14/01/2025
😡😡😡😡😡😡
হ*ত্যlর ভয় দেখিয়ে অসহায় মুসলিম মেয়েকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধ*র্ষণ করল হি'ন্দু যুবক, থানায় অভিযোগ দেওয়ায় বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ।
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানার রাণীরবন্দরের ১নং নশরতপুর ইউনিয়ন এর বশির মেম্বার পাড়ায় এক অসহায় মুসলিম মেয়েকে হ*ত্যlর ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধ˚র্ষ˚ণ করে একই গ্রামের রুকন পাল নামের এক হি'ন্দু যুবক।
প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন ভয় ভীতি এবং তার মাকে মা*রার হুমকি দেখিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক নি'র্যাতন করে রুকন পাল (কালু)।
ধ˚র্ষ˚ণের পর হুমকি-ধামকি ও শারীরিক নির্যlতনে অতিষ্ট হয়ে, গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ থানায় একটি মামলা করে মুসলিম মেয়েটি। এরই জের ধরে চলতি মাসের ৭ জানুয়ারিতে মেয়েটির বাড়ির চতুর্দিক খড় দিয়ে পেট্রোল ঢেলে আ গু ন লাগিয়ে এই পুরো মুসলিম পরিবারকে পুরিয়ে মারার হ˚ত্যl চেষ্টা করে রুকন পাল (কালু)।
আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, ঘটনার প্রায় ১ মাস কেটে গেলেও এখন পর্যন্ত এই ভয়াবহ অপরাধের দায়ে হি'ন্দু যুবককে আটক করেনি পুলিশ। অন্যদিকে অপরাধী ও তার সহযোগীরা এখনো মুসলিম মেয়ে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দিয়েই চলেছে।
ভিডিও সাক্ষাৎকারের লিংক কমেন্টে...
#সীরাহ
27/09/2024
💕 সে বোঝা নয় সে আমার ভাই 💕
দ্বিতীয় বিশ্বযু*দ্ধের সময় জাপানের এই ছেলেটি তার মৃত ভাইকে কবর দিতে পিঠে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। একজন সৈন্য তাকে লক্ষ্য করে এবং মৃ ত শিশুটিকে বোঝা বলে তাকে ফেলে দিতে বলে যাতে সে ক্লান্ত না হয়। ছেলেটি তখন জবাব দেয়-
"সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই!"
সৈনিকটি বুঝতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। সেই থেকে এই ছবিটি জাপানে ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠে। এটি তাদের নীতিবাক্য হয়ে যায়-
"সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই/সে আমার বোন।" (“He’s not a burden, he’s my brother/sister")
যদি সে পড়ে যায়, তাকে উঠান। ক্লান্ত হলে তাকে সাহায্য করুন। যদি তার সামর্থ্য দুর্বল হয়, পাশে দাঁড়ান। আর যদি সে ভুল করে থাকে, তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিন। পৃথিবী যদি তাকে পরিত্যাগ করে তবে তাকে আপনার পিঠে নিন,
কারণ সে বোঝা নয়, সে আপনার ভাই/বোন!
20/09/2024
উপজাতিরা বাংলাদেশী না হয়ে আদিবাসী হতে চায় কেন? প্রশ্ন করেছেন কখনো?
করেন নাই, কারণ আপনি জানেন না আদিবাসী দাবির পেছনে কী ষড়যন্ত্র লুকানো আছে!
এছাড়া তারা দেশে এক আইন ও একই রকম অধিকার চাইতে পারতো কিন্তু তাও তারা চায় না। তারা চায় আদিবাসী স্বীকৃতি। কিন্তু কেন?
এর কারণ হচ্ছে-
আদিবাসী স্বীকৃতি আদায় করতে পারলে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে তারা আরেকটা নতুন রাষ্ট্র তৈরি করার সুযোগ পাবে, (জাতিসংঘের ২০০৭ সালের ঘোষণা অনুযায়ী)।
হ্যাঁ এটাই তাদের মনের ভেতর লুকানো আসল উদ্দেশ্য। এজন্যই তারা আদিবাসী স্বীকৃতি চায়। এর বাইরে আর কোন উদ্দেশ্য নাই। দেশি-বিদেশি অনেকেই এখানে জড়িত।
অথচ নৃতত্ত্ব ও ইতিহাস বলছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিরা বাংলাদেশে অভিবাসী হয়ে এসেছিল ঠিক রোহিঙ্গাদের মতো এবং ফিলিস্তিনের বুকে ইজরাইলীদের মতো আজ থেকে প্রায় একশ দুইশ বছর আগে। অথচ আজ সেইসব অভিবাসীরা ই স রা ই লি দের মত বাংলাদেশের আদিবাসী দাবী করে বসছে। কী আশ্চর্য! তাই না! বাংলাদেশের আদিবাসী তো আমরা বাঙালিরাই।
যাইহোক, এই সময়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের উস্কানিতে উপজাতিরা এই দাবি নিয়ে হাজির হচ্ছে, আর পাহাড়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অশান্তি তৈরি করছে, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আর উপজাতিরা নির্যাতিত নিপীড়িত এরকম নানান বানোয়াট ছবি ভিডিওর গুজব অনলাইনে ছড়াচ্ছে!
কাজেই, আদিবাসী দাবি করা রাষ্ট্রদ্রোহিতা। এর বিরুদ্ধে প্রত্যেকটা বাংলাদেশীকে অবশ্যই সরব হতে হবে। নইলে ভবিষ্যতে পাসপোর্ট নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে যেতে হবে।
22/08/2024
আলহামদুলিল্লাহ! পেট্রোল পাম্পের মালিক বলছে উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত বোটের জন্য তেল ফ্রি, অপারেটর বলছে নেট ফ্রি, বরিশালের এক মন্দিরের পূজার টাকা দান করেছে, বিকাশের সকল কর্মচারী তাদের একদিনের বেতন অনুদান দিয়েছে।
শুকনো জায়গার মালিক আশ্রয় দিয়ে বলছে থাকা ফ্রি- সাধারন মানুষ বলছে খাবার ভাগ করে খাবো।
জেগে উঠেছে নতুন বাংলাদেশ - সারা দেশের মানুষের মাঝে আজ তৈরী হয়েছে এক অভূতপূর্ব ঐক্য।💯💯💯
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
13/08/2024
মনে কি পড়ে বিশ্বজিৎ এর কথা
বিশ্বজিতেরা সংখ্যালঘু না।
13/08/2024
আসল সংখ্যালুঘু কারা? আওয়ামীলীগের সময় গত ১৫ বছর ধরে হিন্দুরা সরকারী উচ্চ পদে এক অদৃশ্য কোটায় নিযুক্ত পেত। উপর সারীর বড় বড় সচিব হিন্দু। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সিংহভাগ হিন্দু। বাংলাদেশের মোট ৬০০+ থানার প্রায় অর্ধেকে ওসি হল হিন্দু। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয় পুরোটাই হিন্দুদের কব্জায়। এছাড়া অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাদই দিলাম। এত সুবিধা দেয়া সেই মাতা আজ নেই। তাই প্রতিবাদ তো চলবেই।
আজ মুসলিমরা হিন্দুদের মন্দির গার্ড দিচ্ছে, অন্যদিকে তারা হাসিনার প্রতি ওয়াফাদারী দেখিয়ে প্রতি বিপ্লবের দুয়ার খুলে দিচ্ছে। অথচ আওয়ামীলীগ আমলে আসল সংখ্যালুঘু ছিল ধর্ম প্রাণ প্রাক্টিসিং মুসলিমরা। জামায়াত শিবির, চেতনা বিরোধী ও সর্বশেষ জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে হাজার হাজার মুসলিম যুবকের উপর অত্যাচার ও যুলমের স্টিমরোলার চালানো হয়েছে। দাঁড়ি-টুপি, হিজাব তথা ইসলামের বিধান পালনকারীদের হেও ও অপমানিত করা হয়েছে। মুসলিমদের দমন নামে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাথে মিলে হিন্দুরা বায়তুল মুকাররোম মসজিদে ঢুকে মুসলিমদের কুপিয়েছে, দাঁড়ি টেনেছে। ওসি প্রদিপ শতাধিক মুসলিম নারীকে ধর্ষণ করেছে। হিন্দু পুলিশরা জেলে নিয়ে মুসলিমদের উপর নৃশংস নির্যাতন করেছে। আমি যদি বলি এই সকল কিছু তারা নিজ ধর্মের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের মানসিকতা নিয়ে করেছে তাহলে কি তা ভুল হবে? আমি তো এমন সন্দেহ করতেই পারি যে, মুসলিম আওয়ামীলীগরা মুসলিমদের মেরেছে দলীয় কারনে, অন্যদিকে হিন্দু আওয়ামীলীগরা মুসলিমদের মেরেছে নিজ ধর্মীয় চেতনায় উত্তেজিত হয়ে? ধর্ষণের সময়ও সে নিজ ধর্মশত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় হিসেবে মজা নিয়েছে- এই সন্দেহ করা কি অনর্থক হবে? অথচ আজ হিন্দুরা ভিক্টিম কার্ড খেলছে।
বাংলাদেশের ৮% হিন্দুরা সরকারী ৪০% পদে বসে আছে, অন্যদিকে ভারতে ২০% মুসলিমরা সরকারী ১% পদেও বসার সুযোগ পায় না, উল্টো বেঁচে থাকার যে মৌলিক অধিকার সেটা পেতেও জীবন দিতে হয় তাদের। এত কিছু দেয়ার পরেও আমরা নাকি সংখ্যালুঘুর উপর আক্রমণ করছি বলে অপবাদ দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতিটি হিন্দু বুকে হাত দিয়ে দাবী করতে পারে যে তারা ভারতের হিন্দুদের চাইতেও বেশি সুবিধা এদেশে পাচ্ছে। তারা এও জানে যাদের উপর আক্রমণ করা হয়েছে তা হিন্দু পরিচয়ের জন্য নয়, রাজনীতির পরচয়ের জন্য। বাংলাদেশের ইতিহাসে তথাকথিত সংখ্যালুঘু দের উপর যতবার হামলা হয়েছে, খুঁজে দেখলে এরপিছনে আমরা আওয়ামীলীগকে পাবো, অনেক সময় ভিক্টিম গেম খেলতে হিন্দুরা নিজেও এমন হামলা করেছে।
যাইহোক আমরা তাদের নিরাপত্তা দিব, কিন্তু যারা আওয়ামীলীগের সাথে জড়িয়ে সুবিধা নিয়েছে, অপরাধ করেছে তাদের অবশ্যই বিচার হবে।
12/08/2024
সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন যেই পদগুলোতে নতুন নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে—
DG DGFI— মেজর জেনারেল হামিদকে সরিয়ে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মেজর জেনারেল ফয়েজকে।
DG NSI — মেজর জেনারেল মোর্শেদকে সরিয়ে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মেজর জেনারেল মিনহাজকে।
DG Ansar— মেজর জেনারেল আমিনকে সরিয়ে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মেজর জেনারেল সাজ্জাদকে।
11/08/2024
ট্রাফিক গংদের হাতে লাঞ্ছিত, রক্তাক্ত ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।
10/08/2024
ষড়যন্ত্র ফাঁস।
প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের পদত্যাগের নেপথ্যে কঠিন ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে গেছে।
শেখ হাসিনাকে এক্স প্রধান বিচারপতি সিনহা যেভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে চেয়েছিলেন ঠিক তেমনি ষড়যন্ত্র করেছিল ওবায়দুল হাসান সহ কয়েকজন।
যে রিপোর্ট এখনো মিডিয়া প্রকাশ করেনি তা নিম্নরূপ:
সজীব ওয়াজেদ জয় এতদিন আপনাদের সাথে 'আমি নাই, মা নাই' বলে বলে হটাৎ গতকাল রয়টার্সকে বলেছে তার মা পদত্যাগ করেননি। এটি একটি পরিকল্পিত ঘোষণা ছিল যা বোঝা গেছে আজ।
সেনাবাহিনীর নিচের দিকের অফিসাররা যদি জনগণের পক্ষে না থাকতো, তাহলে আজকে আরেকটা রক্তের বন্যা বয়ে যেত। আজকেও সেনাবাহিনীর ছোট অফিসাররা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ থেকে ছাত্র জনতাকে বাঁচিয়েছে।
আজকে একটা ক্যু এর প্ল্যান করেছিল জয় এবং আরাফাত। কিন্তু সঠিক সময়ে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দারা ছাত্রদের কাছে তথ্য ফাঁস করে দেয়। এই তথ্য জানার পরে জুডিশিয়াল ক্যু রুখে দেয় ছাত্ররা।
জয় আরাফাত আর তাদের গাইডদের গোপন প্ল্যান ছিল এইরকম। ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস যখন রংপুরে আবু সাঈদের বাড়ি পরিদর্শন এবং কবর জিয়ারতের জন্য যাবেন এবং তারপরে উনার হেলিকপ্টার যখন আকাশে থাকবে ঠিক সেই সময়ে হাইকোর্টের অ্যাপিলিয়েট ডিভিশনের বিচারপতিরা ফুল কোর্ট বসিয়ে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করবে।
সাথে সাথে এই ক্যু এর সাথে জড়িত সেনাবাহিনীর ২৫ কর্মকর্তা, চাকুরি থেকে কর্মবিরতিতে থাকা দুর্নীতিবাজ পুলিশের একটি দল রাজধানীতে হট্টগোল শুরু করবে আর শেখ হাসিনা ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে আসবেন এবং সাথে সাথে আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা মাঠে চলে আসবে।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রধান বিচারপতি সরকারের সাথে কোনো আলোচনা না করে হটাৎ ৫৭ বিচারপতিকে জরুরী মিটিংয়ে ডাকেন। স্ক্রলে জরুরি মিটিং ডাকার সংবাদ দেখে দর্শকরাও কনফিউজড হন।
কিন্তু আগে থেকে গোপন খবর পাওয়া ছাত্র জনতা সকাল ৯ টা বাজার আগেই চতুর্দিক থেকে ছুটে এসে হাইকোর্ট ঘেরাও করে। সেনাবাহিনীর সমর্থনে প্রধান বিচারপতি পিছু হটতে বাধ্য হন এবং পালিয়ে থাকেন। মিটিং স্থগিত হয়। ছাত্ররা বিচারপতির বাসা ঘেরাও করে রাখে। সেনাবাহিনী শৃংখলা রক্ষার আবরণে সেখানে ছিলো। পদত্যাগ পত্র সরকারকে দেয়া হয়েছে নিশ্চিত হয়ে ছাত্ররা হাইকোর্ট এবং বাসভবন ত্যাগ করে।
এই ঘটনার সাথে জড়িত আপিল বিভাগের আরো পাঁচজন বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
Musaddiq Ali Ibne Mohammad
সহ-সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
09/08/2024
কোটা আন্দোলনে ১৪ হাফেজ আলেম সহ ৭৩ জন মাদ্রাসা ছাত্র শাহাদাত বরন করেছেন।
09/08/2024
১৪ জন শহিদ আলেম, হাফেয ও মাদরাসা ছাত্রের তালিকা (অপূর্ণাঙ্গ)
=============
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেশ কজন আলেম ও মাদরাসা ছাত্র শহিদ হয়েছেন। নিম্নে কিছু নাম পেশ করা হলো-
১. মুফতী জসিমুদ্দিন। দলিপাড়া মাদরাসা, উত্তরা, ঢাকা
২. সাদিকুল ইসলাম (টাঙ্গাইল), ছাত্র- মিযান জামাত, জামিয়া দীনিয়া, আবদুল্লাহপুর, ঢাকা। (সূত্র : মাদরাসার পরিচালক মুফতি নাজমুল হুদা কাসেমী)
৩. মাওলানা মাহমুদুল হাসান। ফারেগ : শায়েখ জাকারিয়া ইসলামিক রিচার্স সেন্টার । তিনি শহীদ হন ৫ ই আগস্ট বিকেলে। স্থান : রাজলক্ষ্মী, উত্তরা, ঢাকা ।
৪. হাফেজ সুলাইমান হাসান। মাদানীনগর, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। মা-বাবার একমাত্র পুত্র সন্তান। ৫/৮/২৪ ইং সোমবার দুপুরে যাত্রাবাড়ীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন।
৫. মাওলানা খুবাইব বিন আবদুর রহমান। গত ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসার স্পটে পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়েছেন। তিনি যাত্রাবাড়ী জামিয়া ইবরাহিমিয়া ইসহাকিয়া কাজলার পাড়-এর মুহতামিম মাওলানা আবদুর রহমান উজানী সাহেবের ছোট ছেলে।
৬. মাওলানা মাবরুর হুসাইন (গোলাম রাব্বি) । জামিয়া বাগে জান্নাত মাদ্রাসা চাষারা, নারায়ণগঞ্জ। তিনি এই মাদ্রাসা থেকে দাওরায়ে হাদীস সমাপন করেছেন।
৭. হাফেজ মোহাম্মাদ সাদেক। কালিকাবাড়ি, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ। ৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি শহিদ হন।
৮. যোবায়ের আহমদ। ছাত্র- জামিয়া ইসলামিয়া মাখজানুল উলূম, খিলগাঁও, ঢাকা। (সূত্র : মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা রাশেদ বিন নূর ও মুফতি মুরশেদ বিন নূর)
৯. রুবেল আব্দুল্লাহ । ঠিকানা : নীলগঞ্জ রোড, কিশোরগঞ্জ। তিনি ৪ অগাস্ট রবিবার শহীদ হন।
১০. মাহমুদ হাসান (বি-বাড়িয়া)। ছাএ- জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা, ঢাকা।
১১. মুফতি শিহাব উদ্দিন (ভোলা)। ফারেগ জমিয়তু ইব্রাহিম ঢাকা, সাবেক সাময়িক কর্মী বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, তিনি গত ১৯ শে জুলাই শুক্রবার সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
১২. মাওলানা আলী আসগর মাসরুর। ঠিাকানা- পাটোয়ারীর হাট, কমলনগর, লক্ষ্মীপুর। তিনি শহীদ হয়েছেন গাজীপুরে।
১৩. সাফকাত সামির । কাফরুল, মিরপুর, ঢাকায় নিজ বাসায় শহিদ হয়। নানাবাড়ি আশুলিয়ায় তাকে দাফন করা হয়। বয়স ১১ বছর। সামির জামেউল উলুম, মিরপুর-১৪ মাদরাসায় ৫ম শ্রেণিতে পড়তো। স্থায়ী ঠিকানা: নোয়াখালীর চাটখিলের দেল্লাই বাজার এলাকা।
১৪. মাওলানা মঈনুল হোসেন। মুগদা, ঢাকায় তিনি শহীদ হন বলে জেনেছি।
======
এছাড়া বি-বাড়িয়া জেলায় আরও ৩ জন আলেম ও মাদরাসা ছাত্র শহিদ হওয়ার কথা জানিয়েছেন জামিয়া ইউনুসিয়ার একজন মুহাদ্দিস। বিস্তারিত তথ্য আসছে। .
=========
বি.দ্র. এটি পূর্ণাঙ্গ এবং অফিসিয়াল তালিকা নয়। তালিকা তৈরির কাজে সহযোগিতার জন্য নামগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। এর বাইরে আরও অনেক আলেম-মাদরাসা ছাত্র শহিদ হয়েছেন। কারও কোনো নিশ্চিত তথ্য জানা থাকলে কমেন্টে জানানোর অনুরোধ রইল।
10/10/2021
আব্দুল্লাহ ইবনে আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করল, ‘সর্বোত্তম ইসলামী কাজ কী?’ তিনি বললেন, “(ক্ষুধার্তকে) অন্নদান করবে এবং পরিচিত-অপরিচিত নির্বিশেষে সকলকে (ব্যাপকভাবে) সালাম পেশ করবে।’’
ফুটনোটঃ
সহীহুল বুখারী ১২, ২৮, ৬২৩৬, মুসলিম ৩৯, তিরমিযী ১৮৫৫, নাসায়ী ৫০০০, আবূ দাউদ ৫১৯৪, ইবনু মাজাহ ৩২৫৩, ৩৬৯৪, আহমাদ ৬৫৪৫, ৬৮০৯, দারেমী ২০৮১)
রিয়াদুস সলেহিন, হাদিস নং ৮৪৯