19/10/2025
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ৬ষ্ঠ সভা শনিবার (১৮ অক্টোবর ২০২৫) বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব শামসুল আলম লিটন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আরিফুল বারী মজুমদার, সদস্য সচিব জনাব মোঃ কামরুজ্জামান লিটু, সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সিরাজুল হক চৌধুরী, জনাব ইমতিয়াজ আহম্মেদ (অনলাইনে), জনাব মোসা. কামরুন নেহার, জনাব তানভীর ইসলাম পাটোয়ারী, জনাব সেলিনা বেগম, জনাব মোঃ জোনায়েত আহমেদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
08/10/2025
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ আয়োজিত সিএসই টেক ফেস্ট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ একজন সিএসই বা টেক রিলেটেড সকল ছাত্রদের জন্য।
কিন্তু আমাদের এমন ফেস্ট আরো বেশি করতে হবে + এই ফেস্টে কুইজ, পোষ্টার, নাচা-গানায় সীমাবদ্ধ না বাস্তবিক কাজে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে আমাদের অতীশ দীপঙ্করের ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরে জাতীয় বা বিভিন্ন ইন্টার ইউনিভার্সিটি কনটেস্টে অংশগ্রহণ করার মৌলিক সাহস পাবে।
06/10/2025
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ্র চত্বরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কেক কেটে এবং ফুল দিয়ে শিক্ষকমন্ডলীকে সম্মান ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (বিওটি) চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
16/09/2025
আমাদের এলামনাই মিট আপ কি হবে না?
10/04/2023
Emergency ব্লাড লাগবে
রক্তের গ্রুপ : AB+( পজেটিভ)
Patient:
Place: Labaid Hospital, Newmarket
Contact: 01722924455
Date: Ergent
please share the msg with your nearest one or share this in the blood group for managing the blood as soon as possible.
03/02/2023
আমাদের প্রথম পুনর্মিলনী -২০২৩।
এসো মিলি প্রাণের টানে, এগিয়ে চলি সময়ের তানে❤️
Adustian
29/10/2022
বর্তমান বিশ্ব হচ্ছে জ্ঞানভিত্তিক। মানসম্পন্ন শিক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত ও কার্যকর জ্ঞান অর্জন করতে হয়। যারা যত বেশি প্রায়োগিক জ্ঞান অর্জন করতে পারে; তারাই প্রতিযোগিতামূলক সমকালীন বিশ্বে টিকে থাকার যোগ্যতা অর্জন করে। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবতা হতাশাজনক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ হলো গবেষণা। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণায় খুব একটা মন নেই। সবার মন-মানষিকতা আজ নতুন ক্লাব ও নিজেদের কোরাম নিয়ে ব্যাস্ত।
অতীতের আর বর্তমানের অবস্থা নিয়ে কিছু বাস্তবতা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
পাশে থাকুন প্রিয় Adustian 🖤
28/09/2022
THROWBACK 😊
🥰 ADUST SUCCESS STORY 😍
"Youth symposium:Unity for peach & Hermony"
ADUST Team are selected as 1st runners up
They started our journey at 24th June. There was 25 universities and 15 colleges participate in the symposium. After the 1st round they r just selected 20 universities and after the 2nd round selected only just 7 universities for the Final including them.
This is a great success for all ADUSTIAN family.
Well done boys & girls. Go Ahead
27/09/2022
অতীত ও বর্তমান
পর্ব ১
বলছিলাম অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীত ও বর্তমান সময় নিয়ে আমার কিছু মিষ্টি ও তেঁতু অভিজ্ঞতার কথা।
আমার দেখা অতীশের ২০১৫-২০২২।
এই সময়টাকে আমি দুই ভাগে ভাগ করবো।
১- করোনা মহামারীর আগের সময়,
২- মহামারির পরের সময়।
১-প্রথমে বলি করোনার আগের কথা বল্লে একদম চলে যেতে হবে বনানীর ৪ নাম্বার রোডের ৮৩ নাম্বার বাসা।
একটি মাত্র বিল্ডিং কি সুন্দর পরিপাটি করে সাজানো ডিপার্টমেন্ট। মনোরম কেন্টিন, কমন রুম, নামাজ রুম, এক কথায় সাধ্যের মাঝে সবটুকু যাকে বলে। সবছে বড় কথা তখন প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট এর বড় ভাইবোন-বন্ধু, ছোট ভাই-বোন একত্রে বলতো 𝗪𝗲 𝗮𝗿𝗲 𝗔𝗗𝗨𝗦𝗧𝗜𝗔𝗡🥰।
সবার মধ্যে একটা বন্ধন কাজ করতো। বড় ভাই-বোন কে কোন ডিপার্টমেন্টের এসব দেখতাম না, একসাথে সকলে কেন্টিনে বসে আড্ডা মারতাম।
চা, সিংগাড়া হতে বার্গার, স্যান্ডউইচ, ফ্রাইড রাইস সহ সবই মিলতো আতিয়ার মামার কেন্টিনে। প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট এর স্যার ও শিক্ষার্থীদের নাস্তা হতে দুপর ও রাতের খাবার খেতাম সবাই একত্রে বসে। আনোয়ার মামার চায়ের দোকানতো আলাদা করে বলার কিছু নাই!!🥰🥰
ক্লাস শেষ করে এমন ও হয়েছে বহু বার রাত ৯-১০ টা অব্দি আড্ডা দিয়ে মিরপুর যেতাম, আবার পর দিন সকাল ৮ঃ৩০এ ক্লাস করতাম🦋🥰
কখনও ক্লান্ত হতাম না। একদিন ভার্সিটি না আসলে মনে হতো যেন কতদিন যাইনি ভার্সিটি🥰
কতো কতো প্রোগ্রাম করেছি এক সাথে! কে FST, কে Law, কে BBA, কে TEXTILE, কে Agribusiness, কে Pharmacy, কে English এসবের attitude নাকরে সবাই একত্রে কাজ করতাম। ভার্সিটির সবাই মিলে গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, সাভার ও কক্সবাজারে ৪ দিনের ট্রীপ সহ কত ছোট ছোট ট্রীপ ছিলো, আহ সোনালী দিন!!💜 আর হ্যাঁ, এর ভিতর ছোট বড় অনেক ঝামেলাই হয়েছে, কিন্ত সমাধানও হয়েছে, বাদদেই সে সব।
তারপর উত্তরায়, এলোমেলো ডিপার্টমেন্ট, এলোমেলো সব কিছু, কিন্তু সবার ভিতর বন্ধন ছিল সেই আগের মতোই🥰
কিন্তু বড় ভাইয়েরা অনেকে চলে গেলো নতুন মুখ আসলো সব মিলিয়ে ভালোই চলছিল।
২- এরই মাঝে চলে আসলো করোনা, মুহুর্তেই যেন সব বদলে গেলো। করোনার পর ভার্সিটির অনেক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু মানবিক মূল্যবোধটা হারিয়ে গেছে একেবারেই। আমি জুনিয়রদের কোন দোষ দিচ্ছি না আমি, দোষ দিবো আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও ভার্সিটির অথরিটিকে তারা সেই সময়ের নবীন ছাত্রদেরকে সেইভাবে গাইড করতে পারে নাই। উল্টো নিজেদের ভিতরে বিকাশ ঘটিয়েছে নোংরামি আর দলবাজির।
নতুন ছাত্রদের শিখিয়েছে তুমি EEE, তুমি CSE, তুমি Law, তুমি BBA ব্লা ব্লা ব্লা...... কি পেয়েছেন সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলি সম্মানিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ????
আপনাদের উত্তরের অপেক্ষায় আছি...
আমি বলছি সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলি কী পেয়েছেন...!
১। এক ডিপার্টমেন্ট স্যার-মেমদের অন্য ডিপার্ডমেন্টের জুনিয়র ছাত্ররা অসম্মান করে।
২। ভার্সিটির বাসে ছাত্ররা বসে থাকে আপনারা তাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এমন অনেক কিছু... আমার দেখা সম্মানিত রেজিস্ট্রার স্যার একদিন করিডোর দিয়ে ভিসি স্যারের রুমে যাচ্ছিলেন আমার চোখের সামনেই কম করে হলেও ৩০-৪০ টা ছেলে ছিলো ওই করিডোরে একটা ছেলেও স্যারকে সালামতো দূরের কথা! সাইডও দেওয়া হচ্ছিলো না। আমি ওসব ছাত্র দের দোষ দিচ্ছি না। কারন তারা চিনেই না কে রেজিস্ট্রার, কে ভিসি, কে এক্সাম কন্ট্রোলার, কে কোন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক, কার সাথে কেমন শিষ্টাচার করা উচিত🥲😶
শেষে আমি আমার জুনিয়র ভাই বোনদের কিছু বলবো, মনে রেখো এই ভার্সিটি তোমার অন্য কারোর না। তোমার টাকায় এই বিশ্ববিদ্যালয় চলে। ভার্সিটির লাইটাও জ্বলে তুমার টাকায়।
১০ বছর পর বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করে গর্বকরে যেন বাচ্চাদের বলতে পারো তুমি এডাস্টিয়ান🥰
সেভাবেই নিজেদেরকে তৈরি করো, নিজেদের অধিকার আদায় করো।
ভালো করে পড়াশোনা করো, শিক্ষকদের সম্মান করো, বড়দের কথা মেনে চলো, ছোটদের সাথে ভালো ব্যাবহার করো।
তোমরাই এডাস্টিয়ান আমরাই এডাস্টিয়ান 🥰👫👭🧑🤝🧑
সকল এডাস্টিয়ান দের জন্য রইলো আন্তরিক ভালোবাসা ও অভিনন্দন🥰🥰
আরেক দিন লিখবো যদি তোমরা পাশে থাকো।🥰
22/06/2022
আসসালামুয়ালাইকুম।
বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি তে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো লক্ষ্যে ফান কালেকশন শুরু হবে। আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য।