16/05/2016
Responsive web design Bangla video tutorial(বাংলা ভিডিও টিউটরিয়াল): freedom It-2016
Freedom IT of the Bengali Video Tutorials have been a lot better. Said a listener from here easily create responsive web design will be able to trust us.
15/05/2016
ফটোশপ এ কাজ জানে এমন বেশ কিছু সংখ্যক লোক লাগবে।।
07/05/2016
Freedom IT এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগতম
“আমাদের বিশেষ আকর্ষন”
যারা ব্যাস্ততার কারনে ইচ্ছা থাকা সত্বে ও বিভিন্ন বিষয় শিখতে পারছেন না তাদের জন্য এখন থেকে সরাসরি স্কাইপিতে কোর্স গুলো সম্পূর্ন করার সুযোগ থাকছে ! প্রতিটি ক্লাসের ভিডিও এবং শীট দেওয়া হবে।
কোর্স:সমূহ:
1) Responsive web design----------------------- 5000/-
2) Web Development (WordPress)------------ 6000/-
3) Search Engine Optimization (SEO)-------- 3000/-
4) Photoshop (Image Editing)------------------- 3000/-
========================================
***এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি ছাত্র/ছা্ত্রীদের জন্য বিশেষ ছাড়.....!!!
আরও আছে রমজান উপলখ্যে বিশেষ ছাড়.......!!!
তাহলে আর দেরি নয় আজই যোগাযোগ করুন এবং আপনার ক্যারিয়ার গড়ুন।।
যোগাযোগ:-
মোবাইল- 01716-481547
স্কাইপ- freedomit_bd
-----------------------------------------
ধন্যবাদ।
04/05/2016
Bangla video tutorial(বাংলা ভিডিও টিউটরিয়াল)-2016 Responsive Web DesignPart 01, By Freedom IT
ভিডিও টিউটরিয়ালটি ফ্রিডম আইটি এর প্রথম টিউটরিয়াল। যারা এই টিউটরিয়ালটি দেখবেন অবশ্য ভালো লাগলে একটি ফিড ব্যাক দিবেন।আর আপনাদের একটি ফিডব্যাকই আমাদের এগিয়ে...
04/05/2016
Freedom IT এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগতম
“আমাদের বিশেষ আকর্ষন”
যারা ব্যাস্ততার কারনে ইচ্ছা থাকা সত্বে ও বিভিন্ন বিষয় শিখতে পারছেন না তাদের জন্য এখন থেকে সরাসরি স্কাইপিতে কোর্স গুলো সম্পূর্ন করার সুযোগ থাকছে ! প্রতিটি ক্লাসের ভিডিও এবং শীট দেওয়া হবে।
কোর্স:সমূহ:
1) Responsive web design----------------------- 5000/-
2) Web Development (WordPress)------------ 6000/-
3) Search Engine Optimization (SEO)-------- 3000/-
4) Photoshop (Image Editing)------------------- 3000/-
========================================
যোগাযোগ:-
মোবাইল- 01716-481547
স্কাইপ- freedomit_bd
-----------------------------------------
ধন্যবাদ।
06/03/2016
আসলে গুগল একটা মজার জিনিস!!!!
============================================
আমরা প্রতিদিন গুগলে অনেক কিছু সার্চ করে থাকি, আজ আপনি নিচের সংখ্যার পর Image লিখে সার্চ দেখেন কি অদ্ভুত ছবি আপনার সামনে এসে হাজির হয় তাহলে সার্চ করে দেখুন মজা ।
Google সার্চ বক্সে গিয়ে 241543903 সংখ্যাটি লিখে গুগল ইমেজে সার্চ দেয়া হয়তাহলে এমন সমস্ত অদ্ভুত অগনিত ছবি দেখা যাবে যেখানে মানুষ বিভিন্ন ভঙ্গিমায় তাদের মাথা ডীপফ্রিজের মধ্যে ঢুকিয়ে রেখেছে। এসব অদ্ভুত ছবি দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই......
অনেকেই হয়ত জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য দিলাম।
06/03/2016
সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন এক আইনজীবী। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব এ নোটিশ পাঠান।
=================================================
ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, আইন সচিব, বিটিআরসি, পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক, টেলিটক ও সিটিসেল কর্তৃপক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে নোটিশের জবাব না দিলে হাইকোর্টে রিট মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন এ আইনজীবী।
আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব জানান, ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ পদ্ধতি সম্পূর্ণ অবৈধ। বেসরকারিভাবে ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করায় এর অপব্যবহারের আশাঙ্কা রয়েছে। এ কারণেই আইনি নোটিশ পাঠিয়েছি।
05/03/2016
আসুন জেনে নিই এমন কিছু বিখ্যাত ব্যাক্তি সম্পর্কে যারা লেখাপড়ার গন্ডি শেষ না করেও সফল!
=================================================
***ড্রপ আউট মানে হলো, ঝরে পড়া। যারা শিক্ষার গন্ডি শেষ করার আগেই ঝরে পড়েছিলেন কিন্তু আজ সফলদের কাতারে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তারা আমার আজকের লেখার আলোচ্য বিষয়। চলুন জেনে আসা যাক কয়েকজন সফল ড্রপ আউটদের সম্পর্কেঃ
১। বিল গেটস
তিনি মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। তাঁকে বলা হয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সফল ড্রপ আউট। ১৯৭৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন বিল। স্যাট পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পান তিনি। কিন্তু কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরির নেশায় তিনি ১৯৭৫ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাম কাটান। ড্রপ আউট হওয়ার ৩২ বছর পরে ২০০৭ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় বিল গেটসকে অনারারি ডিগ্রি প্রদান করে। একই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন বিল গেটস।
২। স্টিভ জবস
অ্যাপল–এর সহপ্রতিষ্ঠাতা প্রযুক্তিবিস্ময় স্টিভ জবস ছিলেন কলেজ ড্রপ আউট। হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষে ১৯৭২ সালে রিড কলেজে ভর্তি হন স্টিভ। কিন্তু কলেজটি ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে পড়ালেখা চালিয়ে নিতে পারেননি। ছয় মাসের মধ্যে নাম কাটা যায় তাঁর। নামা কাটার পরেও ১৮ মাস সেই কলেজের ডর্মের বন্ধুর রুমে থাকতেন। ডিগ্রি নেই তো কী হয়েছে, স্টিভ জবস ২০০৫ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন। স্টিভ জবসের জীবনাবসান হয় ৫ অক্টোবর ২০১১ সালে।
৩। মার্ক জাকারবার্গ
মার্ক জাকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে বসে বন্ধুদের নিয়ে তৈরি করেন ফেসবুক। ২০০৪ সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠার পরেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড্রপ আউট হন তিনি। ফেসবুক এখন বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। জাকারবার্গ ২০১১ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়াতে সমাবর্তন বক্তব্য দেন।
৪। ডাস্টিন মস্কোভিৎজ ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতাদের একজন ডাস্টিন মস্কোভিৎজ। হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি। কিন্তু ‘সঙ্গদোষে সর্বনাশ’ হয়ে মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে ফেসবুক নির্মাণে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। ফলাফলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড্রপআউট হন ডাস্টিন। আর ড্রপআউটের কারণেই পৃথিবী সর্বকনিষ্ঠ বিলিয়নিয়ারের তকমা তাঁর কাঁধে। ডাস্টিনের চেয়ে জাকারবার্গ আট দিনের ছোট বলে তকমাটি তাঁর দখলেই রয়েছে।
৫। ব্র্যাড পিট অভিনেতা
যুক্তরাষ্ট্রের ছোট্ট এক শহর স্প্রিংফিল্ড। সেই শহরের হাইস্কুলের পরিচিত মুখ ছিল কিশোর পিট। গলফ থেকে শুরু করে স্কুলের টেনিস দলের সদস্য ছিল সে। খেলাধুলা আর পড়াশোনা দুটোই চলত সমান তালে। এমনকি স্কুলের গানের অনুষ্ঠানেও তার ঝলক দেখা মিলত। সেই কিশোর হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষে ভর্তি হয় মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সাংবাদিকতা ও বিজ্ঞাপন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে সে। পিট বুঝল পড়ালেখার দিকে তার একটু মন নেই, মন বসে না পড়ার টেবিলে। সব মনোযোগ তার সিনেমার প্রতি। মন যা বলল তা-ই শুনল পিট। পড়ালেখা ছেড়ে নাম লেখালেন অভিনয়ের ক্লাসে। মিসৌরি ছেড়ে লস অ্যাঞ্জেলেস ভাগলেন কাজের জন্য। বছর খানেকের মধ্যে টেলিভিশনে ডাক পড়ে আজকের হলিউড তারকা ব্র্যাড পিটের।
05/03/2016
যে কারণে উচ্চ শিক্ষা নেওয়া হল না “বিল গেটস্” এর !
==============================================
সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি বিল গেটস। যার অস্থান ১নংএ। কিন্তু উচ্চ শিক্ষা নেওয়া হয় নাই বিল গেটস এর , কেন?-আসুন জেনিনেই-
*বিল গেটস্ বলেছেন:
”আজকালকার তরুণদের একটা কথা নিয়ে আমি উৎকন্ঠায় ভুগি। শুনতে পাই, তারানাকি আমার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে কলেজে যেতে চায় না। বলে বিল গেটস্ যখন গ্র্যাজুয়েট নন, আমাদের আর দরকার কি?”
”এখানে আমার বক্তব্য হচ্ছে, যদিও আমি ডিগ্রি নেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় পর্যন্ত কলেজে ছিলাম না, তাই বলে শিক্ষার কমতি নেই। যতটুকু শিক্ষা নেয়া প্রয়োজন, অামি নিয়েছি। আরেকটা কথা হচ্ছে, দিনকে দিন বিশ্বে প্রতিযোগিতা বাড়ছে, প্রতি বছর প্রতিটা কোর্সে বিশেষত্ব বাড়ছে, জটিলতা বাড়ছে। এক সময় হাইস্কুল থেকে পাশ করাটা যেমন কঠিন ছিল, আজ কলেজের পড়াশোনা ওই পর্যায়ে পৌঁছেছ।”
*বিল গেটস্ আরও বলেন :
”বিভিন্ন দিক থেকে কলেজের সেই দিনগুলো আমার কাছে খুব প্রিয় ছিল। কলেজ ছেড়ে আসায় আমি অনুতপ্ত। শুধু একটা চিন্তা মাথায় রেখে কলেজ ছেড়েছিলাম। স্বপ্ন ছিল, প্রথম মাইক্রো কম্পিউটার সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করব।”
*বিল গেটস্ বলেছেন :
”পল সব সময় অামাকে তারা দিত-চলো, একটা কোম্পানি খুলে ফেলি।’ ম্যাগাজিনের ওই নিবন্ধটি পড়ার পর আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে আর কোনো প্রশ্নের অবকাশ রইল না।”
*বিল গেটস্ এ প্রসঙ্গে বলেছেন :
”এ কারণে শুরু থেকেই আমাদের শ্লোগান হচ্ছে- “প্রতিটা ডেস্কে এবং প্রতিটা বাড়িতে একটি করে কম্পিউটার।”
সহজে প্রাপ্তিসাধ্য প্রথম ব্যক্তিগত কম্পিউটারে কাজ করার ঝোঁক থেকে বিল গেটস্ এবং অ্যালেনের অভিজ্ঞতা হয়, এ সম্পর্কে বিল গেটস্ বলেন:
”কম্পিউটারের মূল জিনিসটি হচ্ছে পিসি। কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, এটি সত্যিকারে তথ্য যুগের এক যন্ত্রে পরিণত হয়।”
১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চের পুরোটা সময় জুড়ে কাজ করেন তারা। বিল গেটস্ এর ডরমিটরি রুমে তারা সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকেন প্রোগ্রাম তৈরির কাজে।
*বিল গেটস্ বলেছেন:
”প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারব কিনা, এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না। প্রোগ্রামটাকে 4KB তে নিয়ে আসতে পারব কিনা এবং এর কাজ অসম্ভব দ্রুত হবে কিনা-এটাই ছিল প্রশ্ন।”
বিল গেটস্ এর স্বচ্ছন্দে কাজ করার সহজাত ক্ষমতা তাকে এক্ষেত্রে সাফল্য এনে দেয়।
*বিল গেটস্ বলেন:
‘আজ পর্যন্ত যত প্রোগ্রাম করেছি, এটাই ছিল সবচেয়ে নীরস প্রোগ্রাম।’
বিল গেটস্ ও অ্যালেন তাদের BASIC ল্যাংগুয়েজ এমআইটিএস এর কাছে ৩ হাজার ডলারে বিক্রি করেন। এর সঙ্গে সম্মানীর শর্তও ছিল।
*অ্যালেন বলেছেন,
”প্রোগ্রামটিকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে নিউ মেক্সিকো যান তিনি। প্রোগ্রামটিকে শিল্প মানে নিয়ে যেতে কাজ করেন। ওই সময় একটা মোটেল রুম ভাড়া করতে রবার্টসের কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নেন। কারণ বিমানের টিকিট কাটতেই তার সব টাকা চলে যায়। তবে রবার্টস বেশ সন্তুষ্ট ছিলেন অ্যালেনের কাজে। শিঘ্রই এমআইটিএস এর সফটওয়্যার পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। ১৯৭৫ সালের জুনে অ্যালেনের সঙ্গে যোগ দিতে হার্ভার্ড থেকে ছুটি নেন বিল গেটস্। ছুটি শেষে হার্ভার্ডে আবার ফিরে এলেও তার মন পড়ে থাকে আলবুকুয়ের্কে। দ্বিতীয়বার ছুটি নেয়ার পর বিল গেটস্ আর কখনও ফিরে আসেননি হার্ভার্ডে। ”
*তিনি বলেছেন :
”ছেলে চমৎকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে এ কথা শুনে উত্তেজিত হননি আমার বাবা-মা। তা আবার এমন ব্যবসা, যার নাম অনেকেই জানে না। ‘মাইক্রো কম্পিউটার’ সম্পর্কে তখন খুব কম লোকই জানত। তবে বাবা-মা’র দিক থেকে কখনও বাধা পাইনি। তারা সব সময় আমাকে সমর্থন করেছেন।”