10/06/2025
উনারা একটা ছাতারে স্পন্সর করতে চাইছিল...
কিন্তু স্পন্সর না নেওয়ার কারণে আজকে ওনার এই অবস্থা...🫠
তোমরা প্রচার করো তা একটি আয়াতও হোক না ? ইসলাম সম্পর্কে আপনার কিছু জানার বা প্রশ্ন থাকলে মেসেজ/টাইমলাইনে লিখুন।
10/06/2025
উনারা একটা ছাতারে স্পন্সর করতে চাইছিল...
কিন্তু স্পন্সর না নেওয়ার কারণে আজকে ওনার এই অবস্থা...🫠
আমরা কী সত্যিই বদলাতে চাই?
আমরা বাঙালিরা—ভালো কিছু দেখলেও চোখে পড়ে না, প্রশংসা করতেও কৃপণতা করি।
আর যদি কোনো খারাপ কিছু চোখে পড়ে, তখন যেন আমাদের একমাত্র কাজ হয়ে যায় সেটাকে হাজারগুণ বাড়িয়ে, প্রকাশ্যে টেনে এনে, গলা ফাটিয়ে অভিযোগ করা।
কেন এমনটা করি আমরা?
চিন্তা করে দেখলাম—আমরা প্রত্যেকেই ভাবি, "আমি তো ঠিক আছি, খাঁটি আমি; বাকিরা সবাই ভুলে ভরা!"
এই মানসিকতা থেকেই জন্ম নেয় অসহিষ্ণুতা।
কারো সামান্য ভুল দেখলেই যেন আমরা তাকে নাস্তানাবুদ করতে উঠে পড়ি।
কিন্তু নিজের ভুলগুলো? ওগুলো তো 'কারণ ছিল', 'পরিস্থিতি খারাপ ছিল', 'মন খারাপ ছিল' ইত্যাদি বলে হালকা করে দেই।
এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড যদি না বদলাই, তাহলে জাতি হিসেবে আমরা কোথায় দাঁড়াব?
ভুল হবে—এটাই স্বাভাবিক।
ভুল থেকে শেখাই হলো প্রগতি।
যারা জীবনে সফল, তারা বারবার ভুল করে, বারবার শিখে উঠে দাঁড়ায়।
আর আমরা? একটু ভুল দেখলেই পুরো মানুষটাকে বাতিল করে দেই।
এখনই সময় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর।
পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সামনে এগোনোই হলো মূল চাবিকাঠি।
নেগেটিভিটি দিয়ে শুধু হতাশা বাড়ে, সমাধান আসে না।
ভালোকে উদ্যাপন করুন। ভুল দেখলে গঠনমূলকভাবে বলুন।
জাতি গড়তে হলে, আগে মনটা গড়ুন।
আপনার কী মনে হয়?
কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।
26/04/2025
দেশটা কোন পথে এগোচ্ছে, আল্লাহই ভালো জানেন।
আজকের সমাজে আমরা দেখছি, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা যেন হারিয়ে যাচ্ছে।
পা*গল থেকে শুরু করে ছাগ*ল পর্যন্ত, সবাই একে অপরের বিরুদ্ধে বিষোদগারে ব্যস্ত।
কেউ কারও সফলতা সহ্য করতে পারছে না।
কারও একটু সুযোগ-সুবিধা দেখলেই অন্যজনের মধ্যে হিংসা, অভিযোগ আর অপপ্রচার শুরু হয়।
নিজের উন্নতির চেষ্টা বাদ দিয়ে, অন্যের পতন কামনায় দিনরাত ব্যস্ত থাকছি।
স্বাধীনতা যখন সীমাহীন হয়ে পড়ে, যখন ব্যক্তিগত মত প্রকাশের নামে শিষ্টাচার, ভদ্রতা আর মানবিকতা ভুলে যাই — তখনই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।
আজ আমাদের স্বাধীনতা আছে, কিন্তু দায়িত্ববোধ কোথায়?
সমাজের প্রতি, দেশের প্রতি, একজন মানুষের প্রতি অন্যজনের ন্যূনতম সম্মানটুকু কোথায়?
নিজের ভেতরের সৎ সাহস আর পরিশ্রম দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বদলে, অন্যকে টেনে নামানোর চেষ্টায় আমাদের জাতীয় চরিত্র আজ বিধ্বস্ত।
এভাবে চলতে থাকলে, আমাদের অর্জিত স্বাধীনতাও একদিন অর্থহীন হয়ে যাবে।
এখন সময়, নিজেদের ফিরে দেখার।
স্বাধীনতার আসল মানে বোঝার।
সহনশীলতা, সহমর্মিতা আর সৌহার্দ্যের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার।
না হলে, যে অন্ধকারের দিকে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি — তা থেকে আর ফেরার পথ থাকবে না।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
তোমাদের কেউ যেন তার অন্য কোন ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উঠিয়ে ইশারা না করে। কারণ সে জানে না হয়ত শয়তান তার হাতে ধাক্কা দিয়ে বসবে, ফলে (এক মুসলিমকে হত্যার কারণে) সে জাহান্নামের গর্তে পতিত হবে।
[মুসলিম ৪৫/৩৫, হাঃ ২৬১৭]
😭😭
05/08/2024
Somoy TV
haaaha ha
মায়ের কান্নাকাটি উপেক্ষা করে আন্দোলন করা যে কতটা কষ্টের এবার হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। ৫ দিন গুম থাকা অবস্থায় আমার বাবা-মা আমাকে হাসপাতালের মর্গে মর্গে খুঁজে বেড়িয়েছেন।
ডিবিতে থাকা অবস্থায় পাগলের মতো ছোটাছুটি করেছে ছেলের জন্য। আন্দোলন থেকে আমাকে দূরে রাখার জন্য সারাদিন বোঝানোর চেষ্টা করতেন।
মাকে বলেছি তোমার ছেলে তো বেঁচে আছে, যে মায়েদের বুক খালি হয়েছে তাদের ন্যায় বিচার আদায় করে দেয়ার দায়িত্বে কি আমি অবহেলা করতে পারি?
আপনাদের ভালোবাসা দেখে বাবা, মা, আপু এখন আমাকে নিয়ে গর্ববোধ করছেন। আমাকে উজ্জীবিত করছেন এক দফা আদায়ে। এটাই এখন পর্যন্ত আমার জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
-Asif Mahmud
04/08/2024
New Excuse 😂😂😂
আজকে আন্দোলনে যাওয়ার সময় রিকশা বা অন্য কোন যানবাহন পাচ্ছিলাম না। তাই উপায় না পেয়ে বাইক নিলাম। ভাড়া ঠিক করলাম ২০০ টাকা।
গন্তব্যে পৌছানোর পর কথায় কথায় ড্রাইভারকে জানালাম আমি আন্দোলনে যোগ দিতেই যাচ্ছি।
এ কথা শোনার পর আমাকে অবাক করে দিয়ে উনি বললেন - আপনার কোন ভাড়া দিতে হবে না।
আমি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম- কেন.?
ওনি বললেন- পরিবারের দায়ভার থাকায় উবার চালাচ্ছি। নয়তো আমিও যোগ দিতাম। আপনার কাছ থেকে কোন ভাড়া নিব না। তাহলে মনে হবে আমিও আন্দোলনের একটা অংশ।
আন্দোলনরত অবস্থায় প্রচন্ড পানির পিপাসা পেয়েছিল। আশপাশে তাকাতেই দেখি একজন মধ্যবয়স্ক আন্টি বড় কলসি দিয়ে ঠান্ডা পানি নিয়ে এসেছে। সাথে এসেছে ওনার পাঁচ বছরের ছোট বাচ্চা।
ওনি পাশের দোকানে চা বিক্রি করতেন। এখন মাথায় গোমটা দিয়ে সবাইকে ঠান্ডা পানি খাওয়াচ্ছেন।
আমি পানি খেতে খেতে মজা করে বললাম- আন্টি, ফ্রিতে পানি খাওয়াচ্ছেন যে.?
ওনি বললেন- ফ্রি না বাবা, আন্দোলন সফল করার মাইধ্যমে পোষাইয়া দিয়ো।
আন্দোলন থেকে ফেরার সময় হাতে খুব বেশি টাকা ছিল না। নানান কাজে খরচ হয়ে গিয়েছিল। রিকশাওয়ালা মামাকে বললাম - মামা যাবেন.?
ওনি জিজ্ঞেস করলেন- কোথায় যাব?
আমি জায়গা বলতেই ওনি ভাড়া বললেন।
বৃষ্টির দিন হওয়ায় ভাড়া অনেক বেশি ছিল। আমার কাছেও তখন অত টাকা ছিল না। আমি বললাম- মামা, আন্দোলন করতে করতেই সব টাকা শেষ করে ফেলছি। মানিব্যাগে এত টাকা নেই।
ওনি একটা হাসি দিয়ে বললেন- ও আপনে আন্দোলন থাইকা আইছেন? আইচ্ছা আপনে হাফ ভাড়া দিয়েন।
বাসার কাছাকাছি এসে শরবত খেতে এক মামার দোকানে ঢুকলাম। আমি তড়িঘড়ি করে বললাম - মামা, এক গ্লাস শরবত দাও।
আমার পুরো শরীর তখন ভিজে জবজবা।
আমার এ অবস্থা দেখে ওনি জিজ্ঞেস করলেন- এই অবস্থা কইরা কই থাইকা আসলেন.?
আমি শরবত খেতে খেতে উত্তর দিলাম- আন্দোলন থেকে।
ওনি জিজ্ঞেস করলেন - আপনি কোন পক্ষ?
আমি বললাম - আমি ন্যায়ের পক্ষে।
ওনি একটা মুচকি হাসি দিলেন।
তারপর বললেন- দাঁড়ান আপনারে একটা স্পেশাল শরবত বানাইয়া দেই। এইটা কিন্তু ফ্রি। কোন টেকা দেওন লাগবো না।
শরবত দিতে দিতে আরও বললেন- আমরাও কিন্তু আপনেগো লগে আছি মামা।
যে মানুষগুলো জীবিকার দায়ে আন্দোলনে যোগ দিতে পারেনি তারাও কিন্তু মন থেকে আমাদের সাথে আছে। হয়েতো সরাসরি নেই তবে তাদের দোয়া আমাদের সাথে আছে।
এর আগে বাংলার মানুষকে এভাবে এক হতে দেখেছেন.? আজকে বাংলার মা
26/10/2023
👍👍 হালাল রুজি 😍😍
👌
🎃