15/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ! বর্তমান কর্মস্থলে আজ ১৪/০৫/২০২৬ তারিখে একাধারে ১২ বছর অর্থাৎ এক যুগ পার করলাম। প্রিয় শিক্ষার্থী, সম্মানিত অভিভাবক ও সম্মানিত সহকর্মীদের সহযোগিতায় বেশ ভালই কেটেছে । দীর্ঘ এই পথ চলায় শিক্ষার্থীদের থেকে প্রাপ্ত সম্মান ছিল মনে রাখার মত । সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দের সাথে ছিল সার্বক্ষণিক যোগাযোগ । শিক্ষার্থীরা শতভাগ শিখনফল অর্জন করতে না পারলেও শিক্ষক হিসাবে চেষ্টা করছি যাতে সামনের দিনগুলোতে আরো ভালো ভাবে শিখন ফল অর্জন করতে পারে। মাত্র দুই বছরের জন্য বর্তমান কর্মস্থলে থাকবো এই প্রত্যাশা নিয়ে যোগদান করলেও কিভাবে ১২ বছর হয়ে গেল বুঝতেই পারিনি । শ্রেণী কক্ষে নিয়মিত পাঠদান ছাড়াও নানান ধরনের কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। শিক্ষক প্রতিনিধি ,কাব স্কাউট লিডার, সহকারি ট্রেইনার ও শ্রেণী শিক্ষক সহ নানাবিধ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছি ,এখনো করে যাচ্ছি। স্বীকৃতি স্বরূপ নানান প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মাননা প্রাপ্ত হয়েছি বেশ কয়েকবার। 2022 ও 2023 সালে "জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক" ঢাকা মহানগরী মিরপুর থানার 'শ্রেষ্ঠ সহকারি শিক্ষক,' 2025 সালে একই প্রতিষ্ঠান থেকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে "শ্রেষ্ঠ সহকারী গুনী শিক্ষক" নির্বাচিত হওয়া আমার কর্মজীবন অন্যতম সেরা স্বীকৃতি। সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সম্মান ও ভালোবাসা। কর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগনও কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। যা এখন কর্মে উদ্দীপনা জাগায়। নিজের অর্জিত জ্ঞান, ভালো মনের মানুষের সঙ্গে চলাফেরা এবং নিজের কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও একাগ্রতা শিক্ষার্থীদের নিবিড় সংস্পর্শে নিয়ে গেছে। মজার ব্যাপার হল আজও নির্ধারিত সময় সকাল ৭.৩০ মিনিটে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেছি । আবার নির্দিষ্ট সময় শ্রেণীকক্ষে অবস্থান শেষে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছি। দুই /একটা ব্যতিক্রম ছাড়া আমার এই রুটিন খুব একটা ব্যত্যয় ঘটেনি। শিক্ষার্থীদের ভালো কিছু অর্জনের সঙ্গে শিক্ষক হিসাবে আমারও আনন্দ। দীর্ঘ সময় শিক্ষকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একজন সাধারণ শিক্ষক এবং বিজ্ঞান ও শিক্ষা বিজ্ঞানের ( বি,এস-সি অনার্স, এম,এস-সি, বি,এড, এম.এড, প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ , আইইআর , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) এর একজন ছাত্র হিসাবে মনে করি গুণগত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের জন্য শিক্ষকদের যথাযথ সম্মানী ও সামাজিক মর্যাদা বাড়ানো ছাড়া আর কোন ভালো উপায় আছে বলে আমার জানা নেই। একইভাবে শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের আন্তরিকভাবে পাঠদান করাতে হবে, যার কোন বিকল্প নেই। আমরা শিক্ষকগণ দেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে গুনে মানে এগিয়ে নিয়ে যাব, সরকারও সঠিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে শিক্ষকদের অনুপ্রাণিত করবে ।এটাই প্রত্যাশা। সবার কাছে আমার জন্য দোয়ার আবেদন রইল।
03/05/2026
17/04/2026
14/04/2026
03/04/2026
16/01/2026
11/11/2025
11/11/2025
11/11/2025
15/10/2025
14/10/2025