কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে
স্মরণে ও শ্রদ্ধায় আবৃত্তি নিবেদন ।
‘‘উচ্চ কণ্ঠে উচ্চার আজ - মানুষ মহীয়ান“
শব্দকল্পদ্রুম শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা।
অংশগ্রহনে: পিদিম, কাব্য, আফিয়া, আবুবকর, উর্বী, নওমী, মানহা, ঐন্দ্রিলা, শুভশ্রী।
পরিচালনায়: নাজমুল আহসান। ২২ই মে, শুক্রবার, ২০২৬, রাত ১০টা।
শব্দকল্পদ্রুম অনলাইন লাইভ পর্ব-৩০১।
Shobdokolpodrum
শুদ্ধ উচ্চারণ, আবৃত্তি এবং উপস্থাপনা প্রশিক্ষণ।
কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে
স্মরণে ও শ্রদ্ধায় আবৃত্তি নিবেদন ।
‘‘উচ্চ কণ্ঠে উচ্চার আজ - মানুষ মহীয়ান“
শব্দকল্পদ্রুম শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা।
২২ মে শুক্রবার ২০২৬। রাত ১০টা ।
শব্দকল্পদ্রুম অনলাইন লাইভ পর্ব-৩০১।
21/05/2026
কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে
স্মরণে ও শ্রদ্ধায় আবৃত্তি নিবেদন ।
‘‘উচ্চ কণ্ঠে উচ্চার আজ - মানুষ মহীয়ান“
শব্দকল্পদ্রুম শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা।
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬। সময় : রাত ১০টা ।
শব্দকল্পদ্রুম অনলাইন লাইভ পর্ব-৩০১।
সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ জানাই। See less
যে কারণে সন্তানদের 'আবৃত্তি' শেখাবেন
শুদ্ধ উচ্চারণ, সুন্দর বাচনভঙ্গি এবং সাবলীল যোগাযোগের দক্ষতা অর্জনের জন্য আবৃত্তি শেখা প্রয়োজন। আবৃত্তি মনের আবেগ প্রকাশ করতে সাহায্য করে এবং ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
আবৃত্তি কেবল একটি শিল্পমাধ্যম নয়; এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ ও চারিত্রিক গঠনের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে, যেখানে শিশুরা পাঠ্যবইয়ের গণ্ডির বাইরে নিজেদের সৃজনশীলতা ও অন্তর্নিহিত প্রতিভা বিকাশের পর্যাপ্ত সুযোগ পাচ্ছে না, সেখানে আবৃত্তিচর্চা তাদের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। শুদ্ধ উচ্চারণের অনুশীলন, আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা এবং ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ সৃষ্টির মাধ্যমে আবৃত্তি শিশুদের সার্বিক ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আবৃত্তির মূল ভিত্তি হলো শুদ্ধ ও প্রমিত উচ্চারণ। একটি কবিতার সঠিক ভাব ও ছন্দ বজায় রেখে পাঠ করতে হলে স্বর, বর্ণ ও শব্দের যথাযথ উচ্চারণ অপরিহার্য। ছোটবেলা থেকে আবৃত্তিচর্চা করলে শিশুরা ধীরে ধীরে আঞ্চলিকতার প্রভাব কাটিয়ে প্রমিত বাচনভঙ্গির অধিকারী হয়। এটি কেবল বাংলা ভাষার ক্ষেত্রেই নয়, অন্যান্য ভাষা শেখার ক্ষেত্রেও সহায়ক এবং শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবনে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে।
আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও জড়তা দূরীকরণ
জনসমক্ষে নির্ভয়ে ও সুন্দরভাবে কথা বলার সক্ষমতা একজন সফল মানুষের অন্যতম প্রধান গুণ। আবৃত্তি শিশুদের মনের ভেতরের ভয় ও জড়তা কাটাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। মঞ্চে বা সবার সামনে আবৃত্তি পরিবেশন করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। নিজেদের ভাব প্রকাশের এই চর্চা লাজুকতা দূর করে এবং ব্যক্তিত্বকে করে তোলে আরও দৃঢ় ও সাবলীল।
শব্দভান্ডার সমৃদ্ধি
কবিতা বা ছড়া আবৃত্তির মাধ্যমে শিশুরা নতুন নতুন শব্দ, বাক্যগঠন ও সাহিত্যের বৈচিত্র্যময় দিক সম্পর্কে জানতে পারে। এর ফলে তাদের শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হয় এবং ভাষার প্রতি জন্ম নেয় গভীর অনুরাগ। কবিতার ভাব, ছন্দ ও অলংকার অনুধাবনের মধ্য দিয়ে তাদের সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের বিকাশ
একটি কবিতা মুখস্থ করে তা যথাযথ আবেগ ও ভাবসহ উপস্থাপন করা স্মৃতিশক্তির জন্য একটি কার্যকর অনুশীলন। আবৃত্তিচর্চার জন্য কবিতার বিষয়বস্তু মনোযোগ দিয়ে বুঝতে হয়, যা শিশুদের একাগ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই অনুশীলন মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং শেখার ক্ষমতা জোরদার করে।
মানবিক মূল্যবোধের চর্চা
সাহিত্য; বিশেষ করে কবিতা—মানবজীবন, দেশপ্রেম, মানবতা ও প্রকৃতিপ্রেমের গভীর বার্তা বহন করে। আবৃত্তির মাধ্যমে শিশুরা এসব মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচিত হয় এবং সেগুলোর প্রতি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। ভালো কবিতার ভাবধারা শিশুদের কোমল মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং নৈতিক বিকাশে সহায়তা করে।
আবৃত্তি ও মেডিকেল সায়েন্স
স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীরা আবৃত্তিকে একধরনের থেরাপি হিসেবেও উল্লেখ করেন। তাঁদের মতে, আবৃত্তি কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ বৃদ্ধি
আবৃত্তির জন্য কবিতা বোঝা, মনে রাখা এবং সঠিক আবেগসহ উপস্থাপন করা প্রয়োজন হয়। এ প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্কের ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশ সক্রিয় হয়। ফলে স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং সামগ্রিক সংজ্ঞানাত্মক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
স্নায়বিক সংযোগ শক্তিশালীকরণ
নিয়মিত কবিতা মুখস্থ করা ও আবৃত্তি করার ফলে মস্তিষ্কের স্নায়বিক সংযোগ আরও দৃঢ় হয়, যা তথ্য প্রক্রিয়াকরণের গতি বাড়াতে সাহায্য করে।
ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমার্সের ঝুঁকি হ্রাস
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত মুখস্থ করার অনুশীলন যেমন কবিতা বা ধর্মীয় স্তোত্র আবৃত্তি মস্তিষ্কের সক্ষমতা বাড়ায় এবং বার্ধক্যের স্মৃতিভ্রম বা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
স্ট্রেস ও উদ্বেগ কমায়
আবৃত্তির সময় সুর, ছন্দ ও শ্বাসপ্রশ্বাসের একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার হয়, যা ধ্যান বা মেডিটেশনের মতো প্রভাব ফেলে। এতে প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় হয় এবং স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে।
কবিতা মানুষের গভীর অনুভূতি ও আবেগকে প্রকাশ করে। আবৃত্তির মাধ্যমে সেই আবেগ প্রকাশ বা অনুভব করার সুযোগ তৈরি হয়, যা মানসিক চাপ কমিয়ে স্থিতিশীলতা বাড়ায়। মনোরোগ চিকিৎসায় ‘পোয়েট্রি থেরাপি’ বা ‘গ্রন্থ চিকিৎসা’ একটি সহায়ক পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আবৃত্তির সময় মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন ও সেরোটোনিনের মতো ‘সুখের হরমোন’ নিঃসৃত হতে পারে, যা মন ভালো রাখতে সহায়তা করে।
শব্দকল্পদ্রুম- আবৃত্তি প্রশিক্ষণ ও বিকাশ কেন্দ্রের তিনমাস মেয়াদী শুদ্ধ উচ্চারণ, আবৃত্তি ও উপস্থাপনাশৈলী প্রশিক্ষণ কোর্সে শিশু-কিশোর ও বড়দের সাধারন বিভাগে নতুন আবর্তনে ৪০% বিশেষ ছাড়ে ভর্তি চলছে !!
ভর্তি চলছে...
* মেয়াদঃ ৩ মাস। ২৪টি ক্লাস।
*ক্লাসের মাধ্যমঃ গুগল মিট।
** এখন চলছে বিশেষ ছাড়! ৪০% ছাড়!! এখন কোর্স ফি মাত্র: ১৫০০টাকা। (সীমিত সময়ের জন্য।)
* যোগাযোগ: Whatsapp: 01713060872, 01881-485114 * বিকাশ: 01881-485114 (পারসোনাল)
পরিচালনায় ও প্রশিক্ষনে: নাজমুল আহসান, আবৃত্তিশিল্পী এবং প্রশিক্ষক।
* আয়োজনে: শব্দকল্পদ্রুম- আবৃত্তি প্রশিক্ষণ ও বিকাশ কেন্দ্র।
রবীন্দ্র–নজরুল জয়ন্তী ২০২৬
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্পী সংসদ বিশেষ আবৃত্তি সন্ধ্যায় শব্দকল্পদ্রুম আবৃত্তি-স্বজনদের পরিবেশনায় অংশবিশেষ।
তারিখ: ১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার
ভিডিও সৌজন্যে: আবৃত্তিশিল্পী ফারুক তাহের।
17/05/2026
রবীন্দ্র–নজরুল জয়ন্তী ২০২৬
বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্পী সংসদ এর আয়োজনে বিশেষ আবৃত্তি সন্ধ্যায় শব্দকল্পদ্রুম এর আবৃত্তি স্বজনরা।
তারিখ: ১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার
প্লানার্স টাওয়ার, বাংলামোটর, ঢাকা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
KA 200/7, Kuril School Road, Vatara
Dhaka
1229