ওয়াশরুমে ফোন নিয়ে যাওয়া জাতিকে বলছে ভোট কেন্দ্রে ফোন নেওয়া যাবে না। :D
Bangladesh: One Nation, One Family
From now on, this page will work to spread and uphold the vision of "We are a family." I hope you all will stay with us.
একটা ছোট জরিপ... নির্বাচনী জরিপ ।
🥹ভোট দিতে যাব না, ভাল্লাগে না
❤️ বিএনপি জোটকে দিব
😮 জামাতের জোটকে দিব
🤣 অন্যদল/স্বতন্ত্র কাউকে দিব
জামায়াতের আমির আজ আসিফ মাহমুদকে উঠে দাঁড়িয়ে স্বাগত জানাইয়া পাশে নিয়ে বসাইছে।
জামায়াতের সাথেই কেন শেষমেশ জোটটা হলো, এর উত্তর এখানে আছে।
একটা দল ক্রমাগত বাচ্চা, কাচ্চা রাজনীতির কী বুঝে এসব বলে ফাত্রামি করে গেছে।
আর জামাতের আমির সেইখানে জুলাইয়ের নেতাদের ট্রিট করসেন সম্মান আর ভালোবাসার সাথে।
এই সম্মান শুধু এনসিপি বা আসিফের না, এই সম্মানটা তো জুলাইয়ের প্রতিটা ছেলেমেয়েকেই করা হইলো।
এবং জুলাইয়ের নেতাদের প্রতি এই সম্মানটাও জামায়াতের অন্যতম একটা ট্রাম্প কার্ড হইতে যাইতেসে।
আপনি গ্রামে গঞ্জে যান, মানুষ এক কথায় বলবে, জামায়াত ছাত্রদের পক্ষে। আর বিএনপি বিপক্ষে।
জুলাই আর জুলাইয়ের নেতাদের ছোট করতে যাইয়া বিএনপি নিজেদের জুলাই থেকে যতটা দূরে নিয়ে গেছে,
জামায়াতের আমির জুলাই আর জুলাইয়ের নেতাদের ঠিক ততটাই কাছে টেনে নিতে পারসে।
এইটাও বাংলাদেশের রাজনীতিতে খুব সিগনিগিকেন্ট একটা ঘটনাই।
আজকে ঢাবির সিন্ডিকেট মিটিংয়ে দুইটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে—
১. আকম জামাল, সাদেকা হালিম, জিনাত হুদা এবং মশিউর এই চার ফ্যাসিস্টের দোসর শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার।
২. মুজিব হলের নাম অফিসিয়ালি শহিদ ওসমান হাদি হল করা।
ডাকসুর ভিপিদের ব্যাপারই সবসময় আলাদা। ভিপি নুর মাইর খায় আর ভিপি সাদিক সর্ব দোষে দোষী হয়l
আনিস আলমগীরকে ডিবিতে আনা হয়েছে। তাকে ছেড়ে দিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে প্রেশার দেওয়া হচ্ছে।
গতকাল থেকে দুইটা ঘটনা খুবই দৃষ্টিকটু ও হতাশাজনক লাগলো।
ঘটনা-১: বিএনপির মহাসচিব প্রেস ব্রিফিং করার সময় স্পষ্টভাবে বোঝা গেল যে, উনি ইনকিলাব মঞ্চ বা ওসমান হাদি ভাইয়ের নাম আগে শোনেনি। উনারা অনেক ব্যস্ত মানুষ না শুনতেই পারেন আগে, কিন্তু গতকাল গুলি লাগার পরেও খুব বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে মনে হয়নি। সমস্যা হলো, ওসমান হাদি ভাইকে না চেনার ফলে উনি জানেনই না যে, তরুণদের কাছি হাদি ভাই কী ভয়াবহ জনপ্রিয়। ফলস্বরূপ উনাদের বোঝারই কথা না যে গতকালের ঘটনার গভীরতা কতখানি আর ঠিক কতটা আঘাত আমরা পেয়েছি।
ঘটনা-২: আজকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যিনি বিএনপির মধ্যে এন্টি ইন্ডিয়ান ফেস হিসেবে তরূণদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়, তিনি একটি AI জেনারেটেড ছবিকে আসল মনে করে বক্তব্য দিয়েছেন। মানুষের ভুল হতেই পারে, কিন্তু এঘটনা খুবই নগ্ন ভাবে বুঝিয়ে দিলো উনাদের সাথে আমাদের জেনারেশনাল গ্যাপ ঠিক কতখানি। বিভিন্ন এক্টিভিস্টদের আমরা যে গুজববাজ-প্রোপাগান্ডু বলে উপহাস করি, অথচ এঘটনায় বুঝা গেলো উনারা যা করেন জেনে বুঝেই করেন।
বিএনপির টপ লিডাররা যে ঠিক কতখানি নিজেদের বাবলে আবদ্ধ, তা এই দুই ঘটনায় পরিষ্কারভাবে বোঝা গেল।
আবরার ফাইয়াজ।
ওসমান হাদিকে তখন সিটিস্ক্যান করতে সিটিরুমে ঢোকানো হইছে। ইনকিলাব মঞ্চের পোলাপানেরা সিটিরুমের সামনে কর্ডন করে দাঁড়ায় আছে। কাউকে ভিতরে ঢুকতে দিতে চাচ্ছে না। আমরা দুইচারজন ডিএমসির স্টুডেন্ট একসাইডে দাড়ায়া আছি। ইতোমধ্যে একজন নিউরোসার্জন ম্যাম আসলেন। আমরা ইনকিলাবের পোলাপানের সাথে আলাপ করে ম্যামকে সিটিরুমে ঢুকায় দিলাম।পরিস্থিতি ইনটেন্স। সেই মূহূর্তে মির্জা আব্বাস সাহেব ঢুকলেন তার প্রটোকল নিয়ে। উনি নিজেই হাটতে পারতেছেন না তার ওপর সিটিরুমের সামনে ১৫ জনের মত লোক নিয়ে উনি আসলেন। ইনকিলাবের পোলাপান গেল খেঁপে। হাতাহাতির লেভেলে যখন গেছে তখন খালেদ, পারভেজ, নোমান ভাই মিলে থামাইলাম।
যাহোক। উনি নাকি ওসমান হাদিকে দেখতে আসছেন।আমার প্রশ্ন হইল হেডশট,অচেতন,জিসিএস-৩ লেভেলে থাকা একটা রোগীর সাথে সাক্ষাৎ করে যে কোনো লাভ নাই বরং প্রটোকল নিয়া গেলে হাসপাতালের সকল রোগীর ক্ষতি এইটা বোঝানোর মত লোক ওনার আশেপাশে ছিল না? ছিল। উনি অযথাই আসছিলেন। ফুটেজ খাইতেই আসছিলেন।ইভেন এই ঘটনার পর উনি হাসপাতালের ভিতরে ইমার্জেন্সির সামনে ১৫-২০ জন নিয়ে প্রেস ব্রিফিংও করছেন। ঠিক সেই সময় জুমা তাদেরকে কনফ্রন্ট করছে।
হাদি ভাইয়ের লোকজন যারা আসছিল তারা ওনার সিকিউরিটি কনসার্ন নিয়ে হাসপাতালে অবস্থান করছেন এমনকি ডাক্তারদের সাথে অপ্রীতিকর আচরণও করছেন অনেকে(একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট হিসেবে নিন্দা জানালাম)। এইরকম সময়গুলাতে যখন ভিআইপিরা হাসপাতালে এডমিট থাকে তখন সব নেতা আসে ফুটেজ খাইতে আর সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে সাধারণ রোগীরা। আর্মি,আনসারেরা বারবার ইমার্জেন্সির রাস্তা ক্লিয়ারের চেষ্টা করতেছিল। সেই সময়ও মির্জা আব্বাস সাহেব হাসপাতালের ভিতরে প্রেস ব্রিফিং করছেন!
আবার হাদি ভাইয়ের সাথে সিটিরুমে বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম,জামায়াতের ঢাকা-১৭ এর প্রার্থী ডা. খালিদ জামানও ছিল। তাদের থাকা নিয়ে তো ইনকিলাবের কেউ কিংবা জুমাও কোনো গেঞ্জাম করে নাই।
এরপর জামায়াতসহ একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আসছে। তাদেরকেও ইনকিলাবের পোলাপানেরা দুয়োধ্বনি শোনাইছে। তারপর নেতারা চুপচাপ ডাক্তারের সাথে আলাপ শেষে নিঃশব্দে বিদায় নিছেন।
এখন জুমারে মিডিয়া ট্রায়াল দিচ্ছে ছাপড়ি এক্টিভিস্টেরা। মির্জা আব্বাস ঐ সময় সিটিরুমে ১০-১৫ জনের প্রটোকল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ও হাসপাতালের ভিতরে দাড়ায়া প্রেস ব্রিফিংয়ের কাজটা ভুল,ওনার টাইমিংটাও ভুল।
জুমার রাজনৈতিক গুরু যখন কোমায় তখন আপনার নেতা যদি পলিটিক্স করতে আসে জুমার হান্ড্রেড পার্সেন্ট রাইট আছে এইটা নিয়ে কথা বলার। তারেক রহমান নিয়া বিএনপির যা আবেগ,হাদিরে নিয়া জুমারও সেই আবেগ।
এইটা স্বীকার করে জুমাকে নিয়া মিডিয়া ট্রায়াল দেয়া বন্ধ করা উচিত আপনাদের।
ফুটেজ পলিটিক্সের মত বাজে কাজগুলো থেকেও সরে আসা উচিত সব রাজনৈতিক দলের।
শেখ হাসিনা ফিরে আসার আলামত শুরু।
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
26/09/2025
গণবিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী মো: নির্জন ১ ভোট পেয়েছে। সম্ভবত নিজের ভোট। ছাত্রদলের কোনো কর্মীও তাকে ভোট দেয়নি এটা দুঃখজনক।
এই ব্যালট প্যাপার কোথায় ছাপানো হয়েছে জানা দরকার। শিক্ষার্থীরা ছাত্রদলকে ভোট দিচ্ছে না কেনো এটা জানা জরুরি না, ব্যালট কোথায় ছাপাচ্ছে এটা জানাই জরুরি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka University
Dhaka
1212