24/01/2026
GOLDEN RATIO AND FIBONACCI SPIRAL.
Bank Math Preparation
24/01/2026
GOLDEN RATIO AND FIBONACCI SPIRAL.
11/01/2026
Do you know?
29/12/2025
The Hidden Mathematics of higher dimensions.
19/12/2025
সব কাজের জন্য শুধু ChatGPT ব্যবহার করা বন্ধ করুন! আপনি কি এখনো Nokia 1100 এর যুগে পড়ে আছেন?
ভাই, সত্যি কথা বলতে কী, আমাদের অনেকের সমস্যা হলো আমরা মনে করি AI মানেই শুধু ChatGPT। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এখন মার্কেটে কাজের ধরন অনুযায়ী স্পেশালাইজড সব টুল চলে এসেছে। একেকটা মডেল একেক কাজের জন্য বস।
সবকিছুর জন্য এক টুল ব্যবহার করে রেজাল্ট খারাপ করবেন না। কোন কাজের জন্য বর্তমান বিশ্বের সেরা টুল কোনটি তার একটা কমপ্লিট লিস্ট নিচে দিলাম।
১. লজিক আর কঠিন প্রবলেমের জন্য: GPT 5.1
জটিল কোনো কোডিং, ম্যাথ, বা কঠিন কোনো লজিক্যাল প্রবলেম সলভ করতে হবে? এখানে GPT 5.1 এর ধারেকাছে কেউ নেই। এর Reasoning ক্ষমতা এখন নেক্সট লেভেলের। কমপ্লেক্স কাজের জন্য এটাই সেরা।
২. লেখালেখির জন্য: Claude 4.1
ChatGPT এর লেখা অনেক সময় রোবটিক লাগে, তাই না? ন্যাচারাল, হিউম্যান-লাইক রাইটিং এবং বড় কোনো ডকুমেন্ট মনে রাখার (Memory) জন্য Claude 4.1 এখন আনবিটেবল। ব্লগ, ইমেইল বা ক্রিয়েটিভ রাইটিং এর জন্য চোখ বন্ধ করে এটা ইউজ করুন।
৩. রিসার্চ এবং ইমেজ অ্যানালাইসিসের জন্য: Gemini 2.5
গুগলের ইকোসিস্টেমের সাথে কানেক্টেড থাকায় রিসার্চের জন্য এটা বস। বড় বড় রিপোর্ট পড়া এবং ইমেজ থেকে ডেটা বের করার জন্য Gemini 2.5 দারুণ ফাস্ট এবং এফিশিয়েন্ট।
৪. ডেভেলপারদের জন্য (Open Source): Deepseek 3.1
যারা কোডিং করেন বা নিজেদের মতো কাস্টমাইজ করতে চান, তাদের জন্য এটা এখন হট কেক। ওপেন সোর্স মডেল হিসেবে Deepseek এখন বাঘা বাঘা পেইড মডেলকেও টক্কর দিচ্ছে।
৫. গুগল সার্চের রিপ্লেসমেন্ট: Perplexity
কোনো প্রশ্নের উত্তর ইনস্ট্যান্ট দরকার? গুগল ঘেঁটে ১০টা লিঙ্ক ওপেন করার দিন শেষ। Perplexity আপনাকে সোর্সসহ একদম টু-দ্য-পয়েন্ট উত্তর এনে দেবে। রিসার্চের সময় বাঁচানোর জন্য এটা মাস্ট।
৬. সিনেমাটিক ভিডিওর জন্য: Runway
আপনার ভিডিওতে সিনেমাটিক ভাইব দরকার? Runway এর জেনারেটিভ ভিডিও কোয়ালিটি জাস্ট ওয়াও। বি-রোল বা আর্টশট বানানোর জন্য এটা বেস্ট।
৭. রিয়েলিস্টিক এবং টকিং ভিডিওর জন্য: Veo 3
ক্যারেক্টার কনসিস্টেন্সি এবং একদম রিয়েলিস্টিক ভিডিও জেনারেট করতে চাইলে Veo 3 ট্রাই করুন। বিশেষ করে লিপ-সিঙ্ক এবং ফেস এক্সপ্রেশন এখানে অনেক বেশি ন্যাচারাল।
৮. রিয়েল-টাইম নিউজ এবং ইন্টিগ্রেশন: Grok 4
দুনিয়ায় এই মুহূর্তে কী ঘটছে, সেটা জানতে চাইলে Grok 4 সেরা। সোশ্যাল ডেটা এবং রিয়েল-টাইম নলেজের এক্সেস থাকায় এর ইনফরমেশন অনেক বেশি আপ-টু-ডেট।
একটাই টুল দিয়ে সব করার চেষ্টা করবেন না। স্মার্ট মানুষরা জানে কখন কোন অস্ত্র ব্যবহার করতে হয়। লিস্টটা সেভ করে রাখুন, কাজে লাগবে।
ফিউচার কিন্তু টুলসে না, ফিউচার হলো আপনি সেই টুলসগুলো কতটা স্মার্টলি ব্যবহার করতে পারছেন তার ওপর।
Save + Share🙂
21/09/2025
জি-মেইল কি শুধুই একটি ইমেইল পাঠানোর মাধ্যম? আপনি যদি এমনটা ভেবে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য দারুণ কিছু টিপস আছে! 📧🚀
বিশ্বজুড়ে ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ জি-মেইল ব্যবহার করেন, কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র ২% মানুষ এর আসল ক্ষমতাগুলো জানেন। আপনার ইমেইল অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও স্মার্ট করতে এখানে রইল ১০টি অসাধারণ Gmail Tricks: 👇
১. পাঠানো ইমেইল ফিরিয়ে আনুন ⏪
ভুল করে কোনো ইমেইল পাঠিয়ে ফেলেছেন? চিন্তা নেই! সেটিংস-এ গিয়ে **'Undo Send'** অপশনটি চালু করুন এবং ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত সময় সেট করুন। এতে ভুল করে পাঠানো যেকোনো ইমেইল সহজেই ফিরিয়ে আনতে পারবেন।
২. অপ্রয়োজনীয় মেইল ঝেড়ে ফেলুন 🧹
ইনবক্সে জমে থাকা হাজারো প্রমোশনাল মেইলে বিরক্ত? সার্চ বারে শুধু **'unsubscribe'** লিখে সার্চ করুন। সব মেইল একসাথে সিলেক্ট করে ডিলিট করে দিলেই আপনার ইনবক্স এক মিনিটে পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৩. গোপন মেইল পাঠান 🔒
আপনার ইমেইলের কনটেন্ট যেন কেউ কপি, প্রিন্ট বা ফরওয়ার্ড করতে না পারে, তার জন্য ব্যবহার করুন **Confidential Email** অপশন। নতুন মেইল লেখার সময় কম্পোজ বক্সে থাকা **প্যাডলক আইকনে** ক্লিক করে এই ফিচারটি ব্যবহার করতে পারেন।
৪. অফলাইনে জি-মেইল ব্যবহার করুন 📲
ইন্টারনেট না থাকলেও আপনি ইমেইল চেক করতে পারবেন! সেটিংস-এ গিয়ে **'Offline'** ট্যাবে অফলাইন অ্যাক্সেস চালু করে রাখুন। এতে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই পুরোনো ইমেইলগুলো দেখতে পারবেন।
৫. ইমেইলগুলোকে 'স্নুজ' করুন 😴
এখন পড়ার সময় নেই এমন ইমেইলগুলো পরে পড়ার জন্য সরিয়ে রাখতে পারেন। ইমেইলের পাশে থাকা **ঘড়ির আইকনে** ক্লিক করে নির্দিষ্ট সময় বা তারিখ সেট করে রাখুন, ইমেইলটি ঠিক সেই সময়ে আবার ইনবক্সে ফিরে আসবে।
৬. ইমেইল আগে থেকেই শিডিউল করুন ⏰
গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল পরে পাঠানোর জন্য আগে থেকেই তৈরি করে রাখতে পারেন। **Send** বাটনের পাশের **অ্যারো আইকনে** ক্লিক করে **'Schedule Send'** অপশনটি ব্যবহার করুন। নির্দিষ্ট তারিখ ও সময় দিয়ে রাখলে ইমেইলটি আপনা-আপনিই চলে যাবে।
৭. মেইলের জন্য টেমপ্লেট তৈরি করুন 📝
একই ধরনের ইমেইল বারবার লেখার ঝামেলা এড়াতে **টেমপ্লেট** ব্যবহার করুন। একবার লিখে ড্রাফটটি টেমপ্লেট হিসেবে সেভ করে রাখুন। এতে সময় বাঁচবে এবং বারবার একই জিনিস লিখতে হবে না।
৮. লেবেল দিয়ে মেইল সাজান 🏷️
আপনার ইনবক্সকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজাতে **লেবেল** ব্যবহার করতে পারেন। কাজ, ব্যক্তিগত, ভ্রমণ—এ রকম বিভিন্ন লেবেল তৈরি করে মেইলগুলোকে আলাদা করে রাখুন। এতে যেকোনো ইমেইল খুঁজে বের করা সহজ হবে।
৯. কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করুন ⌨️
দ্রুত কাজ করার জন্য কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করুন। জি-মেইল সেটিংস-এ গিয়ে **'Keyboard Shortcuts'** চালু করে নিন। সব শর্টকাট দেখতে জি-মেইলে থাকা অবস্থায় **Shift + ?** চাপুন।
১০. Fixer AI-এর সুবিধা নিন 🤖
জি-মেইলের সঙ্গে Fixer AI-এর মতো একটি এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করে আপনার ইমেইল ও মিটিংগুলো আরও স্মার্টভাবে ম্যানেজ করতে পারেন। এটি আপনার সময় বাঁচাতে এবং কর্মক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করবে।
জি-মেইলের এই Tricks-গুলো ব্যবহার করে দেখুন, আপনার ডিজিটাল জীবন আরও সহজ হবে।
© মেহেদী সৈকত
03/09/2025
১৬৩১ সালে মমতাজ মহলের স্মৃতিতে মোগল সম্রাট শাহজাহান তাজমহল নির্মাণের আদেশ দেন। একই সময়ে, ১৬৩৬ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি। দুইটি স্থাপত্যই বিশ্ববিখ্যাত—তবে একটির শিকড়ে শোক ও সৌন্দর্যের আরেকটির ভিত গড়ে উঠেছে জ্ঞান ও শিক্ষার ওপর।
তাহলে প্রশ্ন জাগে: একসময় যারা তাজমহল বানাচ্ছিল, অন্যদিকে তারা কি চাইলে হার্ভার্ড বানাতে পারতেন না?
শুধু তাজমহল নয়, ভারতবর্ষের ইতিহাসজুড়ে ছড়িয়ে আছে অগণিত প্রাসাদ, উদ্যান, সমাধি আর সোনা-রুপার অলংকারের গল্প। অথচ সেই যুগেও হাজার হাজার মানুষ ছিল শিক্ষাহীন, চিকিৎসাহীন, দারিদ্র্যপীড়িত।
এমনকি আজও আমরা প্রায়শই দেখি—উপমহাদেশের ধনকুবেরদের অর্থ ব্যয় হয় ব্যক্তিগত বিলাসিতা, বিয়ের শোভাযাত্রা, নায়ক-নায়িকা দিয়ে নাচানো কিংবা নামজাদা রিসোর্টে একচেটিয়া ভোগে।
অথচ পশ্চিমে দৃশ্যটা একেবারে আলাদা।
বিল গেটস, ওয়ারেন বাফেট, মার্ক জুকারবার্গ—বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় থাকা এদের অনেকেই জীবনের শেষে তাদের সম্পদ বিলিয়ে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাদের লক্ষ্য: পৃথিবীকে একটু ভালো করে রেখে যাওয়া। তারা হাসপাতাল গড়েন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি তহবিল তৈরি করেন, চিকিৎসা গবেষণায় অনুদান দেন।
সম্প্রতি একজন মার্কিন ধনকুবের নারী তার জীবনের সব সঞ্চয় দান করে গেছেন আলবার্ট আইনস্টাইন মেডিকেল স্কুলে। ফলাফল? সেখানকার ছাত্রছাত্রীদের এখন আর শিক্ষাঋণ নিতে হবে না—তারা ফ্রি পড়তে পারবে। একজন অচেনা নারী আজীবনের জন্য রয়ে যাবেন ভবিষ্যৎ ডাক্তারদের হৃদয়ে। সেই কৃতজ্ঞতা থেকে তারা হয়তো হাজার মানুষকে সেবা করবে।
এই মানবিক মূল্যবোধটাই সত্যিকার উন্নয়নের ভিত্তি।
উপমহাদেশের চিত্র কিছুটা করুণ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল নবাব সলিমুল্লাহর সহায়তায়। এরপর কী?
আর কোনো বিশিষ্ট ধনকুবের কি নিজ উদ্যোগে এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় গড়েছেন? তথ্যভিত্তিক পরিসংখ্যান বলছে—ভারত, বাংলাদেশ কিংবা পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেশিরভাগই রাষ্ট্রনির্ভর। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ধনকুবেরদের অংশগ্রহণ থাকলেও তা মূলত লাভের উদ্দেশ্যে, জনসেবার মানসে নয়।
এদিকে আমেরিকার বহু নামী বিশ্ববিদ্যালয় যেমন - স্ট্যানফোর্ড, কর্নেল, রকফেলার, কার্নেগি মেলন—এসব সবই কোনো না কোনো দানশীল ব্যক্তির নামধারী। তারা ব্যবসা করেছেন, সম্পদ গড়েছেন, তারপর সেই সম্পদ মানবতার সেবায় উৎসর্গ করেছেন।
আমাদের সংস্কৃতি কেন পিছিয়ে?
উপমহাদেশে ধনকুবের হওয়া মানেই—ছেলের বিয়েতে হীরার কোট, মেয়ের বিয়েতে সোনার পালঙ্ক, গাড়ির বহর, আর ফটোসেশনে নামজাদা সেলিব্রিটি।
কেউ কেউ জীবনের শেষে মসজিদ, মন্দির বা গীর্জা গড়েন সমাজসেবার তকমা জুটিয়ে নেওয়ার আশায়।
তারপর মৃত্যুর পরেই শুরু হয় সম্পদের জন্য উত্তরাধিকারীদের হানাহানি, মামলা-মোকদ্দমা, এমনকি মারামারি।
আলফ্রেড নোবেল ইউরোপের ধনকুবের ছিলেন। মৃত্যুর আগমুহূর্তে তিনি তার সম্পদের প্রায় পুরোটাই দিয়ে গিয়েছিলেন নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের জন্য।
তাঁর বদৌলতেই আজ পৃথিবীর সেরা বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, শান্তিপ্রিয় ব্যক্তিরা সারা বিশ্বের স্বীকৃতি পান।
কিন্তু তিনি যদি আমাদের উপমহাদেশে জন্মাতেন?
সম্ভবত তিনি ছেলের পৈত্রিক জমিতে তিনতলা বাড়ি করতেন, মেয়ের বিয়েতে দিল্লি থেকে ডিজে আনাতেন, এবং শেষ বয়সে দুইটা ঘর মসজিদে লাগিয়ে “দাতব্য” হিসেবে প্রশংসা কুড়াতেন।
এই লেখার উদ্দেশ্য তুলনা করা নয়, বরং আত্মবিশ্লেষণ।
একজন ধনকুবের কী করবেন, সেটি অবশ্যই তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে আমাদের সংস্কৃতিতে যদি ‘দান’ শব্দটি লোক দেখানো অনুষ্ঠান না হয়ে, সত্যিকারের মানবিক দায়িত্ববোধ হয়ে ওঠে—তাহলেই হয়তো আমরাও বিশ্বমানবতার অগ্রযাত্রায় অংশ নিতে পারব।
একদিন যদি আমাদের কেউ—বিল গেটসের মতো একটি স্কুল গড়ে দেন, কোনো দরিদ্র শিক্ষার্থীর ঋণ মকুব করে দেন, কিংবা গবেষণার জন্য অর্থ তহবিল দেন, সেটিই হবে সত্যিকার নায়কোচিত আচরণ।
যেদিন এই ট্রেন্ড শুরু হবে, সেদিন হয়তো আমরা এক-একজন শাহরুখ বা সালমানের চেয়েও বড় নায়ক পাবো—যারা নাচিয়ে নয়, গড়ে দিয়ে ইতিহাসের পাতায় অমর হবেন।
©️ An Animesh
15/04/2025
একটা ছেলে যখন বেকার থাকে, তখন সে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সংকটে ভোগে না, তার প্রতি লোকের সম্মানটাও নষ্ট হয়ে যায়। পরিবারের লোকেরা তার উপস্থিতি মেনে নেয় অভ্যাসবশত, আর বাইরের দুনিয়া তাকে নিয়ে হাসাহাসি করে। তার দিনগুলো কাটে অপমান আর অপারগতায়। ধীরে ধীরে সে সমাজের চোখে অদৃশ্য হয়ে যায়!
সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে হয়, আরেকটা দিন গেল, কিন্তু কিছুই বদলাল না। তারপর কাজ খুঁজতে বের হয়, আশায় থাকে কেউ একটা সুযোগ দেবে। কিন্তু দরজার পর দরজা বন্ধ হয়, কেউ বিশ্বাস করতে চায় না যে সে পারবে! "তোমার অভিজ্ঞতা নেই," "আমাদের লোক লাগবে না," "তুমি আনফিট" এই কথাগুলো তার আত্মবিশ্বাস ধ্বংস করে দেয় তিলে তিলে!
বাড়িতে ফিরে দেখে, মা মুখ নিচু করে চুপচাপ বসে আছে, বাবা মুখ ঘুরিয়ে নেন, ছোট ভাইবোনের চোখেও এক ধরনের প্রশ্ন "তুমি আসলে করছটা কি?"
যাকে সে ভালোবাসে, সেও ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়। কারণ, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে টাকা রোজগার করা শিখতে হয়, নিজেকে প্রমাণ করতে হয়। এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে প্রেম টাকা ছাড়া আর কিছু চেনে না!
বন্ধুরা মজা করে, আত্মীয়রা খোঁটা দেয়, প্রতিবেশীরা আড়ালে হাসাহাসি করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে নিজেকেই ঘৃণা করতে শুরু করে। একদিন সে আর কোনো স্বপ্নই দেখে না, কারণ সে জানে, স্বপ্ন কেবল টাকাওয়ালাদের জন্য!
এই দুনিয়া শুধু সাফল্যের গল্প শুনতে চায়। এখানে বেকার হয়ে বেঁচে থাকা মানে অভিশাপ বয়ে বেড়ানো। অভাবের যুদ্ধে সবাই টিকে থাকতে পারেও না। কেউ আত্মহত্যা করে, কেউ কাপুরুষের মতো জীবন কাটায়, আর কেউ মেনে নেয় "জন্মই আমার আজন্ম পাপ!"
11/04/2025
" শিক্ষাগুরুর মর্যাদা "
–কাজী কাদের নেওয়াজ।
" বাদশাহ আলমগীর-
কুমারে তাঁহার পড়াইত এক
মৌলভী দিল্লীর।
একদা প্রভাতে গিয়া,দেখেন বাদশাহ-
শাহজাদা এক পাত্র হস্তে নিয়া
ঢালিতেছে বারি গুরুর চরণে
পুলকিত হৃদে আনত-নয়নে,
শিক্ষক শুধু নিজ হাত দিয়া
নিজেরি পায়ের ধুলি
ধুয়ে মুছে সব করিছেন সাফ্
সঞ্চারি অঙ্গুলি।
শিক্ষক মৌলভী
ভাবিলেন আজি নিস্তার নাহি,
যায় বুঝি তার সবি।
দিল্লীপতির পুত্রের করে
লইয়াছে পানি চরণের পরে,
স্পর্ধার কাজ হেন অপরাধ
কে করেছে কোন্ কালে!
ভাবিতে ভাবিতে চিন্তার রেখা
দেখা দিল তার ভালে।
হঠাৎ কি ভাবি উঠি
কহিলেন, আমি ভয় করি না’ক,
যায় যাবে শির টুটি,
শিক্ষক আমি শ্রেষ্ঠ সবার
দিল্লীর পতি সে তো কোন্ ছার,
ভয় করি না’ক, ধারি না’ক ধার,
মনে আছে মোর বল,
বাদশাহ্ শুধালে শাস্ত্রের কথা
শুনাব অনর্গল।
যায় যাবে প্রাণ তাহে,
প্রাণের চেয়েও মান বড়,
আমি বোঝাব শাহানশাহে।
তার পরদিন প্রাতে
বাদশাহর দূত শিক্ষকে ডেকে
নিয়ে গেল কেল্লাতে।
খাস কামরাতে যবে
শিক্ষকে ডাকি বাদশা কহেন,
”শুনুন জনাব তবে,
পুত্র আমার আপনার কাছে
সৌজন্য কি কিছু শিখিয়াছে?
বরং শিখেছে বেয়াদবি আর গুরুজনে অবহেলা,
নহিলে সেদিন দেখিলাম যাহা
স্বয়ং সকাল বেলা”
শিক্ষক কন-”জাহপানা,
আমি বুঝিতে পারিনি হায়,
কি কথা বলিতে আজিকে আমায়
ডেকেছেন নিরালায়?
বাদশাহ্ কহেন, ”সেদিন প্রভাতে
দেখিলাম আমি দাঁড়ায়ে তফাতে
নিজ হাতে যবে চরণ আপনি
করেন প্রক্ষালন,
পুত্র আমার জল ঢালি শুধু
ভিজাইছে ও চরণ।
নিজ হাতখানি আপনার পায়ে
বুলাইয়া সযতনে
ধুয়ে দিল না’ক কেন সে চরণ,
স্মরি ব্যথা পাই মনে।”
উচ্ছ্বাস ভরে শিক্ষকে আজি
দাঁড়ায়ে সগৌরবে
কুর্ণিশ করি বাদশাহে তবে
কহেন উচ্চরবে-
”আজ হতে চির-উন্নত হল
শিক্ষাগুরুর শির,
সত্যই তুমি মহান উদার
বাদশাহ্ আলমগীর।”
07/04/2025
মাত্র ১০ টাকায় অসাধারণ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ঢাকার এই হাসপাতালগুলোতে। নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হলো, যেখানে মাত্র ১০ টাকার টিকিটে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
১. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
ঠিকানা: কুর্মিটোলা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা-১২১৬
ফোন: +880-2-55062350
ওয়েবসাইট: http://kurmitolahospital.gov.bd
২. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-58151368, 02-48120079
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd
৩. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮
ফোন: 02-8878155
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd
৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (DMCH)
ঠিকানা: বকশিবাজার, ঢাকা-১২০৩
ফোন: 02-9668690
ওয়েবসাইট: https://www.dmc.gov.bd
৫. মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ঠিকানা: মুগদা, ঢাকা-১২১৪
ফোন: 02-7215400
ওয়েবসাইট: https://mmch.gov.bd
৬. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9122560
ওয়েবসাইট: https://shsmc.gov.bd
৭. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9137292
ওয়েবসাইট: https://www.nhf.gov.bd
৮. জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা: মহাখালী, ঢাকা-১২১২
ফোন: 02-9893491
ওয়েবসাইট: https://www.nicrh.gov.bd
এই হাসপাতালগুলোতে সকাল বেলা বহির্বিভাগে (OPD) মাত্র ১০ টাকায় টিকিট কেটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যায়। ওষুধও অনেক সময় বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।
৯. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ
ফোন নম্বর:
০২-৫৮১৫১৩৬৮
০২-৪৮১২০০৭৯
০২-৪৮১১৮৮০৮
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd
১০. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
ফোন নম্বর: ০২-৮৮৭৮১৫৫
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd
04/03/2025
|| লজিক্যাল ফ্যালাসি ||
আপনি যখন কারোর সাথে বিজ্ঞান বা সমসাময়িক কোনো বিষয়ে তর্ক করছেন৷ তখন তর্কের ভেতর আপনি যেসব যুক্তি দিচ্ছেন, তাতে স্বচ্ছতা থাকা জরুরী। এতে করে আলোচনাটার মাধ্যমে কোনো সঠিক সিদ্ধান্তে যাওয়া যাবে কিংবা আপনার তর্কে জিততে পারাটা সহজ হবে৷
অনেকেই আছে যে তর্কের ভেতর যুক্তির অপপ্রয়োগ বা Fault reasoning করে। কোনো দাবিকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য অসঙ্গত বা অপ্রাসঙ্গিক যুক্তি ব্যবহার করা করে। এটাই Logical fallacy বা কুযুক্তি।
আজকের লেখায় ওসব কুযুক্তি নিয়েই আলোচনা করব।
১. Ad Hominem
এক কথায় বললে ব্যক্তিগত আক্রমণ। যুক্তি প্রমাণের জোর না থাকলে অনেকেই গা|লি দেয় , কটুক্তি করে কিংবা খোঁচা মারে । এটাই Ad hominem fallacy।
উদাহরণ ১ : সে যেই নতুন আইনটির প্রস্তাব করলো, সেটা হাস্যকর৷ কারন সে নিজেই একটা গ|দর্ভ।
উদাহরণ ২: তোমার যুক্তি ভুল, কারণ তুমি নিজেই জীবনে কোনো সফলতা অর্জন করতে পারোনি।
[ এখানে ব্যক্তিকে আক্রমণ করে মূল প্রসঙ্গটিকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা হচ্ছে । ]
২. Straw Man
এই কুযুক্তিটা হয় , যখন মূল প্রসঙ্গটি এড়িয়ে গিয়ে সেই প্রসঙ্গের সাথে অনেকটা সাথে মিল রেখে ভিন্ন প্রসঙ্গ টানা হয়। মূল বক্তব্যকে বিকৃত করে আরেকভাবে উপস্থাপন করা হয় , এতে করে যুক্তিতে বিরোধী পক্ষ নিজের মতন করে জিতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
উদাহরণ ১: সে বলছে, আমাদের পরিবেশ রক্ষা করা উচিত। মানে সে মনে করে মানুষকে শিল্পায়নের থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।"
উদাহরণ ২: যে ব্যক্তি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পক্ষে, তার মতে - আমাদের সবাইকে পুরোপুরি নিরামিষ ভোজী হতে হবে।
৩. Appeal to Ignorance
এই কুযুক্তিটির দুটি অংশ। যথা - একটা বিষয় সত্য, কারন সেটা কেউ মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেনি। একটা বিষয় মিথ্যা, কারন কেউ সেটা সত্য প্রমাণ করতে পারেনি।
তবে সাধারণত প্রথম অংশটাই বেশি ব্যবহার করা হয়। কারন জগতের সবকিছুর অস্তিত্ব প্রথমে দাবি করা, পরে প্রমাণ করার চেষ্টা হয়। কিন্তু ধার্মিকরা কোনো কিছুর অস্তিত্বের দাবি করার পর অনস্তিত্বের প্রমাণ করতে বলে। এতে করে নাকি তাদের অস্তিত্বের দাবিটা প্রমাণিত হবে, যেটা হাস্যকর।
উদাহরণ ১: কোনো প্রমাণ নেই যে জ্বীন নেই , তাই অবশ্যই জ্বীন আছে।
উদাহরণ ২: আমি প্রমাণ করতে পারবো না যে উড়ন্ত ঘোড়ার অস্তিত্ব আছে। কিন্তু আপনি কি প্রমাণ করতে পারবেন যে উড়ন্ত ঘোড়ার অস্তিত্ব নেই?
[ এখানে দাবিটা আপনার, সুতরাং সেটা প্রমাণ করার দায়িত্বটাও আপনার। ]
৪. False Dilemma
যেকোনো বিষয়ে দুটি বিকল্প দেখানো হয়, অথচ সেখানে অনেকগুলো বিকল্প থাকতে পারে।
উদাহরণ ১: আপনি হয় আমাদের দলের সমর্থক , নয়তো আমার শত্রু।
[ এখানে আপনি চাইলে ওই দলের শত্রু বা সমর্থক কোনোটাই না হয়ে বিকল্প হিসেবে নিশ্চুপ থাকতে পারেন। অথচ আপনাকে কেবল দুইটা বিকল্প দেখানো হচ্ছে, যেন আর কোনো বিকল্প নেই। ]
৫. Slippery Slope
এটা অনেকটা বাস্তবে পিছলে পড়ার মতনই কুযুক্তি। একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর কি কি ঘটতে পারে, সেসব বলতে বলতে একটা চূড়ান্ত ফলাফলে পৌঁছে যাওয়া। অথচ সেসব ঘটার পিছনে ভালো কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনা।
উদাহরণ ১: যদি ছেলে-মেয়েদের একসাথে মেলামেশা বা বন্ধুত্ব করার অনুমতি দেই। তবে তারা স|ঙ্গম করবে। একসাথে জুয়া খেলবে, মদ খেয়ে পার্টি করবে।
উদাহরণ ২: শিক্ষার্থীদের একদিন ছুটি দিলে, পরবর্তীতে পুরো বছর ছুটির দাবি উঠাবে।
৬. Circular Reasoning / Begging to the question
বক্তার বক্তব্য ঘুরেফিরে একই কথাতে চলে আসে, কিন্তু উপসংহারে পৌছাতে পারেনা। এটা করা হয়, যখন বক্তার কাছে যুক্তি প্রমাণের অভাব থাকে।
উদাহরণ:
-ধর্মগ্রন্থের প্রতিটা কথা সত্য।
-ধর্মগ্রন্থের কথাগুলো যে সত্য, এটার প্রমাণ কি?
- এসব কথা ইশ্বর নিজে বলেছেন, তাই সত্য।
-ইশ্বরের কথা সত্য, এটার প্রমাণ কি?
-কারন ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে যে ইশ্বরের কথা সত্য। তাই সত্য।
৭. Hasty Generalization
ছোট একটা ঘটনার উপর ভিত্তি করে বড় সিদ্ধান্তে আসা।
উদাহরণ ১: আমি দুজন নারীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সিগারেট পান করতে দেখেছি। সুতরাং দুনিয়ার সব বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীগণ সিগারেট পান করে।
উদাহরণ ২: আজ একজন রিক্সাওয়ালা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করলো। সুতরাং, দুনিয়ার সব রিক্সাওয়ালা খারাপ।
৮. Red Herring
মূল প্রসঙ্গ থেকে সরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে আনা, যেখানে দুটো প্রসঙ্গের কোনো মিল নেই।
উদাহরণ ১: আপনি কেন সবসময়ই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন, যেখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা গংগীবাদ।
উদাহরণ ২: পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা চলছে, কিন্তু আসলে আমাদের সুশাসন নিয়ে চিন্তা করা উচিত।
এই কুযুক্তিটির সাথে অনেকেই Straw man fallacy এর সাথে গুলিয়ে ফেলতে পারেন। তাই পার্থক্যটা বলে দেওয়া ভালো। Red herring কুযুক্তিতে দুটো প্রসঙ্গের কোনো মিল থাকেনা। একদম সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে আনা হয়।
কিন্তু Straw man কুযুক্তিতে দুটো বিষয়ে সামান্য মিল থাকে। বক্তা মূলত মূল বক্তব্যকে বিকৃত করে নিজের মনমত। তখন বিকৃত করা প্রসঙ্গের সাথে মূল প্রসঙ্গের সামান্য মিল রয়ে যায়৷
আরেকটু উদাহরণ দিয়ে বলি।
রেড হেরিং ফ্যালাসী -
একজন ছাত্র বলেন, আমি বাড়ির কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।
এর উত্তরে শিক্ষক বলেন, তুমি কি জানো বিশ্বে হাজার হাজার শিশু ক্ষুধার্ত আছে?
[ এখানে ছাত্র বললেন, বাড়ির কাজের কথা। কিন্তু শিক্ষক হাজার হাজার ক্ষুধার্ত শিশুর কথা বলে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে আনলেন। এখানে দুটি প্রসঙ্গের কোনো মিল নেই। ]
স্ট্রম্যান ফ্যালাসী -
এক পক্ষ বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যসেবায় সুলভ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।
অপর পক্ষ তার যুক্তিকে বিকৃত করে বলে , তার মানে, তুমি চাইছো যে সরকার পুরোপুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করে সব ব্যক্তিগত হাসপাতাল বন্ধ করে দিক।
[ এখানে বক্তার হাসপাতালের প্রসঙ্গের সাথে মিল রেখে আরেকটা প্রসঙ্গ টানা হয়েছে। প্রথম প্রসঙ্গটা বিকৃত করে একটা ভিন্ন রূপের প্রসঙ্গ তৈরি করা হয়েছে। প্রথম প্রসঙ্গের মূল বক্তব্যকে এড়িয়ে গেছে, যাতে করে মূল প্রসঙ্গের কথাটাকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করা যায়। ]
৯. Appeal to Authority
একটা বিষয় সত্য৷ কারন অমুক লোক বলেছে, এটা সত্য।
এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া জরুরী। অমুক লোকটি মূল প্রসঙ্গের সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা! যেমন একজন বিজ্ঞানী একটা কথা বললে , সেটার একরকম জোর থাকে। বিজ্ঞানী অবশ্যই নানান গবেষণার ভিত্তিতেই বলেন উনার কথাগুলো। কিন্তু একই কথা যদি আপনার বড় ভাই ইলিয়াস বলে এবং আপনি সেই বলার ভিত্তিতে বিষয়টাকে সত্য বলে ভেবে নেন, তখন সেটা হবে Appeal to authority fallacy । কেবল বলেছে বলেই সেটা সত্য হবেনা, সেটার জন্য প্রমাণ দেখাতে হবে। এখানে বিজ্ঞানীর কথাটা চাইলেই প্রমাণ করা যাবে। কিন্তু আপনার বড় ভাইয়ের কথাটা প্রমাণ করার কোনো উপায় নেই। তবে যদি প্রমাণসহ কথাটা বলে, তাহলে আর ফ্যালাসী হবেনা।
উদাহরণটা আলাদা করে আর দিচ্ছি না, যেহেতু লেখার ভেতরেই দিলাম।
১০. Appeal to Emotion
আবেগের আশ্রয় করে যুক্তিতে জিততে চাওয়া।
উদাহরণ ১: আপনি যদি গরীব মানুষদের দান না করেন, তার মানে দাড়ায় আপনি একজন স্বার্থপর মানুষ।
[ একজন মানুষের দান না করার পিছনে অনেক কারন থাকতে পারে। ]
১১. Non Sequitur
বক্তা কথা বললো একরকম , কিন্তু উপসংহার দিলো আরেক রকম।
উদাহরণ ১: সে অনেক বই পড়েছে, তাই সে ভালো দৌড়াতে পারে।
[ এখানে বই পড়ার সাথে ভালো দৌড়ানোর কোনো সম্পর্ক নাই। ]
১২. Tu Quoque
বক্তার ব্যক্তিগত আচরণ বা অভ্যাসকে তুলে ধরে তার যুক্তির প্রতি আক্রমণ করা হয়।
উদাহরণ - তুমি সিগারেট খাও, তাই তোমার বক্তব্য যে সিগারেট খাওয়া ভালো নয় —এটা গ্রহণযোগ্য নয়।
১৩. Bandwagon
কেবল জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে কোনো বিষয়কে সঠিক ভাবা।
উদাহরণ ১: ইসলাম ধর্মের জনপ্রিয়তা অনেক বাড়ছে, সুতরাং এটাই সঠিক ও সহনশীল ধর্ম।
উদাহরণ ২: ওই সিনেমাটা ভালো। কারন সিনেমাটা প্রচুর মানুষ দেখেছে।
[ নোংরা জিনিসেরও অনেক জনপ্রিয়তা থাকে। তাই বলে সেটা ভালো জিনিস হয়ে যায়না। ]
১৪. False Analogy
দুটি বিষয়ের মধ্যে তুলনা করে উপসংহার টানা , যেখানে ওই দুটি বিষয়ের মধ্যে আদতে সমতুল্য কোনো বৈশিষ্ট্য নেই।
উদাহরণ ১: গাছের পাতা ঝরে গেলে গাছ মারা যায়, তাই মানুষের যদি কোনো অভ্যাস পরিবর্তন না হয় তবে জীবনে সফলতা অর্জন করা যাবে না।
উদাহরণ ২: একজন চিত্রশিল্পী ও একজন সংগীতজ্ঞের কাজ তুলনা করা যায়। একজন ভালো চিত্রশিল্পীর কদর না করলে একজন সংগীতজ্ঞের সুরও সঠিক হবে না।
১৫. Appeal to Nature
প্রকৃতিতে আছে বলেই একটা কাজ সঠিক, এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
উদাহরণ ১: এই ঔষধটি ১০০% প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি, তাই এটি অবশ্যই নিরাপদ এবং কার্যকর।
পরিশেষে,
তর্ক করার সময় খেয়াল করে প্রতিটা কথা বলবেন। যাতে করে আপনার কথাবার্তায় কোনোরকম কুযুক্তি না চলে আসে । উল্লেখিত কুযুক্তিগুলো মাথায় ভালোমত গেঁথে নিন। ভবিষ্যতে কাজে আসবে।
30/01/2025
“Hold on to your Kids “এই বইটি কেবল সন্তান লালন-পালন সম্পর্কে আমার চিন্তাভাবনাকেই বদলে দেয়নি - এটি আমাকে পরবর্তী প্রজন্মকে লালন-পালনের মূল ভিত্তিটি পুনর্বিবেচনা করার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে !!
আমি profound পাঠগুলি শেয়ার করতে চাই যা আমাকে আমার নিজের সম্পর্কগুলোকে সম্পূর্ণ নতুন আলোতে দেখতে সাহায্য করেছে।
1. আমাদের শিশুদের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার হল আমাদের উপস্থিতি, আমাদের উপহার নয়। যেখানে আমরা সর্বদা সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ খেলনা, কার্যকলাপ, এবং অভিজ্ঞতা প্রদানে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়তাম। কিন্তু নেফেল্ড আমাকে শিখিয়েছেন যে সত্যিকারের সন্তুষ্টি আসে বস্তুগত জিনিস থেকে নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দ্বারা দেখা, শোনা, এবং ধরা পড়ার অনুভূতি থেকে।
২ . শিশুদের সাথে খেলার মৌলিকতা শুধু মজা নয়—এটি গভীর সংযোগের একটি প্রবেশদ্বার। আমাদের জীবন যত ব্যস্ত হয়, একসাথে থাকার নির্মল আনন্দকে ভুলে যাওয়া তত সহজ। নেফেল্ড আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে হাসি, মজার মুহূর্ত, এবং সময় কোনও বিলাসিতা নয়—এটি পিতা-মাতা ও সন্তানের সম্পর্কের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি।
৩. এখন আমাদের বুঝতে খুব কঠিন হয় না যে সংস্কৃতি কত দ্রুত শিশুদের পরিবার থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে । এবং বকে যাওয়া বন্ধুদের প্রভাব হল এক নীরব মহামারী যা পিতা-মাতা ও সন্তানের সম্পর্ককে দুর্বল করছে। এই বইটি আমাকে দেখিয়েছে কিভাবে এটি আমাদের শিশুদের অভ্যন্তরীণ ভিত্তিকে দুর্বল করে—এবং আমি কীভাবে এটি শক্তিশালী করতে পারি।
৪. স্বাস্থ্যবান, স্থিতিশীল শিশু গড়ে তোলার মূল চাবিকাঠি শুধু শৃঙ্খলা নয় বরং এটি সংযুক্তিও বটে। আমি মনে করতাম কঠোর নিয়ম এবং পরিণতি "ভালো" আচরণের পথ। কিন্তু নেফেল্ড দেখিয়েছেন কিভাবে সত্যিকারের পরিপক্কতা গভীরভাবে সংযুক্ত হওয়ার অনুভূতি থেকে বিকশিত হয়, কেবল আদেশ অনুসরণ করা নয়। এটি এক Paradigm পরিবর্তন যা আমার পিতৃত্বকে বিপ্লবী করে তুলছে।
৫. শিশুদের উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত স্বাধীনতা বিশ্বাসের স্থান থেকে আসে, ভয়ের নয়। আমি আমার সন্তানদের "বড়" হতে চাপ দেওয়ার মনোভাব পোষণ করতাম। মনে করতাম এটি তাদের শক্তিশালী করবে। কিন্তু এই বইটি আমাকে দেখিয়েছে কিভাবে অকাল স্বাধীনতা একটি শিশুর প্রাকৃতিক অগ্রগতিকে বাধা দিতে পারে।
৬. অ-জনপ্রিয় / অপ্রিয় হওয়ার সাহস হল আমাদের বাচ্চাদের সবচেয়ে বড় উপহার যা আমরা দিতে পারি। এমন এক পৃথিবীতে যেখানে ভিড়ের স্বীকৃতিকে বা জনতার বৈধতাকে পূজা করা হয়, নিউফেল্ড যুক্তি দেন যে নিরাপদ অভিভাবকত্বের আসল লক্ষণ হল ভুল বোঝাবুঝির জন্য প্রস্তুতি। আমি যখন আমার বাচ্চাদের চাহিদাকে পৃষ্ঠ-স্তরের অনুমোদনের চেয়ে অগ্রাধিকার দিতে শিখি তখন এটি গভীরভাবে অনুরণিত হয়।
৭. আমাদের শিশুদের আরও উদ্দীপনার প্রয়োজন নেই—তাদের আরও অর্থের প্রয়োজন। আমি এমন কিছু বস্তুবাদীতার শব্দগুলিকে না বলার এবং পুষ্টিকর বিষয়গুলিকে হ্যাঁ বলার জন্য শিখছি। ডিজিটাল ইনপুট এবং অত্যধিক সময়সূচিবদ্ধ জীবনের যুগে, এই বইটি আমাকে সত্যিকার অর্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য স্থান তৈরি করতে উদ্বুদ্ধ করেছে: গুণগত সময়, প্রামাণিক কথোপকথন, এবং belonging-এর অনুভূতি।
এই পাঠগুলি নিয়ে চিন্তা করার সময় , আমি অবাক হয়েছি যে , কিভাবে এই বইটি আমার পিতৃত্বের পুরো বোঝাপড়াকে নতুন করে সাজিয়েছে। এটি কেবল আচরণ পরিচালনা করা বা মাইলস্টোনে পৌঁছানো নয়—এটি এমন ধরনের বিশ্বাস, সম্মান, এবং সত্যিকারের সংযোগ তৈরি করে যা আমাদের শিশুদের তাদের সম্পূর্ণ সত্তায় বিকশিত হতে সাহায্য করে ।
17/01/2025
চট্টগ্রাম জেলার ১০৬টি দর্শনীয় স্থানঃ 🔵
১. পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত
২. ফয়েজ লেক
৩. মহামায়া লেক
৪. চন্দ্ৰনাথ পাহাড় ও মন্দির
৫. বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত
৬. গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত
৭. কুমিরা ঘাট
৮. ভাটিয়ারী লেক
৯. বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত
১০. সোনাইছড়ি ট্রেইল
১১. সুপ্তধারা ঋণী
১২. নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা
১৩. লালদীঘি
১৪. খেজুরতলা বীচ
১৫. আকিলপুর সী-বিচ
১৬. খৈয়াছড়া ঝর্ণা
১৭. ঝরঝরি ঝর্ণা
১৮. কমলদহ ঝর্ণা
১৯. সোনাইছড়া ঝর্ণা
২০. বোয়ালিয়া ঝর্ণা
২১. বাওয়াছড়া লেক
২২. হরিণমারা হাঁটুভাঙ্গা ট্রেইল
২৩. হাজারিখিল অভয়ারণ্য
২৪. বাঁশখালী ইকোপার্ক
২৫. কালুরঘাট ব্রিজ
২৬. চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি
২৭. বেলগাঁও চা বাগান
২৮. সহস্র ধারা ঝর্ণা
২৯. চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক
৩০. জাম্বুরী পার্ক
৩১. ডিসি হিল / নজরুল স্কয়ার
৩২. সিআরবি পাহাড়
৩৩. ছাগল কান্দা পাহাড়
৩৪. চেরাগি পাহাড়
৩৫. চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা
৩৬. হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রঃ) মাজার
৩৭. হযরত শাহ আমানত (রঃ) মাজার
৩৮. চালন্দা গিরিপথ
৩৯. বোটানিক্যাল গার্ডেন এবং ইকোপার্ক, সীতাকুণ্ড
৪০. আন্দরকিল্লা শাহী মসজিদ
৪১. জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর
৪২. পারকি সমুদ্র সৈকত
৪৩. শেখ রাসেল এভিয়ারি ইকো পার্ক
৪৪. বুদবুদির ছড়া
৪৫. মুহুরী প্রজেক্ট
৪৬. সন্দ্বীপ
৪৭. কল্পলোক বীচ
৪৮. বাড়বকুণ্ড
৪৯. নেভাল একাডেমি এবং নেভাল এরিয়া
৫০. চেরাগি পাহাড় মোড় (স্মৃতি মিনার)
৫১. কালুরঘাট বেতার
৫২. পার্কির চর
৫৩. বৌদ্ধ তীর্থ স্থান চক্রশালা, পটিয়া
৫৪. বাটালী হিল
৫৫. কর্ণফুলী টি গার্ডেন
৫৬. মিনি বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা কমপ্লেক্সে
৫৭. মহামুনি বৌদ্ধ বিহার
৫৮. রাঙ্গুনিয়া কোদালা চা বাগান
৫৯. বাটারফ্লাই পার্ক
৬০. অভয়মিত্র ঘাট
৬১. ফিশারি ঘাট
৬২. কর্ণফুলী টানেল
৬৩. খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত, বাঁশখালী
৬৪. খিরাম সংরক্ষিত বনাঞ্চল, ফটিকছড়ি
৬৫. লোহাগাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
৬৬. চুনতি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য
৬৭. বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান
৬৮. বেলগাঁও চা বাগান, পুকুরিয়া, বাশখালী
৬৯. বিপ্লব উদ্যান, শহর
৭০. খেজুরতলা পর্যটন কেন্দ্র
৭১. বাশখালি চা বাগান
৭২. আশুনিয়া চা বাগান
৭৩. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
৭৪. ভুজপুর সংরক্ষিত বনাঞ্চল
৭৫. কর্ণফুলী নদী
৭৬. চট্টগ্রাম বন্দর
৭৭. চারুলতা পার্ক, শহর
৭৮. রানী রাসমনি ঘাট
৭৯. হামিদ চর
৮০. আরসি নগর ফিউচার পার্ক
৮১. শেখ রাসেল শিশু পার্ক
৮২. রেলওয়ে জাদুঘর
৮৩. জিয়া স্মৃতি জাদুঘর
৮৪. কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ
৮৫. জাতিসংঘ পার্ক
৮৬. ঠাণ্ডাছড়ি পিকনিক স্পট
৮৭. আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্ক
৮৮. ভাটিয়ারী গলফ ও কান্ট্রি ক্লাব
৮৯. কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র
৯০. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
৯১. গুপ্ত জমিদার বাড়ি
৯২. চাকমা রাজবাড়ি
৯৩. প্রসন্ন কুমার জমিদার বাড়ি
৯৪. পরৈকোড়া জমিদার বাড়ি
৯৫. ভুজপুর জমিদার বাড়ি
৯৬. সত্য সাহার জমিদার বাড়ি
৯৭. চট্টগ্রাম তোরণ
৯৮. মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফ
৯৯. শমসের গাজীর কেল্লা
১০০. আমানত শাহ দরগাহ
১০১. ভুজপুর রাবার ড্যাম
১০২. হারুয়ালছড়ি রাবার ড্যাম
১০৩. দাঁতমারা রাবার বাগান বা সেলফি রোড
১০৪. বাগানবাজার রাবার বাগান
১০৫. হালদা নদী
১০৬. বায়েজিদ লিংক রোড
কতগুলো জায়গা ঘুরে দেখেছেন?
Cox's Bazar Railway Station - কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
🇧🇩