আমাদের মাদরাসা সঙ্কট: বেরিয়ে আসার সংক্ষিপ্ত রূপরেখা
------------------------------------------------------------------
১. মাদরাসাগুলোকে হতে হবে আদর্শিকভাবে একেকটি খানকা। মহান আকাবির কাফেলার চেতনায় সিক্ত।
২. অর্থলোভমুক্ত প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের পর মেধা ও বয়স ভিত্তিক ভর্তির ব্যাপারে আপসহীন।
৩. সুনির্বাচিত সুযোগ্য আসাতিযায়ে কেরামের স্নেহশীল প্রজ্ঞা-প্রতিভা বিধৌত পরিকল্পিত পাঠদান এবং সার্বিক অভিভাবকত্ব।
৪. কর্তৃপক্ষ ও পরিচালকদের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক।
৫. তারপর সুসমন্বিত দূরদর্শী প্রয়াস। প্রাণময় দায়িত্ববোধ। পাঠ্যসূচির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করার সাথে সাথে মহান আকাবির কাফেলার জীবনদর্শনের সাথে গভীরভাবে সেতুবন্ধন রচনা করা।
৬. সম্মানজনক দুশ্চিন্তামুক্ত বেতন স্কেল।
৭. আবাসন, ছুটি ও অন্যান্য সুবিধা।
৮. দরসগাহ এবং আলাদা সিসি ক্যামেরা সমৃদ্ধ ছাত্রাবাস।
৯. সময় সচেতন ও আত্মোন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মশালা ।
১০. উচ্চ শিক্ষার স্বার্থে হাত ধরে ধরে নির্বাচিত ছাত্রদেরকে সামনে এগিয়ে দেওয়া। প্রাজ্ঞোচিত দিক
নির্দেশনা দেওয়া।
১১. প্রত্যাশিত কাঙ্ক্ষিত প্রয়োজনীয় কর্মজীবনের জন্য তাদেরকে সুযোগ্য করে গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করে দেওয়া।
১২. আরবি ভাষা ও সাহিত্যের সাথে, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সাথে এমনকি প্রয়োজনীয় ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের সাথে সখ্য গড়ে তোলার ব্যবস্থা করা।
১৩. ছাত্রদের ভেতরে হীনমন্যতাবোধ জন্ম দিতে পারে- এমন সব কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
১৪. বেফাক বোর্ড অথবা হাইআতুল উলইয়া কর্তৃক নজরদারি প্রতিষ্ঠা করা।
১৫. ধীরে ধীরে ধাপে ধাপে অতীত ঐতিহ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া।
Yahya Yusuf Nadwi
সীরাত গবেষক। শিশু সাহিত্যিক। সিনিয়র মুহাদ্দিস।
05/05/2026
শাপলা-গল্প
-----------
সূচনাকথা:
শাপলা বললে চোখের সামনে ভেসে ওঠে ৫ই মে’র ওই শাপলা। চেতনায় স্নাত। আকিদায় দীপ্ত। বিশ্বাসে অনির্বাণ। আগামী বিনির্মাণে সাচ্চা রাহবার। আরও ভেসে ওঠে এক ‘হিটলার চরিত্র’। রক্তখেকো দাঁতাল-খুনী চেহারা। যার জবানে সত্য উচ্চারণের বদলে নিষ্ঠুর তুচ্ছ তাচ্ছিল্য দুর্গ ন্ধ ছড়ায়। রক্ত হয়ে যায় রং। জযবা হয়ে যায় ঢং। চেতনা হয়ে যায় জং।
৫ই আগস্টের পরে শাপলা আবার ফুটেছে। শুভ্রতায় দোল খাচ্ছে। আহত মনে আশার আলো জ্বেলেছে। শহীদের পরিবারে শীতল সান্ত্বনার পরশ বুলিয়েছে।
এখন শাপলা নিয়ে কথা বলার তাগিদ অনুভব করছি।
কতো কথা!
নিজের।
মানুষের।
গাজীর।
শহীদের।
অসহনীয় এক প্রেক্ষাপটের।
একটু একটু করে শুরু করা যাক। কলমের কালির ভয়ে যারা জ্বলে-উঠে জুলুমে আগ্রাসী হয়ে ওঠে, তাদের জুলুমের অন্ধকার নিষ্ঠুরতার ভয়ে এতোদিন নিজের ভাষায় কিছু বলতে পারছিলাম না, আজ সব বাঁধ ভেঙে গেছে। সব বাধা নেই হয়ে গেছে। এখন নীরবতা সরবতায় মুখর হয়ে উঠুক। শীত শেষে নেমে আসুক যুগ যুগের ‘অদেখা’ বসন্ত।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।
এক.
নদীমাতৃক জলবাংলার বিল-ঝিলের এখানে-ওখানে মাথা উঁচু করে সমহিমায় ফুটে থাকা সাদা-লাল কোনো শাপলার কথা আমি বলছি না, আমার এই শাপলারা সেদিন ফুটে ছিলো ‘শাপলাচত্বর’ ঘিরে—মতিঝিলের পিচঢালা গোলচক্করে—যতো দূর দৃষ্টি যায়, সে-ই ত্রিমুখী পথের শেষ সীমা অবধি। যেনো আকাশ ভেঙে নেমে এসেছিলো সাদা সাদা ফেরেশতা! এক হাতে (রং বেরঙের পতাকা-শোভিত) লাঠি, আরেক হাকে তসবিহ। কাঁধে ছোট্ট ব্যাগ, কিংবা পিঠে ঝুলা। মুখে তাকবির। সজীব হয়ে আছে সবার ঠোঁট—যিকিরে যিকিরে। তাকবিরে তাকবিরে।
সেই সকালে শুরু হয়েছিলো ঢাকা-পয়েন্টে অবস্থান। এরপর ছিলো ফিরে যাওয়ার পালা। কিন্তু ছড়িয়ে পড়লো এই ঘোষণা—চলো, যেতে হবে শাপলায়! ওখানেই হবে আমীরে হেফাজতের ভাষণ ও নসিহত। এবং দুআ।
দুই.
চেতনার এই ডাক উচ্চারিত হয়েছিলো বিশ্বস্ত অভিভাবক কণ্ঠে। তাই এই ডাকে সবাই সাড়া দিয়েছিলেন। সাড়া দিতে কাউকেই একটু ভাবতে হয় নি—যাবো নাকি যাবো না। সতত স্বতঃস্ফূর্ততায় সবাই এসে শাপলা হয়ে ফুটেছিলো এখানে।
তারপর যিকিরে ফিকিরে লেখায় বলায় ধ্বনিত হতে লাগলো— প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি হৃদয়জাত ভালোবাসা। চেতনাস্নাত প্রত্যয়দীপ্ত অঙ্গিকার। ইসলামের শাশ্বত বিধান ও পয়গামের মহিমার প্রতি সর্বানুগত্যমাখা দৃঢ় শপথ। প্রয়োজনে লাল নাজরানা পেশ করার ঈমানভরা ব্যাকুল উচ্চারণ।
প্রধান অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন না—এই এলেন বলে বেলা কাটছিলো। প্রধান সিপাহসালার বাবুনগরী মঞ্চে বসে ছিলেন—‘নূর ঝরা’ চাঁদ হয়ে। অগ্নি ঝরানো সূর্য হয়ে।
পাশে সামনে আরও ছিলেন—
অনেক সৈন্য।
রাহবার।
সজীব কণ্ঠ।
বলিষ্ঠ উচ্চারণে ভীতি-জাগানিয়া মহান পুরুষ।
তিন.
জোহর যখন হলো, ‘জি হা দ’ বুঝি শুরু হলো। ভীত প্রশাসন থেকে ভেসে ভেসে আসতে লাগলো চত্বর ছেড়ে চলে যাওয়ার—
‘অনুরোধ’।
তলব।
হুশিয়ারী।
‘আশরাফ’ হয়ে উঠলো ‘আকসা’।
যেনো হাজ্জাজ। কিংবা ইবনে যিয়াদ—ইবনে মারজানা।
এদিকে জমায়েত বাড়ছে। আরও বাড়ছে। যেনো গণ-জোয়ার। যেনো বসন্তের বাগানের ফল ফুলের ছড়াছড়ি। যেনো বাংলার বিলে ঝিলে ফুটে আছে দৃষ্টিসীমার সেই সুদূর পর্যন্তু রাশি রাশি শাপলা।
কিন্তু জোহর গড়িয়ে আসর আসতে না আসতেই ইবনে যিয়াদেরা ‘শ্বাপদ-নিষ্ঠুর’ হয়ে উঠলো। লীগ সন্ত্রাসীরা উপরের সবুজ সংকেতে পুলিশের ছত্র ছায়ায় হামলা ও গুলি শুরু করলো। কাঁদানে গ্যাস আর সাউন্ড গ্রেনেডে এক ভীতিকর অবস্থা তৈরি হলো। নীরিহ পথিক ও দর্শনার্থীরা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে লাগলো। কিন্তু শাপলার বীরেরা রইলো অটল অবিচল। রক্তের সামনে চেতনা বিধৌত।
এদিকে একটু পর পর আহতদের নিয়ে একের পর এক ভ্যান কিংবা রিকশা হাসপাতালে ছুটতে লাগলো। শাপলার প্রাণকেন্দ্রেও আসতে লাগলো লাল লাল শহীদ।
বাড়তে লাগলো অশ্রু ও কান্না। বক্তৃতার ধার।
* * *
আমি জোহর আসরের মাঝে এসে নামলাম নটরডেম কলেজের একটু আগে। পথে দেখা হলো এক ছাত্রের সাথে। ওরা তিনজন মিলে ফিরে যাচ্ছিলো। আমাকে দেখে সালাম ও হাসি বিনিময় করলেও একটু থেমে শাপলার লালের কথা কিছুই বলে গেলো না। যা আমি শাজাহানপুরে বামে বাঁক নিয়ে একটু সামনে গিয়েই বুঝতে পেরেছিলাম—ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া আহতদের লাল পোশাক দেখে।
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এরা তো আমার ভাই!
ওখানে ওই শাপলায় কী ঘটছে আসলে?
ভেসে আসা এই শব্দ কিসের?
প্রায় ফাঁকা ঢাকায় মুখে মুখে কেনো এই বিচলন?
যাবো?
যাই!
আল্লাহ ভরসা!
চার.
কিন্তু সেদিন আসলে প্রথমে আমার যাওয়ার ইচ্ছে ছিলো না। হঠাৎ এলো ডাক। আমি সাড়া দিয়ে বললাম, আসছি! দেখি, কাপড় ইস্ত্রি করা নেই। দ্রুত বাদামি মাইক্রো সেটটা ইস্ত্রি করে প্রায় কাউকে না-বলেই বেরিয়ে যেতে চাইলাম। সে আর হলো না। আমার মা কী কাজে যেনো গেইটে দাঁড়িয়ে আছেন! আমাকে এমন হন্তদন্ত হয়ে ছুটে যেতে দেখে জানতে চাইলেন:
—কোথায় যাচ্ছিস!
—শাপলায়!
—যাবি? অবস্থা তো ভালো না মানুষ বলছে! যাসনে!
—যাই একটু!
মা কিছুক্ষণ চুপচাপ। একটু পর বললেন:
—হাতটা দে!
আমি ডান হাতটা মা’র হাতে সঁপে দিলাম। তিনি অনেকক্ষণ ধরে অনেক দুআ কালাম পড়লেন। শেষে দম করে ‘ফি আমানিল্লাহ’ বলে ছেড়ে দিলেন।
-চলবে
28/04/2026
26/04/2026
আপনারা যারা এবারের—বাইতুল্লাহর মুসাফির!
22/04/2026
মহীয়সী নারীদের নিয়ে বাংলাভাষায় এখনও পর্যন্ত অন্যতম সেরা যে কয়টি বই রচিত হয়েছে, তার মধ্যে ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী রচিত ‘গল্পে আঁকা মহীয়সী খাদিজা’ ও ‘গল্পে আঁকা মহীয়সী আমেনা’ অন্যতম।
গল্পবলার ঢং, ঐতিহাসিক রেফারেন্স ও মায়াবী গদ্যের জাদুতে এই বই দুটি সেম টপিকের সমকালীন অন্যান্য বইয়ের থেকে অনেক বিবেচনাতেই পাঠকের কাছে শ্রেষ্ঠ ও অনন্য।
মা আমেনার নূর-ছাওয়া জীবন, নবিজির শৈশবের রঙিন দিনগুলো আর খাদিজা রাজি.-এর জান্নাতি সংসার, মহানুভবতা ও দানশীলতাকে ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রকৃতঅর্থেই এমন এক ভাষার প্রয়োজন, যা একইসাথে আমাদের হৃদয়ে ও মস্তিষ্কে রেখাপাত করবে।
সেই সময়কার আরবের ইতিহাস ও ইসলামি পারিবারিক ঐতিহ্যের মিশেলে আমাদের আদর্শকে তুলে ধরবে সর্বাগ্রে।
তবেই না সে তিনটি জীবনের পরম ঐশ্বরিক স্পর্শ আমরাও অনুভব করতে পারবো আমাদের জীবনে।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দুজন মহীয়সী নারীর জীবনযাপনের সুমধুর গল্পগুলো পড়তে আপনি হাতে তুলে নিন বাংলাভাষার সেরা এই দুটি গ্রন্থ। সময় তো বৃথা যাবেই না, বইগুলোও শেষ না করে উঠতে পারবেন কি না, এ ব্যাপারেও বিস্তর সন্দেহ আছে!
#রাহনুমা
20/04/2026
ধন্যবাদ - প্রিয় ওয়াফিলাইফ টিম!
16/04/2026
আখলাক সিরিজ (১-১০)
এক.
আদর্শ প্রজন্ম গড়তে হলে সুচিন্তিত পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। শিশুমনের গভীরে সুন্দর সুন্দর গুণের—বীজ বুনতে হবে।
তারপর কী হবে?
তারপর সঠিক পরিচর্যায় সেই বীজগুলোই সুন্দর করে অংকুরিত হবে।
সবুজ সবুজ পাতা ছড়াবে।
ডালে ডালে শোভা পাবে—
থোকা থোকা ফল।
মৌ মৌ ফুল।
দৃষ্টিকাড়া।
মনকাড়া।
দুই.
বন্ধু,
আমাদের আশ-পাশে কত্তো মানুষের বাস, সবাই কি গুণী? নাহ, সবাই গুণী না! গুণী মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতে অনেক কম। আমাদের সোনালি ইতিহাসে লেখা আছে—
আগে গুণী মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি ছিলো।
তাই পৃথিবীও তখন খুব সুন্দর ছিলো।
পৃথিবীর মানুষও অনেক ভালো ও আদর্শবান ছিলো।
কিন্তু ধীরে ধীরে হলো কি, গুণী মানুষের সংখ্যা কমতে লাগলো।
কমতে কমতে অনেক কমে গেলো।
পৃথিবীটাও তখন ভরে উঠতে লাগলো—
অশান্তিতে। অস্বস্তিতে। অরাজকতায়।
যেদিকে চোখ যায় কেবল মারামারি। হানাহানি। রক্তারক্তি।
জলে-স্থলে ছড়িয়ে পড়েছে ফাসাদ ও বিপর্যয়।
বন্ধু,
এ অবস্থা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই। এই পৃথিবীকে আবার আমরা সেই সোনালি যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
কিন্তু সে কীভাবে?
চাইলেই কি আমরা পৃথিবীকে আগের অবস্থায় নিয়ে যেতে পারবো?
ইচ্ছে করলেই পারবো!
ইন শা আল্লাহ পারবো!
আমরা যদি সোনালি অতীতের সেইসব গুণী ও শ্রেষ্ঠ মানুষের মতো সুন্দর সুন্দর গুণের অধিকারী হতে পারি, তাহলে এই পৃথিবী হবে আবার আমাদের!
তিন.
এই যে, তোমার সামনে দশটি সেরা গুণ নিয়ে দারুণ দারূণ দশটি গল্প সাজিয়েছি আমরা; এ সব গল্পই তোমাকে পথ দেখাবে!
আশা করি, এ-সব গল্প পড়তে শুরু করলে তুমি বদলে যাবে!
তোমার চিন্তা বদলে যাবে!
অন্ধকার সব দূরে পালিয়ে যাবে!
সামনে একে একে উদিত হতে থাকবে আলো আর আলো!
আমানতদারির আলো!
ওয়াফাদারির আলো!
সততার আলো!
ইনসাফের আলো!
মহানুভবতার আলো!
আল্লাহর ওপর ভরসা করার আলো!
আরও কত্তো আলো!
বন্ধু,
এ-সব আলোর ছোঁয়া পেয়ে—
তুমিও নিশ্চিত হেসে উঠবে আলোর হাসি!
হয়ে যাবে একজন আলোকিত মানুষ!
আদর্শ মানুষ!
সত্যিকারের মানুষ!
এসো তাহলে, প্রবেশ করি!
গভীরে যাই!
গল্পের সাথে একেবারে মিশে যাই!
এক এক করে দশটি গল্প শেষে আবিষ্কার করি নিজেকে—
আরেক মানুষ হিসেবে!
বদলে যাওয়া মানুষ হিসেবে!
বিশ্বাস করো,
পৃথিবীকে বদলে ফেলতে হলে তোমাকেও বদলে যেতে হবে!
আর তা সম্ভব নয়— এ-সব গুণে গুণী না-হলে!
খুব দ্রুত তুমি বদলে যাবে— এই প্রত্যাশায় পথ চেয়ে থাকলাম!
#মাকতাবাতুল_হাসান
15/04/2026
ইউসুফ হে সুন্দর!
কানন KANON
14/04/2026
প্রিয় অভিভাবক, আর দেরি কেনো?!
ওদের হাতে আজই তুলে দিন!
https://ummahbookstore.shop/step/dadu-ekta-golpo-bolo-2/
12/04/2026
ধন্যবাদ!
প্রিয় কবি!
12/04/2026
মিসরের সৌভাগ্য!
পেয়েছিলো এমন শাসক।
ইউসুফি শাসননীতি প্রতিষ্ঠার জন্যে ইউসুফ আলাইহিস সালাম -এর মতো শাসক লাগবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka