প্রিয় মুসলিম বোনেরা….
ইসলাম নারী জাতিকে দান করেছে এক বিশেষ মর্যাদা। একমাত্র ইসলামই প্রতিষ্ঠা করেছে নারীর পূর্ণ অধিকার। তাকে দিয়েছে তার নিজস্ব গন্ডিতে ব্যাপক স্বাধীনতা। মহান রবের পক্ষ থেকে নারী পুরুষের মাঝে সাওয়াব ও প্রতিদানের ক্ষেত্রে কোন প্রকার তারতম্য সৃষ্টি করা হয়নি। আল-কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে :
পবিত্র কালামে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :
হে নবী তুমি তোমার স্ত্রী, কন্যা ও মুমিনদের স্ত্রীদেরকে বল, তা
রা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়, এতে করে তাদেরকে চেনা সহজ হবে, ফলে তাদেরকে উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।(সূরা আহযাব, আয়াত : ৫৯)
প্রিয় মুসলিম বোনেরা….
ইসলাম নারী জাতিকে দান করেছে এক বিশেষ মর্যাদা। একমাত্র ইসলামই প্রতিষ্ঠা করেছে নারীর পূর্ণ অধিকার। তাকে দিয়েছে তার নিজস্ব গন্ডিতে ব্যাপক স্বাধীনতা। মহান রবের পক্ষ থেকে নারী পুরুষের মাঝে সাওয়াব ও প্রতিদানের ক্ষেত্রে কোন প্রকার তারতম্য সৃষ্টি করা হয়নি। আল-কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে :
যে সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং সে ঈমানদার, পুরুষ হোক কিংবা নারী, আমি তাকে পবিত্র জীবন দান করব। এবং প্রতিদানে তাদেরকে তাদের আমলের প্রাপ্য পুরস্কার দিব।(সূরা নহল : ৯৭)
অভিশপ্ত পাশ্চাত্য সংস্কৃতির বিষাক্ত ছোবল নারীদেরকে পৌঁছে দিয়েছে পতন ও ধ্বংসের চূড়ান্ত স্তরে। যে নারী ছিল সম্মান ও মর্যাদার আবরণে আবৃত, সে নারী আজ নগ্ন কিংবা অর্ধনগ্ন। যে নারী ছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মর্যাদাকর বেষ্টনীতে, সে নারী আজ নিরাপত্তাহীনতা ও লাঞ্চনাকর আতংকের খোলা ময়দানে। যে নারী ছিল কন্যা, জায়া, জননীর সম্মানজনক আসনে, সে নারী আজ হোটেল ও শপিং মলের রিসিপশনে।
আমার বোনেরা…
পাশ্চাত্য সংস্কৃতির নারীরা আজ মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছে তাদের স্বাধীনতার প্রকৃত রূপ। ঐ সংস্কৃতি তাদেরকে দিয়েছে এমন এক স্বাধীনতা যা বাহ্যিকভাবে স্বাধীনতা মনে হলেও প্রকৃত অর্থে পরাধীনতার অক্টোপাস।বর্তমান দুনিয়ার যাবতীয় নোংরা ও নিকৃষ্ট কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে নারী। হোটেল-রেস্তোঁরায় আগন্তুকদের মনোরঞ্জন, দোকানে ক্রেতা আকর্ষণ, অফিস আদালতে বসদের সঙ্গে অবকাশ যাপন, এটাই তাদের স্বাধীনতা ও সম্মানের রূপ। স্বাধীনতার কি আজব সংজ্ঞা!
নারী পুরুষের উম্মুক্ত মেলা-মেশা, অশ্লীল বিনোদন, চরিত্র বিধ্বংসী শিক্ষা ও সাহিত্য চর্চার কারণে পাশ্চাত্য সমাজ এতটাই নিচে নেমে গেছে যে, পশুত্বকেও হার মানিয়েছে তারা। কামনার আগুন সর্বত্র ছড়িয়ে দিয়ে, উম্মাদ পশুর আচরণ করছে। প্রতিদিন শুধু প্যারিস শহরে দশ হাজার সতী নারী সম্ভ্রম হারাচ্ছে। তার চেয়েও লজ্জার কথা হলো, ফ্রান্সের মেডিকেল বোর্ড ঘোষণা দিয়েছে, “ফ্রান্সবাসীকে এ জন্য গর্ব করা উচিৎ যে, অচিরেই ফ্রান্সে আর কোন সতী নারী পাওয়া যাবেনা”। তাদের মনুষত্ববোধ কত নিচে নেমে গেছে তা কল্পনাও করা যায়না। এরূপ নারী স্বাধীনতাকে ধিক্কার শত ধিক্কার।
প্রিয় বোনেরা আমার………
পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রবক্তারা ইসলামী সংস্কৃতিকে নারীদের জন্যে অত্যাচার বলে প্রচার করছে। ইসলামকে প্রগতির পথে অন্তরায় বলে চিৎকার চেচামেচি করছে।
কিন্তু ইসলমের স্বর্ণোজ্জল অবদান আজও ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে নারীদের প্রেরণা যোগায়। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. একাই ২২১০টি হাদিস বর্ণনা করে হাদিসের ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন। অসংখ্য জটিল মাসআলার সমাধান দিয়ে উম্মতকে দ্বীনের পথে চলা সহজ করে দিয়েছেন। খলীফা হারুরুর রশীদের স্ত্রী যুবাইদা শিক্ষা-দীক্ষায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে নারীকূলের জন্য আজও অনুকরণীয় হয়ে আছেন। এরকম হাজার হাজার দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে নারীরা পরিপূর্ণ ইসলামের গন্ডিতে অবস্থান করে বিভিন্ন বিষয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
বোনেরা আমার…..
এ যুগে প্রয়োজন এমন একজন নিবেদিতপ্রাণ নারীর, যিনি স্বামীভক্তিতে হবেন উম্মুল মুমিনীন খাদীজা বিনতে খুয়াইলিদ রা. এর ন্যায়, যে মহিয়সী দ্বীন ও ইসলামের উন্নতিকল্পে সহায়তা করেছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সর্বস্ব উজাড় করে। ধৈর্য, সংযম ও আল্লাহ প্রেমে হবেন ফাতেমা বিনতে খাত্তাবের ন্যায়, যার ঈমানী দৃঢ়তা দেখে ওমরের মত অগ্নি পুরুষও ইসলাম গ্রহণে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। প্রাণ উৎসর্গে হবেন সুমাইয়ার ন্যায়, যিনি ঈমান ত্যাগ না করার কারণে আবু জাহেলের বর্শার আঘাতে ইসলামের প্রথম শহীদ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।
প্রিয় বোনেরা……..
আমরা চাই আপনিও তাদের অনুসরণ করে জান্নাতুল ফিরদাউসের চিরস্থায়ী অধিবাসী হবেন। স্মরণ করুন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বানী :
নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে, মাহে রমজানে রোজা রাখলে, নিজের সতীত্ব রক্ষা করলে এবং স্বামীর আনুগত্য করলে, (আল্লাহ তাআলা তার জন্য বেহেশতের সবগুলো দরজা উম্মুক্ত করে দিবেন।) জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রবেশ করতে পারবে।
একজন মুসলিম নারী হিসাবে আপনাকে সর্বপ্রথম নামাজের ব্যাপারে যত্নবান হতে হবে। হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তাআলা বলেন,
হে নবী, আমি তোমার উম্মতের উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছি, যে ব্যক্তি সময়মত গুরুত্ব সহকারে তা আদায় করবে আমি তাকে নিজ জিম্মায় বেহেশতে প্রবেশ করাব, আর যে নামাজের ব্যাপারে যত্নবান হবেনা তার প্রতি আমার কোন দায়-দায়িত্ব নেই। ইচ্ছা করলে ক্ষমা করব, নচেৎ শাস্তি দিব।
নামাজের পরপরই একজন মুসলমানের জন্য মাহে রমজানের রোজা পালন করা একান্ত জরুরী। রোজার ফজিলত সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :
যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় মাহে রমজানের রোজা পালন করবে, তার পিছনের সব গুনাহ ক্ষমা হয়ে যাবে। (বুখারী)
নামাজ ও রোজার সাথে সাথে পর্দার ব্যাপারে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। হিজাব তথা পর্দার বিধান গ্রহণ করার মাধ্যমেই একজন নারী তার সম্মান ও মর্যাদা টিকিয়ে রাখতে পারে। এরশাদ হচ্ছে:
হে নবী তুমি তোমার স্ত্রী, কন্যা ও মুমিনদের স্ত্রীদেরকে বল, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়, এতে করে তাদেরকে চেনা সহজ হবে, ফলে তাদেরকে উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।(সূরা আহযাব, আয়াত : ৫৯)
আধুনিক নারীরা মনে করছে পাশ্চাত্যের স্রোতে গা ভাসিয়ে দিতে পারলেই বুঝি উন্নতির উচ্চ চূড়ায় পৌঁছতে পারবে। একবারও কি তারা ভেবে দেখেছেন, যে পথে তারা চলছেন সে পথ থেকে কখনও ফিরে আসতে পারবেন কি-না? আপনারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন কোথায় গিয়ে থামবে আপনাদের জীবনভেলা?
চিন্তা করে দেখুন, কোন পথ গ্রহণ করবেন। এখনও সময় আছে। এখনও আপনারা অতীতের গৌরবদ্বীপ্ত কীর্তিসমূহের পূনরাবৃত্তি ঘটাতে পারেন। আজও আপনাদের থেকে জন্ম নিতে পারে দ্বিগ্বিজয়ী বীর সেনানী, যুগের সাহসী নকীব, মুহাদ্দিস, মুফাসসির। আপনাদের কোল থেকে তৈরী হতে পারে মুসলিম জাতির কান্ডারী। তাই আসুন, আমরা সে পথিই অগ্রসর হই। আল্লাহ সকলের প্রচেষ্টা কবুল করুন। আমীন।
30/03/2025
৫'ই আগষ্টের পর রেন্ডিয়ানদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পতন খেয়াল করুন।
বাংলাদেশের শোষন বন্ধ রিজার্ভও নিচের দিকে।১৫০ কোটির একটা দেশ ১৫ কোটির একটা ছোট দেশকে কি পরিমান শোষন করে রিজার্ভ এরকম উচুতে রাখছিল একবার চিন্তা করুন!!
এবার বুঝছেন মুত্রখোররা কেন ওদের এদেশিয় দালালদের যে কোন মূল্যে ক্ষমতায় রাখতে মরিয়া।
অবশ্য এই ৭ মাসেই তারা সাফল্যের সাথে নেক্সট দালাল তৈরি করে ফেলেছে।
এই দেশের সব রাজনৈতিক দলগুলোই কোন না কোন ভিনদেশের দালাল।স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরও আমরা আসলে ক্ষমতায় বসানোর জন্য একটু কম ক্ষতিকর দালালের খোজে আছি যারা দেশের ক্ষতি করলেও একটু কম ক্ষতি করবে।
কবে আমরা এই দেশের দালাল পাব যারা কিনা শুধু এই দেশের স্বার্থের জন্য দালালি করবে?
যাদের দালালির উদ্দেশ্যে হবে এই গরিব অভাগা দেশের জনগনের জীবন একটু উন্নত করা?
22/02/2025
পর্ব ১
জুলকারনাইন সায়ের
স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন (SAD) এবং শিবিরের মধ্যে বাকযুদ্ধ দেখতে দেখতে—তারা কারা জুলাই বিপ্লবে এবং স্বৈরশাসক পতনে কতটুকু অবদান রেখেছে তা নিয়ে—আমি ও আমার কমরেডরা ভাবলাম, সত্যিটা স্পষ্ট করা দরকার। যেহেতু আমি অন্য মহাদেশে ছিলাম এবং আন্দোলনের সময় হাজারটা কাজে ব্যস্ত ছিলাম, তাই মাঠপর্যায়ের সমন্বয়ের দায়িত্ব পড়েছিল আমার দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন একজনের ওপর, যিনি বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। কিভাবে পুরো বিষয়টা একটার পর একটা সাজিয়ে উঠল, তা-ই বলছি...
২৬শে জুলাই রাত ১০:১০ মিনিটে আমার সেই আস্থাভাজন একজন পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে মেসেজ পান। সেখানে জানতে চাওয়া হয়, চারজন আন্দোলনকারী নেতার জন্য কি কোনো নিরাপদ আশ্রয় আছে কি না। তারা হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসার পর গোয়েন্দাদের甡র হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন এবং তখন মার্কিন দূতাবাসের কাছে একটি অ্যাম্বুলেন্সে আটকে ছিলেন। তিনি সরাসরি আমাকে ফোন করেন, আর এভাবেই আমি ছাত্রদের কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়ি। আমি তাকে পরামর্শ দিলাম আমাদের মার্কিন দূতাবাসের সংযোগকে কাজে লাগিয়ে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে বলা যায় কি না।
আমাদের পরিচিত দূতাবাস কর্মকর্তাকে মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস আশ্রয় দেওয়ার নজির রেখেছে—যেমন ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমরান আহমেদ ভূঁইয়াকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল, যাকে আওয়ামী লীগ সরকারের বয়ানের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য বরখাস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু হতাশার বিষয় হলো, তিনি জানিয়ে দিলেন এটা সম্ভব নয়। এর একটি কারণ ছিল, তখন মার্কিন দূতাবাসে কোনো রাষ্ট্রদূত ছিল না, আর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স শেখ হাসিনার সরকারের রোষানলে পড়তে চাননি। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তার পরিচিত কিছু বন্ধুর সাথে যোগাযোগ করবেন বলে জানালেন।
আমার আস্থাভাজন তখন অন্য পরিচিতদের সাথে যোগাযোগ করেন, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। কিছু না পেলে তিনি নিজেই ছেলেগুলোকে নিজের বাসায় আশ্রয় দিতে প্রস্তুত ছিলেন। তবে ২০ মিনিট পর মার্কিন দূতাবাসের সংযোগ জানালেন, গুলশানে একটি বিদেশি সংস্থার অফিসে তাদের আশ্রয় দেওয়া যেতে পারে এবং সংস্থার এক শীর্ষ কর্মকর্তা তাদের গ্রহণ করবেন। এই তথ্য পাওয়ার পর আমি আমার আস্থাভাজন থেকে পাওয়া নম্বরে কল করি, যেটি ছিল এক ছাত্র নেতা সালমানের। পরে জানা যায়, তিনি আসলে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের সাবেক সভাপতি শাদিক কায়েম।
আমি ঢাকায় আমার পরিচিতদের মাধ্যমে নিরাপদ রুট বের করি যাতে ছেলেরা কোনো পুলিশ বা সেনাবাহিনীর চোখে না পড়ে। চারজন ছেলেকে দুইটি রিকশায় গুলশান-২ এলাকায় নির্ধারিত স্থানে পাঠানো হয়। রাত ১১টার মধ্যে তারা নিরাপদে পৌঁছে যায়। তবে জানানো হয়, ২৮শে জুলাই সকাল ৯টার মধ্যে তাদের স্থান ত্যাগ করতে হবে, কারণ তখন অফিসের কর্মীরা এসে পড়বেন।
পরের দিন, ২৭শে জুলাই, শহিদুল আলম ভাই এই ছেলেদের ব্যাপারে জানতে পারেন এবং সন্ধ্যায় তাদের নিজের কাছে নিয়ে যান। আমরা ধরে নিয়েছিলাম, তারা নিরাপদেই আছেন।
এর মধ্যে সালমান আমাকে ফোন দিয়ে জানতে চান, আন্দোলনের ওপর একটি প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য EMK সেন্টার কয়েক ঘণ্টার জন্য বুক করা সম্ভব কি না। আমি আমার আস্থাভাজনকে সালমানের পরিকল্পনা বুঝে নিতে বলি। তিনি সালমানের কথা শুনে তখনকার এএফপি ব্যুরো চিফ শফিকুল আলম ও মানবাধিকার কর্মী রেজাউর রহমান লেনিনের সঙ্গে কথা বলেন। তারা জানান, EMK সেন্টারের বুকিং পেতে নিরাপত্তা ছাড়পত্র লাগবে, যা পাওয়া যাবে না, আর ড্রিক গ্যালারি ১০ই আগস্টের আগে এ ধরনের কোনো আয়োজন করতে রাজি নয়। তাই প্রদর্শনীর পরিকল্পনাটি তখনই বাদ দেওয়া হয়।
২৮শে জুলাই দুপুর ১২:০৯ মিনিটে সালমান আমার আস্থাভাজনকে আবার মেসেজ পাঠিয়ে আবদুল কাদেরের জন্য নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে বলেন। আমার আস্থাভাজন আমাকে বিষয়টি জানান এবং আমি তখন ঢাকায় একটি দূতাবাসের এক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করি। তিনি কাদেরকে নিজের গুলশানের বাসায় আশ্রয় দিতে রাজি হন, তবে অফিস শেষ হওয়ার পর বিকেল ৪টার পর তা করতে পারবেন।
আমরা জানতে পারি, ছয়জন SAD সমন্বয়কারী—নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, আবু বকর মজুমদার এবং নুসরাত তাবাসসুম—ডিবি অফিস থেকে আন্দোলন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন! আমরা হতবাক হয়ে যাই।
সেই রাত ৯:৫০ মিনিটে সালমান আমার আস্থাভাজনকে জানান, আন্দোলন চালিয়ে যাবে কাদের, হান্নান, রিফাত ও মাহিন। আমি পরামর্শ দেই, চারজন নতুন নেতা যেখানে আছেন সেখান থেকেই একটি ভিডিও বার্তা রেকর্ড করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিক।
২৯শে জুলাই বিকেল ৪:৫০ মিনিটে সালমান আবার ফোন দিয়ে জানান, হান্নান, রিফাত, মাহিন ও মেহেদির জন্য নিরাপদ আশ্রয় দরকার। তারা গুলশানের নর্থ এন্ড কফি রোস্টার্স-এ বসে ছিলেন, কিন্তু এক ঘণ্টার মধ্যে কারফিউ শুরু হবে। আমার আস্থাভাজন তার পরিচিতদের ফোন করে যাচ্ছিলেন। শেষমেশ আমাদের বন্ধু ফাহিম আহমেদ ও আন্দালিব চৌধুরী রাজি হন তাদের রাতের জন্য আশ্রয় দিতে।
কিন্তু আমার আস্থাভাজন ভাবছিলেন, এত বড় ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে কি না। তাই তিনি সকালেই ছেলেদের অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শেষমেশ ওল্ড ঢাকায় একটি নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু এত কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ছেলেদের বনানী থেকে পুরান ঢাকায় নিয়ে যাওয়া বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তখন তিনি রেজাকে বিষয়টি সমন্বয় করতে বলেন এবং তিনি রাজি হন।
সেই রাতেই আমি বিকল্প হিসেবে মিরপুর DOHS-এ আরেকটি নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করি। বিএনপির এক পরিচিত ব্যক্তি, ওহিদ আলম, আশ্রয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আমি আমার আস্থাভাজনকে তার যোগাযোগের তথ্য পাঠিয়ে দেই, যেন প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়।
22/01/2025
06/01/2025
মেজর ডালিমের দেয়া কিছু অজানা তথ্য ↓ ↓
১/ মেজর ডালিমের স্ত্রীকে চিকিৎসা নিতে দেয়নি হাসিনা ও খালেদা
০২/ মুক্তিযুদ্ধে নি*হতের সংখ্যা ৩ লাখ আনুমানিক।
০৩/ বুদ্ধিজীবীদের হ*ত্যা করেছিলো ভা/রতীয় বাহিনী।
০৪/ ভারত তৎকালীন ১৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায় বাঁধা দিলে মুজিব মেজর জলিলকে গ্রেপ্তার করে।
০৫/ জহির রায়হান ও শহিদুল্লাহ কায়াসারকে হ**ত্যা করেছিলো মুজিব।
০৬/ মুক্তিযুদ্ধে ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জৎ লুট হয়েছিলো এইটা একটা মিথ্যা প্রচারণা।
০৭/ বিপ্লবী সিরাজ সিকদারকে পরিকল্পনা করে হ**ত্যা করে মুজিব।
০৮/ কথা আর কাজে কোন মিল ছিলোনা মুজিবের৷
০৯/ মুজিব হ**ত্যার পরে মিষ্টি বিতরণ করে দেশের মানুষ।
১০/ জি/য়া বিপ্লবি'দের সাথে থাকার জন্য কোরআন শরিফ ছোঁয়ে প্রতিজ্ঞা করে পরবতী তে তা ভ*ঙ্গ করে।
বাংলাদেশের দুই জন যোগ্য আলেম। উপদেষ্টা প্যানেলে রাখার আহবান করছি। সময় অল্প , আজকের মধ্যে হয়তো চূড়ান্ত হয়ে যাবে।
বেশি বেশি শেয়ার করুন।
20/05/2024
ধর্ম যার যার উৎসব সবার 😊 আসুন হিন্দু মুসলিম ভাগাভাগি না করে কুরবানিতে এক সাথে গরু খাই 😊
04/04/2024
আহা!
13/03/2024
View profile for Major Sk Moniruzzaman, MA, MBA (HRM) EB (Retd)
Major Sk Moniruzzaman, MA, MBA (HRM) EB (Retd) 2nd
Head of Security Affairs, Bashundhara Industrial Economic Zone Ltd (BIEZL) Plant (MirSharai), Toggi Green Ship Breaking & Recycling Ltd (TGSBRL), Sitakund, Dangar Char Project
2h
Follow
‘উত্তর কোরিয়ার ৭৩% মানুষ ধর্মহীন, ১৩% চন্ডোইজম, ১২% শামানিজম, ১.৫% বৌদ্ধধর্ম, ০.৫% অন্যান্য। ওখানকার মানুষের ইসলাম ধর্মের জীবনাচরণ সম্পর্কে ধারণা নেই।
একবার এক বাঙালি মুসলমান কোরিয়ায় বেড়াতে গেলে ওখানকার এক নাগরিকের সাথে তার বন্ধুত্ব হয়।
তখন তিনি বাঙালি বন্ধুকে খেতে বললে, বাঙালি বন্ধুটি বলেন, আমি রোজা আছি। কোরিয়ান বন্ধু জিজ্ঞেস করলো, রোজা কি?
প্রতিউত্তরে বাঙালি বন্ধুটি বললো, রোজা মানে উপোস থাকা। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কিছু না খাওয়া।
তখন কোরিয়ান নাগরিক বললো, তোমরা তো গোপনে খেতে পারো। বাঙালি মুসলমান বললো, গোপনে খেলেও আল্লাহ দেখে।
তখন ঐ লোক অবাক হয়ে বলে, তোমরা আল্লাহর ভয়ে গোপনেও খাওনা!
তাহলে তো মনে হয়, তোমাদের দেশে কোন জেলখানা নেই, কোন দুর্নীতি নেই, খাদ্যে ভেজাল নেই, ওজনে কম নেই, কেউ কাউকে ঠকায় না, কেউ মিথ্যা বলে না, কোনো অপরাধ নেই, অনৈতিক কোন কার্যক্রম নেই, শান্তি আর শান্তি!
কারণ যে জাতি আল্লাহর ভয়ে গোপনেও পানাহার করে না সেখানে তো কোন অপরাধ হতে পারে না।
বাঙালি মুসলমান বন্ধু বাকরুদ্ধ! ‘
06/01/2024
ট্রেনের জানালা দিয়ে অর্ধেক দেহ বের করার পরও শুধুমাত্র স্ত্রী ও সন্তানকে বাঁচাতে চেয়ে নিজে পুড়ে ছাই হয়ে গেছেন। প্রতিটি পুরুষ নিজের জীবনের চাইতেও তার বউ-বাচ্চাকে বেশি ভালোবাসে। এটা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।
পুরুষ বলতে অবশ্যই পুরুষ হতে হবে। এখন পুরুষের সংখ্যা খুবই কম। মেয়েরাও বিয়ের জন্য পুরুষ খুঁজে না। ফলে কাপুরুষ বা অর্ধপুরুষ বিয়ে করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। অতঃপর দোষ দেয় সমস্ত পুরুষদের।
বিয়ের জন্য মেয়েরা খুঁজে কে কত সুন্দর, লম্বা, স্মার্ট এবং সবচেয়ে বেশি নজর থাকে কার বেতন কত সুন্দর, কত স্মার্ট এবং কতটা লম্বা। ফলে তারা যা চায় তা হয়তো পায় কিন্তু সংসার করার জন্য একজন পুরুষ পায় না।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা হলে পর্দাশীন ছাত্রীকে বি*বস্ত্র করে রাতভর নি*র্যা*তনের সময় এই মন্তব্য করেছিল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরি অন্তরা।