22/02/2023
আমাদের স্কুলে আজকের পরিক্ষার দৃশ্য।
কোরআন ও ছহীহ হাদিসের আলোচনা শুনতে সাথ?
22/02/2023
আমাদের স্কুলে আজকের পরিক্ষার দৃশ্য।
26/11/2020
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنْ رَجُلًا قَالَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه و سلم أَوْصِنِي. قَالَ: لَا تَغْضَبْ، فَرَدَّدَ مِرَارًا، قَالَ: لَا
تَغْضَبْ" . [رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ].
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে- এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলল: আমাকে কিছু উপদেশ দিন। তিনি বললেন: রাগ করো না। লোকটি বার বার রাসূলের নিকট উপেদশ চায় আর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: রাগ করো না।
#প্রশ্ন অনেক সময় দেখা যায় মসজিদে ঢুকে ছোয়াবের আশায় মাথায় টুপি পাগড়ি পড়ে, বা মনে করা হয় ৭০ রাকাতের ছোয়াব পাওয়া যায়, সমাজে প্রচালিত আছে তা কি সঠিক?
#উত্তর ফযিলত মনে করে ছলাতের সময় পাগড়ী পড়া, বা বাধার কোন ছহীহ হাদিস নেই।এই বিষয়ে যত ফযিলত হাদিস এসেছে সবগুলো জাল,,,
#উক্ত জাল হাদিসের নং গুলো উল্লেখ করা হল।
১ সিলসিলা যঈফা, হা/৫৬৯৯
২ সিলসিলা যঈফা, হা/১২৭
৩ সিলসিলা যঈফা, হা/১২৯
৪ সিলসিলা যঈফা, হা/৩৯৫
৫ ইবনুল জাওযী,কিতাবুল মাওযূ'আত ২/১০৫ পৃঃ
৬ সিলসিলা যঈফা, হা/১২১৭
৭ মুসনাদে ত্বায়লিসি, হা/১৫৪
৭ দায়লামী ৩/১৭৫ পৃঃ
৮ ইমাম হায়ছামী, আহকামুল লিবাস ২/৯ পৃঃ
৯ সিলসিলা যঈফা, হা/৬০৭২
উল্লেখ্য, এগুলো ছারা আরো অনেক জাল হাদিস আছে।
#ফযিলতের আশা না করে ছলাতে সুন্দর্যর জন্য পাগড়ি টুপি রুমাল ব্যাবহার করা যাবে
#প্রশ্ন অনেকে মনে করে হাতে অপবিত্র বস্তু বা পেশাব পায়খানা লেগে গেলে ওযু ভঙ্গ হয়ে যাবে,
#উত্তর অযু অবস্থায় শরীরের যে কোন অংষে নাপাকি লাগলে ওযু ভঙ্গ হবে না। যে অংশে নাপাকি লাগবে ঐ অংশটুকু ধুয়ে নিতে হবে
أَبُو السَّمْحِ، قَالَ : كُنْتُ أَخْدِمُ النَّبِيَّ صلي الله عليه وسلم فَكَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَغْتَسِلَ قَالَ "وَلِّنِي قَفَاكَ". فَأُوَلِّيهِ قَفَاىَ فَأَسْتُرُهُ بِهِ فَأُتِيَ بِحَسَنٍ أَوْ حُسَيْنٍ فَبَالَ عَلَى صَدْرِهِ فَجِئْتُ أَغْسِلُهُ فَقَالَ : "يُغْسَلُ مِنْ بَوْلِ الْجَارِيَةِ وَيُرَشُّ مِنْ بَوْلِ الْغُلَامِ". قَالَ عَبَّاسٌ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الْوَلِيدِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ : وَهُوَ أَبُو الزَّعْرَاءِ . قَالَ هَارُونُ بْنُ تَمِيمٍ عَنِ الْحَسَنِ قَالَ الأَبْوَالُ كُلُّهَا سَوَاءٌ - صحيح
আবূস সামহ্ (রাঃ) বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমাত করতাম। তিনি গোসল করার ইচ্ছা করলে আমাকে বলতেনঃ তুমি পিঠ ঘুরিয়ে দাঁড়াও। তখন আমি পিঠ ঘুরিয়ে দাঁড়িয়ে তাঁকে আড়াল করে রাখতাম। একবার হাসান অথবা হুসাইন (রাঃ)-কে আনা হলে তাঁদের একজন তাঁর বুকে পেশাব করে দিলেন। আমি তা ধৌত করতে এলে তিনি বললেনঃ মেয়ে শিশুর পেশাব ধোয়া আবশ্যক হয়। আর ছেলে শিশুর পেশাবে পানি ছিটিয়ে দিলেই যথেষ্ট।
আবুদাউদ- হা ৩৭৬
#প্রশ্ন: কুরবানীর ভাগের সাথে আকীকা দেওয়া যাবে কি?
#উত্তর: কুরবানীর সাথে একটি ভাগ আকীকার উদ্দেশ্যে দেওয়া যথেষ্ট নয়। যেমন যথেষ্ট নয় একটি পশু কুরবানী ও আকীকার নিয়তে যবেহ করা। কুরবানী আকীকার জন্য পৃথক পৃথক পশু হতে হবে। অবশ্য যদি কোন শিশুর আকীকার দিন কুরবানীর দিনেই পড়ে এবং আকীকা যবেহ করে, তাহলে আর কুরবানী না দিলেও চলে। যেমন, দুটি গোসলের কারণ উপস্থিত হলে একটি গোসল করলেই যথেষ্ট, জুমআর দিনে ঈদের নামায পড়লে আর জুমআহ না পড়লেও চলে, বিদায়ের সময় হজ্জের তওয়াফ না করলেও চলে, যোহরের সময় মসজিদে প্রবেশ করে যোহরের সুন্নত পড়লে পৃথক করে আর তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়তে হয় না এবং তামাত্তু হজ্জের কুরবানী দিলে আর পৃথকভাবে কুরবানী না দিলেও চলে। ৪৬৩ (মানারুস সাবীল ১/ ৩৬৬)
আকীকার বিধান কুরবানী মতো হলেও আকীকার পশুতে ভাগাভাগি যথেষ্ট নয়। সুতরাং একটি উট বা গরু ২, ৩, ৪, ৫, ৬ বা ৭ টি শিশুর তরফ থেকে আকীকা যথেষ্ট হবে না। যেহেতু প্রথমতঃ কুরবানীর মতো আকীকার বিধানে ভাগাভাগি বর্ণিত হয়নি। অথচ ইবাদতসমূহ প্রমাণসাপেক্ষ। দ্বিতীয়তঃ আকীকা হল জানের ফিদয়া স্বরূপ। আর ফীদয়াতে ভাগাভাগি হয় না। যেহেতু একটি জানের বিনিময়ে একটি জানই প্রয়োজন। ৪৬৪ (ইবনে উষাইমীন)
#প্রশ্ন অযু করার সময় এক অঙ্গ তিন বারের বেশী ধোয়া যায়েজ হবে কি?
#উত্তর: তিন বারের বেশী ধোয়া যায়েজ নেই, বরং সীমালঙ্ঘন করা।
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ جَدِّه قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ يَسْأَلُه عَنْ الْوُضُوءِ فَأَرَاهُ الْوُضُوءَ ثَلَاثًا ثَلَاثًا ثُمَّ قَالَ هَكَذَا الْوُضُوْءُ فَمَنْ زَادَ عَلى هذَا فَقَدْ أَسَاءَ وَتَعَدّى وَظَلَمَ. رَوَاهُ النِّسَائِـيُّ وابن مَاجَةَ وَرَوَى أَبُوْ دَاوٗدَ مَعْنَاهُ
আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (দাদা) বলেন যে, এক বেদুঈন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে তাঁকে উযূ (ওযু/ওজু/অজু) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করায়, তিনি তাকে তিন তিনবার করে (উযূর প্রতিটি অঙ্গ ধুয়ে) দেখালেন। অতঃপর বললেন, এই হলো ওযূ। যে ব্যক্তি এর চেয়ে বাড়িয়ে করলো সে মন্দ করলো, সীমালঙ্ঘন করলো ও যুলম করলো।(নাসায়ী,১৪০/ ইবনু মাজাহ ৪২২/আবূ দাঊদ৪১৭
#প্রশ্ন সালাত রত অবস্থায় মোবাইল রিং বেজে উঠেল ঐ অবস্থাতেই বন্ধ করা যাবে কি?
#উত্তর: বন্ধ করা যাবে, তবে ধ্যান মগ্ন নামাযের ভিতরে থাকতে হবে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم " اقْتُلُوا الأَسْوَدَيْنِ فِي الصَّلَاةِ الْحَيَّةَ وَالْعَقْرَبَ
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সলাতরত অবস্থাতেও কালো সাপ ও কালো বিচ্ছুকে হত্যা করবে। (আবু দাঊদ হা, ৯২১)
উক্ত হাদিস দারা বুঝা যায় যে, ছালাত রত অবস্থায় ছালাতে বিঘ্ন ঘটায় এমন কাজ প্রতিহত করা যায়।
অন্য হাদিসে এসছে
عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ أَحْمَدُ - يُصَلِّي وَالْبَابُ عَلَيْهِ مُغْلَقٌ فَجِئْتُ فَاسْتَفْتَحْتُ - قَالَ أَحْمَدُ - فَمَشَى فَفَتَحَ لِي ثُمَّ رَجَعَ إِلَى مُصَلَاهُ . وَذَكَرَ أَنَّ الْبَابَ كَانَ فِي الْقِبْلَةِ
আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে দরজা বন্ধ করে সলাত আদায় করছিলেন। এমতাবস্থায় আমি এসে দরজা খুলতে বললে তিনি হেঁটে গিয়ে দরজা খুলে পুনরায় সলাতে রত হলেন। হাদীসে একথাও রয়েছে যে, দরজাটি ক্বিবলাহর দিকে ছিলো। (আবূ দাঊদ হা ৯২২) তিরমিযি হা ৬০১