Dhaka Global Link

Dhaka Global Link

Share

"Dhaka Global Link" Provide the Proper guide & consultant for education to abroad. "Dhaka Global Link" Provide the best quality Student visa. pls..

call Dhaka Global Link and confirm your Dhaka Global Link Visa.

16/02/2025

মালয়েশিয়ার সেরা ও স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন আমাদের মাধ্যমে-
উচ্চ শিক্ষায় মালয়েশিয়া • 𝗦𝘁𝘂𝗱𝘆 𝗶𝗻 𝗠𝗮𝗹𝗮𝘆𝘀𝗶𝗮
✪ Diploma, Bachelor, Master, PhD
✪ Without IELTS also can apply
✪ No Bank Statement Needed
✪ Pay tuition fees after visa approval
কেন আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন :
১. স্টুডেন্টস তার সকল ফি নিজেই বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি জমা দিতে পারবেন।
২. সাবজেক্ট অনুসারে স্টুডেন্ট কে তার বেস্ট ইউনিভার্সিটি ও কলেজের এডমিশন হওয়াতে গাইড করা হবে।
৩. স্টাডিগ্যাপ সমস্যা নেই এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর প্রয়োজন নেই।
৪. কোর্সভেদে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি এবং স্কলারশিপের উপর গাইড করা হবে।
৫. স্টুডেন্টস নিজেই টিউশন ফি সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে পারবেন।
৬. কোন সার্ভিস চার্জ নেই।
✪ বিস্তারিত জানতে আমাদেরকে ম্যাসেজ করুন অথবা মেইল করুনঃ
✅Multimedia University (MMU)
✅University of Cyberjaya (UOC)
✅Management and Science University (MSU)
✅University Tenaga Nasional (UniTen)
✅University Kuala Lumpur (UniKL)
বিস্তারিত জানতে এখনই Whatsapp করুন এই নম্বরে -
📞+880 1717-928522
অথবা ই-মেইল করুন
[email protected]
👉To know more visit our office-
Zonal office-Doctor Mansion( 1st floor)
Bus-stand, Mohadevpur.

Head Office: H # 39, R # 17/A, Block # F, Banani

13/07/2024

🇲🇾 Study in Malaysia

✴ NO HIDDEN CHARGE ✴

স্বল্প খরচে এবং স্কলারশিপসহ মালয়েশিয়ার যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুবর্ণ সুযোগ এখন আপনার হাতের নাগালেই।

🎓🎓Available University - 🎓🎓

★ University technology Malaysia (
UTM)
★ University Putra Malaysia ( UPM)
★ Multimedia University ( MMU)
★ University Selengor ( Unisel )
★ Limkokwing University
★ City University
★ INTI International University
★ UNITAR International University
★ Lincoln University Malaysia
★ UCSI University
★ Cyberjaya University

দেশের সমপরিমান খরচে মালয়েশিয়ার বিশ্বমানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিসহ লেখাপড়ার সুযোগ

✅মালয়েশিয়ায় পড়াশোনার সুবিধাঃ

‌➡ আর্ন্তজাতিক মানের ডিগ্রি
‌➡ সহজে মানানসই আবহাওয়া ও কালচার
‌➡ বিশ্বের শীর্ষ ১০ স্টাডি ডেস্টিনেশনের একটি
‌➡ লিভিং এক্সপেন্স কম
‌➡ অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা ইউরোপে পরবর্তী পড়াশুনার সুযোগ
‌➡ পড়াশুনা শেষে চাকুরির সুযোগ
‌➡ ১০০% ভিসা
‌➡ কোন ব্যাংক সলভেন্সি দেখাতে হয়না

✅ WHY YOU SHOULD MEET TO US !!!

**স্টুডেন্টস তার সকল ফি নিজেই বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি জমা দিতে পারবেন* (No Risk at all)

দেশ থেকে একদম কাছে মালয়শিয়াতে যারা উচ্চশিক্ষার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য রয়েছে আমাদের একদল দক্ষ কাউন্সিলর যারা মালয়শিয়ার যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যাপারে আপনাকে দেবে সর্বোত্তম সহযোগিতা।

Admission, Credit Transfer, Scholarship, Visa, Accommodation, Travel সহ সবধরণের সহায়তা প্রদান করা হয়।

🏠Dhaka Office:

H # 2/4 ( 2nd floor)
R # kazi Nazrul islam Road,
Block # G
Lalmatiya, Dhaka.

Zonal Office:
Doctor Mansion( 1st floor), Main Road, Busstand,
Mohadebpur, Naogaon.

★Hotlines★
01717-928522

017300675615

13/05/2024

🇨🇦𝗖𝗔𝗡𝗔𝗗𝗔 𝗩𝗜𝗦𝗔🇨🇦

ক্যানাডা-র ভিসা পাওয়া অনেক কঠিন ব্যাপার এবং ভিসা পাবে না ভেবে অনেকে এপ্লাই-ই করতে চায় না। কিন্তু আপনার যদি ৪-৫ টি দেশ ভ্রমন, প্রোপার ডকুমেন্টস, ব্যাংক স্টেটমেন্টে ভালো পরিমান লেনদেন থাকলে আপনিও এপ্লাই করার মাধ্যমে পেয়ে যেতে পারেন পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর দেশ ঘুরে আসার সুযোগ।
ক্যানাডা দিচ্ছে ১০ বছর ভিসার মেয়াদ। যেখানে পার ভিজিটে আপনি থাকতে পারবেন ৬ মাস পর্যন্ত।

এছাড়াও ক্যানাডার ভিসা নিয়ে সকল তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন 𝗙𝗟𝗬 𝗔𝗜𝗥.𝗕𝗗-র সাথে। আমাদের অভিজ্ঞ ভিসা কনসালট্যান্ট- যারা আপনার সকল Documents নিখুঁত ভাবে প্রস্তুত করবে এবং ভিসা সম্পর্কে সঠিক পরামর্শ দিয়ে আপনাকে সহায়তা প্রদান করবে।

● Primary Documents Required ---->>
1. Passport with 6-month validity (with all previous Travel History)
2. Bank Statement & Solvency.
3. Trade license (All Previous Business History)
4. NOC Letter for Job Holder. (Last 10 years Employment history)
5. Visiting Card.
6. Education History.
7. NID Photocopy.
8. TIN Certificate (If Applicable)
9. Picture -2 Copies.
10. Spouse-NID/Marriage Certificate.
11. School ID/Birth Certificate Photocopy (children)
Additional documents may require depends on embassy.

এছাড়াও আপনার যে কোন তথ্য জানতে ভিজিট করুন আমাদের অফিসে অথবা কল করুন আমাদের official নাম্বার এ।

FOR ANY QUERIES ➡
Contact Us :
[Phone & WhatsApp]
01717-928522

Address: H-2/4, R- kazi nazrul islam road, Block- G, Lalmatiya, Dhaja-1207.

Photos from Dhaka Global Link's post 06/08/2023

Air Ticket available!!
Calk-01706-639750

03/08/2023

📍 জানুয়ারি ২৪ সেশনে ডেনমার্কে স্কলারশিপ সহ এডমিশনের ডেট লাইন খুবই সন্নিকটে🔥আপনি কি স্বপ্ন দেখছেন ইউরোপে পড়াশোনার পাশাপাশি আপনার স্বপ্নের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন? কিন্তু সঠিক গাইডলাইন আর বিশ্বস্ত মাধ্যম না পেয়ে আপনি চিন্তিত? এবার ইউরোপের দেশ ডেনমার্কে পড়াশোনার পাশাপাশি আপনার সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে পাশে আছে ক্রিয়েটিভ একাডেমি।
ইউরোপিয়ান সাঞ্জিন কান্ট্রি গুলোর মধ্যে ডেনমার্কে তুলনামূলক কম টিউশন ও 98% ভিসার রেশিও থাকায় বিশ্বের অন্যতম সুখী দেশ ডেনমার্কে হাজারো স্টুডেন্ট তাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে।
সেপ্টেম্বর বা ফেব্রুয়ারী যেকোন একটি সেশনে ব্যাচেলর কিংবা মাস্টার্স প্রোগ্রামে University of Copenhagen, Aarhus University, Aalborg University, IT University of Copenhagen, University of Southern Denmark সহ ডেনমার্কের স্বনামধণ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্কলারশীপ নিয়ে এডমিশনের সুযোগ করে দিচ্ছে Dhaka Global link..
ডেনমার্কে পড়াশুনার ক্ষেত্রে ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, হেলথ ইন্সুরেন্স কিংবা সোর্স অফ ইনকাম দেখানোর প্রয়োজন নেই।
সেইসাথে আমরা দিচ্ছি স্পাউসসহ এপ্লিকেশনের সুযোগ এবং কোন ফাইল ওপেনিং চার্জ বা ভিসার পূর্বে কোন পেমেন্টের ঝামেলা ছাড়াই এপ্লিকেশনের সুযোগ।
এছাড়াও ওয়ান টু ওয়ান কাউন্সিলিং ও ডকুমেন্টেশন এরেঞ্জমেন্টসহ 360° সাপোর্ট পাচ্ছেন এখানেই।
তাই আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে যোগাযোগ করুন এখনই।👇
হটলাইন:📞 01706-639750
ইমেইল: [email protected]
Dh@ka Global link
Lalmatiya, Dhaka.

31/07/2023

Education Fair -2023

28/07/2023

কানাডায় কি কি সুবিধা জেনে নেওয়া যাক...

পৃথিবীতে একটা দেশ বিশ্বের সমস্ত দেশের মানুষের কীভাবে সাহায্য করতে পারে, আশ্রয়দাতা হতে পারে তা কানাডায় না আসলে, না থাকলে বুঝতে পারতাম না।

এদেশে বসবাসকারীদের সরকার কতোভাবে সহায়তা দিয়ে থাকেন তা দুই-এক কথায় বলে বোঝানো যাবে না।

কয়েকটা উদাহরণ দিচ্ছি। আমি চিনি একজন Spanish মেয়েকে যে টরন্টোতে থাকে। দুই বছর আগে সে কানাডায় এসেছে তার স্বামীর সঙ্গে। স্বামী এসেছে স্টুডেন্ট ভিসায়। অর্থাৎ ছেলেটা স্টুডেন্ট ভিসায় তার বউ ও দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে মানে স্বপরিবারে কানাডায় এসেছে। ছেলেটা এখনো পড়াশোনা করছে। তাই সে পার্ট টাইম জব করে। এখনো অয়ার্ক পারমিটে যেতে পারি নি। এই Spanish পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা চার জন। ছেলেমেয়ে দুই জন ছোট। ছেলেটি পাঁচ-ছয় বছর বয়স। সে এখানকার সিটিজেনের মতো পাবলিক স্কুলে যায়। কোনো ফি বা টাকা খরচ হয় না। ফ্রি পড়ে। আর মেয়েটার দুই বছর বয়স। সে ডেকেয়ারে যাচ্ছে। ডেকেয়ারে এই বাচ্চা ফুল সাবসিডি পাচ্ছে। মানে ডেকেয়ারের যত খরচ সবই সরকার দিচ্ছেন। এখানে অবাক করা বিষয়টা হচ্ছে একজন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট যার কিনা এখনো অয়ার্ক পারমিট হয় নি তার বাচ্চারা পাবলিক স্কুলে ফ্রি পড়ছে আবার ডেকেয়ারে ফ্রি থাকছে। আপনাদের একটু বলে নিচ্ছি দুই বছরের বাচ্চার ডেকেয়ারের একদিনের খরচ $79 CAD অর্থাৎ মাসে $1,580 CAD যা বাংলাদেশের টাকায় একদিনের খরচ 6,320 টাকা। মাসে যদি হয় বিশ দিন তাহলে এক মাসের এই বাচ্চার ডেকেয়ারে রাখার খরচ হলো বাংলাদেশি টাকায় 1,26,400 এক লক্ষ ছাব্বিশ হাজার চারশো টাকার মতো যদি কানাডিয়ান 1 ডলার বর্তমানে ৮০ টাকার সমান হয়। তাহলে চিন্তা করেন ঐ Spanish পরিবারের শুধু পিচ্চি ঐ মেয়েটার ডেকেয়ারের খরচ বাবদ সরকার প্রতিমাসে দিচ্ছেন কতো টাকা! শুধু তো ডেকেয়ারের খরচ দিয়েই সরকার দায়িত্ব শেষ করেন নি। অন্যান্য সিটিজেন বা PR এর বাচ্চাদের মতো এই ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টের বাচ্চারা পাচ্ছে ফুল চাইল্ড বেনিফিটস। For each child: under 6 years of age: $7,437 per year ($619.75 per month) 6 to 17 years of age: $6,275 per year ($522.91 per month).
যাদের বেশি ইনকাম তারা এই বেনিফিটস কম পান। যারা কম ইনকাম তারা বেশি পান বা ফুল পান। এখানে একটা এমাউন্ট ধার্য করা আছে। যেহেতু ঐ স্টুডেন্টের ইনকাম কম তাই সরকারের সকল বেনিফিটস তারা পুরোটাই পাচ্ছে।

আবার ঐ স্টুডেন্টের বউ সে Open work permit এ আছে। মানে সে কানাডার যে কোনো employer এর অধিনে ফুল টাইম কাজ করতে পারবে। মেয়েটা মানে স্টুডেন্টের বউটা অলরেডি কুইবেকের একটা ডেকেয়ারে চাকরি পেয়েছে তাই টরন্টো ছেড়ে তারা কুইবেকের বাসিন্দা হতে যাচ্ছে।
এ তো দুই একটা উদাহরণ দিলাম।

তাহলে সমীকরণের কী ঘটল হিসেব করেন।

একজন স্টুডেন্ট সে তারা পুরো পরিবার নিয়ে আসল।
বউ বা স্পাউস open work permit পেল।
বাচ্চাদের স্কুল, ডে কেয়ারে ফ্রি।
চাইল্ড বেনিফিটস পাচ্ছে পুরোটাই।
আরো অনেক কিছু। পরে তারা সিটিজেন হবে।
পৃথিবীতে আর কোনো দেশ এতো বেশি সুযোগ দেয় কিনা আমার জানা নেই।

এখানে একটা কথা বলি, এ সুবিধা শুধু Spanish স্টুডেন্টের জন্য নয়। পৃথিবীর যে কোনো দেশের যে কোনো স্টুডেন্ট ভিসা হোল্ডারদের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। বাঙালিরাও অবশ্যই এসব সুবিধা পাবেন তাতে কোনো দ্বিমত নেই।

পৃথিবীর সবাই ভালো থাকুক।

কাজী হালিমা আফরীন
টরন্টো, কানাডা।

25/07/2023

আপনি যদি 🇺🇲 আমেরিকা যেতে আগ্রহী হোন বা আমেরিকা যদি আপনার স্বপ্নের দেশ হয়ে থাকে তাহলে এই লেখাটি কেবলই আপনার জন্য। আমরা সাধারণত আমেরিকান ভিসার কথা শুনলেই ভয় পেয়ে যাই, ভয় পেয়ে আর চেষ্টাই করি না। অথচ বাস্তবতা হলো , অন্যান্য দেশের ভিসার তুলনায় আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা পাওয়া টা অনেক সহজ। ভয় পাওয়ার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আপনাকে সঠিক উপায়ে চেষ্টা করতে হবে, তাহলেই আপনার ভিসা পাওয়ার সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ।

🔷 সর্বপ্রথম বলে নেই আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা আসলে কাদের জন্য? আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা কারা রাখে? এই বিষয়টি আমাদের পরিষ্কার হওয়া বেশ জরুরী। আমেরিকার মতো একটি দেশে যাওয়ার জন্য আপনার অবশ্যই পার্শ্ববর্তী এবং ভালো কিছু দেশ ট্রাভেল থাকাটা জরুরী। কোনো দেশ ট্রাভেল না করেই আপনি আমেরিকায় ঘুরতে চলে যাবেন এটির কোনো যৌক্তিকতা হতে পারে না৷ এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে কি সাদা পাসপোর্ট অথবা শুধু ইন্ডিয়া ভিজিটে আমেরিকার ভিসা হয় না? আপনি অনেক গুলো দেশ ট্রাভেল করলেই আমেরিকার ভিসা পেয়ে যাবেন ব্যাপারটা এমন নয়, আপনাকে সঠিক পলিসিটা জানতে হবে। ক্ষেত্র বিশেষে সাদা পাসপোর্টেও আমেরিকার ভিসা হয়ে থাকে। আপনার যদি নিজ পরিবারের কেও অর্থাৎ বাবা-মা, ভাই-বোন, ছেলে মেয়ে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কেও আমেরিকাতে থাকে তাহলে আপনি সাদা পাসপোর্টেও আমেরিকার ভিসা পাবেন। এছাড়াও যাদের বয়স একটু বেশি এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো তারা যদি আত্মবিশ্বাস এর সাথে ইন্টারভিউ দিতে পারে তাহলে সেসকল ব্যাক্তিরাও সাদা পাসপোর্টে আমেরিকার ভিসা পেতে পারে।

🔷 টুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে ইনভাইটেশন এর কোনো প্রয়োজন আছে কি? আমাদের উত্তর হলো না। টুরিস্ট ভিসার জন্যে ইনভাইটেশন প্রয়োজন নেই। কেও যদি আমেরিকাতে কোনো কনফারেন্স বা সেমিনার অথবা কোনো মেলায় যোগদান করতে চান সেক্ষেত্রে ইনভাইটেশন এর প্রয়োজন আছে। এছাড়া শুধুমাত্র ঘুরতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইনভাইটেশন এর কোনো প্রয়োজন নেই।

🔷 এবার আসি ডকুমেন্টস এর বিষয়ে। আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা সম্পুর্ণ ইন্টারভিউ নির্ভর একটি ভিসা৷ আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার জন্য ডকুমেন্টস নিয়ে চিম্তা করার কোনোই প্রয়োজন নেই। তবে হ্যাঁ, ডকুমেন্টস খুবই গুরুত্বপূর্ণ যদি কিনা আপনি আমেরিকার মেডিকাল/স্টুডেন্ট/বিজনেস ভিসার জন্য এপ্লাই করে থাকেন। এসকল ভিসার ক্ষের্তে এম্বাসি আপনার কাছে নানা প্রকার ডকুমেন্টস দেখতে চেতে পারে তবে টুরিস্ট ভিসার জন্য কোনো প্রকার ডকুমেন্ট এম্বাসি সচরাচর দেখতে চায় না।

🔷 আবার অনেকেই মনে করেন আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাক্ট এ করা যায়। ব্যাপারটা একদমই ভুল। আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাকে হয় না, ভুলেও এই কন্ট্রাকে এ যাবেন না, কারণ আমেরিকান এম্বাসির সাথে কারও লিংক বা লবিং থাকার কোন প্রশ্নই আসে না। কেউ যদি বলে থাকে আমেরিকা এম্বাসির সাথে লিংক আছে, তার মানে তিনি আপনাকে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে।

🔷 এবার আপনাদের আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা প্রসেস এর ব্যাপারে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা সাধারণতো ৫ বছরের মাল্টিপোল ভিসা হয়ে থাকে অর্থাৎ ৫ বছরের মধ্যে আপনি যতবার খুশি আমেরিকায় যাতায়াত করতে পারবেন। এই ভিসাটি মূলতো ২ টা জিনিস এর উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।

১. DS -160 ফর্ম অর্থাৎ এপ্লিকেশন ফর্ম এর উপর।
২. ছোট একটি ইন্টারভিউ এর উপর।

নির্ভুল ভাবে DS-160 ফর্ম ফিলাপ করে যদি আপনি আত্মবিশ্বাস এর সাথে ইন্টারভিউতে কন্সুলার অফিসারকে এটা বিশ্বাস করাতে পারেন যে আপনার আমেরিকা যাওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আছে এবং আপনি আমেরিকায় যাবেন এবং ফিরে আসবেন, তাহলেই আপনার ভিসা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

ইন্টারভিউ বাংলাদেশে সাধারণতো দুই ভাষায় হয়ে থাকে, বাংলা এবং ইংরেজী। আপনি চাইলে বাংলাতেও ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। ইন্টারভিউ সাধারণতো ২ থেকে ১০ মিনিটের হয়ে থাকে। আপনি আমেরিকা যাওয়ার যোগ্য সেটা এম্বাসিকে কি করে বুঝাবেন? সেটা বুঝাবেন আপনার এপ্লিকেশন ফর্ম এর মাধ্যমে অর্থাৎ Ds-160 এর ফর্ম এর মাধ্যমে। আমেরিকান এম্বাসির একটি অনলাইন ফর্ম আছে যার নাম DS-160 ফর্ম। এই এপ্লিকেশন ফর্ম অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই ফর্ম এর উপর আপনার ভিসা অনেকাংশ নির্ভর করে। তাই অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা ফর্মটি পূরণ করা উচিত। মূলত এই ফর্মটি আপনার ভিসা পাওয়ার পূর্ব শর্ত হিসাবে বিবেচিত হয়। আপনি বলতে পারেন ৭০% চান্স নির্ভর করে এই DS-160 ফর্ম এর উপর, বাকি ৩০% নির্ভর করে আপনার ইন্টারভিউ এর উপর। এই দুইটির সঠিক সফল কম্বিনেশন ই আপনার ভিসা পাওয়া চান্স নিশ্চিত করবে ইনশাআল্লাহ। বেশিরভাগ মানুষ যে ভুলটা বেশি করে থাকে সেটা হলো, DS 160 অদক্ষ কাওকে দ্বারা পূরণ করে ইন্টারভিউতে চলে যায়, এতে করে হয়তো কিছু টাকা বেঁচে যায় তবে ফলাফল হয় ভিসা রিজেকশন। আবার অনেকেই ভিসা পেয়েছেন তাঁদের থেকে ইন্টারভিউ এর গাইডলাইন নিয়ে ইন্টারভিউ ফেইস করতে চলে যায়, অথচ তার প্রোফাইল এবং উনার প্রোফাইল কিন্তু ভিন্ন। না এটা কখনই করবেন না আপনাকে আপনার প্রোফাইল অনুযায়ী ইন্টারভিউ এর গাইডলাইন নিতে হবে। মনে রাখবেন অল্প বিদ্যাভয়ঙ্কর জিনিস। ওষুধ এর দোকানদার আপনাকে পরামর্শ দিতে পারে, কিন্তু মনে রাখবেন তিনি কিন্তু ডাক্তার না। অনেকেই বলেন ভাই DS 160 কি আসলেই এতো জটিল কিছু? যেহেতু আমেরিকার মতো একটি দেশ সারাপৃথিবী থেকে এই ফর্ম এর উপর ভিত্তি করে ভিসা ইস্যু করে থাকে তাহলে আপনি নিজেই চিন্তা করুন এই ফর্ম কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আশাকরি উত্তর পেয়ে গেছেন। অর্থাৎ আপনি যদি ইন্টারকানটেক্টেড তথ্য দিয়ে চমৎকার ভাবে একটা কমপ্লিট DS 160 ফর্ম পুরুন করতে পারেন তাহলেই ইনশাআল্লাহ আপনি ভিসা পাবেন। কারণ ইন্টারভিউ এর আগে এই ফর্ম এর উপর স্টাডি করেই সাধারণতো আপনার ভিসা ইস্যু করে থাকে। আর ইন্টারভিউতো হয় মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিট, এই সময় এর মধ্যে আপনাকে আর কি বা যাচাই বাঁচাই করার থাকে। তাই অদক্ষ লোক দ্বারা ফর্ম ফিলাপ করলে আপনার ভিসা হওয়ার থেকে না হওয়ার সম্ভানাই বেশি থাকে। আরও একটা জিনিস মনে রাখবেন DS-160 ফর্ম এর তথ্য এবং আপনার ইন্টারভিউ এর তথ্য এই দুই এর মধ্যে চমৎকার ও শৈল্পিক একটা মিল থাকতে হবে।

নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস তৈরী করুন, সঠিক গাইড লাইন ফলো করুন, সঠিক তথ্য দিয়ে DS-160 ফর্ম ফিলাপ করুন, ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুতি নিন ইনশাআল্লাহ আপনার ভিসা কেউ আটকাতে পারবে না।

🔷 কিছু প্রশ্ন যা ক্লাইন্ট আমাদের সচরাচর করে থাকেন, সেগুলোর উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছি।

১. আমেরিকার ভিসার জন্য কতো টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স দেখাতে হবে?

উত্তরঃ যেতেতু আমেরিকার এম্বাসি ডকুমেন্টস দেখে না তাই ব্যাংক ব্যালেন্স তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ নয় তবে আপনি যতটুকু টাকা আমেরিকা ঘুরে আসার জন্য প্রয়োজন ততটুকু টাকা ব্যাংকে রেখে দিতে পারেন।

২. হোটেল বুকিং, প্লেনের টিকেট বুকিং এর কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা?

উত্তরঃ ভিসা পাওয়ার আগে পর্যন্ত এসব হোটেল বুকিং, প্লেনের টিকেট বুকিং এর কোনো প্রয়োজন নেই। এগুলা ভিসা পাওয়ার পর প্রয়োজন হয়।

৩. NOC/GO লাগবে কিনা?

উত্তরঃ ইন্টারভিউ এর সময় কন্সুলার অফিসার কখনই NOC/GO দেখতে চায় না তবে ইমিগ্রেশন পার হবার সময় ইমিগ্রেশন অফিসার NOC/GO দেখতে চাইতেও পারে।

৪. পিটিশন/ইমিগ্রেন্ট ফাইল এপ্লাই করা থাকলে টুরিস্ট ভিসায় এপ্লাই করা যায় কিনা?

উত্তরঃ অবশ্যই এপ্লাই করা যায়। একটি ইমিগ্রেন্ট ফাইল প্রসেস হতে ১০-১৫ বছর এর মতো সময় লাগে, এর মধ্যে আপনি চাইলে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন।

৫. এপ্লাই করলে ইন্টারভিউ ডেট কবে পাওয়া যাবে?

উত্তরঃ বর্তমানে আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার ইন্টারভিউ ডেট প্রায় ১ বছর পর পাওয়া যাচ্ছে। আমরা রিশিডিউল করে ইন্টারভিউ ডেট ৪ মাসের মধ্যে করে দিয়ে থাকি।

আরও অনেক প্রশ্ন থাকে যার সব উত্তর দেয়া পোস্টে সম্ভব নয়।

আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার এম্বাসি ফী 185$ ডলার যা বাংলাদেশ এর টাকায় কনভার্ট করলে আসে ২০,৩৫০ টাকা। এই টাকা শুধুমাত্র EBL অর্থাৎ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এ জমা দিতে হয়। এম্বাসি ফী জমা দিয়ে আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডেট নিতে হবে।

🔷 এম্বাসি ফী জমা দেয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন।
১. পাসপোর্টের স্কেন কপি
২. ১টি ফোন নাম্বার
৩. ১টি ইমেইল আইডি

🔷 এপ্লিকেশন করার জন্য যা যা প্রয়োজন

১. ছবি ২×২ সাইজ সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড (ল্যাব কপি)
২. আপনার মা -বাবার তথ্য
৩. আপনার শিক্ষাগত সকল তথ্য
৪. আমেরিকায় যদি আপনার পরিচিত কেও থেকে থাকে তার তথ্য।
৫. স্বামী বা স্ত্রীর তথ্য
৬. ব্যবসা/চাকরি জনিত সকল তথ্য
৭. পূর্ববর্তী ট্রাভেল হিস্ট্রি
৮. কোনো সংস্থায় জড়িত থাকলে সেই সংস্থার নাম

🔷 আমরা আপনাকে যে সকল সেবা দিয়ে থাকবোঃ

১. আপনার DS-160 ফর্ম সঠিক ও চমৎকার ভাবে পূরণ করে দিবো।
২. আপনার ইন্টারভিউ ডেট রিশিডিউল এর মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে আসবো।
২. আপনাকে ইন্টারভিউ এর সম্পুর্ণ গাইডলাইন দিয়ে দিবো।
৩. ইন্টারভিউ এর জন্য যে সকল ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা আমরা গুছিয়ে দিবো।

🔷 আমরা আমেরিকার যেসব ভিসা প্রসেসিং করে থাকিঃ

১. ভিজিট ভিসা (B1/B2)
২. বিজনেস ভিসা (B1)
৩. ড্রপ বক্সের মাধ্যমে ভিসা রিনিউ।

আমাদের ফোন নাম্বারঃ (ফোন করার সময় সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত)

📞 01706-639750 (whats app)
📞 01717-928522 (whats app)

খুব দ্রুত রেসপন্স পেতে সরাসরি ফোন করুন অথবা whatsapp এ knock করুন।

24/07/2023

সম্ভাবনাময় একটি দেশের নাম হচ্ছে মালয়েশিয়া। শিক্ষা এবং গবেষণায় তাঁরা বিশ্বের দরবারে অনন্য নজির স্থাপন করেছে। ২০২৪ সালের QS World Ranking এ মালয়েশিয়ার ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নিয়েছে। যার মধ্যে IIUM, UPM, UM, UTM এবং UMP হলো আন্তর্জাতিক ছাত্রদের প্রথম পছন্দে।

Dh@ka Global Link একজন স্টুডেন্টকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা, EMGS করা, ভিসা আবেদন করা এবং সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া পর্যন্ত সহযোগিতা করতে কোনোরকম ফি গ্রহণ করেনা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল টাকা আপনি ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টে প্রদান করতে পারবেন।

স্বল্প খরচে ICT, Engineering, Education, Architecture, Laws, Islamic Studies-সহ আপনার পছন্দের বিষয়ে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

মোবাইল নাম্বার
+8801706-239750

24/07/2023

আপনি যদি ভ্রমণ পিপাসু হন তবে অবশ্যই ঘুরে আসুন মিশর থেকে
মিশর এমন এক গন্তব্য যা কেবল পিরামিডের জন্যই বিখ্যাত নয়, এখানে বেশ কয়েকটি মাজার, মন্দির এবং প্রাচীন ফারাও রয়েছে। এগুলি ছাড়াও রয়েছে বিস্তীর্ণ মরুভূমি, বিখ্যাত নীল নদী পদচারণা, স্কুবা ডাইভিং, সৈন্যের প্রায়শ্চিত্তের দক্ষিণ সিনাই অঞ্চল এবং বহু বিশ্ব বিখ্যাত সুন্দর রেস্তোঁরা এবং বাজেট হোটেল এবং রিসর্ট রয়েছে। আপনার তথ্যের জন্য মিশরের কয়েকটি প্রধান আকর্ষণ নিম্নরূপ-
১. গিজার পিরামিডস
২. ইসলামিক কায়রো
৩. আবু প্রতীক
৪. সিওয়া ওএসিস
৫. লাক্সারের কর্ণক মন্দির এবং রাজ্যের উপত্যকা
৬. আসওয়ান
৭. মিশরীয় যাদুঘর
৮. সাদা মরুভূমি
৯. সেন্ট ক্যাথেরিন মঠ
১০. আলেকজান্দ্রিয়া
তুলনামূলকভাবে, মিশর বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির তুলনায় একটি সস্তা এবং সুন্দর দেশ, যেখানে প্রত্যেকে তাদের বাজেট অনুসারে একটি সফরের পরিকল্পনা করতে পারে। সুতরাং আপনি যদি অদূর ভবিষ্যতে এভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তবে মিশরের মতো আর কোনও বিকল্প থাকবে না।

22/07/2023

মনযোগ দিয়ে পড়ুন অথবা টাইমলাইনে শেয়ার করে রেখে দিন :
আপনি যদি আমেরিকা যেতে আগ্রহী হোন বা আমেরিকা যদি আপনার স্বপ্নের দেশ হয়ে থাকে তাহলে এই লেখাটি কেবলই আপনার জন্য।

আমরা সাধারণত আমেরিকান ভিসার কথা শুনলেই ভয় পেয়ে যাই, ভয় পেয়ে আর চেষ্টাই করি না। অথচ বাস্তবতা হলো, অন্যান্য দেশের ভিসার তুলনায় আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা পাওয়া টা অনেক সহজ। ভয় পাওয়ার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আপনাকে সঠিক উপায়ে চেষ্টা করতে হবে, তাহলেই আপনার ভিসা পাওয়ার সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

কি কি করলে আপনি খুব সহজেই আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা পেতে পারেন এ ব্যাপারে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা সাধারণতো ৫ বছরের মাল্টিপল ভিসা এবং এই ভিসাটি মূলতো ২ টা জিনিস এর উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।
১. DS -160 ফর্ম অর্থাৎ এপ্লিকেশন ফর্ম এর উপর।
২. ছোট একটি ইন্টারভিউ এর উপর।

আপনাকে অবশ্যই আমেরিকা যাওয়ার যৌক্তিক কারন দেখাতে হবে। আপনি যদি ইন্টারভিউ এর সময় ভিসা অফিসারদের বুঝাতে পারেন,আপনার আমেরিকা যাওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আছে এবং আপনি আমেরিকায় যাবেন এবং ফিরে আসবেন, তাহলেই আপনার ভিসা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

কিছু কিছু কান্ট্রি ভিজিট করা থাকলে সেটা নিঃস্বন্দেহে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটা সহায়ক ভূমিকা পালন করে কিন্তু এর মানে এই নয় যে ভিজিট করা থাকলেই আপনি আমেরিকার ভিসা পেয়ে যাবেন । আপনাকে সঠিক পলিসি টা জানতে হবে। আমেরিকার ভিসা সাদা পাসপোর্টেও হয়ে থাকে।
বেশির ভাগ মানুষের ধারণা এই ভিসা করতে অনেক কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় বা অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়, এই ধারণাটিও সঠিক না, অন্যান্য দেশের মতো এটি ডকুমেন্ট বেইসড ভিসা না, এটি সম্পূর্ণ ইন্টারভিউ এর উপর নির্ভর করে ভিসা হয়ে থাকে। অনেকেই প্রশ্ন করেন, ভাই ডকুমেন্ট না দেখলে উনারা কি ভাবে বুঝবে আমি আমেরিকা যাওয়ার যোগ্য বা আমেরিকা গিয়ে আমি ফেরত আসবো? এটা বিচার করবে প্রথমতো আপনার এপ্লিকেশন ফর্ম অর্থাৎ DS 160 ফর্ম দেখে, তারপর আপনার সাথে ইন্টারভিউ এর সময় কথা বলে।

ইন্টারভিউ বাংলাদেশে সাধারণতো দুই ভাষায় হয়ে থাকে, বাংলা এবং ইংরেজী। আপনি চাইলে বাংলাতেও ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। ইন্টারভিউ সাধারণতো ২ থেকে ১০ মিনিটের হয়ে থাকে।
আপনি আমেরিকা যাওয়ার যোগ্য সেটা এম্বাসিকে কি করে বুঝাবেন? সেটা বুঝাবেন আপনার এপ্লিকেশন ফর্ম এর মাধ্যমে অর্থাৎ Ds-160 এর ফর্ম এর মাধ্যমে। আমেরিকান এম্বাসির একটি অনলাইন ফর্ম আছে যার নাম DS-160 ফর্ম। এই এপ্লিকেশন ফর্ম অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই ফর্ম এর উপর আপনার ভিসা অনেকাংশ নির্ভর করে। তাই অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা ফর্মটি পূরণ করা উচিত। মূলত এই ফর্মটি আপনার ভিসা পাওয়ার পূর্ব শর্ত হিসাবে বিবেচিত হয়। আপনি বলতে পারেন ৭০% চান্স নির্ভর করে এই DS-160 ফর্ম এর উপর, বাকি ৩০% নির্ভর করে আপনার ইন্টারভিউ এর উপর।

এই দুইটির সঠিক সফল কম্বিনেশন ই আপনার ভিসা পাওয়া চান্স নিশ্চিত করবে ইনশাআল্লাহ।
DS-160 ফর্ম এর তথ্য এবং আপনার ইন্টারভিউ এর তথ্য এই দুই এর মধ্যে চমৎকার একটা মিল থাকতে হবে। অদক্ষ লোক দ্বারা ভিসা ফর্ম পূরণ করলে আপনার ভিসা হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

আবার অনেকেই মনে করেন আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাক্ট এ করা যায়। আমেরিকার ভিসা কন্টাক্ট এ হয় না, ভুলেও এই কন্টাক্ট এ যাবেন না, কারণ আমেরিকা এম্বাসির সাথে কারও লিংক বা লবিং থাকার কোন প্রশ্নই আসে না। কেউ যদি বলে থাকে আমেরিকা এম্বাসির সাথে লিংক আছে, তার মানে তিনি আপনাকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে।

নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস তৈরী করুন, সঠিক গাইড লাইন ফলো করুন, সঠিক তথ্য দিয়ে DS -160 ফর্ম ফিলাপ করুন, ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুতি নিন ইনশাআল্লাহ আপনার ভিসা কেউ আটকাতে পারবে না।

আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, যেটা ম্যাক্সিমাম ক্লায়েন্ট করে থাকেন সেটা হলো ভাই আমেরিকা যেতে কতো টাকা লাগে?

আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার ফী ১৬০ ডলার যা বাংলাদেশ এর টাকায় কনভার্ট করলে আসে ১৬,৮০০ টাকার মতো। এটাই আমেরিকান টুরিস্ট ভিসার মূল খরচ। এই টাকা শুধুমাত্র EBL অর্থাৎ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এ জমা দিতে হয়। এই টাকা জমা দিয়ে ইন্টারভিউ এর ডেট নিতে হয়। বাকি চার্জ একেক এজেন্সী একেক রকম নিয়ে থাকেন। যারা এ বিষয়ে স্পেশালিস্ট , তাঁদের ভিসা হওয়ার পার্সেন্টেজ ও অনেক বেশি। তাই আমাদের পরামর্শ হলো এজেন্সী সিলেক্ট করার আগে খোঁজ খবর নিয়ে,ভালো ভাবে যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিন। দরকার হলে ১০টা এজেন্সী ঘুরে সিদ্ধান্ত নিন, একটা কথা মনে রাখবেন, যে ডাক্তার সকল রোগের ট্রিটমেন্ট করে সে ডাক্তার কিন্তু খুব বেশি একটা ভালো হয় না, তাই যেসব এজেন্সী সব দেশের ভিসা নিয়ে কাজ করে থাকেন তার কাছে না গিয়ে, যে এজেন্সী শুধুমাত্র আমেরিকা নিয়ে কাজ করে তাদের কাছেই কাজ করানোটাই উত্তম।

অনেকেই আমাদের ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করে থাকেন ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা ব্যাংক সলভেনসি লাগবে কি না? এসব ডকুমেন্ট আপনি ইন্টারভিউ এর সময় নিয়ে যেতে পারেন, ইন্টারভিউ অফিসার এসব ডকুমেন্ট দেখতেও পারে নাও দেখতে পারে।

পরিশেষে ৩ টি কথা মাথায় রাখবেন, আপনার ভিসা তখন ই হবে যখন আপনি -
১. DS -160 সঠিক ও চমৎকার ভাবে পূরণ করবেন।
২. ইন্টারভিউ এর সময় আপনার আমেরিকা যাওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারবেন।
৩. আপনার আমেরিকা থেকে ফেরত আসার যথেষ্ট ভালো কারণ দেখাতে পারবেন।

আমরা আপনাকে যে সকল সেবা দিয়ে থাকবোঃ
১. আপনার DS-160 ফর্ম সঠিক ও চমৎকার ভাবে পূরণ করে দিবো।
২. আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ট্রেনিং দিয়ে পুরোপুরি তৈরী করবো।
৩. ইন্টারভিউ এর জন্য যে সকল ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা আমরা গুছিয়ে দিবো।
আপনি কি ড্রেস পড়ে যাবেন, কিভাবে যাবেন, কি পেপার নিয়ে যাবেন, এই ব্যাপারে আপনাকে সঠিক গাইড লাইন দিবো।

প্রসেসিং শুরু করতে যেসব ডকুমেন্ট লাগে (চাইলে এসব ডকুমেন্ট আপনি হোয়াটস্যাপ করে পাঠিয়ে ও কাজ শুরু করতে পারেন )
১. পাসপোর্ট এর রঙিন কপি
২.দুইটা ফোন নাম্বার
৩. একটা ইমেইল আইডি।

আপনি ঢাকার বাহিরে থেকে কাজ করতে চাইলে আমাদের হোয়াটস্যাপ নাম্বারে এই ৩ টা জিনিস দিলেই আমরা আপনার সাথে কাজ শুরু করতে পারবো।
বিঃদ্রঃ বাংলাদেশ ছাড়াও প্রবাসের যেসব দেশ থেকে আমাদের সাথে কাজ করতে পারেন সেসব দেশের তালিকা গুলো হলোঃ
১. সৌদি আরব
২. সিঙ্গাপুর
৩. মালয়েশিয়া
৪. কাতার
৫. বাহরাইন
৬. ওমান

আপনার যদি কোন আত্মীয় এসব কান্ট্রি তে থেকে থাকে তবে পোস্ট টি শেয়ার করে তাঁদের দিতে পারেন।

আমরা আমেরিকার যেসব ভিসা প্রসেসিং করে থাকিঃ
১. ভিজিট ভিসা (B1/B2)
২. মেডিকেল ভিসা (B2)
৩. বিজনেস ভিসা (B1)
৪. ড্রপ বক্সের মাধ্যমে ভিসা রিনিউ।
৫. যারা এম্বাসি ফী দিয়েছেন কিন্তু আইডি, পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন বা আপনাদের কাছে কোন এক্সসেস নাই বা এম্বাসি ডেট কতো তারিখ জানেন না তারাও চাইলে আমাদের হেল্প নিতে পারেন।

আমাদের ফোন নাম্বারঃ
+880 1706-639750(whats app)
খুব দ্রুত রেসপন্স পেতে সরাসরি ফোন করুন
অথবা whatsapp এ knock করুন।
আমাদের ঠিকানাঃ
House # 2/4, Road # kazi nazrul islam road,
Block # G, Lalmatiya, Dhaka.
Contact: +8801706-639750(whats app)
Mail: [email protected]

22/07/2023

Study abroad service!
Call- 01706-639750

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


2/4 Kazi Nazrul Islam Road, G/Block, Lalmatiya
Dhaka