Bcs preparation

Bcs preparation

Share

বিসিএস ও বিভিন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার করে পেইজটির সাথে থাকুন।

07/12/2020

#শেয়ার_করে_টাইমলাইনে_রাখুন

বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:-
১) সূর্যোদয়ের দেশ – জাপান
২) ভূ-স্বর্গ – কাশ্মীর
৩) নিষিদ্ধ দেশ – তিব্বত
৪) নিষিদ্ধ নগরী – লাসা
৫) মুক্তার দ্বীপ – বাহরাইন
৬) সমুদ্রের বধু – গ্রেট বিটেন
৭) নিশীথ সূর্য্যের দেশ – নরওয়ে
৮) সাদা হাতির দেশ – থাইল্যান্ড
৯) বাজারের শহর – কায়রো
১০) নীল নদের দেশ – মিশর
১১) আগুনের দ্বীপ – আইসল্যান্ড
১২) প্রাচ্যের ডান্ডি – নারায়ণগঞ্জ
১৩) জবজ্রপাতের দেশ – ভূটান
১৪) সোনালী তোরণের শহর –
সানফ্রান্সিসকো
১৫) ইউরোপের ককপিট – বেলজিয়াম
১৬) স্কাই স্ক্রাপার্সের শহর – নিউইয়র্ক
১৭) ব্রিটেনের বাগান – কেন্ট
(ইংল্যান্ড)
১৮) মসজিদের শহর – ঢাকা
১৯) সাদা শহর – বেলগ্রেড
(যুগোস্লাভিয়া)
২০) মুক্তার দেশ – কিউবা
২১) বাতাসের শহর – শিকাগো
২২) হাজার দ্বীপের দেশ – ফিনল্যান্ড
২৩) মন্দিরের শহর – বেনারস
২৪) মরুভুমির দেশ – আফ্রিকা
২৫) নীরব শহর – রোম
২৬) পবিত্র ভুমি – প্যালেস্টাইন
২৭) ভূমিকম্পের দেশ – জাপান
২৮) সাত পাহাড়ের শহর – রোম
২৯) দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন –
নিউজিল্যান্ড
৩০) প্রাচ্যের গ্রেট ব্রিটেন – জাপান
৩১) শ্বেতাঙ্গদের কবরস্থান –
গিনিকোস্ট
৩২) পান্না দ্বীপ – আয়ারল্যান্ড
৩৩) চির সবুজের দেশ – নাটাল
৩৪) পোপের শহর – রোম
৩৫) উত্তরের ভেনিস – স্টকহোম
৩৬) স্বর্ণ নগরী – জোহনেসবার্গ
৩৭) ল্যান্ড অব মার্বেল – ইটালি
৩৮) দ্বীপের নগরী – ভেনিস।
৩৯) চির বসন্তের নগরী – কিটো (দ.
আমেরিকা)
৪০) প্রাচ্যের ভেনিস – ব্যাংকক।

09/08/2020

ফেল করে হতাশ হয়ে
হার মেনে নিও না।
ইংরেজি শব্দ ফেল ‘Fail’ মানে
‘First Attempt in learning'
অর্থাৎ সফল হবার রাস্তা দেখিয়ে দেবে।

সমাপ্তি মানেই শেষ নয়।
‘END’ শব্দটির মানে হচ্ছে
‘Effort Never Dies’
অর্থাৎ ‘প্রচেষ্টার মৃত্যু নেই’।

--এ পি জে আব্দুল কালাম

#লেগে_থাকুন_সফলতা_একদিন_আপনার_দুয়ারে_হানা_দিবেই_ইনশাআল্লাহ

লাইক,কমেন্ট,শেয়ার ও সব বন্ধুদের ইনভাইট করে আমাদের পেইজের সাথে থাকুন

Photos from Bcs preparation's post 06/08/2020

শেয়ার করে টাইমলাইনে রাখুন।

05/08/2020

বিগত ১০ম থেকে ৪০তম বিসিএস এর সকল Synonym এবং Antonym একসাথে দেয়া হলো :
Appall (মর্মাহত করা/আতঙ্কিত করা) --- dismay
(আতংকিত করা) [৪০তম]
Franchise (ভোটাধিকার) ---- privilege (নাগরিক অধিকার) [৩৮তম]
Appended (যোগ করা) ---- joined (যোগ করা) [৩৭তম বিসিএস]
Alluring (লোভনীয়)---- tempting (প্রলুব্ধকর) [৩৭তম]
proviso (শর্ত) ----Stipulation (শর্ত) [৩৭তম]
venerate (সম্মান করা) ---- Respect (সম্মান করা) [৩৬তম]
Initiative (উদ্যোগ)---- enterprise (উদ্যোগ) [৩৫তম]
Exponentialy (দ্রুতগতিতে) ----- Rapidly (দ্রুতগতিতে) [৩৫তম]
periphery (শেষ সীমানা, প্রান্ত) ---- Marginal areas (প্রান্তিক এলাকাসমূহ) [৩৫তম]
Authoritarian (স্বৈরশাসক) ---- Autocratic (স্বৈরাচারী)[৩১তম]
permissive (স্বাধীনচেতা) ---- liberal (উদার) [৩২তম]
Succumb (দাখিল করা) ---- submit (দাখিল করা) [৩৩তম]
Extempore (পূর্বপ্রস্তুতিহীন) ----- Impromptu (পূর্বপ্রস্তুতিহীন)[৩২তম]
Menacing (ভীতিকর) ---- Alarming (ভীতিকর) [৩২তম]
Courteous (ভদ্র) ---- gracious (ভদ্র) [৩২তম]
Sporadic (বিক্ষিপ্ত) ---- Scattered (বিক্ষিপ্ত) [৩১তম]
Omnipotent (সর্বশক্তিমান) ---- Supreme (সর্বশক্তিমান) [৩১তম]
Room ---- Space [৩১তম]
Condemn (নিন্দা করা) ---- Denounce (নিন্দা করা) [৩১তম]
Improvement (অগ্রগতি ) ---- Betterment (উন্নয়ন)/advancement (অগ্রগতি) [৩১তম]
pragmatic (প্রায়োগিক) ------ practical (প্রায়োগিক) [২৯তম]
precedence (অগ্রাধিকার) ----- priority (অগ্রাধিকার) [২৯তম]
Disinterested (নিরপেক্ষ ) ---- Neutral (নিরপেক্ষ)[২৯তম]
Bounty (মহত্ব) ---- generosity (মহত্ব) [২৭তম]
Obese (বেশ মোটা) ---- very fat (খুব মোটা) [২৭তম]
Magnanimous (মহানুভব) ---- generous (মহানুভব)[২৬তম]
Obdurate (অবাধ্য) ---- Stubborn (অবাধ্য) [২৪তম]
Gullibe (বিশ্বাস প্রবণ) ---- willing to believe anyone (অনায়াসে কোন কিছুতে বিশ্বাস করা) [বাতিলকৃত ২৪তম]
Viable (অর্থ করার যোগ্য) ---- that can be done [২৪তম বাতিলকৃত]
Handy (উপকারী) ---- Useful (উপকারী) [২৪তম বাতিলকৃত]
Resentment (রাগ) ----- anger (রাগ) [২৩তম]
Cohesive (দৃঢ়ভাব লেগে থাকে এমন) ---- Stick together (লেগে থাকা) [২০তম]
Infringe (ভঙ্গ করা) ---- Transgress (ভঙ্গ করা)[১৮তম]
Brochure (ব্রোশার, ছোট পুস্তিকা) ------ pamphle

05/08/2020

৩৭ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা:
বোর্ড: ড. মোহাম্মদ সাদিক স্যার
তারিখ :১৬ জানুয়ারি, ২০১৮
ফলাফল: প্রশাসন ক্যাডার ( মেধাক্রম-৬০)

চেয়ারম্যান : তোমার প্রথম পছন্দ প্রশাসন।আচ্ছা বলতো সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের নাম কি? (যদিও আমার বাড়ি রাজশাহী বিভাগে)
আমি : সরি স্যার, জানা নেই (তখন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ছিলেন ড. মোছাম্মৎ নাজমুনারা খানুম)

চেয়ারম্যান : আচ্ছা বলতো বাংলাদেশের প্রথম নারী বিভাগীয় কমিশনারের নাম কি?
আমি : জানা নেই স্যার (উত্তর-ড. মোছাম্মৎ নাজমুনারা খানুম)

চেয়ারম্যান : এবার বলো, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতির নাম কি?
আমি : জনাব নাজমুন আরা সুলতানা। সাথে সাথে চেয়ারম্যান স্যার বললেন তোমাকে নারী নিয়েই প্রশ্ন করব আজ।

চেয়ারম্যান : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নারীদের জন্য কি কি করেছেন?
আমি : নারীদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরন, নারীর কল্যানে বিভিন্ন ভাতা (যেমন বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা) চালুকরন, নারী উদ্যোক্তা তৈরি ইত্যাদি

চেয়ারম্যান : বলতো বিরোধী দলের নেত্রীর নাম কি?
আমি : জনাব রওশন এরশাদ

চেয়ারম্যান : এবার বলো, সংসদ উপনেতার নাম কি?
আমি : সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী

চেয়ারম্যান : আচ্ছা তোমার গ্রামের নাম হোসেন নগর। এই নামকরনের প্রেক্ষাপট কি?
আমি : স্যার রাজা হুসাইন শাহ এর নাম অনুসারে এ নামকরন করা হয়। রাজা হুসাই শাহ তার যাত্রাকালে/অথবা নৌভ্রমণকালে এ জায়গায় বিরতি নিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তার নামানুসারে এ নামকরন করা হয়। (স্যার ধন্যবাদ দিয়েছিলেন)

চেয়ারম্যান : তুমি তো মুক্তিযুদ্ধ দেখো নি। আমি বললাম, জি স্যার। মুক্তিযুদ্ধ আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠাএন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। তার নাম বলতে পারবা?
আমি : স্যার এ. কে. খন্দকার। স্যার বললেন, আর একজন। আমি বললাম কাদের সিদ্দীকি। (আবারো ধন্যবাদ দিলেন)।

চেয়ারম্যান : তাকে আর কি কি নামে ডাকা হয়?
আমি : বঙ্গবীর/ বাঘা সিদ্দিকী ।

এক্সটারনাল : বাংলাদেশ যে অর্থনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে তুমি কি টের পাচ্ছ?
আমি : জ্বি স্যার।

এক্সটারনাল : কি কি টের পাচ্ছ বলো।
আমি : মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি বেড়েছে বলতেই

চেয়ারম্যান : জিডিপির রেট কত বর্তমানে?
আমি : স্যার 7.4।

চেয়ারম্যান : বর্তমান বাজেট কত?
আমি : 4,00,266 কোটি টাকা।

চেয়ারম্যান : প্রথম বাজেটের পরিমাণ কত ছিল?
আমি : 786 কোটি টাকা।

চেয়ারম্যান : প্রথম বাজেট কে প্রণয়ন করেন?
আমি : জনাব তাজউদ্দিন আহমেদ

চেয়ারম্যান : তার বাড়ি কোথায়?
আমি : গাজীপুর।

চেয়ারম্যান : তার শ্বশুর বাড়ী কোথায়?
আমি : স্যার চাঁদপুর।

চেয়ারম্যান : ঠিকানায় বাবার নামের পাশাপাশি কবে থেকে মায়েদের নাম যুক্ত করা হয়?
আমি : স্যার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 1998 সালে রোকেয়া দিবসে প্রথম এ ধরণের প্রস্তাব দেন এবং 2004 সাল থেকে অফিসিয়ালি চালু হয়।

চেয়ারম্যান : 16 ডিসেম্বর কেন বিখ্যাত?
আমি : স্যার মহান বিজয় দিবস।

চেয়ারম্যান : 27 ডিসেম্বর কেন বিখ্যাত?
আমি : একটু চিন্তা করে বললাম স্যার দুঃখিত, জানা নেই। স্যার মুচকি হেসে বললেন তোমার জন্মদিন। আমিও মুচকি হাসলাম।

চেয়ারম্যান : বিভিন্ন ধরনের কবিতা বলা শুরু করলেন এবং বললেন এটা কোন কবিতা/ পরের লাইন কি?
আমি : কিছুই জানতাম না। চুপ করে বসে ছিলাম। স্যার রাগ করা শুরু করলেন।

চেয়ারম্যান : তুমি কি কবিতা পড়ো না? তুমি থাকো কোথায়?
আমি : স্যার ঐ ভাবে পড়ার সুযোগ হয় নি তবে চাকুরী পেয়ে পড়া শুরু করবো। স্যার আরো বেশি করে রাগ করা শুরু করলেন এবং বললেন ঠিক আছে তাহলে তুমি আসো।

এক্সটারনাল : আচ্ছা বলতো ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর নাম কি?
আমি : বেনজামিন নেতানিয়াহু।

এক্সটারনাল : তিনি এখন কোথায় আছেন?
আমি : ভারতে (তিনি তখন ভারত সফরে এসেছিলেন)।

এক্সটারনাল : আজকের পেপারের শিরোনাম কি?
আমি : প্রথম আলোর শিরোনাম বললাম কিন্ত স্যার উত্তর গ্রহণ করলেন না।

এক্সটার্নাল : আজকের পেপারে তোমার জেলার মিটিং মিছিলের একটা নিউজ আছে। বলতো কি সেটা?
আমি : সরি, স্যার এ ধরণের নিউজ আমার চোখে পড়ে নাই। (পুরো পেপার ভাল করে দেখেছিলাম। চোখে পড়ে নাই। বাসায় এসে দেখলাম এ ধরণের কোন নিউজ ছিল না।)

চেয়ারম্যান : ঠিক আছে, তাহলে আসো। আমি পিছনে এক ধাপ আসতেই চেয়ারম্যান স্যার বললেন, দাঁড়াও। স্যার বললেন তুমি যে স্যুট কোর্ট পড়ে আসছ তা কই থেকে বানাইছো?
আমি: : স্যার Raymond টেইলার্স।
চেয়ারম্যান : ওখানে গিয়ে যেসব কনভারসেশন করেছো তা ইংরেজিতে বল।
আমি : Thank you sir. Sir on late November I went to the Raymond Tailors, Elephant Road Branch and asked them about the duration of the delivery. They told me, Sir about 20 days. I also asked them , “What is the costing price?” They replied Sir 5000 tk. I also asked is it fixed? They replied in the affirmative……………….. (Sir আমাকে ধন্যবাদ দিলেন।)

চেয়ারম্যান : আচ্ছা আমরা যে বসে আছি আমাদের সম্পর্কে comment করো।
আমি : Thank you sir. I was highly afraid about BCS viva Board. But today my concept has been totally changed for your friendly and aminable behavior. Nervousness can not touch my mind today. I am very happy and pleasant to face such kind of viva Board………………………. (আবারো ধন্যবাদ)

চেয়ারম্যান : আচ্ছা বলতো তুমি Viva তে কত নাম্বার পাবা?
আমি : একটু ভেবে বললাম স্যার, 130+।

সর্বশেষ সালাম দিয়ে বের হয়ে আসতেছিলাম। স্যাররা আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন।

রূপম দাস
সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
বিভাগীয় প্রশাসন, ময়মনসিংহ
Collected

05/08/2020

বিগত বছরে ব্যাংকে আসা কিছু ভোকেবুলারি।

#পর্ব_০১
১) Muster -- সমবেত হওয়া।
২) Perjury -- মিথ্যা হলফ।
৩) Tirade -- তিরস্কারপূর্ণ বক্তৃতা।
৪) Abusive -- অপমানজনক।
৫) Encormium -- উচ্চ প্রশংসা।
৬) Laudatory -- প্রশংসাসূচক।
৭) Delicate -- সূক্ষ্ম।
৮) Fastidious -- অতিসূক্ষ্ম রুচিসম্পন্ন।
৯) Preponderance -- অধিকতর ভারী।
১০) Paucity -- অভাব।
১১) Sullen -- গোমড়া মুখো হয়ে পড়া।।
১২) Pittance -- সামান্য বেতন।
১৩) Destitute -- গরীব।
১৪) Electrify -- উত্তেজিত করা।
১৫) Ravages -- ভয়াবহতা।
১৬) Unwitting -- অনিচ্ছাকৃত অসতর্ক,অসচেতন।
১৭) Transient -- অস্থায়ী।
১৮) Reimburse -- পরিশোধ করা।
১৯) Furtive -- চুপিচুপি,অলক্ষিত।
২০) Kudos -- খ্যাতি,সম্মান।
২১) Opaque -- অস্বচ্ছ,অস্পষ্ট।
২২) Misconstrue -- ভুল অর্থ করা।
২৩) Effeminacy -- দুর্বলতা।
২৪) Celibacy -- কৌমার্য। (বিয়েতে অনাগ্রহ)
২৫) Epicurean -- বিলাসপ্রিয়।

#পর্ব_০২

২৬) Reproof -- অননুমোদন,অসমর্থন।
২৭) Imbecility -- নির্বুদ্ধিতা।
২৮) Dotage -- বার্ধক্যবশত বুদ্ধিনাশ,ভীমরতি।
২৯) Sacrosanct -- পবিত্র,অলঙ্ঘনীয়।
৩০) Equanimity -- প্রশান্তি।
৩১) Resentment -- আক্রোশ।
৩২) Subservient -- ক্রীতদাসতুল্য,আজ্ঞাবহ।
৩৩) Flagitious -- নিষ্ঠুর,গর্হিত।
৩৪) Hirsute -- লোমশ।
৩৫) Bald -- টাক।
৩৬) Propensity -- প্রবণতা,ঝোঁক।
৩৭) Bohemian -- ভবঘুরে ধরণের।
৩৮) Sinister -- অপকারী।
৩৯) Vicissitudes -- উত্থানপতন।
৪০) Sane -- বিবেকী,যুক্তিসম্পন্ন।
৪১) Inebriated -- মদ্যপ।
৪২) Tepid -- উদাসী।
৪৩) Oracular -- জ্ঞানবিশিষ্ট।
৪৪) Sardonic -- ঘৃণাপূর্ণ।
৪৫) Repast -- আহার,খাদ্য।
৪৬) Raconteur -- গল্প বলায় পারদর্শী।

#পর্ব_০৩

৪৭) Naive -- সাদাসিধে।
৪৮) Lenient -- কোমল।
৪৯) Hegemony -- কর্তৃত্ব।
৫০) Fiasco -- চরম ব্যর্থতা।
৫১) Craven -- কাপুরুষ,নীচ।
৫২) Strident -- কর্কশ,জোরালো
৫৩) Obdurate -- একগুঁয়ে।
৫৪) Inexplicable -- বর্ণনাতীত।
৫৫) Fragrant -- সুগন্ধময়।
৫৬) Sporadic -- বিক্ষিপ্ত/মাঝে মাঝে ঘটে এমন।
৫৭) Docile -- বাধ্য/ভদ্র।
৫৮) Stigmatize -- কঠোর নিন্দা করা।
৫৯) Ruthless -- নিষ্ঠুর।
৬০) Endorse -- অনুমোদন।
৬১) Soothing -- শীতল।
৬২) Erratic -- অনিয়মিত।
৬৩) Manifest -- সুস্পষ্ট।
৬৪) Obscure -- দুর্বোধ্য।
৬৫) Facilitate -- সহজ করা।
৬৬) Frown -- ভ্রুকুঞ্চন,বিরাগ,অসমর্থন দেখানো।
৬৭) Interrupt -- সাময়িক ব্যাঘাত ঘটানো।
৬৮) Meticulous -- খুঁতখুঁতে।
৬৯) Aggravate -- উত্যক্ত করা,প্রকোপ বৃদ্ধি করা।
৭০) Proximate -- নিকটতম।
৭১) Evasive -- ছলনাময়ী,অসরল।
৭২) Elusive -- প্রতারণাময়,ছলনাময়ী।
৭৩) Lucid -- স্বচ্ছ,সহজবোধ্য।
৭৪) Dearth -- অভাব,স্বচ্ছতা।
৭৫) Amass -- সঞ্চয় করা।

#পর্ব_০৪

৭৬) Accrue -- জমা করা।
৭৭) Lethargy -- তন্দ্রা,বিমোহ।
৭৮) Vigor -- উৎসাহ-উদ্দীপনা।
৭৯) Tantamount -- সমপরিমাণ।
৮০) Severity -- প্রখরতা,নির্দয়তা।
৮১) Pitfall -- ফাঁদ।
৮২) Perplexed -- কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
৮৩) Postulate -- স্বীকার্য।
৮৪) Mischievous -- দুষ্টু,ক্ষতিকর।
৮৫) Taciturn -- অল্পভাষী,মৌন স্বভাব।
৮৬) Castigate -- কঠোর সমলোচনা করা।
৮৭) Extol -- অত্যন্ত প্রশংসা করা।
৮৮) Fastidious -- খুঁতখুঁতে।
৮৯) Aloof -- দুরবর্তী।
৯০) Monotonous -- একঘেয়ে,বিরক্তিকর।
৯১) Easygoing -- শান্তিপ্রিয়।
৯২) Impute -- আরোপ করা।
৯৩) Exigency -- জরুরী প্রয়োজন।
৯৪) Serenity -- প্রশান্তি।
৯৫) Refute -- খন্ডন করা,ভ্রান্ত প্রমাণ করা।
৯৬) Pragmatic -- প্রয়োগবাদী,ব্যবহারপবাদী।
৯৭) Amphibians -- উভচর প্রাণী।

#পর্ব_০৫

৯৮) Ancillary -- আনুষঙ্গিক,সাহায্যকারী।
৯৯) Docile -- নিরীহ,অনুগত।
১০০) Salient -- লক্ষণীয়,প্রকট।
১০১) Cereal -- খাদ্যশস্য।
১০২) Craft -- নৈপুণ্য।
১০৩) Appall -- ভীত করা,ধমক দেওয়া।
১০৪) Dearth -- অভাব।
১০৫) Garrulous -- বাচাল।
১০৬) Engrossed -- নিবিষ্ট,ব্যস্ত।
১০৭) Solace -- সান্ত্বনা,Consolation.
১০৮) Innate -- সহজাত,Inborn.
১০৯) Superannuation -- পুরাতন,বার্ধক্য,সেকেলে,Obsolete.
১১০) Jubilate -- আনন্দ করা,Exult.
১১১) Burden -- ভারগ্রস্ত করা,Encumber.
১১২) Synopsis -- সংক্ষিপ্ত করা,Recapitulate.
১১৩) Benevolent -- বদান্য।
১১৪) Preamble -- ভূমিকা।
১১৫) Acrimonious -- উগ্র,তীব্র,বদমেজাজি।
১১৬) Anomalous -- ব্যতিক্রম,অস্বাভাবিক।
১১৭) Intractable -- অবাধ্য,অদম্য।
১১৮) Wayward -- একগুঁয়ে।
১১৯) Easygoing -- স্বচ্ছন্দ,সহজ।
১২০) Bleak -- নিরানন্দ।
১২১) Abstinent -- সংযমী,মিতাচারী।
১২২) Segregate -- পৃথক করা।
১২৩) Reclusive -- সমাজ ছাড়া যে বাস করে।
১২৪) Gregarious -- দলপ্রিয়।
১২৫) Knotty -- জটিল,কঠিন।
১২৬) Errant -- ভ্রমণরত।
১২৭) Bucolic -- গ্রাম্য,রাখালি।
১২৮) Corroborate -- সত্য বলে সমর্থন করা।
১২৯) Contravene -- লঙ্ঘন করা।
১৩০) Deprecate -- নিন্দা করা।
১৩১) Cosmopolitan -- বিশ্বজনীন।
১৩২) Provincial -- প্রাদেশিক।
১৩৩) Vacillate -- স্থির না থাকা।
১৩৪) Deleterious -- ক্ষতিকর।
১৩৫) Monotonous -- একঘেয়ে,বিরক্তিকর।
১৩৬) Desiccate -- শুকানো।
১৩৭) Inoculate -- টিকা দেওয়া।
১৩৮) Minuscule -- অণুমাত্র।

#পর্ব_০৬

১৩৯) Diligent -- পরিশ্রমী।
১৪০) Exorbitant -- অতিরিক্ত,গলাকাটা।
১৪১) Debacle --- ছত্রভঙ্গ,পরাজয়।
১৪২) Bona Fide -- প্রকৃত।
১৪৩) Spurious -- কৃত্রিম।
১৪৪) Untenable -- অসমর্থনীয়।
১৪৫) Expedite -- সুবিধাযুক্ত।
১৪৬) Lethargic -- অলস,নিশ্চেষ্ট।
১৪৭) Evanescent -- স্বল্পস্থায়ী।
১৪৮) Destitute -- গরীব,নিঃস্ব।
১৪৯) Frugal -- মিতব্যয়ী,economical.
১৫০) Intermittent -- অনিয়মিত।
১৫১) Lucrative -- লাভজনক।
১৫২) Hastening -- দ্রুততা,তাড়া।
১৫৩) Vigorous -- বলিষ্ঠ,বলবান।
১৫৪) Despise -- ঘৃণা করা,Abhor.
১৫৫) Gruelling -- ক্লান্তিকর।
১৫৬) Craven -- কাপুরুষ,ভীরু।
১৫৭) Ulterior -- দূরবর্তী,অস্পষ্ট।
১৫৮) Euphonious -- শ্রুতিমধুর।
১৫৯) Strident -- কর্কশ।
১৬০) Laconic -- স্বল্পভাষী।
১৬১) Frisky -- প্রাণচঞ্চল।
১৬২) Windy -- অহংকারী।
১৬৩) Debonair -- ভদ্র।
১৬৪) Obfuscate -- বিভ্রান্ত করা।
১৬৫) Irradiate -- আলোকপাত করা।
১৬৬) Salubrious -- স্বাস্থ্যকর।
১৬৭) Usurp -- জোরপূর্বক দখল করা।
১৬৮) Discordant -- বেসুরো,অমিল।
১৬৯) Insouciance -- উদাসীনতা।
১৭০) Grandiose -- জাঁকজমকপূর্ণ।
১৭১) Halcyon -- প্রশান্ত।
১৭২) Enigmatic --- দুর্বোধ্য।
#পর্ব_০৭

১৭৩) Reprimand -- কঠোর ভর্ৎসনা।
১৭৪) Trivial -- তুচ্ছ,নগণ্য।
১৭৫) Fragile -- দুর্বল,ভঙ্গুর।
১৭৬) Exemption -- রেহাই,অব্যাহতি।
১৭৭) Amalgamate -- জোড়া লাগানো।
১৭৮) Gargantuan --- প্রকাণ্ড,বিশাল।
১৭৯) Vacillate -- স্থির না থাকা।
১৮০) Melancholy -- বিষাদ,হতাশ।
১৮১) Skepticism -- সংসয়বাদ,নাস্তিক্য।
১৮২) Plausibility -- সম্ভবপরতা।
১৮৩) Inadvertent -- অসাবধানী।
১৮৪) Repercussion -- প্রতিক্রিয়া।

04/08/2020

কুইজ পর্ব--০১
বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা পর কত তারিখে দেশে আসেন?

A. 10 জানুয়ারি
B. 10 জুন
C. 12 জানুয়ারি
D. 7 জুলাই

04/08/2020

#উপসর্গঃ মাত্র ১০ মিনিটেই সব উপসর্গ মুখস্থ!!!

#বাংলা_উপসর্গ_২১টি।
সু, হা, স, আ, নি, বি, অজ, ভর, সা, অ, অনা, কু, আড়, আব, ঊন, পাতি, কদ, আন, ইতি, অঘা, রাম।
সুহাস,
আদর নিবি। তুই অজপাড়ার ভরসা বলে অনেকে অনাচার, কুকথা ও আড়চোখে দেখে। আবডালের ঊনত্রিশটি পাতিলেবু ও কদবেল আনবি।
ইতি-
অঘারাম
#সংস্কৃত_উপসর্গ_২০টি।
অপি, অনু, অপ, প্রতি, সম, অধি, সু, প্র, অতি, উৎ, পরা, নির, বি,পরি, দূর, উপ, অব,অভি, আ, নি।

অপি ও অনু অপরের প্রতি সম অধিকার সু প্রতিষ্ঠায় অতি উৎসাহ পরায়নির বিপরিতে দূর উপনিবেশে অবরোধ অভিযান আনিয়েছে।

#আরবি_উপসর্গ: গর আম খাস লা বাজে।
#ইংরেজি :হেড-মাস্টার সাব হাফ-পাগল, ফুল-চালাক!
#ফারসি : (বদ্ , বর্ , নিম্ , ফি, কম্ , বে্ দর্ , কার্ না)
বদ বরকে নিম ফি কম-বেশ দেয়ার দরকার নাই।
#হিন্দি_উপসর্গঃ হর।

Monir Uddin

04/08/2020

জেনে রাখা ভালো

★১। J.S.C - এর পূর্নরূপ — Junior School Certificate.
★২। J.D.C - এর পূর্নরূপ —> Junior Dakhil Certificate.
★৩। S.S.C - এর পূর্নরূপ — Secondary School Certificate.
★৪। H.S.C - এর পূর্নরূপ — Higher Secondary Certificate.
★৫। A.M - এর পূর্নরূপ — Ante meridian.
★৬। P.M - এর পূর্নরূপ — Post meridian.
★৭। B. A - এর পূর্নরূপ — Bachelor of Arts.
★৮। B.B.S - এর পূর্নরূপ — Bachelor of Business Studies.
★৯। B.S.S - এর পূর্নরূপ — Bachelor of Social Science.
★১০। B.B.A - এর পূর্নরূপ — Bachelor of Business Administration.
★১১। M.B.A - এর পূর্নরূপ — এর পূর্নরূপ — Masters of Business Administration.
★১২। B.C.S - এর পূর্নরূপ — Bangladesh Civil Service.
★১৩। M.A. - এর পূর্নরূপ — Master of Arts.
★১৪। B.Sc. - এর পূর্নরূপ — Bachelor of Science.
★১৫। M.Sc. - এর পূর্নরূপ — Master of Science.
★১৬। B.Sc. Ag. - এর পূর্নরূপ — Bachelor of Science in Agriculture .
★১৭। M.Sc.Ag.- এর পূর্নরূপ — Master of Science in Agriculture.
★১৮। M.B.B.S. - এর পূর্নরূপ — Bachelor of Medicine and Bachelor of Surgery.
★১৯। M.D. - এর পূর্নরূপ — Doctor of Medicine./ Managing director.
★২০। M.S. - এর পূর্নরূপ — Master of Surgery.
★২১। Ph.D./ D.Phil. - এর পূর্নরূপ — Doctor of Philosophy (Arts and Science)
★২২। D.Litt./Lit. - এর পূর্নরূপ — Doctor of Literature/ Doctor of Letters.
★২৩। D.Sc. - এর পূর্নরূপ — Doctor of Science.
★২৪। B.C.O.M - এর পূর্নরূপ — Bachelor of Commerce.
★২৫। M.C.O.M - এর পূর্নরূপ — Master of Commerce.
★২৬। B.ed - এর পূর্নরূপ — Bachelor of education.
★২৭। Dr. - এর পূর্নরূপ — Doctor.
★২৮। Mr. - এর পূর্নরূপ — Mister.
★২৯। Mrs. - এর পূর্নরূপ — Mistress.
★৩০। Miss - এর পূর্নরূপ — used before unmarried girls.
★৩১। M.P. - এর পূর্নরূপ — Member of Parliament.
★৩২। M.L.A. - এর পূর্নরূপ — Member of Legislative Assembly.
★৩৩। M.L.C - এর পূর্নরূপ — Member of Legislative Council.
★৩৪। P.M. - এর পূর্নরূপ — Prime Minister.
★৩৫। V.P - এর পূর্নরূপ — Vice

04/08/2020

>> সবচেয়ে জনপ্রিয় ১৪৯ টি অনুবাদ

03/08/2020

🔥🔥সফলতার ১৫ টি সূত্রঃ 🔥🔥
=============================

🔥১. আজ থেকে পাঁচ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কি ধরনের বই পড়ছেন, কোন ধরনের মানুষের সাথে মেলামেশা করছেন সেটার উপর।

🔥২. এডিসন বলেন, সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম আর ৫% অনুপ্রেরণার ফল।

🔥৩. যে ব্যক্তি পড়তে পারে কিন্তু পড়ে না আর যে ব্যক্তি পড়তে পারে না দুই-ই সমান।

🔥৪. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপুর্ন কারণ কোন কথা বলার আগেই একজনের সাথে সাক্ষাত হওয়ার তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা হয়ে যায়। We never get a 2nd chance to make the first impression.

🔥৫. আপনি কি অর্জন করেছেন, সাফল্য মাপার মানদন্ড সেটা নয় বরং আপনি পড়ে যাওয়ার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।

🔥৬. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও খারাপ।

🔥৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয় কারণ প্রত্যেকটা পরাজয়ের সাথে ব্যক্তি তার আত্ন-মূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা পরবর্তী পরাজয়ের কারণ।

🔥৮. পরাজিতরা কোন কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে। তারা কখনই কোন কিছু ঘটাতে পারে না।

🔥৯. যে সবকিছু তৈরী পাওয়ার জন্য তৈরী, সে জীবনে কিছু করতে পারে না। সফল ও ব্যর্থ উভয়ের দিনই ২৪ ঘন্টায়।

🔥১০. NO মানে একেবারে না নয়। NO = Next Opportunity.

🔥১১. বাহ্যিক সাফল্য আচরণের উপর নির্ভর করে। যদি আপনি নিজেকে চরিত্রবান, সাহসী, সৎ বলে বিশ্বাস করেন তাহলে এগুলো আপনার আচরণে প্রতিফলিত হবে।

🔥১২. জয়ী হতে হলে কি কি করতে হবে বিজয়ীরা সেটার উপর গুরুত্ব দেয়। আর বিজিতরা যা যা পারে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।

🔥১৩. আপনি সবসময় যা করে এসেছেন, এখনও যদি সেটাই করেন তাহলে সবসময় যা পেয়েছেন, এখনও তাই পাবেন।

🔥১৪. সম্পর্ক তৈরি করা একটা প্রক্রিয়া, কোন ঘটনা না।

🔥১৫. আপনার ইচ্ছা শক্তি আপনার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করবে...

🎯 আমাদের পেজের প্রতিটি পোস্ট আপনার ওয়ালে পেতে পেইজটিকে See first & Favorite list এ রাখুন এবং পেজে 5★ review করুন।
আমরা বিনা স্বার্থে আপনাদের কাছে জ্ঞান ছড়িয়ে থাকি। আপনাদের কাছে প্রতিটি পোষ্ট পৌঁছাতে পারলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক। :)
তাই নিজে পড়ুন ,অন্যকেও পড়তে সুযোগ দিন । আমাদের সাথে থাকুন ,বিসিএস প্রস্তুতির সাথে থাকুন।
🎯 পোষ্টটি আপনার সময়মত পড়ার জন্য শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখুন। টিমকে ধন্যবাদ জানাতে T=(Thanks) লিখে কমেন্ট করুন।

03/08/2020

শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের পুরো বই থেকে সংগৃহিত সর্বমোট ৩৮৩ টি গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্নের নোট । শেয়ার করে নিজের কাছে রাখুন ।

✿➢১) সামরিক শাসন জারি করা হয় – ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
✿➢২) আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর
✿➢৩) মৌলিক গণতন্ত্র চালু করেন – আইয়ুব খান
✿➢৪) আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয় – ১৯৬১ সালে
✿➢৫) ছাত্র সমাজ ১৫ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে – ১৯৬২ সালে
✿➢৬) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হয় – ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
✿➢৭) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ চলে – ১৭ দিন
✿➢৮) বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ – ৬ দফা দাবি
✿➢৯) ৬ দফা দাবি উথাপন করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
✿➢১০) ৬ দফা দাবি উথাপন করা হয় – ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি
✿➢১১) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি ছিল – ৩৫ জন
✿➢১২) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয় – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
✿➢১৩) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি হয় – ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন
✿➢১৪) ঊনসত্তরের গণ অব্যুথান হয় – ১৯৬৯ সালে
✿➢১৫) গণ অভ্যুথানে শহীদ হন – আসাদ, ড. শামসুজ্জোহা
✿➢১৬) আগরতাল ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
✿➢১৭) শেখ মুজিবুর রহমানকে ” বঙ্গবন্ধু ” উপাধি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
✿➢১৮) আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন – ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ
✿➢১৯) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর
✿➢২০) নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল – ৫ কোটি ৬৪ লাখ
✿➢২১) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আসন লাভ করে – ১৬৭ টি ( ১৬৯ এর মধ্যে)
✿➢২২) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর
✿➢২৩) প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগ আসন পায় – ২৮৮ টি ( ৩০০ এর মধ্যে)
✿➢২৪) পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন – আগা খান
✿➢২৫) অধিবেশন স্থগিত করা হয় – ১৯৭১ সালের ১ মার্চ
✿➢২৬) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
✿➢২৭) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ২ মার্চ
✿➢২৮) বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের সময় পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল – অসহযোগ আন্দোলন
✿➢২৯) জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবান করা হয় – ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
✿➢৩০) পূর্ববাংলার স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে
✿➢৩১) অপারেশন সার্চ লাইট চালানোর নীলনক্সা করা হয় – ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ
✿➢৩২) নীলনক্সা করেন – টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী
✿➢৩৩) অপারেশন সার্চ লাইট হলো – ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের বর্বরহত্যাকান্ড
✿➢৩৪) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসযোগে
✿➢৩৫) বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে আনুমানিক রাত ১.৩০ মিনিটে
✿➢৩৬) শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন- ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ২৫ মার্চ রাত ১২ টার পর
✿➢৩৭) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি ছিল – ইংরেজিতে।
✿➢৩৮) বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎপত্তিস্থল – ভারতে
✿➢৩৯) বাংলাদেশে নদী পথের দৈর্ঘ্য – ৯৮৩৩ কিমি
✿➢৪০) সারাবছর নৌ চলাচলের উপযোগী নৌপথ – ৩,৮৬৫ কি.মি
✿➢৪১) অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি হয়েছে – ১৯৫৮ সালে
✿➢৪২) কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকর প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় – পাকিস্তান আমলে
✿➢৪৩) অভ্যন্তরীন নৌ পথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের – ৭৫% আনা নেয়া হয়
✿➢৪৪) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালে
✿➢৪৫) বাংলাদেশে চা চাষ হচ্ছে – উওর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে
✿➢৪৬) সারা বছর বৃষ্টিপাত হয় – উষ্ণ ও আদ্র জরবায়ু অঞ্চলে
✿➢৪৭) বাংলাদেশে চির হরিৎ বনাঞ্চল – পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
✿➢৪৮) বাংলাদেশে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ জেলা সমূহ – পূবাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলা সমূহ
✿➢৪৯) বাংলাদেশের লবণাক্তের পরিমাণ বেশি – দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা
✿➢৫০) বাংলাদেশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বনভূমি- দক্ষিণ পূর্ব ও উত্তর পুর্ব অংশের পাহাড়ী অঞ্চল
✿➢৫১) চিরহরিৎ বনকে বলা হয় – চির সবুজ বন
✿➢৫২) চিরহরিৎ বনভূমির পরিমাণ – ১৪ হাজার বর্গ কি.মি
✿➢৫৩) প্রচুচুর বাঁশ ও বেত জন্মে – সিলেটে
✿➢৫৪) রাবার চাষ হয় – পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে
✿➢৫৫) ক্রান্তীয় পাতাঝরা অরণ্য – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায়
✿➢৫৬) শীতকালে গাছের পাতা সম্পূর্ণ ঝরে যায় – ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির
✿➢৫৭) ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির প্রধান বৃক্ষ – শাল
✿➢৫৮) মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে
✿➢৫৯) দিনাজপুরে এটি – বরেন্দ্র নামে পরিচিত
✿➢৬০) স্রোতজ বনভূমি- দক্ষিণ পশ্চিমাংশের নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলীয় বন
✿➢৬১) স্রোতজ বনভূমি প্রধানত জন্মে – সুন্দরবনে
✿➢৬২) বাংলাদেশে স্রোতজ বা গরান বনভূমির পরিমাণ – ৪,১৯২ বর্গ কি.মি
✿➢৬৩) বাংলাদেশ সরকারে বিভাগ – ৩ টি
✿➢৬৪) আইনবিভাগের কাজ – আইন প্রনয়ন ও প্রচলিত আইনের সংশোধন
✿➢৬৫) আইন বিভাগের একটি অংশ – আইনসভা
✿➢৬৬) এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা – কক্সবাজার ২৭.৬৪ ডিগ্রী, নারায়ণগঞ্জে ২৮.৬৬ ডিগ্রী, রাজশাহীতে ৩০ ডিগ্রী
✿➢৬৭) গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যায় – দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
✿➢৬৮) কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে – পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিক থেকে
✿➢৬৯) প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় হয় – ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল
✿➢৭০) বাংলাদেশে বর্ষাকাল – জুন হতে অক্টোবর মাস
✿➢৭১) প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – জুন মাসের শেষ দিকে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
✿➢৭২) বর্ষাকালে আবহাওয়া সর্বদা – উষ্ণ থাকে
✿➢৭৩) বর্ষাকালে গড় উষ্ণতা – ২৭ ডিগ্রী সে.
✿➢৭৪) বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে – জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে
✿➢৭৫) বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের – ৪/৫ ভাগ হয় হয় বর্ষাকালে
✿➢৭৬) বর্ষাকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত হয় – ৩৪০ ও ১১৯ সে.মি
✿➢৭৭) বর্ষাকালে ক্রমে বৃষ্টিপাত বেশি হয় – পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
✿➢৭৮) বর্ষাকালে বিভিন্ন জেলার বৃষ্টিপাতের পরিমান –পাবনায় প্রায় ১১৪, ঢাকায় ১২০, কুমিল্লায় ১৪০, শ্রীমঙ্গলে ১৮০ এবং রাঙ্গামাটিতে ১৯০ সে.মি
✿➢৭৯) বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
✿➢৮০) বর্ষাকালে পর্বতের পাদদেশে এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের কোথাও বৃষ্টিপাত – ২০০ সে.মি কম হয়
✿➢৮১) বর্ষাকালে বিভিন্ন অঞ্চলের বৃষ্টিপাত – সিলেটের পাহাড়ী অঞ্চলে ৩৪০ সেমি, পটুয়াখালীতে ২০০ সেমি, চটগ্রামে ২৫০ সেমি, রাঙ্গামাটিতে ২৮০ সেমি এবং কক্সবাজারে ৩২০ সেমি।
✿➢৮২) জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা প্রতি বছর গড়ে বৃদ্ধি – ৪ মিমি থেকে ৬ মিমি ( হিরন পয়েন্ট, চর চংগা, কক্সবাজার)
✿➢৮৩) গত ৪ হাজার বছরে ভূমিকম্পে পৃথিবীতে মানুষ মারা যায় – প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
✿➢৮৪) ভৌগোলিক ভাবে বাংলাদেশের অবস্থান – ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেটের সীমানায়
✿➢৮৫) বাংলাদেশে ভূমিকম্পের মানবসৃষ্ট কারন – পাহাড় কাটা
✿➢৮৬) ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রের পানি উপকূলে উঠে – ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে
✿➢৮৭) ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্টি হয় – সুনামি
✿➢৮৮) ইন্দোনেশিয়ায় মারাত্নক সুনামি আঘাত হানে – ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর
✿➢৮৯) বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে – টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারনে
✿➢৯০) বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করেছিলেন – ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে
✿➢৯১) তিনি বলয় দেখিয়েছেন – ৩ টি
✿➢৯২) বলয়গুলোকে ভাগ করেছেন – প্রলয়ংকারী, বিপজ্জনক, লঘু
✿➢৯৩) এই বলয় সমূহকে বলা হয় – সিসমিক রিস্ক জোন
✿➢৯৪) বরেন্দ্রভূমি – নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুরের অংশ বিশেষ নিয়ে গঠিত
✿➢৯৫) বরেন্দ্রভূমির আয়তন – ৯৩২০ বর্গ কি.মি
✿➢৯৬) প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬ থেকে ১২ মিটার
✿➢৯৭) বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি – ধূসর ও লাল বর্ণের
✿➢৯৮) মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানের আয়তন – ৪,১০৩ বর্গ কি.মি
✿➢৯৯) সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬থেকে ৩০ মিটার
✿➢১০০) মধুপুর ও ভাওয়ালের মাটি – লালচে ও ধূসর
১০১) লালমাই পাহাড় – কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি.মি পশ্চিমে
১০২) লালমাই পাহাড়ের আয়তন – ৩৪ বর্গ কি.মি
১০৩) এই পাহাড়ের উচ্চতা–২১ মিটার
১০৪) লালমাই পাহাড়ের মাটি- লালচে, এবং নুড়ি, বালি ও কংকর মিশ্রিত
১০৫) বাংলাদেশের নদী বিধৌত বিস্তীর্ণ সমভূমি – প্রায় ৮০%
১০৬) প্লাবন সমভূমির আয়তন – ১,২৪,২৬৬ বর্গ কি.মি
১০৭) প্লাবন সমভূমি – দেশের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ
১০৮) উপকূলীয় সমভূমি – নোয়াখালী, ফেনীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত
১০৯) স্রোতজ সমভূমি – খুলনা পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার কিয়দংশ
১১০) জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান – ৯ম
১১১) ২০০১ সালে জনসংখ্যা ছিল – ১২.৯৩ কোটি
(২০১৭সালে১৬৩,১৮৭,০০০ জন প্রায়)
১১২) জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল – ১.৪৮%
১১৩) বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.৩৭ %
১১৪) আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী জনসংখ্যা – ১৪.৯৭ কোটি (১৪,৯৭,৭২,৩,৬৪জন)
১১৫) প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে – ১১০৬ জন
১১৬) জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম – পার্বত্য অঞ্চল ও সুন্দরবনে
১১৭) শীত গ্রীষ্মের তারতম্য বেশী – দেশের উত্তরাঞ্চলে
১১৮) বর্তমানে মাথাপিছু জমির পরিমান – ০.২৫ একর
১১৯) বাংলাদেশের জলবায়ু – ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
১২০) বাংলাদেশে শীতকাল- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
১২১) শীতকালে দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ২৯ ডিগ্রী ও ১১ ডিগ্রী সে.
১২২) বাংলাদেশের শীতলতম মাস- জানুয়ারি
১২৩) জানুয়ারি মাসের গড় তাপমাত্রা – ১৭.৭ ডিগ্রী সে.
১২৪) জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা – দিনাজপুরে ১৬.৬
১২৫) বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল – মার্চ থেকে মে মাস
১২৬) গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ৩৮ এবং ২১ ডিগ্রী সে.
১২৭) উষ্ণতম মাস – এপ্রিল মাস
১২৮) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব দেন – ১৯৩৭ সালে
১২৯) ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয় – ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট
১৩০) মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
১৩১) চৌধুরী খালেকুজ্জামান পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা উর্দু করার দাবি করেন – ১৯৪৭ সালের ১৭ মে
১৩২) চৌধুরী খালেকুজ্জামান এর প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – ড.
মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. এনামুল হক
১৩৩) ‘ গণ আজাদী লীগ’ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালে কারুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে
১৩৪) গণ আজাদী লীগের দাবি ছিল – মাতৃভাষায় শিক্ষা দান
১৩৫) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
১৩৬) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে
১৩৭) ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে – তমদ্দুন মজলিশ
১৩৮) উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় – ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
১৩৯) বাংলাকে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান – ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ( ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি)
১৪০) সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
১৪১) বাংলা ভাষা দাবি দিবস পালনের ঘোষণা দেয় যে তারিখকে – ১৯৪৮ সালে ১১ মার্চকে
১৪২) পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ ( বর্তমান ছাত্র লীগ) গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি
১৪৩) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – ১৯৪৮ সালের ১৫ মার্চ
১৪৪) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – মুখ্য মন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের মধ্যে
১৪৫) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার করার কথা ঘোষণা দেন – ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ
১৪৬) খাজা নাজিমুদ্দিন উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে
১৪৭) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ নতুন ভাবে গঠিত হয় – ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ( আবদুল মতিন আহবায়ক)
১৪৮) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচি পালনের পরামর্শ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৪৯) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি – সকাল ১১ টায় সভা অনুষ্ঠিত হয়
১৫০) ২১ ফেব্রুয়ারির সভা অনুষ্ঠিত হয় – ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায়
১৫১) সভায় সিদ্ধান্ত হয় – ১০ জন করে মিছিল করবে
১৫২) শহীদ শফিউর মৃত্যুবরণ করেন – ১৯৫২ সালের ২২ফেব্রুয়ারি
১৫৩) প্রথম শহীদ মিনার নির্মান করা হয় – ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে
১৫৪) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন – ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
১৫৫) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন – ভাষা শহীদ শফিউরের পিতা
১৫৬) একুশে ফ্রব্রুয়ারির উপর প্রথম কবিতা লেখেন – চট্টগ্রামের কবি মাহবুব উল আলম
১৫৭) ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার নাম – কাঁদতে
আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
১৫৮) আলাউদ্দিন আল আজাদ রচনা করেন – স্মৃতির মিনার কবিতাটি
১৫৯) ভাষা আন্দোলনের গান – আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি ( আব্দুল গাফফার চৌধুরী)
১৬০) আব্দুল লতিফ রচনা করেন – ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
১৬১) মুনীর চৌধুরী ঢাকা জেলে বসে রচনা করেন – কবর নাটক
১৬২) জহির রায়হান রচনা করেন – আরেক ফাল্গুন উপন্যাস
১৬৩) বাংলাকে পাকিস্তানের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে – ১৯৫৬ সালে
১৬৪) বাঙ্গালীর পরিবর্তী সব আন্দোলনের প্ররণা দিয়েছিল – ১৯৫২ সালের
ভাষা আন্দোলন
১৬৫) শহীদ দিবস পালন শুরু হয় – ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে
১৬৬) শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – UNESCO
১৬৭) ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
১৬৮) পৃথিবীতে ভাষা রয়েছে – ৬০০০ এর বেশি
১৬৯) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় – ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন
১৭০) গঠনের স্থান – ঢাকার রোজ গার্ডেন
১৭১) সভাপতি ছিলেন – মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
১৭২) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন – শামসুল হক ( টাঙ্গাইল)
১৭৩) যুগ্ন সম্পাদক ছিলেন – শেখ মুজিবুর রহমান
১৭৪) ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের উদ্যোগ ছিল – আওয়ামী লীগের
১৭৫) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নামকরন করা হয় – ১৯৫৫ সালে
১৭৬) যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত হয় – ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর
১৭৭) যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় – ৪ টি দল নিয়ে
১৭৮) যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার ছিল – ২১ টা
১৭৯) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৫৪ সালের মার্চে
১৮০) পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের আসন
ছিল – ২৩৭ টি
১৮১) যুক্তফ্রন্ট আসন লাভ করে – ২২৩ টি
১৮২) ২১ দফার প্রথম দফা ছিল – বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
১৮৩) যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন – এ.কে ফজলুল হক ( ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল)
১৮৪) যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল – ৫৬ দিন
১৮৫) যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করে – ১৯৫৪ সালের ৩০ মে
১৮৬) বরখাস্ত করেন – গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
১৮৭) বরখাস্তের ইস্যু ছিল – আদমজি ও কর্ণফুলি কাগজ কলে বাঙ্গালি
অবাঙ্গালি দাঙ্গা।
১৮৮) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয় – ইপিআর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে
১৮৯) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম থেকে প্রচার করেন – ২৬ মার্চ দুপুর ও সন্ধ্যায় এম, এ, হান্নান
১৯০) মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন – ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে
১৯১) বাঙ্গালী পাকিস্তানের শাসনের অধীনে ছিল- ২৪ বছর
১৯২) মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত – বৈদ্যনাথ তলা
এবং আম্রকানন
১৯৩) বৈদ্যনাথ তলার বর্তমান নাম – মুজিবনগর
১৯৪) মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
১৯৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
১৯৬) মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
১৯৭) মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৮) উপরাষ্ট্রপতি – সৈয়দ নজরুল ইসলাম
১৯৯) প্রধান মন্ত্রী – তাজ উদ্দীন আহমেদ
২০০) অর্থমন্ত্রী – এম. মনসুর আলী।
❍☞২০১)মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী – এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান
❍☞ ২০২) মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
❍☞২০৩) মুজিব নগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান – অধ্যাপক ইউসুফ আলী
❍☞২০৪) মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন – কর্ণেল ( অব.) এম.এ. জি ওসমানী
❍☞২০৫) মুজিব নগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল – মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বে জনমত সৃষ্টি করা
❍☞২০৬) মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রনালয় ছির – ১২ টি
❍☞২০৭) মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত ছিলেন – বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
❍☞২০৮) বাংলাদেশে কয়টি সামরিক জোনে ভাগ করা হয় – ৪ টি ( ১৯৭১ সাল ১০ এপ্রিল)
❍☞২০৯) ৪ সামরিক জোনে ছিলেন – ৪ জন সেক্টর কমান্ডার
❍☞২১০) ১১ এপ্রিল পুনঃরায় ভাগ করা হয় – ১১ টি সেক্টরে
❍☞২১১) মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স ছিল – ৩ টি
❍☞২১২) কাদেরীয়া বাহিনী ছিল – টাঙ্গাইলের
❍☞২১৩) ইপিআর – ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেল
❍☞২১৪) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বলা যায় – গণযুদ্ধ বা জনযুদ্ধ
❍☞২১৫) ভারতে শরার্থী ছিল – ১ কোটি
❍☞২১৬) বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকরা হয় – ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর
❍☞২১৭) ১১ দফা আন্দোলন হয়েছিল – ১৯৬৮ সালে
❍☞২১৮) ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে চলছিল – বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন
❍☞২১৯) মুজিবনগর সরকারের অধীনে ” পরিকল্পনা সেল ” গঠন করে – পেশাজীবীরা
❍☞২২০) মুক্তিযুদ্ধে সম্ভ্রম হারান – প্রায় তিন লক্ষ নারী
❍☞২২১) স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন – চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতিনকর্মীরা
❍☞২২২) ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় – ৬ ডিসেম্বর১৯৭১
❍☞২২৩) মুক্তি বাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে গঠিত হয় – যৌথ কমাণ্ড
❍☞২২৪) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বহির্বিশ্বে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র ছিল – লন্ডন
❍☞২২৫) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এর শিল্পী ছিলেন – জর্জ হ্যারিসন
❍☞২২৬) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয় – যুক্তরাষ্ট্রর নিউইয়র্ক শহরে ( ৪০০০০ লোক ছিল)
❍☞২২৭) স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ক্ষমতা গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর
❍☞২২৮) বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসেন – ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
❍☞২২৯) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
❍☞২৩০) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
❍☞২৩১) গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
❍☞২৩২) সংবিধান প্রনয়ণ কমিটির সদস ছিলেন – ৩৪ জন
❍☞২৩৩) সংবিধান কমিটি খসড়া সংবিধান পেশ করেন – ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
❍☞২৩৪) সংবিধান গণ পরিষদে গৃহীত হয় – ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
❍☞২৩৫) বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় – ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে
❍☞২৩৬) সংবিধানের মূলনীতি – ৪ টি
❍☞২৩৭) বাংলাদেশ গণ পরিষদ আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
❍☞২৩৮) বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন – ড. কুদরত এ খুদা কমিশন
❍☞২৩৯) বাংলাদেশের প্রথম সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ
❍☞২৪০) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ছিল – সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়
❍☞২৪১) প্রথম দিকে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে – ১৪০ টি দেশ
❍☞২৪২) চট্টগ্রাম বন্দরের মাইনমুক্ত করার বিষয়ে সহযোগিতা করে – সোভিয়েত ইউনিয়ন
❍☞২৪৩) ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ ছাড়ে – ১৯৭২ সালের মার্চে
❍☞২৪৪) বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হয় – ১৯৭২ সালে
❍☞২৪৫) জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে – ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
❍☞২৪৬) জাতি সংঘের সাধারণ অধিবেশনে সর্বপ্রথম বাংলায় ভাষণ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
❍☞২৪৭) বঙ্গবন্ধু পুরষ্কার পান – জুলিও কুরি শান্তি পদক
❍☞২৪৮) জুলিও কুরি পদক দেয় – বিশ্বশান্তি পরিষদ
❍☞২৪৯) সংবিধান কমিটির প্রধান ছিলেন – ড. কামাল হোসেন
❍☞২৫০) সংবিধান প্রণয়ণ কমিটিতে মহিলা সদস্য ছিলেন – ১ জন
✺1f449 ২৫১) বাংলাদেশের সংবিধান প্রনয়ণে সময় লাগে – ১০ মাস
✺1f449 ২৫২) বাংলাদেশ সংবিধান – লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়
✺1f449 ২৫৩) সংবিধানে ন্যায়পাল সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে – ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
✺1f449 ২৫৪) বীরঙ্গনাদের সরকার ” নারী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয় – ২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি
✺1f449 ২৫৫) সর্বজনীন ভোটাধিকারের নীতি – এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি
✺1f449 ২৫৬) সুপ্রীম কোর্ট বাতিল করে সংবিধানের – ৫ম, ৭ম ও ১৩ দশ সংশোধনী
✺1f449 ২৫৭) জাতীয় শোক দিবস – ১৫ আগষ্ট
✺1f449 ২৫৮) বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট
✺1f449 ২৫৯) জাতীয় ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয় – ১৯৭৫ সালে ২২ আগষ্ট
✺1f449 ২৬০) রাজনৈতিক দল ও কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩১ আগষ্ট
✺1f449 ২৬১) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
✺1f449 ২৬২) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় – ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর
✺1f449 ২৬৩) খালেদ মোশাররফ এর নেতৃত্বে সেনা অভ্যুথান হয় -১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
✺1f449 ২৬৪) জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
✺1f449 ২৬৫) বাংলাদেশে সেনা শাসন আমল – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত
✺1f449 ২৬৬) গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয় – ১৯৯১ সালে
✺1f449 ২৬৭) জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার ছিলেন – ২ নং সেক্টরের
✺1f449 ২৬৮) জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হন – ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল
✺1f449 ২৬৯) রাষ্টপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৮ সালের ৩ জুন
✺1f449 ২৭০) বাংলাদেশের ২য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি
✺1f449 ২৭১) সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ বলে সুপ্রীম কোর্ট রায় দেন – ২০০৮ সালে
✺1f449 ২৭২) সার্ক গঠনের উদ্যেগক্তা – জিয়াউর রহমান
✺1f449 ২৭৩) রাষ্টপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন – ১৯৮১ সালের ৩১ মে
✺1f449 ২৭৪) জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন ছিল – সাড়ে ৫ বছর
✺1f449 ২৭৫) জেনারেল এরশাদ রাষ্টপতি হন – ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর
✺1f449 ২৭৬) রাষ্টপতি এরশাদ রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
✺1f449 ২৭৭) সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বিক্ষোভ হয় – ১৯৮৩ সালে
✺1f449 ২৭৮) গণ আন্দোলন হয় – ১৯৯০ সালে
✺1f449 ২৭৯) জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন – ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর
✺1f449 ২৮০) এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
✺1f449 ২৮১) ঘরোয়া রাজনীতির অনুমতি দেয়া হয় – ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল
✺1f449 ২৮২) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৩ সালে
✺1f449 ২৮৩) পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৪ সালে
✺1f449 ২৮৪) এরশাদ গণভোটের আয়োজন করেন – ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ
✺1f449 ২৮৫) উপজেলা পদ্ধতি চালু করেন – এরশাদ
✺1f449 ২৮৬) উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৫ সালের ১৬ ও ২১ মে
✺1f449 ২৮৭) বাংলাদেশের ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ১৯৮৬ সালের ৭ মে
✺1f449 ২৮৮) ৪র্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা হয় – ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ
✺1f449 ২৮৯) জেনারেল এরশাদের শাসন আমল – ৯ বছর
✺1f449 ২৯০) প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
✺1f449 ২৯১) নুর হোসেন শহীদ হন – স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলন ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর
✺1f449 ২৯২) এরশাদ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন – ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর
✺1f449 ২৯৩) সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করা হয় – ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর ( ২২ টি ছাত্র সংগঠন)
✺1f449 ২৯৪) ডা. সামসুল আলম মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান – ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর
✺1f449 ২৯৫) ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
✺1f449 ২৯৬) তত্ববধায়ক সরকারে বিল সংসদে পাশ হয় – ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ
✺1f449 ২৯৭) তত্তবধায়ক সরকারের প্রথম প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন – বিচারপতি হাবিবুর রহমান
✺1f449 ২৯৮) তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১২ জুন ১৯৯৬ সালে ( ৭ম জাতীয় নির্বাচন)
✺1f449 ২৯৯) ৮মম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ২০০১ সালের ১ অক্টোবর
✺1f449 ৩০০) বাংলাদেশে ১/ ১১ এর সময় কাল – ২০০৭ সাল
❑➫৩০১) ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর
❑➫৩০২) ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল – ৭০%
❑➫৩০৩) ৪০ বছরে দারিদ্যের হার কমেছে – ৩০%
❑➫৩০৪) ৪ দশকে শিশু মৃত্যু হার কমেছে -প্রতি হাজারে ১৮৫ থেকে ৪৮
❑➫৩০৫) বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি প্রনীত হয় – ২০১০ সালে
❑➫৩০৬) পারিবারিক সংহিংসতা ও সুরক্ষা আইন – ২০১০ সালে প্রণীত হয়
❑➫৩০৭) জাতীয় খাদ্য নীতি – ২০০৬ সালে
❑➫৩০৮) জাতীয় শিশু নীতি প্রণীত হয় – ২০১১ সালে
❑➫৩০৯) জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ অনুযায়ী শিশু বলে বিবেচিত হবে -১৮ বছরের কম বয়সী সব ব্যক্তি
❑➫৩১০) বাংলাদেশ পলল গঠিত – আদ্র অঞ্চল
❑➫৩১১) বাংলাদেশের পাহাড়ী অঞ্চল – উত্তর পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বে
❑➫৩১২) উঁচু ভুমির অবস্থান – উত্তর পশ্চিমাংশে
❑➫৩১৩) বাংলাদেশের ভূ প্রকৃতি – নিচু ও সমতল
❑➫৩১৪) দক্ষিণ এশিয়ার বড় নদী – ৩ টি( গঙ্গা, ব্রক্ষপুত্র, মেঘনা)
❑➫৩১৫) বাংলাদেশের অবস্থান – এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে
❑➫৩১৬) বাংলাদেশের অবস্থান – ২০.৩৪“ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬.৩৮” উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে
❑➫৩১৭) দ্রাঘিমা রেখা – ৮৮.০১” থেকে ৯২.৪১” পূর্ব দ্রাঘিমা
❑➫৩১৮) বাংলাদেশের মাঝামাঝি দিয়ে অতিক্রম করেছে – কর্কটক্রান্তি রেখা ( ২৩.৫”)
❑➫৩১৯) বাংলাদেশের উত্তরে – পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম
❑➫৩২০) পূর্বে – আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম,মায়ানমার
❑➫৩২১) দক্ষিণে – বঙ্গোপসাগর
❑➫৩২২) মোট আয়তন – ১,৪৭,৬১০ কি.মি.।
❑➫৩২৩) পৃথিবীর বৃহত্তম ব দ্বীপ – বাংলাদেশ
❑➫৩২৪) বাংলাদেশের ভু খন্ড – উত্তর থেকে দক্ষিণে ঢালু
❑➫৩২৫) বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল – এক বিস্তীর্ন সমভূমি
❑➫৩২৬) ভূ প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ ভাগ করা হয় – ৩ টি শ্রেণীতে
❑➫৩২৭) টারশিয়ারে যুগের পাহাড়সমূহ – মোট ভূমির প্রায় ১২%
❑➫৩২৮) হিমালয় পর্বত উথিত হয় – টারশিয়ারি যুগে
❑➫৩২৯) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ – রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের পূর্বাংশ
❑➫৩৩০) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর উচ্চতা – ৬১০ মিটার
❑➫৩৩১) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – তাজিনডং ( বিজয়)
❑➫৩৩২) বিজয়ের উচ্চতা – ১২৩১ মিটার
❑➫৩৩৩) বিজয় – বান্দরবানে অবস্থিত
❑➫৩৩৪) বাংলাদেশের ২য় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – কিওক্রাডং( ১২৩০ মি)
❑➫৩৩৫) আরো দুটি পাহাড় – মোদকমুয়াল ( ১০০০মি.), পিরামিড( ৯১৫মি)
❑➫৩৩৬) এই পাহাড় গুলো গঠিত – বেলে পাথর, কর্দম, শেল পাথর দ্বারা
❑➫৩৩৭) উত্তর উত্তরপূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ – ময়মনসিংহ, নেত্রকোনার উত্তরাংশ, সিলেটের উত্তর উত্তর পূর্বাংশ, মৌলভী বাজার, হবিগঞ্জের দক্ষিনের পাহাড়
❑➫৩৩৮) পাহাড় গুলোর উচ্চতা – ২৪৪ মিটার
❑➫৩৩৯) উত্তরের পাহাড়গুলো – টিলা নামে পরিচিত
❑➫৩৪০) টিলার উচ্চতা – ৩০ থেকে ৯০ মিটার
❑➫৩৪১) এ অঞ্চলের পাহাড় সমূহ – চিকনাগুল, খাসিয়া, জয়ন্তিয়া
❑➫৩৪২) প্লাইস্টোসিন কালের সোপান – দেশের মোট ভূমির ৮% নিয়ে গঠিত
❑➫৩৪৩) প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয় – আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে
❑➫৩৪৪) প্লাইস্টোসিন কালের সোপিনসমূহ – ৩ ভাগে বিভক্ত
❑➫৩৪৫) বাংলাদেশে ছোট বড় নদী রয়েছে -৭০০ টি
❑➫৩৪৬) নদীর গুলোর আয়তন দৈর্ঘ্যে – ২২,১৫৫ কি.মি
❑➫৩৪৭) পদ্মা নদী ভারতে পরিচিত – গঙ্গা নামে
❑➫৩৪৮) পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল – হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহে
❑➫৩৪৯) গঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে – রাজশাহী জেলা দিয়ে
❑➫৩৫০) পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয় – গোয়ালন্দে
■➢৩৫১) ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারা – যমুনা নদী
■➢৩৫২) পদ্মা নদী মেঘনার নাথে মিলিত হয় – চাঁদপুরে
■➢৩৫৩) গঙ্গা পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের পরিমান – ৩৪, ১৮৮ বর্গ কি.মি
■➢৩৫৪) পদ্মার শাখা নদী সমূহ – ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ
■➢৩৫৫) ব্রক্ষপুত্রের উৎপত্তি – তিব্বতের মানস সরোবর
■➢৩৫৬) বক্ষপুত্র নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে – কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে
■➢৩৫৭) ১৭৮৭ সালের আগে ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারাটি প্রবাহিত হতো – ময়মনসিংহের মধ্যে দিয়ে উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ পূর্বে
■➢৩৫৮) ব্রক্ষপুত্র নদের গতি পরিবর্তিত হয় – ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে
■➢৩৫৯) যমুনা নদীর শাখা নদী – ধলেশ্বরী
■➢৩৬০) ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী – বুড়িগঙ্গা
■➢৩৬১) যমুনা নদীর উপনদী সমূহ – ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই
■➢৩৬২) গঙ্গার সঙ্গমস্থল পর্যন্ত ব্রক্ষপুত্রের দৈর্ঘ্য – ২৮৯৭ কি.মি এবং আয়তন – ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি এবং এর ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি বাংলাদেশের
■➢৩৬৩) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলনে উৎপত্তি – মেঘনা নদী
■➢৩৬৪) সুরমা ও কুশিয়ার উৎপত্তি- আসামের বরাক নদী নাগা- মণিপুর অঞ্চলে
■➢৩৬৫) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে – সিলেট জেলা দিয়ে
■➢৩৬৬) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলিত হয় – সুনামগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে এবং কালনী নামে দক্ষিণ পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারন করে
■➢৩৬৭) মেঘনা পুত্রের সাথে মিলিত হয় – ভৈরব বাজারের কাছে
■➢৩৬৮) বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, ও শীতলক্ষ্যা মেঘনার সাথে মিলিত হয় – মুন্সিগঞ্জে
■➢৩৬৯) মেঘনার শাখা নদী – মুন, তিতাস, গোমতী, বাউলাই।
■➢৩৭০) বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী – কর্ণফুলী
■➢৩৭১) কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তি – লুসাই পাহাড়ে
■➢৩৭২) কর্ণফুলির দৈর্ঘ্য – ৩২০ কি.মি
■➢৩৭৩) কর্ণফুলির প্রধান উপনদী – কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং, রাঙখিয়াং
■➢৩৭৪) বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর – চট্টগ্রাম কর্ণফুলির তীরে অবস্থিত
■➢৩৭৫) তিস্তা নদীর উৎপত্তি – সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
■➢৩৭৬) তিস্তা নদী – ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং হয়ে ডিমলা অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে
■➢৩৭৭) তিস্তা নদীরর গতিপথ পরিবর্তিত হয় – ১৯৮৭ সালের বন্যায়
■➢৩৭৮) তিস্তা নদী মিলিত হয় – ব্রক্ষপুত্রের সাথে
■➢৩৭৯) তিস্তা নদীর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ – ১৭৭ কি.মি ও ৩০০ থেকে ৫৫০ মি.
■➢৩৮০) বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান উৎস – তিস্তা নদী
■➢৩৮১) তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি নির্মিত হয় – ১৯৯৭-৯৮ সালে
■➢৩৮২) মংলা বন্দরের দক্ষিণে – পশুর নদী
■➢৩৮৩) পশুর নদীর দৈর্ঘ্য প্রস্থ – প্রায় ১৪২ কি.মি ও ৪৬০ মি. থেকে ২.৫ কি.মি

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka