পৃথিবীর জানা-অজানা তথ্যসমূহ

পৃথিবীর জানা-অজানা তথ্যসমূহ

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পৃথিবীর জানা-অজানা তথ্যসমূহ, Education, Dhaka.

রহস্যময় সব ঘটনা মানুষকে উপহার দেয়াই আমাদের লক্ষ্য। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রহস্যময় সব ঘটনা সবাইকে জানিয়ে দেব আমরা আশা করি আমাদের পথ চলায় আপনারা সবাই আমাদের সঙ্গী হবেন।


¤ আমাদের পেইজে পোস্ট দেওয়ার সময়সূচি ¤


১। ১ম পোস্ট সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে দেওয়া হবে।

২। ২য় পোস্ট বিকাল ৫টায় দেওয়া হবে।

৩। রাতের পোস্ট রাত ১০টায় দেওয়া হবে।


এই সময় গুলোতে আমাদের পেইজের সাথে থাকার জন্য অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ।

24/04/2015

এক নজরে দেখে নিন "সিঙ্গাপুরের""" কিছু
জানা অজানা তথ্য-

১. সিঙ্গাপুরের এক হাজার ডলারের নোটের
পিছনে দেশের জাতীয় সঙ্গীত লেখা
থাকে। সিঙ্গাপুরের জাতীয় সঙ্গীত হল
মালয় ভাষায়, 'মাজুলা সিঙ্গাপুর' বা
সিঙ্গাপুর এগিয়ে চলো।
২. সিঙ্গাপুরে চারটি সরকারি ভাষা
রয়েছে। ইংরেজি, মান্দারিন, মালয়ের
সঙ্গে রয়েছে তামিল ভাষাও।
৩. সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা বেশিরভাগ
কথার শেষে 'লা' শব্দটি ব্যবহার করেন। এই
যেমন 'ওকে'কে বলেন 'ওকে-লা', 'থ্যাঙ্কউ'
বলার সময় বলেন 'থ্যাঙ্কউ-লা'
৪ পাঁচ বা তার বেশি লোকজনের ক্ষেত্রে
কোথাও জড়ো হতে গেলে পুলিসের নানা
কড়া নিয়মাবলি মানতে হয়।
৫. সিঙ্গাপুরকে বলা হয় সিংহের শহর বা
লায়ন সিটি। অথচ বাস্তবে গোটা
সিঙ্গাপুরে একটাও সিংহ নেই।
৬. রাত দশটার পর দুজনের বেশি লোক
জমায়েত হওয়া অবৈধ।
৭. সিঙ্গাপুরে মাত্র একটাই দল রয়েছে।
দলটির নাম 'পিপলস অ্যাকশন পার্টি'। ১৯৫৯
সাল থেকে 'পিপলস অ্যাকশন পার্টি'
দেশের ক্ষমতায় রয়েছে। ভোট পরিচালনা
করে এই দলই।
৮. সমকামিতা এখানে বেআইনি, তবে জুয়া
আইনসিদ্ধ। ২০১০ সালে পাবলিক টয়েলটে ২৮
বছরের যুবকের সঙ্গে ওরাল সেক্স করার
অপরাধে ৩ হাজার ডলার জরিমানা হয় ৪০
বছরের এক পুরুষের।
৯. ১৯০৫ সাল থেকে মোট ৬ বার টাইম জোন
পরিবর্তন করে সিঙ্গাপুর। ১৯৮২ সালে
সিঙ্গাপুর শেষবার তাদের টাইম জোন
পরিবর্তন করে। এখন সিঙ্গাপুরের টাইম
জিএমটি-র থেকে আট ঘণ্টা এগিয়ে।
১০. সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা বিশ্বের মধ্যে
সবচেয়ে দ্রুততম হাঁটা মানুষ (Fastest walking
speed)। ১০.৫৫ সেকেন্ডে সিঙ্গাপুরিয়ানরা
হাঁটে ১৮ মিটার, মানে ঘণ্টায় ৬.১৫
কিলোমিটার। সেখানে ভারতীয়দের
হাঁটার গতি ঘণ্টায় গড়ে ঘণ্টায় ৫
কিলোমিটার।
১১. ২০০৫ সালে জুয়াকে আইনসিদ্ধ করে
সিঙ্গাপুর।
১২. নিজের ঘরের মধ্যে নগ্ন থাকলেও আইনত
শাস্তি হতে পারে সিঙ্গাপুরের
নাগরিকদের। কারণ আইনঅনুযায়ী নগ্ন
অবস্থায় কেউ দেখে ফেললেই যিনি নগ্ন
ছিলেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যাবে।
১৩. সেক্স টয় বা অশ্লীল ম্যাগাজিন কেনা
বেচার উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
সেক্স টয় বা অশ্লীল ম্যাগাজিন কিনলে বা
বেচলে ৩ মাসের জেল ও মোটা টাকার
জরিমানা হয়।
১৪. আত্মহত্যার চেষ্টা করা সিঙ্গাপুরে
আইনবিরুদ্ধ কাজ। পেনাল কোডের ৩০৯
ধারায় আত্মহত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে
মানুষদের জেল হয় সিঙ্গাপুরে।
১৫. ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফির উপর কড়া
নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
১৬. ইন্টারনেটে গান বা সিনেমা
ডাউনলোড করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
২০০৬ সালে সিঙ্গাপুরের দুই নাগরিককে গান
ডাউনলোড করার অপরাধে গ্রেফতার করা
হয়।
১৭. অনুমতি না নিয়ে কাউকে জড়িয়ে ধরা
আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
১৮. সিঙ্গাপুরের ডাক নাম ফাইন সিটি বা
জরিমানার শহর। কারণ বিভিন্ন ছোট ছোট
কারণে এখানে জরিমানার ব্যবস্থা আছে।
১৯. বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত
হওয়া জায়গা গুলির মধ্যে অন্যতম হল
সিঙ্গাপুর। বছরে গড়ে ১৭১ বার বাজ পড়ে এই
শহরে।
২০. ১৯৯২ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে চুইংগাম
নিষিদ্ধ। কারণ চুইংগামে পথচারীদের
অসুবিধা হয়।
২১. সিঙ্গাপুরিয়ানরা সন্ধ্যা সাড়ে
সাতটের মধ্যে ডিনার সেরে ফেলেন।
২২. সিঙ্গাপুরে কোথাও কোথাও
পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে একটা গাড়ি সামনে,
পরেরটা পিছনে, তারপরেরটা আবার
সামনের দিকে মুখ করে রাখতে হয়।

24/04/2015

আজ থেকে আবারও জমজমাট আমাদের এই পেজ।।। কিছু ত্রুটির কারনে আমরা এতদিন এই পেজের পোস্ট দিতে পারি নি

14/03/2015

এক নজরে বিশ্বের উচ্চতম
বিষয়াবলি:
¤ উচ্চতম প্রাণী = জিরাফ
¤ উচ্চতম হ্রদ = টিটিকাকা
¤ উচ্চতম মালভুমি = পামির(মধ্য
এশিয়া)
¤ উচ্চতম জলপ্রপাত = এঞ্জেল
(ভেনিজুয়েলা)
¤ উচ্চতম পিরামিড = খুফুর
পিরামিড
(মিশর)
¤ উচ্চতম আগ্নেয়গিরি =
গুয়ালটিবি
¤ উচ্চতম গিরিপথ = আলপিনা
¤ উচ্চতম রাজধানী = লাপাজ
(লাপাজ)
¤ উচ্চতম ভবন = বুর্জ খলিফা(UAE)
¤ উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ = এভারেষ্ট
(নেপাল
ও তিব্বত)
¤ উচ্চতম লিবার্টি = ষ্ট্যাচু অব
লিবার্টি(যুক্তর াষ্ট)
¤ উচ্চতম শহর = ওয়েন চুয়ান
বিশ্বের দীর্ঘতম:
¤ দীর্ঘতম নদী = নীলনদ
¤ দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু =
আকাশি কাইকিও
¤ দীর্ঘতম প্রাচীর = চীনের
প্রচীর
¤ দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ = সেইকান
¤ দীর্ঘতম খাল = গ্র্যান্ড
¤ দীর্ঘতম যুদ্ধ =
শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ
(ব্রিটেন ও ফ্রান্স)
¤ দীর্ঘতম প্রাণালি = তাতার
প্রণালি
¤ দীর্ঘতম সেতু = ওয়াহি গ্রান্ড
(চীন)
¤ দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত =
কক্সবাজার
বিশ্বের গভীরতম:
¤ গভীরতম হ্রদ = বৈকাল
(কাস্পিয়ান
=বৃহত্তম)
¤ গভীরতম খনি = ওয়েষ্টার্ন
ডিপলেবেল
¤ গভীরতম মহাসাগর = প্রশান্ত
¤ গভীরতম গিরিপথ = হেলস
ক্যানিয়ন

07/02/2015

১. দিয়াশলাই এবং লাইটার
আমরা সবাই চিনি। সবাই
দেখেছি ব্যাবহার করেছি।
দিয়াশলাই দেখতে অতি সাধারণ,
লাইটার এর তুলনায় অনেক আধুনিক
মনে হয়। কি তাইনা? কিন্তু জানেন
কি লাইটার দিয়াশলাইয়ের
আগে আবিষ্কৃত হয়। আগে লাইটার
আসছে এরপর দিয়াশলাই। :

04/12/2014

If I ___ you, I 'd take the risk.
1) am
2) have been
3) were
4) would be

11/11/2014

দই এর নানা দিক
দই বা দধি একটি দুগ্ধজাতীয় পুষ্টিকর
খাবার। দুধে ব্যাক্টরীয় গাঁজনের ফলে দই
তৈরি হয়। দুধের ল্যাক্টোজের গাঁজনের
মাধ্যমে ল্যাক্টিক অ্যাসিড তৈরি হয়
যা দুধকে দইয়ে পরিণত করে এবং অন্যরকম
স্বাদ ও গন্ধ প্রদান করে।
দই সারা বিশ্বে জনপ্রিয় একটি খাবার।
মানুষ ৪৫০০ বছর আগে থেকে দই বানানো ও
খাওয়া শুরু করেছে তার প্রমাণ
পাওয়া যায়। বেদ ও উপনিষদে দইয়ের
ব্যবহারের কথা উল্লিখিত রয়েছে। আবার দই
বিষয়ে এই তথ্যও পাওয়া যায় যে,
খ্রিষ্টের জন্মের ৬০০০ বছর
আগে মধ্যপ্রাচ্যের নিওলিথিক গোষ্ঠীর
মানুষরা দই তৈরি করতে জানত এবং তাদের
খাদ্য তালিকায় দই থাকত। প্রাচীন মিশর,
রোম ও গ্রীসেও দই ব্যবহারের প্রচলন ছিল।
ধারণা করা হয়, ভারতীয়
উপমহাদেশে দইয়ের প্রচলন পারস্য
থেকে এসেছে। দই যখন থেকে এবং যেখান
থেকেই আসুক না কেন,
তা বর্তমানে বাঙালির পছন্দের
খাদ্যতালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
বাঙালির খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন দই
থাকে না। অথচ দই হলো পুষ্টির আধার! তবে দই
সম্পর্কে রয়েছে বেশ কিছু ভুল ধারণা।
যেমন - দই খেলে অ্যাসিড হয়, মাংস
খাওয়ার পর দই খাওয়া উচিত নয়, দই
খেলে ঠাণ্ডা লাগে বা গলা নষ্ট হয়।
আসলে দই খেলে অ্যাসিড হয় না। কারণ দই
নিজেই অন্য খাদ্যের পরিপাক
করিয়ে অ্যাসিড নষ্ট করে। মাংস খাওয়ার
পর দই খেলে তা আরো উপকার দেয় বেশি।
কারণ দই আমিষ হজমে সহায়তা করে। দই
খেলে ঠাণ্ডা লাগে না বা গলা নষ্ট হয়
না। তবে ফ্রিজে রাখা হিমশীতল দই
খেলে গলার ক্ষতি হতেই পারে।
দইয়ের রয়েছে নানান গুণাগুণ। প্রতি ১০০
গ্রাম ঘরে পাতা দইয়ে রয়েছে -
ক্যালসিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম
ভিটামিন-এ ১০২ আইইইউ
প্রোটিন ৩ গ্রাম
ফ্যাট ৪ গ্রাম
ময়েশ্চার ৯০ গ্রাম
ক্যালরি ভ্যালু ৬০ কিলোক্যালরি
দই তাদের জন্য বেশি উপকারী যারা দুধ সহ্য
বা হজম করতে পারেন না। কারণ
দইয়ে অ্যামাইনো অ্যাসিড যার
কারণে দুধের প্রোটিনের চেয়ে দইয়ের
প্রোটিন সহজে হজম হয়। খাওয়ার এক
ঘণ্টা পর দুধ হজম হয় ৩২% এবং দই হজম হয়
৯০ভাগ। এছাড়াও দইয়ের রয়েছে বেশ কিছ
খাদ্যগুণ। যেমন -
*দই থেকে তৈরি ঘোল লাচ্ছি বেশ মুখরোচক
খাবার। পেট গরম হলে, পেটে গ্যাস হলে,
এমনকি সর্দি হলেও ঘোল পান করলে তার উপশম
হয়।
*দই পাকস্থলীতে খাবারের পচন প্রতিরোধ
করে। পেটের ভেতরের ঘা সারাতে দই খুবই
উপকারী। শরীরের উত্তাপ নিয়ন্ত্রণেও এর
ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
*দইয়ের ব্যাক্টেরিয়া মানুষের
শরীরে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন
বি কমপ্লেক্স গ্রহণে সহায়তা করে।
*দইয়ের ল্যাক্টোব্যাসিলাস
ব্যাক্টেরিয়া কোলনের
ব্যাক্টেরিয়াগুলোকে উদ্দীপিত করে।
ফলে পেট পরিষ্কার থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্য
বা ডায়রিয়াও দ্রুত সেরে যায়।
*দই শরীরের ভালো ব্যাক্টেরিয়াগু
লোকে উদ্দীপিত করে। তাই
কোনো অ্যান্টিবায়েটিক
গ্রহণকালে খাদ্যতালিকায় দই রাখুন।
*প্রতিদিন কিছুটা দই খেলে জন্ডিস ও
হেপাটাইটিস প্রতিরোধ করা যায়। এমনকি দই
ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ
গড়ে তোলে।
*কুসুম গরম দুধের মতো দইও ঘুমের সমস্যা দূর
করে।
দই শুধু খাদ্য হিসেবে নয়, রূপচর্চার উপকরণ
হিসেবেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। যেমন -
*চুলে নিয়মিত টক দই লাগালে খুশকি দূর
হয় এবং অকালে চুল পাকা রোধ হয়।
*উপটান বা ফেসপ্যাকের সাথে দই
মিশিয়ে লাগালে ত্বকের দাগ কমে যায়,
ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল।
*চুলের পুষ্টি যোগাতে ডিম, অলিভঅয়েল
ও টক দই একসাথে মিশিয়ে চুলে লাগান
এবং আধ ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু
করে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল হবে রেশমী,
ঝলমলে।
*টকদইয়ের
সাথে চিনি মিশিয়ে সারা শরীরে তা লাগান
এবং মাসাজ করুন। এটা একই সাথে স্ক্যাবার
এবং ব্লিচ হিসেবে কাজ করবে। ফলে ত্বক
হবে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল।
*টক দই, মসুর ডালবাটা ও
কাঁচা হলুদবাটা একত্রে মিশিয়ে লাগালে রোদে পোড়া দাগ
দূর হয়ে যায়।

11/11/2014

We arrived --- the station at 2 pm.
a) in
b) at
c) for
d) to

11/11/2014

I _____ drive a car.
A. can't to
B. can
C. want
D. have

উওর দিন ::::

11/11/2014

৩ উপায়ে রসুন খেলে সমাধান হবে যেসব
শারীরিক সমস্যার
এখন ঋতু পরিবর্তনের সময়। এই সময়ে নানান ধরণের
রোগের উপসর্গ দেখা যায়। কিছুদিনেই
মধ্যে শীতকালের আগমন ঘটবে।
এইসময়ে সর্দি কাশির
সমস্যা দেখা যাবে বেশি। অনেকের এই
সময়ে বুকে কফ জমে যাওয়ার সমস্যাতেও
ভুগে থাকেন। এছাড়াও আরও নানা সমস্যায়
স্বাস্থ্যহানি ঘটতে পারে। রসুন অনেকাংশে এই
সমস্যার সমাধান করতে পারে। জানতে চান
কীভাবে? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
প্রতিদিন সকালে নাস্তা শেষে এক কোয়া রসুন
গিলে ফেলুন। চিবিয়ে খাবেন না, শুধু
গিলে ফেলবেন। এতে করে দেহের রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ঋতু
পরিবর্তনের সময় স্বাস্থ্যগত
সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
হজমের সমস্যা মুক্তি
২/৩ টি রসুনের কোয়া কুচি করে সামান্য
ঘিয়ে ভেজে নিন। এটি সবজির
সাথে কিংবা এমনি খাওয়ার অভ্যাস করুন।
এতে করে হজমের
নানা সমস্যা থেকে দূরে থাকবেন।
জমে যাওয়া কফ থেকে মুক্তি
খুব সামান্য তেলে ১/২ কোয়া রসুন ভেজে তা ১
টেবিল চামচ মধুর সাথে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার
আগে খান। নিয়মিত
খেলে বুকে জমে যাওয়া কফ থেকে রেহাই
পাবেন।

11/11/2014

সুস্থ থাকার জন্য অর্থাৎ সুস্বাস্থ্যের
অধিকারী হওয়ার জন্য অতি প্রয়োজনীয়
কিছু টিপস ও পরামর্শ ... মেগা টিপস
কালেকশন ...শেয়ার করে আপনার
ফেইসবুক টাইমলাইনে পোস্ট লিংক
সেইভ রাখুন ... ১০০% কাজে লাগবে

✯ ‘খালি পেটে জল, আর ভরা পেটে ফল।’
প্রতিদিন সকালে দাঁত ব্রাশ করার
আগে চার গ্লাস পানি পান করুন। দাঁত
ব্রাশের পর ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কিছুই
খাবেন না। এর পর স্বাভাবিক খাওয়া-
দাওয়া করুন। দেখবেন
শীতকালটা শরীরের জন্য
ভালো কাটবে। এমনিতেই প্রতিদিন
সকালে ঘুম
থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান
করা শরীরের জন্য খুব উপকারী।

✯ চীনারা খাবারের সঙ্গে কিন্তু
ঠাণ্ডা পানির বদলে গরম চা পান করে।
খাওয়ার পরপরই ঠাণ্ডা পানি তৈলাক্ত
খাদ্যকে কঠিন করে তোলে,
পরিপাকক্রিয়াকেও করে তোলে ধীর।

✯ প্রতিদিন রাত্রে ঘুমতে যাওয়ার
আগে যদি কষ্ট করে একটু সাবান
বা ফেসওয়াস দিয়ে মুখ
ধুয়ে ফেলতে পারেন আর তার
সাথে প্রতিদিন ৩থেকে ৪ লিটার
পানি পান করতে পারেন এবং নিয়মিত
মল ত্যাগের মাধ্যমে পাকস্থলীই
পরিষ্কার রাখুন। তাহলে ব্রন নামক এই
কুৎসিত রোগটি আপনার ১০০ গজ এর
ভিতরে আসতে পারবে না।
মোটা মানুষ পানি খেলেও
আরো মোটা হবে। এইটা ভুল ।
পানি খাওয়া কমিয়ে দিলে আপনার
ওজন কমবে না। বরং যারা ওজন
কমাতে চান, তাদের উচিত পর্যাপ্ত
পানি পান করা।
পানি খাওয়া কমিয়ে দিলে বরং আপনার
ওজন বেড়ে যেতে পারে। কারন,
শরীরে পানির অভাব দেখা গেলে,
তা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়ার ওপর
নেতিবাচক প্রভাব ফেলে থাকে।

✯ খাওয়ায় অরুচি ও ক্ষুধা মন্দা হলে ১-৩
গ্রাম
আদা খোসা ছাড়িয়ে মিহি করে কুচিয়ে নিন
এবং তার সাথে লবন এবং কয়েক
ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন
একবার করে ৭-৮ দিন খান।

✯ হাসতে গিয়েও হাসতে পারছেন না?
দাঁত ব্রাশ করার সময় পেস্টের
সাথে কয়েকদানা লবণ ছিটিয়ে দিন।
এভাবে দিনে দু’বার ব্রাশ করুন। লবণের
দানা স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে।
এছাড়া প্রতিবার ব্রাশের
পরে তেজপাতা দিয়ে দাঁতের
উপরে ঘসলে দাঁতের দাগ দূর হয়।
অথবা
একটু সরিষার তেল এবং লবন
মিশিয়ে দাঁতে লাগান, দাঁত
হবে ঝকঝকে সাদা আর মজবুত।

✯ দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে চোখ
রাখলে ‘আইস্ট্র্যান’ নামক
একটি সমস্যা তৈরি হতে পারে।
এতে চোখের প্রসারণ, শুকিয়ে যাওয়া,
মাথা ও ঘাড় ব্যথাসহ দৃষ্টির
সমস্যা হয়ে থাকে। এ
সমস্যা থেকে উত্তরণে প্রচুর ভিটামিন-
এ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। গাজর
হলো এই ভিটামিনের
একটি ভালো উৎস।
তাছাড়া কম্পিউটারের তীব্র
আলোফোকাল বা ট্রাইফোকাল
কম্পিউটার লেন্স ব্যবহার
করকরশ্মি থেকে চোখের সুরক্ষায়
এন্টিগ্ল্যায়ার স্ক্রিন প্রটেক্টর ব্যবহার
করতে পারেন। অথবা চশমার
লেন্সে এন্টি রিফুলেকটিং কোটিংয়ের
ব্যবহার করতে পারেন ...

✯ মধু খাওয়ায় সতর্কতা। নিন্ম লিখিত
খাবারের সাথে মধু খাওয়া যাবে না।
ক) মধুর সাথে কোন গরম খাবার।
খ) সমান মাত্রায় মধু এবং ঘি।
গ) মধু ও ঘোল।
ঘ) মধু ও খিচুরী।

✯ গোসল করার সময় বেশিক্ষণ
পানিতে থাকবেন না, এতে ত্বকের
ক্ষতি হয়।

✯ ঠোটেঁ কালো ছোপ
পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবে এটি নিয়মিত
করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।
✯ টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ
মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব
কমে যাবে।

✯ হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ
হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার
পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু
মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার
হাত মোলায়েম হবে।
✯ কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর
খোসায়
টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন।
এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।

✯ মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে।
এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন
ব্রণের উপর। ব্রণ
তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।

✯ লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ
থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার
রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ
চা চামচ গ্লিসারিন
মিশিয়ে যেখানে দাগ
পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।

✯ চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা,
শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।

✯ তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ
কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও
লেবুর রস
একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন
আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর
ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।

✯ . যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই
সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের
খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।

✯ . পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ
বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।

✯ ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য
প্রতিদিন ১৫ গ্রাম
করে মেৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম
সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল
হয়ে উঠবে।

✯ . মুখে কোন র্যাশ বের হলে অড়হর ডাল
বাটা পেষ্ট লাগান র্যাশের উপর।
কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ
থাকবেনা।

✯ পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ
এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট
ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের
ছোপ উঠে যায়।

✯ মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য
আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে।
আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর
সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান।
পনের মিনিট পর
ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।

✯ হাত পায়ের সৈন্দৌয্য অক্ষুন্ন
রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের
খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক
বেশী ফর্সা দেখাবে।১৬. মুখের
বাদামী দাগ
উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান,
পরে ধুয়ে ফেলুন।

✯ নিঃশ্বাসের দুগন্ধ
থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই
কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর
এসমস্য থাকবেনা।

✯ সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর
রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত
মুখে লাগান যেকোন দাগ
মিলিয়ে যাবে।

✯ অতিরক্ত
শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও
বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত।
এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর
হয়ে যাবে।

সুস্থ থাকার জন্য অতি প্রয়োজনীয় কিছু
শারীরিক কৌশল
-----------------------------------
১) অনেক সময় গলার ভেতরে এমন
জায়গায় হঠাৎ চুলকানী শুরু হয় যে,
কি করবেন দিশেহারা হয়ে পড়েন। ওই
জায়গাটি চুলকেনেওয়ার কোন উপায়ও
থাকে না। কিছু সময় কানে টান
দিয়ে ধরে রাখুন দেখবেন
চুলাকনী উধাও।

২) অনেক শব্দের
মধ্যে বা ফোনে কথা স্পষ্ট
শুনতে পারছেন না? কথা শোনার জন্য
ডান কান ব্যবহার করুন। দ্রুত কথা শোনার
জন্য ডান কান খুব ভাল কাজ
করে এবং গান শোনার জন্য বাম কাজ
উত্তম।

৩) বড় কাজটি সারবেন, কিন্তু
আশে পাশে টয়লেট নেই? আপনার
ভালবাসার মানুষের কথা ভাবুন।
মস্তিষ্ক আপনাকে চাপ
ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

৪) পরের বার ডাক্তার যখন আপনার
শরীরে সুঁই ফুটাবে তখন
একটি কাঁশি দিন। ব্যথা কম লাগবে।

৫) বন্ধ নাক পরিষ্কার
বা সাইনাসেরচাপ
থেকে মুক্তি পেতে মুখের ভেতরের
তালুতে জিহ্বা চেপে ধরুন। এরপর দুই ভ্রুর
মাঝখানে ২০ সেকেন্ড চেপে ধরুন।
এভাবে কয়েক বার করুন, দেখুন কি হয়!

৬) রাতে অনেক খেয়ে ফেলেছেন
এবং খাবার গলা দিয়ে উঠে যাচ্ছে।
কিন্তু ঘুমাতেও হবে। বাম কাত
হয়ে শুয়ে পড়ুন। অস্বস্তি দূর হবে।

৭) কোন কিছুর ভয়ে বিচলিত? বুক ধক ধক
করছে? বুড়ো আঙ্গুল নাড়তে থাকুন
এবং নাকদিয়ে পেট
ভারে সজোরে শ্বাস নিন এবং মুখ
দিয়ে ছাড়ুন। স্বাভাবিক হয়ে যাবেন।

৮) দাঁত ব্যথা? এক টুকরো বরফ হাতের
বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনীর
মাঝামাঝি জায়গার উপর তালুতে ঘষুন।
দেখুনতো ব্যথা কমলো কিনা!

৯) কোন কারণে চোখের
সামনে পুরো পৃথিবী ঘুরছে? কোন শক্ত
জায়গা বা জিনিসে কান সহ
মাথা চেপে ধরুন। পৃথিবী ঘোরা বন্ধ
করে দেবে।

ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত
▬▬▬▬۩۞۩ ▬▬▬▬
যাদের এই পেইজের পোস্ট
গুলো ভালো লাগে ... কিন্তু প্রত্যেক
পোস্ট নিয়মিত আপনার ফেসবুক
ওয়ালে দেখতে পাচ্ছেন
না ...তারা কষ্ট
আমাকে ফলো করে রাখুন ...

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka