K360

K360

Share

Knowledge360 (K360, in short) is an organisation based around connecting and coordinating knowledge

Knowledge360 (K360, in short) is an organisation based around connecting and coordinating knowledge resources. It has a specialist resource pool capable of catering to a wide range of business needs. And because of the unique organisational structure, K360 is able to provide highly specialised services at an affordable cost. The strength of K360 lies in its highly skilled, diverse and experienced

Photos from K360's post 05/11/2025

ক্যারিবিয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বৃদ্ধি - পশ্চিম গোলার্ধে হারানো মার্কিন প্রভাব পুনরুদ্ধারের চেষ্টা

০৫ই নভেম্বর ২০২৫

ক্যারিবিয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব প্রশ্নের মুখে পড়েছে বহুদিন ধরেই। কিউবার বামপন্থী সরকারকে উৎখাত করতে না পেরে অর্থনৈতিক অবরোধের মাঝে রেখে যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃপক্ষে কিউবার সমর্থন বৃদ্ধিই করেছে। বিশেষ করে কিউবায় সরকার পরিবর্তন না করতে পারা, অথবা পশ্চিম গোলার্ধে কিউবাকে পুরোপুরিভাবে একঘরে না করতে পারাটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে বড় ব্যার্থতা। মধ্য আমেরিকাতে বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে মেক্সিকো, কলম্বিয়া, নিকারাগুয়া এবং ভেনিজুয়েলাতে বামপন্থী এবং লিবারালরা ক্ষমতায় আসীন হওয়ার কারণে কিউবা রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সমর্থন পেয়েছে। অর্থনৈতিক ধ্বসের আগ পর্যন্ত ভেনিজুয়েলা কিউবার অর্থনীতিকে সবচাইতে বড় সহায়তা দিয়েছে। এখন সেই ভার বহণ করছে মেক্সিকো, কানাডা, রাশিয়া এবং অন্যান্যরা। তবে পশ্চিম গোলার্ধে কিউবার সবচাইতে বড় বন্ধু হলো কানাডা; যার সমর্থন না পেলে মার্কিন অবরোধের মাঝে কিউবার পক্ষে টিকে থাকাটাই দুষ্কর হতো। এই সম্পর্কের মাধ্যমে কানাডাও ক্যারিবিয়ানের মতো ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রভাব ধরে রাখছে। কানাডার এই প্রচেষ্টা 'গ্লোবাল ব্রিটেন'এর অংশ। ক্যারিবিয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে যাবার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলি, বিশেষ করে রাশিয়া এবং চীনের জন্যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে; যা কিনা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে কৌশলগত হুমকি। নিঃসন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেট ভেনিজুয়েলার সরকার উৎখাত নয়; বরং পুরো ক্যারিবিয়ান এবং ল্যাটিন আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করা। তবে শুধুমাত্র সামরিক হুমকির মাধ্যমে এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

https://koushol.blogspot.com/2025/11/us-military-showdown-caribbean-western-hemisphere-influence.html?m=1

Photos from K360's post 22/07/2025

২০২৫এর ২১শে জুলাই দিয়াবাড়ি ট্র্যাজেডি থেকে যা শিক্ষনীয়

২২শে জুলাই ২০২৫

যারা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাকে পুঁজি করে ঢাকা থেকে বিমান বাহিনীর ঘাঁটি সরিয়ে ফেলার কথা বলছেন, তারা ভারতের ন্যারেটিভ অনুসরণ করছেন। ভারতীয় মিডিয়া এই ঘটনাকে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সাথে সাধারণ মানুষের দূরত্ব তৈরি করতে এবং বাংলাদেশের সাথে চীনের (বিমান নির্মাতা) দূরত্ব তৈরি করতে। তারা এড়িয়ে যাচ্ছেন যে, ‘এফ-৭' বিমানের স্থলে 'বোয়িং-৭৮৭' বিমান থাকলে মাইলস্টোন কলেজ, স্কুল ও আশেপাশের বহু স্থাপনার অস্তিত্বই থাকতো না! যারা বিমান বাহিনীর সমালোচনা করছেন, তাদের উচিৎ 'প্রকৃত' সমালোচনা করা। এই বিমান বাহিনী হলো সাইফুল আজমের উত্তরসুরী; যিনি ১৯৬৭ সালে অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের 'হান্টার' যুদ্ধবিমান উড়িয়ে একদিনে ৩টা ইস্রাইলি যুদ্ধবিমান (অপেক্ষাকৃত উচ্চমানের) ভূপাতিত করেছিলেন। এই বিমান বাহিনী তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেছে যখন সাইফুল আজমের শত্রুরা ৫৬ হাজারেরও বেশি মুসলিম ভাই-বোনদেরকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পাইলটরা নিঃসন্দেহে অতি উচ্চমানের পাইলট। কিন্তু নিজের ভাই-বোনদের মৃত্যুতে যাদের অন্তর কাঁদে না, তারা আর কারুর চোখে না হলেও আল্লাহর চোখে অপরাধী হবে। ইস্রাইলের বিরুদ্ধে না লড়েও তারা যে মৃত্যুর হাত থেকে রেহাই পাবেন না, সেই প্রমাণ তারা পেয়েছেন। মৃত্যু আসবেই; কিন্তু তাদের কাছে অপশন ছিলো - মৃত্যুটা কতটা সন্মানের হবে। হয়তো ২০২৫ সালের ২১শে জুলাইয়ের মর্মান্তিক ঘটনা তাদেরকে সেটাই মনে করিয়ে দেবে।

https://koushol.blogspot.com/2025/07/2025-july-21-diabari-tragedy-lessons-learned.html?m=1

Photos from K360's post 24/06/2025

ট্রাম্পের ১২ দিনের যুদ্ধ কিভাবে শেষ হলো?

২৪শে জুন ২০২৫

ট্রাম্পের সমালোচক হয়েও ইয়ান ব্রেমার বলছেন যে, একদিন আগেও যেটা পরিষ্কার ছিল না তা হলো, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ট্রাম্পের জন্যে একটা বিরাট সফলতা। কারণ কয়েক দশক ধরে কয়েকটা মার্কিন প্রশাসন যেটা করতে পারেনি (ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প বন্ধ করা), সেটা ট্রাম্প করে দেখিয়েছেন কয়েক দিনের মাঝে। ইরান সেভাবেই কাজ করেছে, যা ট্রাম্প চেয়েছেন; একারণেই ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। ব্রেমারের কথাগুলি পশ্চিমা চিন্তারই প্রতিফলন – পশ্চিমারা চাইছে মুসলিম বিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন জাতিরাষ্ট্রগুলি একে একে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সামনে নিজেদেরকে সঁপে দেয়। ২০০১ সালে আফগানিস্তান, ২০০৩ সালে ইরাক, ২০১১ সালে লিবিয়া এবং সিরিয়া, ২০২৩ সালে গাজা, ২০২৪-২৫ সালে লেবাননের পর ২০২৫ সালে ইরানের বিরুদ্ধে পশ্চিমা হামলার ইতিহাস যেন আগেই লিখা হয়ে গিয়েছিল। এখন শুধু হিসেব করতে হবে যে, পরবর্তী টার্গেট কে? পাকিস্তান? তুরস্ক? মিশর? বাংলাদেশ? ২০০১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা বিশ্ব মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে এবং লক্ষ লক্ষ মুসলিমকে হত্যা করেছে। তারা যখন একটা দেশকে ধ্বংস করেছে, তখন বাকিরা সাইডলাইনে বসে ছিল। তারা কি জানতো না যে, তাদের পালা আসছে? হয়তো তারা জানতো। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তির সামনে ইরানের আত্মসমর্পণ দেখিয়ে দিচ্ছে যে, আগে থেকে জানলেও তারা তাদের তথাকথিত বাস্তবতাকে মেনেই নিয়েছে। এবং সেই অনুযায়ীই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে - একই সুরে নেচেছে। বিনিময়ে তারা আপাততঃ ক্ষমতা ধরে রেখেছে ঠিকই, কিন্তু রাষ্ট্র, বিশেষ করে রাষ্ট্রের সামরিক শক্তি, হয়েছে ধ্বংসপ্রাপ্ত। এ যেন স্যামুয়েল হান্টিংটনের 'ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশনস'এর কার্বন কপি। ১৯৯৬ সালে হান্টিংটন কিন্তু ধরেই নিয়েছিলেন যে, মুসলিমরা একসময় একত্রিত হবেই; যা হবে পশ্চিমা সভ্যতার জন্যে মারাত্মক চ্যালেঞ্জ। একারণেই তিনি লিখেছিলেন যে, চীন (যারা খুব সম্ভবতঃ মুসলিমদের সহায়তা করবে) এবং মুসলিম বিশ্বের প্রচলিত ও অপ্রচলিত সামরিক শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ ও ধ্বংস করতে হবে। যারা তখন বোঝেনি, আজকেও কি তারা এটা বুঝতে পারছেন না?

https://koushol.blogspot.com/2025/06/how-trump-ended-12-day-war.html?m=1

Photos from K360's post 11/05/2025

ভারত-পাকিস্তান আকাশ যুদ্ধ – বাকি বিশ্বের জন্যে শিক্ষা

১১ই মে ২০২৫

পাকিস্তান নিঃসন্দেহে যুদ্ধক্ষেত্রে জিতেছে। কিন্তু পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দৈন্যতার সময়ে এমন একটা যুদ্ধ দেশটাকে আরও বেশি অর্থনৈতিক সমস্যার মাঝে ফেলবে; যা পাকিস্তানকে বিদেশী ঋণের উপর আরও বেশি নির্ভরশীল করে ফেলবে। এক্ষেত্রে পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক চাপে ফেলার ভারতীয় উদ্দেশ্য কিছুটা হলেও সফল হয়েছে। এটা ভারতের অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের জন্যেও সতর্কবার্তা। ভারত-পাকিস্তান আকাশ যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে - ১। দূরপাল্লার আকাশ যুদ্ধ আজকের বাস্তবতা; ২। ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে একটা 'ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার'; ৩। আজও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে 'জিসিআই' কার্যকর একটা পদ্ধতি; ৪। 'কম্বাইন্ড আর্মস' ট্যাকটিকসএর নতুন ভার্সন হলো 'মাল্টিডোমেইন ওয়ারফেয়ার'। শেষোক্ত মাল্টিডোমেইন ওয়ারফেয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো স্যাটেলাইট, সাইবারস্পেস এবং 'আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স' বা 'এআই'। চীনারা পাকিস্তানকে এই ক্ষেত্রগুলিতে কতটুকু সহায়তা দিয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত করে বলা না গেলেও এটা নিশ্চিত যে, চীনারা তাদের যুদ্ধের কনসেপ্টগুলিকে কিছুটা হলেও পরীক্ষা করিয়ে নিয়েছে। আসন্ন সম্ভাব্য চীন-মার্কিন দ্বন্দ্বের জন্যে পাক-ভারত আকাশ যুদ্ধে ব্যবহৃত কনসেপ্টগুলি গুরুত্বপূর্ণ।

https://koushol.blogspot.com/2025/05/india-pakistan-air-war-lesson-for-rest-of-world.html?m=1

Photos from K360's post 03/05/2025

'নেভাল ড্রোন' হতে পারে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর 'ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার'

৩রা মে ২০২৫

নেভাল ড্রোন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্যে 'ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার' হিসেবে কাজ করে বঙ্গোপসাগরকে শত্রুর নৌ-অবরোধের চেষ্টা থেকে মুক্ত রাখতে পারবে। তবে সেটা তখনই সম্ভব, যখন বাংলাদেশ নিশ্চিত করে বুঝতে পারবে যে, তারা নিজেদেরকে কোথায় দেখতে চায়। সাত দশকের লিবারাল বিশ্বব্যবস্থা, যা কিনা যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠা করেছিলো, তা আজ যুক্তরাষ্ট্র নিজেই ভেঙ্গে ফেলেছে। এরূপ ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্যে সবথেকে বেশি প্রয়োজন নিজেদের রাজনৈতিক চিন্তাকে পাঁচ দশকের নতজানু অবস্থান থেকে সরিয়ে আদর্শিক চিন্তার দিকে ধাবিত করা। এছাড়াও প্রয়োজন রয়েছে নিজেদের ভূকৌশলগত অবস্থানকে 'হোলিস্টিক'ভাবে মূল্যায়ন করা; যাতে করে সামগ্রিকভাবে একটা প্রতিরক্ষা কৌশলের দিকে অগ্রগামী হওয়া সম্ভব হয়। এরূপ একটা কৌশলে উপনীত হবার মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সেক্টরকে শক্তিশালী করার জন্যে শক্তিশালী সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হবে। যুদ্ধ আসছে জেনে শুধু কথায় প্রস্তুতি নিলেই হবে না; গুরুত্বের ক্রম অনুধাবন করে কাজে দেখাতে হবে। সার্বভৌমত্ব এই ক্রমের মাঝে কোথায় স্থান পাবে, তা আজ কেউ প্রশ্ন না করলেও পরাধীনতার স্বাদ নেয়ার পর প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে। আজকে কাজ না করার স্বপক্ষে কোন যুক্তিই আগামীকালকের ব্যর্থতার পর কারুর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। আজকের অদূরদর্শীতা আগামীকালকে জনগণের কাছে দেশদ্রোহীতার সমতুল্য হবে। কারণ ব্যর্থতার দায় কেউই নিতে চাইবে না।

https://koushol.blogspot.com/2025/05/naval-drone-force-multiplier-bangladesh-navy.html?m=1

20/04/2025

আসন্ন ভূরাজনৈতিক ঝড়ের জন্যে বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?

২০শে এপ্রিল ২০২৫

ঝড় আসছে! কিন্তু বাংলাদেশ এই মুহুর্তে মোটেই প্রস্তুত নয়! বিপদে ভয় পাওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভয় না পেলে অনেক সময়েই স্থবিরতা কাটিয়ে ওঠা যায় না। ভয় পেলেই শরীরের ডিফেন্সিভ মেকানিজম কাজ করা শুরু করে; আবার কোন কোন ক্ষেত্রে প্যারালাইসিসেও আক্রান্ত হতে পারে। দ্বিতীয়টা বাংলাদেশের জনগণ তাদের নেতৃত্বের কাছ থেকে কখনোই আশা করবে না। কিন্তু আশা না করলেই যে তা বাস্তবে হবে না, তার কোন গ্যারান্টি নেই। কারণ কেউ কেউ এখনও দিবাস্বপ্নে বিভোর রয়েছেন। তাদেরকে বলতে হবে - ঘুম থেকে জেগে উঠুন! বাস্তবতা বুঝুন! উপরে উল্লিখিত বাংলাদেশের স্বনির্ভরতার ভিত্তিগুলি বাস্তবে রূপ দিতে পারলেও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সহজ হবে না। কারণ রাজনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশ কোন আদর্শিক রাষ্ট্র নয়। তারা 'প্রোএকটিভ' নয়; বরং তারা বৈশ্বিক ঘটনাপ্রবাহ দেখে প্রতিক্রিয়া (রিয়্যাকটিভ) হিসেবে কিছু পরিকল্পনা করে থাকে। যেকারণে বেশিরভাগ সময়ই তারা বাইরের শক্তির প্রভাব বলয়ে আবর্তিত হয়।

https://koushol.blogspot.com/2025/04/how-prepared-bangladesh-coming-geopolitical-storm.html?m=1

Photos from K360's post 05/04/2025

ট্রাম্পের গ্রীনল্যান্ড চাই – এটাই নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা

০৫ই এপ্রিল ২০২৫

নতুন বিশ্বব্যবস্থায় ট্রাম্প প্রশাসনের গ্রীনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই অদ্ভুত ঠেকলেও বাস্তবিক ক্ষেত্রে অঞ্চল কেনাবেচা নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪০ শতাংশ অঞ্চল ক্রয় করা; যার মাঝে রয়েছে লুইজিয়ানা, ক্যালিফোর্নিয়া এবং আলাস্কা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেনের কাছ থেকে অস্ত্রের বিনিময়ে ক্যারিবিয়ানের কিছু দ্বীপ পেয়ে যায়। তাই আর্কটিক অঞ্চলে বরফ গলে যেতে থাকায় গ্রীনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনায় অবাক হবার কিছু নেই। ডেনমার্ক ন্যাটোর সদস্যদেশ হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্কের অধীন অঞ্চল দখল করে নিতে চাইছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপিত বিশ্বব্যবস্থা এখন যে আর নেই, তার আরেকটা প্রমাণ এটা। অপরদিকে এই ইস্যু যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইইউ, ব্রিটেন এবং ব্রিটিশ কমনওয়েলথের অধীন কানাডার প্রতিদ্বন্দ্বিতা; যা কিনা বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার একটা অংশ।

https://koushol.blogspot.com/2025/04/trump-must-have-greenland-this-is-new-world-order.html?m=1

Photos from K360's post 28/03/2025

যুদ্ধাস্ত্রের ব্যাপারে অন্য রাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীলতা সার্বভৌমত্বকে হুমকিতে ফেলতে পারে

২৮শে মার্চ ২০২৫

সার্বভৌমত্বের ক্ষেত্রে যদি একটা রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল হয়, তাহলে সেই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নের মুখে পড়বে। সেই রাষ্ট্র নিঃসন্দেহে অন্য রাষ্ট্রের পক্ষে প্রক্সি যুদ্ধে নামতে বাধ্য হবে; ঠিক যেমনটা ইউক্রেনের ক্ষেত্রে হয়েছে। নিজের অর্থ খরচ করে অন্যের কাছ থেকে কেনা অস্ত্রের উপর নির্ভর করে কেউ কখনও বড় হতে পারেনি। সে সর্বদাই আরেকজনের কথায় উঠেছে বসেছে। অন্য কথায় অন্যের দাস হিসেবে কাজ করেছে। অনেকে এই দাস মনোভাবের মাঝেই গর্ব দেখে - সবচাইতে শক্তিশালী রাষ্ট্রের দাসত্ব করাও গর্বের ব্যাপার! তবে বিভিন্ন সময়ের ইতিহাস শিক্ষা দেয় যে, যুদ্ধের সময়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলি নিয়মিতই নিজেদের স্বার্থ দেখতে গিয়ে অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে জ্বলাঞ্জলি দেয়। তাই সেসকল রাষ্ট্রের উপর সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপারে নির্ভরশীলতা তৈরি করাটা বিপদ ডেকে নিয়ে আসতে পারে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটা বলাই যেতে পারে যে, বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা যদি ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্যে প্রস্তুত রাখা না হয়, তাহলে এই রাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী রাখার কোন প্রয়োজনই নেই। আর এই সামরিক বাহিনীর জন্যে বাইরে থেকে কেনা কোন অস্ত্রের উপর যদি শর্ত থাকে যে, তা ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে না, অথবা যুদ্ধের সময়ে অস্ত্র অবরোধের মাঝে পড়তে হবে, বা স্পেয়ার পার্টস বা সফটওয়্যার আপডেট পাওয়া যাবে না, তাহলে সেই অস্ত্রের ব্যাপারে বাংলাদেশের অনীহা থাকাটাই স্বাভাবিক হওয়া উচিৎ। অন্ততঃ এটা নিশ্চিত যে, বিশাল অংক খরচ করে পশ্চিমা দেশ থেকে কেনা অত্যাধুনিক সামরিক বিমান যদি মধ্যম পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, বা এন্টি রাডার ক্ষেপণাস্ত্র, বা জাহাজ-ধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বহণে সক্ষম না হয়, তাহলে সেগুলি শো-কেসে সাজিয়ে রাখা চকচকে খেলনা থেকে আলাদা কিছু হবে না।

https://koushol.blogspot.com/2025/03/dependency-foreign-arms-can-jeopardize-sovereignty%20.html?m=1

Photos from K360's post 25/03/2025

মোজাম্বিকে রাজনৈতিক কলহ পশ্চিমা দেশগুলির ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতারই ফলাফল

২৪শে মার্চ ২০২৫

আফ্রিকার দক্ষিণের দেশ মোজাম্বিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা মূলতঃ ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতারই ফলাফল। এই প্রতিযোগিতার একদিকে রয়েছে ব্রিটিশ ঘরানার সাউথ আফ্রিকা এবং ইউরোপিয় ইউনিয়ন। অন্যপক্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইয়েমেনের হুথি মিলিশিয়ারা লোহিত সাগর এবং বাব-এল-মান্ডেব প্রণালিতে বাণিজ্য জাহাজের উপর হামলা শুরু করার পর থেকে বেশিরভাগ বাণিজ্য জাহাজকে আফ্রিকার দক্ষিণ উপকূল ঘুরে যেতে হচ্ছে। একারণে এই অঞ্চলের দেশগুলি, বিশেষ করে মোজাম্বিক, মাদাগাসকার এবং সাউথ আফ্রিকার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বড় রকমের পরিবর্তনের পর থেকে সেটার প্রতিফলন ঘটছে দুনিয়ার সকল অঞ্চলে। বাইডেন প্রশাসনের সময়ে ব্রিটিশ ঘরানার প্রভাবের সাথে মার্কিন প্রভাবের দ্বন্দ্ব বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সামনে আসেনি। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন এই দ্বন্দ্বগুলিকে লুকিয়ে রাখার ব্যাপারে খুব একটা সচেষ্ট নয়। ভেঙ্গে পড়ার কারণে পশ্চিমা বিশ্বব্যবস্থার কদর্যটা এখন মোটামুটিভাবে সকলের কাছেই দৃশ্যমান হচ্ছে।

https://koushol.blogspot.com/2025/03/mozambique-unrest-result-of-geopolitical-competition-western-states.html?m=1

Photos from K360's post 19/03/2025

পাকিস্তানের ট্রেনে হামলা - ভারত কেন সন্ত্রাসী রাষ্ট্র নয়?

১৯শে মার্চ ২০২৫

পাকিস্তানের ট্রেনে হামলার ঘটনা পশ্চিমা মিডিয়াতে ততটা গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়নি; যতটা দেখা গিয়েছে ভারতের উপর বিভিন্ন হামলার সময়। একইসাথে ভারতের উপর হামলার সময় পাকিস্তানের সংশ্লিষ্টতাকে যতটা হাইলাইট করা হয়েছে, ততটা কখনোই দেখা যায়নি পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলায় ভারতের জড়িত থাকার ব্যাপারে। এমনকি যখন ভারতের সামরিক বাহিনীর একজন অফিসার পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার পরেও পশ্চিমা মিডিয়া পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলায় ভারতের সংশ্লিষ্টতা দেখতে পাচ্ছে না, তখন এটা বলাই বাহুল্য যে, পশ্চিমারা ভারত-ঘেঁষা নীতিতেই অটল থাকবে। কারণ বালুচিস্তানের গেরিলাদেরকে পশ্চিমারা সন্ত্রাসী সংগঠন বলে আখ্যা দিয়েছে। এখন এই সংগঠনগুলির সাথে ভারতের সংশ্লিষ্টতা মেনে নেয়ার অর্থ হলো ভারত সন্ত্রাসবাদের ইন্ধনদাতা। আর বালুচিস্তানে চীনের কৌশলগত প্রকল্পে কাজ করা চীনা নাগরিকদের উপর হামলার ব্যাপারটা ভূরাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পাকিস্তানের গোয়াদরে চীনের কৌশলত সমুদ্রবন্দর তৈরিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত কেউই ভালো চোখে দেখেনি। চীনাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা যেন একপ্রকার গ্রীন লাইটই পাচ্ছে পশ্চিমাদের কাছ থেকে। হাজার হলেও চীনকে নিয়ন্ত্রণে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের বড় বন্ধু। তবে সন্ত্রাসী হামলার এই ঘটনাগুলি যে বাস্তবতাকে এড়িয়ে যায় না তা হলো, পাকিস্তান রাষ্ট্র তার জনগণের মৌলিক চাহিদা পুরণে যথেষ্ট যত্নবান হয়নি কখনোই। এছাড়াও পাকিস্তান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় এবং তার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে জাতিগত বৈষম্যকেই প্রাধান্য দিয়েছে সর্বদা। একারণেই যুগ যুগ ধরে পুরো পাকিস্তান জুড়ে অস্থিরতা তৈরির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভারতীয়রা এই অস্থিরতায় ইন্ধন যুগিয়েছে মাত্র।

https://koushol.blogspot.com/2025/03/pakistan-train-attack-why-india-not-terrorist-state.html?m=1

Photos from K360's post 17/03/2025

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন – ধ্বংসপ্রাপ্ত বিশ্বব্যবস্থার আরও প্রমাণ

১৭ই মার্চ ২০২৫

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরির খবর মার্কিন নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বিচলিত করেছে। একদিকে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সামরিক সহায়তা দেয়ার বিনিময়ে উত্তর কোরিয়া যে রাশিয়ার কাছ থেকে কৌশলগত প্রযুক্তি পেয়েছে, সেব্যাপারে যেমন সকলেই একমত, তেমনি গত এক দশকের মাঝে উত্তর কোরিয়ার উপর যুক্তরাষ্ট্র যে তার সকল প্রভাব হারিয়েছে, এই ঘটনা তার প্রমাণ। আর এটাও এখন নিশ্চিত যে, ইউক্রেন যুদ্ধের ফলাফল যে প্রশান্ত মহাসাগরের ভূরাজনীতিকেও প্রভাবিত করতে পারে, সেটাও যুক্তরাষ্ট্র আগে বুঝতে পারেনি। এই সময়ের মাঝে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী তার প্রভাব কতটা হারিয়েছে তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। উত্তর কোরিয়াকে বিরত করার একমাত্র কার্ড এখন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘটনায় চীনের বিচলিত হওয়াটাও স্বাভাবিক। কারণে এতে উত্তর কোরিয়ার উপর চীনের প্রভাব কমে গিয়ে রাশিয়া সেই জায়গা নিয়েছে। অপরদিকে ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতির আলোচনার মাঝে রাশিয়ার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের সম্ভাবনা এবং উত্তর কোরিয়ার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য সম্পর্কের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা চীনাদেরকে ধোঁয়াশার মাঝে রাখবে। একটা ব্যাপার নিশ্চিত, তা হলো, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন প্রকল্পের সাথেসাথে প্রশান্ত মহাসাগরে দু'টা দেশের নৌবাহিনীতে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন যুক্ত হতে যাচ্ছে। অপরটা হলো অস্ট্রেলিয়া। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়ার মাঝে 'অকাস' চুক্তির মাধ্যমে প্রশান্ত মহাসাগরে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনের যুগ শুরু হয়েছিল। তখন যারা 'অকাস' চুক্তির বিরুদ্ধে কথা বলেছিল, তারা সকলেই এখন পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন যোগাড় করতে ছুটবে। প্রশান্ত মহাসাগরের পারমাণবিকীকরণ ধ্বংসপ্রপ্ত বিশ্বব্যবস্থায় আসন্ন সংঘাতের জানান দিচ্ছে মাত্র!

https://koushol.blogspot.com/2025/03/north-korea-nuclear-submarine-collapsed-world-order-further-evidence.html?m=1

16/03/2025

বাংলাদেশে রাজনীতির উপর আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের প্রভাব

১৬ই মার্চ ২০২৫

গত দুই দশকে ইন্টারনেট এবং সোশাল মিডিয়ার আবির্ভাব; মধ্যপ্রাচ্যে মাইগ্রেশন; টেকনিক্যাল শিক্ষা, বই পড়ার প্রতি অনাগ্রহ, টেলিভিশনের প্রভাব কমে যাবার কারণে সেকুলার কনসেপ্টের প্রভাব কমে যাওয়া ছিল উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। এর মাঝে বিভিন্ন ইসলামি গ্রুপ মানুষের মাঝে কনসেপ্টের ঘাটতিগুলিকে পুরণ করেছে। সমাজে ইসলাম এখন একটা আলোচ্য বিষয়; যেই বাস্তবতা এড়িয়ে যাবার কোন পদ্ধতিই নেই। যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত 'সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে' হাসিনা সরকারের একাত্মতা বাংলাদেশের মানুষের মাঝে ইসলামের প্রতি ভালোবাসাকে থামাতে তো পারেইনি; উল্টো, ওয়াশিংটনের প্রেসক্রিপশনে ইসলামপন্থীদের উপর দমন-পীড়ন করে, এলজিবিটি প্রমোট করে, এবং হিন্দুত্ববাদী ভারত সরকারের সাথে সখ্যতা করে নিজেদের উপরে ইসলাম-বিদ্বেষী তকমা নিয়ে এসেছিল আওয়ামী সরকার। এছাড়াও ফিলিস্তিন এবং ভারতে মুসলিমদের উপর নির্যাতন এখন বাংলাদেশের মুসলিমদের ইস্যুও বটে। অর্থাৎ পররাষ্ট্রনীতি এবং ইসলাম এখন আলাদা কিছু নয়। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের নেতৃত্বের সম্পর্ক কিরূপ হবে, তা এই দেশের মানুষের আক্বীদার বিরুদ্ধে গেলে নিঃসন্দেহে বড় রকমের সমস্যা তৈরি করছে। এবং একইসাথে তা ১৯৪৭এর সেকুলার নেশন স্টেটএর কন্সট্রাক্টকে চ্যালেঞ্জ করছে।

https://koushol.blogspot.com/2025/03/bangladesh-politics-socio-economic-change-influence.html?m=1

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Sir Sayed Ahmed Road, Mohammadpur
Dhaka
1207