BCS Study & Job Preparation

BCS Study & Job Preparation

Share

Prepare yourself for any composition

Photos from BCS Study & Job Preparation's post 06/04/2025

বিভিন্ন পদে ডাক অধিদপ্তর এর অধীনে জেনারেল ম্যানেজার এর কার্যালয় , ডাক জীবন বীমা, পূর্বাঞ্চল, ঢাকাতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি - ০৮/০৪
Deadline: 8 Apr 2025

৩০ পদে ডাক অধিদপ্তর এর অধীনে জেনারেল ম্যানেজার এর কার্যালয় , ডাক জীবন বীমা, পূর্বাঞ্চল, ঢাকাতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

Apply: http://pliec.teletalk.com.bd/

Photos from BCS Study & Job Preparation's post 04/04/2025

দৈনিক পত্রিকা এবং অনলাইন থেকে সংগ্রহীত গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান সংকলন– মার্চ ২০২৫
পুরো মার্চ মাসের সাধারণ জ্ঞান একত্রে

02/04/2025

৭। অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে? উঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭- ১৯১১) ★★
১। মীর মশাররফ হোসেন সম্পাদিত পত্রিকা দু’টির নাম কি কি? উঃ আজীজননেহার ও হিতকারী।
২।মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম গ্রন্থ কোনটি? উঃ রত্নবতী
৩। মীর মশাররফ হোসেনের নাটক গুলো কি কি? উঃ জমীদার দর্পণ, বসন্তকুমারী, বেহুলা
গীতাভিনয়, টালা অভিনয়, নিয়তি কি অবনতি, ভাই ভাই এইতো চাই, ফাঁস কাগজ, একি, বাঁধা খাতা ইত্যাদি।
৪। মীর মশাররফ হোসেনের গদ্য ও অন্যান্য গ্রন্থগুলো কি কি? উঃ রত্নবতী, বিষাদসিন্ধু, গোজীবন, উদাসীন পথিকের মনের কথা, তহমিনা, রাজিয়া খাতুন, এসলামের জয়, মৌলুদ শরীফ, গোরাই ব্রিজ, পঞ্চনারী, বিবি খোদেজার বিবাহ মদীনার গৌরব ও মুসলমানের বাংলা
শিক্ষা। [ fb/BDCareerGuide ]
৫। মীর মশাররফ হোসেনের একমাত্র প্রহসন কি? উঃ এর কি উপায়?
৬। মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসের নাম কি? উঃ গাজী মিয়াঁর বস্তানী
৭। মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কি কি ? উঃ আমার জীবনী ও কুলসুম জীবনী। এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার
৮। মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম কি ছিলো? উঃ গাজী মিয়াঁ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১)★★
১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার পিতামাতার কততম সন্তান? উঃ তিনি তাঁর মা বাবার চতুর্দশ সন্তান।
২। কত বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়? উঃ তের বছর বয়সে।
৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম কি? উঃ কবি কাহিনী।
৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত নাটকের নাম কি? উঃ বাল্মীকি প্রতিভা।
৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থেউপন্যাসের নাম কি? উঃ বৌ ঠাকুরাণীর হাট।
৬। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত ছোট গল্পের নাম কি? উঃ ভিখারিনী।
৭। বাংলা ছোট গল্পের জনক বলা হয় কাকে? উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।
৮। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কি? উঃ ভানুসিংহ ঠাকুর।
৯। গীতাঞ্জলি কাব্য কত সালে প্রকাশিত হয়? উঃ ১৯১০ সালে।
১০। গীতাঞ্জলি বা Song Offerings এর ভূমিকা লেখেন কে? উঃ ইংরেজ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস।
www. prebd. com
১১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলো কি কি? উঃ ভানুসিংহ, গীতাঞ্জলি, , প্রভাত সংগীত, সন্ধ্যা সংগীত , বিচিত্রা, পূরবী,, পত্রপুট, শ্যামলী, মহুয়া, সোনার তরী , খেয়া, হিন্দুমেলার উপহার , ক্ষণিকা, নবজাতক, নৈবেদ্য, জন্মদিন, রোগশয্যা, আরোগ্য , কণিকা, চৈতালি, চিত্রা, মানসী, বনফুল, মায়ার খেলা , ছবি ও গান , বলাকা, সানাই , গীতালি, কল্পনা, কড়ি ও কোমল
ও শেষ লেখা।
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
ভানুসিংহ গীতাঞ্জলির প্রভাত সংগীত, সন্ধ্যা সংগীত ও বিচিত্রা গাইতে গাইতে পূরবী, পত্রপুট, শ্যামলী ও মহুয়াকে সাথে নিয়ে সোনার তরী খেয়ায় করে হিন্দুমেলার উপহার কিনতে গেল। এদিকে সেদিন ছিলো ভানুসিংহের স্ত্রী ক্ষণিকার নবজাতক নৈবেদ্যর জন্মদিন। ক্ষণিকা রোগশয্যা থেকে আরোগ্য লাভ করার পর তার বোন কণিকা, চৈতালি, চিত্রা ও মানসীদের নিয়ে বনফুলের মিষ্টি খেলো। বাসায় ফেরার আগে তারা বলাকা সিনেমা হলে মায়ার খেলা ছবি ও গান দেখল। ভানু সিংহ তার নবজাতক পুত্রের কথা শুনে সানাই ও গীতালি বাজাতে বাজাতে কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যায় এবং কড়ি ও কোমল নিয়ে বাসায় ফিরে এসে তার বিখ্যাত শেষ লেখাটি পুত্রকে উৎসর্গ করেন।
১২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলো কি কি? উঃ শেষের কবিতা, যোগাযোগ, চোখের বালি,
গোরা, চতুরঙ্গ, ঘরে বাইরে ও চার অধ্যায়।
১৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটকগুলো কি কি? উঃ বিসর্জন, রাজা, ডাকঘর, অচলায়তন, চিরকুমার সভা, রক্তকবরী ও তাসের দেশ।
১৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কতবার ঢাকায় আসেন? উঃ ২ বার।
বেগম রোকেয়া (১৮৮০-১৯৩২) ★★
১। বেগম রোকেয়ার রচিত উপন্যাসের নাম কি? উঃ পদ্মরাগ।
২। বেগম রোকেয়ার গ্রন্থ সমূহ কি কি? উঃ সুলতানার স্বপ্ন, ডিলিসিয়া, অবরোধবাসিনী, পদ্মরাগ ও মতিচূর।
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
সুলতানার স্বপ্ন ছিলো ডিলিসিয়াদের মত অবরোধবাসিনীদের মুক্ত করে তাদের হাতে
পদ্মরাগ ও মতিচূর ফুল তুলে দেবেন।
৩। বেগম রোকেয়া মূলত কি হিসেবে পরিচিত? উঃ মুসলিম নারী জাগরনের অগ্রদূত।
৪। বেগম রোকেয়ার লেখাগুলো কোন কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হত? উঃ নবনূর, সওগাত ও
মোহাম্মাদী।
ছন্দে ছন্দে মনে রাখা যায়ঃ
সুলতানার স্বপ্ন ছিলো ডিলিসিয়াদের মত অবরোধবাসিনীদের মুক্ত করে তাদের হাতে পদ্মরাগ ও মতিচূর ফুল তুলে দেবেন।

01/04/2025

১০,০৬৬ + পদের বাছাইকৃত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি একত্রে
৩৩টি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সংশোধনী

৫. বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড (bsb)
Update News

02/06/2024

#বিসিএস টিপস, অলসদের জন্য - আপনি যদি অলস, আকাইম্যা, ঘুমকাতুরে, ব্যর্থ, সাপ্লিখাওয়া ও ব্যাকবেঞ্চার হয়ে থাকেন তাহলে এই পরামর্শ গুলো আপনার বিসিএস পরীক্ষার জন্য কাজে লাগবে।
৫ পর্ব এক সাথে

পর্ব ১: লাইফস্টাইল
আপনি যদি সিরিয়াস, কর্মঠ ও ভালো ছাত্র হয়ে থাকেন তাহলে এই লেখা আপনার জন্য নয়। কিন্তু আপনি যদি আমার মতো অলস, আকাইম্যা, ঘুমকাতুরে, ব্যর্থ, সাপ্লিখাওয়া ও ব্যাকবেঞ্চার হয়ে থাকেন তাহলে এই পরামর্শ গুলো আপনার বিসিএস পরীক্ষার জন্য কাজে লাগবে।
১. প্রথমেই কোচিং করার পরিকল্পনা বাদ দেন। আপনি যেহেতু অলস তাই জ্যাম ঠেলে কোচিং যাওয়া আসা, ক্লাস করা এসব আপনার পোষাবে না। তার চেয়ে বরং যে সময়টা রাস্তায় কাটাতেন সেই সময়টা ঘুমিয়ে কাটান। আর ক্লাসের সময়টা বাসায় বসে একটু পড়েন।
২. কোন স্ট্রিক্ট রুটিন করার দরকার নাই। কারন অলস মানুষ হিসেবে আপনি দেরিতে ঘুম থেকে উঠেন। নাস্তা খান দুপুরে, ভাত খান বিকালে। আপনার কোন কিছুরই ঠিক ঠিকানা নাই। তাই স্পেসিফিক রুটিন করলে ফলো করতে পারবেন না। ব্যর্থ হবেন। তাতে মন খারাপ হবে। হতাশা আসবে।
৩. পড়ায় সিরিয়াস হতে যেয়ে বিনোদন মূলক কাজকর্ম থেকে দূরে থাকবেন না। তাহলে মানসিক চাপ বাড়বে। বাংলাদেশের খেলা মিস দেওয়া যাবে না। বিকালে আপনার মতো আকাইম্যা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন। একটু ঘুরাঘুরি করবেন। ‘হাওয়া বদল’, ‘আশ্চর্য প্রদীপ’, ‘ভুতের ভবিষ্যত’ বা ‘আয়নাবাজি’ মতো বিনোদনমূলক চলচ্চিত্রগুলো দেখবেন। তবে হিন্দি সিরিয়াল দেখবেন না। মাথা নষ্ট হয়ে যাবে।
৪. পরীক্ষায় পাস করতে হবে এই চিন্তা বাদ দেন। আপনি সাপ্লিখাওয়া স্টুডেন্ট। ব্যর্থতা আপনার নিত্য সংগী। তাই পাস করতেই হবে এই চিন্তা করে মনের উপর চাপ বাড়ানোর দরকার নাই। ফুরফুরে থাকেন, নিজের মতো পড়েন। তারপর পাস করে গেলে লোকজন বলবে “পোলাডা যে জিনিয়াস এইডা কিন্তু আমি আগেই জানতাম”।
৫. আপনার বাসার লোকজন যেমন আব্বা, আম্মা, ভাইবোন সবাই আপনাকে বলবে “ওমুক বাড়ির আক্কাস মিয়ার পোলা মুকলেস জীবনে কত কিছু কইরা ফেলাইলো, তুই ঘুমাইয়া ঘুমাইয়া জীবনটা শেষ কইরা দিলি”। এসব কথা শুনার সাথে সাথে বইটা বন্ধ করে মনে মনে ভাববেন আপনি মুকলেস না। আপনি হচ্ছেন আপনি। আপনি বেশি ঘুমান মানে আপনি বেশি এনার্জেটিক। তাই সফলতার পিছনে না দৌইড়া নিজের উপর বিশ্বাস রাখেন। আর পরীক্ষার আগের ছয় মাস থেকে আত্মীয়স্বজন থেকে দূরে থাকেন।
আজ এই পর্যন্তই। পড়াশোনা কিভাবে করবেন সেটা আরেকদিন বলবো। তবে সেই কৌশলটাও হবে ঘুমের মতো আনন্দদায়ক

পর্ব ২: শুরুটা করবেন কিভাবে?
আমাদের মত অলসদের প্রধান সমস্যা কোন কাজ শুরু করা। আমরা অনেক অনেক পরিকল্পনা করি। তারপর ভাবি ঘুম থেকে উঠেই কাজ শুরু করবো। তারপর ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে টায়ার্ড হয়ে আবার ঘুমিয়ে রেস্ট নেই। তাই আজকের প্রধান আলোচনা কিভাবে পড়া শুরু করবেন। প্রথমেই বলে নেই আমি আপনাকে পড়ার টেকনিক শেখাবো না। সেটা সম্ভবও না। সবারই নিজস্ব টেকনিক আছে। আমি শুধু আপনাকে কয়েকটা কাজের কথা বলবো যেগুলো করলে আপনি বিভিন্ন ঝামেলা থেকে বেঁচে যাবেন।
১. আপনি নিশ্চয়ই বিভিন্ন সাজেশন, বড় ভাইয়ের হ্যান্ড নোট, বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের লেকচার শিট, পেপারকাটিং এসব জোগার করে ফেলেছেন? এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ন। সবগুলোকে একটা বস্তায় ভরুন। তারপর ফেরিওয়ালার কাছে বিক্রি করে সেই টাকায় আইসিক্রম খান।
২. প্রফেসর, ওরাকল, এমপিথ্রি, এস্যুরেন্স ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকাশনীর বই একসেট করে এবং ডাইজেস্ট, এসএসসি ও এইচএসসি’র বোর্ডের বই, হুমায়ুন আজাদের লাল নীল দীপাবলী এসব কেনা হইছে? হয় নাই? কন কি? তাড়াতাড়ি যান। তারপর দোকানে যেয়ে সবগুলা নাম মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দেন। মনে রাখবেন আপনি অলস কিন্তু আঁতেল না। তারপর বেছে বেছে প্রতি সবাজেক্টের যেই বইটা আপনার কাছে সহজ লাগে সেটা কিনেন। কঠিন বই পড়ার কোন অতিরিক্ত সুবিধা নাই। আর যদি ইতিমধ্যে সবধরনের বইয়ের পাহাড় জমানো হয়ে যায় তাহলে দরকারী গুলো বাছাই করেন। আর বাকিগুলা আগের মতো বস্তায় ভরে বিক্রি করে সেই টাকায় কটকটি খান। মোটামোটা দুই একটা বই আলাদা রাখেন। কেন পরে বলতেছি।

৩. এতক্ষনে নিশ্চই জ্ঞানীগুনীরা আপনারে পরামর্শ দেওয়া শুরু করছে যে বিসিএস এ চান্স পেতে হলে ১২-১৩ ঘন্টা পড়াশোনা করতে হয়। কেউ কেউ নাকি ১৫ ঘন্টাও পড়ে। এইরকম পরামর্শ দিতে আসলে আগে সরাইয়া রাখা মোটা বইগুলা থেকে একটা তুলে তার মাথায় বাড়ি মারেন। কারন সে চাপাবাজ। হয় সে কখনোই বিসিএসে পাস করে নাই আর না হয় আপনাকে নার্ভাস করাই তার উদ্দেশ্যে।
৪. এখন কয়ঘন্টা পড়বেন? শুরুর ৫দিন কোন পড়াশোনার দরকার নাই। ঘুম, বিনোদন, খাওয়া দাওয়ার পর যে সময় পাবেন তা থেকে একঘন্টা সময় বের করে বইগুলো একটু ঘাটাঘাটি করুন। প্রতিটা পাতা উল্টিয়ে উল্টিয়ে দেখুন। কোন কিছু মুখস্ত করবেন না। শুধু টপিকগুলোর উপর চোখ বুলান। ২৪ ঘন্টায় মাত্র একঘন্টা সময় দিচ্ছেন, তাই সাবধান এই একঘন্টায়, নো মোবাইল, নো ফেসবুক, নো টিভি, নো আইপিএল, নো সানিলিওন, নো ফুশুর ফুশুর উইথ গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড। এই একঘন্টা শুধু অখন্ড মনযোগ।
৫. প্রথম পাঁচ দিনের পর দ্বিতীয় পাঁচ দিন দুইঘন্টা করে পড়বেন। এর মাঝে প্রতি আধাঘন্টায় ৫ মিনিট বিরতি দিবেন। তবে উঠবেন না। তার পরের পাঁচদিন তিন ঘন্টা। এভাবে ২৫ দিন পর আপনি দৈনিক ৬ ঘন্টা পড়াশোনার একটা রুটিনে পৌছবেন। তারপর আর বাড়নোর দরকার নাই। পরীক্ষার একমাস আগে পর্যন্ত আপনি এই ৬ ঘন্টার রুটিন চালিয়ে যাবেন। তবে এই ছয় ঘন্টা একটানা করার দরকার নাই। দুইঘন্টা পর পর ব্রেক নিবেন। অথবা সকালে তিনঘন্টা ও রাতে তিনঘন্টা এভাবেও পড়তে পারেন সেটা আপনার ইচ্ছা। কিন্তু যেভাবেই হোক দিনে ছয় ঘন্টা পড়তে হবে। ৬ ঘন্টার কোটা পুরন হওয়ার পর আপনি স্বাধীন। তারপর ফেসবুক, ক্রিকেট, সানিলিওন, দীপিকা, শাকিব, অপু সব চালাতে পারবেন।

পর্ব ৩: দ্য ম্যাজিক বুক
প্রথমে একটা গল্প দিয়ে শুরু করি। গ্রামের এক সহজসরল লোক তার দজ্জ্বাল বউয়ের জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে ঠিক করলো, আর না, এবার সে পরিবার ছেড়ে সন্ন্যাসী হয়ে যাবে। সেই পরিকল্পনা মতো এক রাতে নদীর ঘাটে যেয়ে নৌকায় চড়ে বসলো। সারারাত স্রোতের বিপরীতে নৌকা চালালো। সকাল বেলা দেখে নতুন এলাকাটা যেনো কেমন চেনা চেনা লাগে। গ্রামের এক মহিলা নদী থেকে পানি নিয়ে আসলো। তো সেই লোক সেই গ্রাম্য বধুকে জিজ্ঞেস করে “এটা কোন ঘাটগো মা”। মহিলা তার দিকে কতক্ষন তাকিয়ে থেকে বললো “ওরে মিনসে, তুই এখানে, আর সারারাত আমি খুজে মরছি। এখন আবার বউকে মা ডাকা হচ্ছে। গাজা, ভাং খেয়েছিস নাকি সারারাত?”। ততক্ষনে সেই লোক খেয়াল করলো, সে সারারাত নৌকা বেয়েছে ঠিকই, কিন্তু খুটির সাথে যে দড়ি দিয়ে নৌকা বাধা ছিলো সেটা খুলতেই তার মনে নেই।
যাকগে সেই বোকা লোকের কথা। আপনারা এখন বলুন আপনাদের কি কখনো এমন হয় নি, যে সারাদিন বই নিয়ে বসে আছেন। খাওয়া নাই, নাওয়া নাই কিন্তু দিন শেষে দেখা গেলো তেমন কিছুই পড়া হয় নাই। ঘুরেফিরে কয়টা পাতাতেই আটকে আছেন? আসলে এমন হয় কারন আপনি বই নিয়ে বসে ছিলেন ঠিকই, কিন্তু মনোযোগ ছিলো অন্যদিকে। যাদের এমন হয় তাদের জন্যই এই টিপস ‘দ্য ম্যাজিক বুক’। ম্যাজিক বুক কোন বই না। এটা একটা খাতা। সেটা বানাবেন আপনি নিজেই এবং নিজের জন্যই। কেমন হবে সেই ম্যাজিক বুক কৌশল দেখে নিন।

১. প্রথমেই একটা খাতা বানাবেন। সেটা ভালো মানের হার্ডকাভারের নোট বুক হলেই ভালো হয়। সস্তা জিনিস হলে গুরুত্ব এমনিতেই কমে যাবে। নোট বুকের প্রথম পাতায় সুন্দর করে যে পরীক্ষার জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছেন সে পরীক্ষার নাম লিখেন।
২. তার পরের পৃষ্ঠায় যতগুলো সাবজেক্ট আছে, সবগুলোর নাম লিখেন। প্রতিটা সাবজেক্টের পাশে সে সাবজেক্টের যেসব বই কিনেছেন তার নাম লিখেন।
৩. তারপর যেকোন একটা পছন্দের সাবজেক্ট বাছাই করেন। পরের পৃষ্ঠায় সেই সাবজেক্টের নাম লিখে তার নিচে সেই সাবজেক্ট রিলেটেড গুরুত্বপূর্ন চ্যাপ্টার গুলোর নাম লিখেন।
৪. এবার আপনার আসল কাজ শুরু। প্রথমেই যেকোন একটা চ্যাপ্টার বাছাই করেন। বাছাই করে সে চ্যাপ্টারের কি কি টপিক আছে সেটার একটা লিস্ট তৈরী করেন। লিস্টটা গুরুত্বপূর্ন। টপিক বড় হলে সেটাকে কয়েক ভাগে ভাগ করে নেন। যেমন: জাতিসংঘ টপিকটা বড়। আপনি ভাগ করবেন এভাবে, জাতিসংঘ-১, জাতিসংঘ-২, জাতিসংঘ-৩। এমন ভাবে ভাগ করবেন যাতে একটা ভাগ/টপিক পড়তে বড়জোর ২০-২৫ মিনিট সময় লাগে।
৫. এখন ঠিক করেন আপনি প্রতিদিন অন্তত ৫টা টপিক পড়বেন। শুরুতে ১০ মিনিট টপিকটা রিভিশন দিবেন। তার পরের ১০ মিনিটে ভালো করে বুঝার চেষ্টা করেন। পরের ৫-১০ মিনিট আপনি সেই অংশটা ভালো করে রিভিশন দেন। (এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার) এই পুরো ৩০ মিনিট হচ্ছে আপনার একটা লুপ। এই তিরিশ মিনিট অখন্ড মনযোগ দিতে হবে। এই সময় অবশ্যই আপনি ক্যান্ডিক্রাশ, সিওসি, ফেসবুক, আইপিএল, সানি লিওন, গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড ইত্যাদি থেকে দূরে থাকবেন। ৩০ মিনিট শেষ হওয়ার পর অবশ্যই এই টপিকটা পড়া বন্ধ করবেন ও পরবর্তী টপিকে যাবেন। এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার
৬. প্রতিটা টপিক পড়া শেষ হওয়ার পর লিস্টে সেটার পাশে বড় করে গোল কিরে চিহ্ন দিবেন। যখনই আপনার মনে হবে ধুর কিছুই তো পড়া হলো না তখনই সেই লিস্টের দিকে তাকাবেন। সেই লিস্টের বড় বড় গোল করে দাগানো চিহ্নগুলোই আপনাকে মনে করিয়ে দিবে আপনার কিছু না কিছু পড়া হচ্ছে। প্রতিদিন ৫ টা করে টপিক পড়লেও তিরিশ দিনে আপনার ৫ গুন ৩০ = ১৫০ টা টপিক পড়া হবে। ১৫০ টা বিষয়ে জ্ঞান নেহাত ফেলনা নয়। এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার
৭. শুরুতে যদি আপনি দৈনিক ৫ টা করে টপিক পড়ার অভ্যাস করতে পারেন দেখবেন আস্তে আস্তে সেই সংখ্যাটা বেড়ে ১০ এ চলে যাবে। যখন আপনি দৈনিক ১০ টা করে টপিক পড়তে পারবেন তখন আপনি প্রতি মাসে ১০ গুন ৩০ = ৩০০ টা টপিক পড়বেন। চিন্তা করা যায় !!!
৮. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন কথা প্রতিদিন একবার এই খাতাটাতে চোখ বুলাবেন। দেখবেন বিভিন্ন টপিকের পাশে গোলগোল চিহ্ন দেওয়ার একটা নেশা পেয়ে বসবে। এটা একধরনের সেলফ মোটিভেশনের কাজ করবে।

পর্ব ৪: গাইড পড়ার পাশাপাশি কি করবেন?
প্রথমে একটা প্রশ্ন করি। বলেন তো ভিখু ও প্রাচী কোন গল্পের চরিত্র? জানি সবাই বলবেন মানিক বন্দোপাধ্যায়ের প্রাগৈতিহাসিক। ঠিক, এটাই উত্তর। এবার বলেন কে কে এই গল্পটা পড়েছেন? নাহ, এবার হয়তো সবাই হাত তুলবেন না। কারন আমি জানি আপনারা গল্পটা পড়েন নাই। শুধু প্রশ্নের উত্তর গুলো মুখস্ত করেছেন। সবার অবস্থা ঠিক এমনই। সবাই শুধু প্রশ্ন মুখস্ত করে। কোন বিষয় ভালো করে বুঝে পড়ে না। কোন টপিকের ভিতরে ঢুকার চেষ্টা করে না। ফলাফল যা হওয়ার তাইই হয়। সাময়িক ভাবে কোচিং এর পরীক্ষা গুলো ভালো করা যায়। কিন্তু মূল পরীক্ষায় একটু ঘুরিয়ে প্রশ্ন করলেই খেল খতম।
শুধু সাহিত্য না, সব বিষয়েই এমন অবস্থা হয়। আমরা শুধু কারেন্ট এফেয়ার্স মুখস্ত করি। কোন খেলোয়ার কয়টা পদক পেলো সেইটা পড়ি, কিন্তু কোন খেলা দেখি না। টিভিও দেখি না। দেখলেও শুধু খবর দেখি, নাহয় হিন্দি সিরিয়াল। রাজনীতির খবরও রাখি না। রাখলেও শুধু দেশের কিছু টুকরো খবর রাখি। বিশ্ব রাজনীতিতে কত কিছু ঘটে যায়, সেগুলোর খোজ নেই না। নিলে শুধু কারেন্ট এফেয়ার্সএ যতটুকু ততটুকুই নেই।(এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার) ফলে আমরা হয়ে পড়ি একটা তোতাপাখি। আমাদের জ্ঞান হয় শুধু মুখে মুখেই। মাথায় কিছুই থাকে না। বিসিএস এ চান্স না পেলেই সেই জ্ঞান অর্থহীন হয়ে যায়।
এখন হয়তো ভাবছেন এতকাজ অলস মানুষ কেমনে করবে? আসলে আপনারা যেই মুখস্ত করেন সেটাই বেশি কঠিন। মুখস্ত করতে যে সময় লাগে সেই সময়ে যেকোন বিষয়ের ভেতরে ঢুকে বিষয়টা বুঝা যায়। সেটা মাথায় থাকে বেশিক্ষন। খেলা দেখলে আর মুখস্ত করতে হয় না কে কয়টা পদক পেলো। সাথে সাথে খেলাদেখার আনন্দও পেলেন আবার জিনিসটাও মাথায় থাকলো। ঠিক তেমনি গল্পগুলো পড়লেও একই লাভ।
তাই সহজ বুদ্ধি গাইড বইয়ের পাশাপাশি বেশি বেশি সাহিত্যে পড়েন, ভালো ভালো সিনেমা দেখেন, খেলা দেখেন, বিশ্বরাজনীতির খবর রাখেন। তাহলে বিসিএসএ পাস না করলেও কোন না কোন জায়গায় আপনার জ্ঞান কাজে লাগবে। কারন সবার বিসিএস হবে না সেটা ঠিক। কিন্তু জীবনে মানুষ হয়ে উঠার জন্য আপনার জ্ঞানের বিকল্প নাই। আর সেই জ্ঞান শুধু গাইড বা নোট বই পড়ে হবে না।

পর্ব ৫: ওস্তাদের মার শেষ রাতে
আপনি যেহেতু এইলেখা পড়ছেন তাই ধরেই নিচ্ছি আপনি অলস মানুষ। আবার আপনি চাচ্ছেন বিসিএস পরীক্ষায় পাস করতে। কিন্তু ভায়া এটা এত সহজ কাজ না। কিন্তু আপনি পারবেন, কারন এতদিন অলসতা করে আপনি শক্তি সঞ্চয় করেছেন, ঘুমিয়েছেন, রেস্ট নিয়েছেন তাই আপনার মাঝে এখন প্রচুর শক্তি। এই শক্তি কাজে লাগিয়ে আপনাকে শেষ সময়ে ওস্তাদের ভূমিকা নিতে হবে। সার্কুলার হয়ে গেছে। এখনই সময় আপনার খেল দেখানোর আসল সময়। অন্তত এই সময়টা পড়াশোনা করেন। তবে অতিরিক্ত সিরিয়াস হতে যেয়ে সব ভন্ডুল করে দিবেন না। এই সময়টা খুব ট্রিকি। বুদ্ধি করে কাজে লাগাতে হবে।
যা যা করবেন:
১. এখনই বই খাতা নিয়ে পড়তে বসে যান। কাল বসবো এই কথা বলবেন না। কাল কখনোই আসবে না। আজই এখনই বসুন। এক পৃষ্ঠা হলেও পড়ে স্টার্ট করুন।
২. কতক্ষন পড়বেন? ১৮-২০ ঘন্টা পড়ার চিন্তা ছেড়ে দিন। এটা সম্ভব না। ৬ ঘন্টা দিয়ে শুরু করুন। বাড়াতে বাড়তে ৮ঘন্টা পর্যন্ত নেন। ৮ ঘন্টা যদি পরীক্ষা পড়তে পারেন তাহলে যথেষ্ট।
৩. সাজেশনের পিছনে দৌড়াদৌড়ি করবেন না। সাজেশন দিয়া কেউ পরীক্ষায় পাস করে না। নিজের সাজেশন নিজেই তৈরী করেন। এন্ড্রয়েড অ্যাপ - জব সার্কুলার
৪. ছোট ছোট টার্গেট করে পড়েন। টার্গেট যাতে বড় না হয়। বড় টার্গেট করলে পুরন করতে পারবেন না। হতাশা বাড়বে। এক্ষেত্রে তৃতীয় পর্বে দেওয়া ম্যাজিক বুক টেকনিকটি ফলো করতে পারেন।
৫. গাদা গাদা বই, নোট, পত্রিকা সংগ্রহ করার পেছনে সময় নষ্ট করবেন না। শুরুতে যেকোন একটা প্রকাশনীর বই দিয়ে শুরু করুন।
৬. পড়াশোনাটাকে কোন মতেই চাপ হিসেবে নিবেন না। আনন্দের সাথে পড়ুন, দেখবেন পড়া এগুচ্ছে।
৭. অবশ্যই খাওয়া, ঘুম আর বিশ্রাম এই তিনটা জিনিস ঠিক রাখবেন।
যা যা করবেন না:
১. বিসিএস পাস করতেই হবে, না করলে জীবন শেষ এমন মনোভাব ত্যাগ করুন। মনে রাখবেন সবাই কখনোই পাস করবে না। তাই আপনার যোগ্যতা থাকার পরও আপনি যাতে বাদ না পড়েন সেই চেষ্টাই করুন।
২. অন্যের সাথে নিজের তুলনা করবেন না। আপনার বন্ধু অনেক পড়ে ফেলেছে কিন্তু আপনি কিছুই পড়েন নি এমন ভাবার দরকার নাই। নিজের মতো পড়তে থাকুন। কে কতো আগে সিলেবাস শেষ করলো তার সাথে পরীক্ষায় ভালো করার কোন সম্পর্ক নেই।
৩. পরীক্ষার আগে আত্মীয়স্বজনদের বাসা, বিয়ে, জন্মদিন এসব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। আত্মীয়স্বজনদের প্রত্যাশ্যার চাপ আপনার উপর মানসিক চাপ বাড়াবে।
৪. ওমুক স্যারের বই, তমুক স্যারের বই না পড়লে চান্স পাওয়া যায় না এসব আলোচনা থেকে দুরে থাকুন। বিশ্বাস করুন আমি ভাইবা পাস করার পর এমন অনেক বইয়ের নাম শুনেছি যেগুলো না পড়লে নাকি পাস করা সম্ভব না।
সবশেষে একটাই কথা আত্মবিশ্বাস ধরে রাখার চেষ্টা করুন। নিজের প্রতি বিশ্বাস না থাকলেই আপনি ভালো করতে পারবেন।

ডা: কামরুল হাসান রাহাত
বিডিএস (ঢাকা ডেন্টাল কলেজ)
৩৫ তম বিসিএস (স্বাস্থ্য)

Photos from BCS Study & Job Preparation's post 01/06/2024

#ডাক অধিদপ্তর এর উপজেলাপোস্ট মাস্টার পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান - ২০২৪
পরীক্ষার তারিখঃ ৩১ মে ২০২৪

Photos from BCS Study & Job Preparation's post 16/09/2023

বাংলাদেশ পুলিশ এর ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) পদের বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষা (Aptitude Test and Viva-voce Test) বিস্তারিত সময়সূচী- ১০/১০
পরীক্ষার তারিখঃ ২৩ সেপ্টেম্বর - ১০ অক্টোবর ২০২৩

ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) অব পুলিশ পদে নিয়োগ ২০২৩ এর Computer Competency Test পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ‍বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষা (Aptitude Test and Viva-voce Test) বিস্তারিত সময়সূচী-

#পোর্ট #নিয়োগ #পায়রা

Photos from BCS Study & Job Preparation's post 08/09/2023

আজকে অনুষ্ঠিত সকল পরিক্ষার সমাধান একসাথে।


দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদের MCQ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান- ২০২৩
পরীক্ষার তারিখঃ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (mra) এর সহকারী পরিচালক পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান - ২০২৩
পরীক্ষার তারিখঃ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন এর ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান- ২০২৩
পরীক্ষার তারিখঃ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

#পোর্ট #নিয়োগ #পায়রা

Photos from BCS Study & Job Preparation's post 08/09/2023

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন এর ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান- ২০২৩
পরীক্ষার তারিখঃ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

#পোর্ট #নিয়োগ #পায়রা

08/09/2023

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ (ppa) তে বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি - ২১/০৯
Deadline: 21 Sep 2023

Apply: http://ppa.teletalk.com.bd/

আবেদন শুরুঃ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

#নিয়োগ #পায়রা #পোর্ট

Photos from BCS Study & Job Preparation's post 05/09/2023

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (bpsc) এর অধীনে বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি - ০৩/১০
Deadline: 3 Oct 2023

Apply: http://bpsc.teletalk.com.bd/ncad/

আবেদন শুরুঃ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

#নিয়োগ

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
8200