Neuron professional Academy-NPA

Neuron professional Academy-NPA

Share

স্বাস্থ্য শিক্ষায় শিক্ষিত হোন,
দেশ সেবায় এগিয়ে আসুন।

29/12/2025

📌Topic: স্যালাইনের ঘন্টা, ড্রপ, মাইক্রোড্রপ, ফ্লো-রেট সহজে বের করার আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সূত্র সমূহ উদাহরণসহ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো - জেনে নিন 👇

✅ ১. Drop Rate সূত্র:

👉 (Drop/min) = {Total Volume (ml) × Drop Factor (gtts/ml)} ÷ {Time (in minutes)}

🔹 এই সূত্রটি বলে – মোট ভলিউমকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কত ফোঁটা করে দিতে হবে। আর এটা বের করতে হলে মোট ভলিউমকে ড্রপ ফ্যাক্টর দিয়ে গুণ করে, সময় দিয়ে ভাগ করতে হয়।

🔸 Drop Factor নির্ভর করে IV সেটের উপর:

✓ Macroset: 15 বা 20 drops/ml
✓ Microset: সর্বদা 60 drops/ml

✅ ২. Flow Rate (ml/hr):

👉 Flow rate (ml/hr) = {Total volume (ml) ÷ Time (in hours)}

🔹 এই সূত্রটি ব্যবহৃত হয় যদি ডাক্তার বলেন 100 ml/hr দিতে। মানে প্রতি ঘণ্টায় কত ml দিতে হবে সেটা হিসাব করতে হলে পুরো ভলিউমকে সময় দিয়ে ভাগ ।

✔️ এই সূত্র ইনফিউশন পাম্প সেট করতে ব্যবহার হয়।

✅ ৩. সময় নির্ধারণ সূত্র:

👉 Time (hours) = {Total volume (ml) ÷ Flow rate (ml/hr)}

🔹 কখনও কখনও আমাদের জানতে হয়, একটি নির্দিষ্ট হারে IV fluid দিলে কতক্ষণে শেষ হবে। তখন এই সূত্রটি কাজে লাগে।

✅ ৪. Microdrops নির্ধারণ সূত্র:

👉 Microdrop (gtt/min) = {Totall volume (ml) × 60} ÷ Time (in minutes)

For Example:

▪️1000ml স্যালাইন 12 ঘন্টায় শেষ করতে কত ড্রপে দিতে হবে ?

👉 সূত্র: {Totall volume (ml) × 60} ÷ Time (in minutes)

= (1000 ml × 60) ÷ 720
= 60000 ÷ 720
= 83.33 ≈ 80 Microdrops

🔴 উদাহরণসহ ব্যাখ্যা:

✅ উদাহরণ ১:

✓ ডাক্তারের নির্দেশ: 1000 ml স্যালাইন 8 ঘণ্টায় দিতে হবে। সেটের ড্রপ ফ্যাক্টর 15 drops/ml।

👉 প্রশ্ন: প্রতি মিনিটে কত ড্রপ দিতে হবে?

🔹 Step 1:
Time in minutes
= 8 × 60
= 480 minutes

🔹 Step 2:
Drop/min = (1000 × 15) ÷ 480
= 15000 ÷ 480
≈ 31.25

✔️ উত্তর: প্রতি মিনিটে 31 ড্রপ দিতে হবে।

✅ উদাহরণ ২:

✓ ডাক্তারের নির্দেশ: 500 ml DNS দিতে হবে 5 ঘণ্টায়।
সেটের ড্রপ ফ্যাক্টর 60 drops/ml (microdrop set)।

👉 প্রশ্ন: প্রতি মিনিটে কত মাইক্রোড্রপ দিতে হবে?

🔹 Step 1:
Time in minutes
= 5 × 60
= 300 minutes

🔹 Step 2:
Drop/min = (500 × 60) ÷ 300
= 30000 ÷ 300
= 100

✔️ উত্তর: প্রতি মিনিটে 100 মাইক্রোড্রপ দিতে হবে।

✅ উদাহরণ ৩:

ডাক্তারের নির্দেশ: প্রতি ঘন্টায় 120 ml IV fluid দিতে হবে।

👉 প্রশ্ন: প্রতি মিনিটে কত ড্রপ দিতে হবে, যদি ড্রপ ফ্যাক্টর হয় 20 drops/ml ?

🔹 Step 1:
প্রতি ঘন্টা 120 ml
তাহলে প্রতি মিনিটে =120 ÷ 60 = 2 ml/min

🔹 Step 2:
Drop/min = 2 ml × 20
= 40 drops/min

✔️ উত্তর: প্রতি মিনিটে 40 ড্রপ দিতে হবে।

অবশ্যই! নিচে আরও কিছু বাস্তবভিত্তিক উদাহরণ (প্রশ্নোত্তরসহ) দেওয়া হলো, যাতে তুমি সহজে অনুশীলন করতে পারো এবং স্যালাইন সংক্রান্ত যেকোনো হিসাব নিজেই নির্ভুলভাবে করতে পারো।

✅ উদাহরণ ৪:

ডাক্তারের নির্দেশ: 1500 ml Normal Saline দিতে হবে 12 ঘণ্টায়।
Drop Factor: 20 drops/ml (macroset)

👉 প্রশ্ন: প্রতি মিনিটে কত ড্রপ দিতে হবে ?

🔹 Step 1: সময় = 12 × 60 = 720 minutes

🔹 Step 2:
Drop/min = (1500 × 20) ÷ 720
= 30000 ÷ 720
= 41.66 ≈ 42 drops/min

✔️ উত্তর: প্রতি মিনিটে 42 ড্রপ দিতে হবে।

✅ উদাহরণ ৫:

ডাক্তারের নির্দেশ: 100 ml Antibiotic দিতে হবে 30 মিনিটে।
Drop Factor: 60 drops/ml (microset)

👉 প্রশ্ন: প্রতি মিনিটে কত মাইক্রোড্রপ দিতে হবে ?

🔹 Step 1:
Drop/min = (100 × 60) ÷ 30
= 6000 ÷ 30
= 200 drops/min

✔️ উত্তর: প্রতি মিনিটে 200 মাইক্রোড্রপ দিতে হবে।

✅ উদাহরণ ৬:

ডাক্তারের নির্দেশ: 500 ml fluid দিতে হবে প্রতি ঘন্টায় 125 ml হারে।

👉 প্রশ্ন: কত ঘণ্টায় শেষ হবে ?

🔹 Step 1: সময় (ঘণ্টায়) = 500 ÷ 125 = 4 ঘণ্টা

✔️ উত্তর: ৪ ঘণ্টায় শেষ হবে।

✅ উদাহরণ ৭:

ডাক্তারের নির্দেশ: 750 ml fluid দিতে হবে 6 ঘণ্টায়।
Drop Factor: 15 drops/ml

👉 প্রশ্ন: প্রতি মিনিটে কত ড্রপ দিতে হবে ?

🔹 Step 1: সময় = 6 × 60 = 360 minutes

🔹 Step 2:
Drop/min = (750 × 15) ÷ 360
= 11250 ÷ 360
≈ 31.25 ≈ 31 drops/min

✔️ উত্তর: প্রতি মিনিটে 31 ড্রপ দিতে হবে।

✅ উদাহরণ ৮:

ডাক্তারের নির্দেশ: প্রতি ঘন্টায় 100 ml হারে IV fluid দিতে হবে।
Drop Factor: 20 drops/ml

👉 প্রশ্ন: প্রতি মিনিটে কত ড্রপ হবে ?

🔹 Step 1: প্রতি মিনিটে ml = 100 ÷ 60 = 1.66 ml/min

🔹 Step 2:
Drop/min = 1.66 × 20
≈ 33.3 ≈ 33 drops/min

✔️ উত্তর: প্রতি মিনিটে 33 ড্রপ দিতে হবে।

✅ উদাহরণ ৯:

ডাক্তারের নির্দেশ: 1000 ml Ringer’s Lactate দিতে হবে 5 ঘণ্টায়।
Drop Factor: 15 drops/ml

👉 প্রশ্ন: প্রতি মিনিটে কত ড্রপ দিতে হবে ?

🔹 Step 1: সময় = 5 × 60 = 300 minutes

🔹 Step 2:
Drop/min = (1000 × 15) ÷ 300
= 15000 ÷ 300
= 50 drops/min

✔️ উত্তর: প্রতি মিনিটে 50 ড্রপ দিতে হবে।

#বিপিএসসি_নার্সিং_ভাইবা

06/11/2025

🩺 CPR & ফার্স্ট এইড ট্রেনিং: জীবন বাঁচানোর দক্ষতা শিখুন! 🆘

দুর্ঘটনা কখনো বলে আসে না। আপনার চোখের সামনে যদি কেউ হঠাৎ পড়ে যায়, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় কিংবা আঘাতে রক্তপাত শুরু হয়—তখন কি করবেন?

👉 CPR (Cardiopulmonary Resuscitation) এবং ফার্স্ট এইড জানলে আপনি হতে পারেন একজন লাইফ সেভার!
এই প্রশিক্ষণ আপনাকে শেখাবে:

✅ হার্ট অ্যাটাক বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে CPR দেওয়া
✅ শ্বাসরোধ, দমবন্ধ হওয়ার পরিস্থিতিতে করণীয়
✅ রক্তপাত, ব্যথা, ফ্র্যাকচারসহ জরুরি ক্ষত সামলানো
✅ দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক সময় ও পদ্ধতিতে সাহায্য করা

🎯 কেন শিখবেন?
কারণ জরুরি মুহূর্তে আপনার দ্রুত পদক্ষেপ একজনের জীবন বাঁচাতে পারে!

📍 প্রশিক্ষণ স্থান:নিউরন প্রফেশনাল একাডেমি
ধলপুর, উত্তরা সায়দাবাদ, ঢাকা১২০৩।
📞 যোগাযোগ: 01911-001301

🗓️ সিট সীমিত – আজই নাম লিখুন এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার পথে এগিয়ে যান।

💡 প্রতিটি পরিবারে কমপক্ষে একজন CPR-জানা ব্যক্তি জরুরি!

#জীবন_বাঁচাই 💖

31/08/2025

মূত্রের রং দেখে রোগের লক্ষণ:
ফ্যাকাশে হলুদ:
শরীরে জলের অভাব নির্দেশ করে।
ঘোলাটে:
কিডনির সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
গোলাপি:
শরীরে টক্সিন বা অন্য কোনও গুরুতর রোগের ইঙ্গিত দেয়.
কমলা:
লিভারের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে.
গাঢ় হলুদ:
জন্ডিসের আশঙ্কা নির্দেশ করে.

14/08/2025

📍 Hydrogen Peroxide (হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড) কী এবং এটি ড্রেসিং এ কেন ব্যবহার করা হয়?

➡️ Hydrogen Peroxide (হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড) হলো একটি রাসায়নিক পদার্থ যার রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে H₂O₂। এটি একটি বর্ণহীন তরল, যার শক্তিশালী জীবাণুনাশক (antiseptic) গুণ রয়েছে।

🔴 Hydrogen Peroxide (হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড) কী?

➡️ এটি জল এবং অক্সিজেনের যৌগ
এটি একটি অক্সিডাইজিং এজেন্ট (oxidizing agent)
জীবাণু ধ্বংস করতে সক্ষম।
➡️ ৩% (three percent) দ্রবণ সাধারণত চিকিৎসায় ব্যবহার হয়।

🔴 ড্রেসিং-এ Hydrogen Peroxide (হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড) কেন ব্যবহার করা হয়?

➡️ জীবাণু নাশ করতে: এটি ক্ষতস্থানে থাকা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাক ধ্বংস করে।

➡️ রক্ত বন্ধ করতে সহায়তা করে: ক্ষতের উপর অক্সিজেন বের হওয়ার সময় ফেনার মত উঠে রক্ত বন্ধ করতে সাহায্য করে।

➡️ ময়লা ও মৃত কোষ পরিষ্কার করে: ক্ষতের মধ্যে জমে থাকা মৃত টিস্যু ও ধুলাবালি পরিষ্কার করতে সহায়তা করে।

➡️ দুর্গন্ধ দূর করে: সংক্রমণের কারণে ক্ষত থেকে যে দুর্গন্ধ হয় তা কমাতে সাহায্য করে।

➡️ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে: ক্ষত যেন খারাপ না হয় সেজন্য এটি প্রতিরক্ষামূলক কাজ করে।

➡️ ছোটখাটো কাটাছেঁড়ায় উপকারী: যেমন কাঁটা লাগা, খুঁচা খাওয়া, ফাটা ইত্যাদি ক্ষেত্রে।

➡️ সহজে ব্যবহারযোগ্য: তুলা বা গজে লাগিয়ে ক্ষতে ব্যবহার করা যায়।

⚠️ সতর্কতা:-

➡️ বড় ক্ষতে বা গভীর ক্ষতে ব্যবহার করার আগে ডাক্তার পরামর্শ নেওয়া উচিত।

➡️ খুব বেশি ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক বা জ্বালাপোড়া করতে পারে।

➡️ চোখে, নাকে বা মুখে পড়লে সমস্যা হতে পারে।

🔴 সবাই পেইজটা Follow দিবেন

゚viralシfypシ゚viralシ #স্বাস্থ্যসচেতনতা

14/08/2025

যাদের পায়ের পেছনের পেশি (ক্যাফ মাসল) সঠিকভাবে কাজ করে না, তাদের ক্ষেত্রে যেদিন থেকে সমস্যা দেখা শুরু হয়েছে সেইদিন হতে পরবর্তী ১৫ বছরের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুহার ২২.৮%
যাদের ক্যাফ মাসল স্বাভাবিক ভাবে ফাংশন করে তাদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুহার মাত্র ৮.৩%। অন্যদিকে, যারা ক্যাফ মাসলের ব্যায়াম করেন বা এই পেশিকে প্রচুর ব্যবহার করেন এমন ব্যক্তিদের রক্ত জমাট বাঁধার (blood clot) সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে অনেক কম।

আপনার ক্যাফ মাসল বা পায়ের পেছনের পেশি প্রতিটি পদক্ষেপে রক্তকে আবার হৃদপিণ্ডে পাম্প করে পাঠায়। এই পেশিগুলো না থাকলে, রক্ত নিচের দিকে জমে যেত এবং মাধ্যাকর্ষণের বিরুদ্ধে লড়াই করত।যখন আপনি হাঁটেন, পা ভাঁজ করেন বা নড়াচড়া করেন তখন এই ক্যাফ মাসলগুলো সংকুচিত হয়। এই সংকোচন রক্তকে উপরের দিকে ঠেলে দেয় পায়ের শিরা দিয়ে, একপ্রকার টুথপেস্টের টিউব চেপে যেমন উপরের দিকে পেস্ট বের করা হয়, ঠিক সেভাবেই!

ক্যাফ মাসলে ঘনঘন ক্রাম্প হার্টের রোগের একটি লক্ষণ হতে পারে, বিশেষ করে যখন এটি পারিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD)-এর কারণে হয়। এই রোগে পায়ের দিকে রক্ত প্রবাহ কমে যায় কারণ ধমনী সরু হয়ে যায়। যদিও এটি সরাসরি হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ নয়, কারন ডিহাইড্রেশন বা পানি কম পান করলেও পায়ে ক্রাম্প বা রগটান দিতে পারে।
PAD এবং করোনারি আর্টারি ডিজিজ (CAD)-এর ঝুঁকি ফ্যাক্টর এক হওয়ায়, পায়ে ব্যথা হার্টের সমস্যার উচ্চতর ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। যদি আপনার পায়ে ব্যথার সঙ্গে বুকে চাপ বা শ্বাসকষ্ট থাকে, তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

সূত্র: Halkar, M. এবং সহকারী (2020)। “Calf muscle pump function as a predictor of all-cause mortality.” Vascular Medicine—এই গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ক্যাফ মাসল পাম্পের কার্যকারিতা দুর্বল, তাদের মধ্যে মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

PMC প্রবন্ধ PMC3699225: “Calf Pump Activity Influencing Venous Hemodynamics in the Lower Extremity” —এই গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে ক্যাফ মাসল পাম্প হচ্ছে পায়ের শিরায় রক্ত প্রবাহের মূল চালিকা শক্তি, যা রক্তকে নিচের অঙ্গ থেকে হৃদপিণ্ডের দিকে ফেরত পাঠাতে সাহায্য করে।

14/08/2025

মেডিসিনের প্রকার থেকে আজকে আমরা জানবো Parenteral Route – ইনজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ প্রয়োগ:

(According to Route of Administration)

ওষুধ প্রয়োগের বিভিন্ন পথের মধ্যে Parenteral Route হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ওষুধ সরাসরি শরীরের টিস্যু বা রক্তে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয়। এই পদ্ধতিটি দ্রুত কার্যকারিতা চায় এমন পরিস্থিতিতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।

Parenteral Route-এর বৈশিষ্ট্য:

✅ ওষুধ সরাসরি সিস্টেমিক সার্কুলেশনে প্রবেশ করে।
✅ দ্রুত কাজ করে (Emergency ক্ষেত্রে উপকারী)।
✅ First-pass metabolism এড়ানো যায়।
✅ নিখুঁত ডোজ কন্ট্রোল সম্ভব।
✅ অসুস্থ বা অজ্ঞান রোগীকেও প্রয়োগযোগ্য।

Parenteral Route-এর প্রকারভেদ:

1. Intravenous (IV):

➡️ ওষুধ সরাসরি শিরায় (vein) প্রবেশ করানো হয়।
➡️ দ্রুত কাজ করে।
➡️ উদাহরণ: IV fluids, antibiotics, chemotherapy

2. Intramuscular (IM):

➡️ ওষুধ পেশিতে (muscle) ইনজেক্ট করা হয়।
➡️ ধীরে ধীরে শোষিত হয়।
➡️ উদাহরণ: Vitamin B12, Diclofenac, Vaccines

3. Subcutaneous (SC):

➡️ চামড়ার নিচে ফ্যাটি টিস্যুতে প্রবেশ করানো হয়।
➡️ ধীর শোষণ, দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা।
➡️ উদাহরণ: Insulin, Heparin

4. Intradermal (ID):

➡️ চামড়ার সবচেয়ে উপরের স্তরে প্রয়োগ।
➡️ অল্প পরিমাণে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়।
➡️ উদাহরণ: Tuberculin test, Allergy test

5. Intra-articular / Intra-cardiac / Intra-thecal:

➡️ বিশেষ প্রয়োজনে সরাসরি জোড়, হৃদযন্ত্র বা স্পাইনাল ফ্লুইডে প্রয়োগ।
➡️ শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ দ্বারা প্রয়োগযোগ্য।

---

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ যেগুলো Parenteral Route-এ দেওয়া হয়:

💉 Adrenaline

💉 Insulin

💉 Antibiotics (e.g., Ceftriaxone, Meropenem)

💉 Chemotherapy drugs

💉 Painkillers (e.g., Diclofenac, Ketorolac)

💉 Vaccines

---

⚠️ সতর্কতাসমূহ:

🔸 সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত পরিবেশে ইনজেকশন দিতে হবে।
🔸 ডোজ ও রুট নির্ভুল হতে হবে।
🔸 ইনজেকশনের আগে ও পরে এসেপটিক টেকনিক মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
🔸 ইনজেকশন রিলেটেড রিঅ্যাকশন বা কমপ্লিকেশন বুঝতে পারা জরুরি।

---

প্যারামেডিকেল/ নার্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য এই জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

10/08/2025

ABDOMINAL PAIN" অর্থাৎ পেট ব্যথার সঙ্গে যুক্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ রোগের নাম ও অবস্থান দেখানো হয়েছে। নিচে প্রতিটি সমস্যার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

🔹 1. Gallstones (পিত্থ পাথর)

অবস্থান: উপরের ডান পাশে (Right Upper Abdomen)

লক্ষণ: হঠাৎ পেটের ডান দিকে ব্যথা, বমি, জ্বর, চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর ব্যথা বাড়া।

কারণ: গলব্লাডারে (পিত্তথলি) পাথর জমা হওয়া।

🔹 2. Heartburn (অম্লপিত / গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের জ্বালা)

অবস্থান: মাঝখানের উপরিভাগ (Upper Central Abdomen)

লক্ষণ: বুক জ্বালাপোড়া, গলা পর্যন্ত অ্যাসিড উঠে আসা, খাবার খাওয়ার পরে সমস্যা বেড়ে যাওয়া।

কারণ: অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রোইসোফ্যাজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD)।

🔹 3. Gastritis (গ্যাস্ট্রিক বা পাকস্থলীর প্রদাহ)

অবস্থান: উপরের বাম পাশে (Left Upper Abdomen)

লক্ষণ: বমি বমি ভাব, গ্যাস্ট্রিক, খালি পেটে বেশি ব্যথা, বমি হতে পারে।

কারণ: হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি ইনফেকশন, ওষুধ (NSAIDs), অতিরিক্ত মদ্যপান।

🔹 4. Kidney Stones (কিডনি পাথর)

অবস্থান: পেটের মাঝখানে দুই পাশে (Flanks)

লক্ষণ: তীব্র ব্যথা যা কোমর থেকে তলপেটে নেমে আসে, প্রস্রাবে জ্বালা বা রক্ত।

কারণ: শরীরে পানি কম খাওয়া, ক্যালসিয়াম বা ইউরিক অ্যাসিড বেশি।

🔹 5. Appendicitis (এপেন্ডিসাইটিস)

অবস্থান: নিচের ডান পাশে (Lower Right Abdomen)

লক্ষণ: শুরুতে মাঝপেটে ব্যথা, পরে ডান দিকে চলে যায়, জ্বর, বমি।

কারণ: অ্যাপেন্ডিক্সে ইনফেকশন বা ব্লক।

🔹 6. Prostatitis (প্রস্টেটের প্রদাহ – পুরুষদের জন্য)

অবস্থান: নিচের মাঝখানে (Lower Central Abdomen)

লক্ষণ: প্রস্রাবে জ্বালা, পেটের নিচে ব্যথা, যৌন দুর্বলতা, জ্বর।

কারণ: ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন।

🔹 7. Constipation (কোষ্ঠকাঠিন্য)

অবস্থান: নিচের বাম পাশে (Lower Left Abdomen)

লক্ষণ: পেট ফাঁপা, মলত্যাগে কষ্ট, অস্বস্তি।

কারণ: ফাইবার কম খাওয়া, পানি কম পান, শারীরিক কার্যকলাপ কম।

✅ উপসংহার:

পেট ব্যথা মানেই একটি নির্দিষ্ট রোগ নয়। ব্যথার অবস্থান, ধরণ ও অন্যান্য লক্ষণ দেখে রোগ নির্ধারণ করা যায়। তাই তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হলে ডাক্তার দেখানো জরুরি।
(কালেক্টেড)

#পেটব্যথা




#স্বাস্থ্যসচেতনতা







#গ্যাস্ট্রিক
#কিডনিপাথর
#এপেন্ডিসাইটিস
#কোষ্ঠকাঠিন্য #পেটের_ব্যথা
#পেটব্যথারকারণ
#স্বাস্থ্যজ্ঞান



Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


ধলপুর নতুন রাস্তা, উত্তর সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা/১২০৪।
Dhaka
1204