12/05/2026
একটু মনযোগ দিয়ে পড়াটা পড়।
Business Studies এর Accounting এ যারা পড়ালেখা করে তাদের মন মানসিকতা পুরাই ভিন্ন।
আপনি যত না বিজ্ঞান এবং মানবিক শাখার স্টুডেন্টদের দেখবেন তারা হয়ত পড়ালেখার ক্ষেত্রে খুব সিরিয়াস ভাব দেখায়।
বিজ্ঞান শাখার স্টুডেন্টরা ভাবে তারা তাদের স্টাডি খুব কঠিন আমরাই সেরা।
মানবিক শাখার স্টুডেন্টরা ভাবায় যে-
আমরা কত কিছুর কথা মনে রাখতে হয়-তাই আমরাই সেরা।
কখনো কর্মাসের স্টুডেন্টরা বলে না আমরাই সেরা।
বিশেষ করে Accounting এর Student রা এই সব এর ধারে কাছে যায় না কারন তারা জানে ফলে ই পরিচয়।
ক্লাস ৯ম থেকে একজন কর্মাসের স্টুডেন্টের যাত্রা শুরু এবং অর্নাস পর্যন্ত সে তার মত করে পড়তে পারে। তার স্টাডির সাথে একটা কথাই জড়িত সেটা- Accounting-হিসাব। তার জীবনে কিছু মিলুক আর না মিলুক তাকে তার অংকের হিসাব যেমন করেয় হোক মিলাতেই হবে।
পড়তে বসলে কিভাবে একটা অংকের পিছনে কত সময় চলে যায় সেটা তার অজানা। হিসাব যে তাকে মিলাতেয় হবে- না হলে ক্যালকুটারে হাজার বার টেবিলের সাথে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। তার যে রাতের ঘুম হারাম-হয়ে যায়।
ঘুমের মধ্যে তার যে হিসাব মিলানো শুরু হয়ে যায়। তবুও তার হিসাব মিলানো বাদ হয় না।
কর্মাসের Accounting এর স্টুডেন্টরা LOVE বলতে জানে- sells থেকে purchase বাদ দিয়ে যেটা থাকে সেটাই Love। অথবা, Love বলতে বুঝে L+OE = A তাই সত্যিকারের ভালবাসা তাদের মনে বেশী বাসা বাঁধতে পারে না।
তাদের সকাল-বিকাল হিসাব মিলাতে sir কাছে দৌড় ঝাপ করতে গিয়ে Love কে hide করে Equation আর Result নিয়ে Busy থাকতে হয়।
তাই আপনি চাইলেও Accounting এর কোন মেয়ে বা ছেলের মনে সহজে ঠুকে প্রেম করতে পারবেন না।
অবশ্য তাদের মনে যে আবেগ নেই তা নয়। তাদের ভালবাসা- ক্যালকুটারে লুকিয়ে থাকে। সারা রাত ক্যালকুটারের সাথে প্রেম চলে। আবার সকাল হলে Sir এর কাছে গিয়ে হিসাব মিলাতে ব্যস্ত।
অনেক অবুঝরা ভাবতে পারে- Accounting এ পড়া সেটা তো যোগ-বিয়োগ কিংবা শুধু ডে. ক্রে.। কিন্তু অর্থমন্ত্রনালয় থেকে দুদক, কর্পোরেট টেক্স থেকে ডাকটিকেট ফি, সকল ধরণের প্রতিষ্ঠানের হিসাব ও উৎপাদন ব্যয়, শেয়ার বাজার সব কিছু চুলচেরা চিপাগুলো এ্যাকাউন্টেন্টরাই ভালো বুঝে, তাদের বুঝতে হয় তাদের পড়তে হয়। কারণ তারাই সরকারকে টেক্স আর ভ্যাট বুঝিয়ে দেয়, দুদকে ব্যক্তির গোপন সম্পদের লুকানো তথ্য বের করে দেয়। প্রতিষ্ঠানকে তার প্রকৃত আয় নির্ণয় করে দেয়।
আসলে হিসাববিজ্ঞানের অংকগুলোর পিছনে যে কতটা সময় নষ্ট হয় সেটা অন্যান্য Department এর Student দের বুজানো মুশকিল।
22/04/2026
HSC 2026 তোমাদের HSC পরীক্ষার রুটিন প্রকাশিত হয়েছে।
22/04/2026
মাত্র ৩ বছরের একটা শিশু। খেলার বয়স, পৃথিবী চেনার বয়স। অথচ হামে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলো।
বাবা প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে গেলেন টিকা নেই। তারপর শেষ ভরসা নিয়ে রওনা দিলেন মহাখালী।
কোনো অ্যাম্বুলেন্স নেই, কোনো ব্যবস্থা নেই তাই কোলে নিয়েই দৌড়।
কামরাঙ্গীরচর থেকে মহাখালী…
এই প্রচণ্ড গরমে, যেখানে আমরা একটু হাঁটলেই হাঁপিয়ে উঠি, সেখানে তিনি পাগলের মতো ছুটেছেন। পেছনে মা কাঁদতে কাঁদতে দৌড়াচ্ছেন।
কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছে জানা গেল এখানেও টিকা নেই।
শেষ পর্যন্ত বিনা চিকিৎসায় চলে গেলো তাদের আদরের সন্তান। বাবা এখন সেই নিথর শরীরটাকেই বুকে নিয়ে হেঁটে ফিরছেন…
মনে হাজারো প্রশ্ন, হাজারো কষ্ট—কিন্তু অভিযোগ করার মতো কেউ নেই।
এটাই বাস্তবতা। শিশুরা চলে যায় টিকার অভাবে, আর দায়িত্বশীলরা ব্যস্ত থাকে অন্য খেলায়।
আমরা ভাবি রাজনীতি থেকে দূরে থাকব।
কিন্তু বাস্তবতা হলো আমাদের জীবন, আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ সবই তাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।
সময় বদলায়, জিনিসপত্রের দাম বাড়ে কিন্তু এই দেশের সাধারণ মানুষের জীবনের মূল্য আর বাড়ে না।
06/04/2026
সবাইকে উপদেশ দেওয়া ভালো কাজ, কিন্তু সবাই সেই উপদেশ গ্রহণ করার যোগ্য নয়।
কখনো কখনো ভুল মানুষকে সঠিক কথা বলাও নিজের জন্য বিপদ ডেকে আনে…
চলুন গল্পটির মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করি:
একটি ঘন বনে একটি বড় গাছের ডালে একটি চড়ুই পাখির ছোট্ট বাসা ছিল।
একদিন প্রচণ্ড শীত পড়ল। ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে তিন-চারটি বানর সেই গাছের নিচে এসে আশ্রয় নিল।
একটি বানর কাঁপা গলায় বলল, “যদি কোথাও থেকে একটু আগুন পোহাতে পারতাম, তাহলে এই শীত অনেকটা দূর হতো।”
দ্বিতীয় বানরটি বুদ্ধি দিয়ে বলল, “দেখো, এখানে কত শুকনো পাতা পড়ে আছে। চলো, এগুলো একসঙ্গে করে একটা স্তূপ বানাই। তারপর সেটা জ্বালানোর উপায় ভাবা যাবে।”
বানরগুলো তাড়াতাড়ি শুকনো পাতা জড়ো করে একটা বড় স্তূপ তৈরি করল। তারপর গোল হয়ে বসে চিন্তা করতে লাগল কীভাবে এতে আগুন ধরানো যায়।
ঠিক তখনই একটি বানরের চোখে পড়ল দূরে উড়ে যাওয়া একটি জোনাকি পোকা। সে লাফিয়ে উঠে চিৎকার করে বলল, “দেখো! দেখো! বাতাসে স্ফুলিঙ্গ উড়ছে! এটাকে ধরে স্তূপের নিচে রেখে ফুঁ দিলেই আগুন জ্বলে উঠবে!”
“হ্যাঁ! হ্যাঁ! ঠিক বলেছিস!” বলতে বলতে বাকি বানরগুলোও উত্তেজিত হয়ে সেদিকে দৌড়াতে লাগল।
গাছের ওপর নিজের বাসায় বসে চড়ুই পাখিটি সবকিছু দেখছিল। সে আর চুপ করে থাকতে পারল না। সে নরম গলায় বলল, “বানর ভাইয়েরা, ওটা আগুনের স্ফুলিঙ্গ নয়। ওটা একটা জোনাকি পোকা।”
একটি বানর রেগে গিয়ে চড়ুইয়ের দিকে তাকিয়ে গর্জে উঠল, “মূর্খ পাখি! চুপচাপ নিজের বাসায় বসে থাক। আমাদের শেখাতে এসেছিস!”
তারপর একটি বানর লাফিয়ে উঠে হাতের তালু দিয়ে বাটির মতো করে জোনাকিটিকে ধরে ফেলল। সবাই মিলে জোনাকিটিকে পাতার স্তূপের নিচে রেখে চারদিক থেকে জোরে জোরে ফুঁ দিতে লাগল।
চড়ুই পাখিটি আবার সাবধান করে বলল, “ভাইয়েরা, আপনারা ভুল করছেন। জোনাকি দিয়ে আগুন জ্বলবে না। দুটো শক্ত পাথর ঘষে স্ফুলিঙ্গ তৈরি করুন, তাহলে আগুন জ্বালানো যাবে।”
বানরগুলো চড়ুইয়ের দিকে কটমট করে তাকাল। আগুন না জ্বলায় তাদের মেজাজ আরও খিটখিটে হয়ে উঠছিল।
চড়ুইটি আবারও ভালোমতো পরামর্শ দিল, “ভাইয়েরা, অন্তত দুটো শুকনো কাঠ নিয়ে একে অপরের সঙ্গে ঘষে দেখুন।”
কিন্তু আগুন জ্বালাতে না পেরে বানরগুলো ততক্ষণে রেগে আগুন হয়ে গিয়েছিল। একটি বানর রাগে অন্ধ হয়ে এগিয়ে গিয়ে চড়ুই পাখিটিকে ধরে ফেলল এবং সজোরে গাছের কাণ্ডে আছাড় দিল।
চড়ুই পাখিটি ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে নিচে পড়ে গেল এবং মারা গেল।
গল্পের শিক্ষা:
মূর্খকে উপদেশ দেওয়া অনেক সময় নিজেরই বিপদ ডেকে আনে। যাকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে, সে যদি তা গ্রহণ করার যোগ্য না হয়, তবে চুপ থাকাই শ্রেয়।
📚 সংকলন: শ্রীদাম সখা
30/03/2026
তোমার টাকা নেই, সমাজে তোমার কোন সন্মান নেই। তোমাকে টাকার পিছনে ছুটতেই হবে। টাকা কেই ভালোবাসতে হবে। নইলে...
নিজের পরিবার, আত্মীয় স্বজন, ও বন্ধু মহলে তোমার কোন মূল্য নেই।
যতই তুমি সুদর্শন হও না কেন? তোমার আসল সৌন্দর্য তোমার ইনকাম।
যতই তুমি উচ্চ শিক্ষার ডিগ্রি গলায় ঝুলিয়ে রাখো। তোমার আসল ডিগ্রি তোমার রোজগার।
যতই তুমি মহান প্রেমিক হও, টাকা না থাকলে তোমার বেলা বোস অন্যের ঘরণী।
যতই তুমি গন্ধহীন ফুল হও, তোমার পকেট ভর্তি থাকলে, অনেক ভ্রমর তোমার চারদিকে ঘুরবে।
তোমার টাকাই বলে দেবে তুমি কোন আত্মীয়র বাড়িতে নিমন্ত্রণ পাবে।
তোমার টাকাই ঠিক কবরে, কোন বংশের কেমন সুন্দরী তোমার জীবন সঙ্গী।
তোমার টাকাই ঠিক করবে, তোমার ছেলে মেয়ে কোথায় কতটা আদর পাবে।
মৃত্যুর পরে তোমার উত্তরসূরি তোমাকে কতটা গালাগালি দেবে, সেটা নির্ভর করছে তোমার জমানো টাকার পরিমানের উপর।
তুমি জন্মেছ টাকা রোজগারের জন্য। পরিবারের সবার সুখ ও হাসি কেনার জন্য, তাই তোমার টাকার প্রয়োজন, অনেক অনেক টাকা।
তোমার পরিশ্রম, তোমার ঘাম, তোমার রক্তর হিসাব কেউ রাখবে না। শুধু তোমার টাকার হিসেব রাখা হবে।
তোমার আবেগ, তোমার ক্ষিদে, তোমার চাহিদা কেউ বুঝবে না। বুঝবে শুধুই তোমার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স।
টাকা থাকলে তুমি সবার নজরে মহা পুরুষ, আর না থাকলে কাপুরুষ।
টাকা থাকলে তোমার সব কথাই বাণী। আর না থাকলে নর্দমার পানি।
তাই তোমাকে টাকা জোগাড় করতে হবে। কারণ তুমি পুরুষ। তুমি মানুষ নও তুমি শুধুই একটা রক্ত মাংসে গড়া টাকা উৎপাদনের মেশিন।
29/03/2026
কমার্স ডিপার্টমেন্টের কয়েকজন ছাত্র ট্রেনে চড়ে কোথাও যাচ্ছিল এবং মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করছিল। একজন বয়স্ক ভদ্রলোক তাদের আলোচনা মন দিয়ে শুনছিলেন আর মুচকি মুচকি হাসছিলেন।
হঠাৎ ভদ্রলোকটি ছাত্রদেরকে বললেন, আমি কি মার্কেটিং বিষয়টি সহজ দুএকটি কথায় ব্যাখ্যা করতে পারি?
ছাত্ররা কৌতূহলী হয়ে তার দিকে তাকাল।
ভদ্রলোক বলতে শুরু করলেন, মনে করো তুমি কোনো বিয়ে বাড়ীতে দাওয়াত খেতে গিয়েছ। তো সেখানে গিয়ে এক অসামান্য সুন্দরী মেয়ের দেখা পেলে।
তুমি তার কাছে গিয়ে বললে, "আমি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?" এটাকে বলে সরাসরি বিপণন (ডাইরেক্ট মার্কেটিং)।
তোমার বন্ধু তার কাছে গিয়ে তোমাকে দেখিয়ে বলল, "ও উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। তুমি কি ওকে বিয়ে করবে?" এটাকে বলে বিজ্ঞাপন।
মেয়েটি নিজেই তোমার কাছে এগিয়ে এসে বলল, 'আপনি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। আপনি কি আমায় বিয়ে করবেন?' এটাকে বলে ব্র্যান্ড ভ্যালু।
তুমি বিয়ের প্রস্তাব দেবার পর মেয়েটি জানাল যে, সে বিবাহিতা। এটাকে বলে চাহিদা ও জোগানের ফারাক (ডিম্যান্ড সাপ্লাই গ্যাপ)।
তুমি মেয়েটির কাছে গিয়ে কিছু বলার আগেই আরেকজন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল এবং মেয়েটি সম্মত হয়ে তার সাথে চলে গেল। এটাকে বলে প্রতিযোগিতা (কম্পিটিশন)।
মেয়েটি তোমার বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করল এবং বছর ঘুরতেই তোমাদের একটি সন্তান হলো। একে বলে প্রোডাকশন (উৎপাদন)।
তুমি মেয়েটিকে বিয়ের অফার দেবার সাথে সাথে সে তোমার গালে ঠাস করে একটা চড় মারল। এটাকে বলে উপভোক্তার প্রতিক্রিয়া (কাস্টমার্স ফিডব্যাক)।
তুমি যখন মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সেই সময় তোমার স্ত্রী এসে উপস্থিত হল। এটাকে বলে নতুন ব্যবসাক্ষেত্রে প্রবেশ করার ঝুঁকি (রিস্ক অফ এন্টারিং নিউ মার্কেট)।"
ছাত্রদের আক্কেলগুড়ুম!
16/03/2026
♦️জীবনে এগিয়ে থাকার ৪১টি ছোট কিন্তু শক্ত নিয়মঃ
১. গোপনীয়তাই শক্তি—সবাইকে সবকিছু জানাতে নেই।
২. একাকীত্বকে ভয় নয়, শক্তি বানাও।
৩. সুখ-দুঃখ সবই ক্ষণস্থায়ী—বিনয়ী থাকো।
৪. সবাই নিজের লড়াই লড়ছে—সদয় হও।
৫. জীবনসঙ্গী বেছে নাও মূল্যবোধ দেখে।
৬. মানসিক শান্তিকে অগ্রাধিকার দাও।
৭. ফোকাস থাকলে সময়ই যথেষ্ট।
৮. সময় দাও শুধু যারা তোমাকে মূল্য দেয়।
৯. সম্মান নেই যেখানে, সেখানে থেকো না।
১০. নিজেকে ভালোবাসা দায়িত্বের অংশ।
১১. যারা তোমার বোঝা হালকা করে, তাদের ধরে রাখো।
১২. বন্ধু বেছে নাও বুঝে।
১৩. শান্তিই সবচেয়ে দামি সম্পদ।
১৪. ভালোবাসার পেছনে দৌড়াও না—নিজেকে গড়ো।
১৫. এমন সঙ্গী খুঁজো যে তোমাকে এগিয়ে নেয়।
১৬. ভুল থেকে শিক্ষা নাও।
১৭. তোমার সঙ্গী যেন তোমাকে নিয়ে গর্ব করে।
১৮. কঠিন সময়েও হাল ছাড়ো না।
১৯. ক্লান্ত হলে বিশ্রাম নাও, থেমো না।
২০. মাঝে মাঝে আড়ালে গিয়ে নিজেকে শক্ত করো।
২১. সফলতা ও ব্যর্থতা—দুটো থেকেই শেখো।
২২. কম আশা = বেশি শান্তি।
২৩. ইতিবাচক থাকো।
২৪. চেষ্টা চালিয়ে যাও।
২৫. পারস্পরিক প্রচেষ্টা সম্পর্ককে শক্ত করে।
২৬. যেখানে মূল্য নেই, সেখান থেকে সরে যাও।
২৭. সাহায্য না পেলে নিজেই পথ তৈরি করো।
২৮. নিজের উন্নতিতে বিনিয়োগ করো।
২৯. খোলামেলা আলোচনায় ভুল বোঝাবুঝি কমে।
৩০. “কাল করব” মানে দেরি—আজই শুরু করো।
৩১. প্রতিদিন আগের চেয়ে ভালো হও।
৩২. ধৈর্য অনেক সময় সবচেয়ে বড় শক্তি।
৩৩. সবাই তোমাকে বুঝবে না—এটাই স্বাভাবিক।
৩৪. নিজেকে সারিয়ে তোলো।
৩৫. কম কিন্তু সত্যিকারের বন্ধু রাখো।
৩৬. সাময়িক মানুষকে স্থায়ী জায়গা দিও না।
৩৭. নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াও।
৩৮. মাঝে মাঝে নিজেকে নতুন করে গড়তে হারিয়ে যাও।
৩৯. পরিবর্তন সবাই মেনে নিতে পারে না।
৪০. অন্যদের প্রমাণ নয়—নিজেকে উন্নত করো।
৪১. যে জায়গা একসময় ভেঙে দিয়েছে, সেখানে আর ফিরে যেও না।
সামনে এগিয়ে যাও, তোমার জীবনের সেরা দিনগুলো এখনও আসেনি।
সময় দিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ ❤️
#সংগৃহীত
04/03/2026
বাচ্চাকে বেশি আদর দিয়ে বড় করলে
তারা ন-ষ্ট হয়ে যায়।
সব জায়গায় মানিয়ে নিতে পারে না।
এরকম ফালতু কথা জীবনে কতবার শুনেছেন?
আরো কয়েকটা বলি—
অচেনা মানুষের কাছে যেতে না দিলে
আত্মীয় স্বজনের কোলে উঠতে না চাইলে
প্লে গ্রাউন্ডে সবার সাথে হাহাহিহি না করলে
আপনার বাচ্চা সব পরিবেশের জন্য প্রস্তুত না 🥴
২ বছর বয়স থেকেই মরিচ, মসলা আর তেলের সাগরওয়ালা তরকারি না খেলে আপনার বাচ্চা সব খাবারে অভ্যস্ত হবে না।
ঝাল খেতেই হবে, নাহলে মানুষের বাসায় খেতে পারবে না (এতই ইম্পর্টেন্ট মানুষের বাসায় খাওয়া)
দেয়ালে আঁকা যাবে না, মানুষের বাসায় গিয়ে আঁকবে (কারণ আমরা মানুষের বাসায় যাওয়ার জন্য বাঁচি)
নিজের শরীর, শরীরের পরিবর্তন, কেন হয় কিভাবে হয় শেখানো যাবে না কারণ এগুলি বাবা মা শেখায় না (এগুলি শেখানোর দায়িত্ব পাড়ার সবচেয়ে বখাটে ছেলেটার)
আচ্ছা বাচ্চাকে নিরাপদে বড় করলে তারা ন-ষ্ট কেন হয়ে যায় বলেন তো? তারা মুরগি কেন হয়ে যায়, কেন বন্য শূকর হয় না?
কারণ বন্য শূকরের চেয়ে মুরগি হওয়া ভালো।
আপনি চাইলেও পৃথিবীর সব প্রতিকূল পরিবেশের জন্য আপনার শিশুকে তৈরি করতে পারবেন না।
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতি একটা শিশুর এতিম হয়ে যাওয়া। মানে তার বাবা মা না থাকা।
পৃথিবীর যত মহামানব (গৌতম বুদ্ধ ছাড়) তারা সবাই এতিম ছিলো। যীশু খ্রিষ্ট, মহানবী (সা) এদের কারো বাবা মা ছিলো না। তারা তো শ্রেষ্ঠ মানুষ হয়েছে।
তাই আপনি নিজে মরে গিয়ে সন্তানকে সেই পথে নিয়ে যাবেন? কই তা তো যাবেন না।
তাহলে বেঁচে থেকে নিজের দায়িত্ব কর্তব্য এড়ানোর জন্য ফাঁকিবাজি কথা বলেন কেন?
সিগারেট ছাড়তে পারেন না, বাচ্চা নিবেন কেন?
আত্মীয়ের বাড়ি বেড়ানোর লোভ যায় না, বাচ্চা নিতে যান কেন?
বাচ্চার জন্য পরিবেশ তৈরি করতে পারেন না, বাচ্চা নিতে যান কেন?
বাচ্চার নিরাপত্তা দেখভালের দায়িত্ব কার?
আপনার না?
সামাজিক বানানোর নামে, প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার দক্ষতা শেখানোর নামে, সব পরিস্থিতি সহ্য করা শেখানোর নাম নিয়েন না।
বলেন যে আপনি দায়িত্বজ্ঞানহীন। আপনি কর্তব্যজ্ঞানহীন। আপনি বেয়াক্কল।
প্রজননতন্ত্র থাকলেই বাবা মা হওয়া যায়।
প্রজননতন্ত্র দিয়ে প্যারেন্ট হওয়া যায় না।
প্যারেন্ট থাকলে তারা জানবে ক্লাস টু, ক্লাস ফাইভ, ক্লাস টেন, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সন্তান কোথায় খেলে, কোথায় যায়, কার সাথে যায়, কী খায়।
আমাদের জন্মদাতা বাপ মা আছে, তবু অধিকাংশ শিশুই এতিম। এদের কোনো প্যারেন্ট নাই।
শুভ্র মালাকার