চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আলোচনা সভা।
#ন্যালনাল প্রেসক্লাব, ঢাকা।
General People of Bangladesh
The Disastrous Incident of Rana Plaza at Savar. We are shamed & consoling with great regards for the
31/08/2023
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আম প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী জনাব খন্দকার ইন্তেখাব আলম রুবেল সম্পর্কে আসুন জেনে নেওয়া যাকঃ
৫১/নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে "আম" প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী
যুগ্ম মহাসচিব
ন্যাশনাল পিপাস পার্টি (এনপিপি)
খন্দকার ইন্তেখাব আলম (রুবেল) এর সাথে আসুন পরিচিত হই:-
ভূমিকাঃ
আত্রাই রানীনগরের সুধী ও বয়জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অনুরোধে পেশাগত জীবন অতিবাহিত করে জনপ্রতিনিধি হিসাবে জন সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রস্তাবে তিনি রাজি হয়েছেন।
তিনি ১৯৭৩ সালে নওগাঁ জেলাধীন রানীনগর উপজেলায় (রাণীনগর বাজার) এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দুই ভাই তিন বোনের মধ্যে চতুর্থ। খন্দকার ইন্তেখাব আলম (রুবেল) এক পুত্র সন্তানের জনক। পুত্র খন্দকার মোহাম্মদ সাদাত অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
তাঁর পিতা ডাঃ খন্দকার আব্দুল মালেক একজন হিতৈষী, চিকিৎসক ও সমাজসেবক হিসাবে সুপরিচিত ছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে রাণীনগর উপজেলার আতাইকুলা গ্রামের পালপাড়ায় পাক-বাহিনী ও রাজাকারের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৯ ঘণ্টা ব্যাপী নৃশংস হত্যাকাণ্ড, লুটপাট, ধর্ষণ ও নির্যাতনের স্বীকার; বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ ও শিশুদের চিকিৎসা সেবা দান করেন তিনি মৃত্যুর ঝুঁকির মুখে। নৈতিক দায়বদ্ধতা ও পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি রাজাকারের রোষানলে পড়েন ও নির্যাতিত হন। সে জন্য অত্র অঞ্চলের জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
মাতা আলহাজ্ব খন্দকার রাহেলা খাতুন। তিনি রাণীনগর উপজেলার, কাশিমপুর ইউনিয়নের মঙ্গলপাড়া গ্ৰামের ধর্নাঢ্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু ও দানশীলা।
শিক্ষা জীবনঃ
রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনি এসএসসি পাস করেন। ২০০৪ সালে তিনি মালয়েশিয়ার অলিম্পিয়া ইউনিভার্সিটি অব কুয়ালালামপুর থেকে হোটেল ম্যানেজমেন্টের উপর উচ্চতর শিক্ষালাভ করেন ও ২০০৮ সালে দেশে ফিরে আসেন।
কর্মজীবনঃ
তিনি ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। ১৯৯৩ সালে আন্তঃবাহিনী ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় সেরা ফায়ারার হিসাবে পুরষ্কার লাভ করেন ও পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৯৭ সালে আন্তঃবাহিনী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় যৌথভাবে রবীন্দ্র সংগীতে ১ম স্থান অধিকার করেন ও কবিতা আবৃত্তিতে ২য় স্থান অধিকার করেন। চাকরি জীবনে তিনি অধিকাংশ সময় শান্তি বাহিনী দমনে পার্বত্য খাগড়াছড়ির গুইমারা ও পার্বত্য রাঙামাটির কাপ্তাই কর্মরত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে ২০০০সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন।
২০০৮ সালে তিনি স্ব-পরিবারে ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের সাথে জড়িত হন। অদ্যাবধি তিনি এ ব্যবসায় জড়িত আছেন।
রাজনৈতিক জীবনঃ
তিনি ২০১২ সালে (নওগাঁ-৪) সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম কফিল উদ্দিন সোনারের হাত ধরে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সংস্পর্শে আসেন। পরবর্তীতে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অতি স্নেহের পাত্র হন। সাংগঠনিক কর্ম দক্ষতা বিবেচনা করে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তাকে ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ সভাপতি ঘোষণা করেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর তিনি স্ব-ইচ্ছায় জাতীয় পার্টির সকল পদ পদবী থেকে অব্যহতি গ্ৰহন করেন। পরবর্তীকালে তিনি জনতার দল নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশ ব্যপী কর্মযোগ্য পরিচালনা করেন। ২০২০ সালে ২৭ জুলাই নওগাঁ-৬ আত্রাই-রাণীনগরের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ ইসরাফিল আলম মৃত্যু বরণ করলে, উক্ত শুন্য আসন ৫১/নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হিসেবে, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি (এনপিপি)'তে যোগদান করেন ও আম প্রতীকে উপ নির্বাচনে অংশ গ্ৰহন করেন।
বিধায়, নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের জনগণ মনে করেন যে- সৎ, যোগ্য, কর্মনিষ্ঠ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী জনাব খন্দকার ইন্তেখাব আলম (রুবেল) কে ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি (এনপিপি) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মনোনয়ন দিলে আম প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত হবে বলে আমরা আশাবাদী, এবং জাতীয় নেতা মরহুম শেখ শওকত হোসেন নিলু'র উত্তরসূরী জননেতা আলহাজ্ব শেখ ছালাউদ্দিন ছালু'র আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার কাজ ত্বরান্বিত হবে এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে মানুষের কল্যাণের আদর্শ প্রতিষ্ঠা লাভ করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
নির্বাচনী অঙ্গীকারঃ
১/ বেকারমুক্ত আত্রাই-রাণীনগর।
২/ সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন।
৩/ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
৪/ মাদকমুক্ত আত্রাই-রাণীনগর।
৫/ খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিশু-কিশোর ও যুবসমাজের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অসামাজিতার শৃঙ্খল ভেঙে প্রগতিশীল জাতিতে রুপান্তরিত করা।
৬/ কৃষি খাতকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটানো।
৭/ দুঃস্থ অসহায় নারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে কর্মমুখী করে গড়ে তোলা।
৮/ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার হয়ে বিভিন্ন মামলায় আক্রান্ত অসহায় মানুষের মামলার গুরুত্ব বুঝে আলোচনার মাধ্যমে সেগুলোর নিষ্পত্তি করা ও ক্ষতিগ্ৰস্থদের পুনর্বাসন করা।
৯/ শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করা।
১০/ এলাকার মানুষের সাংবিধানিক অধিকার যেমন; খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা।
প্রচারেঃ
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সর্বস্তরের জনগণ।
03/06/2022
নওগাঁয় শিক্ষার্থীকে মূত্রপান করা স্কুলশিক্ষিকা বরখাস্ত
০৩.০৬.২০২২
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইউসুফ রেজা বলেন, ‘তদন্ত শেষে আমাকে প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। এতে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এরপর ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এখন তার নামে বিভাগীয় মামলা হবে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বরখাস্ত আদেশ বহাল থাকবে।’
নওগাঁর ধামইরহাটে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রকে মূত্রপান করানোর প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। প্রতিবেদন হাতে পেয়ে ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা শিক্ষা অফিস।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আজমল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘বুধ এবং বৃহস্পতিবার তদন্ত করেছি। দুপুরে জেলা শিক্ষা অফিসার স্যারকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এতে চকচান্দিরা সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শাহানা বেগমের বিরুদ্ধে এক ছাত্রকে তার প্রস্রাব খেতে বাধ্য করার প্রমাণ মিলেছে।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইউসুফ রেজা বলেন, ‘তদন্ত শেষে আমাকে প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। এতে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এরপর ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এখন তার নামে বিভাগীয় মামলা হবে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বরখাস্ত আদেশ বহাল থাকবে। এ সময়ে তিনি বেতন-ভাতা তুলতে পারবেন না।’
যা হয়েছিল
ধামইরহাট উপজেলার ইসুবপুর ইউনিয়নে অবস্থিত চকচান্দিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই স্কুলে শিক্ষিকা শাহানা বেগমের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বিকেলে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রকে প্রস্রাব খাওয়ানোর অভিযোগ ওঠে।
পরদিন বিষয়টি জানাজানি হলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। স্কুলে প্রায় ৩ ঘণ্টা শিক্ষিকা শাহানাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। ঘটনাস্থলে ছুটে যান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুল আলম লাকী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইসতিয়াক আহমেদ ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবু ইউসুফ বদিউজ্জামান।
সেদিন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই শিক্ষিকা মূত্রপান করানোর বিষয়টি স্বীকার করেন বলে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ইসতিয়াক আহমেদ জানান। পরে ঘটনা তদন্তে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়। কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।
ওই শিক্ষার্থীর ভাষ্য, ‘‘মঙ্গলবার দুপুরের দিকে প্রস্রাবখানায় লম্বা লাইন পড়ে। তখন সে স্কুলের ছাদে প্রস্রাব করে। এ কারণে ম্যাডাম আমাকে অনেক মারধর করেন। আমার হাতে একটা প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে ম্যাডাম বলেন, ‘এখানে প্রস্রাব কর।’ আমি ভয়ে প্রস্রাব করি। তারপর ম্যাডাম বলেন, ‘এখন তুই এই প্রস্রাব খা। না খেলে আরও মারব।’ আমি ভয়ে প্রস্রাব খেয়ে বাসায় গিয়ে বাবা-মাকে বলে দিই।”
এ বিষয়ে শিক্ষিকা শাহানা বেগম বলেন, ‘সাব্বির ছাদে প্রস্রাব করছিল। তখন জানতে পেরে তাকে একটু শাসন করেছি। আর বোতলে প্রস্রাব ভরিয়ে বলেছি, ছাদে কেন প্রস্রাব করলে। এখন তুমি নিজের প্রস্রাব নিজেই খাও। কথাগুলো একটু রাগ করে বলেছিলাম। তবে আমি নিজ হাতে তাকে প্রস্রাব খাওয়াইনি।
‘সে নিজেই ভয়ে একটু প্রস্রাব খেয়েছে। আর যাতে কখনো স্কুলের ছাদে প্রস্রাব না করে, সে জন্য একটু ভয় ও শাসন করার জন্যই এমনটা করেছিলাম। সাব্বির যে প্রস্রাব খেয়ে ফেলবে তা বুঝতে পারিনি। যখন বোতল থেকে প্রস্রাব খাচ্ছিল তখন আমি বলেছি যাও আর প্রস্রাব খেতে হবে না, ক্লাসে যাও।’
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটেছে। এমনটা করা আমার উচিত হয়নি। আমি খুবই দুঃখিত।’
স্কুলের প্রধান শিক্ষক এরশাদ আলী বলেন, ‘যখন ঘটনাটি ঘটে তখন আমি অফিস কক্ষে দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলাম। পরে ঘটনাটি জানতে পারি। বুধ এবং বৃহস্পতিবার উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় তদন্ত করেছেন। ঘটনার সত্যতাও পেয়েছে। এমন ঘটনা কখনো আশা করা যায় না। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। যেহেতু তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে, এখন জেলা শিক্ষা বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
06/10/2021
"মনোনয়ন ফরম বেচা-কেনা"
--------------------------------------
ডেস্কঃ দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০২১ এর নওগাঁ জেলার ২০টি ইউনিয়নে আগামী ১১ নভেম্বর নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সেই লক্ষ্যে আজ রানীনগর সার্ভার অফিস (নির্বাচন কমিশন) মনোনয়ন ফরম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে কেনা বেচা শুরু করেন।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার ও মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীগন স্বতঃস্ফূর্তভাবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত এই কার্যক্রম চালু থাকবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
House# 76, Road# 12, Sector# 10, Uttara
Dhaka
1230