IBA BBA MBA EMBA DU BCS BANK JOB Public & Private University Admission

IBA BBA MBA EMBA DU BCS BANK JOB Public & Private University Admission Educational Consultant. Community page by Dhaka Coaching Center (Academic and University Admission C Do not advertise anything on comment box please.

Those who have newly connected with our page, you are cordially requested to give your valuable suggestions (if any). Please read all our previous post from the WALL or NOTE section. As this is Totally educational page, you are cordially requested to share our page with your friends & class-mates. Due to Facebook's new rules, please be active with LIKE, COMMENT, SHARE, TAG etc. to get connected & to get our post regularly.

21/08/2026

লোডশেডিং বাড়বে। সরকার সামাল দিতে পারবে না পরিস্থিতি। জ্বালানী সংকট বাড়বে।
তারেক ব্রো অলরেডি চায়না গিয়ে আমেরিকাকে চেতাইসে। আমেরিকা তড়িঘড়ি করে লোক পাঠিয়েও আকসা-জিসোমিয়ার মত চুক্তি সারতে পারেনি। তারেক ব্রো দেশ বেঁচতে রাজি না। আপনারা অবশ্যই মনে রাখবেন।
আবার হাসিনা ও হাদির খুনি ফেরত না দিলে ভারত সফরও করবেন না বলে তিনদিকের চাপে পরেছে সরকার। সবকিছুর মূলে চীনের সাথে সম্পর্ক খানিকটা ভালো আছে। কিন্তু চীন বাংলাদেশের জ্বালানী চাহিদা মেটাতে পারবে না। কমপক্ষে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে ভারত পারতো। মোদিজী সিগনাল দিলেই আদানী লাইন খুলে দিবে মানে বিদ্যুত আসা শুরু হবে।
সব মিলিয়ে সরকার ভালো অবস্থানে নাই।
ঢাকায় ঠিকমত লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। গতপরশু প্রতি ঘণ্টায় একবার করে ২০-২৫ মিনিট করে জ্বালিয়েছে। গতকাল স্বাভাবিক ছিল।
আজকে তো শুক্রবার। অফিস-আদালত, কারখানা অনেক কিছু বন্ধ। অনেক শপিংমল বন্ধ। অন্তত শুক্রবারে বিদ্যুতে দেশ ভেসে যাওয়ার কথা। ঘটছে উল্টো। এই গরমে টিকে থাকা যাচ্ছে না। ভ্যাপসা গরম।
সিটি কর্পোরেশন মশা নিধনের কাজ করছে না। অন্তত মশার সমস্যা একেবারে না থাকলে আমরা বারান্দা, ছাদে পাটি বিছিয়ে বসে থাকতে পারি। গরমটা কাটানো যায়। একদিকে মশা পিটায় আরেকদিকে সরকার।
হাসিনা থাকলে আমরা দুর্ভিক্ষে পতিত হতাম। হাসিনা নিজেই বারবার এলার্ম দিচ্ছিল জমি, বারান্দা, ছাদ কাজে লাগান, খরচ কমান। সে জানতো, দেশের রিজার্ভ ১৪ বিলিয়নে নেমে গেছে। বড়জোর ২০২৪ এর শেষ বা ২০২৫ এর শুরুতে দেশে অর্থনৈতিক খরা শুরু হয়ে মানুষ না খেয়ে মরতো। কিন্তু ইউনুস ব্রো তার ইমেজ কাজে লাগিয়ে বহির্বিশ্বে কিছুটা অবস্থান ধরে রাখতে সাহায্য করেছে।
কিন্তু তারেক ব্রো'র সরকারের সেই ইমেজ বিদেশে নাই। সেটা তৈরী করা লাগবে। সেজন্য সময় দরকার। আবার উত্তম পরামর্শ নিয়ে তিনি যে ভালো কিছু করবেন সেটাও পারছেন কম। তিনি একটা তেলবাজকে তার রাজনৈতিক সহকারী বানিয়েছেন যে নূরের দল ত্যাগ করে প্রতারণার দ্বারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছে। পুরোপুরি এরশাদের চরিত্র রাশেদের। এমন লোক দেশ ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য খুবই খারাপ সিদ্ধান্ত। আমার মতে, রাশেদ কোন কাজের পুরষ্কার হিসাবে সহকারির কাজ পেয়েছে। সে একটা যোগ্যতাহীন ব্যক্তি। যে গত বছর তারেক ব্রোকে গালিগালাজ করেছে। এসব ভুলিনি, মনে আছে।
গরমে চান্দি গরম হয়ে আছে তাই একের পর এক সত্যি বলতেছি।

এই গরমটা সহ্য হতো যদি গ্রামে থাকতাম বা আমার প্লটে। দারুণ একটা মাঁচা বানানো আছে। পাটিতে বসে বা শুয়ে তালপাতার পাখার ঠান্ডা বাতাসে গুনগুন করে "ইয়া ইবাদিয়াল্লাজিনা আমানু.... মাউত" আবৃত্তি করতাম। এই আয়াতটা দারুণ করে আবৃত্তি করা শিখেছি ইউটিউব দেখে। আমার পছন্দের একটা আয়াত।

এই গরমের সাথে যুক্ত হবে গ্যাসের সমস্যা। লোডশেডিং বাড়লে সরকারকে দায় নিতে হবে। সাধারণ জনগণ বুঝে না, হাসিনা বাকিতে আদানীর বিদ্যুৎ এনে সব টাকা লুট করেছে অথচ প্রতি মাসে আমরা বিল দিসি, কিন্তু আদানীকে টাকা দেয়নি হাসিনা সরকার। ইউনুসের মুখে তাকিয়ে ইউনুস সেন্টারের বিশ্বব্যাপী প্রভাবের কাছে চুপ ছিল আদানী। কয়েকটা বিল শোধও করেছেন তিনি। কিন্তু কুইক রেন্টালে অতিরিক্ত দামে বিদ্যুৎ কেনায় বিএনপি সরকার এরকম অযৌক্তিক খরচ মেটাতে রাজি না হওয়ায় তারা লাইন বন্ধ করে দিসে।

আমি বিএনপিকে ভালোবাসি না, জিয়া ও তার সহধর্মিনীকে পছন্দ, টুকটাক তারেক ব্রো সবার সাথে গাড়ি থেকে নেমে মেশেন, পিএম ভাব নিয়ে রাস্তায় জ্যাম করেন না, কানাডার ট্রুডোর মত আচরণ করেন, সেজন্য একটু আধটু ভাল্লাগে। তিনি ভালোবাসার মত কিছু এখনো করতে পারেন নি। তিনি যখন বিদ্যুত, গ্যাসের সমস্যা সমাধান করবেন সেদিন তার পক্ষে বিশাল স্তুতি গেয়ে পোস্ট দেবো। আম্মু গ্যাসের অভাবে ঠিক সময়ে রান্না করতে পারেন না। যখন ঘুমাবে তখন গ্যাস আসে, তিনি দৌড়ে রান্না করেন। এলপি গ্যাসে তিনি ভয় পান। এই রাগটা সরকারের কর্মকান্ডে গিয়ে পরছে।

আমি রাষ্ট্রপ্রধান, আমার দেশের আকাশে কাউয়া কেন কমে গেলো সেই রিপোর্ট আমার কাছে থাকবে অথচ গ্যাস টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্থ কারা করলো সেটা তারা জানেন না।

সারাদিন কাজ করে রাতে যখন এক ঘণ্টার বেশি সময় হয়ে যাচ্ছে অথচ বিদ্যুৎ আসছে না, তখন সরকারকে গালি দিতে ইচ্ছা করে। কিন্তু শত্রুদের সাথে আপোষ করে দেশ বিক্রি না করলে, এই দেশের জনগণ গরম সহ্য করতেও প্রস্তুত। ইরানের জনগণ সরকারকে সমর্থন করছে, আমরাও করবো। কিন্তু দেখাইতে হবে বাংলাদেশ সুযোগ সুবিধা পেতে কারো সাথে গোলামী চুক্তি করছে না। দেখাইতে হবে আমরা চেষ্টা করতেছি সমস্যা সমাধানের জন্য। কিন্তু পিএমের চারপাশে গাধার বাচ্চারা ভীড় করায় পিএমকে দিয়েও ভরসা কমে যাচ্ছে। আচ্ছা তারেক ব্রো, আপনার মত একজন বিচক্ষণ লোকের উপদেষ্টা হওয়ার কোন যোগ্যতা রাশেদ, নূর কিংবা পরকীয়া করে কট খাওয়া জাহেদের রয়েছে? দেশের পাবলিক ভার্সিটির সেরা অর্থনীতির শিক্ষকদের নিলে আপনাকে আমরা মাথায় তুলে নাচতাম। ভালো ভালো বুদ্ধি দেয়া, সাদা মনের সুন্দর মানুষ কি বাংলাদেশে নাই? আমাকে দ্বায়িত্ব দিলে ৬ ঘণ্টায় ১ ডজন বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ লোক বের করে দেখাবো যারা আপনাকে ও বিএনপি সরকারকে ভালো অবস্থানে বসিয়ে দিতে পারে।

এক ঘণ্টার বেশি চলে গেছে এখনো কারেন্ট আসলো না -_-

21/08/2026

যারা হুজুর, ভিক্ষুক বা অপরিচিত লোক দেখেও দরজা খুলে দেন অতিশয় দয়ালু মনোভাব নিয়ে। তাদের জন্য এলার্মিং একটা নিউজ।

ফেনীর মহিপাল থেকে স্বর্ণ এবং নগদ টাকা লুটপাটের সিসিটিভি ফুটেজ অনলাইনে। মহিলা ডোর লেন্সে দেখার পরেও দরজা খুলে দিয়েছিল, হয়তো হুজুর মানুষ ভেবে। কিন্তু এটাই তার জীবনের অন্যতম বড় ভুল হয়ে থাকলো! ভেতরে ঢুকে দুইজন মিলে মহিলাকে আটকে, পুরো বাসা লুট!

----- কিছু পয়েন্ট শেয়ার করলাম ----

১) পরিচিত হলেও যাচাই ছাড়া দরজা খুলবেন না। পরিচিত মানুষের নাম বললেই তার পরিচয় নিশ্চিত হয় না।

২) অপরিচিত কাউকে কখনোই দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতে দেবেন না। প্রয়োজন হলে দরজার ওপাশ থেকেই কথা বলুন। (কিছু বাসায় সেইফটি লক থাকে। ব্যবহার জানা জরুরি)

৩) কেউ যদি বলে, “অমুক আমাকে পাঠিয়েছে”। সরাসরি সেই ব্যক্তিকে ফোন করে নিশ্চিত হবেন।

৪) কুরিয়ার, মিস্ত্রি, গ্যাস/বিদ্যুৎ/ইন্টারনেট কর্মী পরিচয়ে কেউ এলে প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল নম্বরে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত করুন। অথবা দারোয়ান থাকলে সেখানে ট্রান্সফার করুন।

৫) কেউ যদি বলে “খুব জরুরি”, “একটু পানি দেন”, “ফোন করতে দেন”, “অসুস্থ” - সহায়তা করতে চাইলে দরজা না খুলেই সাহায্যের ব্যবস্থা করুন।

৬) আপনি বাসায় একা - এই তথ্য কাউকে জানাবেন না। ফোনে বা দরজার সামনে কথাবার্তাতেও বিষয়টা প্রকাশ করবেন না।

৭) কেউ জোরাজুরি করলে, বিরক্ত হলে বা দরজা খোলার জন্য চাপ দিলে দরজা খুলবেন না। পরিবারের সদস্য, বিশ্বস্ত প্রতিবেশী বা নিরাপত্তাকর্মীকে জানান।
_____

একটা সিম্পল ব্যাপার মনে রাখবেন: দরজা না খোলার জন্য কাউকে ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নাই। আপনার নিরাপত্তা, সামাজিক সৌজন্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সবাই ভালো থাকুন, আপনার কাইন্ডনেস যেন দূর্বলতা না হয়, এই ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন।

14/08/2026

২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত একটানা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী কে ছিলো জানেন?
—বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি প্রধানমন্ত্রীত্বর বাইরে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন, যার মধ্যে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় একটি। আমি এখানে আজ ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে’ নিয়ে আলোচনা করবোনা, আলোচনা করবো ‘বিদ্যুৎমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে’ নিয়ে।

বিদ্যুৎমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐ দেড় দশকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো দেশের শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা। ‘খাম্বা যুগ’ থেকে আমরা প্রবেশ করেছিলাম শতভাগ বিদ্যুতের যুগে। ২০০৯ সালে যে সক্ষমতা ছিলো ৫ হাজার মেগাওয়াট, সেই বিদ্যুতের সক্ষমতা ২০২৪ সালে এসে পৌঁছেছিলো ৩০ হাজার মেগাওয়াটে। এমনকি ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছিলো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই অগ্রগতিও থমকে দিয়েছে এক ‘প্রতারণার জুলাই’।

বিদ্যুৎ মন্ত্রী হিশেবে শেখ হাসিনার সবথেকে বড়ো ও অভাবনীয় কাজ ছিলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে গেলে এর মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা হবে ২,৪০০ মেগাওয়াট। যা দিয়ে দেশের প্রায় ১৫ মিলিয়ন পরিবার অথবা বাসাবাড়িতে সেবা দেওয়া সম্ভব, দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১২% একাই পূরণ করতে সক্ষম হবে।

গ্রামের যে ঘরে একসময় সন্ধ্যার পর কেরোসিনের বাতি জ্বলত— সেখানে বিদ্যুৎ গেছে।
কৃষকের সেচে বিদ্যুৎ গেছে।
স্কুলে বিদ্যুৎ গেছে।
হাসপাতালে বিদ্যুৎ গেছে।
কারখানায় বিদ্যুৎ গেছে।
ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যুৎ গেছে।
এটাই উন্নয়নের সবচেয়ে মৌলিক অবকাঠামো।

শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ নীতির আরেকটি বড়ো দিক ছিল ভবিষ্যৎ চাহিদাকে সামনে রেখে ক্যাপাসিটি তৈরি করা।
গ্যাসের পাশাপাশি কয়লা, LNG, লিকুইড ফুয়েল, ভারত থেকে বিদ্যুৎ, রাশিয়া থেকে পারমাণবিক শক্তি এবং renewable energy— বিভিন্ন উৎসকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় যুক্ত করার চেষ্টা করেছেন।

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুধু বিদ্যুৎ কেনা ছিলো না—এটি ছিলো দক্ষিণ এশিয়ার রিজিয়োনাল পাওয়ার কো-অপারেশনের দুয়ার খোলা। অথচ সেই ভারতকে জড়িয়ে কম অপপ্রচারটা চালায়নি এখনকার ক্ষমতাসীনরা!

‘শেখ হাসিনা দুরদর্শি ছিলেন’— এ কথা মুখে বলার থেকে কাজগুলো দেখলেই বুঝাতে বেশি সুবিধা হয়। ক্রাইসিস এলে তিনি কীভাবে-কোন উপায়ে যেন সব ম্যানেজ করে নিতেন। অথচ এখন? খাম্বা যুগের শাসকরা আমাদেরকে ‘টেইক ব্যাক বাংলাদেশ’ স্লোগান শুনিয়ে ফের নিয়ে গিয়েছে সেই খাম্বা যুগে। এখন আপনার বাড়ির পাশে খাম্বা আছে ঠিকই, কিন্তু বিদ্যুৎ নেই। ঢাকা শহরের যেসব অঞ্চলে গত এক দশকে মানুষ লোডশেডিং দেখে নাই, তারাও গত কদিনে দেখে ফেলেছে। ফের অনেকগুলো কলকারখানা বন্ধ হতে শুরু করেছে।

সবথেকে বাজে অবস্থা গ্রামগুলোতে, এখানে বেশিরভাগই পল্লীবিদ্যুতের সংযোগ। দেশের ৬১ জেলায় সেবাপ্রদানকারী পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ডের হেড অফিসের কল সেন্টারে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম, আমি কাজ করেছিলাম গতবছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৫ মাস। মানুষের কী পরিমাণ ভোগান্তি, বিদ্যুৎ সংক্রান্ত অভিযোগ দৈনিক কত আসে, এবং বিদ্যুতের ভবিষ্যৎ কোন দিকে গড়াচ্ছে— সেসবের মোটামুটি ভালো একটা ধারণা ও অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। অবাক করার ব্যাপার, যেখানে পুলিশ নিজেরাই নিজেদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, সেখানে দেখলাম পল্লীবিদ্যুতের কর্মচারীরা পুলিশের কাছে চাইছে নিরাপত্তা। অবস্থা কতটা ভয়াবহ তাহলে বুঝুন!

দেশ চালাতে দক্ষতা লাগে, যোগ্যতা লাগে, এবং বিশেষকিছু ঐশ্বরিক ক্ষমতাও থাকা লাগে, কেননা নেতৃত্ব সবার জন্য না। আপনি শেখ হাসিনার মধ্যে সেইসব গুণাবলির কোনটা ঘাটতি ছিলো আমাকে দেখাতে পারবেন? হ্যাঁ, সমালোচনা ছিলো, ত্রুটি ছিলো। কিন্তু জনভোগান্তি ঠিক কবে এমন চরমে দেখেছিলেন বলুন তো? মানুষ যথেষ্ট স্বস্তিতে ছিলো।

তর্কের খাতিরে কেউ-কেউ বলবেন— লোডশেডিং তো আগেও হতো! তা মশাই, আগে হয়ে থাকলে এখনো হবে কেন? প্রতারণামূলক আন্দোলন করে আপনারা সরকার ফেলে দিলেন, আনলেন পছন্দের লোককে, বললেন দেশ বানাবেন ইউরোপ-আম্রিকা— তাহলে আমরা এখনো আগের তুলনা সহ্য করবো কোন যুক্তিতে? বরং আগে তো এত বিপর্যয় ছিলোনা।

একটি সত্য অস্বীকার করা কঠিন, ২০০৯ সালের বিদ্যুৎ-সংকটের বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালের প্রায় সর্বজনীন বিদ্যুতায়নের বাংলাদেশে যাত্রাটি ছোটো কোনো পরিবর্তন নয়। এটি একটি রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোগত রূপান্তর। আর সেই রূপান্তরের রাজনৈতিক স্থপতিদের তালিকায় শেখ হাসিনার নাম থাকবেই।

ইতিহাস তাঁকে কীভাবে বিচার করবে— তা সময় বলবে।
কিন্তু বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের ২০০৯–২০২৪ অধ্যায়কে উপেক্ষা করে সেই ইতিহাস লেখা যাবে না।

—শিশির ওয়াহিদ
১৩ আগস্ট, ২০২৬

11/08/2026

PSC তে ভালো রেজাল্ট করা ছেলেটি পরে বুঝতে পারলো হুদায় এটা কিছুই ছিলনা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র!
JSC তে ভালো রেজাল্ট করা ছেলেটি জানতে পারলো, JSC রেজাল্ট নাম মাত্র, সত্যিকারের খেলা হবে SSC তে!
SSC তে ভালো রেজাল্ট করা ছেলেটি জানতে পারলো, মূল খেলা নাকি HSC তে হয়!
এদিকে HSC চলমান পরীক্ষা দেয়া ছেলেটা জানে, মূল খেলা হয় Admission এ!
ওই দিকে সদ্য গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করা ছেলেটি জানে, মূল খেলা তো সবেমাত্র শুরু...
সফল ক্যারিয়ার শেষে সদ্য অবসরে গিয়ে লোকটি জানে, “এ জীবন কিছুই না, মৃত্যুর পরের জীবনই আসল জীবন!”
লেখা: সংগৃহীত

10/08/2026

যারা ফেল করেছিস। ভালো করেছিস। এই দেশের এসব বালের লেখাপড়া দিয়ে এখন আর কিছুই হয় না। হবেও না। বিদেশ যা। কচ্ছপের মত মাটি কামড়ে পড়ে থাক। কামলা ছামলা দিয়ে ১০/১৫ বছর পর দেশে এসে বাড়ী ঘর বানাবি। গাড়ি টারি কিনবি। ব্যবসা বানিজ্য দিবি। বউ বাচ্চা নিয়ে গাড়ি দিয়ে ঘুরবি। চিল আর চিল।

আর এদিকে তোর এ প্লাস পাওয়া বন্ধু ----
"ভাই কিছু টাকা হবে ধার ধার ? বেতন পেয়েই দিয়ে দিব"...

জীবনে শুধু একটা জিনিস মনে রাখবি, "টাকাই সব। আর বাদ বাকী সব ভুয়া। সব.... 🧛‍♂️💉🌾

কপি ফ্রম: Jayef Khan Nadim

29/07/2026

নাটকের শুরুতেই দেখা যায় বাংলা নাটকের ডোরেমন খ্যাত ফারহান জোভান হেব্বি পার্ট নিয়ে ভিআইপি গেট দিয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনে ঢুকতেছে। ভাবসাব এমন যেন বিচির ভারে হাটতে পারতেছে না। বিচির অতিরিক্ত ভার ক্যারি করার জন্য দুই বিচিগার্ড আছে সঙ্গে। পরে অবশ্য জানা যায়, ওরা বিচিগার্ড না, জুনিয়র অফিসার। যাই হোক, ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মে ওয়েট করছিল এক বিসিএসো-সেক্সুয়াল তরুণী। জোভান মেয়েটার বগলে গিয়ে বসে। বগলে মানে কাছে। দুই বিচিগার্ডসহ জোভানকে দেখেই তরুনীর জল খসে যায়। সে নায়িকা ময়ূরীর মতো করে ঠোটফোট কামড়ায়ে হর্নি কন্ঠে জোভানকে জিজ্ঞেস করে,
- আচ্ছা আপনার প্রফেশনটা কি?
- আমি খুব সাধারণ একজন।
- দেখেতো মনে হচ্ছে না। আপনার হাটাচলা আর বসার ভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে আপনার বিচি তিনটা! সত্যি করে বলুনতো, আপনি কে?
জোভান তখন মারফতি হাসি দিয়ে বলে,
- আপনি ঠিকই ধরেছেন। আমি ৪৩ তম বিচিএস এর ফরেন ক্যাডার। তবে আমার বিচি কিন্তু তিনটা না, দুটোই। অনেকের একটা ভূল ধারণা আছে যে, বিসিএস ক্যাডারদের বিচি বুঝি তিনটা। আমি আপনাকে এনশিওর করতে পারি, এই ধারণা সম্পুর্ন ভুল। বিচি দুটোই। তবে সাইজে সামান্য বড় আর ভারি।
- ওএমজি! আমার কি শাউয়োভাগ্য! একজন বিসিএস ক্যাডারের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল! আচ্ছা আপনি খুলনা কেন যাচ্ছেন?
জোভানের মারফতি হাসি তখন বাসি হয়ে যায়, মুখটা কোরবানির খাশির মতো করে বলে-
- যাচ্ছি একটা কাজে।
- কাজটা কি আমাকে বলা যায়?
কাহিনি তখন ফ্ল্যাশব্যাকে চলে আয়। দেখা যায় যে, ভার্সিটির সামনে রয়াল এনফিল্ডের উপরে টুপকি রেখে শুয়ে আছেন ভার্সিটির ড্যাশিং সিনিয়র ভাই জোভান আংকেল। বাইকের উপর শুয়ে থেমে নিউকামারদের র‍্যাগ দিচ্ছে সে। এক হাফলেডি আর এক ফুললেডিকে র‍্যাগ দেয়ার পর তিন নাম্বারে আসে নাটকের নায়িকা আইশা খান। তাকে দেখা মাত্রই শোয়া থেকে দাঁড়িয়ে যায়। জোভান। আর তার খসে যায়। চোখ থেকে চশমা। তারপর জোভান নতুনদের উদ্দেশ্যে লাগালাগি বিষয়ক একটা মাস্টারবেশন দেয়... মানে মোটিভেশন দেয়। বলে, জুনিয়রদের সিনয়রদের লাগবে৷ সিনিয়রদের জুনিয়রদের লাগবে। এইসব। একদিন এক জুনিয়র ছেলে আইশা খানকে প্রপোজ করে। তাই দেখে জোভানের দুই মাথাই গরম হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে সে সেই জুনিয়র ছেলেকে বাটাম দেয়। বাটাম খেয়ে সেই ছেলে জোভানের মাঝখানের পা চেপে ধরে মাফ চেয়ে রক্ষা পায়। তারপর জোভান আর আইশা খানের প্রেম শুরু হয়ে যায়। তারা ক্যাম্পাসে, রাস্তাঘাটে, বাইকের উপরে বিভিন্ন জায়গায় ল্যাপ্টালেপ্টি করতে থাকে। ল্যাপ্টালেপ্টির এক পর্যায়ে আইশা খানকে কোলে তুলে নিয়ে ক্লাসে পৌছে দেয় জোভান। যাই হোক, একদিন বাইকের উপর ল্যাপ্টালেপ্টির করার সময় দেখে ফেলে আইশা খানের বাবা শহীদুজ্জামান সেলিম।শহীদুজ্জাম সেলিম পেশায় মৎসচাষী। একদিন তার টেন্ডারের কাজ আরেকজন নিয়ে যাওয়ায় সেই লোককে নিজ হাতে কতল করে লাশটা তার খামারের মাগুর মাছদের দিয়ে খাওয়ায়া দেয়। অর্থাৎ আইশা খানের বাবা হচ্ছে খুলনা শহরের ডন। তো মেয়েকে জোভানের সঙ্গে ল্যাপ্টালেপ্টি করতে দেখে জোভানকে দাওয়াত দিয়ে বাসায় নিয়ে আসে সে। তারপর বলে, জোভানের সঙ্গে মেয়ে বিয়ে দিতে আপত্তি নাই তার, তবে সে জন্য জোভানকে বিসিএস ক্যাডার হতে হবে। জোভান তখন বিসিএস কোচিং করার জন্য ঢাকা চলে আসে। কিন্তু ছয় মাস যাইতে না যাইতেই শহীদুজ্জামান সেলিম ছলনা করে অন্য জায়গায় মেয়ের বিয়ে ঠিক করে। এই খবর পেয়ে জোভানের বিচিবুচি কান্ধে উঠে যায়। সে বাইকে চরে কমুনেটি সেন্টারে চলে আসে। শহীদুজ্জামান সেলিম তখন বলে, তোর এত বড় আশপোটকা! বামন হয়ে পোদ ধরতে চাস। তুই জানিস, আমার কত টাকা! ইয়্যু গরীবের বাচ্চা!
জোভান তখন বলে, চৌধুরী সাহেব, আমি টাকা দেখে আপনার মেয়েকে ভালবাসিনি। অন্য কিছু দেখে বেসেছি।
তখন শহীদুজ্জামান সেলিম তার কালো বন্দুক বের করে গুলি করে দেয়। কিন্তু জোভানকে বাচাতে সামনে চলে আসে আইশা খান। ফলে তার বুকে গুলি লাগে।
কাহিনি আবার বর্তমানে চলে আসে, স্টেশনের সেই বিসিএসোসেক্সুয়াল মেয়ে বলে, তাহলে আপনি খুলনা যাচ্ছেন কেন?
জোভান কিছু না বলে আবার মারফতি হাসি দেয়। তারপর ট্রেনে উঠে পরে। রাতের বেলা ঢাকা থেকে ট্রেনে উঠে কয়েক ঘন্টা জার্নি করে রাতের বেলাতেই খুলনা স্টেশনে (আসলে কমলাপুরই, বাজেট কম থাকায় একটা কাগজে 'খুলনা' লিখে ঝুলায়ে দিছে) নেমে পড়ে। ও মা! হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে শাড়ি পরে স্টেশনে হাসিমুখে দাঁড়ায়ে আছে জলজ্যান্ত আইশা খান। ব্যাকগ্রাউন্ডে তখন জোভানের রুহানি ভয়েস শোনা যায়, 'মন থেকে চাওয়া মানুষটাকে আল্লাহ সেদিন আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে!’
মানে কী পরিমান চোদনা হইলে এমন স্ক্রিপ্ট লেখা যায়!

22/07/2026

তুমি ব্রাজিলের খেলায় জাপান সাজছিলা। কিন্তু এখন কোনো ব্রাজিলকে স্পেন সাজতে দিতে চাও না। রাগ করলা?

তুমি জার্মানির দেওয়া ৭ গোলকে নিজেদের গোল মনে কইরা উল্লাস করো। কিন্তু স্পেনের জয় উদযাপন করলে ব্রাজিলের ওপর মাইন্ড করো। রাগ করলা?

ব্রাজিল ১৬ থেইকা বিদায় নিছে বইলা তুমি ব্রাজিলের চেয়ে নিজেকে বড় মনে করো। অথচ ব্রাজিলের বিশ্বকাপের সংখ্যা তোমার চেয়ে ২টা বেশি, তখন তুমি ব্রাজিলকে বড় মনে করো না। রাগ করলা?

21/07/2026

আমার দাদা অনেক অনেক পরিশ্রমী ছিলো। সে বহু কষ্টে তার পোলার জন্য অনেক টাকাপয়সা, সম্পত্তি রেখে গেছে। আমার বাপ সেগুলো কাজে লাগায়ে নিজের পরিশ্রম দিয়ে তার পোলা মানে আমার জন্য ও অনেক সম্পত্তি রেখে গেছে। কিন্তু আমি একটু কম পরিশ্রমী। আমি আমার দাদা আর বাপের সম্পত্তি বাড়াতে পারিনি ঠিকই কিন্তু সেগুলো নষ্ট না করে আগলায়ে রাখছি সবকিছু। তাতেও আমার দাদা আর আমার বাপের যা সম্পত্তি, টাকাপয়সা আছে তা দিয়েই আমি জমিদারের মতো চলতে পারি। আমি একটু কম পরিশ্রমী জন্য আমি বিসিএস ক্যাডার হতে পারিনি, কিন্তু সরকারি ব্যাংকে অফিসার হিসেবে একটা চাকরি জুটাইছি ঠিকই। সেই সাথে আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি দিয়ে আমার এখনো দিব্যি চলে যাচ্ছে। এখনো আমার টাকাপয়সার কাছে আশেপাশের লোকজন দুধভাত।

কুদ্দুসের দাদা ছিলো চোর। চুরি করে সেই টাকাপয়সা দিয়ে সে কয়েক বিঘা জমি কিনছিলো। কুদ্দুদের বাপেও ছিলো চোর। কিন্তু সেই চোরের আবার অনেক গুণ ছিলো। মানুষকে ছলেবলে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতে পারতো। মাঝেমাঝে নাকি তার ভিতর ঈশ্বর ভর করতো। তখন সেই হাতে সে চুরি করতো। কিন্তু কুদ্দুস হইছে ভদ্র। সে পরিশ্রম করে দুনিয়া উল্টায়ে ফেলছে। কুদ্দুস চাকরির পরীক্ষা দেয় আর ভাইভায় ফেইল করে বারবার। একই বোর্ডে কয়েকবার ভাইভা দেওয়ায় স্যারেরা মায়াদয়া দেখায় একবার তাকে বিসিএস তথ্য ক্যাডার বানায়ে দিছে। এই দেখে কুদ্দুসের জিহবা লকলক করে উঠছে। সে এখন এডমিন ক্যাডার চায়। তথ্য ক্যাডার দিয়ে তার পুষায় না। যদিও তথ্য ক্যাডার হওয়ার পর সে আশেপাশের সবার পুটকিতে আঙ্গুল দিয়ে বেড়াইছে। #ট

নে আমার বাপদাদার টাকাপয়সা যে আমি আগলে রাখছি সেই সাথে ছোটখাটো একটা চাকরি করি সেখানেও চুগলি করে সবসময়। এবারও অনেক কষ্টে চুরিচামারি করে সে ভাইভা বোর্ডে গেছে। এবার স্যারেরা তাকে কুত্তার মতো খেদায়ে দিছে। এখন কুদ্দুসরে আবুল, খয়ের, সাদ্দাম যে পাচ্ছে সেই ঠাপাচ্ছে। এখন কুদ্দুস কি করবে?

আমার আর কুদ্দুসের কাহিনীই এখানে শেয়ার করলাম। কেউ আবার এর ভিতর ফুটবল টেনে আনবেন না প্লিজ।

20/07/2026

🇨🇭 (Rank 19) 0 goals
🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿 (Rank 4) 0 goals
🇪🇸 (Rank 1) 0 goals

Give me freedom, give me fire, give me Algeria or I retire.

Address

Sector-14, Uttara Model Town
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IBA BBA MBA EMBA DU BCS BANK JOB Public & Private University Admission posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share