29/12/2022
Campus Social Development Center
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Campus Social Development Center, Educational Research Center, 33 Topkhana Road, Meherba Plaza, 12 Floor, Dhaka.
Campus Social Development Centre (CSDC), in short ‘Campus’, is a non-government, non-political & non-profit organization committed to achieve a knowledge-based, just, culturally developed and economically self-reliant society in Bangladesh.
29/12/2022
27/12/2022
ছাত্রাবস্থায় অর্থ উপার্জন এবং দক্ষতা-স্মার্টনেস-লিডারশিপ বৃদ্ধিতে
বাৎসরিক ক্যাম্পেইনে নিমন্ত্রণ
ক্যাম্পাস’র শিক্ষানবিশ কর্মসূচির আওতায় সমাজ-সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাৎসরিক ফিল্ড ক্যাম্পেইন শিঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে। ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারীদের বেনিফিট, সুযোগ-সুবিধা ও করণীয় সম্পর্কে একটি আকর্ষণীয় ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর শুক্রবার, সকাল ৯-৩০ মিনিটে ক্যাম্পাস’র নিজস্ব অডিটোরিয়ামে। দিনব্যাপী এ ওয়ার্কশপে থাকবে পূর্বাহ্নে টি-ব্রেক, মধ্যাহ্নে লাঞ্চ, অপরাহ্নে সান্ধ্যকালীন নাস্তা।
উক্ত ওয়াকর্শপে আপনি সাদরে নিমন্ত্রিত। তাছাড়া আপনার সার্কেলের কোনো ছাত্র-যুবক বা তরুণ-তরুণী যদি এ ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণে আগ্রহী হন, তাহলে তাকে অত্র ইমেইল রেফার করতে কিংবা ৩০ ডিসেম্বরের ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।
এ ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ছাত্র-জীবনেই বহু বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে। যেমনÑ অফিস-আদালত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ; স্মার্টনেস, শেয়ারিং-কেয়ারিং এন্ড এডজাস্টমেন্ট ক্যাপাসিটি; দলভিত্তিক কার্যক্রম; অফিস-আচরণ; শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বগুণ; নিয়মানুবর্তিতা ও ন্যায়নিষ্ঠা; আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা; কথায় ও কাজে দ্রুততা; সম্পাদিত কাজের রিপোর্টিং ও মূল্যায়ন ইত্যাদি।
এরূপ শিক্ষা-প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান-অভিজ্ঞতা লাভের পাশাপাশি পকেটমানি হিসেবে দৈনিক ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থ উপার্জনের সুযোগ রয়েছে, যা অয়ার্কশপের দিন স্ববিস্তারিত জানা যাবে।
শুভ হোক সকল মঙ্গল প্রয়াস।
ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্র
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা
৩৩ তোপখানা রোড, মেহেরবা প্লাজা (১৩ তলা), ঢাকা।
ফোনঃ ০২-৪১০৫২৩১০, ৪১০৫২৬১১, ৪১০৫২৬১২
সেলঃ ০১৭২৫৫৯৯৯৮২
e-mail: [email protected]
[email protected]
08/11/2022
রাজা অষ্টম এডওয়ার্ডের প্রেম উপাখ্যান
টাওয়ার ব্রিজের প্রান্তেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রাজা-রানীদের পরিত্যক্ত বাড়ি (রাজা অষ্টম এডওয়ার্ডেরও বাড়ি), যা এখন মিউজিয়াম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ মিউজিয়ামেই রয়েছে জগদ্বিখ্যাত ও বহুল আলোচিত সেই কোহিনূর হীরা, যা এক সময়ে ছিল ভারতের গৌরবদীপ্ত সম্পদ; ব্রিটিশরা তা এখন ভারতীয়সহ বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে প্রতি দর্শনে জনপ্রতি ১২ পাউন্ড করে আয় করছে। ১৯৯৯ সালে এ মিউজিয়াম পরিদর্শনকালীন আমাকেও ১২ পাউন্ড গুনতে হয়েছে; অবশ্য শিশু বা ছাত্র হলে লাগত ১০ পাউন্ড।
সাধারণ রমনী মিসেস ওয়ালিস সিম্পসন এর প্রেমে আসক্ত হয়ে, অন্যকথায় প্রণয়-কারাগারে বন্দি হয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের তৎকালীন অধিপতি রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্ষমতার সিংহাসন ত্যাগ করেন। এ বাড়িতে অবস্থানকালীনই ওয়ালিস সিম্পসনের প্রণয়াসক্ত হয়ে ১৯৩৬ সালে ব্রিটিশ সিংহাসন ত্যাগ করেন রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড। ১৯২৮ সালে রাজার সাথে পরিচয় ঘটে এ রমনীর। তৎকালীন চার্চ অব ইংল্যান্ড এর নিয়মানুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদের পর পুনর্বিবাহ অনুমোদিত ছিল না। আর ওয়ালিস সিম্পসন সে সময় কেবল ব্যবসায়ী আর্নেস্ট সিম্পসনের পত্নীই ছিলেন না, ইতিপূর্বে তার প্রথম স্বামী পাইলট আর্ল উইনফিল্ড স্পেনসার-এর নিকট থেকে তালাকপ্রাপ্তাও ছিলেন। কাজেই দ্বিতীয় স্বামী সিম্পসনের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পরও চার্চ অব ইংল্যান্ড -এর সুপ্রীম গভর্নর হিসেবে রাজা অষ্টম এডওয়ার্ডের পক্ষে তাকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে আইনী জটিলতা ছিল। তাই রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড রাজ সিংহাসনের চেয়েও প্রবল প্রেমে বিভোর হয়ে ১৯৩৬ সালের ১০ ডিসেম্বর সিংহাসন ত্যাগ করেন। পরদিন জাতির উদ্দেশে দেয়া তাঁর কৈফিয়ৎ বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন, I have found it impossible to carry the heavy burden of responsibility and to discharge my duties as king as I would wish to do without the help & support of the woman I love.
এ বাস্তব প্রেমের উপাখ্যান পরবর্তীতে বহুল আলোচিত হয়েছে বিশ্বময়, স্থান পেয়েছে ইতিহাসে। লাইলী-মজনু ও শিঁরী-ফরহাদের প্রেম-উপাখ্যানের ন্যায় এটিও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় প্রোজ্জ্বল-প্রেম হিসেবে স্বীকৃত।
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভবনঃ বেআইনী দখলকৃত ভবনে আইন প্রণয়ন
লন্ডন ব্রিজ পার হয়ে গেলাম ওয়েস্ট মিনিস্টার এলাকায়। সেখানে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভবনসহ ইতিহাসখ্যাত অনেক কিছু রয়েছে। আইন প্রণয়নে বিশ্বের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। বিশ্বের সর্বাধিক জনগণ যে সকল আইন দ্বারা শাসিত হয়েছে এবং হচ্ছে, সেসব আইন প্রণীত হয়েছে এ ভবনেই। এমনকি বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত বহু আইনই এ ভবনের প্রণীত আইন অথবা তাদের আইনের সূত্রে প্রণীত আইন। যেমন আমাদের দেশের অপরাধ ও আইন-শৃঙ্খলার বহু বিবর্তন ঘটা সত্ত্বেও ব্রিটিশ প্রবর্তিত ১৮৬১ সালের আইন দ্বারা এখনও ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ পরিচালিত হচ্ছে। মজার ব্যাপার হলো, বিশ্বের সর্বাধিক আইন প্রণয়নকারী এ ভবনের মালিকানার নেপথ্যে রয়েছে বে-আইনী হস্তক্ষেপ।
কথিত আছে যে, সেন্ট জেমস নামক স্কটল্যান্ডের এক ধনাঢ্য ব্যক্তি নিজ ব্যবহারের জন্য লন্ডনে এ ভবন নির্মাণ করেন এবং এর উদ্বোধনের জন্য ইংল্যান্ডের তৎকালীন রাজাকে আমন্ত্র¿ণ জানান। উদ্বোধন করতে এসে ভবনের নির্মাণশৈলী ও অপরূপ সৌন্দর্য অবলোকনে বিমুগ্ধ ও প্রলুব্ধ হয়ে রাজা তখন এ ভবন নিজ দখলে নিয়ে নেন। এরপর রয়্যাল প্যালেস বা রাজার অফিস ও বাসভবন হিসেবে বহুদিন এটি ব্যবহৃত হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে ষোড়শ শতাব্দিতে ব্রিটিশ আইন প্রণয়নকার্যে এ ভবনের ব্যবহার শুরু হয় এবং কয়েকবার আগুনে পুড়ে ও যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৮৩৪ সালে ভবনটি সর্বশেষ পুড়ে যাওয়ার পর থেকে ৩০ বছরব্যাপী পুনঃনির্মাণ শেষে ১৮৭০ সাল থেকে বর্তমানরূপে অর্থাৎ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হিসেবে এ ভবন ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
পার্লামেন্ট ভবনের সম্মুখে রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্ব-যুদ্ধকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল -এর স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য, যে ভাস্কর্য দেখে আমি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাবলাম- কি প্রতাপশালী ছিলেন এই চার্চিল। আজ তাঁর ভাস্কর্যের কপাল ও চোখ কাকের বর্জ্যে আবৃত। সময়ের ও কালের নিকট সকল প্রভাব প্রতিপত্তি বা পরাক্রমই তুচ্ছ ও গৌণ। চার্চিলের এ ভাস্কর্যের পেছনে বসে মিজানের কেনা আইসক্রিম ও পপকর্ন খাচ্ছিলাম। আমাদের সম্মুখে থাকা ওয়েস্ট মিনিস্টার ক্যাথেড্রেল (সুবিশাল চার্চ) দেখিয়ে মিজান বলল- এটি ব্রিটেনের নামকরা চার্চ, যেখানে বহুল আলোচিত লেডি ডায়নার শেষকৃত্য (Funeral) সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমান রানীর মৃত্যুর পর তার শেষকৃত্যও এখানে হবার কথা।
বাকিংহাম প্যালেস হয়ে অক্সফোর্ড স্ট্রীট
পার্লামেন্ট এলাকা বা ওয়েস্ট মিনিস্টার এরিয়া থেকে আমরা রওয়ানা দিলাম বাকিংহাম প্যালেস -এর দিকে। পথে পড়ল কমনওয়েলথ হেড অফিস। এ অফিস কর্তৃক কমনওয়েলথ স্কলার হিসেবে আমার স্ত্রীকে নিমন্ত্রিত একটি অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ১৯৯৯ সালে এ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ আমার হয়েছিল। এ ভবনের সম্মুখে রয়েছে লর্ড ক্লাইভ -এর ভাস্কর্য, যার নাম আমাদের সবার পরিচিত। ভারত উপমহাদেশে তার ঐতিহাসিক কার্যক্রম ও ভূমিকা আমাদের বহুল পঠিত, আলোচিত ও আন্দোলিত। লর্ড ক্লাইভ ছিলেন বেনিয়া ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মিলিটারি কর্মকর্তা, যার হাতে পলাশীর প্রান্তরে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার অধিপতি নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার নির্মম পতন ঘটে, সূচনা ঘটে ব্রিটিশ শাসনের। পলাশীর যুদ্ধ নিয়মতান্ত্রিক যুদ্ধ ছিল না, বরং প্রহসন ও ষড়যন্ত্রের সে যুদ্ধে লর্ড ক্লাইভ বিজয়ী হন।
ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধিভুক্ত দেশসমূহের যোগাযোগ বা সংযোগ রক্ষাকারী সংস্থা হচ্ছে ‘কমনওয়েলথ’। সে সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের সম্মুখে অবস্থিত লর্ড ক্লাইভের উক্ত ভাস্কর্যের গায়ে খোদাই করে লেখা রয়েছে, Our Great Hero. ষড়যন্ত্র করে এবং পেছন থেকে ছুরি মেরে অথবা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে যুগে যুগে এরূপ বহুজনই ‘গ্রেট হিরো’ হয়েছিলেন বটে।
লর্ড ক্লাইভকে চোখে দেখিনি। তাই তার ভাস্কর্য দেখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম, তার তলোয়ারের মরিচা ও মাথার টাকে পাখির বর্জ্য দেখে ভাবলাম, ভারত উপ-মহাদেশের এক সময়ের ভয়ঙ্কর-বীর ও বেনিয়া শাসকের মূর্তি আজ কাক-পক্ষীর বর্জ্যে আবৃত।
কমনওয়েলথ হেড অফিস পেরিয়ে সেন্ট জেমস পার্কের ভেতর দিয়ে লেকের কোল ঘেঁষে পদব্রজে বাকিংহাম প্যালেস তথা রানীর বাড়ির অভিমুখে যখন যাচ্ছিলাম, তখন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে অনতিদূরে গেল মিজান। এর মধ্যে লেকের পাড়ে বিশ্রামরত কিছু হাঁস আমাকে দেখে হঠাৎ পানিতে লাফিয়ে পড়ল। এগুলো রানীর হাঁস। অর্থাৎ এ লেকে যত হাঁস আছে সব হাঁসের মালিক ইংল্যান্ডের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। রানীর হাঁসের সাথে কোনো অপরাধ হলো কিনা, তা ভেবে খানিকক্ষণ নিজের অপরাধ খোঁজার চেষ্টা করতে করতেই মিজান এসে পড়ল। পার্কের ফুটপাথ দিয়ে যেতে যেতে বাকিংহাম প্যালেসে তথা রানীর বাড়ির রাস্তায় উঠছিলাম, এমন সময় বিপরীত দিক থেকে আসা সাদা বর্ণের ৭/৮ জনের একদল যুবক আমাদের কাছে এসে আমাকে উদ্দেশ্য করে কী যেন বলল। সবটুকু বুঝতে পারিনি। এতটুকু আমি শুনতে পেয়েছি, Nice tie. বাকিটুকু মিজান আমাকে বুঝিয়ে বলল- আপনার এ টাইটা খুব সুন্দর, সবসময় এটি পরার জন্য বলেছে। আমার টাই তাদেরকে উচ্ছ্বসিত করেছে জেনে ভালো লাগল। কালো চেহারার বাঙালি ভবঘুরে ছেলের রুচি হয়ত তাদের মনঃপুত হয়েছে। তাদের কমেন্ট শুনে ভাবলাম- বাঙালি তরুণদের রাস্তায় কমেন্ট-প্রীতি ব্রিটিশদের উত্তরসূরী হিসেবে প্রাপ্য কিনা, কে জানে। বাঙালি স্যুট-টাই পরা শিখেছে কিন্তু ব্রিটিশদের কাছ থেকেই। বাঙালিরা এখন যত্র-তত্র যত বেশি টাই পরে, ব্রিটিশরা কিন্তু ফরমাল প্লেস ও অফিস-আদালত ছাড়া তত বেশি স্যুট-টাই এখন আর পরে না।
বাকিংহাম প্যালেস -এর সম্মুখ দিক ও হাইড পার্ক আমার পূর্ব পরিচিত। তাই সেখানে বেশিক্ষণ অপেক্ষা না করে চলে গেলাম ট্রাফলগার স্কয়ার-এর দিকে, যেখানে নিউ ইয়ার সেলিব্রেশন বা অনুরূপ উন্মুক্ত উৎসব আয়োজন হয়ে থাকে। তারপর গেলাম পিকাডেলী সাকার্স, যে এলাকা Amusement area বলে সমধিক পরিচিত। এরপর গেলাম অক্সফোর্ড স্ট্রীট, যা অভিজাত বিপণী এলাকা বিশেষত পর্যটকদের শপিং এরিয়া হিসেবে খ্যাত। সেখানে বিশ্বের নামিদামি কোম্পানির ডিসপ্লে ও বিক্রয়কেন্দ্র অবস্থিত। অক্সফোর্ড স্ট্রীট ঘুরতে ঘুরতে মিজান আমাকে নিয়ে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এসব দোকান এত বড় যে, বিশাল ভবনের ৩/৪টি ফ্লোর জুড়ে পণ্যের রকম ও বিভাগ অনুযায়ী সুবিশাল পসরা সাজানো থাকে। দোকানে প্রবেশকালীন সাইনবোর্ড লক্ষ্য করার সুযোগ পাইনি। তবে দোকানের ভেতর জিনিসের গায়ে Marks & Spensor লেখা দেখে দোকানের নাম বুঝলাম। এটি বিশ্বের অভিজাত ও নামি চেইন-শপ। Marks & Spensor -এর কোনো কাপড় বা পণ্য মানে অবশ্যই টেকসই, উত্তম মেটারিয়ালে তৈরি, নির্ভরশীল এবং সঙ্গত কারণেই অধিক দামি জিনিস। ১৯৯৯ সালে আমার লন্ডন সফরকালীন ড. কামাল মার্কস এন্ড স্পেনসার -এর একটি ব্লেজার গিফট করেন। আমি প্রথমত সেটি নিতে চাইনি এই যুক্তিতে যে- আমাদের দেশে যে মূল্যে একটি সম্পূর্ণ স্যুট তৈরি করানো যায়, তার দ্বিগুণ দামে কেন একটি ব্লেজার নিতে যাব। কিন্তু কামাল আমাকে বুঝিয়ে বললেন, Marks & Spensor -এর পোশাক এবং বাংলাদেশের পোশাকে আকাশ-পাতাল তফাত। এদের পোশাক আরামদায়ক, টেকসই ও পাকা রংয়ের। কামালের দেয়া সে ব্লেজার ৪/৫ বছর ব্যবহারের পর যাকে দিয়েছি তিনি গত ৩/৪ বছর থেকে তা নিয়মিত পরছেন বলে জানিয়েছেন।
মিজান অক্সফোর্ড স্ট্রীটের মার্কস এন্ড স্পেনসারের তৃতীয় তলায় স্যুট এন্ড ব্লেজার বিভাগে আমাকে নিয়ে বলে, এখান থেকে একটি স্যুট বা ব্লেজার চয়েস করুন। তার এ অনুরোধে এবার আমি অনেকটা রাগান্বিত হয়ে দ্রুত ঐ দোকান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হই। মিজানের কাছ থেকে এ পর্বে আমার বেরিয়ে আসার সক্ষমতার পর সারাদিনের ক্লান্তি ও অবসন্নতা চেপে বসে। অবশেষে সন্ধ্যালগ্নে সেদিনের জন্য ঘরে ফেরা।
ঘরে ফেরার সময় দেখলাম- মাটির নিচের ১ম, ২য়, ৩য় এমনকি ৪র্থ স্তরে অর্থাৎ ১২০ ফুট নিচের সুড়ঙ্গ পথেও ট্রেন-টিউব চলে। মাটির নিচে কত জংশন, কত বাত্তি, কত রঙ ও জাতের মানুষ, কত রকমারি ব্যবসা-বাণিজ্য; সে সময়ে ভাবলাম- সেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও শোষণের কথা। ইংরেজ রাজনীতিকরা বিশ্বময় শোষণ করে সে অর্থ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে সাজিয়েছে নিজ দেশ তথা তিলোত্তমা বিলেত। অথচ এ বাস্তব অভিজ্ঞতার শত বছর পরেও আমাদের দেশের রাজনীতিক ও বিত্তবানরা নিজ দেশের অর্থ রাখেন সুইস ব্যাংকে, বাড়ি ও সম্পদ কেনেন ভিনদেশে। সোনার দেশের সোনা দিয়ে তারা অন্য দেশকে অলংকৃত করে কলংকৃত করছেন বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতিকে।
07/07/2022
মানুষ গড়ার কারিগর থেকে দেশ ও জাতির নীতিনির্ধারণী নেতৃত্বের ভূমিকায় যশস্বী পরিকল্পনাবিদ, অনন্য প্রতিভাদীপ্ত বর্ণিল গুণাবলীর কর্মযোগী।
এমন একজন ব্যক্তিত্ব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ডায়নামিক প্রতিমন্ত্রী
ড. শামসুল আলম এর উপর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার আজকে এই আমাদের সংখ্যা।
বিস্তারিত পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করে-
http://campus.org.bd/online/full.php?Flipbook_ID=429
07/07/2022
বাঙালির অহংকার পদ্মা সেতু
বিশ্বের অহংকার শেখ হাসিনা
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার পদ্মা সেতু প্রাক-উদ্বোধন সংখ্যা
বিস্তারিত পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করে-
http://campus.org.bd/online/full.php?Flipbook_ID=431
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
33 Topkhana Road, Meherba Plaza, 12 Floor
Dhaka
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 17:00 |
| Tuesday | 10:00 - 17:00 |
| Wednesday | 10:00 - 17:00 |
| Thursday | 10:00 - 17:00 |
| Saturday | 10:00 - 17:00 |
| Sunday | 10:00 - 17:00 |