Nadwa Fiqh Academy

Nadwa Fiqh Academy ইসলামী অর্থনীতি, হালাল ফাইন্যান্স ও ফিকহুল মুআমালাত বিষয়ে নিয়মিত আপডেট পেতে পেজটি ফলো করতে পারেন।

বাংলাদেশে প্রচলিত লিজিং ব্যবস্থাকে প্রকৃত ইসলামি অর্থায়নে রূপ দিতে শরিয়াহ বোর্ড ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কী কী বিষয় নিশ্...
07/08/2026

বাংলাদেশে প্রচলিত লিজিং ব্যবস্থাকে প্রকৃত ইসলামি অর্থায়নে রূপ দিতে শরিয়াহ বোর্ড ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কী কী বিষয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন?

প্রচলিত লিজিং ব্যবস্থাকে প্রকৃত ইসলামি অর্থায়নে রূপ দিতে শরিয়াহ বোর্ড ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আলাদা আলাদা দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে ইন্টারন্যাশনাল শরীয়াহ স্ট্যান্ডার্ড প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশদভাবে দিক-নির্দেশনা দিয়েছে। সংক্ষেপে কিছু মৌলিক কথা হলো-

শরীয়াহ বোর্ডের দায়িত্ব

-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সম্পদ-ভিত্তিক লেনদেন নিশ্চিত করতে হবে। কেবল অর্থ দিয়ে কিস্তিতে পাওনা বুঝে নেয়ার সংস্কৃতি পাল্টে দিতে হবে।

-ইজারা কাঠামো ঠিক করে দিতে হবে। এক্ষেত্রে অ্যাওফিসহ অন্যান্য শরীয়াহ স্ট্যান্ডার্ড প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শরীয়াহ স্ট্যান্ডার্ডের সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে।

-নিয়মিত শরিয়াহ অডিট, কমপ্লায়েন্স রিভিউ এবং বিচ্যুতি (Shariah non-compliance) শনাক্ত ও সংশোধন করে দিতে হবে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব

-সম্পদভিত্তিক লেনদেন করা এবং গ্রাহককে মালিকানা বুঝিয়ে দেয়ার আগে ঝুঁকি বহন করা।

-যদি একাধিক সমঝোতা থাকে, তাহলে প্রত্যেকটির জন্য আলাদা আলাদা চুক্তি করা।

-রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের শরিয়াহসম্মত বণ্টন করা। তথা স্ট্র্যাকচারাল খরচ মালিক দেবে আর অপারেশনাল খরচ ভাড়াগ্রহীতা বহন করবে।

-চুক্তি সম্পাদনের সময়েই ভাড়ার পরিমাণ ও মেয়াদ সুস্পষ্ট হতে হবে। পরবর্তীতে কোনো ইনডেক্স বা বেঞ্চমার্কের ভিত্তিতে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হলেও, একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য তা সুনির্দিষ্ট থাকতে হবে এবং ব্যাংক একতরফাভাবে ইচ্ছা অনুযায়ী ভাড়া বাড়াতে পারবে না।

এভাবে প্রত্যেকে যদি নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে, তাহলে প্রচলিত লিজিং ব্যবস্থাকে প্রকৃত ইসলামি অর্থায়নে রূপ দেয়া সম্ভব।

-নদওয়া ফিকাহ একাডেমি

কোন শর্ত পূরণ হলে লিজ চুক্তি শরীয়াহ সম্মত হবে?আমরা শুরুতেই বলেছি- লিজকে স্থায়ীভাবে বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা কাম...
07/08/2026

কোন শর্ত পূরণ হলে লিজ চুক্তি শরীয়াহ সম্মত হবে?
আমরা শুরুতেই বলেছি- লিজকে স্থায়ীভাবে বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা কাম্য নয়। একান্তই যদি কোনো প্রয়োজনে লিজকে বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে হয়, তাহলে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে-

ক. ভাড়ার পরিমাণ, পরিশোধের সময়সূচি এবং চুক্তির মেয়াদ সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট হতে হবে। দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে ভাড়ার হার পরিবর্তনশীল রাখতে চাইলে নির্দিষ্ট ও স্পষ্ট বেঞ্চমার্ক অনুসরণ করে ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ সীমা (Cap & Floor) নির্ধারণ করা আবশ্যক।

খ. লিজকৃত সম্পদ যে কাজে ব্যবহার করা হবে, তা শরীয়াহ সম্মত হতে হবে।

গ. সম্পদটি ভাড়াগ্রহীতার কাছে আমানত হিসেবে থাকবে। কোনো ধরনের অবহেলা ছাড়া তা নষ্ট হয়ে গেলে জরিমানা নেয়া যাবে না।

ঘ. ভাড়াগ্রহীতা কেবল অপারেটিং খরচ বহন করবে। কিন্তু মৌলিক খরচগুলো মালিককেই বহন করতে হবে।

ঙ. ভাড়ার হিসাব সম্পদ হস্তান্তরের পর থেকে শুরু হবে। চুক্তির পর থেকে নয়।

মৌলিকভাবে এসব শর্তাবলী খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী রয়েছে, যেগুলো ইসলামী অর্থনীতিবিদদের থেকে প্রয়োজনের সময় জেনে নিতে হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ফাইন্যান্সিয়াল লিজের যেসব কনভেনশনাল পদ্ধতি চালু রয়েছে, সেগুলো মূলত বাতিল ও সুদী লেনদেন। ফুকাহায়ে কেরাম এর একাধিক বিকল্প নির্দেশ করেছে। যেমন-

ক. হায়ার পারচেজের বিকল্প হিসেবে কিস্তিতে ক্রয়-বিক্রয় ও আইএমবিটিকে উল্লেখ করেন।

খ. সুদভিত্তিক ফাইন্যান্সের (যেমন হাউস লোন, কার লোন ইত্যাদি) বিকল্প হিসেবে এইচপিএসএমকে উল্লেখ করেন।

গ. সুদী ঋণের বিকল্প হিসেবে সেল অ্যান্ড লিজ ব্যাক তুলে ধরেন।

ঘ. কনভেনশনাল লিজ পদ্ধতির বিপরীতে আইএমবিটিকে তুলে ধরেন।
এভাবে ফাইন্যান্সিয়াল লিজের কনভেনশনাল পদ্ধতিগুলোর বিকল্প ফুকাহায়ে কেরাম নির্দেশ করেছেন।

01/08/2026

ফাইন্যান্সিয়াল লিজ ও ইজারার মাঝে মৌলিক পার্থক্য কী?
ফাইন্যান্সিয়াল লিজ ও ইজারার মাঝে মৌলিক পার্থক্য হলো- ফ্যাইন্যান্সিয়াল লিজের ক্ষেত্রে লিজকে একটি মৌলিক বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ইজারার ক্ষেত্রে লিজকে মৌলিক বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। বরং এটি একটি হীলাধর্মী এবং আপদকালীন লেনদেন। বিশেষ প্রয়োজনে ইসলাম তার অনুমোদন করেছে। যেন মানুষ আর্থিক বিনিময়ের মাধ্যমে সাময়িকভাবে কোনো বস্তু ব্যবহারের অধিকার লাভ করতে পারে।

এছাড়া আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। যেমন-
ক. ফ্যাইন্যান্সিয়াল লিজে যদিও কাগজে কলমে আর্থিক প্রতিষ্ঠানই মালিক থাকে; কিন্তু পণ্যের যাবতীয় ঝুঁকি ও দায়ভার লিজগ্রহীতাকেই নিতে হয়। কিন্তু ইজারাতে এর সুযোগ নেই। ইজারাতে মালিককেই যাবতীয় ঝুঁকি বহন করতে হয়।
খ. ফাইন্যান্সিয়াল লিজে লিজ চলাকালীন সময়ে যদি পণ্যটি ব্যবহারের অনুপোযোগীও হয়ে যায়, তবুও পূর্ণ ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু ইজারাতে পণ্যের ব্যবহার উপযোগিতা নষ্ট হয়ে গেলে আর ভাড়া দিতে হয় না।
গ. ফাইন্যান্সিয়াল লিজে কখনো কিস্তি শোধ করতে না পারলে জরিমানা দিতে হয়। কিন্তু ইজারাতে নতুন করে অর্থ আরোপের সুযোগ নেই।
নদওয়া ফিকাহ একাডেমি

অনুমোদন অধিকার (حق الامتياز) এবং অনুমোদন চুক্তি (عقد الامتياز)বর্তমান যুগে কোনো কোনো পণ্য বা কোম্পানির সুনাম এতই বেশি হয়...
11/07/2026

অনুমোদন অধিকার (حق الامتياز) এবং অনুমোদন চুক্তি (عقد الامتياز)
বর্তমান যুগে কোনো কোনো পণ্য বা কোম্পানির সুনাম এতই বেশি হয় যে সেই চাহিদা অনুযায়ী সর্বত্র সরাসরি পণ্য তৈরি করা বা পৌঁছে দেয়া একার পক্ষে সম্ভব হয় না। আবার অন্যদের জন্য নতুন করে পণ্য তৈরি করে ওই রকম সুনাম ও খ্যাতি অর্জন করা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। ফলে যাদের সুনাম আছে তারা পণ্য ও সেবার চাহিদা পূরণের জন্য অন্য কোনো পক্ষকে তাদের নাম ব্যবহার করে পণ্য তৈরি করার অনুমোদন প্রদান করে। একে বলা হয় ‘হক্কুল ইমতিয়ায’ বা ‘অনুমোদন অধিকার’ (Concession right)।
কখনো সরকার প্রাকৃতিক কোনো সম্পদ উত্তোলনের জন্য কোনো কোম্পানিকে অনুমোদন দেয়। এভাবে বহুমুখী অনুমোদন প্রদানের মাধ্যমে যে চুক্তির সৃষ্টি হয় তাকে ‘আকদুল ইমতিয়ায’ বা ‘ইমতিয়ায চুক্তি’ (Concession contract) কিংবা ‘অনুমোদন চুক্তি’ বলা হয়।
এ্যাওফি উক্ত চুক্তির পরিচয় দিয়েছে এভাবে-
An authorized party granting another party the right of utilizing, constructing or managing a project for agreed upon consideration.
অর্থাৎ এখানে এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল, কোনো অনুমোদিত ব্যক্তি বা পক্ষ অন্য কোনো ব্যক্তি বা পক্ষকে নির্ধারিত বিনিময়ের বিপরীতে নির্ধারিত সময়ের জন্য কোনো প্রজেক্টকে ভোগযোগ্য করে তোলার জন্য কিংবা কোনো প্রজেক্ট তৈরির জন্য অথবা কোনো প্রজেক্ট ব্যবস্থাপনার জন্য দায়িত্ব/অনুমোদন প্রদান করা। (এ্যাওফি, ২২, ধ.২)
মূলকথা হলো, খনিজ সম্পদ উত্তোলনের জন্য কোনো কোম্পানিকে দায়িত্ব দেয়া, কিংবা কোনো প্রজেক্ট নতুন করে চালু করা বা তৈরি করার জন্য কাউকে দায়িত্ব দেয়া; অথবা তৈরিকৃত কোনো প্রজেক্ট পরিচালনার জন্য কাউকে দায়িত্ব দেয়ার চুক্তি করা হলে ওই চুক্তিকে অনুমোদনমূলক চুক্তি বলা হবে।

-নদওয়া ফিকাহ একাডেমি অ্যান্ড কনসালটেন্সি

‘দেখো, হালাল পন্থায় যতটুকু উপার্জন করা যায় ততটুকুই করবে। হারাম পন্থায় চেষ্টা করো না। কারণ যতো চেষ্টাই করো, তুমি ততটুকুই ...
11/07/2026

‘দেখো, হালাল পন্থায় যতটুকু উপার্জন করা যায় ততটুকুই করবে। হারাম পন্থায় চেষ্টা করো না। কারণ যতো চেষ্টাই করো, তুমি ততটুকুই কামাই করতে পারবে যতটা তোমার জন্য নির্ধারিত আছে। তাহলে শুধু শুধু কেন হারামের পথ ধরতে যাবে?’

-ইমাম ইবনে সিরীন রহ.
প্রখ্যাত তাবেয়ী

সূত্র : হিলয়াতুল আওলিয়া, খণ্ড : ২, পৃষ্ঠা : ১৫৭

রিবা থেকে কেন বাঁচবেনআমরা রিবা (সুদ) সম্পর্কে কতটুকু জানি? আমাদের সমাজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা রিবার বিভিন্ন রূপ সম্পর্কে কতট...
11/07/2026

রিবা থেকে কেন বাঁচবেন
আমরা রিবা (সুদ) সম্পর্কে কতটুকু জানি? আমাদের সমাজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা রিবার বিভিন্ন রূপ সম্পর্কে কতটা সচেতন?

ধরুন, আপনার সন্তান একটি স্কুলে পড়ে। মাসিক বেতন নির্ধারিত। কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে বেতন পরিশোধ করা হলো না। ফলে অতিরিক্ত জরিমানা আরোপ করা হলো।

অথবা বিদ্যুতের বিল দেরিতে পরিশোধ করায় লেট পেমেন্ট ফি, ক্রেডিট কার্ডের বিল বিলম্বে পরিশোধের জরিমানা, কিস্তিভিত্তিক লেনদেনে বিলম্বজনিত চার্জ, জমি বন্ধক রেখে ঋণদাতার উপকার লাভ—এমন আরও অসংখ্য উপায়ে আমাদের সমাজে রিবার চর্চা চলছে। অথচ সুস্পষ্ট ধারণার অভাবে অনেক সময় আমরা জেনে বা না জেনেই এসব লেনদেনে জড়িয়ে পড়ছি।

রিবা বা সুদ কি কোনো সাধারণ বিষয়? কুরআনুল কারিমে সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করা হয়েছে, “আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।” অন্যত্র আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, “যদি তোমরা (সুদ) পরিত্যাগ না কর, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হও।” (সূরা আল-বাকারা: ২৭৫ ও ২৭৯)

বর্তমান সমাজে রিবার এমন বহু প্রায়োগিক রূপ প্রচলিত রয়েছে, যেগুলো আধুনিক উপস্থাপনা, নতুন পরিভাষা বা চুক্তির আড়ালে থাকায় সেগুলো আদৌ সুদের অন্তর্ভুক্ত কি না—তা নির্ণয় করা সাধারণ মানুষের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই শুধু ‘সুদ হারাম’—এটুকু জানা যথেষ্ট নয়; বরং রিবার প্রায়োগিক রূপগুলো সম্পর্কেও সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অপরিহার্য।

দুঃখজনক হলেও সত্য, বহু মুসলিম ভাই-বোন এসব প্রায়োগিক দিক সম্পর্কে অজ্ঞ থাকার কারণে অজান্তেই এই অভিশপ্ত হারামে জড়িয়ে পড়ছেন। তাই রিবার আধুনিক রূপগুলো চিহ্নিত করা, হারামের প্রকৃত পরিধি (Scope) অনুধাবন করা এবং তা মানুষের সামনে তুলে ধরা—এটি আজ সময়ের দাবি, ঈমানের দাবি এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ দাওয়াতি দায়িত্ব।

অনিবার্য কারণবশত আজকের লাইভ প্রোগ্রামটি হচ্ছে না। পরবর্তী আপডেট সময় মতো জানিয়ে দেয়া হবে। সে পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকুন। ...
08/07/2026

অনিবার্য কারণবশত আজকের লাইভ প্রোগ্রামটি হচ্ছে না। পরবর্তী আপডেট সময় মতো জানিয়ে দেয়া হবে। সে পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ।
-নদওয়া ফিকাহ একাডেমি অ্যান্ড কনসালটেন্সি

08/07/2026

মানি ক্রিয়েশন কী? কেন মানি ক্রিয়েশন ভয়াবহ?

📌 আধুনিক ব্যাংকিং: কোথায় লুকিয়ে আছে রিবা?আপনি কি নিশ্চিত, আপনার প্রতিদিনের ব্যাংকিং লেনদেন শরিয়াহসম্মত?অনেকেই মনে করেন, ...
07/07/2026

📌 আধুনিক ব্যাংকিং: কোথায় লুকিয়ে আছে রিবা?

আপনি কি নিশ্চিত, আপনার প্রতিদিনের ব্যাংকিং লেনদেন শরিয়াহসম্মত?

অনেকেই মনে করেন, শুধু সুদ গ্রহণ করলেই রিবা হয়। অথচ আধুনিক ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন সেবা ও লেনদেনে এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলোর শরয়ী অবস্থান সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ অবগত নন।

🎙️ এই সংক্ষিপ্ত লাইভ আলোচনায় জানবেন—

✅ আধুনিক ব্যাংকিংয়ে রিবার ধারণা
✅ কোন কোন লেনদেনে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন
✅ একজন মুসলিম কীভাবে সচেতন সিদ্ধান্ত নেবেন

📅 তারিখ: ৮ জুলাই
🕘 সময়: রাত ৯:৩০

📍 সরাসরি সম্প্রচার হবে নদওয়া ফিকাহ একাডেমি অ্যান্ড কনসালটেন্সির ফেসবুক পেজে।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে লিখে রাখুন। আলোচনায় সেগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাটি আপনার বন্ধুদের কাছেও পৌঁছে দিতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

#রিবা #ইসলামী_অর্থনীতি #ব্যাংকিং #হালাল_উপার্জন

07/07/2026

মানুষ কোন প্রয়োজনে ব্যাংকে টাকা রাখে? ব্যাংক কি তা পূরণ করতে পারে?

Address

26 Hatkhola Road, Delwar Complex, Tikatuli
Dhaka
1203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nadwa Fiqh Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share