পুরা পৃথিবী নেতারা যখন করোনার আতংকে বাংলাদেশের নেতারা তখন চাল চুরি নিয়ে ব্যাস্ত।।
হ এর নামই বাংলাদেশ
Stop Corruption Save Bangladesh
Stop Corruption Save Bangladesh it's a corruption & politic free page
নিজের ক্ষেতের সবজি নিয়ে এক কৃষক গেলেন বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে। বাড়ির কেয়ারটেকার তাকে বসিয়ে সবজি গুলো নিয়ে গেলেন দোতলায়। বঙ্গবন্ধু টেলিফোনে কথা বলছিলেন। কথা বলা অবস্থায় কেয়ারটেকার তাঁকে সবজির কথা বললেন। বঙ্গবন্ধু পাঞ্জাবীর পকেট থেকে ২০ টাকা বের করে দিলেন।
সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় কেয়ারটেকার ভাবলো সামান্য কিছু সবজির জন্য ২০ টাকা দেয়ার কী দরকার? সে ১০ টাকা রেখে দিয়ে বাকী ১০ টাকা দিলো কৃষকের হাতে। টাকা পেয়ে কৃষক অবাক হলো এবং দৌড়ে দোতলায় উঠে গেলো। ততোক্ষণে টেলিফোন রাখলেন বঙ্গবন্ধু।
কৃষক বঙ্গবন্ধুর কাছে ১০ টাকা ফেরত দিয়ে বললেন, " এগুলো আমার ক্ষেতের সবজি,আমি আপনার জন্য এমনি এনেছি, টাকা লাগবেনা। "জবাবে বঙ্গবন্ধু বললেন," কিন্তু আমিতো ২০ টাকা দিয়েছিলাম।" কৃষক জবাব দিলো, " উনি তো আমাকে ১০ টাকা দিলেন।
একথা শুনে বঙ্গবন্ধু বললেন,"যে দেশে দোতলা থেকে নিচতলায় নামতেই ২০ টাকা ১০ টাকা হয়ে যায়, সে দেশে কত টাকার বাজেট প্রনয়ণ করলে তা জনগণের নিকট পৌঁছুবে ?.........
27/06/2019
বিচার চাহিয়া লজ্জা দিবেন না
27/06/2019
সন্ত্রাসীদের সাথে যুদ্ধ করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না স্ত্রী,
কোন দেশে বসবাস করছি আমরা, একজন লোককে প্রকাশ কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে,আর লোকজন দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখছে,
তাহলে কি কবির এই কথনটি মিথ্যে,
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য???
বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শাহ নেয়াজ রিফাত শরীফ নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।তার স্ত্রী সন্ত্রাসীদের সাথে যুদ্ধ করেও বাচাতে পারেন নি স্বামীকে।
হাতে চুড়ি পরা বেশকিছু পুরুষ দাড়িয়ে তামাশা দেখছে মনে হয়,
ঘৃনা করি ঐসব চুড়ি ওয়ালাদেরকে,
খুনিদের ফাঁসি চাই,
ছবি সংগৃহীত
29/03/2019
03/11/2018
ভারত থেকে ৭ লক্ষ ৫৮ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার খরচ করে পাঠ্যপুস্তক ছাপিয়ে আনা হয়েছে। ৭ লক্ষ ৫৮ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার সমান, ৬ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। যার ৩০% যদি মূদ্রণ খরচ হয়, তবে, ২ কোটি টাকা মূদ্রণ এবং কর্মচারী ও শ্রমিকের বেতন। বাংলাদেশে শ্রমিকদের গড় আয় দৈনিক ৩০০ টাকা হিসেবে ২ কোটি ১৫ লাখ টাকায় ৭১ হাজার ৬৬৬ কর্মদিবস হয়। মাসে ২৪ দিন কর্মদিবস ধরলে ৭১ হাজার ৬৬৬ কর্মঘণ্টার কাজ একমাসে সম্পাদনে শ্রমিক কর্মচারী প্রয়োজন প্রায় ৩০ হাজার। একটা ছোট ছাপাখানায় যদি গড়ে ৬জন করে শ্রমিক-কর্মচারী থাকে তাহলে এটা অন্ততপক্ষে ৫০০ ছাপাখানার কাজ।
বাংলাদেশের মূল্যবান বৈদেশিক মূদ্রা খরচ না করে, দেশের টাকা দেশে রেখে ৫০০ টি ছাপাখানা ও ৩০ হাজার শ্রমিকের ক্ষতি করে কেন ভারত থেকে পাঠ্য পুস্তক ছাপিয়ে আনা হয়েছে? কেউ জবাব দেবেন কি?
পরিহনসন্ত্রাসীরা সাধের গাড়িটা ভেঙ্গে ফেলায় আপনি গৃহবন্দি, নো টেনশন- ঘরে বসে বিটিভি দেখুন!
মবিল মাখা কন্যা ফিরলো কলেজ থেকে; ঘাবড়াবেন না, ভাবুন- এটা অতি উন্নয়নের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া!
প্রতিবেশী ৭ দিনের শিশু মারা গেল এমবুলেন্স আটকে রাখায়; মন খারাপ করবেন না, ধৈর্য ধরুন- পদ্মা সেতু হয়ে গেলে এমন আর হবে না
পোষাক শ্রমিকদের দাবীর মুখে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরি ৮০০০ টাকা ;
যা আগে ছিলো ৫৩০০ টাকা 🤫
নতুন বেতন কাঠামোতে প্রত্যেক শ্রমিক পাবে অতিরিক্ত ২৭০০ টাকা
একটা ডেনিম (জিন্স) কারখানার একজন শ্রমিক যদি দৈনিক ১২ পিচ ডেনিম তৈরী করে তাহলে ২৬ দিনে মোট ৩১২ পিচ তৈরী করবে 🤫
২৭০০/৩১২=৮.৬৫ (প্রতি পিচে অতিরিক্ত কস্টিং)
এক লাখ পিচ উৎপাদনে মালিক পক্ষকে অতিরিক্ত গুনতে হবে ৮৬৫০০০ টাকা 🤫
প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এই ৮৬৫০০০ টাকা মালিকপক্ষ কখনোই বায়ার থেকে নিতে পারবে নাহ🤫
এখন কথা হচ্ছে বিশ্বে চাউল উৎপাদনে চতুর্থ হয়েও যে দেশে চাউলের কেজি ৬০ টাকা সেদেশে নূন্যতম মজুরি ৫৩০০ টাকা কিছুই নাহ 🤫
শ্রমিকরা পেটের তাড়নায় আন্দোলন তো করবেই 🤫 কারখানা ভাংচুর করে নাই সেটা অনেক বেশী 🤫
কিন্তু যেসব শ্রমিক সংগঠন বা শ্রমিকরা বেতন বাড়ানোর জন্য আন্দোলনে সক্রিয় ছিলো তারা যদি একবার আন্দোলন করতো
- কেন চাউলের কেজি ৩৫ টাকা থেকে একলাফে ৬০ টাকা ?
-৫৬ টাকা তেলের কেজি কেন ১০৫ টাকা ?
তাহলে দ্রব্যমূল্যের এত উর্দ্ধোগতি সর্বোপরি জীবনযাত্রার মান এতটা বেড়ে যেতো নাহ 🤫
দেশে কিছু একটা হলেই হুট করে পোষাক শিল্পের উপর সবকিছু চলে আসে 🤫
এমনকি ইচ্ছে হল তাই তিনি গার্মেন্টসের উপর উৎস কর বসিয়ে দিলেন 🤫
এক কথায় সোনার ডিম পারা হাঁসকে লোভে পড়ে পেট কেটে ফেলা 🤫
দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্বিতে প্রায় ৮৩% অবদান রাখা পোশাক শিল্প যখন ধ্বংস হয়ে দেশ তলাবিহীন ঝুড়ি হয়ে যাবে তখন সরকার ও তার জনগনের হুঁশ হবে।
(সংগ্র
কোথায় যাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ!
সময় -২০১২
নাম: ভেনিজুয়েলা।
GDP - ৫.৬৩%
দারিদ্রসীমা - মাত্র ২০%
প্রধান সম্পদ - ব্লাক ডায়মন্ড। তেল!
সৌদি আরবের পর বিশ্বে সবচেয়ে তেল মজুদকারক দেশ। যাদের সবচেয়ে বন্ধু রাষ্ট্র, চীন। এত শক্তিশালী অর্থনীতি! যারা কিনা সম্ভাব্য tradewar এ চায়নার জন্য এক শক্তিশালী সম্পদ । এত তেল থাকার পরেও যুক্তরাষ্ট্র একে ঘাটাঘাটি পর্যন্ত করতে চায় না।
সময়-২০১৮। মাত্র ৬ বছরের ব্যবধানে দেশটির অর্থনীতি ভেংগে চৌচির।
মুদ্রাস্ফীতি ৮০০০০% অতিক্রম করেছে এবং ধারনা করা হচ্ছে ২০১৯ এ তা ১০০০০০% এ অতিক্রম করবে। কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ অথবা যুদ্ধ ছাড়াই দেশটিতে এখন বিশাল পরিমাণ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। যার পরবর্তী ধাপটির নাম -ভয়াবহ দূর্ভিক্ষ!
এই সংকটের প্রধান কারন বলা হচ্ছে দুইটি।
- সেন্ট্রাল ব্যাংকের অর্থের হিসাবে প্রতিনিয়ত গরমীল।
- Dutch disease
Dutch disease রোগটা একটা দেশের জন্য বেশ ভয়ংকর। এই রোগের লক্ষণ ২ টি।
১) দেশের export cash flow এর ৮০% আসবে কোন একটা নির্দিষ্ট সেক্টর থেকে।
২) GDP বাড়তে থাকবে খুবই দ্রুত৷ মানুষ তার জীবনযাত্রার মান বাড়াবে। শ্রমিক তার বেতন বাড়াবে আরো সুখে থাকার আশায়। তাদের জীবনযাত্রার সাথে তালমেলাতে import dependent economic সিস্টেম গড়ে উঠতে থাকে।
৩) সম্পদের বিষম বন্টন। সমাজের একটা অংশ বিশাল পরিমান সম্পদ নিয়ে বসে থাকবে, আর বাকি মানুষের অংশের সম্পদ শুষে খেতে থাকবে৷
এই সুখের সংসার ততদিনই টিকে থাকবে, যতদিন "একটি নির্দিষ্ট সেক্টর" দেশকে ৮০% financial support দিতে থাকবে।
ভেনিজুয়েলার ৮০% আসতো তাদের তেল থেকে। ২০১৪ সালে "আরব বসন্ত" এর প্রভাবে হঠাৎ পৃথিবীতে তেলের দাম কমে যায় আর সাথে সাথেই ধপ করে ভেংগে পড়ে পরে তাদের এত দিনের শক্তিশালী অর্থনীতির ভিত্তি।
এবার আসা যাক বাংলাদেশে। বাংলাদেশের জিডিপি গ্রোথ রেট এখনো ৭.৮%। দেশের আমদানী এখনো ৮০% এর উপর RMG (readymade garments) sector based.
আমাদের GDP growth rate ও "aggressively high"
- সমাজের ধনীরা আরো ধনী হচ্ছে। ব্যাংক থেকে টাকা চলে যাচ্ছে। ইনভেস্ট হচ্ছে বাইরের দেশে।
so we are already in a "Dutch disease ".
So all we need, just a little PUSH.
এখন দেখি এই " push" টা কিভাবে আসতে পারে
চায়না এখন আর লো কস্টিং এ বাংলাদেশের সাথে পেরে উঠছে না।
এমনকি AI (artificial intelligence) এর ব্যবহার দিয়েও এই কস্টিং এ পেরে উঠা সম্ভব হচ্ছে না। এই বছরে নির্বাচনী বছর হবার পরেও garments sector এ রেকর্ড পরিমান অর্ডার আসছে। যেহেতু চীন আস্তে আস্তে এই গার্মেন্টসের কাজ ছেড়ে দিচ্ছে। বছরের পর বছরে এই কাজের পরিমান আরো বাড়বে। GDP growth rate আরো বেড়ে যাবে। মানুষের লাইফস্টাইল আরো উন্নত হবে। তাহলে আমাদের RMG সেক্টর ভবিষ্যত পুরোপুরি সুরক্ষিত? না।
গার্মেন্টস সেক্টরটা অনেকটা বেদুইনদের মত। একদেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরতে থাকে। এই সেক্টরের বেঁচে থাকা নির্ভর করে ২ টি জিনিসের উপর:
১) Low making cost
২)Low shipment cost.
-চীন আফ্রিকার সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলগুলাকে দখল করে নিচ্ছে৷ এই বছরেও ৩০ বিলিয়ন ইউএসডি লোন দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র আফ্রিকার দেশগুলার সবকিছু ঠিকঠাক করার জন্য। অনেকটা শাসিয়ে বলা" টাকা দিচ্ছি দেশ ঠিকঠাক কর। তোদের দেশটা আমাদের দরকার।কাজ নিয়ে, লোন নিয়ে নো টেনশন।"
দরিদ্র দেশ। এত টাকা আফ্রিকান নেতাদের হাতে পড়লে তো টাকা দিয়ে লেজ গুটিয়ে পালাবে। তাই চীন এই বিশাল টাকাটুকু দিচ্ছে নিজের দেশের নিজেস্ব real state company এবং contruction farm" কে।
চায়না আফ্রিকার দেশটাগুলাকে তাদের ফ্যাক্টরি বানানোর জন্য বেশ জোরেশোরেই মেরামত করে নিচ্ছে। বড় বড় ব্রীজ বসানো হচ্ছে, বিশাল বিশাল পাওয়ার হাউস বানানো হচ্ছে। টাকা দিচ্ছে চায়না, কাজ করছে চায়না, শুধু লোনটুকু ফিরিয়ে দেবে আফ্রিকা!
চায়না জানে আফ্রিয়ার দরিদ্র দেশগুলো অবশ্যই তাদের লোনের টাকাটুকু ফিরিয়ে দিতে পারবে না। তাহলে বিনিময়ে কি নিতে চায় চায়না তাদের থেকে? খুব সহজ! তাদের সী পোর্ট এবং চিপ লেভার। বর্তমানে যে ঘটনাকে বলা হচ্ছে "China's debt trap for next tradewar"। (Newest form of colonial age done by British).
এইসব তীরবর্তী অঞ্চলগুলা পুরাপুরিভাবে তৈরি করার পরপরই চীন যা করবে তা আমাদের জন্য ভয়ংকর দুঃসংবাদ।
যেকোন industrial cultivation এর first step - " বস্ত্রশিল্প বিপ্লব"। সুতরাং গার্মেন্টস সেক্টর চলে আসবে আবারো চীনের বলয়ে। (ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে, এবং আফ্রিকার ইথিওপিয়ার মত অনেকগুলা দেশ থেকে আমেরিকা কাজ আদায় করে নিচ্ছে) আফ্রিকার labor cost অবশ্যই আমাদের চেয়ে কম। আফ্রিকা থেকে আমেরিকা,ইউরোপ বেশ কাছাকাছি সুতরাং কমে যাবে শিপিং কস্ট। কি দরকার তাদের এত দূর থেকে বেশি দাম দিয়ে জামাকাপড় কেনা?
হঠাৎ একদিন যদি garments sector বাংলাদেশ থেকে সরে যায় এর বিকল্প ব্যবস্থা কি? ভিয়েতনাম ইতিমধ্যে হেভি ইন
14/09/2018
Difference between Bangladesh and Russia
02/09/2018
হ্যা, এটা শুধু গতকালকের পত্রিকার শিরোনাম।
কিছুতেই কমছে না বেপারোয়া ড্রাইভিং
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka