07/01/2022
ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!
আপনাদের সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে, সাফল্যের ধারাবাহিকতাকে সামনে রেখে ঢাকা মহানগরীর মতিঝিল থানাধীন উত্তর শাহজাহানপুরস্থ ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রেলওয়ে হাফিজিয়া সুন্নীয়া আলিম মাদরাসা'য় ২০২২ শিক্ষা বর্ষে (শিশু থেকে দাখিল ৯ম শ্রেণি, নূরানী-নাজেরা ও হিফজুল কুরআন শাখায় (আবাসিক/অনাবাসিক) ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি কার্যক্রম চলছে।
বিঃদ্রঃ ভর্তি ফরম বিতরন চলবে ৩১শে ডিসেম্বর ২০২১ ইং পর্যন্ত।
#আমাদের_বৈশিষ্ট্যঃ
★ জীবনকে নববী আদর্শে, আমলী জিন্দেগী ও বহুমুখী শিক্ষার সমন্বয়ে সমৃদ্ধ করাই আমাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য।
★ কোরআন ও সুন্নাহর অনুশীলনের মাধ্যমে প্রকৃত দ্বীনদার মুসলমান হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করা।
★ মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতিতে অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা ইসলামিক ও আধুনিক বাস্তবমুখী শিক্ষাদানের ব্যবস্থা।
★ বিষয় ভিত্তিক যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা বিজ্ঞান ও কম্পিউটারসহ আধুনিক পদ্ধতিতে বাস্তবমুখী পাঠদান।
★ সেমিষ্টার ভিত্তিক পাঠদানের ব্যবস্থা।
★ সৃজনশীল পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা।
★ বার্ষিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বিশেষ পুরুষ্কার প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহীত করা হয়।
★ খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুর মানসিক মননে সহায়তা প্রদান করা।
★ এছাড়াও আমাদের রয়েছে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে আবাসিক থাকার সু-ব্যবস্থা।
★ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুযোগ সুবিধা।
★ মেধাবী ও প্রকৃত এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রী থাকা-খাওয়া ও পড়া-লেখার সু-ব্যবস্থা।
★শুক্রবার ব্যতীত সকাল ৯ টা হতে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত প্রতিদিন বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে যোগাযোগ করা যাবে।
★২০২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যাদি।
ভর্তি আবেদন ফরম-এ আবেদনকারীর জন্ম সনদের ফটোকপি, পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে।
যোগাযোগঃ
(ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ) - ০১৬৭৫৬৮৭৯০১
অফিস - ০২-৪৯৩৫৭০৩৭
আজই যোগাযোগ করুন এবং আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে ভর্তি নিশ্চিত করুন।
09/07/2020
★★মুমিন কখনো আশাহত বা হতাশ হয় না★★
"অধ্যক্ষ হাফেজ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম"
আলহামদুলিল্লাহ! আসসালাতু ওয়াসসালামু আ'লা রাসুলিল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!) জীবনের নানা বাঁকে মুমিনের জীবনে হতাশ হবার মতো পরিবেশ পরিস্থিতি প্রতি পদে পদেই আসতে পারে। দুঃখ-কষ্ট জীবনেরই অংশ। এসব এলেই হতাশ হয়ে পড়া কোনো মুমিনের লক্ষ্যণ নয়। এগুলো দেখা দিলে কি করতে হবে তা-ও মহান রাব্বে কারিম বলে দিয়েছেন। পবিত্র মহাগ্রন্থ আল কুরআনে বলা হয়েছে, মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে আমাকে ডাকতে শুরু করে। এরপর আমি যখন তাকে আমার পক্ষ থেকে নেয়ামত দান করি, তখন সে বলে- এটাতো আমি পূর্বের জানা মতেই প্রাপ্ত হয়েছি। অথচ এটা এক পরীক্ষা, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বুঝেনা। ( সূরা আল- যুমার, আয়াত- ৪৯)
অন্যত্র মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এরশাদ করেছেনঃ- তারা আল্লাহ তায়ালার কাছে তাওবা করে না কেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে না কেন? আল্লাহ পাক যে ক্ষমাশীল অতীব দয়ালু। (সূরা মায়েদা, আয়াত-৭৪)
আর যখন মানুষ কষ্টের সম্মুখীন হয়, শুয়ে বসে, দাঁড়িয়ে আমাকে ডাকতে থাকে। তারপর আমি যখন তা থেকে মুক্ত করে দেই, সে কষ্ট যখন চলে যায় তখন মনে হয় কখনো কোনো কষ্টেরই সম্মুখীন হয়ে যেন আমাকে ডাকেইনি। এমনিভাবে মনঃপুত হয়েছে নির্ভয় লোকদের যা তারা করেছে। (সূরা ইউনুস, আয়াত : ১২)।
হে প্রিয় মাহবুব! আপনি বলুন, আল্লাহ তায়ালা ছাড়া যাদের তোমরা উপাস্য মনে করো, তাদেরকে আহবান করো। অথচ ওরা তো তোমাদের দুঃখ-কষ্ট দূর করার ক্ষমতা রাখেনা এবং তা পরিবর্তনও করতে পারে না। (সূরা বণী ইসরাঈল, আয়াত : ৫৬)।
আর আমার বান্দারা যখন আপনার কাছে আমার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে- বস্তুত আমি রয়েছি সন্নিকটে। যারা প্রার্থনা করে, তাদের প্রার্থনা কবুল করে নেই, যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে। কাজেই আমার বিধান মান্য করা এবং আমার প্রতি নিঃসংশয়ে বিশ্বাস করা তাদের একান্ত কর্তব্য। যাতে করে তারা সৎপথে আসতে পারে। (সূরা বাকারাহ, আয়াত : ১৮৬)
প্রিয় মাহবুব! আপনি বলে দিনঃ মহান আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে তা থেকে মুক্তি দেন এসব দুঃখ-বিপদাপদ থেকে। তথাপি তোমরা শিরক বা অংশীবাদ স্থাপন করো। (সূরা আল-আনয়াম, আয়াত :৬৪)। এবং স্মরণ করুন হযরত আইয়ুব নবীর (আঃ) কথা, যখন তিনি তাঁর পালনকর্তাকে আহবান করে বলেছিলেনঃ আমি দুঃখ-কষ্টে পতিত হয়েছি এবং আপনি দয়াবানদের চাইতেও সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াবান। (সূরা আম্বিয়া, আয়াত:৮৩)।
হে ঈমানদারগন! ধৈর্য্য ধারণ কর এবং মোকাবিলায় দৃঢ়তা অবলম্বন করো। আর মহান আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা তোমাদের উদ্দেশ্য লাভে সমর্থ হতে পার। (সূরা আল ইমরান, আয়াত :২০০)।
রাতের পর যেমন দিন, ঠিক তেমনি দুঃখের পর আছে সুখ। কবির এই কথাটি আসলেই সত্যি, মেঘ দেখে তুই করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য্য হাসে। কাজেই কোনো দুঃখে মুষড়ে পড়া মুমিন মুসলমানের জন্যে একেবারেই বেমানান।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। (সূরা আল ইনশিরাহ, আয়াত :৬)। মানুষ যতবড় পাপীই হোক,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লাকে বিনীতভাবে ডাকলে তিনি তার ডাকে সাড়া দেন। আপনি যতবড় পাপীই হোন, বরং যত দুঃখ-কষ্টের মধ্যে থাকুন না কেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে স্মরণ করুন। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন : তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।(সূরা আল মুমিন, আয়াত :৬০)
আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি মুমিনের বিশ্বাস থাকে অটল-অবিচল, আর শীশা ঢালা প্রাচীরের মতো। দুনিয়ার কোনো দুঃখ-যন্ত্রণা এ বিশ্বাসে চির ধরাতে পারে না। আর যারা অবিশ্বাসী তারা সত্যিই হতভাগা। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন, এবং যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব। (সূরা ত্বােহা, আয়াত :১২৪)। যে সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং সে ঈমানদার, পুরুষ হোক কিংবা নারী আমি তাকে পবিত্র জীবন দান করব এবং বিনিময়ে তাদেরকে তাদের উত্তম কাজের কারণে প্রাপ্য পুরস্কার প্রদান করবো, যা তারা করত। (সূরা আন- নাহল, আয়াত :৯৭)
যারা প্রকৃত অর্থে মুমিন, তারা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এবং প্রত্যেকটি দিক ও বিভাগে কেবলমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ওপরই ভরসা করবে। আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট। যে আল্লাহ তায়ালার উপর বিশ্বাস রাখে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই তার জন্যে যথেষ্ট। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেন, এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দিবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্য তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ তায়ালা সবকিছুর জন্য একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন। (সূরা আত তালাক্ব, আয়াত :৩)।
পরিশেষে বলতে চাই আসুন! মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিননের বিধান ও তাঁর প্রিয় নবী হযরত রাসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তরিকা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করি। এই পৃথিবীর বর্তমান পরিস্থিতি এবং মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্যে হতাশ না হয়ে খালেস তাওবা করে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার দরবারে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ক্ষমা প্রার্থনা করি। হে আরশের মালিক! রাব্বে কারিম, আমাদের উপর রহম করো। এই বালা-মুসিবত থেকে মেহেরবানী করে আপনার প্রিয় মাহবুব! আমাদের প্রাণের আ'ক্বা- মওলা নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উসিলায় ক্ষমা করুন। আমিন।।
28/05/2020
পৃথিবীর সব থেকে হৃদয়বিদারক দৃশ্য মনে হয় এটি..!
করোনায় মারা যাওয়া পিতার লাশের পাশে একমাত্র হাফেজ সন্তান। পাড়া প্রতিবেশি কিংবা আত্মীয়স্বজন কেউ আসেনি।
কুরআনের হাফেজ সন্তান, পিতার লাশের দাফন ও কাফনের কাজ একাই সম্পন্ন করলেন।
করোনায় দেখিয়ে দিলো কেউ কার নয়। পিতার জিন্দেগী ধন্য অন্তত একটা ছেলে আলেম রেখে যেতে পেড়েছে।
ছবিটি নয়া দিল্লি ভারত এর.
©রয়টার্স।
হে্ আল্লাহ্ আপনি আমাদের সকলকে এই মহামারির করোনা ভাইরাসের মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করুন। #আমিন
🌷তাই আসুন ছেলেমেয়েদের দ্বীনি শিক্ষা দিয়ে আলেম ওলামা বানাই.....💕🌷
এত পি.এইচ.ডি ডিগ্রী দিয়ে কি হবে যে পিতামাতার জানাযা দাফন কাফন করতে পারে না??!!