১২ টা কাজ করবেন। জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যাবে ইনশাআল্লাহ।
১. সময়মত নামাজ আদায়।
২. প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতুল কুরসী।
৩. সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমের আগে মাসনুন আমল।
৪. প্রতিদিন কিছু অংশ কুরআন তিলাওয়াত।
৫. ইশরাকের নামাজ।
৬. বিতরের নামাজ বাদ দেবেন না।
৭. জুমআর দিন সূরা কাহাফ।
৮. রাতের শেষাংশে আল্লাহর কাছে রোনাজারি করা।
৯. আযান ও ইকামতের মাঝে দুয়া করা।
১০. পিতামাতার আনুগত্য।
১১. সাদাকাহ করা।
১২. দরূদ পড়া।
আল্লাহ তায়ালা জীবনের উপর রহমত ও বরকতের বন্যা বইয়ে দেবেন ইনশাআল্লাহ।
~ উস্তাদ আম্মারুল হক হাফি.
Talim Academy
Darut Talim Academy
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Darut Talim Academy, Tutor/Teacher, Bonogram Road, Dhaka.
خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি , যে নিজে কুরআন শিখে এবং অপরকে শিক্ষা দেয়। (বোখারী)
আপনার সন্তানের বয়স যদি 5 বছর থেকে ১৪ বছর হয়ে থাকে এখনই সময় কোরআন শেখার।কোরআন শিক্ষার ভিত্তি ছোটবেলাতেই গড়ে তোলা উত্তম।
আপনার সন্তান কি সহি-শুদ্ধভাবে কোরআন পড়তে পারে?
আমাদের Online Quran Class এর বিশেষত্বঃ
✔ হিফজুল কোরআন
✔ সঠিক উচ্চারণ, সহিহ তাজবীদ সহ ধাপে ধাপে কোরআন শিক্ষা
✔কায়দা এং আমপাড়া মেমোরাইজেশন
✔ দোয়া এবং নামাজ শিক্ষা
✔দায়িত্ববোধ,সত্যবাদিতা এবং ইসলামিক শিষ্টাচার ও আদব।
অনলাইন কুরআন ক্লাসের সুবিধাঃ
✔ওয়ান-টু-ওয়ান লাইভ ক্লাস
✔ আপনার বাচ্চার সুবিধা অনুযায়ী সময়ে ক্লাস
✔ধাপে ধাপে সাজানো সিলেবাস
✔ নিয়মিত মূল্যায়ন ও অগ্রগতির রিপোর্ট
✔অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত শিক্ষক দ্বারা লাইভ Zoom ক্লাস
✔বাচ্চাদের জন্য বন্ধুসুলভ ও মনোযোগী পরিবেশ
শৈশব হলো বীজ বপনের সময়।
এই সময় যদি কোরআনের সাথে সম্পর্ক তৈরি না হয়, বড় হলে ব্যস্ততা, মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া—সবকিছু জায়গা দখল করে নেয়।
আপনি হয়তো ভাবছেন—সময় হলে শিখবে…”কিন্তু বাস্তবতা হলো, সময় নিজে থেকে আসে না।সময় তৈরি করতে হয়।
ট্রায়াল ক্লাসে জয়েন হতে এখনই ইনবক্স করুন অথবা ওয়াটস্যাপ করুন : 01332-372379
#তাজবীদ_সহ_কোরআন
03/05/2026
রাসূল ﷺ বলেন ❝তোমরা কুরআনের প্রতি যত্নবান হও। আল্লাহর কসম! উটের রশি যেমন ঢিলা দিলে পালিয়ে যায়, কুরআন তার চেয়েও দ্রুত স্মৃতি থেকে হারিয়ে যায়।❞
[বুখারি ও মুসলিম]
হিফয মজবুত রাখার বা ইয়াদ রাখার কিছু পরীক্ষিত ও কার্যকরী উপায়:
১. দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমান তিলাওয়াত:
প্রতিদিন নতুন পড়ার পাশাপাশি অল্প অল্প করে আগের পড়াগুলো রিভিশন দেওয়া।
এক্ষেত্রে ভোরে ফজরের পরের সময়কে কাজে লাগানো যেতে পারে। ফজরের পরের সময়ে বারাকাহ থাকে এবং মস্তিষ্ক সচল থাকে।
২. নফল ও সুন্নত নামাজে তিলাওয়াত:
প্রতিদিনের রিভিশনের অংশ নামাজে পড়ার অভ্যাস করা। নামাজে পড়ার মাধ্যমে হিফয সবচেয়ে বেশি মজবুত হয়।
৩. শোনা এবং শোনানো:
নিজের ভুলগুলো সংশোধনের জন্য অভিজ্ঞ উস্তাদকে নিয়মিত সবক শোনানো। ভুলগুলো চিহ্নিত করে বারবার পড়া।
বিখ্যাত ক্বারীদের তিলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে শুনলে মাখরাজ ও উচ্চারণ ঠিক হওয়ার পাশাপাশি আয়াতগুলো স্মৃতিতে গেথেঁ যায়।
৪. আয়াতের অর্থ বোঝা:
অর্থ বুঝে পড়লে অর্থাৎ কী পড়ছেন বুঝে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।
৫. গুনাহের কাজ থেকে দূরে থাকা: ইলম হলো নূর যা কোনো গুনাহগারকে দেওয়া হয় না। গুনাহ হিফয ভুলে যাওয়ার অন্যতম কারণ।
বিশেষ টিপস: সবসময় একই মুসহাফ ব্যবহার করা।
জীবনে তো কতো কিছুই শেখা হলো; শুধু কুরআন শেখাটা হলো না!
অনেকেই ভাবেন, এখন আর বয়স নেই শেখার, মুখে জড়তা আসে, সময়ও মেলে না। কিন্তু আসলে কুরআন শেখা কখনো কঠিন নয়— যদি পদ্ধতিটা সঠিক হয়।
এই ভাবনা থেকেই আমাদের উদ্যোগ—
এখানে আপনি শিখবেন একদম শুরু থেকে— হরফ চিনা থেকে বিশুদ্ধ ও সুন্দর তিলাওয়াত পর্যন্ত।
প্রতিটি ক্লাসে থাকবেন অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকা, থাকবে তাজবীদের অনুশীলন যাতে ব্যস্ততার মাঝেও শিখতে পারেন নিজের মতো করে।
এই কোর্সটা তাদের জন্যই, যারা সত্যিই চান সুন্দরভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতে।
🟦 ক্লাস সংক্রান্ত তথ্য : -
🔸 সপ্তাহে ক্লাস হবে ২/৩/৪ /৫টি।
🔸কোয়ালিফাইড টিচার ও উপভোগ্য ক্লাস৷
🔸 ছাত্রের সুবিধাজনক সময়ে ক্লাস নির্ধারণ।
🔸একাকী পড়ার সুযোগ।
🔸 মেইল এবং ফিমেল টিচারের ব্যবস্থা।
🔸জুম অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি লাইভ ক্লাস৷
🔸 ক্লাস ডিউরেশন ৪০/৫০ মিনিট।
🟥 আমাদের কোর্স সমূহ :-
💠 শিশুদের কুরআন লার্নিং।
💠 বয়স্ক কোরআন শিক্ষা ।
💠 বোনদের জন্য কোরআন শিক্ষা।
💠 আরবি ভাষা ও নৈতিক শিক্ষা কোর্স।
💠 নির্বাচিত সূরা হিফজ কোর্স।
💠 প্রথম ১০ পারা হিফজ কোর্স।
💠 দ্বিতীয় ১০ পার হিফজ কোর্স।
💠 তৃতীয় ১০ পারা হিফজ কোর্স।
💠 ৪০ হাদিস মুখস্ত কোর্স।
💠 সিরাহ কোর্স।
✅ আমাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ:-
⭐ প্রত্যেক স্টুডেন্ট আমাদের কাছে আমানত। সুতরাং আমানত রক্ষার্থে আমরা সর্বোচ্চ দায়বদ্ধ।
⭐ শিক্ষার পাশাপাশি আদর্শ সমৃদ্ধ জীবন গঠনে রয়েছে "নৈতিক শিক্ষার ক্লাস"।
⭐ ক্লাসের পড়া ক্লাসেই মুখস্ত করিয়ে দেওয়া হবে।
ইনশাআল্লাহ
⭐ ভর্তি কনফার্ম করার পূর্বেই একটি ট্রায়াল ক্লাসের সুযোগ।
অনলাইনে কুরআন শিক্ষার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।
Cell: 001332-372379(WhatsApp)
অথবা নিচের লিংকে ক্লিক করুন-
https://forms.gle/R7KL2AcxA4KfRfR16
09/04/2026
অনেকে মনে করেন, বাচ্চার বয়স এখন ৫-৬ বছর। এত ছোট বয়সে হিফয শুরু করলে স্কুলের পড়ার সঙ্গে বাড়তি প্রেশার হয়ে যাবে কি না এই দুশ্চিন্তাটা খুব স্বাভাবিক।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই সময়টাই আসলে ব্যস্ততা কম থাকার সময়, শেখার সময় এবং নিজেকে গড়ে তোলার সময়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্কুলের পড়া, পরীক্ষা, হোমওয়ার্ক, কোচিং সবকিছু মিলিয়ে ব্যস্ততা শুধু বাড়তেই থাকে। তখন চাইলেও নিয়মিতভাবে শুরু করা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে যায়। তাছাড়াও সবগুলো ক্লাস করা যাচ্ছে ঘরে বসে অনলাইনেই!
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- দারুত তালিম একাডেমি তে কখনোই বাচ্চাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় না।
প্রতিটি শিশুর শেখার সক্ষমতা অনুযায়ী যতটুকু পারে, ঠিক ততটুকুই পড়ানো হয়। কোনো বাচ্চা যদি পড়া ঠিকভাবে আয়ত্ত করতে না পারে, তাহলে সেই অংশ ক্লাসেই ধীরে ধীরে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। জোর করে এগিয়ে নেওয়া বা নির্দিষ্ট টার্গেট চাপিয়ে দেওয়ার কোনো চর্চা এখানে নেই।
আমাদের লক্ষ্য শুধু পড়া শেষ করা নয়; বরং বাচ্চারা যেন আনন্দের সঙ্গে, স্বাভাবিক গতিতে কুরআনের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে এই পরিবেশটাই আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই।
📌 যেকোনো কোর্সের ফ্রি ট্রায়াল ক্লাস করতে
শিক্ষার্থীর নাম:
বয়স:
জেলা:
গার্ডিয়ান নাম্বার :
লিখে ইনবক্সে সেন্ড করুন!
07/04/2026
প্রিয় সন্তানের ৪ বছর বয়স… এখনো কিছুই শুরু হয়নি।
কিন্তু চান পবিত্র কুরআনের হাফিয হিসেবে গড়ে তুলতে। কিন্তু মনে প্রশ্ন, অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ থাকবে তো?
এই প্রশ্নটা শুধু একজন মায়ের না, বরং অনেক অভিভাবকের মনের প্রশ্ন...
আমরাও জানি, এই বয়সটা খুব কোমল। চাপ দিয়ে শেখানো যায় না, ভালোবাসা দিয়ে শেখাতে হয়। খেলার ভেতর শেখা, ধীরে ধীরে অভ্যাস তৈরি হওয়া। এই জায়গাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
দারুত তালিম একাডেমিতে তাই শুরুটা হয় বুঝে নেওয়া দিয়ে।
প্রথম ক্লাসেই আমরা শিশুর মন, তার স্বভাব, তার শেখার গতি বোঝার চেষ্টা করি। তারপর ঠিক করি, কোনভাবে এগোলে সে স্বচ্ছন্দে শিখতে পারবে। ছোট ছোট ব্যাচে, যত্ন নিয়ে, ধীরে ধীরে কাইদা থেকে কুরআন তিলাওয়াত, সেখান থেকে হিফয! একটা সুন্দর যাত্রা শুরু হয় ইন শা আল্লাহ।
আর এই পুরো বিষয়টা বোঝার জন্যই রয়েছে, একটি ফ্রি ট্রায়াল ক্লাস।
এখানে আপনি নিজেই দেখবেন, অনলাইন ক্লাসের বিষয়টি আপনার শিশুটি কতটা স্বাচ্ছন্দ্যে নেয়, কেমনভাবে এগোয়।
কারণ শুরুটা যদি আনন্দময় হয়, আগামী দিনের পথটাও সহজ হয়ে যায়। তাহলে আর দেরি কেন? ঘরে বসে নিরাপদে মায়ের কাছাকাছি থেকে উপভোগ্য ক্লাসগুলো করাতে-
ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর,
• নাম
• বয়স
• অবস্থানরত সিটির নাম জানিয়ে এখনই মেসেজ করুন!
لَیۡلَۃُ الۡقَدۡرِ ۬ۙ خَیۡرٌ مِّنۡ اَلۡفِ شَہۡرٍ ؕؔ
অনুবাদ
শবে কদর এক হাজার মাস অপেক্ষাও শ্রেষ্ঠ।
(সূরা আল ক্বদ্র, আয়াত নং: ৩)
হযরত আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদরের সন্ধান কর।
সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ১৮৯০
কদরের রাত গুলো চলে যাচ্ছে । লেখাটা পোস্ট করতে দেরি হয়ে গেছে । অলরেডি কদরের কয়েক রাত চলে গেছে, আসুন বাকি রাতগুলো অবহেলাই নষ্ট না করি ।
'কদরের রাত হাজার রাতের চেয়ে উত্তম । সূরা কদর : আয়াত ৩ ।'
অর্থাৎ এ রাতের এবাদত হাজার মাস বা টানা ৮৩ বছর ৪ মাসের চেয়েও অধিক উত্তম । অন্যভাবে বললে এক রাতের এবাদত ৩০ হাজার রাতের এবাদতের সমান ।
আমাদের রব ছাড়া আর কারো পক্ষে কি সম্ভব এরকম ব্যবসার সন্ধান দেয়া ।
আপনি একবার সুবাহানাল্লাহ বললেন তো ৮৩ বছর ৪ মাসের অধিক সময় ধরে একটানা সুবহানাল্লাহ বলার পুরস্কার পেয়ে গেলেন ।
এ দশটা রাত কি ইবাদত করা যেতে পারে সেটা বলে তো শেষ করা যাবে না, খুব সংক্ষিপ্তভাবে ক্ষুদ্র জ্ঞানে কয়েকটা টিপস দিতে পারি ।
১. প্রতি রাতে অন্তত দু'রাকাত তাহাজ্জুদ পড়তে পারেন । যদি সৌভাগ্যক্রমে লাইলাতুল কদরের রাত পেয়ে যান তবে আপনার দুই রাকাত নামাজ টানা ৮৩ বছর ৪ মাস দুই রাকাত করে নামাজ পড়ার সওয়াব আপনার আমল নামায় লিখা হয়ে গেল ।
২. সুবহানাল্লাহ , আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার- চারটা জিকির আমাদের রবের খুব প্রিয় । এই দশ রাত উঠতে বসতে এ জিকির চালিয়ে যান ।
৩. মানিব্যাগে টাকার স্বল্পতা থাকতে পারে, আচ্ছা ভাই অন্তত দুই টাকা তো দিতে পারবেন । এই দশটা রাত কমসে কম দুই টাকা করে দশ রাতে ২০ টাকা গেল । আচ্ছা যদি কদর রাত পেয়ে যান তবে হিসাব করতে এবার ক্যালকুলেটর নিয়ে বসুন ।
৪. সাধ্যমত কোরআন পড়ুন । এটা কোরআন নাজিলের রাত । যদি সূরা ইখলাছ জানা থাকে কম সে কম তিনবার পড়ুন । সূরা ইখলাসের ওজন সমগ্র কোরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান ।
৫. প্রিয় নবীজির উপর দরুদ পড়ুন । দরুদে ইব্রাহিম পড়তে যদি কষ্ট হয় অন্ততপক্ষে 'সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম' এতটুকু তো পড়তে পারেন।
৬. মোবাইলে হাদিসের অ্যাপস খুলে প্রতিদিন অন্তত দশটা হাদিস পড়ুন ।
৭. বেশি বেশি করে দোয়া করুন । আল্লাহর কাছে অযৌক্তিক অপরিমান বেহিসাব চাইতে থাকুন । আপনার দোয়ায় আপনি ব্যতীত অপর কাউকে সামিল করুন । যে দোয়ায় অন্যকে শামিল করা হয় সে দোয়া কবুল করা হয় । আর কিছুতেই ভুলবেন না ফিলিস্তিনকে, গা_জা সহ সারা বিশ্বের নির্যাতিত মুসলিমদের আপনার দোয়ায় শামিল করুন ।
৮. আর আল্লাহর রাসূল সাঃ আয়েশা রাঃ কে কদরের রাতে যে দোয়াটি বেশি পড়তে বলেছেন সে দোয়াটি বেশি করে পড়ুন ।
'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা'ফু আন্নি ।
হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল । আপনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন । আমাকে আপনি ক্ষমা করুন ।'
'আফুউ' হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ লেভেলের ক্ষমা । আপনি যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে 'আফুউ' পেয়ে যান, তবে দয়াময় রব আপনাকে শুধু ক্ষমা করে দেননি বরং আপনার গুণগুলো মুছে দিয়েছেন । যেভাবে ইরেজার পেন্সিলের দাগগুলো মুছে দেয় । অর্থাৎ কেয়ামতের দিন আপনার আমলনামা থেকে এ গুনাগুলো অদৃশ্য হয়ে যাবে ।
৯. প্রতিদিন তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন।
১০. আর এ কথাগুলো সবার কাছে সাধ্যমত পৌঁছে দিন "ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।" (মুসলিম, ২৬৭৪)
আল্লাহ আমাদেরকে সবাইকে 'আফুউ' দিন । হে আল্লাহ গুনাহ করতে করতে ক্লান্ত, বেহিসাব গুনাহে ভরপুর আমার হিসাবের খাতার বেহিসাব পাতা । কদরের রাতটা আমার খুব বেশি দরকার ।
ইয়া রব ।
হযরত আবু হুরায়রা ও আবু সাঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, রোযা আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দিব। রোযা পালনকারী ব্যক্তির খুশির সময় দুটি। যখন ইফতার করবে, তখন খুশি হবে এবং যখন আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করবে, তখন খুশি হবে। যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, তাঁর শপথ! রোযা পালনকারী ব্যক্তির মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক উত্তম।
সুনানে নাসায়ী, হাদীস নং: ২২১৮
فَمَنۡ شَہِدَ مِنۡکُمُ الشَّہۡرَ فَلۡیَصُمۡہُ
অনুবাদ
সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই এ মাস পাবে, সে যেন এ সময় অবশ্যই রোযা রাখে।
(সূরা আল বাকারা, আয়াত নং: ১৮৫)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Bonogram Road
Dhaka
1203