেকে ত্যাগ করলো শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য!আর আল্লাহ তাদের এই এখলাসের বদৌলতে জোড়া মিলিয়ে দিলেন!
ভাইকে খুশিমতো পাত্রী মিলে যাবার খবর জানিয়ে নাজমুদ্দীন বিয়ে করে ফেললেন।তাঁদেরই ঔরসে জন্ম নিলেন গাজী সালাহুদ্দীন আইয়ুবী রাহিমাহুল্লাহ।যিনি সারাটা জীবনই আল্লাহর রাস্তায় ওয়াক্বফ্ করে দিয়েছিলেন। শেষতক খৃষ্টানদেরকে পরাজিত করে ফিরিয়ে এনেছিলেন মুসলমানদের হারিয়ে যাওয়া প্রথম ক্বিবলা- মাসজিদে আক্বসা।
(সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবীর ফুল জীবনী জানার জন্য,,, * ইমান দীপ্ত দাস্তান *কিতাবটি অধ্যায়ন করতে পারেন, কিতাবটি ৮খন্ড)ইস্লামিক উপন্যাস
💐💐💐জাযাকাল্লাহ খাইরান 🌿🌿🌿
27/09/2020
পড়লে শরীরের লোম দাড়িয়ে যাবে,,😔😢
বোনঃ হ্যালো,,
ভাইঃ এতো রাতে ফোন দিছিস কেন বোন?
বোনঃ (কেদে কেদে) আমার খুব ভয় করছে, ভাইয়া,😢
ভাইঃ কেন কী হয়েছে,,?
বোনঃ প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে,,আর মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ ও চমকাচ্ছে,, আমার খুব ভয় লাগছে ভাইয়া,,
ভাইঃ তোর শশুর বাড়ির সবাই কোথাই,,,?
বোনঃ ঘর বাইরে থেকে তালা দিয়ে ওরা সবাই বেরাতে গেছে,,বাড়িতে আমি একা,,
ভাইঃ ভয় পাস না,,,তোর ভাইয়া তোর সাথে আছে,,
বোনঃ তুই কিন্তু আমার সাথে সারা রাত কথা বলবি ভাইয়া,,
ভাইঃ হুম বলবো,,
৫মিনিট পর ফোনের লাইনটা কেটে যায়,,, মেয়েটা আরো আরো বেশি ভয় পেয়ে যায়,,,,,,,, ঠিক ৩০ মিনিট পর,,,
ভাইঃ হ্যলো,,
বোনঃ জোরে জোরে কেঁদে কেদে,,,তুই ফোন কেটে দিলি কেন ভাইয়া,,,,আমি অনেক ভয় পাইছি,,,😢😢😢
ভাইঃ ভয় পাস না লক্ষি বোন,,,তোর ভাই তোর বাড়ির সামনে দাড়িয়ে আছে,,🌝
বোনঃ এই ঝড় বৃষ্টির রাতে তুই বাইরে দাড়িয়ে আছিস,,,😔😔
ভাইঃ ভয় পাস না,, যা ঘুমিয়ে পর,,,,
বোনঃ আর তুই,,?😢
ভাইঃ সারা রাত তোর জন্য দাড়ি থাকবো,,,
এ ভাবে ওদের ভাই বোনের মধ্য কথা হতে থাকে কিন্তু,, হঠাৎ মেয়েটি ঘুমিয়ে পরে,পর দিন সকাল বেলা থকে মেয়েটি ওর ভাইকে ফোন দেওয়ার চেষ্টা করে,,কিন্তু ফোনটা বন্ধ ছিলো,, মেয়েটি জানতে পারে ওর ভাইকে আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না,পরে জানা যায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে সেই রাতেই ছেলেটি মারা যায়,,,মেয়েটি এই খবরটি শুনা মাএই অঙ্গেন হয়ে যায়,,,, আর আস্তে আস্তে কুমায় চলে যায়,,কিন্তু এখনো গ্রাম বাসিরা বলে যখন আকাশ মেঘ করে,জোরে বাতাস বয়,,ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকায়,,,তখন নাকি ওই মেয়েটির শুশুর বাড়ির সামনে কারো চিৎকারের আওয়াজ শুনা যায়,,,কেউ একজন চিৎকার করে বলছে,, ভয় পাস না তুই ঘুমা বোন আমি জেগে আছি,,,
আসলে মা বাবার পরে যদি আর কোন পবিএ সম্পর্ক থাকলে সেটা হলো ভাই বোনের সম্পর্ক,,, যদিও আমার কোন বোন নেই,,তবোও আমি ভাই বোনের সম্পর্ক কে সন্মান করি,,আর সব সময় দুয়া করি যেন পৃথিবীর সকল ভাই বোন গুলো ভালো থাকে,,,
যাই হউক গল্পটা কেমন লাগলো দয়া করে কমেন্টে জানাবেন?🙃🙃🙃
- একজন বাবার সবথেকে মূল্যবান ও আদুরে
- সম্পদ হচ্ছে তার "বড় মেয়ে" ❤️
26/09/2020
জানালা দিয়ে রুমের ভেতরে তাকাতেই দেখি আমার স্ত্রী শিখা ওর কলেজ লাইফের বন্ধু শাওন এর সাথে সহবাস করছে।
।
।
কাল আমার স্ত্রী শিখা এর জন্মদিন ।
।
তাই একটা শাড়ি কিনে বাসায় আসলাম।
।
বাসায় এসে দেখি রুমের দরজা ভেতর লক করা।
।
আমি ওকে ডাক দিবো তখনই আমার মনে হলো
।
ভেতর থেকে কিছু শব্দ ভেসে আসছে ।
।
শিখা কি যেন বলছে ।
।
এবার আমি ওকে না ডেকে জানালার কাছে গেলাম ।
।
জানালা খোলাই ছিল ।
।
আমি জানালার কাছে গিয়ে যা দেখলাম তাতো জানেনই।
।
ওকে ঐ অবস্থায় দেখে আমার সারা শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল।
।
আমি তারাতাড়ি বাসার বাইরে চলে এলাম ।
।
রাস্তার পাশে একটা বেঞ্চে বসে পড়লাম ।
।
আমার সারা শরীর দিয়ে ঘাম ঝরছে ।
।
হাত পা অবস হয়ে আসছে ।
।
ওর জন্মদিন নিয়ে আমি অনেকটা এক্সাইটেড ছিলাম ।
।
কারন
যেই দিনে ওর জন্মদিন ঠিক একই তারিখে আমাদের বিবাহবার্ষিকী।
।
আর এটা আমাদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী তাই
।
আমি বেশি এক্সাইটেড।
।
কিন্তু ,,,
এইমাত্র যা দেখলাম তাতে আমার সমস্ত আনন্দ মাটিতে মিশে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।
।
হারিয়ে যাচ্ছে স্বপ্নগুলো ।
।
যে স্বপ্ন গুলো ছিল খুব সাজানো গোছানো।
।
দুটি মন একাকার হয়ে এই স্বপ্নগুলো বুঝেছিলাম।
।
আমার আজ ভাবতে কষ্ট হচ্ছে এই কি আমার সেই শিখা
।
যে আমার হাতে হাত রেখে বলেছিলো ,,,,,,
আমি শুধু তোমার সুর্য ।
।
আমি সুর্যের শিখা হয়ে বাঁচতে চাই আজিবন।
।
আমি তোমার আলোয় আলোকিত হতে চাই ।
।
দিবে না আমায় সেই অধিকার ।(শিখা)
দিবো তো কিন্তু ,,,,,(আমি)
কিন্তু কি ? (শিখা)
শিখা তুমি জানো আমি অনাথ ।
।
আমার চারকুলে কেউ নেই।
।
নেই বাড়ি গাড়ি টাকা পয়সা ।
।
অনেক কষ্টে লেখাপড়া করেছি। (আমি)
আমার কিছু চাই না শুধু তোমাকে চাই ।
।
আর তুমি গ্রাজুয়েট কম্পিলিট করেছো ।
।
তাও আবার নিজের যোগ্যতায় ,,,,
।
দেখো তোমার একটা চাকরি হয়ে গেলে
।
আমরা ঠিক মানিয়ে নিতে পারবো।(শিখা)
(এই কথাগুলো মনে পরছে আর চোখ দুটো ঘোলাটে হয়ে আসছে ,
।
কাঁদতে ভুলে গেছি তাই চোখ দিয়ে পানি ঝরে না।)
শিখার বাবা মা আমাদের সম্পর্কটা জেনে গিয়েছিল ।
।
তারা শিখাকে অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে চাইলে ও
।
আমার হাত ধরে চলে আসে যার ফলশ্রুতিতে
।
ওর বাবা ওকে তার কাছে মৃত বলেছেন
।
তবুও শিখা আমার সাথে থাকার জন্য চলে আসে।
।
আর যেদিন ও সব ছেড়ে চলে আসে
।
সেইদিন ছিলো ওর জন্মদিন ।
।
শিখা চলে আসাতে সেদিনই আমরা বিয়ে করে নিয়েছিলাম ।
।
কয়েকদিনের মধ্যেই আমার একটা চাকরি হয়ে গেল
।
ভালই কাটছিল আমাদের জীবন ।
।
কিন্তু
এখন সব এলোমেলো হয়ে গেছে ।
।
তবে আমার বিশ্বাস হচ্ছে না শিখা আমার সাথে এরকম করবে ।
।
কিন্তু এইমাত্র যা দেখলাম তাতো আর মিথ্যা না ।
।
এর মাশুল শিখাকে দিতেই হবে ।
।
অপবিত্র হয়ে বেঁচে থাকার কোন অধিকার ওর নেই ।
।
ও আমার মনটাকে খুন করে ফেলেছে।
।
আমিও মেরে ফেলবো ওকে ।
।
না শুধু ওকে নয় ওর বেষ্টফ্রেন্ড শাওনকেও ।
।
আগে ওকেতো মারি তারপর না হয় আমিও মরবো ।
।
কারন এত কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার কোন
।
ইচ্ছেই নেই আমার।
।
আমি বাসা থেকে বের হয়ে এসেছি ১০ টা বাজে ।
।
এখন প্রায় ১১ টা বেজে গেছে তার মানে
।
আমি ১ ঘন্টা ধরে এখানে বসে আছি ।
।
না বসে থাকলে চলবে না ।
।
আমি এখন ওদের প্রাপ্য ফিরিয়ে দেবো ।
।
হ্যাঁ ওরা যেমনটা করেছে ঠিক তেমনই আমি ওদের প্রাপ্য ফিরিয়ে দেবো।
।
আমি বাসার সামনে আসতেই দেখি শাওন মাত্র বাসা থেকে বের হচ্ছে ।
।
না আমি আর পারছিনা ও সাজা না পেয়ে চলে
।
যাবে এটা হতে পারে না ।
।
আমি একটা গাছের আড়ালে লুকিয়ে গেলাম।
।
আর চারদিকে চোখ বুলিয়ে দেখতে লাগলাম কিছু পাই কিনা ।
।
একটা লাঠি দেখতে পেলাম ,,,,,
।
ওদিকে শাওন বাসার গেটের কাছে পৌঁছে গেছে ।
।
আমি লাঠিটা তুলে ওর পেছন থেকে
।
একটা বারি মারলাম ওর মাথা বরাবর।
।
শাওন অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল ।
।
আমি শাওনকে নিয়ে গেলাম একটা বিশাল জঙ্গলে ।
।
সেখানে গিয়ে দেখলাম এখনো শাওনের জ্ঞান ফিরেনি।
।
আমার জন্য ভালই হলো ।
।
ওর জ্ঞান ফিরলে বাঁচার জন্য অনেক চেষ্টা করতে পারে
।
তাই ওকে একটা দরি দিয়ে হাত পা বেঁধে দিলাম ।
।
এবার একটা গাছের ডাল ভেঙে ওর মাথায়
।
কয়েকটা বাড়ি দিলাম গায়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে
।
শাওন ছটফট করতে লাগলো।
।
কিন্তু কিছু বলতে পারছে না আর ছুটতেও পারছেনা ।
।
আমি আরো কয়েকটা বাড়ি দিয়ে ওর মুন্ডুটা গুড়িয়ে দিয়েছি ।
।
ওর নিথর দেহটা মাটিতে পড়ে আছে ।
।
আমি ওখান থেকে চলে আসলাম ।
।
কারন আমি চাই ওর লাশটা শেয়াল কুকুর রা খাক তাই
।
মাটিচাপাও দেইনি ।
।
আমার সমস্ত শরীর দিয়ে ঘাম ঝরছে ।
।
এবার শিখার পালা ।
।
শিখাকেও মরতে হবে ।
আজ আমার মাথায় রক্ত চড়ে গেছে ।
।
সেই ছোট্ট বেলা থেকে কষ্ট পেতে পেতে এতখানি বড় হয়েছি ।
।
এখনও আমাকে কষ্ট দিতে মন চায় তাইনা ।
।
আমার ভালবাসাকে অপমান করার শাস্তি পেতে হবে তোমার ।
।
আমিতো কষ্টে কষ্টে মরে যাব কিন্তু
।
তোর মত বিশ্বাসঘাতককেও বাঁচতে দেবো না ।
।
মোবাইলের দিকে তাকিয়ে দেখি রাত সাড়ে বারোটা বেজে গেছে
।
আমি মোবাইলের টর্চ জ্বেলে বাসার উদ্দেশ্যে যাচ্ছি।
।
শাওন কে খুন করে মাত্র বাসায় ফিরলাম।
।
আমার স্ত্রীকে খুন করবো বলে ,,,,,,
।
আমার যত কষ্ট হোক ওকে আমার মারতেই হবে
।
তাই আমার রুমের দিকে গেলাম ।
।
এবার দরজাটা খোলাই ছিল তাই ভেতরে গেলাম ।
।
কিন্তু রুমে গিয়ে যা দেখলাম
।
তার জন্য আমি একটুও প্রস্তুত ছিলাম না
।
দেখি শিখা,,,,,,,,,,,,,,,,
গল্প: #ভুল
লেখক:অপ্রকাশিত
পর্ব - ০১
(আপনাদের সাড়া পেলে ২য় পর্ব দিবো)
add diye satei takon
!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
Opening Hours
| 09:00 - 17:00 |